

আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীরা দেশের ভোটারদের চেয়ে ২০ দিন আগে
ভোট দেবেন এবং ভোট দিয়ে ব্যালট ফেরত পাঠাতে হবে অন্তত ১৭ দিন আগে।
আজ
সোমবার (১০ নভেম্বর ) নির্বাচন ভবনে অনলাইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নির্বাচন
কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে প্রবাসীরা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। এ সময় নির্বাচন
ভবনে ইসি সচিব ও জাতীয় পরিচয়
নিবন্ধন অনুবিভাগে মহাপরিচালকও উপস্থিত ছিলেন।
আবুল
ফজল মো. সানাউল্লাহ আরও বলেন, কোনো পরীক্ষা ছাড়া প্রথমবারের মতো প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট নিতে যাচ্ছে ইসি। এটি বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি
বলেন, ১৮ নভেম্বর পোস্টাল
ব্যালটে ভোটদানের জন্য অ্যাপ চালু হবে। এরপর অনলাইনে যে ফর্মটা পাওয়া
যাবে সেটা ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। নির্বাচনের তিন সপ্তাহ আগে প্রার্থীর তালিকা হয়ে যাবে। এরপর ভোট দিয়ে নিকটস্থ পোস্ট বক্সে ড্রপ করতে হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনের অন্তত ১৭ দিন আগে
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে তা পাঠিয়ে দিতে
হবে। না হলে নির্বাচনের
পরে ভোট পৌঁছাতে পারে। সেক্ষেত্রে ভোটটি নেওয়া যাবে না। ভোট দেওয়ার জন্য প্রবাসীদের ভোটার তালিকায় যুক্ত হতে হবে।
আগামী
ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল দিয়ে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন সম্পন্ন করায় লক্ষ্য নিয়ে এগুচ্ছে কমিশন।
মন্তব্য করুন


রফিকুল ইসলাম বাবু, চাঁদপুর:
চাঁদপুর মাদ্রাসা রোড লঞ্চ টার্মিনাল থেকে তিনটি যাত্রীবাহী লঞ্চ সিডিউল অমান্য করে দেরিতে ছাড়ার অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন সময়ে দীর্ঘ এক বছর যাবত ঢাকার লঞ্চ মালিকরা এই অনিয়ম করে আসছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অমান্য করে সঠিক সময়ে লঞ্চ না ছাড়ার কারণে এতে করে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে অন্যান্য লঞ্চ মালিকরা।
চাঁদপুর বিআইডব্লিউটি এর বন্দর কর্মকর্ত বশির আলী খানের নির্দেশে টি আই মাহাতাব যাত্রীবাহী লঞ্চ রায়হান ,রহমত ও জামাল ৮ প্রতিদিন চাঁদপুর থেকে ১১টা ৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়।
এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ রায়হানের কর্তৃপক্ষ সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে সঠিক সময়ে না ছেড়ে দেরিতে লঞ্চ ছাড়ার চেষ্টা করে। টার্মিনালে অন্যান্য লঞ্চের সুপারভাইজার ও কর্তৃপক্ষের সাথে রায়হান লঞ্চের লোকজনের হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের চিঠির আলোকে দেখা যায় ঢাকা থেকে যে সকল লঞ্চ রাত সাড়ে বারোটায় ছাড়বে সেই লঞ্চগুলো চাঁদপুর থেকে সকাল ১১ টা ৫ মিনিটে ছাড়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
কিন্তু ঢাকার মালিকানা রায়হান ,রহমত ও জামাল ৮ লঞ্চের কর্তৃপক্ষ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন সময় পেশি শক্তির ব্যবহার করে দীর্ঘ এক বছর যাবত অনিয়মের মধ্য দিয়ে আধা ঘন্টা দেরিতে টার্মিনাল থেকে তাদের লঞ্চ ছেড়েছে।
এই অনিয়ম ও দুর্নীতি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় চাঁদপুর বন্দর কর্মকর্তা বসির আলী খান। অবশেষে তার নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক সময় লঞ্চগুলো ছেড়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন বিআইডব্লিউটি এর টি আই মাহাতাব।
এই বিষয়ে বন্দর কর্মকর্তা বসির আলী খান জানায়, পূর্বের যত অনিয়ম হয়েছে তা বর্তমান সময়ে হতে দেওয়া হবে না। সিডিউল অনুযায়ী লঞ্চ ছাড়তে হবে যারা সরকারের নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে দেরিতে লঞ্চ ছাড়বে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানায়।
এদিকে চাঁদপুরের অন্যান্য লঞ্চ কর্তৃপক্ষরা জানায়, দীর্ঘ এক বছর যাবত ঢাকার মালিকানাধীন রায়হান বরকত ও জামাল লঞ্চ ছাড়ার আধাঘন্টা দেরি করে চাঁদপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এ সকল লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বহিরাগত সন্ত্রাসী বাহিনীদের ব্যবহার করে দীর্ঘদিন অনিয়ম করেছে।তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুললেও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীরা হামলা ও হুমকি দিত। তাই এ সকল অনিয়ম ঠেকাতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


ভারতে
বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও কনস্যুলার কার্যালয়ে সাম্প্রতিক নিরাপত্তা ঘটনার বিষয়ে গভীর
উদ্বেগ জানাতে আজ ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়
জানায়, গত ২০ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও হাইকমিশনারের বাসভবনের বাইরে
ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং ২২ ডিসেম্বর শিলিগুড়িতে বাংলাদেশ ভিসা সেন্টারে উগ্রবাদীদের
ভাঙচুরের বিষয়টি আলোচনায় তোলা হয়।
এক
বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘ভারতে বাংলাদেশের বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনের সামনে
সহিংস বিক্ষোভের ঘটনায় বাংলাদেশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।’
বিবৃতিতে
আরও বলা হয়, দূতাবাসে পূর্বপরিকল্পিত সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ
দৃঢ়ভাবে নিন্দা জানায়। এসব ঘটনা কেবল কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে
না, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, শান্তি ও সহনশীলতার নীতিকেও ক্ষুণ্ন করে।
বাংলাদেশ
সরকার ভারতকে এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের
ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভারতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন
ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
বাংলাদেশ
আশা প্রকাশ করেছে, ভারত সরকার আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী অবিলম্বে
যথাযথ পদক্ষেপ নেবে। এতে কূটনৈতিক কর্মকর্তা ও স্থাপনার মর্যাদা ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত
হবে।
মন্তব্য করুন


দেশের ১৭ জেলার
ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলছে। কিছু কিছু জায়গা থেকে তা প্রশমিত হতে পারে বলে জানিয়েছে
আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী পাঁচ দিনে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে বলা হয়েছে
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে।
আজ বৃহস্পতিবার
সকালে ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ
ড. মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী,
পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, সিলেট, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা,
যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
কিছু কিছু জায়গায় তা প্রশমিত হতে পারে।
এ ছাড়াও মধ্যরাত
থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অনেক স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও তা
দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন
ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
এতে আরো
বলা হয়, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। আর দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি
সেলসিয়াস বাড়তে পারে। অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে
পারে।
আবহাওয়ার সিনপটিক
অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চবলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন
এলাকায় অবস্থান করছে।
গতকাল দেশের
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা
রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মন্তব্য করুন


ধর্ম-বর্ণ ও মতের পার্থক্য থাকলেও বাংলাদেশের সব মানুষ একই পরিবারের সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্মের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের আগে বিমানবন্দরে দেওয়া নিজের একটি বক্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ড. ইউনূস বলেন, তখন বলেছিলাম আমরা একটা পরিবার। আমাদের নানামত, নানা ধর্ম থাকবে, নানা রীতিনীতি থাকবে কিন্তু আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। এটাতে জোর দিয়েছিলাম। আমাদের শত পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আমরা পরস্পরের শত্রু নই। আমাদের জাতীয়তা, পরিচয়ের প্রশ্নে এক জায়গায় চলে আসি। আমরা বাংলাদেশি, এক পরিবারের সদস্য।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শপথ গ্রহণের পরে শুনতে আরম্ভ করলাম, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে। তখন মনটা খারাপ হয়ে গেল। এর পরপরই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গেলাম। সেখানেও বললাম, আমরা একই পরিবারের সদস্য।
তিনি বলেন, সব দাবিদাওয়া বাদ দিলেও একটা দাবি পরিষ্কার আমাদের সকলের সমান অধিকার, বলার অধিকার, ধর্মের অধিকার, কাজকর্মের অধিকার। সেটা এসেছে সংবিধান থেকে। নাগরিক হিসেবে প্রাপ্য, রাষ্ট্রের দায়িত্ব সেটা নিশ্চিত করা।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, শুনলাম এখনো সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে।
তাই আমি সবাইকে নিয়ে বসলাম, এটা থেকে কীভাবে উদ্ধার করা যায়।
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সেটা পুরো জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছিল। তখন তৃপ্তি পেলাম, একটু তো কাজ করেছি।
ভুল তথ্যের বিষয়ে সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এখন আবার নতুন কথা, হামলা হচ্ছে, অত্যাচার শুরু হচ্ছে। বিদেশি গণমাধ্যম বলব না প্রচারমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে, এটা হচ্ছে। আমি খোঁজ নিচ্ছি, কী হচ্ছে? সবদিকে দেখলাম এটা হচ্ছে না। এক খবরে বলা হচ্ছে, আরেক খবরে বলা হচ্ছে হচ্ছে না, তথ্যের মধ্যে ফারাক আছে। এটা ঠিক না। এটার অবসান হতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা যে তথ্য পাচ্ছি তা ভুল হতে পারে। তথ্যের ওপর বসে থাকার কিছুই নাই, এটার অর্থ অন্ধের মতো বসে থাকা। ভেতরে গিয়ে দেখতে হবে। খোঁজ নিতে হবে তথ্যের গরমিল কেন? তাতে ওরা যা বলছে, তা কি মিথ্যা প্রচার? না আমরা যা বলছি তা মিথ্যা প্রচার। সত্যটা কোথায়।
তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্যের কোনো ফারাক নেই। সেখানে সঠিক তথ্য কীভাবে পাব, সেটা আমাদের জানার। প্রকৃত তথ্য, অনেক সময় সরকারি তথ্যের ওপর ভরসা করে লাভ নেই। কর্তা যা চায়, সেভাবে বলে। আসলটা মন খুলে বলতে চাই না। আমরা আসল খবরটা জানতে চাই। সেই প্রক্রিয়াটা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এত বড় দেশে যেকোন ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু প্রকৃত তথ্য জানতে চাই। তাৎক্ষণিক খবর পেলে যাতে সমাধান করা যায়। যেদিক থেকেই দোষী দোষীই। তাকে বিচারের আওতায় আনা সরকারের দায়িত্ব।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, প্রথম কথাটা হলো না হওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করা। আর হয়ে গেলে তাৎক্ষণিক প্রতিকারের ব্যবস্থা করা। আমি যা বলছি, তা দেশের বেশির ভাগ মানুষ মনে করে। আমরা এক পরিবারের মানুষ হিসেবে সামগ্রিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারি। সেখানে তথ্য ও প্রতিকার হলো বড় বিষয়।
তিনি বলেন, আমি পেলাম তথ্য কিন্তু প্রতিকার পেলাম না। সমস্যা হয়ে গেলে সমাধান করতে হবে। আজকের আলোচনা খোলাখুলি, আমরা সবাই আলোচনা করব। আমাদের লক্ষ্যে কোনো গোলমাল নেই। তথ্য প্রবাহ কীভাবে পাব, দোষীকে কীভাবে ধরব, যাতে সবাই সঠিক তথ্যটা পেয়ে যায়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এমন বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই, যার নাম দিয়েছি নতুন বাংলাদেশ। এটা আমাদের করতে হবে। আপনাদের কথা বলে সন্তুষ্ট করে আজকের মতো বিদায় দিলাম তা নয়। এটা দ্রুত করতে হবে। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে দেখলে হবে না, আমাদের বর্তমানেই করতে যেতে হবে।
সংখ্যালঘু সমস্যার বিষয়ে অবাধ, সত্য তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা যায়, সে বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের পরামর্শ চান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, কীভাবে নিরাপদে সংগ্রহ করব, যে তথ্য দিচ্ছে সে যেন বিব্রত না করে তাও নিশ্চিত হতে হবে।
মন্তব্য করুন


শিক্ষাব্যবস্থাকে
আনন্দমুখর ও কর্মমুখী করে গড়ে তোলা, কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং ক্রীড়া অবকাঠামো
ও প্রশিক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণের বিষয়ে আজ শনিবার ( ২১ ফেব্রুয়ারি ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকে
সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ
এম ছালেহ বাসসকে এ তথ্য জানিয়েছেন। সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছানোর
মাধ্যমে জুলাই সনদ ঘোষণা করা হবে। আমরা সবাই আজ এখানে দেশ ও জাতির কল্যাণে একত্রিত
হয়েছি। আশা করি, সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছে আমরা একটি অত্যন্ত সুন্দর জুলাই
সনদ প্রস্তুত করতে পারবো।
আজ
সোমবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক
দলগুলোর দ্বিতীয় দফা সংলাপের উদ্বোধনী বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, সরকার আশা করে যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে এনে জুলাই সনদ
ঘোষণা করা সম্ভব হবে।
প্রধান
উপদেষ্টা নিজে ঐকমত্য কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বলেন, তিনি খুব খুশি যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি জাতীয়
ঐকমত্য গড়ে তুলতে এই সংলাপে অংশগ্রহণ করেছেন।
কমিশনের
সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, কমিশনের মেয়াদ ২০২৫ সালের আগস্টে শেষ হচ্ছে এবং
এর আগেই জুলাই মাসে জুলাই সনদ ঘোষণা করতে কমিশন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের ওপর
অর্পিত এই পবিত্র দায়িত্ব পালনে অবশ্যই সফল হতে হবে।
জাতীয়
ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফা সংলাপ আজ ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অধ্যাপক ইউনূসের সভাপতিত্বে
শুরু হয়েছে।
উক্ত
সংলাপে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংস্কার প্রক্রিয়ায় জড়িত অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।
মন্তব্য করুন


মহান
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ
মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান।
শুক্রবার
দিবাগত রাত ১২টা ৮ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তিনি ভাষা
শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছুঁতেই তিনি শহীদ মিনার
প্রাঙ্গণে পৌঁছান।
অমর
একুশের ঐতিহাসিক গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি...আমি কি ভুলিতে পারি’
গানের সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ
করেন। তিনি ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে
থাকেন।
শ্রদ্ধা
নিবেদনের পর ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাতে শরিক হন প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান।
এ
সময় মন্ত্রীপরিষদের সদস্যবর্গ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধানরা,
বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিদেশি কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ বেসামরিক
ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে
মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও দলীয় জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী
দলের (বিএনপি) পক্ষ থেকেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এরপর
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। নানা শ্রেণি-পেশার
মানুষ খালি পায়ে, হাতে ফুল নিয়ে এবং ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’
গানের আবহে শহীদ মিনারে আসেন। ১৯৫২ সালের এই দিনে ভাষার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের
স্মরণে তারা শ্রদ্ধা জানান।
মন্তব্য করুন


এবারের পূজা খুব ভালোভাবে হবে। কোনো ধরনের কোনো অসুবিধা হবে না। এ জন্য আপনাদেরও সহযোগিতা চাই। প্রতিবার তো পুলিশ ও আনসার সদস্য থাকে, এবারে বাড়তি র্যার, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকালে গাজীপুরে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে। শিগগিরই বাজার একটি সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে বলে মনে করেন তিনি। যদি কোনো সিন্ডিকেট থাকে, সেটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভেঙে দেবে।
কৃষিক্ষেত্রে উন্নতিতে অবদান রাখায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রশংসা করেন তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় আমাদের জনসংখ্যা ছিল সাত কোটি। এখন জনসংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু আবাদযোগ্য ভূমি কিন্তু বাড়েনি। মনে রাখতে হবে, দেশের উন্নতির জন্য সবচেয়ে বেশি ভূমিকা এই কৃষিক্ষেত্রের। কৃষির উন্নতির জন্য কাজ করছে এই ইনস্টিটিউট।’
এ সময় উপস্থিত
ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক আবদুল্লাহ ইউছুব আখন্দ, কৃষি সচিব মো. এমদাদ উল্লাহ মিয়া, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফীন, পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আযাদ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বিনিয়োগ, মৎস্য, রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা এবং যুব উন্নয়ন - বিশেষ করে
শিক্ষা ও খেলাধুলা ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে জাপানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) ঢাকায় রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যমুনায় জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) নির্বাহী সিনিয়র
ভাইস প্রেসিডেন্ট মিয়াজাকি কাতসুরার সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি ।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন,
জাপান সব সময়ই একটি বিশ্বস্ত বন্ধু। আমি সম্প্রতি আপনার দেশ সফর করেছি এবং আমি ও আমার
প্রতিনিধিদলের প্রতি যেভাবে আন্তরিকতা ও আতিথেয়তা দেখানো হয়েছে, তা আমাকে গভীরভাবে
স্পর্শ করেছে।
মিয়াজাকি জানান, এশিয়ায় বাংলাদেশ জাপানের
অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার এবং তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার
প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা মৃত্যুবরণ
করেছেন ও আহত হয়েছেন, আমরা তাদের জন্য গভীরভাবে শোকাহত।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা মাতারবাড়ি প্রকল্পের
গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এটিকে ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল’
হিসেবে অভিহিত করেন।
বাংলাদেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনার গুরুত্ব
তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি জাপানে জাইকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেছি এবং তাঁকে জানিয়েছি
আমরা একটি সমুদ্রভিত্তিক অর্থনীতিতে পরিণত হতে চাই।’
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের
তরুণদের জন্য জাপানে পড়াশোনার বৃত্তি বাড়ানো এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের
অনুরোধ জানান।
তিনি বলেন, অনেক তরুণ জাপানে কাজ করতে
যেতে চায়। সমস্যা হচ্ছে ভাষা। আমরা প্রস্তাব দিয়েছি যে, জাপানি শিক্ষকরা এখানে এসে
বা দূরশিক্ষণের মাধ্যমে ভাষা ও কর্মস্থলের আচরণ শেখাতে পারেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস রোহিঙ্গা
শরণার্থীদের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এটি একটি দুঃখজনক অবস্থা। হাজার
হাজার তরুণ ক্যাম্পে বেড়ে উঠছে কোনো আশা ছাড়াই। তারা হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে।’
মিয়াজাকি জানান, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জাইকা বাংলাদেশের
বিচারব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্য খাতে সংস্কারে সহায়তা দিচ্ছে।
তিনি আরও জানান, আইসিটি মানবসম্পদ বিষয়ক
প্রশিক্ষণ চালু করতে জাইকা বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে—যা উভয়
দেশের স্থানীয় সরকার, কোম্পানি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় পরিচালিত হবে।
যুব উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা
বাংলাদেশের নারীদের খেলাধুলায় সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমাদের মেয়েরা
সবখানে জয়লাভ করছে। গতকাল তারা আরেকটি ম্যাচ জিতে চূড়ান্ত পর্বে উঠেছে। আমরা হোস্টেল
সুবিধা বাড়াচ্ছি, তবে তাদের স্বাস্থ্য ও প্রশিক্ষণে সহায়তা দরকার।’
এর জবাবে মিয়াজাকি ইতিবাচক সাড়া দিয়ে
জানান, জাপান ইতোমধ্যে অনেক দেশে শিক্ষাক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবক পাঠাচ্ছে এবং নারীদের
খেলাধুলায় আরও সহযোগিতার কথা বিবেচনা করবে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস অর্থনৈতিক
সংস্কার, রেলপথ নির্মাণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি
মূল্যের ঋণ ও অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানান এবং আরও বেশিসংখ্যক
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বৈদেশিক উন্নয়ন সহায়তার (ওডিএ) সীমা ৩০০ বিলিয়ন ইয়েন থেকে
৪৫০ বিলিয়ন ইয়েনে বাড়ানোর অনুরোধ জানান।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন,
‘বাংলাদেশ সব সময় জাপানের বন্ধুত্ব ও অবদানের কথা মনে রাখবে।’
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ৭৯তম জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে (ইউএনজিএ) যোগদানের জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওয়ানা হবেন।
২৭ সেপ্টেম্বর তাঁর উচ্চ পর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে বক্তৃতা দেওয়ার কথা রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ৭৯তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সংক্রান্ত
মিডিয়া ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন আজ বলেছেন, ‘তাঁর বক্তৃতায় তিনি
বাংলাদেশে গত দুই মাসে গণ-অভ্যুত্থানের কথা তুলে ধরবেন এবং একটি গণমুখী, কল্যাণধর্মী
ও জনস্বার্থমূলক রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রতি তাঁর অঙ্গীকার পুনরুল্লেখ করবেন
বলে আশা করা হচ্ছে।’
তৌহিদ হোসেন আরো বলেন, প্রধান উপদেষ্টার বক্তৃতায় আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের সুদৃঢ় অবস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক সংঘাত, রোহিঙ্গা সংকট, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সমস্যা, সম্পদের অবৈধ পাচার রোধ, অভিবাসী অধিকার রক্ষার মতো বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে।
তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা মাত্র তিনদিন নিউইয়র্কে থাকবেন। ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকার
উদ্দেশে রওয়ানা হবেন। প্রধান উপদেষ্টা পূর্ববর্তী সরকার প্রধানদের মতো চার্টার ফ্লাইটে
নয়, বাণিজ্যিক ফ্লাইটে এই যাতায়াত করবেন।
তৌহিদ বলেন, নিউইয়র্কে অবস্থানকালে প্রধান উপদেষ্টা নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান ও নেপালের
প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের মহাসচিব, জাতিসংঘের
মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট এবং ইউএসএআইডি প্রশাসক অধ্যাপক
ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভের ৫০ বছর পূর্তির বছর। একথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই মাইলফলক উপলক্ষে ২৪ সেপ্টেম্বর প্রফেসর ইউনূসের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ একটি উচ্চ পর্যায়ের সংবর্ধনার আয়োজন করবে।
এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুই নেতার সময়সূচি না মেলার কারণে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে কোনো দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে না। তবে হোসেন বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ইউএনজিএ’র পাশাপাশি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের আলোচ্যসূচি সম্পর্কিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা ও নয়াদিল্লী কীভাবে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে ভাল ‘কাজের সম্পর্ক’ বজায় রাখতে পারে, তা নিয়ে তিনি আলোচনা করবেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের পাশাপাশি তিনি জোট নিরপেক্ষ
আন্দোলনের (ন্যাম) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক, কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক, ইসলামিক
কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (ওআইসি) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোর
(এলডিসি) বার্ষিক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বাংলাদেশের
প্রতিনিধিত্ব করবেন।
এবারের সাধারণ বিতর্কের প্রতিপাদ্য “কাউকে পেছনে ফেলে নয় : বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের
জন্য শান্তি, টেকসই উন্নয়ন ও মানবিক মর্যাদার জন্য একসঙ্গে কাজ করা।”
মন্তব্য করুন