

বাংলাদেশের
সীমান্তে ঢুকে জলজ্যান্ত একটি ছাগল নিয়ে পালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।
ভারতীয় চোরা চালানকারী ও কৃষকদের চৌর্যবৃত্তি সহায়ক হিসেবে কাজ করে বিএসফ। তবে এবার
তাদের সরাসরি ছাগল চুরির ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যা এখন দেশজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, হেলমেট পরিহিত অবস্থায় সীমান্তের
গেট পেরিয়ে লাঠি হাতে একটি কালো ছাগলকে ধাওয়া করছেন দুই বিএসএফ জওয়ান।
ভিডিওতে
দেখা গেছে, হেলমেট পরিহিত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর দুই জওয়ান বাংলাদেশ
সীমান্ত পেরিয়ে লাঠি হাতে একটি কালো ছাগলকে ধরার চেষ্টা করছে। ছাগলটি পালাতে চেষ্টা
করছে,কিন্তু বিএসএফের জওয়ানরা তাকে থামানোর জন্য লাঠি ব্যবহার করছেন। ছাগলটি ধরার
পর তারা ছাগলটিকে সীমানার ওপারে নিয়ে যান।
ভিডিওটি
ধারণ করা হয়েছে দূর থেকে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনার পর নেটিজেনদের
মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
ভারত-বাংলাদেশ
সীমান্তে এমন ঘটনা অপ্রত্যাশিত হলেও ভারতীয় বাহিনী তা হরহামেশাই করছে। সীমান্তে বাংলাদেশীদের
হত্যার করার মাধ্যমে শূন্য সীমান্তে লুটতরাজ করতে চায় ভারত। এদিকে, সীমান্তে সাধারণভাবে
পশুপালন এবং সীমানা পারাপারের বিষয়ে নিয়মকানুন কঠোর। এমনকি সাধারণ ছাগলও দেশের সীমান্ত
অতিক্রম করলে তা নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অনেকে এই ভিডিও দেখে প্রশ্ন তুলেছেন,
বিএসএফের এমন আচরণ কতটুকু গ্রহণযোগ্য এবং আন্তর্জাতিক প্রটোকলের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
মন্তব্য করুন


তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হোর্তা বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের তাঁর দেশে বিনিয়োগের আহবান জানিয়েছেন।
আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক এবং প্রতিনিধিদলের আলোচনার পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে রামোস-হোর্তা বলেন, আমি মনে করি আমরা বাংলাদেশ থেকে আরও পণ্য আমদানি করতে পারি এবং বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোকে তিমুর-লেস্তে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাই। আগামী বছর আমরা আসিয়ানের সদস্য হব এবং সেইসাথে ৭০০ মিলিয়ন জনগোষ্টির অঞ্চলের অংশ হয়ে উঠব। আগামী বছর তিমুর-লেস্তে ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি জিডিপি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হবে। তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন যে বাংলাদেশ তাঁর দেশের উন্নয়নে অংশীদার হবে।
রামোস-হোর্তা বলেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূস বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত নেতা, যিনি এখনও সক্রিয়ভাবে অফিসে কাজ করছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টাকে নেলসন ম্যান্ডেলা, জন এফ কেনেডি, মহাত্মা গান্ধী, ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভারের মতো বিশ্ব নেতাদের সাথে তুলনা করেন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ অত্যন্ত সৌভাগ্যবান, খুবই ভাগ্যবান যে এমন একজন নিরহঙ্কার ও বিনয়ী মানুষ দেশের নেতৃত্বে রয়েছেন। তিনি আপনাদের তরুণদের সাথে কাজ করছেন দেশের পরিববর্তনের জন্য।'
বাংলাদেশ ও তিমুর-লেস্তের জনগণের ভোগান্তির ইতিহাস প্রায় একই রকম উল্লেখ করে তিমোর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ দৃঢ়চেতা, পরিশ্রমী, সৃজনশীল ও সফল।
অধ্যাপক ইউনূসকে তার ভাই, বন্ধু ও পরামর্শক উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশ সরকারকে তাকে আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এখানে এসে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন।
সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট এবং তার সফরসঙ্গীরা গতকাল রাত ১০টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (এইচএসআইএ) অবতরণ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস তাকে গার্ড অব অনার এবং গান স্যালুটের মাধ্যমে অভ্যর্থনা জানান।
আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক এবং প্রতিনিধিদলের আলোচনার পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে রামোস-হোর্তা বলেন, আমি মনে করি আমরা বাংলাদেশ থেকে আরও পণ্য আমদানি করতে পারি এবং বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোকে তিমুর-লেস্তে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাই। আগামী বছর আমরা আসিয়ানের সদস্য হব এবং সেইসাথে ৭০০ মিলিয়ন জনগোষ্টির অঞ্চলের অংশ হয়ে উঠব। আগামী বছর তিমুর-লেস্তে ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি জিডিপি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হবে। তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন যে বাংলাদেশ তাঁর দেশের উন্নয়নে অংশীদার হবে।
রামোস-হোর্তা বলেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূস বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত নেতা, যিনি এখনও সক্রিয়ভাবে অফিসে কাজ করছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টাকে নেলসন ম্যান্ডেলা, জন এফ কেনেডি, মহাত্মা গান্ধী, ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভারের মতো বিশ্ব নেতাদের সাথে তুলনা করেন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ অত্যন্ত সৌভাগ্যবান, খুবই ভাগ্যবান যে এমন একজন নিরহঙ্কার ও বিনয়ী মানুষ দেশের নেতৃত্বে রয়েছেন। তিনি আপনাদের তরুণদের সাথে কাজ করছেন দেশের পরিববর্তনের জন্য।'
বাংলাদেশ ও তিমুর-লেস্তের জনগণের ভোগান্তির ইতিহাস প্রায় একই রকম উল্লেখ করে তিমোর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ দৃঢ়চেতা, পরিশ্রমী, সৃজনশীল ও সফল।
অধ্যাপক ইউনূসকে তার ভাই, বন্ধু ও পরামর্শক উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশ সরকারকে তাকে আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এখানে এসে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন।
সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট এবং তার সফরসঙ্গীরা গতকাল রাত ১০টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (এইচএসআইএ) অবতরণ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস তাকে গার্ড অব অনার এবং গান স্যালুটের মাধ্যমে অভ্যর্থনা জানান।
মন্তব্য করুন


যৌথবাহিনী দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গত সাত দিনে ৪২৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ (শনিবার) পর্যন্ত অভিযানে এসব লোককে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরো বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি হতে ৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশন, ১০ পদাতিক ডিভিশন, ১১ পদাতিক ডিভিশন, ৬ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেড, ৭ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেড, ৮৬ স্বতন্ত্র সিগন্যাল ব্রিগেড ও ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের অধীনস্থ ইউনিটসমূহ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে রাজধানীর মিরপুর-১, ভাষানটেক, ইসিবি চত্বর, কাঁঠালবাগান, হাজারীবাগ এবং দেশের অন্যান্য এলাকা টঙ্গী, নরসিংদী, রাজেন্দ্রপুর, গাজীপুর, চট্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশকিছু যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব যৌথ অভিযানে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ, ডাকাত দলের সদস্য ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং সদস্য এবং মাদক ব্যবসায়ীসহ ৪২৭ জন অপরাধীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের নিকট হতে অবৈধ অস্ত্র, মাদকদ্রব্য, সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র, পাসপোর্ট, এনআইডি, মোবাইল ফোন, সিমকার্ড ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।
পাশাপাশি অভিযানে বিভিন্ন স্থানে নকল ভোজ্য তেল ও নকল ফলের জুস এর কারখানা সহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা সিলগালা সহ দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আটককৃতদের প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সাধারণ জনগণকে যেকোন সন্দেহজনক কার্যকলাপের বিষয়ে নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে তথ্য প্রদান করার জন্য যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে একদিনে ৭৪৩ টন পেঁয়াজ এসেছে।
শনিবার (৯ ডিসেম্বর ২০২৩ইং) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৭ ট্রাকে ৭৪৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ স্থলবন্দরে প্রবেশ করে।
বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর ২০২৩ইং) ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ৭ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ থাকবে।
শনিবার রাতে সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের পোর্ট ম্যানেজার মাঈনুল ইসলাম বলেন, ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছে। তবে এ ঘোষণার আগে যেসব পেঁয়াজের এলসি করা ছিল, সেগুলো এখন পর্যায়ক্রমে স্থলবন্দরে প্রবেশ করছে।
তিনি আরও জানান, শনিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৭টি ট্রাকে ৭৪৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ স্থলবন্দরে এসেছে। তবে আর কতদিন এভাবে পেঁয়াজ আসবে, তা জানি না।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় বিএনপি’র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, বহু বছরের জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশনেত্রী, গণতন্ত্রের নেত্রী ও আমাদের মাতা বেগম খালেদা জিয়া কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। তিনি বলেন, “আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি—আমাদের এই সম্পদ, আমাদের দলের শক্তিকে যেন আল্লাহ সুস্থ করে দেন। যার আহ্বানে দেশের কোটি মানুষ সত্যের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত হয়ে যায়। আমাদের মাতা দেশের গণতন্ত্রের আইকন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জীবন্ত প্রতীক। তাঁর সুস্থতা ও আরোগ্য লাভ দেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত জরুরি।”
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকালে কুমিল্লা নগরীর ঐতিহাসিক টাউন হল মাঠে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি কামনায় দিনব্যাপী পবিত্র কোরআন খতম শেষে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কান্নাজড়িত কন্ঠে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করে হাজী ইয়াছিন বলেন, “২০০৮ সালে টাউন হলের এক বিশাল জনসভায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমার হাতে ধানের ছড়া দিয়ে বলেছিলেন—‘ইয়াছিন আমার সন্তান সমতুল্য, তার হাতে আমি ধানের ছড়া তুলে দিলাম।’ আজ সেই স্মৃতি আরও গভীর হয়ে আছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি সকলের কাছে অনুরোধ করবো—আপনারা সবাই আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করুন ও দোয়া করুন। সৃষ্টিকর্তা যেন আমাদের নেত্রীকে সুস্থ করে তোলেন। ২০০৮ সালের মতোই যেন ২০২৫ সালেও আবার তিনি এই টাউন হলের মঞ্চে আসতে পারেন। এবং সেই একই স্নেহের ভাষায় যেন বলতে পারেন—‘আমার সন্তান হাজী ইয়াছিনের হাতে আবার ধান তুলে দিলাম।”
হাজী ইয়াছিন দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আমার আর কোনো ব্যক্তিগত চাহিদা নেই। আমার একমাত্র আকাঙ্ক্ষা—আমার নেত্রী যেন আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়ে ওঠেন। আমি পুনরায় তার হাত থেকে ধানের ছড়া নিতে চাই। তিনি ফিরে এলে জনগণের হৃদয়ে আবার গণতন্ত্রের শক্তি ফিরিয়ে আনবেন।”
দোয়া মাহফিলের পুরো সময় জুড়েই টাউন হল মাঠে ছিল একটি প্রার্থনামুখর পরিবেশ। কোরআন তেলাওয়াত, দরূদ শরীফ পাঠ এবং বিশেষ মুনাজাতে অংশ নেন দলীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ।
নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড, উপজেলা, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সাধারণ নাগরিক এবং নানা পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এ দোয়া অনুষ্ঠানে।
দোয়া মাহফিলে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, কৃষকদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এডভোকেট আলী আক্কাস, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বর্ষীয়ান নেতা এস এ বারী সেলিম, মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মাহাবুবর রহমান দুলাল, আতাউর রহমান ছুটি, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন—কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, যুবদলের ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ মাহমুদ জহির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু এবং যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব।
অন্যদের মধ্যে ছিলেন—জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহরম, মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, কৃষকদলের সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী এবং সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান।
এছাড়া মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিবসহ অগণিত নেতাকর্মী ও অংশগ্রহণকারী দোয়া মাহফিলের পরিবেশকে আরও আন্তরিক করে তুলেন।
অনুষ্ঠান শেষে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেন, “আমরা আজ আমাদের নেত্রী বেগম জিয়ার জন্য দোয়া করেছি। আমরা বিশ্বাস করি—আল্লাহর রহমতে ইনশাআল্লাহ তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং আগামীতেও দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গঠন ও রক্ষায় তাঁর ভূমিকা থাকবে।”
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
হাসপাতালের প্যাথলজিতে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট দিয়ে করা হচ্ছে পরীক্ষা, মূল্যে তালিকা থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে কাটা হচ্ছে রিসিট। কুমিল্লার এমন দুই হাসপাতালকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা এবং সতর্ক করেন কুমিল্লা ভোক্তা অধিদপ্তর । রবিবার (১১ জানুয়ারি) অভিযান চালিয়ে দুই হাসপাতালকে জরিমানাসহ সতর্ক করা হয় ।
জরিমানা করা দুই হাসপাতাল কুমিল্লা নগরের লাকসাম রোড এলাকার সততা স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও কুমিল্লা আলিফ হাসপাতাল।
জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. রেজা মোহাম্মদ সারোয়ার আকবর বলেন, এমন নোংরা পরিবেশে কিভাবে চিকিৎসাকরা সেবা দেন তাও প্রশ্নবিদ্ধ। এমন হাসপাতালের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কুমিল্লা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ কাউছার মিয়া জানান, আজকে আমাদের নিয়মিত অভিযান বাজার মনিটরিং অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে, কুমিল্লার দু'টি হাসপাতালে অভি্যান পরিচালনা করি। এখানে আমরা বেশ কিছু অনিয়ম পেয়েছি তার মধ্যে সেবার মূল্য তালিকার সাথে কাটা রিসিটের মিল নেই,প্যাথলজিতে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট থাকায় সততা স্পেশালাইজড হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা এবং কুমিল্লা আলিফ হাসপাতালে মূল্য তালিকার সাথে কাটা রিসিটের টাকার পরিমাণ মিল না থাকায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা প্রধান করি৷ জনস্বার্থে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনগামী ৪৫ যাত্রী বহনকারী একটি ট্রলার নাফনদীর মোহনায় শাহপরীর দ্বীপের কাছে চরসংলগ্ন এলাকায় আটকা পড়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ঘটে এই ঘটনা। ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হওয়ার কারণে নৌযানটি চলাচল করতে পারেনি। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে কোস্ট গার্ডকে অবহিত করা হয়, তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম জানিয়েছেন, ট্রলারে থাকা ৪৫ যাত্রীর সকলেই নিরাপদ আছেন। টেকনাফ–সেন্টমার্টিন নৌরুটের সার্ভিস বোট মালিক সমিতির সভাপতি আবদুর রশিদ বলেন, শাহপরীর দ্বীপের কাছে ট্রলারটি আটকা পড়ায় কোস্ট গার্ড সেখানে পৌঁছে সহায়তা করছে। স্থানীয় ইজারাদার মোহাম্মদ হোসেন জানান, সাম্প্রতিক সময়ে নাফনদীর মোহনায় চর উঠে আসায় এ রুটে নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
মন্তব্য করুন


তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুরাদ হোসেন (৪০) নামের এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আজ (২৯ নভেম্বর ) শনিবার দুপুরে পৌর এলাকার পবহাটি সিটি মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মুরাদ হোসেন পবহাটি মন্ডল পাড়ার মৃত আফজাল হোসেনের ছেলে। এলাকাবাসী জানায়, গত শনিবার মুরাদ হোসেনের বাবা আফজাল হোসেন মারা যায়। বাবার মৃত্যুর পর কুলখানি না করায় তার চাচাতো ভাই আলম মন্ডল ব্যাঙ্গ করে বলেন, ‘ভিক্ষা করে দোয়ার আয়োজন করতে’। এ নিয়ে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় মুরাদ হোসেন ও আলম মন্ডলের কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে পবহাটি সিটি মোড়ে মুরাদ বসে থাকা অবস্থায় তার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে সৌরভ ৩ টি মোটরসাইকেলে কয়েকজনকে সাথে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মুরাদের ওপর হামলা করে। তারা মুরাদকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর যখম করে। পরবর্তীতে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মুরাদকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঝিনাইদহ সদর থানার (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘খবর পেয়েই আমাদের ফোর্স ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ সদর হাপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।’
মন্তব্য করুন


আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে যেভাবে বারবার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে, তা না হলে হয়তো তাকে এত অল্প সময়ের মধ্যেই হারাতে হতো না। তার মতে, এই মৃত্যুর পেছনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার নেতৃত্বাধীন সরকারের দায় রয়েছে।মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।ড. আসিফ নজরুল বলেন, একটি প্রহসনমূলক রায়ের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং সেখানে তাকে অমানবিক আচরণের শিকার হতে হয়। তিনি দাবি করেন, যে মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল, সেটি যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সাজানো ছিল, তা সর্বোচ্চ আদালতের আপিল ও রিভিউ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়েও একাধিকবার উল্লেখ করা হয়েছে যে, ওই সাজা ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে দেওয়া।তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে যতটুকু করার সুযোগ ছিল, তা করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস ব্যক্তিগতভাবে সব সময় খোঁজখবর রেখেছেন এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়াকে আবার বিদেশে পাঠানোর মতো শারীরিক অবস্থা তৈরি হলে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।আইন উপদেষ্টা আক্ষেপ করে বলেন, যদি সরকার আরও এক বা দুই বছর আগে দায়িত্ব নেওয়ার সুযোগ পেত, তাহলে হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। তবে তিনি বলেন, আল্লাহর ইচ্ছায় বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেছেন, কিন্তু দেশের মানুষের ভালোবাসা, সম্মান ও শ্রদ্ধা নিয়ে তিনি বিদায় নিয়েছেন—এটাই সবচেয়ে বড় সান্ত্বনার বিষয়।এ সময় তিনি জানান, বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন যেন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়, সে লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিরাপত্তা বিষয়ক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তিনি গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান এবং বলেন, বর্তমান সরকারের কার্যক্রমে গণমাধ্যমের সহযোগিতার জন্য তারা কৃতজ্ঞ।
মন্তব্য করুন


চুলের
খোপায় লুকিয়ে ইয়াবা পাচার করতে গিয়ে ধরা খেয়েছেন শরীফা বেগম (৫০) নামের এক নারী মাদক
কারবারি। রোববার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর পশ্চিম পাশে
একটি লেগুনার ভেতর থেকে তাকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব সার্কেলের
সদস্যরা।
আটক
শরীফা বেগম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া থানাধীন শিবনগর গ্রামের আব্দুল হাসিম মিয়ার
স্ত্রী বলে জানা গেছে।
মাদকদ্রব্য
নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব সার্কেলের পরিদর্শক চন্দন গোপাল সূর বাদী হয়ে মাদক আইনে মামলা
দিয়ে ওই নারীকে আলামতসহ ভৈরব থানায় হস্তান্তর করেছেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
জানা যায় শরীফা নামে এক মাদক কারবারি নারী তার মাথায় চুলের খোপায় গুঁজে ইয়াবা নিয়ে
ভৈরবগামী একটি লেগুনায় করে আসছে। সে মোতাবেক আমরা সেতুতে চেক পোস্ট বসিয়ে তল্লাশি শুরু
করি। এ সময় কাঙ্ক্ষিত লেগুনাটি আমাদের চেকপোস্টে আসলে লেগুনায় বসা সন্দেহভাজন ওই নারীকে
নামিয়ে নারী কনস্টেবল দ্বারা তল্লাশি করে তার মাথার চুলের খোপায় লুকানো ২ হাজার পিস
ইয়াবা জব্দ করা হয়।
মন্তব্য করুন


পলিসি সামিট ২০২৬’-এ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, পাকিস্তানসহ বিশ্বের প্রায় ত্রিশটি দেশের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
আয়োজক সূত্র জানায়, সকাল থেকেই বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিরা সামিটে যোগ দিতে শুরু করেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, মালদ্বীপ, ব্রুনাই ও শ্রীলঙ্কাসহ প্রায় ৩০টি দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
সম্মেলনের সূচনা পর্বে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন শুধু টিকে থাকা নয়, বরং একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর রাষ্ট্রব্যবস্থা নিশ্চিত করা। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি একটি নতুন, সম্ভাবনাময় ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোর রূপরেখা তুলে ধরেন।
ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস মূলত একটি দীর্ঘমেয়াদি ও এখনও অসম্পূর্ণ সংগ্রামের ধারাবাহিকতা। রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষাই ছিল ১৯৪৭ সালের উপনিবেশ-উত্তর সময় এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূল প্রেরণা। তবে স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেই লক্ষ্যসমূহ পুরোপুরি অর্জিত হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, গত প্রায় ১৭ বছরে দুর্বল শাসনব্যবস্থা ও কর্তৃত্ববাদী প্রবণতার ফলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, জবাবদিহিতা কমেছে এবং সাধারণ মানুষের মতপ্রকাশের সুযোগ সংকুচিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের জুলাই মাসে জনগণ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ, নিজেদের অধিকার ও ভবিষ্যৎ পুনরুদ্ধারের দাবিতে আবারও সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছে।
মন্তব্য করুন