

ঝিনাইদহ
হরিনাকুন্ডুতে পূর্ব শত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সমর্থকদের
মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার
(২০ জুন) সকালে হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ফলসী ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা
হলেন- ছানোয়ার হোসেন ছনো (৫৫), মিজান আলী (৪৫), বিভান আলী (২২), ঝন্টু মিয়া (৪৫), মতিয়ার
রহমান (৫০), আক্তার মোল্লা (৩২), রাশিদুল ইসলাম (৩৫), বরকত মোল্লা (৪০), ফেন্টু মিয়া
(৫০), মশিয়ার মেম্বার (৪২), গোলাপফার (৪৯), তোজিবার মোল্লা (৬৫), কবির মন্ডল (৩০),
রুবেল মন্ডল (৩২), কাবিল (৪০), তোতা মিয়া (৩৪), নুর আলী (৫৪) ও বাচ্চু মিয়া (৩২)।
তাদেরকে হরিণাকুন্ডু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
গুরুতর আহত পাঁচজনকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ও তিনজনকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়েছে।
জানা
গেছে, পূর্ব শত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শনিবার সকালে বোয়ালিয়া গ্রামে
বজলুর রহমান চেয়ারম্যান গ্রুপের লোকজনের সঙ্গে বিএনপি সমর্থিত মশিয়ার রহমান (সাবেক
ইউপি সদস্য) সমর্থকদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে
পড়ে।
সাবেক
ইউপি সদস্য মশিয়ার রহমান বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র আমাদের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়
আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যানের লোকজন। আমাদের ৭ জন আহত হয়েছেন।
এ
ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা বজলুর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হরিণাকুণ্ডু
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) অসিত কুমার রায় বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ
থেকে অভিযোগ পাইনি। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। ওই
গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি
খুঁজে পায় নিজস্ব ঐতিহ্য,সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ দেয়া এক বাণীতে বলেন, শুভ
নববর্ষ-১৪৩১’ পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির জীবনে পরম আনন্দের একটি দিন। আনন্দঘন
এই দিনে আমি দেশে ও বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে জানাই বাংলা নববর্ষের
শুভেচ্ছা। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা বিশ্ব
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন ও আদর্শের
অন্যতম ভিত্তি ছিল দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও জাতীয় চেতনার উন্মেষ। সেই চেতনায়
উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধু কারারুদ্ধ জীবনে সহবন্দিদের নিয়ে নববর্ষ উদযাপন
করেছিলেন। জাতীয় সংস্কৃতির এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জাতি হিসেবে বাঙালির জন্য
পরম গৌরব ও মর্যাদার।
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি খুঁজে পায় নিজস্ব
ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ। দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতাকে ভুলে সবাই জেগে
ওঠে নব আনন্দে, নব উদ্যমে। বৈশাখের আগমনে বেজে উঠে নতুনের জয়গান। ফসলি সন
হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল,সময়ের সাথে আজ সমগ্র বাঙালির
অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে।
এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের
আত্মবিকাশ ও বেড়ে ওঠার প্রেরণা। বৈশাখ শুধু উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।বাঙালি
সংস্কৃতির বিকাশ,আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মুক্তিসাধনায় পহেলা বৈশাখ এক অবিনাশী শক্তি।
বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও গণতান্ত্রিক বিকাশে সংস্কৃতির এই শক্তি রাজনৈতিকতন্ত্রের
চেতনাকে দৃঢ় ও বেগবান করে।
"পহেলা বৈশাখ আমাদেরকে উদার হতে শিক্ষা দেয় এবং একটি আদর্শ জাতিকে মানব সমাজের অনুপ্রাণিত হয়ে
বিশ্বমানবের সঙ্গে মিশে যাওয়ার শক্তি জোগায়। এই উদারনৈতিক চেতনাকে ধারণ করে
বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রদর্শন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আদর্শ এবং রাষ্ট্রভাষা চেতনার
বহ্নিশিখা অন্তরে ধারণ করে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ
বিনির্মাণ হোক আজকের দিনে সকলের অঙ্গীকার।"
ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকলে মিলে নাচ-গান, শোভাযাত্রা,
আনন্দ-উৎসব, হরেক রকম খাবার ও বাহারি সাজে বৈশাখকে বরণ করে নেয় উৎসবপ্রেমী বাঙালি
জাতি। নতুন বছরে যাত্রাপালা, পুতুলনাচ, লোকসংগীত, গ্রামীণ খেলাধুলা, মেলাসহ
নানাবিধ বর্ণিল আয়োজন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয় আনন্দ ও সম্প্রীতির নতুন
বার্তা।
রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা - সকল অশুভ ও অসুন্দরের ওপর সত্য ও
সুন্দরের জয় হোক। ফেলে আসা বছরের সব শোক-দুঃখ-জরা দূর হোক, নতুন বছর জাতীয় ও ব্যক্তিজীবনে
নিয়ে আসুক অনাবিল সুখ ও সমৃদ্ধি।
মন্তব্য করুন


ঢাকার সাহ্রি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করবে এ সময়সূচি। ২ মার্চ প্রথম রোজার সাহ্রির শেষ সময় ভোর ৫টা ৪ মিনিট ও ইফতারির সময় ৬টা ২ মিনিট।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন আরও জানায়, দূরত্ব অনুযায়ী ঢাকার সময়ের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৯ মিনিট যোগ করে অথবা ৯ মিনিট বিয়োগ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ সাহ্রি ও ইফতার করবেন।
রোজা | মার্চ | বার | সাহরি শেষ | ফজর শুরু | ইফতারের সময় |
*০১ | ২ মার্চ | রোববার | ৫-০৪ মি. | ৫-০৫ মি. | ৬-০২ মি. |
০২ | ৩ মার্চ | সোমবার | ৫-০৩ মি. | ৫-০৪ মি. | ৬-০৩ মি. |
০৩ | ৪ মার্চ | মঙ্গলবার | ৫-০২ মি. | ৫-০৩ মি. | ৬-০৩ মি. |
০8 | ৫ মার্চ | বুধবার | ৫-০১ মি. | ৫-০২ মি. | ৬-০৪ মি. |
০৫ | ৬ মার্চ | বৃহস্পতিবার | ৫-০০ মি. | ৫-০১ মি. | ৬-০৪ মি. |
০৬ | ৭ মার্চ | শুক্রবার | ৪-৫৯ মি. | ৫-০০ মি. | ৬-০৫ মি. |
০৭ | ৮ মার্চ | শনিবার | ৪-৫৮ মি. | ৪-৫৯ মি. | ৬-০৫ মি. |
০৮ | ৯ মার্চ | রোববার | ৪-৫৭ মি. | ৪-৫৮ মি. | ৬-০৬ মি. |
০৯ | ১০ মার্চ | সোমবার | ৪-৫৬মি. | ৪-৫৭ মি. | ৬-০৬ মি. |
১০ | ১১ মার্চ | মঙ্গলবার | ৪-৫৫ মি. | ৪-৫৬মি. | ৬-০৬ মি. |
১১ | ১২ মার্চ | বুধবার | ৪-৫৪ মি. | ৪-৫৫ মি. | ৬-০৭ মি. |
১২ | ১৩ মার্চ | বৃহস্পতিবার | ৪-৫৩ মি. | ৪-৫৪ মি. | ৬-০৭ মি. |
১৩ | ১৪ মার্চ | শুক্রবার | ৪-৫২ মি. | ৪-৫৩ মি. | ৬-০৮ মি. |
১৪ | ১৫ মার্চ | শনিবার | ৪-৫১ মি. | ৪-৫২ মি. | ৬-০৮ মি. |
১৫ | ১৬ মার্চ | রোববার | ৪-৫০ মি. | ৪-৫১ মি. | ৬-০৮ মি. |
১৬ | ১৭ মার্চ | সোমবার | ৪-৪৯মি. | ৪-৫০ মি. | ৬-০৯ মি. |
১৭ | ১৮ মার্চ | মঙ্গলবার | ৪-৪৮ মি. | ৪-৪৯মি. | ৬-০৯ মি. |
১৮ | ১৯ মার্চ | বুধবার | ৪-৪৭ মি. | ৪-৪৮ মি. | ৬-১০ মি. |
১৯ | ২০ মার্চ | বৃহস্পতিবার | ৪-৪৬ মি. | ৪-৪৭ মি. | ৬-১০ মি. |
২০ | ২১ মার্চ | শুক্রবার | ৪-৪৫মি. | ৪-৪৬ মি. | ৬-১০ মি. |
২১ | ২২ মার্চ | শনিবার | ৪-৪৪ মি. | ৪-৪৫মি. | ৬-১১ মি. |
২২ | ২৩ মার্চ | রোববার | ৪-৪৩ মি. | ৪-৪৪ মি. | ৬-১১ মি. |
২৩ | ২৪মার্চ | সোমবার | ৪-৪২ মি. | ৪-৪৩ মি. | ৬-১১ মি. |
২৪ | ২৫ মার্চ | মঙ্গলবার | ৪-৪১মি. | ৪-৪২ মি. | ৬-১২মি. |
২৫ | ২৬ মার্চ | বুধবার | ৪-৪০ মি. | ৪-৪১মি. | ৬-১২মি. |
২৬ | ২৭ মার্চ | বৃহস্পতিবার | ৪-৩৯ মি. | ৪-৪০ মি. | ৬-১৩মি. |
২৭ | ২৮মার্চ | শুক্রবার | ৪-৩৮ মি. | ৪-৩৯ মি. | ৬-১৩মি. |
২৮ | ২৯মার্চ | শনিবার | ৪-৩৬ মি. | ৪-৩৮ মি. | ৬-১৪মি. |
২৯ | ৩০ মার্চ | রোববার | ৪-৩৫ মি. | ৪-৩৬ মি. | ৬-১৪মি. |
৩০ | ৩১ মার্চ | সোমবার | ৪-৩৪ মি. | ৪-৩৫ মি. | ৬-১৫মি. |
রমজানের সাহ্রি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৫
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) আবাসিক এলাকায় একটি পুরোনো ভবনের ছাদের অংশ ধসে পড়ার
ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার
(২২ জুন) ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় রাত ৯টা ২৯ মিনিট মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর
প্রভাবেই ভবনটির ছাদের কার্নিশের একটি অংশ ভেঙে নিচে পড়ে যায়।
বিষয়টি
নিশ্চিত করে পলাশী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ওয়্যারহাউস কর্মকর্তা অপু কুমার মণ্ডল জানান,
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকম্পের কারণে ভবনের ছাদের কার্নিশের একটি অংশ
ভেঙে নিচে পড়ে যায়। ঘটনার পরপরই এলাকাটি ঘিরে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা
হয়।
তিনি
আরও জানান, ভবনটিতে যেহেতু মানুষ বসবাস করছেন, তাই বাসিন্দাদের সার্বিক নিরাপত্তার
বিষয়টি বিবেচনা করে বুয়েট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ
দেওয়া হয়েছে। ভবনটির দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রকৌশলীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং তিনি দ্রুত
প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ শুরু করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থল
পরিদর্শন করে কোনো গুরুতর আহত ব্যক্তিকে পায়নি।
ভূমিকম্প
পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ভলকানো ডিসকভারের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল
রিখটার স্কেলে ৪। এর কেন্দ্রস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার (১০ মাইল) গভীরে,
যা তুলনামূলকভাবে অগভীর হিসেবে বিবেচিত।
ভূমিকম্প
পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২২ জুন) ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল
রিখটার স্কেলে ৪। এর কেন্দ্রস্থল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার গভীরে, যা তুলনামূলকভাবে
অগভীর ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত।
ঘটনার
পর বুয়েটের প্রো-ভিসি ড. আব্দুল হাসিব চৌধুরী এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক
ও খ্যাতিমান স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার ড. খান মুহাম্মদ আমানত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
তারা ভবনের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের
নির্দেশনা দেন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি ভবনটির নিরাপত্তা মূল্যায়ন ও সংস্কার কার্যক্রম
দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মন্তব্য করুন


প্রধান
নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আগামী নির্বাচনে প্রবাসীরা
ভোট দিতে পারবেন। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে নির্বাচন কমিশন।
আজ
শনিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে সিলেট সার্কিট হাউসে সিলেট অঞ্চলের নির্বাচন কর্মকর্তাদের
সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় একথা বলেন তিনি।
সিইসি
এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ঘোষিত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোট আয়োজন
করতে কাজ করছে কমিশন। নির্দিষ্ট নীতিমালার মাধ্যমে নির্বাচনের যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
মন্তব্য করুন


ভারতের
উত্তরপ্রদেশের প্রেমের সম্পর্কের জেরে মা ও দুই ভাই মিলে এক তরুণীকে হত্যা করেছেন।
তবে তারা বিষয়টিকে অসুস্থতাজনিত মৃত্যু বলে চালিয়ে তার মরদেহ দাহও করে ফেলেছে। কিন্তু
প্রেমিকের অভিযোগের ভিত্তিতে পরে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। যারমধ্যে ওই তরুণীল
মা-ভাই ছাড়াও আরও দুই চাচা রয়েছেন।
সংবাদমাধ্যম
টাইমস অব ইন্ডিয়া রোববার (২৬ জুলাই) জানিয়েছে, গত শুক্রবার ওই তরুণীর প্রেমিক হার্ষিত
পুলিশের দারস্থ হন। তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন, তার প্রেমিকাকে পরিবারের সদস্যরা
হত্যা করেছে।
অভিযোগে
হার্ষিত বলেছেন, তার প্রেমিকার নাম হিমার্ষী। ২০ বছরের হিমার্ষীর সঙ্গে তার দেড় বছরের
বেশি সম্পর্ক ছিল। গত বৃহস্পতিবার পরিবারের সদস্যরা হিমার্ষীকে হত্যা করার পর ওইদিন
রাতেই তার মরদেহ দাহ করে ফেলে। যেন কেউ বুঝতে না পারেন তারা তাকে হত্যা করেছেন। অভিযোগের
পর পুলিশ তদন্ত করে শুক্রবার রাতে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। প্রেমিক হার্ষিত আরও বলেছেন,
তিনি ও তার প্রেমিকা ভিন্ন বর্ণের হওয়ার কারণে হিমার্ষীর পরিবার অব্যাহতভাবে এ সম্পর্কের
বিরোধীতা করে আসছিল।
এদিকে
এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা গেছে,
হিমার্ষী তার বাড়ি থেকে বের হয়ে একটি দোকানে গেছেন। সেখানে আগে থেকেই তার প্রেমিক উপস্থিত
ছিল। এপর হিমার্ষীর পরিবার সেখানে গিয়ে দুজনকেই মারধর করে। প্রেমিক হার্ষিত বলেছেন
তিনি নিজেও এখন তার জীবনের শঙ্কা করছেন।
মন্তব্য করুন


রমজানে
সরকারি প্রাথমিক স্কুলগুলো আগামী ২১ মার্চ এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল ২৫ মার্চ পর্যন্ত
খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
রমজানে
খোলা রাখা বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনার পর মঙ্গলবার (১২ মার্চ) এ সিদ্ধান্তের কথা
জানানো হয়।
শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১১ মার্চ - ২৫ মার্চ পর্যন্ত মোট ১৫ দিন সরকারি-বেসরকারি
মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক স্কুলের শ্রেণি কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
গত
বছরের ১৩ ডিসেম্বর সরকারি/বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক স্কুলের ২০২৪ সালের (১৪৩০-১৪৩১
বঙ্গাব্দ) শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করা হয়েছে।
নতুন
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত মোট ১৫ দিন সরকারি/বেসরকারি মাধ্যমিক
ও নিম্নমাধ্যমিক স্কুলের শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে।
প্রাথমিক
ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন জানান, সরকারি প্রাথমিক
স্কুলগুলো ১০ রমজান পর্যন্ত খোলা থাকবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দুই
আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত ডেথ রেফারেন্স (যাবতীয় নথি)
হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার
(৯ জুন) বিচারিক আদালত থেকে এ নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এর আগে রোববার (৭ জুন) ঢাকা
মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে
ট্রাইব্যুনাল বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা অনুযায়ী আসামিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা হবে।
একইসঙ্গে
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মৃত্যুদণ্ড
কার্যকর হবে। এ ছাড়া আসামি সোহেলকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা
করা হয়েছে। জরিমানার টাকা রামিসার আইনি উত্তরাধিকারকে দিতে বলা হয়েছে।
জরিমানা
অনাদায়ে সংশ্লিষ্ট কালেক্টরেট অফিসকে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করে বিক্রির
মাধ্যমে ওই অর্থ রামিসার আইনি উত্তরাধিকারদের প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। রায়ে আরও
বলা হয়েছে, আসামিরা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারার বিধান অনুযায়ী
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারবেন। হত্যাকাণ্ডের ১৯ দিনের মাথায়
এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। এর আগে ২৫ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক
অহিদুজ্জামান আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিন মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে
পাঠানো হয়।
১
জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। ২ জুন রাষ্ট্রপক্ষে ১৬
জন সাক্ষ্য দেন এবং একদিনেই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ৩ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায়
আসামিদের পরীক্ষা করা হয়।
১৯
মে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনার পর জানালার গ্রিল কেটে আসামি সোহেল রানা
পালিয়ে যায়। পরে ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ স্বপ্না খাতুনকে হেফাজতে নেয় এবং নারায়ণগঞ্জের
ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রামিসার
বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। ২১ মে আসামি সোহেল রানা ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক
জবানবন্দি দেন।
ভিকটিম
রামিসার বাবা পরিবারের সঙ্গে পল্লবীর সেকশন-১১, ব্লক-বি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং
বনানীতে একটি বেসরকারি অফিসে চাকরি করতেন। রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয়
শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
আনোয়ারা উপজেলায় ঘরে ঢুকে মা ও মেয়েকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় পাঁচ বছর বয়সী
এক শিশুও গুরুতর আহত হয়েছে।
শনিবার
(১৩ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চেনামতি বড়ুয়া
পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত
দুজন হলেন, এনি বড়ুয়া (৪০) ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। আহত শিশুটির নাম পিয়াস
বড়ুয়া (৫)।
তাদের
বাড়ি চেনামতি বড়ুয়া পাড়া বৌদ্ধবিহার মন্দির সংলগ্ন এলাকায়। জানা গেছে, পরিবারের কর্তা
ব্যক্তি সুজন বড়ুয়া। তিনি চট্টগ্রাম নগরের খাতুনগঞ্জ এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে নিরাপত্তাকর্মী
হিসেবে কর্মরত।
প্রতিবেশী
সুরভী বড়ুয়া জানান, রাতে চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। গিয়ে দেখা
যায়, ঘরের দরজার সামনে এনি বড়ুয়া ও তার ছেলে পিয়াস রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ঘরের
ভেতরে পাওয়া যায় প্রিয়ন্তী বড়ুয়ার রক্তাক্ত দেহ।
স্থানীয়
লোকজন আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নিলে ঘটনাস্থলেই এনি বড়ুয়ার মৃত্যু
হয়। আহত পিয়াসকে উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
নিহত
এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া দাবি করেছেন, প্রতিবেশী লিমন বড়ুয়া তেজপ্রিয়র সঙ্গে তার
আর্থিক লেনদেন ছিল। তার ধারণা, ওই লেনদেন সংক্রান্ত কাগজপত্রের খোঁজে বাড়িতে এসে হামলার
ঘটনাতে পারে।
সুজন
বড়ুয়া বলেন, আমি শহরে ছিলাম। রাতে বড় ভাইয়ের ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি সব শেষ হয়ে গেছে।
তিনি
আরও দাবি করেন, মৃত্যুর আগে তার স্ত্রী হামলাকারী হিসেবে লিমন বড়ুয়া তেজপ্রিয়র নাম
উল্লেখ করেছিলেন।
আনোয়ারা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, দুর্বৃত্তদের হামলায় মা
ও মেয়ে নিহত হয়েছেন এবং এক শিশু আহত হয়েছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য
মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি
বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান
শুরু করেছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশে চোখের যত্ন ও পরিষেবা সম্প্রসারণের জন্য অলাভজনক প্রতিষ্ঠান
অরবিস ইন্টারন্যাশনালের সাথে কাজ ও সহযোগিতা করার জন্য বাংলাদেশের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
অরবিস ইন্টারন্যাশনালের
প্রেসিডেন্ট ও সিইও ডেরেক হডকির সাথে এক বৈঠকে তিনি বলেন, বাংলাদেশে চোখের যত্নের সেবা
সম্প্রসারণ করতে হবে এবং এ লক্ষ্যে আরা অরবিস ইন্টারন্যাশনালের সাথে কাজ করতে প্রস্তুত।
আজ শুক্রবার (২২
নভেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হড, অরবিস ফ্লাইং আই হাসপাতালের প্রশিক্ষণ
কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডেরেক বাংলাদেশ সফর করছেন। এখন চট্টগ্রামে প্রশিক্ষণ চলছে। ডেরেকে
গত বুধবার (২০ নভেম্বর) রাজধানীতে অধ্যাপক ইউনূসের সাথে তার কার্যালয়ে দেখা করেন।
অরবিস বাংলাদেশের
কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. মুনির আহমেদ প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাতের সময় ডেরেকের সাথে
ছিলেন। অরবিস প্রেসিডেন্ট প্রধান উপদেষ্টাকে ফ্লাইং আই হাসপাতালের একটি মডেল সংস্করণ
উপস্থাপন করেন। অধ্যাপক ইউনূস এটির ভূয়সী প্রশংসা করেন।
ডেরেক অরবিস ইন্টারন্যাশনালের
কাজ সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবিহিত করেন। অরবিস ১৯৮২ সালে বিশ্বব্যাপী দৃষ্টি-সংরক্ষণ
কর্মসূচি শুরু করেছিল। অরবিস গত ৩৯ বছর ধরে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের
সাথে কাজ করছে।
ডেরেক বলেন, এই সময়ের
মধ্যে, অরবিস এ পর্যন্ত কমিউনিটি আউটরিচ ইভেন্টে ৭.৮ মিলিয়নেরও বেশি চোখের স্ক্রীনিং
পরিচালনা করেছে, প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের মধ্যে ৪.৫ মিলিয়নেরও বেশি ব্যক্তিকে ওষুধ ও
অপটিক্যাল চিকিৎসা প্রদান করেছে, ২৫৮,০০০টিরও বেশি চোখের সার্জারি করেছে এবং বাংলাদেশের
৪০ হাজারের বেশি লোককে চোখের যত্ন নেয়ার বিষয়ে প্রশিক্ষিত করেছে।
অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশে
চক্ষু স্বাস্থ্য খাতে অরবিসের অবদানের কথা স্বীকার করেন এবং ফ্লাইং আই হাসপাতালের প্রতি
তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অরবিস এখন বাংলাদেশে ১১তম প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা
করছে।
ড. ইউনূস বলেন, ‘আমি
অরবিসকে ভালোবাসি। আমি ফ্লাইং আই হসপিটালকে ভালোবাসি।’ তিনি উলে¬খ করেন যে, অরবিস বাংলাদেশে
চোখের স্বাস্থ্য খাতে ভূমিকা পালনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম।
ডেরেক বলেন, অরবিস
ব্যক্তি, পরিবার ও জনগোষ্ঠীকে সাহায্য করার জন্য বিশ্বব্যাপী ২ শতাধিক দেশ ও ভূখণ্ডে
দৃষ্টি সংরক্ষণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
বিশ্বজুড়ে প্রায় এক
বিলিয়ন মানুষ সম্পূর্ণভাবে পরিহারযোগ্য অন্ধত্ব ও দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের সমস্যা নিয়ে
বসবাস করছে উলে¬খ করে ডেরেক বলেন, চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অরবিস জোরদার ও টেকসই চোখের
যত্ন ব্যবস্থা নিয়ে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে।
অরবিস প্রেসিডেন্ট বলেন, অলাভজনক এ প্রতিষ্ঠানটি আফ্রিকা, এশিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকায় বিশেষ কর্মসূচি পরিচালনা করছে এবং প্রশিক্ষণ প্রদান ও প্রযুক্তির প্রয়োগ করছে।
তিনি বলেন, গত চার
দশক ধরে অরবিস শিশুদের চোখের যত্ন, মাইক্রোসার্জারি, রেটিনাল সার্জারি, কর্নিয়ার রোগ,
প্রিম্যাচুরিটি রেটিনোপ্যাথি এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির ওপর গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশের
স্থানীয় অংশীদারদের দক্ষতা ও জ্ঞানের উন্নতিতে সাহায্য করেছে।
ডেরেক এ সময় প্রধান
উপদেষ্টাকে আরো অবিহিত করেন যে, অরবিস সারা দেশে বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় ৪২টি দৃষ্টি
সেবা কেন্দ্র স্থাপন করে চোখের যত্নের সাথে জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করেছে; ১৭টি সেকেন্ডারি
হাসপাতাল, চারটি তৃতীয় হাসপাতাল, দুটি ওয়েট ল্যাব, একটি মানসম্পন্ন রিসোর্স সেন্টার
ও একটি ডিজিটাল ট্রেনিং হাব প্রতিষ্ঠা বা উন্নতিতে সহায়তা করেছে।
মন্তব্য করুন


বিশ্বকাপ
ফুটবলের আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে রেফারিংয়ে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে ফিফার সভাপতি ও ম্যাচ
রেফারির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় হাজির নোয়াখালীর এক যুবক। একইসঙ্গে তিনি
পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
অভিযোগকারী
মো. রাকিব (২২) নোয়াখালী সদর উপজেলার মান্দারতলী গ্রামের বাসিন্দা। বুধবার (৮ জুলাই)
রাতে তিনি সুধারাম মডেল থানায় অভিযোগ নিয়ে হাজির হন। তবে বিষয়টি স্থানীয় থানার আইনগত
এখতিয়ারের বাইরে হওয়ায় পুলিশ অভিযোগটি গ্রহণ করেনি।
অভিযোগপত্রে
রাকিব উল্লেখ করেন, মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় করমুল্যা বাজারে বড় পর্দায় আর্জেন্টিনা ও
মিশরের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখার সময় তিনি রেফারির একাধিক সিদ্ধান্তে পক্ষপাতিত্ব
দেখতে পান। তার দাবি, অন্যায্য পেনাল্টি প্রদান, বৈধ গোল বাতিল এবং মিশরের খেলোয়াড়
ও কোচিং স্টাফের বিরুদ্ধে অন্যায্য সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত করা
হয়েছে।
তিনি
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, ম্যাচ রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরসহ ১৫ থেকে ২০
জনকে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। অভিযোগে বলা হয়, এসব সিদ্ধান্তে তিনি ও মিশরের সমর্থকেরা
মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাই ফিফার কাছ থেকে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ এবং অভিযুক্তদের
বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।
ঘটনাটি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। থানায় ফিফা সভাপতি
ও ম্যাচ রেফারির বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়ার বিষয়টিকে অনেকেই ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয়
ফুটবলপ্রেমী মো. ইমরান হোসেন বলেন, ফুটবল নিয়ে আবেগ থাকতেই পারে। তবে আন্তর্জাতিক একটি
ম্যাচের রেফারিং নিয়ে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দেয়া সত্যিই ব্যতিক্রমী ঘটনা। বিষয়টি এলাকায়
ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।
নোয়াখালী
জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিন মিলকি বলেন, খেলাধুলায় জয়-পরাজয় থাকবে, আর রেফারির
সিদ্ধান্ত নিয়েও বিতর্ক হতে পারে। তবে এসব বিষয়ে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থার নিজস্ব
নিয়ম ও প্রক্রিয়া রয়েছে। খেলাকে খেলাধুলার মানসিকতায় গ্রহণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সুধারাম
মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, এক যুবক এমন একটি
লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় এসেছিলেন। তবে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংক্রান্ত এ ধরনের বিষয়ে
স্থানীয় থানার কোনো আইনগত এখতিয়ার নেই। বিষয়টি তাকে বুঝিয়ে বলা হয়েছে।
এদিকে,
বৃহস্পতিবার সকালে মো. রাকিব বলেন, ম্যাচে যা হয়েছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।
আমি মনে করি, কোটি কোটি দর্শকের আবেগের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। পুলিশ অভিযোগ নেয়নি,
তাই আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রয়োজনে মানববন্ধনসহ অন্যান্য কর্মসূচিও পালন
করব।
মন্তব্য করুন