

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেছেন, বিএনপি যতবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে, ততবারই কুমিল্লার উন্নয়নে কাজ করেছে। বর্তমানেও কুমিল্লাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও উন্নত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী সদর দক্ষিণকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে দিয়েছেন। আমার পক্ষ থেকেও কুমিল্লার উন্নয়নে যা যা করা সম্ভব, আমি করে যাব। কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)-এর আইন আমার হাত দিয়েই সংসদে পাস হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় টাউনহল মাঠে নাগরিক সমাবেশের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, কুমিল্লাকে একটি পরিকল্পিত নগরীতে রূপ দিতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের অংশ হিসেবে কুমিল্লা থেকে সরাসরি কক্সবাজার পর্যন্ত রেল যোগাযোগ চালুর বিষয়ে রেল উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, এই সরকারের আমলেই কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন হবে বলে আমরা আশাবাদী। পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি কৃষি কোর্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা এ অঞ্চলের উচ্চশিক্ষা ও কৃষি গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০০ শয্যা রয়েছে। এ হাসপাতালকে আরও সম্প্রসারণ করে অতিরিক্ত ৫০০ থেকে এক হাজার শয্যার সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় কুমিল্লায় সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। সকলের অংশগ্রহণেই দেশ আরও এগিয়ে যাবে।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমীরুজ্জামান আমীরে সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা-০৬ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


খুলনার
কয়রায় মহারাজপুরে আম খাওয়ার পর ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায়
একই পরিবারের আরও ৪ জন সদস্য অসুস্থ অবস্থায় কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি
হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মৃত
নারীর নাম লতিকা সানা (৫৫)। এছাড়া অসুস্থরা হলেন, একই পরিবারের তুলসি সানা (৪২), ইন্দ্রজিৎ
সানা (১৪), বিবেকানন্দ সানা (৬০) ও প্রকাশ সানা (৫১)। তারা সবাই মঠবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।
এলাকাবাসী
ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ৯ জুন রাতে পরিবারের ৫ সদস্য হায়াতখালী বাজার
থেকে কেনা আম খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন ভোর থেকে পেটের সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন তারা।
একপর্যায়ে অবস্থার অবনতি হলে ১০ জুন বিকেলে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি
করা হয়।
মৃত
লতিকা সানার পরিবারের নিকট আত্মীয় নিতিশ সানা বলেন, রাতে আম খাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা
স্বাভাবিকভাবেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ভোর থেকে তাদের পেট খারাপ হয়। তবে হাসপাতালে নিয়ে
যাওয়ার আগেই ওই নারীর মৃত্যু হয়।
কয়রা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুজিত কুমার বৈদ্য জানান,
ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ৫ জনকে বুধবার বিকেলে হাসপাতালে আনা হলে একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া
যায়। বাকি ৪ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।
তিনি
আরও বলেন, আমে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হতে পারে। অথবা বাড়িতে সংরক্ষণের
পর কোনোভাবে বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে আসতে পারে, যা খেয়ে তারা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত
হয়েছেন।
মন্তব্য করুন


পার্বত্য অঞ্চলকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের
উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস’ উপলক্ষ্যে দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন,
দেশের মোট আয়তনের এক দশমাংশ এলাকায় পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর বসবাস। তাই পার্বত্য
অঞ্চলকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, পার্বত্য জেলাসমূহের নৈসর্গিক সৌন্দর্য সংরক্ষণ ও পর্যটন শিল্পের প্রসারে
স্থানীয় জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে নানামুখী সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে বেকারত্ব
হ্রাস পাবে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং জীবনযাত্রার উন্নতি ও সামাজিক বৈষম্য
দূর হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল অধিবাসীর জীবনে শান্তি, সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির
অভিযাত্রা অব্যাহত রাখতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা আবশ্যক। প্রতি বছরের মতো এবারও
‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস-২০২৪’
পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি দেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সকল
জনগোষ্ঠীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। ১৯৯৭ সালের এই দিনে বাংলাদেশ সরকার
এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এর মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এটি একটি
রাজনৈতিক চুক্তি ছিল যা শান্তি চুক্তি নামেও পরিচিত। ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানের
মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে
বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস 'পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস-২০২৪’-এর
সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


৬
বছর বয়সী এক শিশুর লাশ ফেলে পালিয়েছেন তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা
এক ব্যক্তি। হাসপাতালে আসার পর পুলিশকে নুরনবী
নামের এক ব্যক্তি নিজেকে ওই শিশুটির বাবা পরিচয় দেন। তিনি জানিয়েছিলেন, রাজধানীর যাত্রাবাড়ী
কাজলা এলাকায় বাসার পাশে ভ্যানের ধাক্কায় আহত হয়েছিল শিশুটি।
শুক্রবার
(১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে শিশুটির মৃত্যু হয়।
ঢাকা
মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, সকালে নূরনবী নামে এক ব্যক্তি শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তখন তিনি নিজেকে শিশুটির বাবা পরিচয় দেন এবং জানান তার বাসা যাত্রাবাড়ী কাজলা এলাকায়। সকালে বাসার সামনের রাস্তায় একটি ভ্যানের ধাক্কায় আহত হয়েছে শিশুটি। পরে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় নূরনবী নামে ওই ব্যক্তি।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের
চিকিৎসক ও নার্সরা জানান, সকাল ১০টার দিকে জরুরি বিভাগের ৪ নম্বর রুমে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
মারা যায় শিশুটি। এর পরপরই তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা ওই ব্যক্তি উধাও হয়ে যায়। এরপর
থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নুরনবীর বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার ১ নম্বর
ওয়ার্ডে বলে জানিয়েছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মাইক্রোক্রেডিটই
ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ।
তিনি মাইক্রোক্রেডিট’র জন্য আলাদা আইন করার
আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এনজিও ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে মাইক্রোক্রেডিটকে ব্যাংকিংয়ের ধারণা
গ্রহণ করতে হবে। আর এ ধারণা গ্রহণ করেই ঋণগ্রহিতাকে সেবা দিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘মাইক্রোক্রেডিট এখনো এনজিও। এই এনজিও থেকে উত্তরণ
ঘটাতে হবে। এনজিও পর্যায়ে থেকে গেলে ব্যাংকিং মেজাজ আসবে না। মেজাজে আসতে হলে এটাকে
ব্যাংক হতে হবে। মাইক্রোক্রেডিট’র জন্য আলাদা আইন করতে
হবে।’
আজ শনিবার (১৭ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি
অথরিটির (এমআরএ) নতুন ভবন উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।
গ্রামীণ ব্যাংকের শুরুর সময়কার স্মৃতিচারণ করে প্রফেসর ইউনূস
বলেন, আমরা যখন গ্রামীণ ব্যাংক করলাম তখন আপত্তি উঠলো এটাকে ব্যাংক বলা যাবে কি না।
আমরা বললাম, আমাদেরটাই প্রকৃত ব্যাংক, তোমাদেরটা লোক দেখানো। ব্যাংক যে শব্দ থেকে উৎপন্ন
হয়েছে সেটা হলো ট্রাস্ট, তোমরা যেটা করছো সেটা ডিসট্রাস্ট। আমাদের ব্যাংকিং মানুষের
বিশ্বাসের ভিত্তিতে হয়েছে। জামানতবিহীন ব্যাংক, বিশ্বাসের ভিত্তিতে আমরা টাকা দেই।
আজ এমন সময় আমরা আলাপ করছি যখন জামানতওয়ালা ব্যাংক, যারা নিজেদের প্রকৃত ব্যাংক বলে
দাবি করত তাদের অনেকে আজ হাওয়া। টাকা নিয়ে লোপাট। ব্যাংক শেষ। আর মাইক্রোক্রেডিটের
পরিসংখ্যান দেখেন। কেউ পয়সা নিয়ে পালায় নাই। এই হলো পরিহাস।’
মাইক্রোক্রেডিটই ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘এটাই প্রকৃত ব্যাংকিং, আগামী দিনের ব্যাংকিং যেটাতে মানুষ
নিজের পরিচয়ে কাজ করবে, নিজের বিশ্বাসের ওপরে ব্যাংকিং চলবে, টাকার উপরে না।’
মাইক্রোক্রেডিটের জন্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে
প্রধান উপদেষ্টা নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্যের
পর প্রত্যেক এনজিও চেষ্টা করলো একইরকম কিছু করতে। ক্রমে ক্রমে প্রসার হতে আরম্ভ করল।
নানারকমের নতুন নতুন জিনিস, নানা আইডিয়া নিজেদের সুবিধার জন্য ঢোকাতে আরম্ভ করল। এটা
ভবিষ্যতের জন্য খারাপ হবে মনে করে একটি রেগুলেটরি অথরিটির প্রয়োজন হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের
সঙ্গে যোগাযোগ করলাম, তারা বলল ‘আমাদের কাজ না’। অর্থ মন্ত্রণালয় শুরুতে
গুরত্ব দিল না, পরে বলল ‘আচ্ছা কী করতে হবে জানাও’। তখন আমরা বললাম, ‘রেগুলেটরি অথরিটি
হওয়া দরকার, কারণ যে হারে বাড়ছে বড় রকমের সমস্যা হতে পারে।
‘তৎকালীন গভর্নর ফখরুদ্দীন সাহেব আমাদের সমর্থন করলেন। কিন্তু
বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে এটা হতে পারবে না। তারা ব্যাখ্যা চাইল। আমি বললাম, এটা বহু
দেশে বলেছি, এখনো বলি, গ্রামীণ ব্যাংকও ব্যাংক, অন্যান্য ব্যাংকও ব্যাংক। কিন্তু তফাত
অনেক। উদাহরণ দেই, আমেরিকান ফুটবলও ফুটবল। ইউরোপিয়ান ফুটবলও ফুটবল। কিন্তু খেলা ভিন্ন।
আপনি যদি ইউরোপিয়ান ফুটবলের রেফারিকে দিয়ে আমেরিকান ফুটবল খেলা চালাতে চান ইট উইল বি
অ্য ডিজাস্টার। কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দিয়ে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ করবেন, সে তো ক্ষুদ্রঋণ
জানেই না। সে তো ইউরোপীয় ফুটবলের রেফারি,’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন।
তিনি আরোও বলেন, ‘অবশেষে ফখরুদ্দীন সাহেব রাজি হলেন। গভর্নরকে
দিয়ে এটা পরিচালনা করানোর ব্যাপারেও তাঁকে রাজি করাতে হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেতরে
এর অফিস করার আলোচনা ছিল। আমরা বললাম, আলাদা জায়গায় অফিস হতে হবে... আজকে নতুন ভবন
হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা এটিকে বোঝার চেষ্টা করেছেন, নিয়মকানুন করেছেন। তারা
যদি অন্যান্য ব্যাংকের রেগুলেটরি নিয়মের ওপর এটা স্থাপন করত তাহলে মাইক্রোক্রেডিট সেদিনই
শেষ হয়ে যেত, আর খুঁজে পাওয়া যেত না। আমি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের অভিনন্দন
জানাচ্ছি।’
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
কে হবে এ নিয়ে শুধু বাংলাদেশ না, যে দেশেই মাইক্রোক্রেডিট হয়েছে সে দেশই সমস্যায় পড়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি তাদেরকে বারে বারে বলে এসেছি তোমাদের এত কিছু
চিন্তা করতে হবে না। কারণ বাংলাদেশ এর সমাধান দিয়ে দিয়েছে। মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি
অথরিটি শুধু যে বাংলাদেশের জন্য কাজ করেছে তা না এটা আন্তর্জাতিকভাবে অনেক দেশের জন্যে
সহায়ক হয়েছে।’
অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘রেগুলেটরের ওপর কড়া
না হয়ে ইউজার ফ্রেন্ডলি রেগুলেশন যেন হয় সেভাবে আইন করা, যেন কোনোকিছু চাপিয়ে না দেয়া
হয়। এমআরএ’কে এখন রেগুলশনের পাশাপাশি প্রমোশনাল অ্যাক্টিভিটিও দেখতে হবে।
সেভিংসের রিটার্ন, সার্ভিস চার্জ যেন সহজ হয় সেদিকে নজর দিন। উপকারভোগীদের জন্য যেন
সহজ হয়।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর তাঁর বক্তব্যে বলেন,
‘মাইক্রোক্রেডিট আজ অনেক দূর এগিয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকিং খাতের ১০ শতাংশ সমপরিমাণ সম্পদ
আছে মাইক্রোক্রেডিট সেক্টরে। সবচেয়ে বড় কথা, ব্যাংকিং খাতে যে জায়গাগুলোতে দুর্বলতা
আছে, মাইক্রোক্রেডিট সে জায়গায় শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। সদস্যদের সঞ্চয় বেড়ে ৬৮ হাজার
কোটি টাকার ওপর, পুঞ্জীভূত উদ্বৃত্ত বেড়ে ৬১ হাজার কোটি টাকার উপরে হয়েছে। এটা বড় অর্জন।
তারা নিজেদের সঞ্চয় ও উদ্বৃত্ত দিয়ে নিজেদের গড়ে তুলছে। বিদেশি সহায়তা, অনুদান নাই
বললেই চলে। দাতা তহবিল তিন হাজার কোটি টাকার মতো। এটা খুবই নগণ্য।’
‘বাংলাদেশে গ্রামীণ অর্থনীতি বাড়ছে। এজেন্ট ব্যাংকিং ছড়িয়ে পড়ছে।
মাইক্রোক্রেডিটের শাখা আছে ২৬ হাজারের মতো। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের শাখা ২০ হাজার ছাড়িয়েছে।
এখানে একটা সুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে ফরমাল সেক্টরের পদচারণা
বাড়ছে, বাড়বে। মাইক্রোফাইন্যান্স ইন্সটিটিউটটে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে টিকে থাকতে
হবে। মাইক্রোক্রেডিট আরও ফাংশনাল করতে রেগুলেটরি অথরিটি ও বাংলাদেশ ব্যাংক একসঙ্গে
কাজ করবে,’ বলেন তিনি।
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি নিয়ে নতুন আইনের খসড়া করা হয়েছে। সরকারের
কাছে শিগগিরই নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রধান উপদেষ্টার
বিশেষ সহকারী ড. এম আনিসুজ্জামান চৌধুরী।
মন্তব্য করুন


একটি শিশুর শৈশবের চিত্রাঙ্কন হচ্ছে অভিভাবক বা শিক্ষক।
আমরা যেভাবে চাইব সেভাবে তারা গড়ে উঠবে। আমাদের আকাঙ্ক্ষাকে রূপদান করবে। তাই বলে ভূল রূপদান যেন না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আমরা আমাদের ভালোবাসা তাদের দিতে পারি কিন্তু চিন্তাভাবনা নয়, কারণ তাদের নিজস্ব চিন্তাভাবনা আছে। আসলে কোমল শিশুরা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু চাপিয়ে দিলে তাদের স্বপ্নগুলো ভেঙে যায়। নিজে থেকে কিছু করার বা চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। হারিয়ে ফেলে তার সৃজনীশক্তি।
তাদের মানসিক বিকাশ হওয়াটা অত্যন্ত জরুরি। চিত্রাঙ্কন হতে পারে তার অন্যতম মাধ্যম।
শিশুরা
তার আশপাশের সুখ, দুঃখ, হাসি, কান্না, পরিবেশ তার ছবির ভাষায় তুলে ধরবে ।
মন্তব্য করুন


বর্তমান
সরকার অতীতের সব সময়ের চেয়ে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী
আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার (১৪ জুন) সকালে ইউনিসেফ আয়োজিত বাংলাদেশের শিক্ষা খাত
বিশ্লেষণ নিয়ে এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী
বলেন, প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে বিনামূল্যে স্কুলইউনিফর্ম প্রদান,
মিড ডে মিল চালুসহ নানামুখি প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার।
শিক্ষা
খাতের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয় মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে
তা সমাধানে কাজ করবে সরকার। একইসঙ্গে দেশের কোথাও বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটলে তা বরদাস্ত
করবে না সরকার।
একই
অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে
মানসম্মত শিক্ষা দেয়া হচ্ছে না— এমন দাবি তুলে অভিভাবকরা কিন্ডারগার্টেন
স্কুলের দিকে ধাবিত হচ্ছেন। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সব ধরনের চেষ্টা করছে সরকার।
এ ছাড়া, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ সরকার নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে
বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে।
মন্তব্য করুন


কোনো
বিয়ে সাজের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকে, আবার কোনোটি সংগীতের জন্য। তবে ভারতের কেরালার চাঙ্গানাসেরি
শহরের একটি বিয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এক ভিন্ন কারণে।
ফুল,
সাজসজ্জা কিংবা সংগীত নয়, বরং বিয়ের প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় যমজদের উপস্থিতির
কারণে এই বিয়ে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।
বৃহস্পতিবার
চাঙ্গানাসেরি মেট্রোপলিটন চার্চে অনুষ্ঠিত যমজ দুই ভাইয়ের সঙ্গে যমজ দুই বোনের বিয়েতে
আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন যমজ দুই পুরোহিত। শুধু তা-ই নয়, তাদের সহায়তায় ছিলেন আরো
এক জোড়া যমজ সহকারী।
এক
প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, গত বৃহস্পতিবার কেরালার চাঙ্গানাসেরি মেট্রোপলিটন
চার্চে বর্ণাঢ্য এই বিয়ের আয়োজন করা হয়।
এদিন
অখিল কে থমাসের সঙ্গে বিয়ে হয় ম্যাগি মেরি থমাসের এবং অখিলের যমজ ভাই নিখিলকে থমাসের
সঙ্গে বিয়ে হয় ম্যাগির যমজ বোন মারিয়া মেরি থমাসের।
বিয়ের
প্রতিটি আয়োজনে যমজদের অংশগ্রহণ কোনো কাকতালীয় ঘটনা ছিল না। যমজ বোনেরা নিজেরাই যমজ
পুরোহিতদের সন্ধান করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত কোঠানাল্লুরের একটি গির্জায় তাদের খুঁজে পান।
দুই
পরিবারের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের ফসল ছিল এই অনন্য বিবাহ অনুষ্ঠান। পেশাগত জীবনে বর অখিল
ও নিখিল মার্চেন্ট নেভিতে কর্মরত এবং কনেরা কাজ করছেন আইটি খাতে।
ম্যাগি
ও মারিয়া বলেন, ‘শৈশব থেকেই আমাদের স্বপ্ন ছিল, যমজ ভাইদেরই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে
নেওয়ার। আমাদের পরিবারও সেটাই চেয়েছিল। যিশু খ্রিস্ট সেই স্বপ্ন পূরণ করেছেন।
বিয়েটিকে
আরো স্মরণীয় করে তুলতে কনেপক্ষ উদ্যোগ নিয়ে খুঁজে বের করেন যমজ দুই যাজক। তারা হলেন
ফাদার আন্তো পেজুমকাটিল ও ফাদার আজো পেজুমকাটিল। আনন্দের সঙ্গে এই বিয়ে পড়াতে রাজি
হন তারা। এ সময় বেদীতে তাদের সহযোগিতায় ছিলেন জেরন জেমস ও জোহন জেমস নামের আরও দুই
যমজ ভাই।
যমজ
পুরোহিতরা জানান, এমন বিশেষ কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা তাদের জীবনে
এই প্রথম। এটি সারা জীবন তাদের মনে থাকবে। একই সঙ্গে পুরো আয়োজনে যমজদের এমন মেলবন্ধন
উপস্থিত অতিথিদের মধ্যেও বেশ কৌতূহল ও আনন্দের সৃষ্টি করে।
মন্তব্য করুন


জর্ডানের
রাজধানী আম্মানের রাস্তায় ভিক্ষা করছিলেন এক নারী। তাকে আটক করে তল্লাশি চালালে তার কাছ থেকে ৪৬ হাজার
৬০০ ডলার সমপরিমাণ অর্থ পাওয়া গেছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫৭ লাখেরও বেশি।
বুধবার
(১২ আগস্ট) দেশটির সমাজ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আরব নিউজের
জর্ডানের
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা পেত্রার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই নারী আগে থেকেই ‘পেশাদার
ভিক্ষাবৃত্তির’ সঙ্গে জড়িত ছিলেন। প্রতিদিন ভিক্ষা করে পাওয়া অর্থ তিনি
নিয়মিত বিদেশি মুদ্রায় রূপান্তর করতেন বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
তবে
ওই নারীর জাতীয়তা বা কতদিন ধরে তিনি এভাবে অর্থ সংগ্রহ করছিলেন, তা জানায়নি মন্ত্রণালয়। আটকের পর তাকে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বিচারিক কর্তৃপক্ষের
কাছে পাঠানো হয়েছে।
এই
ঘটনার পর জর্ডানের সমাজ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় সাধারণ মানুষকে রাস্তায় ভিক্ষুকদের সরাসরি
টাকা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয়
সতর্ক করে বলেছে, কিছু ভিক্ষুক অসুস্থ বা চরম আর্থিক সংকটে থাকার মিথ্যা দাবি করে মানুষের
কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে পারে।
প্রয়োজনে
অসহায় মানুষকে সহায়তা করতে চাইলে অনুমোদিত ও নিবন্ধিত দাতব্য সংস্থার মাধ্যমে অর্থ
দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এ
ছাড়া সন্দেহজনক ভিক্ষাবৃত্তির ঘটনা কর্তৃপক্ষকে জানাতেও জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো
হয়েছে। দেশজুড়ে ভিক্ষাবৃত্তি নিয়ন্ত্রণে পরিদর্শন দলগুলো নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে বলেও
জানিয়েছে সমাজ মন্ত্রণালয়।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বিমান বাহিনীর
প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অসীম জাওয়াদ নামে এক পাইলট নিহত। এ ঘটনায় হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন রয়েছেন আহত কো-পাইলট।
আজ (৯ মে) দুপুর সাড় ১২টার দিকে পতেঙ্গার
বানৌজা ঈসা খাঁ হাসপাতালে (নেভি হাসপাতাল) পাইলট জাওয়াদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের
উপকমিশনার (বন্দর) শাকিলা সোলতানা।
শাকিলা সোলতানা বলেন, বিমান বাহিনীর
বিধ্বস্ত প্রশিক্ষণ বিমানের পাইলট ও কো-পাইলট প্যারাসুট দিয়ে নেমে এলে তাদেরকে আহত
অবস্থায় উদ্ধার করে বানৌজা ঈসা খাঁ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপুর ১টার দিকে তাদের
মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অসীম জাওয়াদ নামে একজনের মৃত্যু হয়। অন্যজনের চিকিৎসা চলছে।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরের পরিচালক
গ্রুপ ক্যাপ্টেন তাসলীম আহমেদ জানিয়েছেন, অবতরণের সময় বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান
ওয়াইএকে১৩০ এয়ারফোর্স ট্রেনিং ফাইটার বিধ্বস্ত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
দিবস উপলক্ষে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই।
সোমবার
(১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সোয়া ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শহীদ দিবস
ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নেওয়া নিরাপত্তা পরিকল্পনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের
তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি
কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, শহীদ মিনার এলাকা জুড়ে আমাদের বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা
ব্যবস্থা রয়েছে। ফুট পেট্রোলিং, ড্রোন পেট্রোলিং, মোবাইল পেট্রোলিং এবং সাইবার পেট্রোলিংয়ের
মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা ঝুঁকির কোনো
তথ্য নেই। তারপরও পুলিশ সব ধরনের নিরাপত্তা হুমকি বিশ্লেষণ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা
নিয়েছে। একুশে বইমেলায় আমাদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে একটি
কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে, সিসি ক্যামেরার দিয়ে, সিকিউরিটি ইকুইপমেন্ট, সিকিউরিটি ইউনিট
সব সেখানে কাজ করছে। আর যে ছোটখাটো ব্যবস্থাগুলো হচ্ছে সেগুলো বইমেলা কর্তৃপক্ষ স্বাভাবিকভাবে
নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ হওয়ার মত পরিস্থিতি তৈরি হলে পুলিশ সব সময়
সেখানে প্রস্তুত রয়েছে। একুশে ফেব্রুয়ারি রাত থেকেই মানুষজন এখানে আসবেন। যানজট নিয়ন্ত্রণের
জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শহীদ মিনার এলাকায় কিছু কিছু গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে৷
আমরা লিখিতভাবে জানিয়ে দেব। সাধারণত পলাশীর মোড় থেকে এখানে আসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এই এলাকা থেকে বের হওয়ার রাস্তাগুলো দেওয়া হয়েছে। গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আমরা সেটি
জানিয়ে দিয়েছি। এখানে আমাদের একটি ম্যাপ তৈরি করে দেওয়া আছে। যারা আসবেন তাদের প্রতি
আমাদের অনুরোধ, শৃঙ্খলা মেনে, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা এখানে রেখে আসবেন।
মন্তব্য করুন