

এমদাদুল হক সোহাগ:
কাজাখস্তানের আলমাতিতে অনুষ্ঠিত 'আইএইউপি সেন্ট্রাল এশিয়া রিজিওনাল কনফারেন্স ২০২৬'-এ এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে কুমিল্লার স্বনামধন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (CCN-UST)। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে তুলে ধরতে এবং প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষ সাধনে বিশ্বের ৬টি মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে পৃথক পৃথক সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
এই ঐতিহাসিক চুক্তিগুলোর মাধ্যমে শিক্ষায় পারস্পরিক সহযোগিতা, যৌথ গবেষণা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন হলো। সিসিএন-ইউএসটি-এর পক্ষে সমঝোতা স্মারকগুলোতে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও অনারারি ডিরেক্টর (অ্যাডমিন) ইফতেখারুল ইসলাম চৌধুরী সিয়াম।
চুক্তি স্বাক্ষরিত বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে, কাজাখস্তানের আলমাতি ম্যানেজমেন্ট ইউনিভার্সিটি ও আলীখান বোকেইখান ইউনিভার্সিটি, তুরস্কের ইস্তাম্বুল নিশান্তাসি ইউনিভার্সিটি, উজবেকিস্তানের সেন্ট্রাল এশিয়া ইউনিভার্সিটি, পোল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি অ্যান্ড আর্টস ইন অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস এবং আজারবাইজানের খাজার ইউনিভার্সিটি।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই অসামান্য অর্জন আন্তর্জাতিকীকরণের প্রতি সিসিএন-ইউএসটি-এর দৃঢ় প্রতিশ্রুতি এবং বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে বিশ্ব দরবারে সুপ্রতিষ্ঠিত করার দূরদর্শী ভাবনারই এক সফল প্রতিফলন। 'কুমিল্লা থেকে বিশ্বমঞ্চে'—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব ও শিক্ষার মানোন্নয়নের মাধ্যমে সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আগামী দিনে আরও এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন


লালমনিরহাটের
আদিতমারীতে ভুট্টা খেত থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় প্রথম শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীর
বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে নিহত ওই শিশুর (৭) মরদেহ
উদ্ধার করা হয়।
নিহত
শিশু ব্রাক প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সোমবার (১৫ জুন)
বিকেল থেকে সে নিখোঁজ ছিল। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা
হয়েছে।
নিহতের
পরিবার জানায়, প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে বাড়ি থেকে খেলতে বের হয় নন্দিনী। সন্ধ্যা
গড়িয়ে গেলেও সে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
সারারাত সন্ধান করেও তার কোনো খোঁজ মেলেনি।
মঙ্গলবার
(১৬ জুন) সকালে ভুট্টা খেতে গাছ ভাঙা দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। খেতের ভেতরে গিয়ে
তারা একটি গর্ত দেখতে পান, যেখানে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ মাটিচাপা দেওয়া
ছিল। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়
ও পরিবারের সদস্যদের ধারণা, এলাকারই কোনো দুর্বৃত্ত শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে।
এরপর ঘটনা ধামাচাপা দিতে মরদেহ বস্তায় ভরে গর্তে পুঁতে রাখে।
শিশুটির
বাবা কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘গ্রামে কারও সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব নেই। খুব সাধারণ জীবনযাপন
করি। সোমবার দুপুরেও মেয়ের সঙ্গে এক পাতিল থেকে ভাত খেয়েছি। ছোট্ট মেয়েটিকে জোরপূর্বক
ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’
শিশুটির
মা আহাজারি করে বলেন, ‘বাড়ির পাশেই অনেকগুলো ভুট্টাখেত। হয়ত মেয়েকে প্রলোভন দেখিয়ে
বা জোর করে সেখানে আটকে রেখে পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। এরপর তাকে হত্যা করেছে।
মেয়ের হত্যাকারীদের বিচার চাই।’
খবর
পেয়ে লালমনিরহাটের পুলিশ সুপারসহ আদিতমারী থানা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল
পরিদর্শন করেছেন।
আদিতমারী
থানার এসআই তুহিন মিয়া বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে
শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে বিস্তারিত জানা
যাবে।’
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
(অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, থানাকে জনগণের আস্থার জায়গায় পরিণত করতে হবে।
জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে যেকোনো সমস্যায় থানায় যেতে পারে ও উপযুক্ত সেবা পায়
থানার পরিবেশ ও কার্যক্রম সেভাবে রূপান্তর করতে হবে। থানায় সাধারণ জনগণের সঙ্গে ভালো
ব্যবহার করতে হবে। জনবান্ধব পুলিশ গড়ে তুলতে থানার কার্যক্রম আরো সক্রিয় ও যুগোপযোগী
করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) চট্টগ্রাম
মহানগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইনে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ, চট্টগ্রাম
মেট্রোপলিটন পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি,
বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, কারা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর
এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, যানজট
নিরসনসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিংকে জোরদার করতে হবে। ইতোমধ্যে ডিএমপি এলাকায়
৭০০ জন শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সেনাবাহিনী,
পুলিশ ও বিজিবির অবসরপ্রাপ্ত সদস্য যারা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে নিয়োকিজত ছিলেন তাদের
মধ্যে আগ্রহী সদস্যদের বয়সসীমা বেঁধে দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে লাগানোর চিন্তাভাবনা
চলছে। প্রতিটি মহানগরীর যানজট নিরসনে সভা-সমাবেশের জন্য মুক্তাঙ্গন নির্দিষ্ট করে দিতে
হবে। ইতোমধ্যে ঢাকা মহানগরীতে সভা-সমাবেশের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে নির্দিষ্ট করে
দেয়া হয়েছে। একইভাবে চট্টগ্রামসহ অন্যান্য মহানগরীর জন্য মুক্তাঙ্গন ঠিক করে দিতে হবে
যাতে যানজট হ্রাস পায়। তিনি এ সময় মেট্রোপলিটন এলাকায় অনুমতি ছাড়া সভা-সমাবেশ করা যাবে
না মর্মে নির্দেশনা প্রদান করেন। আদালত থেকে রায় পেয়ে অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসী জামিন পেয়েছে।
এসব অপরাধী পুনরায় অপরাধে লিপ্ত হলে সাথে সাথে তাদের গ্রেফতার করতে হবে এবং কঠোর নজরদারিতে
রাখতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার অপপ্রচারসহ বিভিন্ন সাইবার অপরাধও বেড়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারেও
সজাগ থাকতে হবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। ৫ আগস্টের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে। তবে হয়তো সেটা জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী খুব সন্তোষজনক
পর্যায়ে পৌঁছেনি। তিনি এ সময় পুলিশকে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন ও প্রোটকল
ডিউটি কমিয়ে আনার নির্দেশ দেন।
মতবিনিময় সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে উপদেষ্টা বলেন, মিডিয়াকে সত্য ঘটনা প্রচার করতে হবে। আমাদের দেশের মিডিয়ার
যে একটা সুনাম আছে, পার্শ্ববর্তী দেশের মিডিয়ার তা নেই। তারা মিথ্যাই কিন্তু প্রচার
করে সবচেয়ে বেশি। আর এই মিথ্যাটাকে কাউন্টার করতে পারেন শুধু আপনারা।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার
হাসিব আজিজের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক
মো. ময়নুল ইসলাম, র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের
ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ নূরুল্লাহ
নূরী ও জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।
সভায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) এর কার্যক্রম সম্পর্কে ব্রিফ করেন অতিরিক্ত কমিশনার হুমায়ূন কবীর চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জের কার্যক্রম সম্পর্কে ব্রিফ করেন পুলিশ সুপার (অপারেশনস) নেছার উদ্দিন আহমেদ।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের দিক নির্দেশনা
বাস্তবায়নে স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন
(র্যাব)।
মঙ্গলবার
(২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য জানান।
তিনি
জানান, যত নাশকতা ও সহিংসতা হচ্ছে বা মামলা হচ্ছে, সেই আসামিদের আমরা দ্রুত আইনের আওতায়
নিয়ে আসছি। সাম্প্রতিক সময় নির্বাচন কমিশনের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের অস্ত্র
উদ্ধার বেগবান হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আমরা ১০টির বেশি বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার, বেশ
কিছু দেশিয় অস্ত্র, গাড়িসহ আটক করতে সক্ষম হয়েছি। যারা নির্বাচনের সহিংসতা করার
চেষ্টা করছে বা নির্বাচনের উৎসবমুখর পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে তাদের আইনের আওতায়
নিয়ে এসেছি। প্রায় ১০ জনের বেশি ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে নির্বাচন কমিশনের দিক নির্দেশনা বাস্তবায়নে স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে আমরা
কাজ করে যাব।
মন্তব্য করুন


সারাদেশে
আগামী কয়েক দিন বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে একই সময়ে দেশের অন্তত ১৩ জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত
থাকতে পারে।
বুধবার
(১৭ জুন) আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আগামী
২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে এবং
রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও
বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি
থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে দিন ও রাতের তাপমাত্রা
প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এ
সময় মানিকগঞ্জ, নীলফামারী, রাজশাহীসহ খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে
যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
পরবর্তী
কয়েক দিনের পূর্বাভাস, দেশের বেশিরভাগ বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে, কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের
সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। প্রায় সব বিভাগেই বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে
পারে, তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত।
একই
ধরনের বৃষ্টিপাতের প্রবণতা থাকবে, কিছু এলাকায় ভারী বর্ষণ হতে পারে। দেশের অনেক স্থানে
দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে এবং তাপমাত্রা প্রায় স্থিতিশীল থাকবে।
আবহাওয়া
অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে বজ্রপাতের ঝুঁকি থাকতে পারে, তাই সতর্ক থাকার পরামর্শ
দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


অনলাইনে
আইফোন অর্ডার করেও পার্সেলে দাড়ির তেল পাওয়ার ঘটনায় এক গ্রাহকের পক্ষে
রায় দিয়েছেন ভারতের মুম্বাইয়ের একটি ভোক্তা আদালত। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও মামলার ব্যয়সহ
প্রায় ১ লাখ ৮২
হাজার রুপি পরিশোধ করতে হবে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান
ফ্লিপকার্ট এবং সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাকে।
ভারতীয়
সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের অতিরিক্ত জেলা ভোক্তা বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন ফ্লিপকার্ট ও পণ্য বিক্রেতা
ইন্টারন্যাশনাল ভ্যালু রিটেইল প্রাইভেট লিমিটেডকে যৌথভাবে এই অর্থ পরিশোধের
নির্দেশ দিয়েছে।
মামলার
বিবরণে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২২ এপ্রিল মুম্বাইয়ের
পাওয়াই এলাকার এক বাসিন্দা ফ্লিপকার্ট
থেকে ১ লাখ ১১
হাজার ৭৯৩ রুপিতে ১২৮ জিবি স্টোরেজের একটি অ্যাপল আইফোন ১৪ প্রো অর্ডার
করেন। চার্জার ও মোবাইল কভার
ঠিকভাবে পেলেও আইফোনের পার্সেল খুলে তিনি দেখতে পান, সেখানে ফোনের পরিবর্তে দাড়ির তেল এবং কিছু প্যাকেজিং সামগ্রী রয়েছে।
এ
ঘটনায় তিনি এপ্রিল ও মে মাসজুড়ে
একাধিকবার ফ্লিপকার্টের গ্রাহকসেবা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেও তার অভিযোগ বারবার ‘সমাধান হয়েছে’ উল্লেখ করে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে তিনি না পান নতুন
ফোন, না ফেরত পান
অর্থ।
রায়ে
আদালত উল্লেখ করেন, কোনো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান
কেবল বিক্রির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না। গ্রাহক সম্পূর্ণ ভিন্ন পণ্য পাওয়ার অভিযোগ করার পরও যথাযথ তদন্ত না করা, ভুল
পার্সেল উদ্ধার না করা এবং
কার্যকর প্রতিকার না দিয়ে অভিযোগ
নিষ্পত্তি দেখানো সেবায় ঘাটতি ও অন্যায্য বাণিজ্যিক
আচরণের শামিল।
আদালত
ফ্লিপকার্ট ও বিক্রেতাকে ২০২৩
সালের ২২ এপ্রিল থেকে
বার্ষিক ৯ শতাংশ সুদসহ
১ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩
রুপি ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি মানসিক ক্ষতির জন্য ৫০ হাজার রুপি
এবং মামলার ব্যয় হিসেবে আরও ২০ হাজার রুপি
পরিশোধ করতে হবে। রায় কার্যকরের জন্য ৪৫ দিনের সময়
বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে
মামলায় বিবাদী করা হলেও অ্যাপল ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ভুল পণ্য সরবরাহের ঘটনায় অ্যাপল ইন্ডিয়ার সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুর
জেলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ফরিদা
ইলিয়াসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি দীর্ঘদিন গোপনে থাকলেও সম্প্রতি নিজ বাসায় অবস্থান
করছিলেন।
বুধবার
(৮ জুলাই) দুপুরে গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি ফয়েজ
আহমেদ।
ফরিদা
ইলিয়াস চাঁদপুর শহরের রেলওয়ে বড় স্টেশন রেল শ্রমিক কলোনির মৃত আব্দুল গফুর শেখের মেয়ে।
তার স্বামীর নাম ইলিয়াস হোসেন। তিনি ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিরুদ্ধে সক্রিয়
ভূমিকা পালন করেন। তিনি সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনির অনুসারী।
জানা
যায়, ফরিদা ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে আত্মগোপনে ছিলেন। গত কয়েক মাস চাঁদপুরে প্রকাশ্যে
আসেন তিনি। সেই সঙ্গে দলীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের নতুন-পুরনো ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট
করেন।
পুলিশ
জানায়, ফরিদা ইলিয়াসকে সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামি হিসেবে বুধবার সকাল ৮টায় বড় স্টেশন
উত্তর শ্রীরামদী নিজ বাসা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিরা নূরের নেতৃত্বে থানা পুলিশ
গ্রেফতার করে। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. খায়রুল কবির উপস্থিত ছিলেন।
সন্ত্রাসবিরোধী
আইনে থানায় বাদী হয়ে মামলাটি করেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল আমিন।
চাঁদপুর
সদর মডেল থানার ওসি ফয়েজ আহমেদ বলেন, আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পরে বিচারক
তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের আজ মঙ্গলবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ।
এসময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যুগোপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের উপর জোর তাগিদ দিয়েছেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যাতে দেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, সংস্কৃতি ও ইতিহাস-ঐতিহ্যসহ সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন রাষ্ট্রপ্রধান।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানিয়েছেন ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলাম যুগোপযোগী করার উপর তাগিদ দিয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, উচ্চশিক্ষা বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া খুবই জরুরি। এসময় তিনি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম প্রসারে কর্তৃপক্ষ দ্বারা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা নিয়েও তাঁর আশাবাদ পোষণ করেন ।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিকসহ সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। আজকের এই বৈঠক নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে সে লক্ষ্যে যুগোপযোগী কারিকুলাম প্রণয়ন করতে হবে।
আজকের এ সৌজন্য সাক্ষাৎ এর সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহউদ্দিন ইসলাম ও রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বিএনপি নিরঙ্কুশ বিজয়ে সরকার গঠনের পর একটি পক্ষ মনক্ষুণ্ণ হয়ে ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াসিন।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জনগণের দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়ে সরকার গঠন করেছে। এ নিয়ে একটি পক্ষ মনে কষ্ট পেয়েছে। সে কারণে তারা চেষ্টা করছে কীভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলা যায়।’
শনিবার (৩০ মে) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আমিন উর রশিদ ইয়াসিন বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করেছি; কিন্তু এর পরও এ ষড়যন্ত্র অব্যাহত থাকলে আমরা কঠোরভাবে সামনে এগিয়ে যাব। বিএনপির সরকার কোনো দিনই আইন নিজের হাতে তুলে নেয়নি, আগামীতেও নেবে না। সেজন্য এখন আমরা প্রতিটি পাড়া, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য কমিটি গঠন করব। এই কমিটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করবে। তারপরও যদি কিছু মানুষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করতে ষড়যন্ত্র করে, আর যদি আমরা অন্য কোনো উপায় খুঁজে না পাই, তাহলে তাদের আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হানসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
কাপাসিয়ায় এক পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
গৃহকর্তা ফোরকান মিয়া এই রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে
পুলিশ।
শুক্রবার
(৮ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে এই মর্মান্তিক
ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার (৯ মে) সকালে ওই বাড়ি থেকে ফোরকানের স্ত্রী, তিন শিশুসন্তান ও
শ্যালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা
হলেন—ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন (৩০), মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া
(৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া (২২)।
স্থানীয়রা
জানান, হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকান মিয়া গোপালগঞ্জে শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে পরিবারের সদস্যদের
‘শেষ করে দেওয়া হয়েছে’ বলে জানান।
ঘটনাস্থলে
দেখা যায়, ফোরকানের স্ত্রীকে জানালার সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। ঘরের
মেঝেতে পড়ে ছিল ২ থেকে ৫ বছর বয়সি তিন শিশুর গলাকাটা মরদেহ।
আর
খাটের ওপর ফোরকানের শ্যালকের গলাকাটা মরদেহ পাওয়া যায়। বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়েছে
পুলিশ।
এ
ছাড়া বাড়ির ভেতরে যে তিনটি স্থানে মরদেহগুলো পড়ে ছিল, তার প্রতিটি জায়গাতেই মরদেহের
পাশে প্রিন্ট করা কাগজ পাওয়া গেছে। এসব কাগজের বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা না গেলেও
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সেগুলো কোনো মামলার নথিপত্র।
কালীগঞ্জ
সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে থেকে পাওয়া প্রিন্ট
করা কাগজ পড়ে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এই ঘটনার সঙ্গে ফোরকানও জড়িত। তা ছাড়া ঘরে
রান্না করা সেমাই, কোকাকোলা ও একটি মদের বোতল পাওয়া গেছে। খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক
ওষুধ মেশানো হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছি আমরা।’
চাঞ্চল্যকর
এ ঘটনার পর থেকেই ফোরকান পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ
করছে।
উদ্ধার
হওয়া অভিযোগের কপিগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের কাজও চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়া
রেলওয়ে স্টেশনে অভিযান চালিয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১১ নারীকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে
পুলিশ। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে তাদের আটক করা
হয়।
বিষয়টি
নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শাহ আলম মিয়া জানান, গোপন
তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে ওই নারীদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের সবার বাড়ি জেলার
নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে।
পুলিশের
দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া নারীরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ট্রেনে যাত্রী সেজে চলাচল করতেন।
সুযোগ বুঝে নারী যাত্রীদের গলার চেইন, কানের দুলসহ স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
রেলওয়ে
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন
থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো
হয়েছে।
এ
ধরনের অপরাধ দমনে রেলওয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান
তিনি।
মন্তব্য করুন