

মহান মুক্তিযুদ্ধের
বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা
হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ শুক্রবার
বিকেলে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত শেষে
তিনি সাভারের পথে রওনা হন। তবে নিয়ম অনুযায়ী, জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে সূর্যাস্তের
আগে পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক
রহমানের পক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
বিএনপির মিডিয়া
সেলের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, মহান জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদীতে নিয়ম
অনুযায়ী সূর্যাস্তের আগে পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী
দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত
ছিলেন বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায়, ড. আব্দুল মঈন খান। বিএনপি চেয়ারপার্সনের
উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, লুৎফুজ্জামান বাবর। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা
জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক এবং সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।
এছাড়া আরও
উপস্থিত ছিলেন ডা. দেওয়ানা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, তমিজউদদীন, ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ,
আইয়ুব খান, মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর এবং বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল
কবির খান।
মন্তব্য করুন


জনস্বার্থকে
প্রাধান্য দিয়ে সম্প্রচার-ব্যবস্থা যুগোপযোগী করা হবে বলে জানিয়েছেন,তথ্য ও সম্প্রচার
উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম।
আজ
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিকেলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে কেবল টিভি
ডিজিটালাইজেশন, টেলিভিশন রেটিং পয়েন্ট (টিআরপি) সেবাপ্রদান এবং ওভার দ্য টপ (ওটিটি)
প্লাটফর্ম-সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন-বিষয়ক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
জানিয়েছেন,তথ্য
ও সম্প্রচার বলেন, কেবল টিভি ডিজিটালাইজেশন, টিআরপি সেবাপ্রদান এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মের
সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের
সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে কোন মন্ত্রণালয় কোন কাজটি করবে সেটি অ্যালোকেশন অব
বিজনেস দ্বারা নির্ধারিত। তিনি দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতার ভিত্তিতে
সম্প্রচার-ব্যবস্থা যুগোপযোগীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায়
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ
সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, সম্প্রচার-ব্যবস্থা যুগোপযোগী ও জনবান্ধব করতে প্রযুক্তি
মূল্যায়ন পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। এই পরিকল্পনায় সংশ্লিষ্ট অংশীজনকে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত
করা যায়, এ বিষয়ে দুই মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এর পাশাপাশি লাইসেন্সিং, মনিটরিং
ও মনিটাইজেশনের বিষয়েও দুই মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবে বলে তিনি আশা প্রকাশ
করেন।
সভায়
উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, সংশ্লিষ্ট দপ্তর-সংস্থার
কর্মকর্তা, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) প্রতিনিধি এবং কেবল
অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) প্রতিনিধিগণ।
মন্তব্য করুন


শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানিয়েছেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা অধিকারের পাশাপাশি প্রত্যেক জেলায় টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটির (সিসিএস) আয়োজিত ভোক্তা অধিকার সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে
স্টারলিংক সফলভাবে চালু করার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রশংসা
করেছেন স্পেসএক্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ার।
আজ
শুক্রবার (১৮ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনুসের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
লরেন
ড্রেয়ার বলেন, আমরা ১৫০টি দেশ ও অঞ্চলে কাজ করি। আমরা এত দক্ষতা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত
গ্রহণ আগে কখনও দেখিনি। স্পেসএক্স-এর সব সহকর্মীর পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই।
আমরা আপনার লোকজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় আছি।
প্রধান
উপদেষ্টা বাংলাদেশ সফরের জন্য ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,
এখন বর্ষাকাল, দেশের এক মনোরম সময়। সুন্দর পরিবেশ। চারদিকে সবুজ আর পানি। কিন্তু বন্যা
ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির বাস্তবতাও আছে। সেজন্য আমাদের ভালো কানেক্টিভিটির স্বার্থে
নির্ভরযোগ্য প্রযুক্তির প্রয়োজন।
তিনি
আরও বলেন, আমাদের পার্বত্য অঞ্চলের দূরবর্তী এলাকাগুলোতে উন্নত কানেক্টিভিটির বিশেষ
প্রয়োজন। এসব অঞ্চলে ভালো স্কুল শিক্ষক ও ডাক্তার নেই। আমরা ১০০টি স্কুলে অনলাইন শিক্ষা
চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছি, যা বিচ্ছিন্ন এলাকার শিক্ষার্থীদের উপকারে আসবে।
অন্তর্ভুক্তিমূলক
স্বাস্থ্যসেবার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবাকে
অগ্রাধিকার দিচ্ছি, যাতে দূরবর্তী এলাকার মানুষ অনলাইনে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে পারে।
তাদের চিকিৎসার ইতিহাস ডিজিটালি সংরক্ষিত থাকবে, এর ফলে ভবিষ্যতে পরামর্শ দেয়া সহজ
হবে।
তিনি
বলেন, এটি প্রেগনেন্সি পিরিয়ডে খুব কার্যকর ভূমিকা রাখে। নারীদের এ সময় ডাক্তারের কাছে
যাওয়ার জন্য আরেকজন সহযোগীর প্রয়োজন হয়। ডিজিটাল হেলথ সেবা হলে তারা ঘরে বসেই ডাক্তার
দেখাতে পারবেন।
প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস উল্লেখ
করেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরাও ডিজিটাল হেলথ সেবা থেকে উপকৃত হবেন।
তিনি
বলেন, প্রবাসীরা ভাষার কারণে অনেক সময় ডাক্তারের কাছে যেতে অস্বস্তিতে ভোগেন। কী বলবেন-এটা
নিয়ে ভাবেন। তবে ডিজিটাল হেলসথ সেবা হয়ে গেলে বিদেশ থেকেই বাংলাদেশের ডাক্তারের সাথে
তারা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শের জন্য কথা বলতে পারবেন।
প্রধান
উপদেষ্টা লরেন ড্রেয়ারের উদ্দেশে বলেন, আমরা এখানে ছোট ছোট যে উদ্যোগ নিচ্ছি, আপনারা
এগুলোকে বৈশ্বিক পরিসরে নিয়ে যেতে পারেন।
লরেন
ড্রেয়ার অধ্যাপক ইউনুসের আইডিয়ার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আপনি যে দৃষ্টান্ত তৈরি
করছেন, তা নিয়ে অন্য নেতাদের সঙ্গে আমরা কথা বলতে পারি। আমরা বলবো-অধ্যাপক ইউনূস যদি
নিজের দেশে এগুলো করতে পারেন, তাহলে আপনারাও আপনার দেশে করতে পারেন।
তিনি
দুর্নীতির বিরুদ্ধে অধ্যাপক ড. ইউনূসের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
স্পেসএক্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, সরকারি সেবাগুলো দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে আপনি যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমি প্রায়ই বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করি, তাই জানি দুর্নীতি কীভাবে একটি গুরুতর সমস্যা হতে পারে। প্রযুক্তির মাধ্যমে সেবা বিকেন্দ্রীকরণ এবং সুশাসন নিশ্চিত করা একটি অর্থবহ দৃষ্টিভঙ্গি।
বৈঠকে
উপস্থিত ছিলেন, স্পেসএক্সের গ্লোবাল এনগেজমেন্ট কনসালট্যান্ট রিচার্ড গ্রিফিথস, বাংলাদেশের
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি
বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এবং বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী
আশিক মাহমুদ বিন হারুন প্রমুখ।
(সূত্র-
বাসস)
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাংবাদিকদের সেকেন্ড হোম হিসেবে খ্যাত জাতীয় প্রেস ক্লাবের আজ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ বিশেষ দিনে ক্লাবের সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ দেশের সকল সাংবাদিকদের প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
১৯৫৪ সালের ২০ অক্টোবর ‘পূর্ব পাকিস্তান প্রেস ক্লাব’ হিসেবে যাত্রা শুরু হয় দেশের শীর্ষ সাংবাদিক সংগঠনটির। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রেস ক্লাব সাংবাদিকদের পেশাগত কাজের সহায়তা, সুস্থ সাংবাদিকতা, পারস্পরিক সম্পর্কের বিকাশ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সাহিত্য-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।
প্রথমে ১৮ তোপখানা রোডে মাসিক ১০০ টাকায় ভাড়া নেয়া ভবনে ক্লাবের কার্যক্রম শুরু হয়। ভবনটি একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ভবন ছিল, যেখানে বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু বসবাস করতেন। ক্লাবের প্রথম সভাপতি ছিলেন মুজিবুর রহমান খাঁ এবং প্রথম আজীবন সদস্য ছিলেন এন. এম. খান।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংস ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর সময় ক্লাব ভবনটি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত সভায় ক্লাবের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘জাতীয় প্রেস ক্লাব’। ১৯৫৫ সালে গৃহীত হয় প্রেস ক্লাবের লোগো।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের ইতিহাসে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় যুক্ত হয় ১৯৭৭ সালে, যখন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ক্লাবের জন্য বর্তমান স্থানের জমি বরাদ্দ দেন এবং সরকারের অর্থায়নে নতুন ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা করেন।
১৯৭৬ সালে সাংবাদিকদের দাবিতে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রেস ক্লাবকে সরকারি তহবিল থেকে ভবন নির্মাণে সহায়তা করার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “প্রেস ক্লাব একটি জাতীয় ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, এর উন্নয়ন মানে গণতন্ত্রের উন্নয়ন ও সাংবাদিকতার প্রসার।” তার নির্দেশনায় সরকার ক্লাবের বর্তমান ভবন নির্মাণ করে, যা আজও সাংবাদিক সমাজের ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
পরবর্তীতে ২০০৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রেস ক্লাবের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ক্লাবের জমি ৯৯ বছরের জন্য স্থায়ী লিজ হিসেবে ঘোষণা দেন। বর্তমানে ক্লাবের মোট জমির পরিমাণ প্রায় দুই একর।
প্রেস ক্লাব শুধু সাংবাদিকদের সংগঠন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনেরও সাক্ষী। বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে এই ক্লাব পরিণত হয়েছিল ‘গণতন্ত্র স্কয়ারে’।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ শুভক্ষণে সাংবাদিকরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছেন প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশের গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রায় যাদের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটি ক্লাবের হারানো ঐতিহ্য ও গৌরব পুনরুদ্ধারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে— যেন জাতীয় প্রেস ক্লাব সবসময় সাংবাদিকতার পেশাদারিত্ব, স্বাধীনতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতীক হয়ে থাকে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের চকরিয়ায় ডাকাত প্রতিরোধ অভিযানে নিহত শহীদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩) এর পিতা-মাতা সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
আইএসপিআর জানায়, শহীদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জনের বাবা-মা বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সেনাসদরে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় শহীদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জনের বাবা-মা সন্তান হারানোর বেদনায় আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিতে সর্ব প্রকার সহযোগিতা দেওয়ার অঙ্গিকার করেন।
মন্তব্য করুন


বর্তমান
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই শহীদ হাদি হত্যার বিচার সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি
আজ রোববার (২৮ ডিসেম্বর ) বিকেলে স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে
এ কথা জানান।
এ
সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, হাদি হত্যা মামলা চলাকালীন এ যাবত ১১ জনকে গ্রেফতার
করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো— ঘটনার মূল হোতা ফয়সাল করিম মাসুদের
বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ
শিপু, গার্লফ্রেন্ড মারিয়া আক্তার লিমা, মো. কবির, নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল,
সিবিয়ন দিও, সঞ্জয় চিসিম, মো. আমিনুল ইসলাম রাজু ও মো. আব্দুল হান্নান।
তিনি
আরও বলেন, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৬ জন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে
এবং ৪ জন সাক্ষীও ১৬৪ ধারায় সাক্ষ্য প্রদান করেছে।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জব্দকৃত উল্লেখযোগ্য আলামতসমূহ হলো— হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুইটি বিদেশি পিস্তল, ৫২ রাউন্ড
গুলি, ম্যাগাজিন ও ছোরা, হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও ভুয়া নম্বর প্লেট, ঘটনাস্থল
থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত গুলির খোসা, বুলেট, ভিডিওচিত্র সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য
আলামত এবং প্রায় ৫৩টি একাউন্টের মোট ২১৮ কোটি
টাকার স্বাক্ষরিত চেক।
তিনি
আরও বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত রয়েছে— তা উদঘাটনের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনীর সদস্যদের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
মো.
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য, সাক্ষীদের জবানবন্দি
ও উদ্ধারকৃত আলামত পর্যালোচনা ও সার্বিক বিবেচনায় মামলাটির তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
আগামী
১০ দিনের মধ্যে (৭ জানুয়ারি ২০২৬) এ মামলার চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা
প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেন, “দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন সম্মান অর্জন করেছিলেন, আজ বেগম খালেদা জিয়া সেই সম্মান অর্জন করেছেন। এমন সম্মান খুব কম নেতার ভাগ্যেই আসে। দল–মত–বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ আজ তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া করছেন, আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছেন। তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মাতা—আমাদের মাতা বেগম খালেদা জিয়া।”
তিনি বৃহস্পতিবার বিকালে নগরীর কান্দিরপাড় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের ৪৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
হাজী ইয়াছিন আরও বলেন,“কৃষক দল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শহীদ জিয়াউর রহমান। তখন দেশের প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। তিনি ছিলেন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন—যে দেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল, সে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করতে হলে কৃষির উন্নয়ন অপরিহার্য। কৃষকের সমস্যাগুলো সরাসরি জানার এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি কৃষকদের প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে কৃষক দল গঠন করেন।”
তিনি আরও বলেন,“দেশনায়ক তারেক রহমান তাঁর রাষ্ট্রগঠনের ৩১ দফায় কৃষকের উন্নয়ন কীভাবে হবে তা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান হিসেবে তিনি উপলব্ধি করেছেন—এ দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে যুক্ত। তাই দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করতে হলে কৃষিকে লাভজনক করতে হবে, কৃষককে স্বয়ংসম্পন্ন করতে হবে।”
হাজী ইয়াছিন আরও বলেন, “দেশকে টিকিয়ে রাখতে হলে কৃষিকে স্বয়ংসম্পন্ন করতে হবে। কৃষকের প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি উন্নত হলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে, দেশ এগিয়ে যাবে। অর্থনীতি শক্তিশালী হলেই মানুষ আগামী দিনে সুন্দর ও শান্তিতে ঘুমাতে পারবে।”
কুমিল্লা মহানগর কৃষক দলের আহবায়ক কে, এম শাহীনুর হোসাইন এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এস এ বারী সেলিম।
মহানগর কৃষক দলের সদস্য সচিব মো: ইকরাম হোসেন তাজ পরিচালনায় আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুবর রহমান দুলাল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, মহানগর বিএনপি নেতা মনির হোসেন পারভেজ, সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ওমর ফারুক, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রবিন, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেনসহ অন্যরা।
এসময় কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের বিভিন্ন ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করা হয়।
মন্তব্য করুন


প্রশাসনে
তিন কর্মকর্তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।
অতিরিক্ত
সচিব পদমর্যাদার তিন কর্মকর্তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে আজ রোববার ( ০৪ জানুয়ারি
) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
সমাজসেবা
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. সাইদুর রহমান খানকে পদোন্নতি দিয়ে দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছে।
পদোন্নতির
পর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ
পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
এছাড়াও
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলমকে সচিব পদমর্যাদায়
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস একাডেমির রেক্টর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, তিনি নিজেকে রংপুরের সন্তান বলে মনে করেন, কারণ তিনি জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে
শহিদ আবু সাঈদের সাহস ও আত্মত্যাগে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) প্রধান
উপদেষ্টা ঢাকায় তার কার্যালয়ে আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমাকে
রংপুরের একজন উপদেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করুন।
প্রধান উপদেষ্টা এসময় শহিদ আবু সাঈদ
ফাউন্ডেশনের সনদপত্র আবু সাঈদের পরিবারের হাতে তুলে দেন। আবু সাঈদের পিতা মকবুল হোসেন সনদপত্র গ্রহণ করেন।
আবু সাঈদের ভাতিজা মো. লিটন মিয়া এ
উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা শহিদ আবু সাঈদের পিতামাতার
স্বাস্থ্যর খোঁজখবর নেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তার আশ্বাস দেন।
মন্তব্য করুন


বিশ্ববাসীর উদ্দেশে অন্তর্বর্তী সরকারের
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমরা পৃথিবীর জন্য আশার এক বাতিঘর
হিসেবে দাঁড়াতে চাই এবং আমাদের বন্ধু ও অংশীদারদের আহ্বান জানাই অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক
চুক্তি পুনর্লিখনের জন্য, পাশাপাশি সামাজিক ব্যবসা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং মাইক্রোফাইন্যান্সের
ভূমিকা অন্বেষণ করতে, যা প্রান্তিক জনগণের জন্য টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টিতে
সহায়ক।
আজ মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) কাতারের দোহায়
আর্থনা শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ এখন এমন এক অবস্থায় দাঁড়িয়ে, যেখানে একটি নতুন সামাজিক চুক্তি
করার সুযোগ এসেছে। এটি এমন এক চুক্তি, যেখানে রাষ্ট্র ও জনগণ, বিশেষ করে যুবসমাজ, অন্তর্ভুক্তিমূলক
ব্যবস্থা, ঐতিহ্য, ন্যায়বিচার, মর্যাদা এবং সুযোগের ভিত্তিতে একটি ভবিষ্যৎ একত্রে গড়ে
তুলবে।
তিনি বলেন, এটি এমন এক সামাজিক চুক্তি,
যেখানে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও প্রান্তিক জনগণের ক্ষমতায়ন মৌলিক বিষয় হিসেবে বিবেচিত
হবে।
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে একটি
সহনশীল, সমৃদ্ধ এবং টেকসই ভবিষ্যতের স্বপ্নের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তবে এখন
এমন নানা হুমকি রয়েছে, যা আমাদের উন্নয়নকে বিপথে ঠেলে দিতে পারে।
তিনি বলেন, আমরা এমন এক সময় পার করছি,
যেখানে বহুপাক্ষিকতা হুমকির মুখে, জলবায়ু পরিবর্তন দ্রুততর হচ্ছে, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা
বাড়ছে এবং মানবিক সংকট গভীরতর হচ্ছে। নতুন নতুন নীতিমালা, প্রযুক্তি এবং শাসন পদ্ধতি
আমাদের পৃথিবীকে দ্রুত রূপান্তরিত করছে, যা অতীতের অনেক অনুমানকে অচল করে দিচ্ছে।
এমন প্রেক্ষাপটে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর
জোর দিয়ে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এখন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতার পুনরুজ্জীবনের
প্রয়োজন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আসুন আমরা সাহসী হই। একটি এমন পৃথিবী গড়ি, যেখানে কেউ এতটা দরিদ্র না হয়
যে, সে স্বপ্ন দেখতে না পারে এবং কোনো স্বপ্ন এত বড় না হয় যে, তা অর্জন করা যায় না।
ভবিষ্যৎ এমন কিছু নয়, যা আমরা উত্তরাধিকার হিসেবে পাই। এটি এমন কিছু যা আমরা তৈরি করি।
এবং আমাদের প্রত্যেকেরই এতে একটি করে ভূমিকা রয়েছে। সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে,
তা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, কিন্তু আমাদের উদ্ভাবন,
সহমর্মিতা এবং সম্মিলিত কর্মকাণ্ডের সক্ষমতাও ব্যাপক।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, কাতার
যেভাবে আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের উদ্যোগ নিয়েছে, তা দেখাচ্ছে কীভাবে একটি দেশ উদ্ভাবন,
ঐতিহ্য ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে জলবায়ু সংকট, সামাজিক বৈষম্য এবং কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ
মোকাবিলা করতে পারে।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর মূল
বক্তব্যে সামাজিক ব্যবসা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং মাইক্রোফাইন্যান্সের মাধ্যমে প্রান্তিক
জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি কাতার ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন
শেখ মোজা বিনতে নাসের এবং ভাইস চেয়ারপারসন ও সিইও শেখ হিন্দ বিনতে হামাদ আল থানিকে
সময়োপযোগী ও চমৎকার এই শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান।
মন্তব্য করুন