

পঞ্চগড় সদর উপজেলায় এক নারীর ঘর থেকে জহিরুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। সোমবার রাত প্রায় ১১টার উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের গইজপাড়া এলাকায় থেকে তাকে আটক করা হয় এলাকাবাসীর দাবি, জহিরুল ইসলামের আগে চারটি বিয়ে রয়েছে এবং তিনি স্থানীয়ভাবে জামায়াতের সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত প্রায় ১১টার দিকে গইজপাড়া এলাকায় জহিরুল ইসলামকে এক নারীর
ঘর থেকে আটক করেন স্থানীয়রা। পরে তাকে দড়ি দিয়ে বারান্দার খুঁটির সাথে বেঁধে রাখা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজিত জনতার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার
করা সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার
(৪ আগস্ট) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে জহিরুল ইসলাম ও ওই নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে
আসে।
পুলিশ
বলছে, মঙ্গলবার বিকেল তিনটায় এ ঘটনায় সংবাদ লেখা পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ
দায়ের করেনি। অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে,
জহিরুল ইসলামকে জামায়াতের কর্মী বা সমর্থক হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের
আলোচনা চললেও জেলা জামায়াতের নেতারা দাবি করেছেন, তিনি দলের কোনো সদস্য নন। তাদের ভাষ্য,
জহিরুল ইসলাম কেবল দলটির সমর্থক ছিলেন, সাংগঠনিকভাবে তার কোনো পদ বা সদস্যপদ নেই।
পঞ্চগড়
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছার রহমান বলেন, নারী ও পুরুষ দুজনকেই উদ্ধার
করে থানায় আনা হয়েছে। বর্তমানে তারা থানায় রয়েছেন। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত
ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
টেকনাফে পাহাড় ধসে মাটির দেয়াল চাপায় মা ও ৩ ছেলে-মেয়ে নিহত হয়েছে।
শুক্রবার
ভোর ৪ টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মরিচ্যাঘোনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
নিহতরা
হলেন, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড মৌলভীবাজার মরিচ্যাঘোনার ফকির আহমদের
স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৫০), ছেলে সাইদুল মোস্তফা (২০) ও ২ মেয়ে সাদিয়া বেগম (১১) ও নিলুপা
বেগম (১৮)।
বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী ।
চেয়ারম্যান
রাশেদ মাহমুদ আলী জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে থেমে থেমে হালকা
ও মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এরই মধ্যে হ্নীলা ইউনিয়নের মরিচ্যাঘোনা এলাকায় পাহাড় ধসের
ঘটনা ঘটে। মাটির দেয়াল চাপা পড়ে পাহাড়ের খাদে বসবাস করা একই পরিবারের ৪ জন নিহত হন।
পরে খবর পেয়ে স্থানীয়রা সেখানের মাটি সরিয়ে ৪জনের মরদেহ উদ্ধার করেন।
টেকনাফ
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আদনান চৌধুরী জানান, পাহাড়ের একটি অংশ ধসে বাড়ির পাশে
পড়লে দেয়াল ধসে ওই পরিবারের সবাই মাটি চাপা পড়েন। এতে ৪ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবারকে উপজেলা প্রশাসন থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


এমদাদুল হক সোহাগ, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে বুকিং সহকারিদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, মাত্র ৫ টাকার পুরোনো টিকিটের ওপর নতুন করে সিল মেরে ৫০ টাকা ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট কাটতে গিয়ে একাধিক যাত্রী এমন অনিয়মের মুখোমুখি হন। যাত্রীরা জানান, কাউন্টারে থাকা বুকিং সহকারি তাদের কাছে ৫০ টাকা ভাড়া নিলেও হাতে ধরিয়ে দেন পুরোনো একটি টিকিট, যার মূল মূল্য মাত্র ৫ টাকা।
টিকিটে দেখা যায়, “কুমিল্লা হতে শশীদল” রুটের ২১ কিলোমিটার দূরত্বের ভাড়া ৫ টাকা উল্লেখ রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসব টিকিট সাধারণত মেইল ট্রেন বা দ্বিতীয়/তৃতীয় শ্রেণির পুরোনো টিকিট হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরে সেগুলোর ওপর নতুন সিল মেরে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রীদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, রেলওয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


বিশেষ
চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ‘শিশু স্বর্গ
মডেল’ বিষয়ক কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের
সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমান।
প্রধান
অতিথি হিসেবে ব্যতিক্রমধর্মী এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ডা. জুবাইদা রহমান। উদ্বোধনের
আগে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষাসামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয়
পণ্যের স্টল ঘুরে দেখেন ডা. জুবাইদা রহমান।
বৃহস্পতিবার
(১৪ মে) দুপুরে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে
এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে
প্রধান বক্তা ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ
মুহিত। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী
মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (জোনায়েদ
সাকি), সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল, প্রধানমন্ত্রীর
স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের
(জেডআরএফ) নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।
অনুষ্ঠানে
সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।
সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত
চন্দ্র বিশ্বাস।
এছাড়া
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ‘শিশু
স্বর্গ মডেল’বিষয়ক সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে
ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি স্ট্যানলি গোয়াভুয়া, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক)
চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম (রিজু), ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক
মো. শফিকুল ইসলাম খান (মিল্টন), প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম
মনোয়ারুল কাদির (বিটু) প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


মেহেরপুরের
গাংনী উপজেলায় গরুবোঝাই একটি ট্রলি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেলে উজ্জ্বল হোসেন (৩৫)
নামে এক চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রলিতে থাকা আরো ১০ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার
(৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রাইপুর বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত
উজ্জ্বল হোসেন মুজিবনগর উপজেলার দারিয়াপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।
আহতরা
হলেন— মুজিবনগর উপজেলার মোনাখালী গ্রামের ইসমাইল হোসেন (৪৫),
সাবদার আলী (৫০) ও রফিকুল ইসলাম (৫০); চকশ্যামনগর গ্রামের কবির হোসেন (৫০), ওসমান আলী
(৪৮) ও ইসরাফিল হোসেন (৫০); যাদবপুর গ্রামের নাজমুল হোসেন (৩৫); বামনপাড়া গ্রামের রাজা
হোসেন (৪০) ও শহিদুল ইসলাম (৩৫); এবং রাধাকান্তপুর গ্রামের লিটন আহমেদ (৩৫)।
আহত
শহিদুল ইসলাম জানান, তারা মেহেরপুর থেকে গরুবোঝাই ট্রলি নিয়ে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা
পশুর হাটে যাচ্ছিলেন। পথে রাইপুর বাজার এলাকায় পৌঁছালে ট্রলিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে
যায়। এতে ঘটনাস্থলেই চালক উজ্জ্বল হোসেন নিহত হন এবং ট্রলিতে থাকা অন্যরা আহত হন। দুর্ঘটনার
পর স্থানীয়রা ট্রলিটি সরিয়ে আহতদের উদ্ধার করেন। পরে দড়ি কেটে ট্রলিতে থাকা গরুগুলো
বের করে আনা হয়। আহতদের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
গাংনী
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মাসুদুর রহমান
বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই উজ্জ্বল হোসেনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে প্রাথমিক
চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গাংনী
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, গরুবোঝাই ট্রলি
উল্টে একজন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জের
ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে বিপুল অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কারের পাশাপাশি পাওয়া
গেছে বিভিন্ন মনোবাসনার চিরকুট। এর মধ্যে একটি নাম-পরিচয়হীন চিঠিতে লেখা ছিল- হাদি
হত্যার বিচার চাই।
শনিবার
(২৭ জুন) সকাল ৭টায় ছয় মাস পর পাগলা মসজিদের ১৩ দানবাক্স খোলা হয়। এতে রেকর্ড ৪৩ বস্তা
টাকা পাওয়া গেছে। পরে মসজিদের দুই তলায় এনে গণনার কাজ শুরু হয়।
এর
আগে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন
ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান
আলীসহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীর বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো
খোলা হয়।
গত
বছরের ২৭ ডিসেম্বর, তিন মাস ২৭ দিন পর দানবাক্স খোলা হলে সেখান থেকে ১১ কোটি ৭৮ লাখ
৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার
পাওয়া গিয়েছিল।
জেলা
প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা
প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসনা খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল
আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তাদের উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৭টি দেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চলছে।
আজ সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে তেজগাঁও কার্যালয়ে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তার বৈঠক চলছে।
এ বৈঠকে সমসাময়িক ইস্যু ও অর্থনৈতিক খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্ভাব্য অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ,
বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা
হাসান বলেছেন, রাজধানীসহ সারাদেশে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারি
কর্মকমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৫ হাজার ৪৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার
(৪ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস
ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা জানান, রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আজ
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অতিরিক্ত দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তিনি
বলেন, গ্রামগঞ্জে মানুষ চিকিৎসা পায় না। তাদের তাদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসক
নিশ্চিত করার অতিরিক্ত চিকিৎসক নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য।
সৈয়দা
রিজওয়ানা হাসান বলেন, পিএসসির মাধ্যমে ৩ হাজার ৪৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগের
প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এটার অতিরিক্ত হিসেবে আরও ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের
সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
প্রেস
ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, ডেপুটি প্রেস
সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, ডেপুটি প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর এবং সহকারী
প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে
প্রয়োজনীয় সংস্কারের পর নির্বাচনের আয়োজন করা হবে বলে কূটনীতিকদের জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এজন্য বন্ধু রাষ্ট্র ও সংস্থাগুলোর পূর্ণ
সমর্থন চেয়েছেন।
রোববার
(১৮ আগস্ট) দুপুরে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত,
হাইকমিশনারসহ জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রধানদের ব্রিফ করেন ড. ইউনূস। পরে প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশে যে দূতাবাসগুলো আছে তার রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘের যেসব সংস্থার প্রধান
এখানে আছেন তাদের সঙ্গে প্রথমবারের মতো প্রধান উপদেষ্টা বৈঠক করেছেন। বৈঠকে তিনি সবাইকে
ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি সবার পূর্ণ সমর্থন চেয়েছেন।
প্রেস
সচিব আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন- এটা দ্বিতীয় রেভ্যুলেশন ছিল। এখানে এত মানুষের
সম্পৃক্ততা ছিল যে তিনি বলেছেন ১৯৭১ সালে যদি প্রথম রেভ্যুলেশন হয় এটা দ্বিতীয় রেভ্যুলেশন।
তার বার্তা ছিল দ্রুত অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা। উনি নির্বাচনটি
তখনই করবেন যখন প্রয়োজনীয় সংস্কার করা যায়। বিচার বিভাগ, সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন,
সিকিউরিটি ফোর্স, মিডিয়া- সব কিছুতে সংস্কার চিহ্নিত করে বাস্তবায়ন করে যত দ্রুত নির্বাচন
দেওয়া যায় সেটি তার লক্ষ্য। তিনি বলেছেন এখন প্রধান কাজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা। সেটি অনেকটা
স্বাভাবিক হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব ইজতেমা গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হতে যাচ্ছে ।
বিশ্ব ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা আগামী ২ ফেব্রুয়ারি আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হবে। আর ইজতেমায় আগত মুসুল্লিদের সুবিধার্থে স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে ময়দানের প্রস্তুতির কাজ।
মুসলমানদের বৃহত্তম এই সম্মেলন সুষ্ঠু, সুন্দর করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ বছর দুইপর্বে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। প্রথম পর্ব হবে ২ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি, দ্বিতীয় পর্ব হবে ৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি।
টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানের সম্পূর্ণ মাঠ ইতোমধ্যেই খুঁটি বসানো শেষ হয়েছে। নামাজে দাগ কাটাও প্রায় শেষের দিকে। বিভিন্ন খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে ময়দানটি। ইজতেমা ময়দানের পশ্চিম পাশের সামিয়ানা টাঙানোর কাজ প্রায় শেষ। মাইকের জন্য বৈদ্যুতিক তার স্থাপনের কাজও শুরু হয়েছে। তুরাগ তীরের প্রায় ১৬০ একর জমি বিস্তৃত ইজতেমা ময়দানে প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মুসুল্লিরা এসে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে কাজ করছেন। স্বেচ্ছাশ্রমে এরই মধ্যে প্রায় ৮০ ভাগ কাজ শেষ করেছে মুসুল্লিরা। প্রতি বছরের মতো ইজতেমার নিরাপত্তায় আশপাশে সিসি টিভি বসানোসহ ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হবে। এছাড়া বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠের ভেতর ও বাইরে কাজ করবেন।
মুসুল্লিরা বলছেন, বিশ্বের লাখ লাখ দেশি-বিদেশি মেহমান আসবে ইজতেমা ময়দানে। তাদের থাকা-খাওয়া ও বসার জন্য তারা স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছেন।
জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন মিয়া বলেন, অন্যান্য বছরের মতো সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ইজতেমা করার জন্য প্রয়োজনীয় টয়লেট, পানি সরবরাহ এবং ওজু-গোসলের নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইজতেমা সফল করার লক্ষ্যে এরই মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, দপ্তরের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলছেন, নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ইজতেমা আয়োজনে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, পুলিশ প্রশাসন, সিটি করপোরেশন আলাদাভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


জন্মনিবন্ধনে মা হিসেবে যার নাম, সমাজে পরিচয়ও যার মেয়ে হিসেবে। কোলে-পিঠে করে বড় করেছেন, নাম লিখিয়েছেন নামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, দিয়েছেন নিজের পরিবারের পরিচয়। কিন্তু ১৫ বছর পর সেই নারীই জানালেন—‘সে আমার মেয়ে নয়’। এরপর শুরু হয় এক কিশোরীর পরিচয় বদলের প্রক্রিয়া। বদলে যায় জন্মনিবন্ধন, সংশোধন হয় শিক্ষাগত নথি, প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে তার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ।
অনুসন্ধানে
জানা গেছে, রাজশাহীর আলোচিত এ ঘটনার পেছনে রয়েছে দত্তক গ্রহণ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব,
উত্তরাধিকার সম্পত্তি এবং আইনি জটিলতার এক বিস্ময়কর গল্প, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে
ক্লাউডিয়া চৌধুরী পায়েল (১৮) নামের এক তরুণীর পরিচয়ের লড়াই।
২০০৮
সালে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিল কার্যালয়ে একটি শিশুর জন্মনিবন্ধন
করা হয়। সেই নিবন্ধনে শিশুটির নাম লেখা হয় ক্লাউডিয়া চৌধুরী পায়েল। মা হিসেবে উল্লেখ
করা হয় রাজশাহীর প্রখ্যাত গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. শিপ্রা চৌধুরীর নাম এবং বাবা হিসেবে লেখা
হয় তার স্বামী ডা. ওবায়দুর রহমানের নাম।
এরপর
থেকে পায়েলের পরিচয় ছিল একেবারেই স্পষ্ট। তিনি ডা. শিপ্রা চৌধুরীর মেয়ে হিসেবেই পরিচিত
ছিলেন পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের কাছে। রাজশাহীর স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা,
অভিজাত পরিবেশে বেড়ে ওঠা, চিকিৎসক মায়ের সঙ্গে দেশ-বিদেশ ভ্রমণ—
সব মিলিয়ে উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের মতোই কেটেছে তার শৈশব ও কৈশোর।
কিন্তু
২০২২ সালের নভেম্বর মাসে এসে সেই পরিচয়ের ভিত্তিটাই যেন ভেঙে পড়ে। পারিবারিক বিভিন্ন
টানাপোড়েনের এক পর্যায়ে ডা. শিপ্রা চৌধুরীর আচরণে পরিবর্তন আসে বলে দাবি করেন পায়েল।
একসময় তাকে জানানো হয়, তিনি আসলে ডা. শিপ্রা চৌধুরীর গর্ভজাত সন্তান নন। বরং তিনি একজন
পালিত সন্তান। শুধু তাই নয়, তাকে আরও বলা হয়, তার প্রকৃত বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ
উপজেলায় এবং তার আসল বাবা একজন রাজমিস্ত্রি।
হঠাৎ
করেই এমন কথা শুনে নিজের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্নের মুখে পড়েন পায়েল। তিনি জাগো নিউজকে
বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকে উনাদের কাছেই বড় হয়েছি। পরিবারের সদস্য বলতে তারাই ছিল আমার
সবকিছু। বাবা আলাদা থাকতেন, ভাইও দেশের বাইরে ছিলেন। ফলে আমার জীবনের কেন্দ্রবিন্দু
ছিলেন মা। কিন্তু একসময় তার আচরণ বদলে যেতে থাকে। পরে তিনি আমাকে বলেন, আমি তার নিজের
মেয়ে নই, আমি পালিত সন্তান। কথাগুলো শুনে আমি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিলাম। কারণ এতদিন যে
পরিচয়ে বড় হয়েছি, সেটাই যদি সত্য না হয় তাহলে আমি আসলে কে?’
পায়েলের
দাবি, ‘মৌখিকভাবে সম্পর্ক অস্বীকার করার মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকেনি। এরপর তার জন্মনিবন্ধনসহ
বিভিন্ন নথিপত্রে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০২৩ সালে তার জন্মনিবন্ধনের তথ্য
সংশোধন করা হয়। পাশাপাশি একাডেমিক কাগজপত্রেও পরিবর্তন আনা হয়। এমনকি ২০১০ সালে নিজের
মেয়ে পরিচয়ে পায়েলের নামে যে জমি দান করা হয়েছিল, সেটি ফেরত চেয়েও মামলা করা হয়।
পায়েল
বলেন, ‘সবচেয়ে অবাক লাগে, যেসব নথি তারাই তৈরি করেছিলেন, সেগুলো কীভাবে পরিবর্তন করা
হলো আমি জানি না। আমার এনআইডি কার্ডে এক তথ্য, জন্মনিবন্ধনে আরেক তথ্য, শিক্ষাগত কাগজপত্রে
আবার ভিন্ন তথ্য। এসব কারণে বিভিন্ন জায়গায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। কলেজে ভর্তি হওয়ার
সময়ও জটিলতা তৈরি হয়েছিল। আমার পড়াশোনার এক বছর নষ্ট হয়ে গেছে। এখনো নানা জায়গায় পরিচয়
প্রমাণ করতে গিয়ে বিপাকে পড়ি।’
রাজশাহী
সিটি করপোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সচিব আবুল কালাম আজাদ জানান, ২০২৩ সালের জানুয়ারির
দিকে ডা. শিপ্রা চৌধুরী তাদের অফিসে এসে দাবি করেন, ক্লাউডিয়া চৌধুরী পায়েল তার নিজের
সন্তান নন। তখন তারা জানতে চান, যদি সন্তান না হন তাহলে জন্মনিবন্ধনের সময় কেন মা হিসেবে
স্বাক্ষর করেছিলেন?
তিনি
বলেন, ‘আমরা তাকে বলেছিলাম, আপনি যদি এখন বলেন মেয়েটি আপনার সন্তান নয়, তাহলে আগে যে
তথ্য দিয়েছেন সেটি তো বিভ্রান্তিকর। বিষয়টি আমাদের কাছেও অস্বাভাবিক মনে হয়েছে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. শিপ্রা চৌধুরী সরাসরি কথা বলতে রাজি হননি।
তবে
তার পুত্রবধূ শাম্মী এ বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আবেগের বশে এবং কাউকে না জানিয়ে
শাশুড়ি পায়েলকে নিজের মেয়ে পরিচয়ে জন্মনিবন্ধন করিয়েছিলেন। পরে তিনি বুঝতে পারেন যে
এটি আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে সঠিক হয়নি। দত্তক গ্রহণের কোনো আনুষ্ঠানিক কাগজপত্রও ছিল না।
জন্মনিবন্ধনে আমার শ্বশুরের নাম ব্যবহার করা হয়েছিল অথচ তিনি বিষয়টি জানতেন না। পরে
ভুল বুঝতে পেরে শাশুড়ি নথিপত্র সংশোধনের উদ্যোগ নেন।’
এদিকে
গোপন সূত্রে জানা যায়, ক্লাউডিয়া চৌধুরী পায়েল একটি ছেলেকে ভালোবাসেন। তবে সেই ছেলেকে
পছন্দ নয় ডা. শিপ্রা চৌধুরীর। এজন্যই তিনি পায়েলের আসল পরিচয় বলে দেন।
ঘটনার
আরেকটি নাটকীয় দিক সামনে আসে নতুন জন্মনিবন্ধনে যুক্ত হওয়া মা-বাবার বক্তব্যে। সংশোধিত
নিবন্ধনে পায়েলের বাবা-মা হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বাবুল মিয়া ও টগরী
বেগমের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
তবে
টগরী বেগম দাবি করেন, পায়েল তাদের জৈবিক সন্তান নন।
তিনি
বলেন, ‘এটি সত্য নয়। এলাকার মানুষকে জিজ্ঞেস করলেই বিষয়টি জানতে পারবেন। আমাদের নাম
কীভাবে ব্যবহার করা হলো সেটিও প্রশ্নের বিষয়।’
অন্যদিকে
বাবুল মিয়ার বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলায় ডা. শিপ্রা চৌধুরী আমার
মেয়েকে নিয়ে যান। তখন বলা হয়েছিল ভবিষ্যতে যেন আমার কোনো দাবি না থাকে। একটি কাগজে
স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল মেয়েটি তাদের পরিচয়েই বড় হবে। এখন এত বছর পর কেন
তাকে অস্বীকার করা হচ্ছে, সেটি আমি বুঝতে পারছি না।’
স্থানীয়
বাসিন্দা আব্দুর রহমানও একই ধরনের তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি ছোটবেলায় ডা.
ম্যাডাম এসে বাচ্চাটি নিয়ে গিয়েছিলেন। তখন বাবুলের পরিবারকে বলা হয়েছিল, ভবিষ্যতে বাচ্চার
ওপর কোনো দাবি করা যাবে না। এমনকি দেখতে যেতেও নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল। এখন হঠাৎ করে
পরিচয় অস্বীকার করার কারণ আমাদের কাছেও পরিষ্কার নয়।’
মোবারকপুর
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক হায়দারী বলেন, আমাদের কাছ থেকে একটি প্রত্যয়নপত্র
নেওয়া হয়েছিল। সেটি পরে কী কাজে ব্যবহার করা হয়েছে আমরা নিশ্চিত নই। তবে শুনেছি ওই
নথির ভিত্তিতেই জন্মনিবন্ধনের তথ্য পরিবর্তন করা হয়েছে। আমার জানামতে শিশুটিকে অনেকটা
স্থায়ীভাবেই অন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল।
আইনি
দৃষ্টিকোণ থেকে এ বিষয়টি ব্যাখ্যা করে রাজশাহীর সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট জমসেদ আলী
বলেন, ‘যদি প্রমাণিত হয় পায়েল ডা. শিপ্রা চৌধুরীর ঔরসজাত সন্তান নন, তাহলে তিনি উত্তরাধিকার
আইনে ওয়ারিশ হবেন না। তবে দীর্ঘদিন একটি পরিচয়ে বড় করার পর সেই পরিচয় অস্বীকার করে
তার ক্ষতি করা হলে ক্ষতিপূরণ দাবি করার সুযোগ থাকতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনায় মেয়েটি
আইনি প্রতিকার চাইতে পারেন।’
অনুসন্ধানে
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এই পরিচয় পরিবর্তনের পেছনে উত্তরাধিকার সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক
বিরোধ একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট কেউই প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কথা
বলতে নারাজ।
মন্তব্য করুন