

রক্তাক্ত
দুটি মানুষ ছটফট করছেন রাস্তার ধারে। ব্যথায় কুঁকড়ে যাওয়া এক নারী আর তার নিথরপ্রায়
স্বামী পড়ে আছেন তপ্ত পিচের ওপর। অথচ তাঁদের বাঁচানোর কোনো আকুতি ছুঁয়ে গেল না পাশে
জমা হওয়া শত শত মানুষকে। চোখের সামনে যখন মৃত্যুর মুখোমুখি এই দম্পতি, তখন উপস্থিত
জনতার পুরো মনোযোগ কেড়ে নিল কেবলই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কিছু কাঁচা-পাকা আম। নিস্পৃহ একদল
মানুষ মগ্ন হলেন আম লুটের উৎসবে। ভারতের বিহার রাজ্যের মুজাফফরপুরে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক
সড়ক দুর্ঘটনাটি কেবল একটি তাজা প্রাণই কেড়ে নেয়নি, বরং আরও একবার উলঙ্গ করে দিয়ে গেছে
আধুনিক সমাজের বুক চিরে জেগে ওঠা এক চরম ও কুৎসিত মানবিক অবক্ষয়কে।
রোববার
(১৫ জুন) ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ভয়াবহ
এই দুর্ঘটনার একটি ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক
সমালোচনা ও ক্ষোভের ঝড় শুরু হয়। ভিডিওটিতে দেখা যায়, বিহারের জাতীয় সড়ক-২৭-এর ওপর দুর্ঘটনাকবলিত
গাড়িটি উল্টে পড়ে আছে। রক্তাক্ত মানুষ পাশে কাতরালেও উপস্থিত লোকজন যে যেভাবে পারছেন
রাস্তার ওপর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা আমের স্তূপ থেকে আম কুড়িয়ে নিয়ে পালাচ্ছেন।
স্থানীয়
পুলিশের ভাষ্যমতে, ৪০ বছর বয়সী অজয় পাসোয়ান তার স্ত্রী সান্তারা দেবীকে নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ
থেকে আমবোঝাই করে মুজাফফরপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের গাড়িটি
উল্টে গেলে দুজনেই গুরুতর আহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, রক্তাক্ত অবস্থায় ওই দম্পতি দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় পড়ে থাকলেও সেখানে ভিড় জমানো
সাধারণ মানুষের মধ্যে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার কোনো তাগিদ বা ন্যূনতম মানবিকতা
দেখা যায়নি। উল্টো সবাই ব্যস্ত ছিলেন বিনামূল্যে আম ঘরে তুলতে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ
দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই দম্পতিকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠায়। তবে হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় অজয় পাসোয়ানের মৃত্যু হয়। তার স্ত্রী সান্তারা দেবী বর্তমানে আশঙ্কাজনক
অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
মুজাফফরপুরের
জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা রাকেশ কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, পুলিশ খবর
পাওয়া মাত্রই দম্পতিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছিল। আম লুটের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও
লজ্জাজনক ঘটনার বিষয়টি খতিয়ে দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে
বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে কার্যকরভাবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী
জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না
কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে। রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করার মতো দুঃসাহস যে সমস্ত
সন্ত্রাসী দেখিয়েছে, তাদের যথাযথভাবে দমন করা হবে।
মন্ত্রী
আজ রোববার ( ৩১মে ) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের
বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী
বলেন, সলিমপুর, জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগরসহ পার্শ্ববর্তী সমগ্র এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে আনা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। সেজন্য
এই অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
মন্ত্রী
বলেন, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় পরিকল্পিত সরকারি স্থাপনা ও একাডেমি নির্মাণের লক্ষ্যে
আজ সব বিভাগীয় প্রধানদের সাথে ম্যাপ পর্যালোচনা করে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি
বলেন, প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামের বর্তমান কারাগারটি বায়েজিদ লিঙ্ক রোডের পাশের ওই এলাকায়
স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ শিগগিরই স্থানটি সরেজমিনে
পরিদর্শন করবেন। তিনি আরো বলেন, কারা অধিদপ্তর প্রথমে কারাগারের নির্ধারিত স্থানটি
নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পরবর্তী উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করবে, যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে
অত্যন্ত জরুরি। অন্যান্য সরকারি দপ্তরের জন্য কোন স্থানে কী স্থাপনা করা হবে, তাও সুনির্দিষ্ট
পরিকল্পনার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা ও যৌথ অভিযান প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী
বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে কেবল প্রচলিত ধারার পুলিশিং নয়, বরং র্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ
রাষ্ট্রের সকল বাহিনী হেলিকপ্টার সাপোর্টের মাধ্যমে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন,
রাষ্ট্রের কল্যাণে ও জননিরাপত্তা বিধানে সকল বাহিনী একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। জঙ্গল সলিমপুরের
মতো রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি ও বোয়ালখালীসহ সব অঞ্চলের সন্ত্রাসীদের তালিকা
ও আস্তানা চিহ্নিত করে সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে নির্মূল করা হবে। তিনি আরো বলেন,
রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ওপর হামলাকারী ও আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে
না এবং তাদের সর্বশেষ আস্তানাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।
মন্ত্রী
এ সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির টেকসই উন্নয়ন, দেশের কল্যাণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে
গণমাধ্যমকর্মীদের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
উচ্চপর্যায়ের
এই বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ
হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রামের সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলার সংসদ সদস্যবৃন্দ,
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, আইজিপি মোঃ আলী হোসেন ফকির,
বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল সৈয়দ মোঃ মোতাহার হোসেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম
রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ মনিরুজ্জামান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত
আলী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম বিপিএম-সহ
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জাতি
গঠনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশকে ধ্বংসাবশেষ থেকে ঘুরে দাঁড়াতে প্রবাসীরাই মূল ভূমিকা পালন
করেছেন।
আজ
শুক্রবার টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত এক কমিউনিটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য
রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এটাই সত্য যে কঠিন সময়ে দেশের যে টিকে থাকা—তা সম্ভব হয়েছে প্রবাসীদের
পাঠানো রেমিটেন্সের কারণে’।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস বলেন, ক্ষমতাচ্যুত পতিত সরকার রাষ্ট্রীয় কোষাগার এবং ব্যাংক শূন্য করে গিয়েছিল
এবং যদি প্রবাসীরা সহায়তা না করতেন, তাহলে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারত না।
তিনি
বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার অবশ্যই তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে, তবে জাতি গঠনে প্রবাসী
বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হওয়া উচিত।
প্রধান
উপদেষ্টা প্রবাসীদের বাংলাদেশে ব্যবসা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
‘একজন নাগরিক হিসেবে আপনাদেরই
রাষ্ট্র মেরামতের দায়িত্ব নিতে হবে,’ তিনি বলেন।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস বলেন, প্রবাসীদের বাংলাদেশে আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব রয়েছেন, তাদের ব্যবসাও
আছে—এই কারণে তারা নিয়মিত বাংলাদেশে
যাতায়াত করেন।
‘তাই সামগ্রিকভাবে আমাদের
একসঙ্গে কাজ করতে হবে...আপনারা জাপান সরকারের ওপর প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করুন,’বলেন
তিনি।
প্রধান
উপদেষ্টার জাপান সফরের তৃতীয় দিনে আজ তিনটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়— যথাক্রমে অর্থনৈতিক সংস্কার
ও জলবায়ু পরিবর্তন সহনশীলতা জোরদার করতে ডেভেলপমেন্ট পলিসি লোন (৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন
ডলার), জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী ডুয়াল-গেজ ডাবল-লেন রেলওয়ে প্রকল্পের জন্য ঋণ (৬৪১ মিলিয়ন
ডলার) এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন স্কলারশিপ অনুদান (৪.২ মিলিয়ন ডলার)।
বাংলাদেশের
পক্ষে রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী এবং জাপানের পক্ষে দেশটির রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা সমঝোতা
স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস দলিল এমওইউ স্বাক্ষরের এই আনুষ্ঠানিকতা প্রত্যক্ষ করেন।
পরে,
জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দেওয়া নৈশভোজে তিনি অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


রাজশাহীর
সবচেয়ে বড় আম বাজার বানেশ্বরহাট পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
মঙ্গলবার
(১৬ জুন) সকাল ৯টার দিকে তিনি হাটে পরিদর্শনে যান। এরপর আমের আড়ত ও দোকান ঘুরে দেখেন।
এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আমের স্বাদ নেন এবং মুগ্ধ হয়ে বলেন, ‘সেরা আমের
স্বাদ নিতে রাজশাহীতে এসেছি। এখানকার আম অসাধারণ।’
রাষ্ট্রদূত
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘এখানে বেশি পরিমাণে কোল্ড চেইন (হিমাগার ব্যবস্থা) প্রয়োজন।
কারণ রফতানি এবং সারা বছর আম পেতে হিমায়িত আম সবচেয়ে উপযোগী।’
রাষ্ট্রদূত
ব্রেন্ট বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে আম পাওয়া যায় তবে এখানকার মতো এত তাজা আম পাওয়া সম্ভব
নয়। এর আগে রাষ্ট্রদূত হাটে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন জাতের আম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং
ব্যবসায়ী ও চাষিদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লাকে
বিভাগ করার দাবি বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার
বেলা দেড়টায় কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে আয়োজিত পথসভায় কুমিল্লা
বিভাগ চেয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীদের মুহুর্মুহু স্লোগানের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী এ
ঘোষণা দেন।
তিনি
বলেন, “এই দাবিটি যদি জনগণের দাবি হয়ে থাকে, ইনশাল্লাহ সেটি বাস্তবায়ন হবে।”
একই
সঙ্গে কুমিল্লায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে অল্প কিছুদিনের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর
সঙ্গে আলাপ করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন সরকারপ্রধান।
বেলা
সোয়া ১১টায় প্রধানমন্ত্রী পথসভা মঞ্চে উঠলে সমর্থকরা মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে তাকে
অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।
পথসভায়
কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন কুমিল্লাবাসীর তরফে ‘কুমিল্লা’
নামে কুমিল্লা বিভাগ এবং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি তুলে ধরেন। এ সময় কর্মীরা
তুমুল করতালি দিয়ে কৃষিমন্ত্রীকে সমর্থন জানান।
একইভাবে
স্থানীয় সংসদ সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন কুমিল্লাকে বিভাগ
করা, কুমিল্লা সদর হাসপাতালকে আড়াইশ’ বা তিনশ’
শয্যায় উন্নীত করার দাবি জানান।
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান চাঁদপুরে
যাচ্ছেন। পথিমধ্যে এই পথসভায় অংশ নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।”
এদিন
সকাল ছোট ছোট মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মী-সমর্থকরা ব্যানার-ফেষ্টুন নিয়ে এই পথসভায় সমবেত
হতে শুরু করেন। সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে লক্ষীপুর বাজার মাঠের পথসভাটি হাজারো নেতাকর্মীর
উপস্থিতিতে সমাবেশে রূপ নেয়।
সরকারপ্রধান
এদিন চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার উয়ারুক বাজারের ‘খোর্দ্দ খাল’
পুনঃখনন এবং সদর উপজেলার শাহ মাহমুদপুর ইউনিয়নের কুমারডুলি গ্রামে বিশ্ব খাল পুনঃখনন
কাজের সূচনা করবেন।
এরপর
চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন তারেক রহমান। এছাড়া চাঁদপুর ক্লাবে
স্থানীয় বিএনপির সাংগঠনিক মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন তিনি।
মন্তব্য করুন


সাতক্ষীরা
জেলা নিয়ে কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজার একটি পুরনো বক্তব্যের ভিডিও ফের
ভাইরাল হয়েছে।
সাতক্ষীরার-৪
আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামের নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ
মুহূর্তের ভিডিও যখন ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’, তখন আমির হামজার সেই বক্তব্যের ভিডিও
ফের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।
ওই
ভিডিওতে আমির হামজাকে বলতে শোনা যায়, ‘আল্লাহ যদি কিয়ামতে জান্নাত দেওয়া আরম্ভ করে
প্রথমেই সাতক্ষীরা দিয়ে শুরু করবে।’
ভাইরাল
হওয়া ভিডিওতে আমির হামজাকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘গরিব মানুষকে আল্লাহ ও তার রাসূল
(সা.) বেশি ভালোবাসতেন। বাংলাদেশের রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ, সাতক্ষীরা আবেগের জায়গা।
সারা বাংলাদেশে আমার যতটুকু বাস্তবতা ও ধারণা, আল্লাহ যদি কিয়ামতে জান্নাত দেওয়া আরম্ভ
করে প্রথমে সাতক্ষীরা দিয়ে শুরু করবে। এরপরে চাপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী। আর আমার কুষ্টিয়া
থাকবে ৬৪ নাম্বারে কারণ সব গাজার (মাদক) আড্ডা।’
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পেজ থেকে ছড়ানো আমির হামজার এই ভাইরাল ভিডিও নিয়ে চলছে আলোচনা
ও সমালোচনা।
ভিডিওটি
শেয়ার দিয়ে জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে উদ্দেশ্যে করে দলটির বিরোধী রাজনৈতিক
দলের নেতকর্মীরা ট্রল করছেন। তাদের ভাষ্য, জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলাম অনৈতিক কর্মকাণ্ডে
জড়িয়েছেন।
তবে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে প্রদর্শিত এক নারীর সঙ্গে
অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ঘটনাটি বিকৃতভাবে ছড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের
সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। তার দাবি, ‘ভিডিওর ওই নারী তার নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী।’
এক
ফেসবুক পোস্টে গাজী নজরুল ইসলাম জানান, গত ১৩ জুলাই তিনি তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা
বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়াম বেগমকে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে যান। সেখানে তার দ্বিতীয়
স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিস। সেখানে তারা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা
অবস্থান করেন। মাসুম বিল্লাহর অফিসে অবস্থানকালে তার গাড়িচালক ও দ্বিতীয় স্ত্রীর
মামা ওবায়দুল্লাহ গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যান। পরে তিনি ৫–৭
জন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে তাদের কক্ষে ঢুকেন।
মন্তব্য করুন


গোপালগঞ্জ
সদর উপজেলার পাইককান্দি এলাকায় শ্বশুরবাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে বি এম মাহমুদুল ইসলাম
(৩৮) নামে এক পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য
তার স্ত্রী ও শ্বশুরকে আটক করা হয়েছে।
নিহত
মাহমুদুল ইসলাম ৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার
মলছড়ি ক্যাম্পে উপপরিদর্শক (সশস্ত্র) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার
বিজয়পাশা গ্রামের হায়দার আলী ভূঁইয়ার ছেলে।
সোমবার
সকালে স্থানীয়রা শ্বশুরবাড়ির পাশের একটি পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর
দেন। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
গোপালগঞ্জ
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য
গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন
পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তিনি
আরও জানান, ঘটনাটি তদন্তের অংশ হিসেবে নিহতের স্ত্রী ও শ্বশুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য
আটক করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বিশ্বকাপের উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বিতর্কে জড়িয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। যুক্তরাষ্ট্রে সংস্থাটির আর্থিক লেনদেন, স্পন্সরশিপ আয় এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) ও বিচার বিভাগ। তদন্তে অর্থ পাচার, ওয়্যার জালিয়াতি এবং সম্ভাব্য কর ফাঁকির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম লা নাসিওন।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ডিসি ও মায়ামির ফেডারেল প্রসিকিউটররা তদন্তে অংশ নিয়েছেন। তারা খতিয়ে
দেখছেন, এএফএর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ও স্পন্সরশিপ চুক্তি থেকে আসা শত শত মিলিয়ন মার্কিন
ডলার কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থানান্তর হয়েছে এবং এসব লেনদেনে
যুক্তরাষ্ট্রের আইন লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না।
এফবিআইয়ের
এ তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাভিত্তিক ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসির
বিরুদ্ধে। আন্তর্জাতিক স্পোর্টস মার্কেটিং ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের এ প্রতিষ্ঠানটি
বিদেশে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বাণিজ্যিক আয় ও বিপণন-সংক্রান্ত আর্থিক কার্যক্রম
পরিচালনা করতো।
গোপন
ব্যাংকিং নথির তথ্যের ভিত্তিতে লা নাসিওন দাবি করেছে, এএফএর অন্তত ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন
ডলার কয়েকটি শেল কোম্পানির মাধ্যমে স্থানান্তর করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের
কোনো কর্মচারী বা দৃশ্যমান বাণিজ্যিক কার্যক্রম ছিলো না।
তদন্তকারীরা
বর্তমানে ক্রীড়া ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ
করছেন। এর অংশ হিসেবে গত সপ্তাহে আর্জেন্টাইন ফুটবলভিত্তিক ব্যবসায়ী গিয়ের্মো তোফোনির
সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টার একটি ভার্চুয়াল বৈঠকও হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যদিও তিনি বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার করেননি।
এ
ছাড়া তদন্তে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই সরকারের কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তাকেও
সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ডাকার বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। তদন্তকারীদের
ধারণা, এসব কর্মকর্তা এএফএর কার্যক্রম সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের নাগাল পেয়েছিলেন।
লা
নাসিওন জানিয়েছে, গত বছরই যুক্তরাষ্ট্রে এই তদন্তের প্রস্তুতি শুরু হয়। তদন্ত পরিচালনা
করছেন ওয়াশিংটন ডিসি ও ফ্লোরিডার অন্তত তিনজন ফেডারেল প্রসিকিউটর। তাদের মধ্যে রয়েছেন
ব্যাংকিং ও আর্থিক অপরাধ তদন্তে অভিজ্ঞ কর্মকর্তারাও।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসির মালিক হাভিয়ের ফারোনি ও তার স্ত্রী এরিকা জিলেট যুক্তরাষ্ট্রের
পাঁচটি ব্যাংকের মাধ্যমে শত শত মিলিয়ন ডলারের লেনদেন পরিচালনা করেছেন। ব্যাংকগুলো হলো
সিটিব্যাংক, সিনোভাস, ব্যাংক অব আমেরিকা, জেপি মরগ্যান এবং পিএনসি ব্যাংক। এসব হিসাবের
মাধ্যমে এএফএর অন্তত ২৬ কোটি মার্কিন ডলারের আয় পরিচালিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে অর্থের একটি বড় অংশের অর্থনৈতিক যৌক্তিকতার স্পষ্ট ব্যাখ্যা তদন্তকারীরা এখনো পাননি।
প্রতিবেদনে
আরও বলা হয়েছে, অ্যাডিডাস ও ওয়ার্নারের মতো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এএফএর আন্তর্জাতিক
চুক্তি থেকে পাওয়া অর্থও ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসির মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।
চুক্তি
অনুযায়ী, কর পরিশোধের পর আন্তর্জাতিক আয়ের ৩০ শতাংশ এবং অতিরিক্ত ১০ শতাংশ লজিস্টিক
কমিশন পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব আর্থিক নথিই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ও
এফবিআই বিশ্লেষণ করছে।
অন্যদিকে
সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। সংস্থাটি বলেছে, ট্যুরপ্রডএন্টার
এলএলসির সঙ্গে তাদের বৈধ ও কার্যকর চুক্তি রয়েছে এবং সেটি আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাষ্ট্রের
আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। কোথাও কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি।
এএফএর
দাবি, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এবং প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো দেশের ফুটবল প্রশাসনকে
অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ।
বিশ্বকাপ
চলাকালীন এই তদন্ত আর্জেন্টিনা ফুটবলকে নতুন বিতর্কের মুখে ফেলেছে। তবে এখন পর্যন্ত
এটি প্রাথমিক তদন্ত পর্যায়ে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক
কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি বা তদন্তের ফলাফল প্রকাশ করেনি।
মন্তব্য করুন


ফেনী জেলার পরশুরামে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) পরিদর্শনকালে কুমিল্লা সেনানিবাসে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর বিবিধ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন সেনাপ্রধান। এরপর তিনি হেলিকপ্টার যোগে ফেনী জেলার পরশুরাম এবং সংলগ্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় তিনি উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত সেনা সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পরিদর্শনে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়াসহ সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৭, ২৪ ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যগণ যথাক্রমে সিলেট, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা এলাকায় বন্যা দুর্গতদের উদ্ধারে মোতায়েন রয়েছে। মোতায়েনরত সেনাসদস্যগণ নিরলসভাবে পানিবন্দী মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেই সাথে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সেনাবাহিনী প্রধান বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীকে এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) কুমিল্লা শাখায় এক ব্যতিক্রমী ‘চা চক্র’ আয়োজন করা হয়েছে। প্রচলিত ব্যাংকিং কার্যক্রমের বাইরে গিয়ে গ্রাহকদের সাথে সরাসরি সম্পর্ক দৃঢ় করা এবং তাদের প্রকৃত প্রয়োজন ও সম্ভাবনা অনুধাবন করাই ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। গত ১০ জুন বিকেলে নগরীর ছাতিপট্টী এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকটিতে এই প্রাণবন্ত চা চক্রের আয়োজন করা হয়। ‘চা চক্র’ ও এসএমই খাতে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে অনুষ্ঠিত ওই আলোচনায় প্রায় ৩০ জন উদ্যমী ও সাহসী এসএমই উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় তাঁদের ব্যবসার বর্তমান অবস্থা, সাফল্যের গল্প, সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার নানা বিষয় ফুটে ওঠে।
অনুষ্ঠানে গ্রাহকদের বিভিন্ন চাহিদা ও দাবিগুলো গুরুত্বের সাথে লিপিবদ্ধ করা হয় এবং সেগুলোর সমাধানের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
ইউসিবি ব্যাংকের কুমিল্লা শাখা প্রধান সালেহ আহমেদ মজুমদার জানান, এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা মাঠপর্যায় থেকে সরাসরি গ্রাহক ফিডব্যাক সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছি, যা ঝুঁকি মূল্যায়ন, পণ্য উন্নয়ন এবং সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে, গ্রাহকদের সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর সমাধান খোঁজার চেষ্টা করা হয়। সীমিত পরিসরে আয়োজিত এই চা চক্রটি কেবল একটি সাধারণ আলোচনা ছিল না, বরং এটি ছিল একটি প্রাণবন্ত আড্ডা। এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে আরো সময় নিয়ে ও বড় পরিসরে করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থান
ছাড়াও সুফি মাজারে যেকোনো বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তী
সরকার। সেই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে
কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানিয়েছে সরকার।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয় থেকে পাঠানো
বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত কয়েকদিনে কিছু দুর্বৃত্তের
দেশের সুফি মাজারগুলোতে হামলা চালানোর বিষয়টি অন্তর্বর্তী সরকারের নজরে এসেছে। অন্তর্বর্তী
সরকার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা এবং সুফি মাজার সম্পর্কিত যেকোনো বিদ্বেষমূলক বক্তব্য
এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। এসব হামলার সঙ্গে জড়িতদের অতি দ্রুত আইনের আওতায়
আনা হবে। সেই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। ধর্মীয় উপাসনালয়
ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের
দেশ। ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক সহিষ্ণুতা ও সম্প্রীতিকে বিঘ্নিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা
সরকার দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করবে।
মন্তব্য করুন