

দীর্ঘ
বিরতির পর আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে
সিরিজের প্রথম ম্যাচে আজ মিরপুর শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাঠে নামছে
টাইগাররা। ম্যাচটি শুরু হয় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে।
বুধবার(১১
মার্চ) ম্যাচ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরই স্টেডিয়ামের ভিআইপি গেটে উপস্থিত হন জাইমা রহমান।
সেখানে তাকে স্বাগত জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এ সময় বিসিবির পরিচালক
এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের
(বিসিবি) প্রেসিডেন্টস বক্সে অবস্থান করছেন।
এর
আগে, বুধবার (১১ মার্চ) মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের
বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে
বাংলাদেশ। ফলে আগে ব্যাটিংয়ে নেমেছে পাকিস্তান। ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে
রেখে এই সিরিজকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবেই দেখছে দুই দলই।
সবশেষ
গত ২ ডিসেম্বর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলেছিল টাইগাররা।
এরপর ৯৯ দিনের বিরতি শেষে আবার মাঠে ফিরেছে তারা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে না
পারার হতাশা পেছনে ফেলে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে নতুন উদ্যমে শুরু করেছে বাংলাদেশ।
২০২৭
বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে পারবে ওয়ানডে র্যাংকিংয়ের সেরা আটটি দল। পাশাপাশি স্বাগতিক
দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে এবং নামিবিয়াও সরাসরি খেলবে। দক্ষিণ আফ্রিকা যদি র্যাংকিংয়ের
সেরা আটে থাকে, সেক্ষেত্রে সেরা নয় দল সরাসরি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। বর্তমানে
ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে দশম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। তাই সেরা নয়ের মধ্যে জায়গা করে নিতে
এই সিরিজটি টাইগারদের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
গুরুত্বপূর্ণ
এই সিরিজে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের নিয়েই মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান
মিরাজ জানিয়েছেন, আগামী বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ভালো ব্যাটিং উইকেটে খেলার অভ্যাস গড়ে
তুলতে হবে দলের ক্রিকেটারদের।
বাংলাদেশের
মাটিতে সর্বশেষ ২০১৫ সালে ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল পাকিস্তান। সেই সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে
হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল তারা। এছাড়া গত বছর তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ
সফরে এসে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছিল পাকিস্তান।
সবমিলিয়ে
এখন পর্যন্ত ৩৯টি ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। এরমধ্যে বাংলাদেশের
জয় ৫টিতে, পাকিস্তান জিতেছে ৩৪ ম্যাচে। পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ৫ জয়ের চারটি
এসেছে ২০১৫ সালে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এক লাখ সেনা সদস্যসহ মোট ৮ লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্য মোতায়েন করা হবে।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা আজ বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা
পরিষদ কমিটির ২০তম সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।
তিনি
বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগসহ
বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে সদস্য মোতায়েন করা হবে। এরমধ্যে বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর সদস্য থাকবে ১ লাখ, বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী ৫ হাজার, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী
৩ হাজার ৭৩০ (স্থলভাগ-১ হাজার ২৫০), বাংলাদেশ পুলিশ ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩, বাংলাদেশ আনসার
ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৩৭
হাজার ৪৫৩, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫, র্যাব ৭ হাজার ৭০০, এবং সাপোর্ট সার্ভিস
হিসেবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর ১৩ হাজার ৩৯০ জনসহ সর্বমোট ৮ লাখ ৯৭
হাজার ১১৭ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে।
উপদেষ্টা
বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশজুড়ে দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রথম পর্বে চলমান যারা মোতায়েন রয়েছেন, তারা বলবৎ
থাকবেন। দ্বিতীয় পর্বে ভোটকেন্দ্রিক মোতায়েন, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর
সদস্যরা ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৭ দিন দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি
বলেন, পুলিশ, আনসার ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড এবং র্যাবের
সমন্বয়ে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করা হবে। এ সমন্বয় সেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর
একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।
তিনি
আরো বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য
এবং উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানে বদ্ধপরিকর। সেজন্য জাতীয় নির্বাচনে জনআকাঙ্ক্ষা
বাস্তবায়ন ও নিশ্চিতকরণে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা
গ্রহণ আমাদের নিকট সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আর এ লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে
কাজ করে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আগামী সোমবার ঘোষিত রায়কে কেন্দ্র করে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি ইতোমধ্যেই সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
তিনি
বলেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনা এবং অন্যদের বিরুদ্ধে রায় ১৭ নভেম্বর ঘোষণা
করা হবে। রায়কে কেন্দ্র করে দেশের কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তাই
আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি ইতোমধ্যেই তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।’
আজ শনিবার ( ১৫ নভেম্বর ) দুপুরে সরকারি
সফরে পটুয়াখালী সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি ।
জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে নয় দিনের জন্য
বিশেষ আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। নির্বাচনের আগে পাঁচ দিন, নির্বাচনের দিন এবং পরে আরও তিন দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে কঠোর অবস্থানে থাকবে। প্রয়োজন হলে দেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী সময়সীমা সমন্বয় করা হতে পারে বলেও তিনি জানান।
তিনি
জানান, বর্তমানে ৩০ হাজার সেনা
সদস্য মাঠে থাকলেও নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীর মোতায়েন বাড়িয়ে প্রায় ১ লাখ করা
হবে। এছাড়া দায়িত্ব পালন করবে প্রায় ১ লাখ ৫০
হাজার পুলিশ, ৩৫ হাজার বিজিবি,
৫ হাজার নৌবাহিনী, ৪ হাজার কোস্টগার্ড,
৮ হাজার র্যাব এবং
আনুমানিক সাড়ে ৫ লাখ আনসার
সদস্য। নিরাপত্তা জোরদারে আনসার সদস্যদের অস্ত্র ও বডিক্যাম সরবরাহ
করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নির্বাচনের
নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কোনো সন্দেহের সুযোগ নেই জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ইলেকশন খুবই শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন
করেছে।
সরকার
পরিবর্তন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ দেশে সরকার
পতন কোনো তিনজন মানুষের কারণে হয়নি। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের কারণেই সরকার পরিবর্তন ঘটেছে। আপনারা দেখেছেন, তারা কীভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, তাদের আত্মীয়স্বজনও পালিয়েছে। এটি জনগণের ইচ্ছার ফসল।’
উপদেষ্টা
জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে রোজার আগেই অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল ঘোষণার পর লটারির মাধ্যমে
প্রশাসনের রদবদল করা হবে।
মতবিনিময়
শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পটুয়াখালী পুলিশ লাইনস ও কোস্টগার্ড বেইস
পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণমাধ্যমকর্মীদের সংবাদ সংগ্রহে কোনো প্রকার বাধা দেওয়া
যাবে না। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে, শারীরিক বা সরঞ্জামাদির ক্ষতি সাধন করলে পেতে হবে
শাস্তি। এজন্য ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাংবাদিকদেরও নিরাপত্তা দেবে আইন-শৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী।
সোমবার
(২৬ জানুয়ারি) এমন নির্দেশনা দিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটি পরিপত্র জারি করেছে।
পরিপত্রের কপি বিভাগীয় কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকদের পাঠিয়েছে
সংস্থাটি। পরিপত্রে যা বলা হয়েছে-
১)
অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিক/গণমাধ্যমকর্মীদের
দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে নির্বাচন কমিশন সাংবাদিক নীতিমালার ক্রমিক নম্বর ৪ অনুযায়ী
সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র প্রদান করে।
২)
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের অনুচ্ছেদ ২৯(গ) অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক অনুমতিপ্রাপ্ত
সাংবাদিকবৃন্দ তাদের স্ব-স্ব পরিচয়পত্রসহ নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালন
করবেন।
৩)
নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিক/গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নীতিমালা-২০২৫-এর
ক্রম ১০ অনুসারে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রদত্ত বৈধ কার্ডধারী সাংবাদিকগণ সরাসরি
ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন।
৪)
সাংবাদিক পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকারের জন্য https://pr.ecs.gov.bd/ পোর্টালে আবেদন
করতে পারবেন। অনুমোদনপ্রাপ্ত আবেদনকারীগণ অনলাইনে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যসম্বলিত QR
Code যুক্ত পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার ডাউনলোড ও মুদ্রণ করে নিতে পারবেন। এ বিষয়ে
বিস্তারিত পত্রের মাধ্যমে অবহিত করা হবে।
৫)
নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রাধিকারপ্রাপ্ত অন্যান্য
কর্মকর্তাগণ QR Code সম্বলিত পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকারের যথার্থতা যাচাই করতে পারবেন।
৬)
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের অনুচ্ছেদ ৮৪(ক) অনুসারে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত
নির্বাচন কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত কোনো গণমাধ্যমকর্মী/প্রতিনিধিকে যদি কোনো ব্যক্তি বাধা
প্রদান করেন বা বাধা প্রদানের চেষ্টা করেন এবং/অথবা তার শারীরিক কোনো ক্ষতি করেন বা
এহেন কোনো চেষ্টা করেন অথবা তার দায়িত্ব পালনে ব্যবহার্য সরঞ্জামের ক্ষতি সাধন করেন,
তাহলে এই বিধান অনুযায়ী উক্ত ব্যক্তি অপরাধী সাব্যস্ত হলে যথাযথ দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
৭)
নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিক/গণমাধ্যমকর্মী নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী
দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভোটকেন্দ্রের ৪০০
গজের মধ্যে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে ও নিরাপত্তা বিধানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।
৮)
নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত বৈধ কার্ডধারী সাংবাদিকগণকে প্রিজাইডিং অফিসার সংবাদ
সংগ্রহের ক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রের ভেতরের স্থান সংকুলানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অবাধ,
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের অনুকূল পরিবেশ বজায় রেখে সংবাদকর্মীদের সংবাদ
সংগ্রহে সহযোগিতা প্রদান করবেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন
অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


জুলাই
শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস
আলম বলেছেন, দুর্নীতিগ্রস্ত সিস্টেমগুলোর জন্য বিগত ১৬ বছরে মানুষ বিরক্ত হতে হতে দেয়ালে
পিঠ ঠেকে গিয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের ১৬ বছরে সবচেয়ে বড় দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল
নির্বাচন কমিশন। এ নির্বাচন কমিশন সংস্কার না করলে কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা
যাবে না। শুধুমাত্র নির্বাচনের জন্য ২ হাজার মানুষ জীবন দেয়নি আর এ অভ্যুত্থানও হয়নি।
আজ
শনিবার (৯ নভেম্বর) সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যদের
হাতে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
সমন্বয়ক
সারজিস আলম বলেন, আমরা বলছি না রাষ্ট্রের সবকিছু সংস্কার করে নির্বাচনে যান। আমরা এটাও
বলছি না আগামী ৫-৬ বছর সংস্কার করেন। কিন্তু সংস্কারের জন্য ন্যূনতম একটা যৌক্তিক সময়
লাগবে। কোনো বিবেকবান মানুষ তার জায়গা থেকে চিন্তা করতে পারবে না যে এক বছরের মধ্যে
সবকিছু সংস্কার হয়ে যাবে। ১৬ বছর ধরে যে সিস্টেমগুলোকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করা হয়েছে,
সেই সিস্টেমগুলোকে সংস্কার করতে একটা যৌক্তিক সময় প্রয়োজন। বিগত ১৬ বছর এমনকি ৫৩ বছর
ধরে বাংলাদেশের সংবিধান পাঁচ বছরের জন্য দেশের মানুষকে একটি ‘জনতার সরকার’উপহার দিতে পারেনি।
আমাদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করতে পারেনি। সেই সাংবিধানিক সংস্কারও প্রয়োজন। প্রত্যেক পাঁচ বছরের জন্য বড় বড় ইশতেহার দিয়ে
প্রতিটি সরকার ক্ষমতায় আসে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরপরই তারা ইশতেহার ভুলে যায়। তারা
ভুলে যায় তারা যে জনতার সরকার। শুধু একটা নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে পারে
না। এর পাশাপাশি অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান জড়িত। এর মধ্যে অন্যতম হলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
একটা সিস্টেমের মধ্যে আনতে হবে। তা না হলে নির্বাচন দিলে আবার জবরদখলের ঘটনা ঘটতে পারে।
ক্ষমতার অপব্যবহার হতে পারে। আবার এ নির্বাচন ঘিরে কোনো সমস্যা দেখা দিলে সেজন্য একটা
বিচারিক প্রক্রিয়া প্রয়োজন। তাই বিচার ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন।
শহীদ
পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চেক বিতরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সারা দেশ থেকে প্রায় ১ হাজার
৬০০ জনের বেশি শহীদ পরিবারের তালিকা আমাদের কাছে এসেছে। আপাতত যাচাই-বাছাই করে নির্বাচিতদের
পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক দেওয়া হচ্ছে। আমরা প্রতিটি বিভাগীয় পর্যায়ে গিয়ে
শহীদের পরিবারের হাতে অনুদানের চেক তুলে দিচ্ছি। এটা আমাদের দায়িত্ব। বাকি যারা রয়েছেন
তাদের কাগজপত্র সংগ্রহের কাজ চলছে। সেগুলো হাতে পেলে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হবে।
চেক
বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধসহ ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ নারী দল পাকিস্তানকে হারিয়ে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচ জিতল ।
শুক্রবার মিরপুরে ১৬৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে সাত উইকেট ও ২৬ বল হাতে রেখে জয় পায় বাংলাদেশ। এই জয়ে ২-১ ব্যবধানে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল সিরিজ জিতল ।
মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রান তোলে পাকিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৪ রান করেন সিধরা আমিন।
উদ্বোধনী জুটিতে জবাবে খেলতে নেমে ১২৫ রানের রেকর্ড গড়েন মুর্শিদা খাতুন ও ফারজানা হক। মুর্শিদা ৫৪ রান ও ফারজানা ৬২ রানে আউট হন। দুই ওপেনারের বিদায়ের পরও পথ হারায়নি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেট হারিয়ে ৪৫.৪ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ নারী দল।
নাহিদা আক্তার বাংলাদেশের হয়ে ১০ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন । এ ছাড়া রাবেয়া খান দুই উইকেট পেয়েছেন। ফাহিমা খাতুন, নিশিতা আক্তার ও স্বর্ণা আক্তার একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের জোরা পাম্প এলাকায় বাসচাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকসহ ৬ জন নিহত হয়েছে।
রোববার (২৯ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে শেরপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কে।
এ ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় ১ জনকে উদ্ধার করে শেরপুর সদর হসপিটালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সকালে রিফাত পরিবহন নামে একটি বাস কুড়িগ্রামের রৌমারী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা যাচ্ছিল। পথে জোরা পাম্প এলাকায় বাসটি নকলা থেকে শেরপুরগামী অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে এর চালকসহ ঘটনাস্থলেই মারা যায় ৫ জন। আর শেরপুর সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও ১ জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে নারী রয়েছেন কয়েকজন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুবায়দুল আলম।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আগামী ২৭ ডিসেম্বর ভোটার
হবেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে
বৈঠক শেষে এ কথা
জানান তিনি।
তিনি
বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার দেশে ফিরবেন তারেক
রহমান। পরে আগামী শনিবার ভোটার কার্ড হওয়ার জন্য সব কার্যক্রম
শুরু করবেন।
এর আগে বিকাল ৩টার
দিকে নির্বাচন ভবনে সিইসির কার্যালয়ে
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম
নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেন সালাউদ্দিন
আহমদের নেতৃত্বাধীন বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল।
বৈঠকে
নির্বাচন কমিশনার রহমানেল মাছউদ ও নির্বাচন কমিশনের
সিনিয়র সচিব উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির প্রতিনিধি দলের অন্য দুই
সদস্য হলেন- বিএনপি চেয়ারপার্সন উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ ও নির্বাচন কমিশনের
সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব ডক্টর মোহাম্মদ
জকরিয়া।
দীর্ঘদিন
পর আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে
ফিরবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি আসন্ন জাতীয়
সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন। তবে
তিনি এখনও ভোটার তালিকায়
নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করেননি।
তফসিল ঘোষণার পর ভোটার তালিকায়
নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হলে নির্বাচন
কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে।
মন্তব্য করুন


সাম্প্রতিক
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত
করেছেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম। একইসঙ্গে তিনি গণতন্ত্র,
আইনের শাসন এবং মানবাধিকার রক্ষায় সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
ব্রিটিশ
পার্লামেন্টে ‘বাংলাদেশ ইলেকশন: হোয়াট নেক্সট?’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় হাইকমিশনার
আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার গণতান্ত্রিক নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক
সংস্কারের ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতি গঠনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
আজ
বুধবার ( ২৫ ফেব্রুয়ারি ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, কমনওয়েলথ
পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) আয়োজিত আলোচনা সভাটি গতকাল (মঙ্গলবার) ব্রিটিশ
পার্লামেন্টের কমিটি রুমে অনুষ্ঠিত হয়। এটি প্যানেল আলোচনায় সঞ্চালনা ও সভাপতিত্ব করেন
ব্রিটিশ এমপি আপসানা বেগম।
আলোচনায়
বিশিষ্ট বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ বিষয়ক বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস
উইন্টারটন, চ্যাথাম হাউজের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র রিসার্চ ফেলো সিতেজ বাজপেয়ী এবং
ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (আইডিএস) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো সোহেলা নাজনীন।
অনুষ্ঠানে লেবার পার্টির সাবেক নেতা জেরেমি করবিন, এমপি রূপা হক এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক
ও মানবাধিকার কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
আবিদা
ইসলাম বলেন, সরকার সকল বাংলাদেশির জীবনমান উন্নয়নে অর্থবহ পরিবর্তন আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও জানান, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এবং ‘জুলাই সনদে’-এর
সংস্কার প্রস্তাবগুলোর মধ্যে বেশকিছু উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে।
নতুন
সরকারের অর্থনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরে হাইকমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অর্থনৈতিক
ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে একটি আধুনিক রাষ্ট্র গড়ার স্বপ্ন দেখেন। বর্তমান সরকারের
লক্ষ্য হল বাংলাদেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করা। তিনি ‘ফ্যামিলি
কার্ড’ বাস্তবায়ন প্রকল্পকে সামাজিক অন্তর্ভুক্তির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
হিসেবে উল্লেখ করেন, যা নারীর ক্ষমতায়ন ও অধিকার নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পররাষ্ট্রনীতির
বিষয়ে আবিদা ইসলাম বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির মূল দর্শন হল সার্বভৌমত্ব ও
জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাকে অগ্রাধিকার
দেওয়া।
বাংলাদেশের
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান ব্যারোনেস উইন্টারটন।
একই সঙ্গে বাণিজ্য সহযোগিতা সম্প্রসারণে যুক্তরাজ্যের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। নিজের বাংলাদেশ সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে যুক্তরাজ্যের
বাংলাদেশ বিষয়ক এই বাণিজ্য দূত বলেন, স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় থাকলে বাংলাদেশের
প্রবৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশ
থেকে যুক্তরাজ্যে পাচার হওয়া সম্পদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উইন্টারটন জানান, পাচারকৃত
অর্থ ফেরত আনা বা আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়ে ব্রিটিশ সরকার সহযোগিতা করছে। আলোচনা শেষে
সিতেজ বাজপেয়ী তার পর্যবেক্ষণে বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় জাতীয়
নির্বাচনে বিএনপির বিজয় প্রত্যাশিতই ছিল।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহিদ শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ সর্বসাধারণের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে নেওয়া হবে।
আজ শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
সংগঠনটির পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, শহিদ শরিফ ওসমান হাদিকে বহনকারী বিমানটি সন্ধ্যা ৬টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।
বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়, জুলাই আন্দোলনের সাহসী এই বীর সন্তানকে সম্মান জানাতে বিমানবন্দর থেকে শাহবাগমুখী সড়কের দুই পাশে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সেখান থেকে মরদেহটি সর্বসাধারণের সাক্ষাতের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে নেওয়া হবে।
ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সংগ্রামে শহিদ শরিফ ওসমান হাদির আত্মত্যাগ জাতির জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, থার্টি ফাস্ট ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে এবং রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে এলাকায় অতিরিক্ত ৩ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এ কথা বলেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, ঢাকা শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়মিত পুলিশ মোতায়েন থাকে। প্রত্যেক ফাঁড়ি থেকে রাতের বেলা কমপক্ষে দুটি পেট্রোল টিম থাকে, থানা থেকে ৪-৫টি টিম থাকে। এটা আমাদের রেগুলার ডিপ্লয়মেন্ট। আজকে শুধু থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে এর বাইরে ৩ হাজার অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা মনে করছি এটা যথেষ্ট।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, কিছু পয়েন্টকে টার্গেট করেছি৷ বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, গুলশান, ৩০০ ফিট, উত্তরা দিয়াবাড়ী এলাকায় বেশি পুলিশ মোতায়েন থাকবে। আমাদের পুলিশ ফোর্সের পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেটরা থাকবেন। ওনারা যেকোনো জায়গায় ভ্রাম্যমাণ আদালত চালালে আমাদের ফোর্স তাদের সহযোগিতা করবে।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আতশবাজি ফুটিয়ে ইংরেজি নববর্ষকে বরণ করা হয়, বাংলাদেশে পরিবেশের এত সমস্যা কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রথমত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে থার্টি ফার্স্ট উদযাপিত হয়৷ বেশিরভাগ দেশে এটি নববর্ষ, আমাদের দেশে নয়।
দ্বিতীয়ত, অন্যান্য দেশে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের আয়োজন করা হয়, পুরো শহরজুড়ে আতশবাজি ফোটানো হয় না। আমরাও এ বছর ঢাকা মহানগরীর একটি নির্দিষ্ট স্থানে থার্টি ফার্স্ট ও ইংরেজী নববর্ষ উদযাপনের অনুষ্ঠান আয়োজন করার চিন্তা করেছিলাম। কিন্তু এই বছর আমরা সেটি পারিনি। আশা করি আগামী বছর আমরা সেটি আয়োজন করবো।
পুলিশের মনোবল ফিরে এসেছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, পুলিশের মনোবলের যে ঘাটতি ছিল, এটি আমরা কাটিয়ে উঠেছি। আমাদের এখনো কোনো সমস্যা নেই।
থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে কোনো থ্রেট নেই বলেও জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী ।
এর আগে ব্রিফিংয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, থার্টি ফার্স্ট নাইটে যাতে আতশবাজি, পটকা, ক্লাস্টার বোমা, রকেট বোমা না ফোটানো হয় সেজন্য গত ১ সপ্তাহ ডিএমপি রাজধানীতে অভিযান পরিচালনা করে ১৭২ কেজি আতশবাজি, পটকা, ক্লাস্টার বোমা, রকেট বোমা জব্দ করেছি। এ বিষয়ে ৫টি মামলা হয়েছে এবং ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ সময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী নগরবাসীর উদ্দেশে বলেন, শুধু পুলিশ বা পরিবেশ অধিদপ্তর দিয়ে শব্দ দূষণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে৷ আমরা সকলের সহযোগিতা চাই।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস।
মন্তব্য করুন