

প্রথমবারের
মতো যশোরে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার
(২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপশহর কেন্দ্রীয় ক্রীড়া উদ্যানে আয়োজিত ঐতিহাসিক জনসভায় তিনি
প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন। তার এই আগমনকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর
পরিবেশ। দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও প্রাণচাঞ্চল্য।
দলীয়
সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে ক্রীড়া উদ্যানে মঞ্চ নির্মাণ, সাউন্ড
সিস্টেম, আলোকসজ্জা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ চলছে পুরোদমে।
স্থানীয়
শ্রমিকরা জানান, নির্ধারিত সময়ের আগেই সব কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে তারা নিরলসভাবে
কাজ করে যাচ্ছেন।
এদিকে
কর্মসূচি সফল করতে সাংগঠনিকভাবে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা বিএনপি। বিভিন্ন উপজেলা
ও ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রস্তুতি সভা, সমন্বয় বৈঠক এবং প্রচার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
যশোর
জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, দলের মহাসচিব শুক্রবার
রাতে চেয়ারম্যানের এই সফরসূচি জেলা বিএনপিকে অবহিত করেছেন। এরপর থেকেই দলের সর্বস্তরের
নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। জনসভা সফল করতে
সবাই দিনরাত পরিশ্রম করছেন। মঞ্চ প্রস্তুতির কাজ প্রায় শেষ দিকে।
মন্তব্য করুন


হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল থেকে দালাল চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করে পাঠানো হয়েছে কারাগারে।
সোমবার (২১ অক্টোবর) সেনাবাহিনী ও সদর মডেল থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে আটক করে দালাল চক্রের ৫ সদস্যকে।
পরে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: বানিয়াচং উপজেলার মাহমুদুল হাসান (৩০), সেলিম মিয়া (৪২), জাকারিয়া আহমেদ (৩০) ও নবীগঞ্জ উপজেলার শামীম মিয়া (২৭), হবিগঞ্জ সদর উপজেলার জসিম (৪৩)।
সোমবার সেনাবাহিনী ও পুলিশের আকস্মিক যৌথ অভিযান চলাকালে কয়েকজন দালালকে হাসপাতাল এলাকা থেকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। এ সময় ৫ জনকে আটক করা হয়।
রাতে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবীর জানান, বিকেলে ২০২২ সালের একটি প্রতারণা মামলায় ৫ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। সেখান থেকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে দালালদের উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছিলেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছিলেন বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা সহজ-সরল প্রকৃতির লোকজন। দালালদের খপ্পরে পড়ে অনেক রোগীর প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। শহরের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকের পৃষ্ঠপোষকতায় সক্রিয় এ দালাল চক্র।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার
ভি ম্যান্টিটস্কি।
বুধবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁও
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে ম্যান্টিটস্কি রুশ ফেডারেশনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে বাংলাদেশে তার
দায়িত্বপালনের তিন বছরের বেশি ঘটনাবহুল সময়ের কথা স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রদূত প্রধান উপদেষ্টাকে রূপপুর
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন এবং জানান এই কেন্দ্রে আগামী
বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে বলে তারা আশা করছেন। প্রকল্পটি মূলত রাশিয়ার অর্থায়ন ও
কারিগরি বা বিশেষজ্ঞ সহায়তায় বাস্তবায়ন হচ্ছে।
সাক্ষাতে তারা বাংলাদেশে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়াত্ত
কোম্পানি গাজপ্রমের অনুসন্ধান কার্যক্রম, রাশিয়া থেকে গম ও সার রপ্তানি এবং রূপপুর
প্রকল্পের ঋণ পরিশোধের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা বিদ্যু ও জ্বালানি
খাতে রাশিয়ার সহায়তা এবং বাংলাদেশে গম ও সার সরবরাহে রাশিয়ার ভূমিকার প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার রূপপুর
প্রকল্পের অর্থ পরিশোধের বিষয় সমাধান করবে। তিনি বাংলাদেশে রাশিয়ার আরো বিনিয়োগকে স্বাগত
জানান।
উভয় দেশের যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব
আরোপ করে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমরা একসাথে কাজ করব।’
এ সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি
বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মো. আবুল হাসান
মৃধা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘকে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি নারী শান্তিরক্ষী
নিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা ও নিরাপত্তা প্রচেষ্টায়
বাংলাদেশের অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
আজ
রোববার (২০ এপ্রিল) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতিসংঘের শান্তি কার্যক্রমবিষয়ক
আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যাঁ-পিয়ের লাক্রোয়া প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে
গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
বৈঠকে
শান্তিরক্ষা কার্যক্রম সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ
সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমি যা উৎসাহিত করি তা হলো শান্তিরক্ষা মিশনে আরও বাংলাদেশি
নারীর অংশগ্রহণ।
শান্তিরক্ষী
প্রেরণকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ শীর্ষ তিন দেশের একটি। বর্তমানে বাংলাদেশের ৫,৬৭৭
জন শান্তিরক্ষী ১১টি সক্রিয় মিশনের মধ্যে ১০টিতে কাজ করছে।
জাতিসংঘ
আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জানান, নারীদের শান্তিরক্ষায় সম্পৃক্ত করার ব্যাপারে জাতিসংঘের
একটি নীতিমালা রয়েছে।
তিনি
বলেন, আমরা নারীদের নির্দিষ্ট কোনো ভূমিকায় সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না।’ তিনি উল্লেখ করেন
যে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষার সব ক্ষেত্রে নারীদের নিয়োগে সমর্থন দেবে।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, প্রয়োজনে বাংলাদেশ অতিরিক্ত সৈন্য ও পুলিশ পাঠাতে
প্রস্তুত। তিনি জাতিসংঘের পিসকিপিং ক্যাপাবিলিটি রেডিনেস সিস্টেম (পিপিআরএস)-এর র্যাপিড
ডিপ্লয়মেন্ট পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুত পাঁচটি ইউনিটের কথা উল্লেখ করেন।
অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় সদর দপ্তর এবং মাঠপর্যায়ে বাংলাদেশি নেতৃত্ব
বৃদ্ধির পক্ষে মত দেন। জাতিসংঘ প্রতিনিধি বলেন, এ ব্যাপারেও তারা বাংলাদেশকে সমর্থন
দেবে।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, শান্তিরক্ষী নিয়োগে জাতিসংঘের যাচাই প্রক্রিয়া বাংলাদেশ
কঠোরভাবে মেনে চলে এবং প্রশিক্ষণ ও জবাবদিহিতায় জাতিসংঘসহ অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে আরও
সহযোগিতাকে স্বাগত জানায়, যাতে মানবাধিকার প্রতিপালন আরও জোরদার হয়।
প্রধান
উপদেষ্টাকে জানানো হয়, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল
আগামী ১৩ থেকে ১৪ মে জার্মানির বার্লিনে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মন্ত্রী পর্যায়ের
সম্মেলনে অংশ নেবে।
মিয়ানমারে
চলমান সংঘর্ষ, সীমান্তে গোলাগুলির ঘটনা, বেসামরিক নাগরিক হতাহত এবং নাফ নদী সংলগ্ন
এলাকায় জীবিকা বিঘ্নিত হওয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
তিনি
সতর্ক করেন, এই অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে তা আরও অবনতি হয়ে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি সৃষ্টি
করতে পারে। তিনি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সম্মিলিত আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান জানান।
প্রধান
উপদেষ্টা সম্প্রতি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে
অবস্থিত রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের কথা স্মরণ করে বলেন, তার এই সফর রোহিঙ্গাদের নিরাপদ
ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে নতুন করে আশা জুগিয়েছে।
মন্তব্য করুন


মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সেনাবাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এই প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা দেওয়া হয়। এই ধারা অনুযায়ী সরকারকে মেট্রোপলিটনের বাইরে যে কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ক্ষেত্রে সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিচে কাউকে দায়িত্ব প্রদান করা না গেলেও অন্যদের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে আইনে শর্ত আরোপ করা হয়নি।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা (সেনা কর্মকর্তা) সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (জেলা প্রশাসক) তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন।
গ্রেফতার, তল্লাশি ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের ক্ষমতা: প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এসব ধারা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা কাউকে আটক বা গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ, তল্লাশির আদেশ ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের জন্য আদেশ দিতে পারবেন।
গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪ ও ৬৫ ধারায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে ও এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোনো অপরাধ করলে তিনি নিজে অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারবেন অথবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারবেন। এছাড়া ৮৩ ও ৮৪ ধারা অনুযায়ী অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। আইনের ৮৬ ধারার বিধান মতে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিতে পারবেন অথবা অপরাধ জামিনযোগ্য না হলে তাকে আদালতে পাঠাবেন।
তল্লশি সংক্রান্ত আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৯৫(২) ধারার বিধানমতে তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে ডাক বা টেলিগ্রাম বিভাগের দ্বারা তল্লাশি পরিচালনা করবার ও উক্ত দলিল, পার্সেল বা ব্যক্তি আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন। ১০০ ধারার বিধানমতে কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করার বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পেলে তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। ১০৫ ধারার বিধানমতে নিজ উপস্থিতিতেও ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশির আদেশ দিতে পারবেন।
শান্তিরক্ষায় মুচলেকা গ্রহণ: শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী শান্তি শান্তিরক্ষায় সদাচরণের মুচলেকা গ্রহণ করতে পারবেন। ১০৯ ধারার বিধানমতে অধিক্ষেত্রের মধ্যে ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছ থেকে মুচলেকা নিতে পারবেন। ১১০ ও ১২৬ ধারা অনুযায়ী অভ্যাসগত অপরাধীর কাছ থেকে জামিনদারসহ বা জামিনদার ছাড়াও শান্তিরক্ষায় মুচলেকা নিতে এবং প্রয়োজনে মুচলেকা বাতিল করতে পারবেন।
বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দান: ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ ধারা অনুযায়ী সর্বসাধারণের শান্তি বিনষ্ট হওয়ার কারণ হতে পারে এই ধরনের পাঁচ বা তারবেশি ব্যক্তির সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দিতে পারেন। আদেশ অমান্য করলে ১২৮ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ ভঙ্গে বল প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন। ১৩০ ধারার বিধান অনুযায়ী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে প্রয়োজনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে পারবেন।
এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট পথ, নদী, খাল বা প্রকাশ্য স্থানে বেআইনি বাঁধা অপসারণ, ব্যবসা বা সংরক্ষিত এলাকায় মানুষের আরাম আয়েশের বিঘ্ন ঘটানো, গৃহ বা তাবু হতে ক্ষতিকর বস্তু বা বৃক্ষ অপসারণ, জলাশয় ঘেরাও, বিপজ্জনক প্রাণী ধ্বংস বা আটক ইত্যাদি আদেশ দিতে পারেন। কোনো ব্যক্তি ১৪২ ধারার বিধান মতে ক্ষতি এড়াতে কোনো ব্যক্তির উপর নির্দিষ্ট স্থানে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্যদের সাথে অর্থনৈতিক আলোচনায় বসার পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) এমন খবর দিয়েছে
যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।
মার্কিন রাজস্ব ও অর্থ দফতরের আন্তর্জাতিক
অর্থায়নবিষয়ক সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি ব্রেন্ট নেইমার ওই পত্রিকাটিকে বলেছেন, আইএমএফ
এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে বাংলাদেশের নিরবচ্ছিন্ন সম্পৃক্ততার
জন্য মার্কিন সমর্থন বৃদ্ধির পরিকল্পনা করেছে ওয়াশিংটন। কারণ বাংলাদেশ আর্থিক খাতের
সংস্কার গভীরতর করে আর্থিক টেকসইমূলক উন্নতি এবং দুর্নীতি হ্রাস করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
জোরদার করতে চায়।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
আশাবাদী যে প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক দুর্বলতা
মোকাবেলা করতে পারবে এবং অব্যাহত প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করতে পারবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থী-জনতার
আন্দোলনের মুখে বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতন ঘটেছে
গত ৫ আগস্ট। ওই দিন প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা।
তার পদত্যাগের তিন দিন পর বাংলাদেশে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন
সরকার দায়িত্ব নেয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর আগামী ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মাঝে প্রথমবারের মতো উচ্চ-পর্যায়ের অর্থনৈতিক সংলাপ
অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই সংলাপে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের সাথে বাংলাদেশের
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ৮৪ বছর বয়সী নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বাংলাদেশের
অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রতিনিধি দলে যুক্তরাষ্ট্রের
অর্থ, পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য দফতর ও ইউএসএইডের কর্মকর্তাদের অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। সংলাপে
বাংলাদেশের আর্থিক ও মুদ্রানীতির পাশাপাশি আর্থিক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা
হবে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমস বলেছে, ঢাকায় অনুষ্ঠেয়
সংলাপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় বাংলাদেশের আর্থিক এবং মুদ্রানীতির পাশাপাশি
আর্থিক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করা হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সাথেও সাক্ষাৎ করবেন।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি
ও খাদ্য আমদানির মূল্য বৃদ্ধির পর থেকে বাংলাদেশের ৪৫০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি দ্রুত
স্তিমিত হয়ে পড়ে। ফলে গত বছর ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের বেলআউটের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা
তহবিলের কাছে যেতে বাধ্য হয়েছে বাংলাদেশ।
সূত্র : ফিন্যান্সিয়াল টাইমস
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সন্ধ্যা ৭টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নায়েবে আমীরগণ, সেক্রেটারি জেনারেল এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলগণসহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে দেশের বর্তমান সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জনগণের প্রত্যাশা এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে উদ্ভূত প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে জুলাই জাতীয় সনদকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এই প্রেক্ষাপটে গণভোটের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদকে আইনি স্বীকৃতি প্রদান করে তার আলোকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জোর দাবি জানানো হয়।
বৈঠকে আরও বলা হয়- দেশের জনগণ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করে। তাই আমরা সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ ও স্বাধীনভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি।
এ লক্ষ্যে পূর্ব ঘোষিত ৫-দফা দাবি আদায়ের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সংগঠনের সর্বস্তরের জনশক্তি ও দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহবান জানানো হয়েছে।
পরিশেষে বৈঠকে দেশ ও জাতির কল্যাণ, ন্যায় ও সত্যের প্রতিষ্ঠা এবং আগামীর বাংলাদেশকে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করা হয়।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় চীনের পর এবার আসছে যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞ দল। বুধবার তারা ঢাকায়
আসবেন।
আজ
মঙ্গলবার ( ২ ডিসেম্বর ) দুপুরে হাসপাতালের সামনে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান খালেদা
জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
খালেদা
জিয়ার চিকিৎসায় সহায়তা দিতে চীনের পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল সোমবার (১
ডিসেম্বর) ঢাকায় আসেন। তারা ওইদিনই এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের
সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে দলের দায়িত্বশীল কোনো নেতা এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
যুক্তরাষ্ট্র,
চীন, কাতার, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও ভারত ইতোমধ্যে চিকিৎসা সহায়তার হাত বাড়িয়েছে জানিয়ে
অধ্যাপক ডা. জাহিদ বলেন, খালেদা জিয়ার জন্য দেশের বাইরে নেওয়ার জন্য যে কথাটি আমি
পূর্বেও বলেছি, মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা ওনাকে দেখেছেন। আজও ইউকে থেকে ওনাকে দেখার
জন্য বিশেষজ্ঞ আসবেন এবং ওনারা দেখবেন। দেখার পর ওনাকে যদি ট্রান্সফারেবল হয়, আমাদের
যদি ট্রান্সফার করার প্রয়োজন পড়ে-মেডিকেল বোর্ড যদি মনে করে, তখনই সেই যথাযথ সময়ে
ওনাকে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হবে। আমাদের সকল প্রস্তুতি আছে; কিন্তু
সর্বোচ্চটা মনে রাখতে হবে- রোগীর বর্তমান অবস্থা এবং সর্বোপরি মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শের
বাইরে কোনো কিছু করার সুযোগ এই মুহূর্তে আমাদের নেই।
মন্তব্য করুন


দ্বৈত
নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের
প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নাহিদ ইসলামের রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এর ফলে ঢাকা-১১ আসনে ড. এম এ কাইয়ুমের নির্বাচনে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।
মঙ্গলবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ
দেন।
এর
আগে গতকাল নাহিদ ইসলামের পক্ষে অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা ও অ্যাডভোকেট আলী আজগর
শরীফী রিটটি দায়ের করেন।
এ
সময় নাহিদ ইসলামের আইনজীবী বলেন, বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুম হলফনামায় তার ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব
থাকার তথ্য গোপন করেছেন। এই তথ্য পরে প্রকাশ হয়েছে এবং সেই তথ্যগুলো আপনারা ইতিমধ্যে
দেখেছেন। সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য মিডিয়ায় তার পাসপোর্টের ছবি দেখা গেছে।
আইনজীবী
বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী যারা দ্বৈত নাগরিক, যারা অন্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ
করেছেন, তারা সংসদ সদস্য নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অনুপযুক্ত।
এছাড়া
এই বিষয়টি তিনি তার হলফনামায় গোপন করেছেন। এই দুইটি বিষয়কে সামনে রেখে নাহিদ ইসলাম
আজকে একটি রিট মামলা দায়ের করেছেন।
এর
আগে ঢাকা-১১ আসনে ১২ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক
নাহিদ ইসলাম এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ
কাইয়ুম এর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
মন্তব্য করুন


ইরান–ইসরায়েল
যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের আকাশসীমা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশ থেকে ওই অঞ্চলের কিছু রুটের ফ্লাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এতে করে মধ্যপ্রাচ্যের
বিভিন্ন দেশে যেতে প্রস্তুত থাকা বিপুলসংখ্যক কর্মী চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। বিশেষ করে
যেসব কর্মীর ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, তাঁদের
সহায়তার জন্য হটলাইন চালু করেছে সরকার।
আজ
রোববার ( ০১ মার্চ ) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে গমনেচ্ছু অনেক কর্মীর ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এর ফলে অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের
প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক হটলাইন চালু
করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের
পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেসব কর্মী ফ্লাইট বাতিল বা ভিসা সংক্রান্ত জটিলতায় পড়েছেন,
তাঁরা যেকোনো সময় টোল ফ্রি হটলাইন নম্বর ১৬১৩৫–এ যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা
নিতে পারবেন।
সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তারা জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত হটলাইনের মাধ্যমে কর্মীদের
প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শ দেওয়া হবে।
মন্ত্রণালয়ের
জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের
পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্মীদের আতঙ্কিত না হয়ে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ
দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব কর্মীর ভিসা বা ফ্লাইট সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিয়েছে,
তাঁদের দ্রুত হটলাইনে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া
আগামী মঙ্গলবার চিকিৎসার উদ্দেশ্যে লন্ডনে যাত্রা করবেন।
রোববার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসভবনে
সাক্ষাৎ শেষে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানান।
রাত ৮টায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির
উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম
খান, সালাউদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ
টুকু ও অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন চেয়ারপারসনের বাসভবনে সাক্ষাৎ করতে যান।
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, মহান আল্লাহ
তায়ালার অশেষ রহমতে দেশের গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী, যিনি জনগণের অত্যন্ত আদরের, দেশের
গণতন্ত্র সার্বভৌমত্ব ক্ষেত্রে আপসহীন তিনি তার চিকিৎসার জন্য আগামী ৭ জানুয়ারী লন্ডনের
উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন তার চিকিৎসার জন্য। সে কারণে আমরা জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ
এসেছিলাম তাকে বিদায় শুভেচ্ছা জানাতে। এবং সেইসঙ্গে আমরা তার সঙ্গে কথা বলেছি, আলাপ
করেছি। পরম করুনাময় আল্লাহ তাআলার কাছে এই দোয়া করেছি যে আল্লাহ তা'আলা যেন তাকে
সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। এবং আমাদের গণতন্ত্রের জন্য যে সংগ্রাম
চলছে সেই সংগ্রামে তিনি নেতৃত্ব দেন। এবং সেই সংগ্রাম সফল করবেন বাংলাদেশের মানুষের
সেই প্রত্যাশা। আমরা আল্লাহতালার কাছে দোয়া করি তার এই যাত্রা যেন সফল হয়। তিনি সুচিকিৎসা
নিয়ে যেন আমাদের মাঝে আবার ফিরে আসতে পারেন। তিনি যেন সুস্থভাবে যেতে পারেন এবং সুস্থভাবে
ফিরে আসতে পারেন আমরা সেই কামনা করেছি। নির্দেশনা দিয়েছেন একসঙ্গে কাজ কর, জনগণের
পক্ষে কাজ কর, গণতন্ত্রের জন্য কাজ কর। আশা করি তিনি দ্রুতই সুস্থ হয়ে ফিরে আসবেন।
এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার
সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দলটির স্থায়ী কমিটি সদস্যরা।
মন্তব্য করুন