

চব্বিশের
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলে দেশ গঠনের যে ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছে, তাকে ঐক্যবদ্ধভাবে
কাজে লাগানোর জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীর। তিনি বলেন, ‘দেশপ্রেমিক সকল শক্তিকে এখন এক হয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে, যাতে
এই বিজয়ের জন্য দেওয়া আত্মত্যাগ বৃথা না যায় এবং একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র
প্রতিষ্ঠা করা যায়।’
আজ
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এই আহ্বান
জানান। অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ এবং তার প্রয়াত স্ত্রীর গ্রন্থ প্রকাশনা উপলক্ষ্যে
এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা
সভায় বিএনপি মহাসচিব অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহকে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে
‘এক অসামান্য ব্যক্তিত্ব ও দূরদর্শী চিন্তাবিদ’ হিসেবে উল্লেখ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন
করেন। তিনি বলেন, ‘ড. মাহবুব উল্লাহ শুধু একজন শিক্ষাবিদ নন, তিনি ছিলেন নাগরিক অধিকার,
ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক অর্থনীতির জন্য সংগ্রাম করা এক আপসহীন যোদ্ধা।’
অধ্যাপক
ড. মাহবুব উল্লাহ এবং তার প্রয়াত স্ত্রীর গ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্যরা
মির্জা
ফখরুল বিশেষত দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ল্যান্ডস্কেপে ড. মাহবুব উল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ
অবদানের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিএনপির ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা’
রূপরেখা প্রণয়নের পেছনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষকের চিন্তাভাবনা এবং তাত্ত্বিক
অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার প্রকাশিত গ্রন্থাবলীতেও জাতির জন্য তার আদর্শ
ও স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।’অনুষ্ঠানে বক্তৃতার শেষ দিকে মির্জা
ফখরুল ইসলাম আলমগীর অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। একইসঙ্গে
তার ছোট মেয়ের জন্মদিনেও শুভকামনা জানান। এ ছাড়াও, আজ উপমহাদেশের নারী জাগরণের অগ্রদূত
বেগম রোকেয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি। অনুষ্ঠানে তত্ত্বাবধায়ক
সরকারের সাবেক উপদেষ্টা জিল্লুর রহমান, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল
কবির খানসহ দেশের বহু বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩৭ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে লড়বেন বিএনপি মহাসচিব।
আজ সোমবার (০৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব “মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর” এই তালিকা ঘোষণা করেন।
প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে দুপুর সাড়ে ১২টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে লন্ডন থেকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভায় সভাপতিত্ব করেন। টানা সাড়ে তিন ঘণ্টা বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে আসেন বিএনপি মহাসচিব। ঘোষিত তালিকায় দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১ আসনে প্রার্থী হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনে।
স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে আছেন- কুমিল্লা-১ আসনে খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ঢাকা-৮ আসনে মির্জা আব্বাস, ঢাকা-৩ আসনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নরসিংদী-২ আসনে আবদুল মঈন খান, চট্টগ্রাম-১০ আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কক্সবাজার-১ আসনে সালাহ উদ্দিন আহমদ, সিরাজগঞ্জ-২ আসনে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভোলা-৩ আসনে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও দিনাজপুর-৬ আসনে এজেডএম জাহিদ হোসেন।
ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে পটুয়াখালী-১ আসনে আলতাফ হোসেন চৌধুরী, নোয়াখালী-৩ আসনে বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৪ আসনে মোহাম্মদ শাহজাহান, ফেনী-৩ আসনে আবদুল আউয়াল মিন্টু, মাগুরা-২ আসনে নিতাই রায় চৌধুরী, কুমিল্লা-৩ আসনে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, টাঙ্গাইল-৮ আসনে আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যদের মধ্যে কুমিল্লা-৬ আসনে মনিরুর হক চৌধুরী, ঢাকা-২ আসনে আমান উল্লাহ আমান, নোয়াখালী-১ আসনে মাহবুব উদ্দিন খোকন, নোয়াখালী-৪ আসনে জয়নুল আবদিন ফারুক, বরিশাল-১ আসনে জহির উদ্দিন স্বপন, বরিশাল-৫ আসনে মজিবুর রহমান সারোয়ার, নেত্রকোনা-৪ আসনে লুৎফুজ্জামান বাবর, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে তাজভীর উল ইসলাম, পাবনা-৪ আসনে হাবিবুর রহমান হাবিব, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৪ আসনে মুশফিকুর রহমান, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খান রিতা, মানিকগঞ্জ-২ আসনে মঈনুল ইসলাম খান, সিলেট-১ আসনে খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, সিলেট-২ আসনে তাহমিনা রশদীর লুনা, লক্ষ্মীপুর-২ আসনে আবুল খায়ের ভুঁইয়া, সিলেট-৬ আসনে এনামুল হক চৌধুরী, টাঙ্গাইল-২ আসনে আবদুস সালাম পিন্টু, ফেনী-২ আসনে জয়নাল আবেদীন ভিপি জয়নাল, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে ফজলুর রহমান, মৌলভীবাজার-৩ আসনে নাসের রহমান রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে দুটি পৃথক স্ট্যাটাসে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন এবং তার জীবনের সংগ্রামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
একটি পোস্টে কনকচাঁপা উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়াকে “দেশজুড়ে কোটি কোটি সন্তান” মনে করেন। সোমবার আরও একটি সংক্ষিপ্ত স্ট্যাটাসে তিনি জানিয়েছেন, “ফি আমানিল্লাহ! খালেদা জিয়াকে আইসিইউতে ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছে। আল্লাহর রহমতের জন্য দোয়া করুন।” এই পোস্টের পরে অনেকেই খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া জানিয়েছেন।
এর আগে কনকচাঁপা দীর্ঘ একটি পোস্টে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, ব্যক্তিগত সংগ্রাম এবং কারাবাসের সময়ের কঠিন অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেছিলেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, ছোট বয়সে পরিবার হারানো, রাজনীতির চূড়ান্ত সময়ের গ্রেফতার, মিথ্যা মামলায় কারাগার, স্লো পয়জনিংয়ের ভয় এবং মৃত্যুভয়—সব পরিস্থিতিতেই খালেদা জিয়া ছিলেন অবিচল ও সাহসী।
কনকচাঁপা আরও বলেন, “অসুস্থ সন্তানের কাছে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকলেও দেশের মানুষকে ভেবে তিনি তা ত্যাগ করেছেন। গুরুতর অসুস্থতা সত্ত্বেও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার প্রস্তাবও গ্রহণ করেননি। তিনি শুধু তার সন্তানের মা নন, সারা দেশে কোটি কোটি মানুষের প্রিয় সন্তান।”
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির
দাফন সম্পন্ন হয়েছে। হাদির জানাজার নামাজ পড়িয়েছেন তার বড় ভাই
আবু বকর সিদ্দিক।
আজ শনিবার
সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল
ইসলামের কবরের পাশে তাকে সমাহিত
করা হয়।
এর আগে দুপুর আড়াইটার
দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ
প্লাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে
শহীদ ওসমান হাদির নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার বড়
ভাই আবু বকর সিদ্দিকের
ইমামতিতে এ জানাজা আদায়
করা হয়। জানাজা শেষে
তাকে দাফনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
কেন্দ্রীয় কবরস্থানের দিকে নিয়ে যাওয়া
হয়।
শহীদ
ওসমান হাদির নামাজে জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস,
উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, তিন বাহিনীর প্রধানসহ
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ
নেন।
জানাজার
আগে প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেন,
ওসমান হাদি নির্বাচনে অংশ
নিতে চেয়েছিলেন এবং নির্বাচন কীভাবে
করা উচিত, তার একটি প্রক্রিয়াও
তিনি দেখিয়ে গেছেন।
তিনি
বলেন, হাদি যে নির্বাচনী
প্রক্রিয়ার শিক্ষা দিয়ে গেছেন, সেটি
আমাদের সবাইকে গ্রহণ করতে হবে। কীভাবে
প্রচারণা চালাতে হয়, কীভাবে মানুষের
কাছে যেতে হয়- সবকিছুরই
শিক্ষা তিনি দিয়ে গেছেন।
আমরা সেই শিক্ষা গ্রহণ
করেছি।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, হাদি কোথাও হারিয়ে
যাবে না। কোনোদিন তোমাকে
কেউ ভুলতে পারবে না। তোমাকে আমাদের
সবার পক্ষ থেকে আল্লাহর
কাছে আমানত রাখলাম। আমরা সবসময় তোমার
কথা রেখে জাতির অগ্রগতির
পথে চলতে থাকব।
ড. ইউনূস বলেন, আজ লাখ লাখ
মানুষ হাজির হয়েছেন। রাজপথে ঢেউয়ের মতো লোক আসছে।
এই মুহূর্তে কোটি কেটি মানুষের
চোখ এখানে। তারা তাকিয়ে রয়েছে
হাদির বিষয়ে জানার জন্য। প্রিয় ওসমান হাদি তোমাকে আমরা
বিদায় দিতে আসিনি। তুমি
আমাদের বুকের ভেতরে আছ। বাংলাদেশ যতদিন
আছে, ততদিন তুমি সব বাংলাদেশির
বুকে থাকবে। এটা কেউ সরাতে
পারবে না।
হাদির
কাছে ওয়াদা করে এসেছেন জানিয়ে
ড. ইউনূস বলেন, তুমি যা বলে
গেছ, সেটা যেন আমরা
পূরণ করতে পারি। সে
ওয়াদা করার জন্য আমরা
একত্রিত হয়েছি। সেই ওয়াদা শুধু
আমরা নয়, পুরুষানুক্রমে দেশের
সব মানুষ পূরণ করবে। তোমার
যে মানব প্রেম তোমার
যে ভঙ্গি, তোমার যে ওঠাবসা এবং
রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, তা নিয়ে সবাই
প্রশংসা করছে। সেটা যেন আমাদের
মনে সবসময় জাগ্রত থাকে।
মন্তব্য করুন


বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন বলেছেন, পদ্মা সেতুর নির্মাণে ব্যাপক অর্থ ব্যয় করার কারণে চালের বাজারে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, যদি এ অর্থ সেচ খাতে বিনিয়োগ করা হতো, তাহলে চালের দাম কমপক্ষে ৫ টাকা কমতে পারত। কিন্তু আজ পদ্মা সেতুর ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে চালের দাম ২০ টাকা বেড়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণভোট সম্পর্কিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।
শেখ বশির উদ্দীন আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের উদ্বৃত্ত তৈরি করতে ব্যর্থ হলে তা টিউমারের মতো সমস্যার সৃষ্টি করে, যা কোনো সরকার দীর্ঘমেয়াদে বহন করতে পারবে না। তিনি বলেন, যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক, নাগরিকদের দাবির সময় জানতে হবে—রাষ্ট্রের ব্যয়ের উদ্বৃত্ত আছে কি না। তা না হলে সাধারণ মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বাণিজ্য উপদেষ্টা অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা সরকার অহেতুক বড় প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। অধিকাংশ স্থলবন্দরের কোনো বাস্তব প্রয়োজন ছিল না, এবং সেগুলোর কার্যকারিতা সীমিত। তিনি বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে, যার প্রায় ৯০ শতাংশ ইতোমধ্যে ব্যবহার হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, সরকার প্রকল্প গ্রহণের মূল লক্ষ্য ছিল ব্যয়ের বৃদ্ধি, আয়ের প্রবৃদ্ধি নয়। এ কারণে বড় প্রকল্পের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ব্যয় বেড়ে গেছে। অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের লক্ষ্য হবে আয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনরায় ফিরে আসবে, যা নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ সুগম করবে। তিনি আরও বলেন, আগের তিন নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও এমপিরা পদে থেকেও নির্বাচন করেছেন। ভোটাররা ভোটে যাইনি বা যায়নি, তা সরকারের জন্য কোনো প্রভাব ফেলেনি। তাই তারা মূলত নামধারী নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় রয়ে গেছে। এমন অব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি রোধে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দেশের কিছু জায়গায় বৃষ্টিপাত হতে পারে। এছাড়া কমে যেতে পারে চলমান শৈত্যপ্রবাহও।
সোমবার (২৯ জানুয়ারি) আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত আছে।
মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
এছাড়া মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ফেণী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, বরিশাল এবং ভোলা জেলাসহ ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গায় প্রশমিত হতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত ফরিদপুর অঞ্চলসহ খুলনা বিভাগের দুই-এক জায়গায় বৃষ্টি/গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত খুলনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনকে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আয়োজনে রাজধানীর কাকরাইলে এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশে বিলুপ্ত গণতান্ত্রিক পরিবেশ থেকে গত ৭ নভেম্বরই মুক্তির সূচনা হয়েছিল।
সালাহউদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো গণতন্ত্রের পুনর্বাসন চায় না। তারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্র রক্ষার জন্য কোনো কাজ করেনি।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি সবসময় মিথ্যার রাজনীতি। জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে আমরা এতদিন প্রশ্ন তুলিনি। ভারতে বসে আওয়ামী লীগের ১৩ নভেম্বরের লকডাউন কর্মসূচি দেয়া পাগলের প্রলাপ, শক্তি থাকলে তাদের ভারতে পালাতে হতো না।
তিনি আরও বলেন, ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ শেষ করে আমেরিকায় গিয়ে অবস্থান নিয়েছেন সহ-সভাপতি। গণভোটের মধ্যদিয়ে সংবিধান পরিবর্তন হয়ে যাবে না, তবে মানুষের চাওয়া রক্ষায় সায় দিয়েছে বিএনপি। ঘি দিয়ে তৈলাক্ত বক্তব্য সমীচীন নয় রাজনৈতিক দলের নেতাদের।
বিএনপির এই নেতা বলেন, আপনারা খেতে না পারলে, বারা ভাতে ছাই দেবেন তা মেনে নেবে না জনগণ। জামায়াতের আনুকূল্যে রায় দিয়েছে কমিশন, অথচ রেফারি হয়ে হাতে গোল দেয়ার চেষ্টা করছে তারা। সরকারের সীমারেখা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন পর্যন্ত। তাদের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় প্রস্তুত বিএনপি, তবে কোনো রাজনৈতিক দলকে রেফারির দায়িত্ব দেয়া যাবে না।
মন্তব্য করুন


জুলাই শহীদ পরিবারদের এককালীন টাকার
পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির কথা বলা হয়েছে। তবে চাকরিতে এটা কোনো নতুন কোটা হিসেবে
যুক্ত হবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
এ বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম তার ফেরিভাইড ফেইসবুক পোস্টে লিখেছেন,
জুলাই শহীদ পরিবারদের এককালীন টাকার পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির কথা বলা হয়েছে। চাকরিতে
এটা কোনো নতুন কোটা হিসেবে যুক্ত হবে না। পরিবারের কর্মক্ষম কোনো একজন ব্যক্তিকে একবারের
জন্যই যোগ্যতার বিচারে সরকারি-আধা সরকারি অথবা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার
কথা বলা হয়েছে। কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটা বিবেচ্য হবে না। আহতদের ক্ষেত্রে
যারা সারাজীবনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (অন্ধ কিংবা অঙ্গহানী) এবং আর কখনো কর্মক্ষম
হতে পারবে না তাঁদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরকম আহতদের একটা বড় অংশই
তরুণ এবং বাকি জীবন তাঁদেরকে আন্দোলনের ক্ষত বয়েই বেড়াতে হবে, অনেককে দীর্ঘকাল চিকিৎসার
মধ্য দিয়ে যেতে হবে। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও গুরুতর আহতদের পুনর্বাসন এবং
এই পরিবারগুলোর ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তা দেওয়াটা আমাদের অঙ্গীকার ছিলো এবং রাষ্ট্রের দায়িত্বও
বটে। কয়েক হাজার পরিবার অচল হয়ে গিয়েছে এই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের ফলে। তাঁদের এই ক্ষতি
আমরা কোনোকিছু দিয়েই পূরণ করতে পারবো না। আর এই পরিবারগুলো যে কোনো সুযোগ সুবিধার চেয়ে
কেবল সকলের থেকে সম্মান ও মর্যাদা চায়।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের অর্থ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন,
আপনারা সকলে সহযোগিতা করলে সুষ্ঠু ভোট হবে। আমরা চাই ভোটের মাধ্যমে ভালো ও ত্যাগী লোক আসুক। জনদরদি মানুষ
আসুক।
তিনি
আরও বলেন, জুডিশিয়ারি স্বাধীনতা, দ্রুত বিচার বাস্তবায়ন, আইন-শৃঙ্খলার জন্য যেকোনো
সরকারকে সংস্কার করতে হবে। আমরা কিছু সংস্কার করেছি। আর সেগুলো বাস্তবায়নের জন্যই গণভোটে
হ্যাঁ এর পক্ষে ভোট দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
সোমবার
( ১৯ জানুয়ারি ) দুপুরে চাঁদপুরে হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গণভোটের প্রচার
ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের কর্মসূচি ও ভোটের গাড়ির প্রচারণার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের
প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ভোট
নিয়ে শঙ্কা আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভোট কেন হবে না, এখনতো আর রাজনৈতিক
চাপ নেই। টাকা দিয়ে কোনো বিশেষ দলতো আসতে পারবে না।
অর্থ
উপদেষ্টা আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থাকে আইসিইউ
থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ভঙ্গুর অবস্থায়
নেই। রিজার্ভ ১৮ বিলিয়ন থেকে ৩২ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। প্রচুর দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের
কারণে অর্থনৈতিক অবস্থা খাদের কিনারায় পড়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে আমরা উত্তোলনের চেষ্টা
করেছি। দেশের অর্থনীতিকে খাদের কিনার থেকে মাত্র দেড় বছরে তুলে এনেছে বর্তমান সরকার।
ভোটের
গাড়ির প্রচারণার উদ্বোধন শেষে উপদেষ্টাসহ সরকারি কর্মকর্তারা মাঠে থাকা গণভোটের স্টলগুলো
পরিদর্শন করেন এবং উপস্থিত ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন।
এর
আগে চাঁদপুরের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর এবং শ্রেণি পেশার লোকজনের অংশগ্রহণে সকাল ১০টায়
সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের
উদ্দেশ্যে মতবিনিময় সভায় অর্থ উপদেষ্টা প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
সভায়
সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. নাজমুল ইসলাম সরকার। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
(ইউএনও) এস .এম. এন জামিউল হিকমার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জাতীয় রাজস্ব
বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান ও চাঁদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রবিউল
হাসান।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তৃতীয় দিনের মতো সোমবার(২০ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি চলছে। আজ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ৩৩৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। এতে দলের আয় হয়েছে প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকা।
এই সময়ের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫৫টি, চট্টগ্রামে ৮২টি, ময়মনসিংহে ২৯টি, সিলেটে ১৫টি, খুলনায় ৪৫টি, বরিশালে ৪০টি, রাজশাহীতে ২৯টি এবং রংপুর বিভাগে ৪০টি ফরম বিক্রি হয়।
এছাড়া বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে মোট ৫৮টি ফরম বিক্রি হয়েছে। অনলাইনে বিক্রি হয় মোট ২৯ লাখ টাকার ফরম।
আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরমের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। ফরম বিক্রি শেষ হওয়ার পর দলের মনোনয়ন বোর্ড যাচাই-বাছাই শেষে ৩০০ আসনে নৌকার প্রার্থী চূড়ান্ত করবে আওয়ামী লীগ।
গত শনিবার (১৮ নভেম্বর) সকালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়। মনোনয়নপত্র বিক্রির কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
প্রথমদিনেই আওয়ামী লীগ মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে এক হাজার ৭৪টি । এতে পাঁচ কোটি ৩৭ লাখ টাকা আয় হয় ।
মনোনয়ন ফরম বিক্রি এবং জমা নেওয়ার কার্যক্রম চলবে ২১ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে অবস্থানরত ডেনমার্ক, নরওয়ে ও সুইডেন এর রাষ্ট্রদূতগণের সাথে জাতীয় নাগরিক পার্টি - এনসিপি নেতৃবৃন্দের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে নরওয়েজিয়ান রাষ্ট্রদূত হ্যাকন অ্যারাল্ড গুলব্রান্ডসেন এর বাসভবনে প্রাতরাশের আমন্ত্রণে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইক্স, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার সহ সকলে মিলিত হন।
এনসিপি’র প্রতিনিধি দলে ছিলেন যুগ্ম আহবায়ক ও আন্তর্জাতিক সেল প্রধান সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া, যুগ্ম সদস্য সচিব ও আন্তর্জাতিক সেল উপ-প্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ এবং যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও ইউরোপ ডেস্কের দায়িত্বে থাকা নাভিদ নওরোজ শাহ্।
আলোচনায় উঠে আসে সমসাময়িক রাজনীতির নানান আলাপ। রাষ্ট্রদূতগণ সংস্কার ও জুলাই সনদ নিয়ে ঐকমত্যের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান। সেই সাথে আগামী নির্বাচন ঘিরে এনসিপি’র প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে কথা হয়। উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্তব্য করুন