

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন,আশা করি আমাদের ভবিষ্যৎ সংসদ
অধিবেশন দেখে জাতি অনেকটা আশ্বস্ত হবে। এমন একটি সংসদই তারা দেখতে চেয়েছিলেন।
তিনি
বলেন, ‘অতীতে সংসদে যেসব নেতিবাচকতা সৃষ্টি হয়েছে, সেগুলো মানুষের মন থেকে আমরা মুছে
দেব।’
আজ
শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ
কর্মশালার শেষ দিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জানান, কর্মশালায় সংসদের রুলস অব প্রসিডিউর, পার্লামেন্টারি প্র্যাকটিস অ্যান্ড কনফ্লিক্ট
অব ইন্টারেস্টসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া সংসদের রীতিনীতি, রেওয়াজ ও পদ্ধতি
নিয়েও কথা হয়েছে, যাতে সংসদ সদস্যরা এসব বিষয়ে ভালোভাবে অবগত হতে পারেন। বিশেষ করে
সংবিধান, রুলস অব প্রসিডিউর এবং কাস্টমস কনভেনশন অব দ্য হাউস নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি
যেসব দেশে শক্তিশালী গণতন্ত্রের চর্চা রয়েছে, সেসব দেশের সংসদীয় কার্যক্রম নিয়েও কথা
হয়েছে।
নতুন
সংসদ সদস্যদের নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যারা নতুন সংসদ সদস্য, তারা নতুন করে যাত্রা
শুরু করবেন, শিখবেন ভালো। তাদের ভেতরে কোনো খারাপ সংস্কৃতি না থাকলে ভালো শিক্ষাটা
পাবেন। একটা বাচ্চা যেমন জন্মগ্রহণের পর সতেজ সংস্কৃতি শিখে, ঠিক সেইভাবে নবীন সংসদ
সদস্যদেরও প্রস্তুত করার চেষ্টা করছি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জানান, নতুন সংসদ সদস্যদের জনপ্রত্যাশা পূরণে কাজ করার লক্ষ্যেই এই প্রশিক্ষণের আয়োজন
করা হয়েছে।
প্রথমবার
নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্যদের জন্য সংসদীয় কার্যক্রম, বিধি-বিধান ও সংসদীয় আচরণ
বিষয়ে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হয়েছে। দুদিনব্যাপী কর্মশালার আজ শেষ দিনের
কার্যক্রম চলছে।
বিএনপির
পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনকে সামনে
রেখে নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীদের জন্য এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চলতি মাসে দেশের রাজনীতিতে নতুন দল নিয়ে আসছে ছাত্র-তরুণরা। আর এ দলে শীর্ষ ছয় পদে কারা থাকবেন, তা-ও প্রায় চূড়ান্ত।
জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে আত্মপ্রকাশ করতে যাওয়া এ দলের সাংগঠনিক কাঠামোতে ‘সমঝোতার’ ভিত্তিতে নতুন দুটি পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। আহ্বায়ক, সদস্যসচিব, মুখপাত্র এবং মুখ্য সংগঠকের পাশাপাশি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব নামে দুটি পদ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
নতুন
দলের আহ্বায়ক হিসেবে শুরু থেকেই আলোচনায় রয়েছেন গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া নাহিদ
ইসলাম। তার মনোনয়ন নিয়ে জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের
কারও কোনো আপত্তি নেই।
এ ছাড়া দলের মুখ্য সংগঠক ও মুখপাত্র পদে দেখা যেতে পারে জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহকে।
তবে
দলের সদস্যসচিব কে হবেন, তা নিয়ে ছিল মতবিরোধ। সমঝোতার ভিত্তিতে সেই মতবিরোধও বিদায়
নিয়েছে। এই পদে আখতার হোসেনের নাম এখন অনেকটাই চূড়ান্ত। তিনি বর্তমানে জাতীয় নাগরিক
কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন।
অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক কমিটিতে থাকা ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতাদের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক পদে আলী আহসান জোনায়েদের (শিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি) নাম বিবেচনায় রয়েছে। আর জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব পদে জাতীয় নাগরিক কমিটির বর্তমান আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দেখা যেতে পারে।
শীর্ষ ছয় পদের বাইরে নতুন দলে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, তাসনিম জারা, আরিফুল ইসলাম আদীব, যুগ্ম সদস্যসচিব অনিক রায়, মাহবুব আলম ও অলিক মৃ গুরুত্বপূর্ণ পদ পেতে পারেন। এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক আবদুল হান্নান মাসউদকেও দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখা যেতে পারে।
গত বুধবার বিকেল থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সেই প্রস্তুতি কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এরই মধ্যে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশের আয়োজনকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শতাধিক নেতার সমন্বয়ে একটি প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেখানে ২৬ ফেব্রুয়ারি (সম্ভাব্য তারিখ) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে বিভিন্ন দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে অনুষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনসহ বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য কয়েকটি উপকমিটিও করা হয় ওই সভায়।
তবে শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত পর্যন্ত নতুন দলের নাম চূড়ান্ত হয়নি।
এ নিয়ে নাগরিক কমিটির দায়িত্বশীল একজন নেতা বলেন, নাগরিক কমিটি সবাইকে নিয়েই পথ চলতে চায়। সেই জায়গা থেকে নতুন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পদগুলো নিয়ে একধরনের বোঝাপড়া হয়েছে। এর ভিত্তিতে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে আলী আহসান জোনায়েদের নাম অনেকটাই চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এদিকে নতুন দলের আহ্বায়কের দায়িত্ব নিতে নাহিদ ইসলাম যেকোনো সময় অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করতে পারেন বলে জানা গেছে।
এ
বিষয়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম গণমাধ্যমকে বলেন, রাজনৈতিক দলে নাহিদ
ইসলামকে আমরা প্রত্যাশা করছি। তারও মৌন সম্মতি রয়েছে। তবে পদত্যাগ করা পর্যন্ত অপেক্ষা
করতে হবে।
মন্তব্য করুন


ইংরেজি
নববর্ষ উদযাপনে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো এবং ফানুস উড়ানো বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার
সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।
আজ
সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এতে
বলা হয়েছে, আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর কারণে শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ হয়। অতিরিক্ত শব্দদূষণে
হৃদরোগ, স্ট্রোক ও মানসিক চাপের ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়াও ফানুস উড়ানোর ফলে অগ্নিকাণ্ড ও
জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হয়। শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ অনুযায়ী এসব কার্যক্রম
দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রথমবার আইন লঙ্ঘনে ১ মাসের জেল বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
হতে পারে। পুনরায় অপরাধ করলে ৬ মাসের জেল বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে
পারে। ইংরেজি নববর্ষে আতশবাজি, পটকা ফোটানো ও ফানুস উড়ানো থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে
ঢাকার ক্লাবগুলোতে এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থায় পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। জনস্বার্থের
জন্য ক্ষতিকর এ কর্মকাণ্ড হতে বিরত থাকতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হলো।
মন্তব্য করুন


গণ-অভ্যুত্থান
পরবর্তী আগামী নির্বাচনকে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই নির্বাচনকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের
মাধ্যমে স্মরণীয় করে রাখতে হবে।
আজ
বুধবার ( ১০ ডিসেম্বর ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা থেকে সারা দেশের উপজেলা নির্বাহী
অফিসারদের (ইউএনও) সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্বাচন প্রস্তুতি বিষয়ে দিকনির্দেশনা
প্রদানকালে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন। সকল জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগের কর্মকর্তাগণ এ সময় অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। প্রধান উপদেষ্টা এ সময় ইউএনওদের উদ্দেশ্যে
আরও বলেন, ‘ইতিহাস আমাদের নতুন করে একটি সুযোগ দিয়েছে। অন্য জেনারেশন এই সুযোগ পাবে
না। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে পারলে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারব, আর যদি না পারি তাহলে
জাতি মুখ থুবড়ে পড়বে।’
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘এর আগেও আমরা নির্বাচন দেখেছি। বিগত আমলে যে নির্বাচনগুলো হয়েছে, যে
কোনো সুস্থ মানুষ বলবে—এটা নির্বাচন নয়, প্রতারণা হয়েছে।’তিনি
বলেন, ‘আগামী নির্বাচন অন্যান্য দায়িত্বের মতো নয়, বরং একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব। আমরা
যদি ভালোভাবে এই দায়িত্বটি পালন করতে পারি, তাহলে আগামী নির্বাচনের দিনটি জনগণের জন্যও
ঐতিহাসিক হবে।’
উপজেলা
নির্বাহী অফিসারদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনারা যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন
করেন তাহলেই সরকার তার দায়িত্বটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হবে। আগামী নির্বাচন ও
গণভোট দুটিই জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচন আগামী
পাঁচ বছরের জন্য, আর গণভোট শত বছরের জন্য। গণভোট সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে আমরা
বাংলাদেশটাকে স্থায়ীভাবে পাল্টে দিতে পারি। যে নতুন বাংলাদেশ আমরা তৈরি করতে চাই, তার
ভিতটা এর মাধ্যমে গড়তে পারি।’সদ্য যোগদান করা ইউএনওদের উদ্দেশ্যে
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনাদের প্রধান দায়িত্ব হলো একটি শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর নির্বাচন
আয়োজন করা। তিনি ইউএনওদের নিজ নিজ এলাকার সব পোলিং স্টেশন পরিদর্শনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট
সব পক্ষ, এলাকাবাসী এবং সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের
প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেন।
গণভোট
বিষয়ে ভোটারদের সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘ভোটারদের বোঝাতে হবে যে
আপনারা মন ঠিক করে আসুন—‘হ্যাঁ’-তে
দেবেন নাকি ‘না’-তে ভোট দেবেন—মন
ঠিক করে আসুন।’
প্রধান
উপদেষ্টা কর্মকর্তাদের ধাত্রীর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ধাত্রী ভালো হলে জন্ম নেওয়া শিশুও
ভালো হয়। তিনি কর্মকর্তাদের যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সৃজনশীল হওয়ার পাশাপাশি অপতথ্য
ও গুজব প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন।
নির্বাচনে
অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নারীদের অগ্রাধিকার প্রদানের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, নারীরা
যেন ঠিকভাবে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। শীঘ্রই নির্বাচনের তফসিল
ঘোষণা করা হবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত কখন,
কীভাবে, কোন কাজটি করবেন—তার পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি এখন থেকেই
নিন।’
অনুষ্ঠানে
প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর
রশীদ, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং জনপ্রশাসন সচিব মো. এহছানুল হকসহ
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বন্যাদুর্গত কয়েকটি
উপজেলায় অপটিক্যাল ফাইবার ড্যামেজ হওয়ার কারণে নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়েছে বলে
জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার তথ্য ও
সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে তার বরাত দিয়ে এক বার্তায় এ জানানো হয়েছে, বন্যাদুর্গত
এলাকার ১৩ শতাংশ সাইট ডাউন রয়েছে। কয়েকটি উপজেলায় অপটিক্যাল ফাইবার ড্যামেজ হওয়ার
কারণে নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন আছে কয়েকটি জায়গায়। জেনারেটর
ব্যবহার করা হচ্ছে। নেটওয়ার্ক একবারে বিচ্ছিন্ন
হলে ১০টি ভিএসএটি প্রস্তুত আছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ফ্রি করতে তাই
জরুরিভাবে নির্দেশনা দেওয়া আছে।
উল্লেখ্য,
পাহাড়ি ঢল আর বৃষ্টিতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় বিপর্যস্ত হয়েছে দেশের নয়টি জেলা।
বন্যাকবলিত জেলাগুলো হলো– ফেনী, নোয়াখালী, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কুমিল্লা,
চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর ও খাগড়াছড়ি। এসব জেলার কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি ও বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন
হয়ে পড়েছে।
মন্তব্য করুন


ইতালির রোমে দুই দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে তাকে বহনকারী বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
এর আগে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে রোমের ফিউমিসিনো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত রোববার (১২ অক্টোবর) ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরামের ফ্ল্যাগশিপ ইভেন্টে যোগ দিতে ইতালির রোম সফরে যান। সফরসঙ্গীসহ তাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট সেদিন বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রোমের উদ্দেশে যাত্রা করে।
ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ড. ইউনূস ফোরামের মূল অধিবেশনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন। এসব বৈঠকে খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য নিরসন, টেকসই উন্নয়নসহ বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।
ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরাম মূলত জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) আয়োজিত একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বিশ্বব্যাপী নীতিনির্ধারক, গবেষক ও উদ্যোক্তারা একত্রিত হয়ে খাদ্য ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে মতবিনিময় করেন। এবারের ইভেন্ট ১০ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলে রোমে এফএওর সদর দপ্তরে।
মন্তব্য করুন


বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত বর্বরতম হত্যাযজ্ঞের বিষয় তদন্তের জন্য গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে।
আজ
রোববার (৩০ নভেম্বর) কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান ও অন্য সদস্যরা
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেন। এ সময় উপস্থিত
ছিলেন কমিশনের সদস্য মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার (অব.), ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল মো. সাইদুর রহমান বীর প্রতীক (অব.), মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ যুগ্মসচিব (অব.),
ড. এম আকবর আলী ডিআইজি (অব.), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী
অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের
সহকারী অধ্যাপক মো. শাহনেওয়াজ খান চন্দন।
এ
সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতি দীর্ঘদিন ধরে অন্ধকারে
ছিল। আপনারা সত্য উদ্ঘাটনে যে ভূমিকা রেখেছেন জাতি তা স্মরণে রাখবে। জাতির পক্ষ থেকে
আপনাদের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি বলেন, ইতিহাসের এই ভয়াবহতম ঘটনা নিয়ে জাতির
অনেক প্রশ্ন ছিল, এই কাজের মধ্য দিয়ে সেসব প্রশ্নের অবসান ঘটবে। এই প্রতিবেদনে শিক্ষণীয়
বহু বিষয় এসেছে। জাতির জন্য মূল্যবান সম্পদ হয়ে থাকবে এটি।
কমিশন
প্রধান ফজলুর রহমান বলেন, তদন্তকাজ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ত্রুটিমুক্ত করার স্বার্থে সর্বোচ্চ
পেশাদারত্ব বজায় রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা যখন কাজ শুরু করি তখন ১৬ বছর আগের এই
ঘটনার বহু আলামত ধ্বংস হয়ে গেছে।
এই
ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেকে বিদেশে চলে গেছেন।
আমরা
দুটো প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছি। সাক্ষীদের ডাকলাম, কারো কারও ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বক্তব্য
শুনেছি আমরা। যতক্ষণ তিনি বলতে চেয়েছেন। যারা তদন্তে জড়িত ছিল তাদের সঙ্গে কথা করেছি।
তাদের তদন্তের রিপোর্ট কালেক্ট করেছি, অন্যান্য এলিমেন্ট কালেক্ট করেছি।
তিনি
বলেন, এই তদন্তের মাধ্যমে বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে জনমনে থাকা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর
খোঁজা হয়েছে, উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হয়েছে কার কী ভূমিকা ছিল। কেন সেনাবাহিনী দাঁড়িয়ে
থাকল অ্যাকশন নিল না। তদন্তে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বহিঃশক্তির সরাসরি সম্পৃক্ততা ও তৎকালীন
ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সরাসরি জড়িত থাকার শক্তিশালী প্রমাণ মিলেছে। এসময় কমিশনের
ফাইন্ডিংস সম্পর্কে জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার বলেন, এই ঘটনা কিছু বাহ্যিক ও প্রকৃত কারণ
বের করেছে কমিশন।
তিনি
বলেন, এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত এবং এর পেছনে প্রধান সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেছিল
তৎকালীন সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের রক্ষা করতে স্থানীয়
আওয়ামী লীগ সরাসরি ভূমিকা রেখেছে। তারা ২০-২৫ জনের একটি মিছিল নিয়ে পিলখানায় ঢুকেছে
এবং বের হবার সময় সেই মিছিলে দুই শতাধিক মানুষ ছিল।
তিনি
বলেন, পুরো ঘটনাটি সংঘটিত করার ক্ষেত্রে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গ্রিন
সিগন্যাল’ ছিল।
তিনি
এই ঘটনার দায় নিরূপণের ক্ষেত্রে বলেন, দায় তৎকালীন সরকার প্রধান থেকে শুরু করে সেনাপ্রধানেরও।
এই ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে সমাধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুলিশ ও র্যাব এবং গোয়েন্দা
সংস্থাগুলোরও রয়েছে চরম ব্যর্থতা। ওই হত্যাকাণ্ডের সময় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়
(তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন) যেসব বিডিআর সদস্যদের সঙ্গে শেখ হাসিনা বৈঠক করেছে,
তাদের সঠিক নাম পরিচয় ও তথ্য সংরক্ষণ করা হয়নি।
কমিশন
তাদের প্রতিবেদনে বেশকিছু সুপারিশ করে, যাতে করে ভবিষ্যতে বাহিনীগুলোতে এই ধরনের ঘটনা
এড়ানো যায় এবং এই ঘটনার ভিকটিমরা ন্যায় বিচার পায়।
বৈঠকে
অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার
প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল
আব্দুল হাফিজ ও স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে
‘ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের বীর সেনাপতি’ আখ্যা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)
আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে মিরপুরে ঢাকা-১৫
আসনের নির্বাচনী প্রচারণার জনসমাবেশে বক্তৃতার সময় তিনি এ আখ্যা দেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশ জামায়াতে
ইসলামীর সংগ্রামী আমির। তবে এটুকু পরিচয় উনার জন্য বর্তমান বাংলাদেশের যথেষ্ট নয়।
তিনি দশ দলীয় নির্বাচনে ঐক্যের প্রধান কাণ্ডরি ও
ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের বীর সেনাপতি।
তিনি বলেন, জামায়াতের আমির এই বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে
নির্যাতিত হয়েছেন। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে গিয়েছেন, কারাবরণ করেছেন, মজলুম জননেতা
হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আজ আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের
প্রচারণা শুরু হলো।
সারা বাংলাদেশে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের যারা
প্রার্থী রয়েছে তাদের পক্ষে যেই জনজোয়ার নেমে এসেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সেটার ফল বাংলাদেশের
জনগণ দেখতে পাবে।
মন্তব্য করুন


ফ্যাসিবাদ
ও আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় শহীদ ওসমান হাদির পরিবারকে বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। হাদির এক বোনকে ব্যক্তিগত অস্ত্রের লাইসেন্স ও গানম্যান দেওয়া
হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবারের অন্য সদস্যদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক পুলিশি সুরক্ষা থাকবে।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় ও পুলিশের উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানায়, জুলাই যোদ্ধা, আন্দোলনের সমন্বয়ক,
সংসদ-সদস্য প্রার্থী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা
নিশ্চিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে জুলাই আন্দোলনে সম্মুখসারিতে থাকা কয়েকজনকে
ইতোমধ্যে গানম্যান দেওয়া হয়েছে এবং অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে।
নিরাপত্তা পাওয়া
ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির
আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র
যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। এছাড়া জামায়াতের
আমির ডা. শফিকুর রহমান ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান
পার্থ ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের কাছে গানম্যান চেয়ে আবেদন করেছেন।
সূত্র জানায়,
আবেদনের ভিত্তিতে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি, বিএনপির মনোনীত সংসদ-সদস্য
প্রার্থী তানভির আহমেদ রবিন, জাফির তুহিন, জেপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার
হোসেন মঞ্জু এবং এলডিপির সভাপতি কর্নেল অলি আহমদসহ আরও কয়েকজনকে শিগগিরই গানম্যান ও
অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হতে পারে।
আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর একাধিক সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
স্বাভাবিক রাখা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে নির্বাচন বানচালের
ষড়যন্ত্রের তথ্য উঠে এসেছে। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা গত বছরের ৫ আগস্টের
পর থেকেই ধারাবাহিক হুমকির মুখে রয়েছেন।
গোয়েন্দা তথ্য
অনুযায়ী, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পলাতক নেতাকর্মীরা দেশে ও বিদেশ থেকে
জুলাই যোদ্ধাদের হুমকি দিয়ে আসছে। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকেও হত্যার আগে
দীর্ঘদিন বিদেশি নম্বর থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। গত ১২ ডিসেম্বর তাকে গুলি করা হলে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, লিখিত আবেদন ছাড়া নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে না। গত রোববার পর্যন্ত
১২ জন লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। দু-এক দিনের মধ্যে এ বিষয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকের
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অতিরিক্ত আইজিপি
খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, জুলাই যোদ্ধা ও সংসদ-সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে যারা নিরাপত্তা
ঝুঁকিতে রয়েছেন, তাদের গানম্যান দেওয়া হচ্ছে। আর যারা ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স
চেয়েছেন, তাদের বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা
হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নতুন বছরের প্রথম দিনে বাণিজ্য মেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে তা পিছিয়ে জানুয়ারির ৩য় সপ্তাহে করার পরিকল্পনা করছে সরকার।
জানা যায়, ২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজন নিয়ে ১৮ ডিসেম্বর ইপিবিতে বৈঠক হয়। নির্বাচনের আগে মেলা পরিচালনা, ক্রেতা সমাগম ও ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে নানা সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়। জানুয়ারির ৩য় সপ্তাহের যে কোনো দিন মেলা শুরু করা যায় বলে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। তবে ঠিক কবে থেকে মেলা শুরু করা যায়, তা পুরোপুরি নির্ভর করবে নির্বাচনের পরবর্তী পরিস্থিতির ওপর।
ইপিবির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল হালিম বলেছেন, এবার নির্বাচনের কারণে ১ জানুয়ারি থেকে বাণিজ্য মেলা শুরু হচ্ছে না। এখনও চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।
মন্তব্য করুন


লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যার ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ত ছয় জনকে আটক করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযানে শহিদ হয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩)। গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৩টার দিকে চকরিয়া এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে শহিদ হন তিনি।
পরে ওই এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে চিরুনি অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ত ৬ জনকে আটক করা হয়। এ সময় আটকদের কাছ থেকে দুটি দেশিয় আগ্নেয়াস্ত্র, ১১ রাউন্ড গুলি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি, একটি পিকআপ ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটককৃতদের মধ্যে ৪ জন প্রত্যক্ষভাবে সংঘটিত অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। অবশিষ্ট দুজন তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে।
আটকরা হলো- মো. বাবুল প্রকাশ (৪৪), মো. হেলাল উদ্দিন (৩৪), মো. আনোয়ার হাকিম (২৮), মো. আরিফ উল্লাহ (২৫), মো. জিয়াবুল করিম (৪৫) এবং মো. হোসেন (৩৯)।
ডাকাত দলের অন্যান্য জড়িত সদস্যদের আটক করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটকদের চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেনাসদস্য বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
মন্তব্য করুন