

নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি বলেছেন, পরিবহন সেক্টরে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই ভাড়া বাড়ানো যাবে না। তিনি বলেন, কেউ ভাড়া বাড়ানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে তা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ শহরের মাছঘাট এলাকায় নির্মাণাধীন টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। এদিন মন্ত্রী নারায়ণগঞ্জ টার্মিনাল, নির্মাণাধীন খানপুর আইসিটি অ্যান্ড বাঙ্ক টার্মিনাল, নারায়ণগঞ্জ ড্রেজার বেইজ এবং বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের মাছঘাট সংলগ্ন নির্মিতব্য টার্মিনাল ভবন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্নের নির্দেশনা দেন।
নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, ‘লাইটার জাহাজে ভোগ্যপণ্য রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না। পরিদর্শনে লাইটার জাহাজে গম পাওয়া গেছে। নির্ধারিত সময়ে পণ্য খালাস না করে জাহাজে রেখে দেওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ আসন্ন ঈদযাত্রা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘এবারের ঈদ যাত্রা হবে স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ। যেসব স্থানে ব্যত্যয়ের ঝুঁকি রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অবাধ ও নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা গতবারের চেয়ে অধিক তৎপর থাকবে।’
মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকল পরিবহন মালিক-শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সরকারি নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানান এবং জনস্বার্থবিরোধী যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার নীতি অব্যাহত থাকবে বলে তাঁর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি, নৌপরিবহন সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান রিয়াল এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হলে নির্বাহী
বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আলাদা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ
রেফাত আহমেদ।
আজ শনিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে সুপ্রিম
কোর্ট বার আয়োজিত নবীন আইনজীবীদের কর্মশালায় এ কথা বলেন প্রধান বিচারপতি।
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
বলেন, বিচারপতি অপসারণে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন হয়েছে; যা আগে পার্লামেন্টের
কাছে ছিল। বিচার বিভাগ আলাদা করার জন্য সরকারকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক
স্বশাসন বিচার বিভাগের স্বাধীনতার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। নবীন আইনজীবীরা বিচারবিভাগের মর্যাদা
সমুন্নত রাখতে সচেষ্ট হতে হবে। সাম্প্রতিক আদালত অঙ্গনে ঘটে যাওয়া ঘটনায় আইনজীবীদের
আরও দায়বদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে। সার্বিকভাবে বিচারবিভাগ বার ও বেঞ্চের সমন্বয়ে এগিয়ে
যাবে।
এ সময় চট্টগ্রামে আইনজীবী আলিফ হত্যার
ঘটনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে ৫ আগস্ট ঘিরে আন্দোলনে নিহত আহতদের নিয়ে বিশেষ
দোয়া হয়। উল্লেখ্য, আজকের কর্মশালায় চট্টগ্রামের আইনজীবী আলিফেরও থাকার কথা ছিলো।
এসময় আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি
জুবায়ের রহমান চৌধুরী, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। অ্যাটর্নি জেনারেল
মো. আসাদুজ্জামান , সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি মাহবুব উদ্দিন খোকন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী
ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সারা দেশ থেকে প্রায়
এক হাজার ৫০০ নবীন আইনজীবী যারা বারে নতুন সদস্য হয়েছেন তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ইরানসহ
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জানমালের
নিরাপত্তা ও সার্বিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ
রবিবার ( ০১ মার্চ ) সকালে সচিবালয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা কী অবস্থায় আছেন এবং উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাদের
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এদিকে
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার জেরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ
যাত্রীরা। প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের
সার্বিক দেখভালের বিষয়ে সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন।
অতিরিক্ত
প্রেসসচিব জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিমানমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সরাসরি
কাজ করছেন। বিমান প্রতিমন্ত্রী সকাল থেকেই বিমানবন্দরে অবস্থান করে যাত্রীদের সুযোগ-সুবিধা
তদারকি করছেন এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীও এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


মিয়ানমারের জান্তা সরকার ও আরাকান আর্মির চলমান সংঘর্ষের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের টেকনাফ সীমান্তে। সীমান্তের ওপারে গোলাগুলি ও মর্টারশেল বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকায় এখনো আতঙ্ক কাটেনি। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দীর্ঘ সময় ধরে গোলাগুলি চলাকালে ছোড়া কিছু গুলি বাংলাদেশের অংশে এসে বসতবাড়িতে আঘাত হানে। এতে সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা রাতভর আতঙ্কে সময় কাটান। একদিন পেরিয়ে গেলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি; রাতের বেলায় গুলির শব্দ শোনায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বেশিরভাগ শহর ও সীমান্তবর্তী অঞ্চল প্রায় দুই বছর ধরে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতাও রয়েছে। এর ফলে মাঝেমধ্যেই কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ ভেসে আসে। অনেক সময় সংঘর্ষের গুলি এপারে এসে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে।টেকনাফের এক জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দা হাসান আলী জানান, শনিবার টানা গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দে এলাকার ঘরবাড়ি কেঁপে ওঠে। আতঙ্কে বহু পরিবার শিশুদের নিয়ে ঘরের ভেতর নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়। ভয়ের কারণে সারা রাত অনেকেই ঘুমাতে পারেননি। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগে মাছ ধরতেও যেতে পারেননি তিনি।হোয়াইক্যং বালুখালির বাসিন্দা সরওয়ার আলম বলেন, শনিবারের গোলাগুলির সময় একটি গুলি তার বাড়িতে এসে পড়ায় পরিবারের সবাই চরম আতঙ্কে পড়েন। এখনও যেকোনো মুহূর্তে আবার গুলি আসতে পারে—এমন আশঙ্কা কাজ করছে বলে তিনি জানান। মধ্যরাতেও কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা গেছে।এ বিষয়ে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সিরাজুল মোস্তফা লালু জানান, সীমান্তের কাছাকাছি মিয়ানমার অংশে শনিবার ব্যাপক গোলাগুলি ও মর্টারশেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। একদিন পার হলেও ভীতি পুরোপুরি কাটেনি। রোববার মধ্যরাতে আবার গুলির শব্দ ভেসে আসায় স্থানীয়রা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। তবে বড় ধরনের কোনো সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও জানান, নাফ নদীসংলগ্ন এলাকায় ভয়ের কারণে মানুষ চিংড়িঘের, কৃষিজমি কিংবা নদীতে যেতে পারছেন না। কয়েকটি বসতবাড়িতে গুলি লেগে টিনের চাল ফুটো হয়েছে এবং তাজা গুলির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। অধিকাংশ গুলি চাষের জমি ও ঘেরে গিয়ে পড়ে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইনামুল হাফিজ নাদিম জানান, সীমান্তে গোলাগুলির বিষয়টি প্রশাসনের নজরে রয়েছে। বিজিবিসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজের নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ বুধবার(১৫নভেম্বর) থেকে ২০২৪ সালের সরকারি ও বেসরকারি হজযাত্রীদের নিবন্ধন শুরু হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার (হজ এজেন্সি) হজযাত্রীরা ১৫ই নভেম্বর থেকে আগামী ১০ই ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধনের টাকা জমা দিতে পারবেন।
আগামী ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধিত সব হজযাত্রী নিবন্ধন করতে পারবেন। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সর্বশেষ নিবন্ধনের ক্রমিক হল ৯১০০৯৬।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৬ই জুন (১৪৪৫ হিজরি সনের ৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এই চলতি বছরের মতো আগামী ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। তার মধ্যে সরকারি মাধ্যমের কোটায় ১০ হাজার ১৯৮ জন ও বেসরকারি এজেন্সির কোটায় এক লাখ ১৭ হাজার জন হজ পালন করতে পারবেন বলে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে।
সরকারি ভাবে আগামী বছর হজে যেতে সাধারণ প্যাকেজে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪০ টাকা খরচ ধরা হয়েছে। বিশেষ হজ প্যাকেজের মধ্যমে হজ পালনে খরচ হবে ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকা।
অপরদিকে বেসরকারি ভাবে এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে সাধারণ প্যাকেজে হজ পালনে সর্বনিম্ন খরচ হবে ৫ লাখ ৮৯ হাজার ৮০০ টাকা। বিশেষ প্যাকেজের মাধ্যমে হজ পালনে ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৩০০ টাকা খরচ হবে ।
মন্তব্য করুন


২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ এবং ২০২১ সালের মার্চ মাসে বিক্ষোভ কর্মসূচি দমনে পরিচালিত হত্যাকাণ্ডে
শাহাদাতবরণকারী শহিদ পরিবারের সদস্যদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠান ২০২৫ গতকাল শুক্রবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. আ ফ ম খালিদ হোসেন।
২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞে শহিদ ৫৮ টি পরিবার এবং ২০২১ সালের মার্চ মাসে বিক্ষোভ কর্মসূচি দমনে পরিচালিত হত্যাকাণ্ডে শহিদ ১৯টি পরিবারের সদস্যদের মাঝে পরিবার প্রতি ১০ লক্ষ টাকা করে, মোট ৭ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, "শহীদদের রক্ত কখনো বৃথা যায় না। ঐতিহাসিক শাপলা চত্বর এবং মোদি বিরোধী আন্দোলনে শহীদদের আজকের এই স্বীকৃতি তারই প্রমাণ।"
শহীদ পরিবারদেরকে স্বীকৃতি দিতে পেরে সরকার গর্বিত উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ইতিহাস থেকে যেন কেউ ঐতিহাসিক শাপলা চত্বরের শহীদদের নাম মুছতে না পারে, এজন্য শাপলা চত্বরেই খোদাই করে লেখা হবে শহীদদের নাম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, "শাপলা চত্বর এবং মোদি বিরোধী আন্দোলনে শহিদদের আর্থিক সহায়তা প্রদান স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের এক ঐতিহাসিক উদ্যোগ।"
এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়ার সূচনা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের হত্যাযজ্ঞ এবং ২০২১ সালের মোদি বিরোধী বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে
শাহাদতবরণকারী শহিদ পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদকে আন্তরিক সাধুবাদ জানিয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মাওলানা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, "স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার এই মহতী উদ্যোগে সারা বাংলার আলেম সমাজ সম্মানিত হয়েছে। "
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা সাজিদুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ শাহজাহান মিয়া।
মন্তব্য করুন


জুলাই
সনদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক
উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। কয়েক
মিনিটের মধ্যেই তার পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
বুধবার
(১১ মার্চ) রাত ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ওই স্ট্যাটাস দেন তিনি।
স্ট্যাটাসে
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া লেখেন, ‘জুলাই সনদ Non-negotiable’।
মাত্র
৩ শব্দের এ স্ট্যাটাসটি ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
স্ট্যাটাসটিতে
প্রায় ২৫ হাজার রিঅ্যাক্ট পড়েছে। পাশাপাশি প্রায় এক হাজার ২০০ আইডি থেকে স্ট্যাটাসটির
মন্তব্যের ঘরে নানা মন্তব্য করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দুবাইয়ে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ভিসা সহজ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। দুবাই ইমিগ্রেশনের জেনারেল ডিরেক্টরেট অব রেসিডেন্সি অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাফেয়ারস (জিডিআরএফএ)-এর ডিরেক্টর জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুহাম্মদ আহমদ আল মারীর সঙ্গে এক বৈঠকে এ অনুরোধ জানান দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামান।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) জিডিআরএফএ’র সদর দপ্তরে সাক্ষাৎ করে কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান, ডিরেক্টর জেনারেলের সঙ্গে বৈঠক করেন।
ডিরেক্টর জেনারেল মারী নবনিযুক্ত কনসাল জেনারেলকে দুবাইয়ে স্বাগত জানান এবং তার দায়িত্ব পালনকালে দুবাই ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
ডিরেক্টর জেনারেল আহমদ আল মারী ও কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান দুবাইয়ে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কল্যাণ এবং অধিক সংখ্যক বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ভিসা সহজ করাসহ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় দুবাই ও অন্যান্য আমিরাতসমূহের অবকাঠামোগত উন্নয়নে অবদানের বিষয়ে ডিরেক্টর জেনারেল আহমদ আল মারী বাংলাদেশিদের প্রশংসা করেন।
মন্তব্য করুন


ডাকাতির প্রস্তুতিকালে রাজশাহীর কাটাখালী এলাকা থেকে কিশোর গ্যাং ‘জনি বাহিনী’র প্রধানসহ ৯ জনকে আটক করেছে র্যাব। রাজশাহীর ভয়ংকর কিশোর গ্যাং হিসেবে পরিচিত জনি বাহিনী।
শনিবার (৮ জুন) দিনগত রাতে জনি বাহিনীর ৯ জনকে আটক করা হয় কাটাখালীর শ্যামপুর পশ্চিমপাড়া থেকে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ধারালো চাকু ও ৩টি টিপ চাকু উদ্ধার করেছেন র্যাব।
র্যাব-৫ রাজশাহীর সিপিএসসি মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাদের ৯ জনকে আটক করে। আটককৃতরা হলো: জনি বাহিনীর প্রধান জনি ইসলাম (২৩), আবদুল মান্নান খাঁ (২০), আবু হানিফ (১৯), কুরমান আরী (২২), মাসুম আলী (২৭), মো. সাগর (২০), টিপু সুলতান (২০), নুরমান ইসলাম (২০) ও সুজন আলী (৩০)।
রোববার দুপুরে র্যাব-৫ এর সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আটককৃতরা চাঁদাবাজি, জমিদখল ও ভাড়ায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল। এলাকায় তারা ‘জনি গ্যাং’ বা ‘জনি বাহিনী’ হিসেবে পরিচিত। অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধে ১০টি মামলা রয়েছে বাহিনীর প্রধান জনির বিরুদ্ধে।
র্যাব-৫ এর সদর দপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, জনি বাহিনীর সদস্যরা শনিবার রাতে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় খবর পেয়ে জনি বাহিনী’র প্রধানসহ ৯ জনকে আটক করে নিজ কার্যালয়ে নিয়ে যায় র্যাব।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার দুপুরে তাদের কাটাখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া আটককৃতদের নামে মামলা দেওয়া হয়। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আজ বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সিইসি।
বৈঠক শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন পরিস্থিতি অনুকূল বা প্রতিকূল যাই হোক নির্বাচন হবে।সিইসি বলেন, ইসির হাতে কোনো অপশন নেই। ইসিকে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার অংশ হিসেবে যথাসময়ে নির্বাচন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন , দলগুলো এককভাবে বা অ্যালায়েন্সের মাধ্যমে অংশ নিতে পারে। তবে দৃঢ়ভাবে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, পরিস্থিতি যেমনই হোক,তবে এখনো প্রত্যাশা করবো সবগুলো দল অংশ নেবে। নির্বাচন যথা সময়ে হবে আমরা এ ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আমরা এবং তারাও (যুক্তরাষ্ট্র) বিশ্বাস করে সংলাপের। উনি (পিটার ডি হ্যাস) বলেছেন এখনো আহ্বান করবেন বিরাজমান সংকট মোকাবেলায় দলগুলো সংলাপে বসবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
আজ রাত পোহালেই শুরু হচ্ছে বহুল আলোচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। কাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে শুরু হবে ভোট উৎসব। উৎসবের আবহ থাকলেও, একই সঙ্গে নানা শঙ্কা ও উৎকণ্ঠাও বিরাজ করছে নির্বাচনী মাঠে।
কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনসহ সারা দেশের মোট ৩০০টি সংসদীয় আসনে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবার দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় ভোটযজ্ঞে অংশ নেবেন কোটি কোটি ভোটার।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, কাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে এবং বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে: চলবে। ভোটাররা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পারবেন সে লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।" কুমিল্লায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি, মোতায়েন ৭৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট:
কুমিল্লা জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার ১১টি সংসদীয় গআসনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ
নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনী মাঠে সার্বিক তদারকির জন্য মোট ৭৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছেন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নির্বাহী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। নিরাপত্তা জোরদার, মাঠে সব বাহিনী নির্বাচন ঘিরে কুমিল্লায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র্যাব, পুলিশ ও আনসার বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
কুমিল্লায় ভোটার সংখ্যা লাখে লাখে:
নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, কুমিল্লা জেলার ১১টি আসনে প্রায় দেড় হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোট দেবেন ৪৮ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটার। ভোটের আগের শেষ দিনে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা জমজমাট থাকলেও, ভোটগ্রহণ ঘিরে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহের
পাশাপাশি উদ্বেগও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শেষ মুহূর্তের উত্তেজনা ও প্রত্যাশা: ভোটের আগের দিন কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী উত্তাপ স্পষ্ট। বড় রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ, কেন্দ্র দখল ও জাল ভোটের আশঙ্কা ভোটারদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশাড়সব শঙ্কা পেরিয়ে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন উপহার দেবে আগামীকালের ভোট।সব মিলিয়ে, রাত পোহালেই কুমিল্লাসহ সারাদেশে শুরু হচ্ছে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসব। এখন দেখার বিষয়, ভোটারদের অংশগ্রহণ ও প্রশাসনের ভূমিকার মধ্য দিয়ে এই নির্বাচন কতটা শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য হয়।
কুমিল্লার ১১টি আসনের ১ হাজার ৪৯১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৯৩৪টি:
বিগত কয়েকটি জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় নির্বাচনের সময় সহিংসতার বিষয় মাথায় রেখে কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের ১৭টি উপজেলার ১ হাজার ৪৯১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৯৩৪টি কেন্দ্র। এর মধ্যে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের শতভাগ ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। জেলা রিটার্নিং অফিসার কার্যালয়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মন্তব্য করুন