

ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৩৭ আসনের পাশাপাশি ফাঁকা রাখা ৬৩ আসনের মধ্যে ৩৬
আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি।
আজ
বৃহস্পতিবার (০৪ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে
এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এর
মধ্যে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে ডা. আব্দুস সালাম, দিনাজপুর-৫ আসনে এ কে এম কামরুজ্জামান, নওগাঁ-৫
জাহিদুল ইসলাম ধলু ও নাটোর-৩ আসনে মো. আনোয়ারুল ইসলাম বিএনপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করবেন।
সিরাজগঞ্জ-১
আসনে সেলিম রেজা, যশোর-৫ আসনে এম ইকবাল হোসেন, নড়াইল-২ আসনে মনিরুল ইসলাম, খুলনা-১
আসনে আমির এজাজ খান, পটুয়াখালী আসনে মোহাম্মদ শহিদুল আলম তালুকদার, বরিশাল-৩ আসনে জয়নাল
আবেদীন ও ঝালকাঠি-১ আসনে রফিকুল ইসলাম জামাল বিএনপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এ
ছাড়া টাঙ্গাইল-৫ আসনে সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ময়মনসিংহ-৪ আসনে আবু ওহাব আখন্দ ওয়ালিদ,
কিশোরগঞ্জ-১ আসনে মো. মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, মানিকগঞ্জ-১
আসনে এস এ জিন্নাহ কবির ও মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে মো. কামরুজ্জামান বিএনপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করবেন।
ঢাকা-৭
আসনে হামিদুর রহমান, ঢাকা-৯ আসনে হাবিরুর রশিদ, ঢাকা-১০ আসনে শেখ রবিউল আলম, ঢাকা-১৮
আসনে এম এম জাহাঙ্গীর হোসেন, গাজীপুর-১ আসনে মো. মজিবুর রহমান, রাজবাড়ী-২ মো. হারুন
অর রশিদ, ফরিদপুর-১ খন্দোকার নাসিরুল ইসলাম, মাদারীপুর-১ আসনে নাদিরা আক্তার, মাদারীপুর-২
আসনে জাহান্দার আলী খান, সুনামগঞ্জ-২ আসনে নাসির হোসেন চৌধুরী ও সুনামগঞ্জ-৪ আসনে নুরুল
ইসলাম বিএনপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এ
ছাড়া সিলেট-৪ আসনে আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ-১ আসনে রেজা কিবরিয়া, কুমিল্লা-২ আসনে
মো. সেলিম ভূঁইয়া, চট্টগ্রাম-৩ আসনে মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৬ আসনে গিয়াস উদ্দিন
কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৯ আসনে মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে নাজমুল মোস্তফা
আমীন ও কক্সবাজার-২ আসনে আলমগীর মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ বিএনপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
গত
৩ নভেম্বর ২৩৭ আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। পরদিন মাদারীপুর-১ আসনের প্রার্থী
কামাল জামান মোল্লার মনোনয়ন স্থগিত করে দলটি। এই আসনে নাদিরা আক্তারকে প্রার্থী করেছে
বিএনপি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে নিযুক্ত কসোভো প্রজাতন্ত্রের
রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশ সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) প্রধান উপদেষ্টা
রাষ্ট্রদূত প্লানাকে তার নিয়োগের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং তাকে বাংলাদেশে উষ্ণ
অভ্যর্থনা জানান।
বাংলাদেশের ‘জুলাই অভ্যুত্থান’-এর চেতনার
প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি কসোভোর জনগণের স্বাধীনতা, শান্তি ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের
প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন।
জবাবে রাষ্ট্রদূত প্লানা কসোভোকে একটি
স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য
বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রদূত ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে
সশস্ত্র সংঘাতের পর কসোভোর জনগণের জীবন পুনর্গঠনে গ্রামীণ কসোভোর অবদানকে স্মরণ করেন
।
তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে একটি মূল্যবান
অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করি এবং আমি আপনার ব্যক্তিগত অঙ্গীকারের জন্যও শ্রদ্ধা জানাতে
চাই।
আপনার গ্রামীণ ট্রাস্টের উদ্যোগ আমাদের
জাতির জন্য এক বিশাল সহায়তা ছিল। স্বাধীনতা ও উন্নয়নে বাংলাদেশ আমাদের গুরুত্বপূর্ণ
অংশীদার। যুদ্ধোত্তর সময়ে কসোভোতে বাংলাদেশের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের অবদান ও সহায়তার
জন্যও আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কসোভো
বর্তমানে কসোভোর শীর্ষস্থানীয় ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা, যা দেশের ২০টি পৌরসভা ও ২১৯টি গ্রামে
কাজ করছে, যেখানে ৯৭ শতাংশ ঋণগ্রহীতা নারী।
বাংলাদেশের গ্রামীণ ট্রাস্ট এই ক্ষুদ্রঋণ
প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান।
কঠিন সেই সময়ের কথা স্মরণ করে প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এটি আমাদের জন্য একটি দারুণ অভিজ্ঞতা ছিল। যখন আমরা
সেখানে পৌঁছায়, তখন সবকিছু ধ্বংসপ্রাপ্ত ছিল। পুরুষরা তখনো ফিরে আসেনি। কোনো মুদ্রা
ছিল না, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ছিল না। তখন আমরা শূন্য থেকে সেখানে গ্রামীণ ব্যাংকের কাজ
শুরু করি।’
আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর
করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়, বিশেষ করে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের
ওপর।
প্রধান উপদেষ্টা সহযোগিতার সম্ভাবনাময়
কয়েকটি খাত তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, ওষুধ শিল্প, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য,
পাটজাত পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং হালকা প্রকৌশল খাত।
তিনি কসোভোর বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের
অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত প্লানা উভয় দেশের ব্যবসায়ী
সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্ব বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি বাণিজ্য ও
বিনিয়োগে গতিশীলতা আনার জন্য ব্যবসা ও শিল্প চেম্বারগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান
জানান।
দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির
প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা কসোভোর বিভিন্ন খাতে আরও বেশি সংখ্যক
বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে রাষ্ট্রদূতের সহায়তা কামনা করেন।
তিনি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কসোভোর
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির হার বাড়ানোর প্রস্তাব দেন, যার মধ্যে রয়েছে বৃত্তি, ফেলোশিপ
ও একাডেমিক অনুদান।
মন্তব্য করুন


১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বিটিভি নিউজ ও বাংলাদেশ বেতার একযোগে ভাষণটি সম্প্রচার করবে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ নিজ ভোটাধিকার সচেতনভাবে প্রয়োগ করতে দেশের
সকল শ্রেণি ও পেশার ভোটারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর
মুহাম্মদ ইউনূস।
আগামীকাল
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠেয় ‘গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’
উপলক্ষ্যে দেয়া আজ এক বাণীতে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘এ যুগান্তকারী গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে
এক অনন্য ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি শুধু একটি নির্বাচন বা সাংবিধানিক
প্রক্রিয়া নয়; বরং দেশের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক ধারা ও জনগণের সার্বভৌম
ইচ্ছার প্রতিফলনের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।
তিনি
বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত একটি জাতি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে
যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও আত্মমর্যাদার ঘোষণা দিয়েছে, এই নির্বাচন সেই আকাঙ্ক্ষার
চূড়ান্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক বহিঃপ্রকাশ।
প্রধান
উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, গণভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রকাঠামো
ও শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে তাদের সুস্পষ্ট মতামত ব্যক্ত করবেন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের
মাধ্যমে সেই মতামত বাস্তবায়নের জন্য যোগ্য, দায়বদ্ধ ও জনআকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল
জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। এভাবে জনগণ সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণে অংশীদার
হবেন।
তিনি
বলেন, ‘এ নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে আমাদের বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে যে, দেশের বিপুলসংখ্যক
তরুণ নাগরিক এবারই প্রথম তাদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন। একই সঙ্গে
পূর্ণবয়স্ক অনেক নাগরিকও দীর্ঘদিন ধরে প্রকৃত অর্থে ভোট প্রদানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত
ছিলেন। তাই এ গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন প্রতিটি ভোটারের কাছে একটি আনন্দময়,
শঙ্কামুক্ত, বিশ্বাসযোগ্য ও উৎসবমুখর গণতান্ত্রিক অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়, তা নিশ্চিত করা
আমাদের সকলের নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব। এ লক্ষ্য অর্জনে বর্তমান অন্তর্র্বর্তীকালীন
সরকার সম্পূর্ণ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই একটি গণতান্ত্রিক
রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। দেশের প্রতিটি নাগরিক যেন কোনো ধরনের ভয়ভীতি, চাপ বা প্রভাব
ছাড়াই স্বাধীনভাবে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, নির্বাচন
কমিশন, সশস্ত্র বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সকল বাহিনীকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব,
নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নিজ নিজ কর্তব্য পালন করতে হবে। একই সঙ্গে আমি রাজনৈতিক
দলসমূহ, প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সংযম, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক আচরণ বজায় রাখার
আহ্বান জানাই।’
তিনি
বলেন, ‘গণতন্ত্রের এ ঐতিহাসিক অভিযাত্রায় আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ একটি শান্তিপূর্ণ,
স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পথে আমাদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে
যেতে সহায়তা করবে।’
মন্তব্য করুন


বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ অভিযোগ করেছেন, একটি রাজনৈতিক দল যেকোনোভাবে
ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, উচ্চাভিলাষ পূরণে দলটি অনৈতিক পন্থা অবলম্বন
করছে, যা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত।
আজ
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউট
কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
কোনো
দলের নাম উল্লেখ না করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তারা অতি উচ্চাভিলাষী। যেকোনোভাবে ক্ষমতায়
যেতেই হবে— এমন তাড়না তাদের মধ্যে রয়েছে। এই অভিলাষ পূরণে তারা অনৈতিক
পথ বেছে নিচ্ছে।
তিনি
দাবি করেন, বিভিন্ন স্থানে সাজানো ঘটনা এবং ব্যালট পেপার ছাপানোর মতো অনিয়মের অভিযোগ
পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় নির্দিষ্ট একটি দলের নেতাকর্মীরা জড়িত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, “আমরা এসব ঘটনার নিন্দা জানাই। গণতান্ত্রিক চর্চা বজায় রাখতে হলে সব রাজনৈতিক
দলকে নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ আর কোনো ধরনের অপসংস্কৃতি মেনে নেবে
না; বরং প্রত্যাখ্যান করবে।”
তিনি
আরও বলেন, ভিন্ন পথে বা অনৈতিক উপায়ে ক্ষমতায় যাওয়ার যে চেষ্টা, তা দেশের গণতন্ত্রের
জন্য ক্ষতিকর। জনগণ এ ধরনের রাজনীতিকে সমর্থন করে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না বলে মন্তব্য
করেন বিএনপির এই নেতা।
মন্তব্য করুন


গত ২০ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন সময় গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ী থানাধীন মেম্বার বাড়ীতে কলেজ শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। বর্ণিত ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ০১ টি মামলা দায়ের করেন।
উক্ত ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১১ এর অভিযানে অদ্য ০৫ অক্টোবর ভোর রাতে নরসিংদী জেলার পলাশ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার হাসনাবাদ গ্রামের মোঃ রিপন মিয়ার ছেলে ধর্ষক মোঃ সাকিব আহম্মেদ (২৪) কে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী ধর্ষণের ঘটনার সাথে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভিকটিমের পিতা একজন ব্যবসায়ী। ভিকটিম দাউদকান্দি উপজেলার স্থানীয় একটি কলেজে একাদশ শ্রেণীতে অধ্যায়নরত ছিল। ভিকটিম কলেজে যাওয়া আসার সময় গ্রেফতারকৃত আসামী সাকিবের সাথে পরিচয় হয়। এরই প্রেক্ষিতে সাকিব ভিকটিমকে প্রেমের প্রস্তাবসহ বিবাহের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু ভিকটিম উক্ত প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে আসামী সাকিব তাকে বিভিন্ন ধরণের হুমকি ধামকি সহ অপহরণের ভয় দেখায় এবং ভিকটিমের গতিবিধি অনুসরণ করতে থাকে।
পরবর্তীতে গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ আনুমানিক ৯:০০ ঘটিকায় ভিকটিম কিছু জিনিস কেনার জন্য কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানাধীন হাসনাবাদ এলাকায় পৌছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আসামী সাকিব ও তার সহযোগীরা ভিকটিমকে অপহরণ করে মাইক্রোবাস যোগে গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ী থানাধীন মেম্বারবাড়ীতে নিয়ে যায়।
সেখানে পূর্ব হতেই আসামী সাকিব একটি রুম ভাড়া করে রাখে এবং গত ২০/০৯/২০২৪ তারিখ হতে ২৭/০৯/২০২৪ ইং তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ভিকটিমকে ঐ ভাড়া বাসায় আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধ’ষর্’ণ করে। একপর্যায়ে আসামী সাকিব ঐ বাসা থেকে পলায়ন করে আত্নগোপনে চলে যায় এবং ভিকটিম মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার বাসায় যোগাযোগ করলে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে।
উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীকে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপি'র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এর সঙ্গে আজ সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন সহ নবনিযুক্ত ছয় সিটির প্রশাসকবৃন্দ।
মন্ত্রী তাঁর দপ্তরে নবনিযুক্ত ছয় সিটির প্রশাসকবৃন্দকে স্বাগত জানান। সাক্ষাৎকালে ছয় সিটির প্রশাসকবৃন্দ তাঁদের কর্মকালে মন্ত্রীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন ও ছয় সিটির উন্নয়নে সর্বোচ্চ সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
উল্লেখ্য, গত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-১ শাখা হতে ছয় প্রশাসক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ছয় সিটি করপোরেশনে যে ছয় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন- ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মো. আব্দুস সালাম;
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মো. শফিকুল ইসলাম খান; খুলনা সিটি করপোরেশনে নজরুল ইসলাম মঞ্জু; সিলেট সিটি করপোরেশনে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী; নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে মো. সাখাওয়াত হোসেন খান ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মো. শওকত হোসেন সরকার।
মন্তব্য করুন


বঙ্গোপসাগর অঞ্চলকে সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতার
কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, এখানে সহযোগিতার
কেন্দ্রে যেন পরিণত হয় আমরা সেই চেষ্টা করছি। এখানে যেন কোনো দ্বন্দ্ব-সংঘাতের কেন্দ্র
না হয়।
আজ রোববার (২২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট
অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ-বিআইআইএসএসে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
‘বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে পুনরায় সংযোগ’ শীর্ষক
এ সেমিনারের আয়োজন করে বিআইআইএসএস ও ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপিং ইকোনমিকস (আইডিই-জেট্রো)।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র
উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, বঙ্গোপসাগর অঞ্চল অর্থনীতি ও ভূ-কৌশলগত কারণে ফোকাল
পয়েন্টে পরিণত হয়েছে। এ কারণে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিকভাবে বঙ্গোপসাগর এলাকায় বড় বড় শক্তির
নজর পড়েছে। এটা এখন সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দু। বঙ্গোপসাগর যেন সহযোগিতার
কেন্দ্রে পরিণত হয় আমরা সেই চেষ্টা করছি, যাতে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের কেন্দ্র না হয়। গত
সাত বছরের বেশি সময় ধরে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অবস্থান করছে।
রোহিঙ্গাদের অধিকারসহ নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে না পারলে এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠিত
হবে না। নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বঙ্গোপসাগর এলাকা গড়ে তোলার জন্য স্থিতিশীলতা দরকার। এজন্য
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সব অংশীজনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাই।
সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকায়
নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত আইওয়ামা কিমিনিরো বলেন, মাতারবাড়ী বন্দর দিয়ে এই অঞ্চলে
কানেক্টিভিটি আরও জোরদার হবে আশা করি। এই কানেক্টিভিটি
জোরদারে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া থাকা দরকার।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআইআইএসএসের
চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত এ এফএম গাওসুল আজম সরকার ও মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ইফতেখার
আনিস।
মন্তব্য করুন


চলতি
ডিসেম্বর মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। ডিসেম্বর মাসের ২০ দিনে দেশে প্রবাসী আয়
(রেমিট্যান্স) এসেছে ২১৭ কোটি ২১ লাখ ৩০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ
২৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)।
রোববার
(২১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য
মতে, চলতি মাসের ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এসেছে ২১৭ কোটি ২১ লাখ ডলার। এরমধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত
ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৭ কোটি ১৩ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে
২১ কোটি ৫২ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৫৮ কোটি ১৩ লাখ ডলার এবং
বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪২ লাখ ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন,
সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগে হুন্ডি প্রতিরোধ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের
উন্নতি রেমিট্যান্স আয় বাড়াতে ভূমিকা রাখছে।
একদিকে
প্রবাসী আয় বাড়ছে, অন্যদিকে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বাড়ছে। এদিকে প্রবাসী আয়ের
প্রবাহের ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের বৈদেশিক
মুদ্রার জোগান-চাহিদার ভারসাম্য ঠিক রাখতে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয়
ব্যাংক মোট ২ হাজার ৮৭১ মিলিয়ন বা ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার ক্রয় করেছে।
চলতি
অর্থবছরের সদ্য সমাপ্ত নভেম্বর মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলার,
দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৫ হাজার ২৫২ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।
অক্টোবর
মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার, সেপ্টেম্বর মাসে রেমিট্যান্স
এসেছে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার, আগস্ট মাসে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার, জুলাই
মাসে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।
মন্তব্য করুন


প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সব প্রকার দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।
রোববার (১৭ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় (এডিবি) তিনি এসব কথা বলেন।
১৯টি দপ্তর সংস্থার মোট ২৩০টি প্রকল্প এর মধ্যে বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্প ৬২টি, জিওবি অর্থায়নে ১৬৮টি প্রকল্প।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, যথাযথভাবে এবং যথাসময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রকল্পবাস্তায়নে দ্রুততার সঙ্গে করতে হবে। প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রিতার ফলে উন্নয়ন সহযোগীরা নেতিবাচক ধারণা পোষণ করেন, তারা আমাদের সঙ্গে কাজের উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। কোনো কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় বেশি লাগলে সেক্ষেত্রে উন্নয়ন সহোযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা উচিত।
রাস্তা বা কালভার্টের কাজ করতে চাহিদা কীভাবে নিরুপণ করতে হয় জানতে চেয়ে উপদেষ্টা বলেন, কনসালটেন্ট নিয়োগে সময়ক্ষেপণ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রভাব পড়ে। কনসালটেন্ট নিয়োগে সংক্ষিপ্ত সময়ে কীভাবে করা যায় সে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া আরও বলেন, যাদের রক্তের বিনিময়ে আজকের নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি তাদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না। নতুন দেশের মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। আমাদের সবার চেষ্টা থাকবে মানুষের আশার প্রতিফলন ঘটাতে। এ মন্ত্রণালয়ের জনসম্পৃক্ততা বেশি দায়িত্বও বেশি তিনি সবাইকে দায়িত্ব গুরুত্বের সঙ্গে পালন করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্বে) মো. নজরুল ইসলাম। এছারা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, প্রকল্প পরিচালক, চিফ ইঞ্জিনিয়ার ও নির্বাহী প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের দিক নির্দেশনা
বাস্তবায়নে স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন
(র্যাব)।
মঙ্গলবার
(২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য জানান।
তিনি
জানান, যত নাশকতা ও সহিংসতা হচ্ছে বা মামলা হচ্ছে, সেই আসামিদের আমরা দ্রুত আইনের আওতায়
নিয়ে আসছি। সাম্প্রতিক সময় নির্বাচন কমিশনের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের অস্ত্র
উদ্ধার বেগবান হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আমরা ১০টির বেশি বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার, বেশ
কিছু দেশিয় অস্ত্র, গাড়িসহ আটক করতে সক্ষম হয়েছি। যারা নির্বাচনের সহিংসতা করার
চেষ্টা করছে বা নির্বাচনের উৎসবমুখর পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে তাদের আইনের আওতায়
নিয়ে এসেছি। প্রায় ১০ জনের বেশি ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে নির্বাচন কমিশনের দিক নির্দেশনা বাস্তবায়নে স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে আমরা
কাজ করে যাব।
মন্তব্য করুন