

প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণা অনুযায়ী আগামী
বছরের ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা
ড. আসিফ নজরুল।
আজ মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।
নির্বাচনের সময় নিয়ে দলগুলোর বক্তব্য
রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ বলে মন্তব্য করে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠান কোনো দলের
দায়িত্ব না এটা সরকারের দায়িত্ব। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছি আগামী
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন সম্পন্ন হবে।
তিনি বলেন, এখন রাজনৈতিক দল তো বিভিন্ন
উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কথা বলে এবং ওইটা তো একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। আপনারা তো এটা সব
সময় দেখেছেন। বাংলাদেশে ট্রেডিশনালি এসব রাজনৈতিক কথাবার্তা হতো, এখনো ঠিক ওরকমভাবেই
কথাবার্তা হচ্ছে। কথাবার্তায় খুব বেশি গুণগত পরিবর্তন হয়নি। ফলে নির্বাচনের সময় নিয়ে
কে কী বলবেন এটা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই দেখবেন।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, সরকারের
পক্ষ থেকে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ আছি। আমাদের স্যার (প্রধান উপদেষ্টা) সর্বজন স্বীকৃত একজন
বিশ্বপর্যায়ে নন্দিত মানুষ। উনি নিজে ঘোষণা করেছেন, তার এ ঘোষণা থেকে আমাদের পিছিয়ে
আসার বিন্দুমাত্র চিন্তা নেই। জমি অধিগ্রহণ নিয়ে অনেক সময় বেশি মূল্য ধরা হয়, এরপরে
পিডিবির বিষয় নিয়ে অনেক কথা হয়। আপনারা জানেন বালিশ কাণ্ডে কি হয়েছিল। আমরা আরো এরকম
বালিশ কাণ্ড চাই না। এজন্য দুদক সংস্কার কমিশন যে প্রস্তাব দিয়েছে সেগুলো আমরা আইনের
পরিবর্তনের চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে একজন অভিজ্ঞ কনসালটেন্ট নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আজ
থেকে কাজ শুরু করবেন। প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়ে দুর্নীতি করা হয় এগুলো আসলে আমাদের বিষয়
না এটার জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় রয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের রয়েছে তারা এগুলো দেখবে।
আমরা সর্বোচ্চ দুর্নীতির বিষয়গুলো দেখতে পারবো। এজন্যই দুর্নীতি দমন কমিশনকে আরো শক্তিশালী
করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন মাছ ঘাট এলাকা থেকে ২২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করেছে চাঁদপুর সদর উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও কোস্ট গার্ড।
রোববার (৭ জুলাই) সকালে চাঁদপুর সদর উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও কোস্ট গার্ড এর যৌথ অভিযানে বড় স্টেশন মাছ ঘাট থেকে এসব জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়।
এসব তথ্য জানান, অভিযানে অংশ নেওয়া চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম।
চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম বলেন, সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযানে বড় স্টেশন মাছ ঘাট থেকে ২২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়। এবং জেলিযুক্ত চিংড়ি মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করা হয়। চিংড়ির মালিকানা কেউ দাবি না করায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
অভিযানেউপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর সদর উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী মো. জামিল হোসেন, কোস্ট গার্ড চাঁদপুর স্টেশনের চিফ পেটি অফিসার এম. শফিকুল ইসলামসহ কোস্ট গার্ড সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ গণতান্ত্রিক যাত্রার পথে এগিয়ে যাবে।
তাঁর রাজসিক প্রত্যাবর্তন সেই বার্তাই বহন করে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
এসব কথা বলেছেন তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনেরও প্রত্যাশাও জানান
তিনি।
শুক্রবার
দুপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে
বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।
দীর্ঘ
১৯ বছর পর আজ (শুক্রবার) রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর
রহমানের সমাধিতে যাবেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সর্বশেষ
২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
বাদ
জুমা শেরেবাংলা নগরে বাবার সমাধিতে যাওয়ার কথা তারেক রহমানের। এ উপলক্ষ্যে সমাধি এলাকায়
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সকাল
থেকে নেতাকর্মীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি
লক্ষ্য করা গেছে মাজার এলাকায়।
অন্যদিকে,
তারেক রহমানের নিরাপত্তায় পুলিশ, বিজিবি ও আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সাদা
পোশাকেও দায়িত্ব পালন করছেন।
নেতাকর্মীরা
জানান, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আর সেটিকে
বাস্তবায়ন করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। এখন তারেক রহমানের হাত ধরে সেই গণতন্ত্র প্রস্ফুটিত
হবে।
একই
সঙ্গে তারেক রহমানের আগমনে নির্বাচনকেন্দ্রিক জটিলতাসহ দেশের সব ধোঁয়াশা কেটে গেছে
বলেও দাবি তাদের।
মন্তব্য করুন


২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ দণ্ডিত
সব আসামি খালাস পেয়েছেন।
রায়ে এ মামলায় সম্পূরক অভিযোগপত্রের
ভিত্তিতে বিচারিক আদালতের রায় অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে এ রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি
সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশ বেঞ্চ আজ এ রায় দেন।
এর আগে হাইকোর্টের একই বেঞ্চ ২১ নভেম্বর
আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি গ্রহণ শেষ করেন। সেদিন আদালত মামলা দুটি
রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন। আজ রায় ঘোষণা করা হল।
২০১৮ সালে বিচারিক আদালতের রায়সহ মামলা
দুটির নথিপত্র হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়। এটি ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়।
কোনো ফৌজদারি মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে
হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে।
পাশাপাশি দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে
আসামিদের জেল আপিল, নিয়মিত আপিল ও বিবিধ আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সে অনুযায়ী আসামি
পক্ষ আপিল করে।
গত ৩১ অক্টোবর বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট
গ্রেনেড হামলা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু হয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর
বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা হয়। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায়
২০১৮ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে ২০০১-২০০৬ আমলের বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী
আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম ও আসামি শেখ আবদুস সালাম ২০২১ সালে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় মারা যান।
মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান, বিএনপির নেতা হারিছ চৌধুরী, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইনসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন
সাজা দেয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে ১১ জনকে দণ্ড দেয় বিচারিক আদালত। এরপর ওই বছরই
হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স আসে। পাশাপাশি দণ্ডিত কারাবন্দিরা আপিল দায়ের করেন।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার
ঘটনায় মতিঝিল থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা হয়। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক
সরকার এ-সংক্রান্ত মামলা দুটির (হত্যা ও বিস্ফোরক) নতুন করে তদন্ত শুরু করে। ২০০৮ সালে
২২ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে মামলার অধিকতর তদন্ত
হয়। এরপর তারেক রহমানসহ ৩০ জনকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়া হয়। ২০১৮ সালের
১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এই মামলার (হত্যা ও বিস্ফোরক মামলা) রায়
দেন। রায়ের পর একই বছর বিচারিক আদালতের রায়সহ মামলা দুটির নথিপত্র হাইকোর্টে এসে পৌঁছে।
পেপার বুক প্রস্তুত করাসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে মামলায় আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানি
সম্পন্ন হলো। এখন হাইকোর্ট রায়ের অপেক্ষায়। এ মামলায় বিএনপি'র শীর্ষ নেতৃত্বকে সম্পৃক্ত
করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে বারবার দাবি করে আসছিল দলটি।
মন্তব্য করুন


বাণিজ্য,
ব্যবসা, শিক্ষা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার উপায় নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের
মধ্যে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের ব্লু ইকোনমিতে বিনিয়োগের সুযোগ উন্মোচন,
‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে আরও বিস্তৃত করা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে
সহযোগিতা বাড়ানো।
লন্ডনে
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা
হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী স্যার ক্রিস ব্রায়ান্ট
এমপির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
আজ
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঢাকায় প্রাপ্ত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে
দুই দেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও গভীর করার উপায়, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা
এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ
মাসের শেষ দিকে ক্যামেরুনে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ১৪তম মন্ত্রী
পর্যায়ের সম্মেলনের আগে যোগাযোগ অব্যাহত রাখার ব্যাপারেও উভয় পক্ষ একমত হয়।
অন্যদিকে,
লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে
সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশবিষয়ক বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস রোজি উইন্টারটন।
সাক্ষাতে
বিমান পরিবহন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে
গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গেও আলোচনা করে বাংলাদেশ
প্রতিনিধি দল।
অন্যদিকে,
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আন্তর্জাতিক বিচার
আদালতের (আইসিজে) বিচারক পদে যুক্তরাজ্যের প্রার্থী অধ্যাপক ড্যাপো আকান্দে ২০২৭-২০৩৬
মেয়াদের জন্য নিজের প্রার্থিতা উপস্থাপন করেন।
বৈঠকগুলোতে
বহুপাক্ষিক ফোরাম ও আন্তঃসরকারি নির্বাচনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বিদ্যমান সহযোগিতায়
উভয় পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে। এসময় দুই দেশ ভবিষ্যতে অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার
অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত
প্রতিদিন বিকেল ৩টায় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।
আজ
শনিবার (১৪ মার্চ) সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা
কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কমিটির সভাপতি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ
উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের কার্যাদি নিষ্পন্নের জন্য সময় বরাদ্দকরণ ও অধিবেশনের
স্থায়িত্বকাল নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সিদ্ধান্ত
গৃহীত হয়।
কমিটি
সদস্য, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে আরও
অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য বিরোধীদলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান, এমপি; ড. খন্দকার মোশাররফ
হোসেন, এমপি; স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এমপি; অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী,
এমপি; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, এমপি; চীফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, এমপি;
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, এমপি; এ টি এম আজহারুল ইসলাম, এমপি; বিরোধীদলের চীফ হুইপ
মো. নাহিদ ইসলাম, এমপি এবং মুহাম্মদ নওশাদ জমির, এমপি।
বৈঠকে
স্পিকারের বিশেষ আমন্ত্রণে অংশগ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার
কায়সার কামাল, এমপি।
প্রয়োজনে
অধিবেশনের সময় ও কার্যদিবস সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় পরিবর্তনের ক্ষমতা স্পিকারকে প্রদান
করা হয়।
এ
অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য আটটি ও অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৪৬০টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৮টি
প্রশ্ন পাওয়া গেছে। বিধি-৭১ এ মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে ২৭টি এবং সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব
সংখ্যা (বিধি-১৩১) এ ৯৭টি নোটিশ পাওয়া গেছে।
বৈঠকে
সাচিবিক সহায়তা প্রদান করেন সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা। সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কৌশলের
নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ কখনো বিএনপি ধরেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক
রহমান।
শনিবার
(১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গুম-খুনের শিকার পরিবারের
সদস্যদের নিয়ে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ ও ‘মায়ের ডাক’-এর
উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
তারেক
রহমান বলেন, “ষড়যন্ত্র করে কেউ বিএনপিকে দমন করে রাখতে পারবে না। সম্প্রতি নির্বাচন
কমিশনের বিতর্কিত ভূমিকা দেখেছি, কিন্তু রাজনেতিক দল হিসেবে আমরা ধৈর্যের পরিচয় দিতে
চাইব।
ফ্যাসিবাদী
আমলে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দেওয়া সব মামলাকে রাজনৈতিক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “যারাই বিগত সময় নানাভাবে নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন,
তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই। আর গুম-খুন ও নানা নির্যাতনের পরও বিএনপির নেতাকর্মীরা
রাজপথ ছেড়ে যায়নি।”
তিনি
বলেন, “আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে অত্যাচার করা হয়েছে। হাজারো নেতাকর্মীকে হতে
হয়েছে গুমের শিকার।
তাদের
কিছু পরিবার এখানে আছে। ফ্যাসিবাদী আন্দোলনের সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দেড়
লক্ষের বেশি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার বোঝা ৬০ লক্ষ নেতাকর্মীকে বহন করতে
হয়েছে। লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীকে বছরের পর বছর ঘরবাড়ি ছেড়ে থাকতে হয়েছে।
তাদের
বিরুদ্ধে মামলাগুলো ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
যে
দলের নেতাকর্মীরা আন্দোলনে অকুতোভয় ভূমিকা রাখতে পারে, সেই দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
বা অপপ্রচার চালিয়ে কেউ কখনো দমন করতে পারবে না জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “কৌশলের
নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ কখনো বিএনপি ধরেনি।”
মন্তব্য করুন


নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাহত করার চেষ্টা হলে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে উদ্দেশ্যমূলকভাবে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা জনমনে ভয় সৃষ্টি করছে। এ ধরনের তৎপরতা বন্ধে সরকার দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। কোন রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এলে কী হতে পারে—এ নিয়ে বাইরে থেকে মন্তব্য করার কোনো সুযোগ নেই।
নির্বাচনী প্রচারে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানান, কিছু এলাকায় প্রার্থীরা সীমা অতিক্রম করছেন। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান এবং বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের উপস্থাপনা প্রত্যক্ষ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) দুপুর দুইটায় তিনি সংসদ ভবনে আসেন এবং সংসদের প্রেসিডেন্ট বক্স থেকে বাজেট উপস্থাপনা প্রত্যক্ষ করেন ।
এর আগে মন্ত্রিসভার বিশেষ
বৈঠকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য অনুমোদন দেওয়া
হয়েছে। দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার এ বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব
করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এদিন বিকেল তিনটায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭
লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি
দেশের ১৮তম অর্থমন্ত্রী। আবুল হাসান মাহমুদ আলী অর্থমন্ত্রী হিসেবে এবারই প্রথম বাজেট
পেশ করবেন।
এটি দেশের ৫৩তম বাজেট। সময়ের
সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতি বছরই বাজেটের আকার বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আগামী অর্থবছরের
বাজেট দেশের সবচেয়ে বড় বাজেট হতে যাচ্ছে। এর আগে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেছেন,
১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লব এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান একই সামাজিক-রাজনৈতিক
প্রেক্ষাপট থেকে সৃষ্টি হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের প্রেক্ষাপট ২০২৪
সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটের সঙ্গে অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ। প্রকৃতপক্ষে,
এই দুটি গণআন্দোলনের পেছনের পরিস্থিতির মধ্যে খুব সামান্যই পার্থক্য রয়েছে।
আজ শুক্রবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে
জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আয়োজনে
‘নভেম্বর থেকে জুলাই : বিপ্লব থেকে বিপ্লবে’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন
তিনি।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেন,
স্বাধীনতার পর একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কার্যকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থতা-এই দুই ঘটনার
পটভূমি তৈরি করেছিল। স্বাধীনতার পর যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তারা দুর্নীতি
ও লুটপাটে জড়িয়ে পড়েন। এর ফলেই ১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়
এবং প্রায় একই পরিস্থিতি ২০২৪ সালেও পুনরাবৃত্তি ঘটে। ১৯৭৫ সালের পর থেকেই বাংলাদেশ
একটি কার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে যাত্রা শুরু করে- যখন দেশ প্রতিষ্ঠানিক গঠন, সামরিক বাহিনীকে
শক্তিশালীকরণ এবং আঞ্চলিক রাজনীতিতে ভূমিকা রাখার মতো কার্যক্রম শুরু করে, এসব বিষয়গুলো
আজও প্রাসঙ্গিক।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের
অবদানের কথা তুলে ধরে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, জিয়াউর রহমান কল্যাণমুখী রাজনীতির
সূচনা করেন এবং একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র কাঠামো গঠনে কাজ করেন। আজও দেশ তাঁর স্থাপিত
ভিত্তির ওপর পরিচালিত হচ্ছে, যা আমাদের রাজনৈতিক ও নীতিগত আলোচনায় প্রতিফলিত হয়।
এ সময় জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক
প্রেক্ষাপট ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড নিয়েও আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের
সভাপতি রিফাত রশিদ। আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান
মজিবুর রহমান মঞ্জু, কবি ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ফরহাদ মজহার, ড. আবদুল লতিফ মাসুম এবং
লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আজ রোববার
(১৬ নভেম্বর) ২য় নারী কাবাডি বিশ্বকাপ-২০২৫ এর অফিসিয়াল ট্রফি উন্মোচন করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
জানিয়েছে, অংশগ্রহণকারী সব দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি
বাসভবন যমুনায় ট্রফিটি তিনি উন্মোচন করেন।
ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নারী কাবাডি টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো।
বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো নারী কাবাডি বিশ্বকাপ আয়োজন
করছে। টুর্নামেন্টটি ১৭ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর
স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে কেবল টুর্নামেন্ট শুরুর
বার্তা নয়, বরং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নারীদের ক্রীড়াচর্চার প্রচারে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান
নেতৃত্বকেও উদ্যাপন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. ইউনূস ঢাকায় বিশ্বকাপ আয়োজনের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, অনুপ্রেরণামূলক এবং বিশ্বমানের টুর্নামেন্ট নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
বিভিন্ন দেশ থেকে আসা সব দলকে তিনি স্বাগত জানান
এবং আয়োজন সফল করার জন্য আয়োজক, ক্রীড়াবিদ এবং অংশীদারদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
এ বছরের নারী কাবাডি বিশ্বকাপে বিশ্বব্যাপী ক্রীড়ানুরাগীরা
একত্রিত হচ্ছেন এবং শীর্ষ জাতীয় দলগুলো আট দিনের তীব্র প্রতিযোগিতা ছাড়াও সংস্কৃতি
বিনিময়ের সুযোগ পাচ্ছে।
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের আয়োজকরা নিশ্চিত করেছেন
যে, প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে, সরবরাহ, নিরাপত্তা, দলের থাকার ব্যবস্থা এবং দর্শকদের
অংশগ্রহণের জন্য ব্যাপক ব্যবস্থা রয়েছে।
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের আয়োজকরা নিশ্চিত করেছেন, প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে। এছাড়া নিরাপত্তা, দলগুলোর থাকার ব্যবস্থা এবং দর্শকের অংশগ্রহণের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে।
টুর্নামেন্টটি আনুষ্ঠানিকভাবে আগামীকাল উদ্বোধন করা
হবে এবং ২৪ নভেম্বর ফাইনাল পর্যন্ত প্রতিদিন ম্যাচ আয়োজন করা হবে।
এতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, চীনা তাইপে, জার্মানি, ইরান, ভারত, কেনিয়া, নেপাল, পোল্যান্ড, থাইল্যান্ড, উগান্ডা এবং জাঞ্জিবার।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, সরকার সক্রিয়ভাবে নারী ক্রীড়াবিদদের উৎসাহিত করেছে এবং প্রতিযোগিতামূলক খেলায় তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণ করেছে। নারী ক্রীড়াবিদদের সাফল্য দেশের জন্য গর্বের বিষয় এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য শক্তিশালী অনুপ্রেরণা।
মন্তব্য করুন