

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, আজ কথায় কথায় সংবিধানের দোহাই দেয়া হয়। অথচ সংবিধানে ২০২৬ সালের নির্বাচন উল্লেখ ছিল না, একটি দল সরকার গঠন করবে আবার একটি দল প্রধান বিরোধী দল হবে সেটিও সংবিধানে ছিল না। সেটা সম্ভব হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কারণে। মনে রাখতে সংবিধানের জন্য জনগণ না বরং জনগণের জন্যই সংবিধান। গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা পূরণে জুলাই সনদের বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, আমাদের দেশে অনেক সম্পদ রয়েছে। শুধুমাত্র চরিত্রের সম্পদের কারণে আমরা কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ পাচ্ছি না। অথচ আমাদের দেশের সন্তানেরা পুরো বিশ্বে মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। আমরা মেধাবীদের জাতির নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।
তিনি রোববার (২২ মার্চ) বিকেলে নগরীর দক্ষিণ সুরমায় একটি কমিউনিটি সেন্টারে সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আমার বন্ধুপ্রতিম রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ বলতেন নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। কিন্তু নির্বাচন হল, রাজনৈতিক দলও সরকারে গেলেও কাঙ্ক্ষিত স্থিতিশীলতার দেখা মিলেনি। সমাজ থেকে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও প্রতিহিংসা দূর হয়নি। নির্বাচিত সরকারের আমলে মব সৃষ্টি করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে বিদায় হতে হয়েছে। প্রথমবারের মতো দলীয় বিবেচনায় গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে গভর্ণরের পদে বসানো হয়েছে। দেড় বছর কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি-প্রো-ভিসিদেরকে বিদায় করতে বাধ্য করে সেই পদে সম্পূর্ণ দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেয়া হয়েছে যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি। ঈদ যাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও চরম অব্যবস্থাপনা দেখে জাতি হতাশ হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারি দলকে মনে রাখতে হবে দীর্ঘ ১৫ বছর আমাদের সাথে আপনারাও মজলুম ছিলেন। সংস্কার প্রস্তাবকে এড়িয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্র থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবো। জনগণের প্রত্যাশা পূরণকে আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিবো। নির্বাচনী ফলাফলকে আমরা মেনে নিয়েছি এর অর্থ এই নয় যে, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। ইতোমধ্যে নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিষয়টি জাতির সামনে তুলে ধরা হয়েছে।
জামায়াত আমীর বলেন, অনেকেই ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের দোহাই দিয়ে উধোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাতে চান। অথচ ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের কারণে আমাদের দলকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিবন্ধন ও প্রতীক কেড়ে নেয়া হয়েছে। একের পর এক শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা কোন শক্তির সাথে আপোস করিনি। মাথা উঁচু করে রাজনীতি করেছি। আমাদের এই পথ চলা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের রাজনীতি এই দেশে আর চলবে না। কারণ জনগণ পরিবর্তন চায় বলেই গণভোটে রায় দিয়েছে। সেই রায় বাস্তবায়ন করতেই হবে। আমাদেরকে হতাশ হওয়া চলবে না। কারণ মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের পথচলা থামবে না। এবার হয়নি আল্লাহ চাইলে পরবর্তীতে জনতার বিজয় হবে। সেই লক্ষ্যে আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন- সিলেট অঞ্চল টিম সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, মহানগর নায়েবে আমীর হাফিজ মিফতাহুদ্দীন আহমদ ও ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, জেলা সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন, মহানগর সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট মোঃ আব্দূর রব, জাহেদূর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিন এবং সিলেট মহানগর ছাত্রশিবির সভাপতি শহীদুল ইসলাম সাজু।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রীর
বিদেশ সফর ও স্বদেশে প্রত্যাবর্তনকালে বিমানবন্দরে অনুসরণীয় রাষ্ট্রাচারে পরিবর্তন
আনা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর
বিদেশযাত্রা এবং দেশে ফেরার সময় অনুসরণীয় রাষ্ট্রাচার নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে
আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠি
অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ যাত্রা এবং দেশে ফেরার সময় মাত্র চারজন কর্মকর্তাকে
বিমানবন্দরে থাকতে হবে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপস্থিত থাকবেন মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠতম
একজন মন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর
মুখ্য সচিব।
এ
পরিবর্তনের মাধ্যমে পূর্ববর্তী বিস্তৃত প্রটোকল ব্যবস্থা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা
মনে করছেন।
এর
আগে, ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার বিদেশযাত্রা ও ফেরার সময় বিমানবন্দরে রাষ্ট্রাচার
নিয়ে নির্দেশনা জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। এখন ওই নির্দেশনা বাতিল করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়ার আগে নিজ বাসার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে
যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো.
সাজ্জাত আলী।
আজ শনিবার (৮ মার্চ) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ
সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
পুলিশের জনবলের স্বল্পতা থাকার তথ্য জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এক
সপ্তাহ পর ঢাকাবাসীর অনেকে নিকটাত্মীয়র সঙ্গে ঈদ করতে গ্রামে যাবেন। আপনারা যখন
বাড়ি যাবেন, তখন নিজ দায়িত্বে ফ্ল্যাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত
করে যাবেন। আজ শনিবার ৭ রমজান। তারাবিহ সাতটি হয়ে গেছে। ঢাকাবাসী তারাবিহর নামাজ
পড়তে যান। দেড় থেকে দুই ঘণ্টা তারাবিহতে সময় লাগে। সে সময়টায় রাস্তাঘাটে জনশূন্যতা
দেখা যায়। এ সময় বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দোকান সযত্নে রেখে আসবেন। নগরীর যে ক্রাইম, সেটি
হচ্ছে স্ট্রিট ক্রাইম। মুঠোফোন টান দেওয়ার মতো সহজ কোনো ক্রাইম করা যায় কি না,
জানি না। পকেট থেকে মানিব্যাগ টান দেওয়া কিন্তু ঝুঁকি। এমনও মুঠোফোন আছে, যার দাম
লাখ টাকা। আমরা খবর পাচ্ছি, মুঠোফোনগুলো বর্ডারে নিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘উঠতি বয়সের ছেলেরা, আমরা যাদের কিশোর গ্যাং বলি, তারা
বাসের যাত্রী, প্রাইভেট কারের যাত্রী, মোটরবাইকের চালকদের মুঠোফোন কেড়ে নেয়। এ
ধরনের অপরাধকে বলা হয় স্ট্রিট ক্রাইম। ঢাকা শহর পৃথিবীর অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ শহর।
এই শহরে নানা সমস্যা আছে। ইদানীং ঢাকা মহানগরীতে বড় ধরনের অপরাধ খুন, ডাকাতির মতো
অপরাধের সংখ্যা খুবই কম। বিগত বছরের পরিসংখ্যান দেখলে অথবা অন্য দেশের বড় বড় শহরের
অপরাধের চিত্রের সঙ্গে তুলনামূলক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, ঢাকা শহরের
অপরাধের চিত্র কম।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সফরে থাকা ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
রোববার (২৩ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর একটি সিটি হোটেলে তাদের মধ্যে এ সৌহার্দ্যপূর্ণ দেখা–সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সকালে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেয়।
এর আগে শনিবার সকালে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় আসেন শেরিং তোবগে। ড্রুক এয়ারের একটি ফ্লাইট সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাকে অভ্যর্থনা জানান।
সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে তিনি ঢাকা ত্যাগ করে থিম্পুর উদ্দেশে রওনা হবেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা বহুল আলোচিত দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং ভাগনি যুক্তরাজ্যের এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ মোট ১৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে ৫ বছর, শেখ রেহানাকে ৭ বছর এবং টিউলিপ সিদ্দিককে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় শোনার আগেই আদালত এলাকা ঘিরে বাড়ানো হয় নিরাপত্তা। আদালতের গেট, বারান্দা ও প্রবেশপথজুড়ে পুলিশ, ডিবি ও বিজিবির অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়। সন্দেহজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেও দেখা যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।
দুদকের পক্ষ থেকে মামলার সমন্বয়কারী পাবলিক প্রসিকিউটর মঈনুল হাসান রায়ের আগে সাংবাদিকদের বলেন, “সাক্ষ্য-প্রমাণে আমরা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের, তবে রাষ্ট্রপক্ষ সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা করেছে।”
মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের একটি ১০ কাঠার প্লট অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি মামলাটি দায়ের করেন দুদকের উপপরিচালক সালাহউদ্দিন। তখন শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও টিউলিপ সিদ্দিকসহ মোট ১৫ জনকে আসামি করা হলেও পরে তদন্তের মাধ্যমে আরও দু’জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে আসামির সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭ জনে।
অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ আনিছুর রহমান মিঞা, রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, সাবেক পরিচালক নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপপরিচালক নায়েব আলী শরীফ এবং তদন্তের পর যুক্ত হওয়া দু’জন—সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
গত ৩১ জুলাই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে মোট ৩২ জন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অবশেষে আজ এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম বলেছেন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে দেশের ইতিহাসে
সবচাইতে ভালো নির্বাচন। গণঅভ্যুত্থানের মুল উদ্দেশ্য হচ্ছে- বাংলাদেশে যাতে গণতন্ত্র
ফিরে আসে। এজন্য একটি ফ্রি এন্ড ফেয়ার নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সবধরনের
পদক্ষেপ নিয়েছে।
আজ শনিবার (২৮ জুন) বিকেলে খুলনা জেলা
প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে খুলনার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শফিকুল আলম এসব কথা
বলেন।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, খুলনার
দিকে বর্তমান সরকারের যথেষ্ট দৃষ্টি রয়েছে। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে এর ফলাফল দেখা যাচ্ছে
না। তবে, আগামীতে ভালো ফলাফল দেখা যাবে। বিগত আওয়ামী সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে
গেছে। যে কারণে খুলনার জুট ও চিংড়ি সেক্টরে প্রত্যাশিত গ্রোথ হয়নি। বরং জুট মিলগুলো
যেভাবে বন্ধ করেছে তা নিয়েও অনেক প্রশ্ন রয়েছে। তবে, খুলনায় একাধিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। বর্তমান সরকার খুলনার একটিসহ দেশের তিনটি জুট মিলের
স্কুল সরকারি করেছে। দেশের প্রত্যেকটা জুট মিলের স্কুল সরকারি করা হবে বলেও তিনি জানান।
মোংলা বন্দর কেন্দ্রিক একটি ইকোনমিক
জোন গড়ে তোলার জন্য কাজ চলছে উল্লেখ করে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, এজন্য প্রাইভেট
সেক্টরকে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যেই প্রধান উপদেষ্টা চীন সফরকালে এ
বিষয়ে তাদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
আগামী দশক খুলনার জন্য গ্রোথের দশক
হবে উল্লেখ করে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, খুলনা আবার ঘুরে দাঁড়াবে, পুরনো গৌরব ফিরে
পাবে।
খুলনা অঞ্চলের উপকূলের বেড়িবাঁধ রক্ষা
এবং ভবদহ নিয়েও সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, সাতক্ষীরার
শ্যামনগর ও গাবুরায় স্থাপনকৃত সুপেয় পানির প্রজেক্ট বাড়িয়ে সকল উপকূলীয় এলাকায় চালুর
উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া ক্ষতিগ্রস্তদের
জন্যও একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
খুলনা অঞ্চলে পাইপ লাইনে গ্যাস সরবরাহ
না থাকা সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, গ্যাস ছাড়াও অনেক
কারখানা পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে খুলনায় জুতা এবং ব্যাটারি সেক্টর অনেক সম্ভাবনা
তৈরি করেছে। সুতরাং গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে দক্ষ শ্রমিক দিয়ে কিভাবে কর্মসংস্থান
বৃদ্ধি করা যায় সরকার সেদিকে জোর দিচ্ছে।
দ্রুততম সময়ের মধ্যে সার্চ কমিটির মাধ্যমে
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ভিসি নিয়োগ দিয়ে সমস্যার সমাধানের
উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
খুলনাসহ দেশের সার্বিক আইনশৃংখলা পরিস্থিতির
উন্নতির কথা উল্লেখ করে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, যারা ক্রাইম করবে তাদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো
টলারেন্স রয়েছে।
শফিকুল আলম সরকারের মৌলিক সংস্কারের
প্রসংগ উল্লেখ করে বলেন, প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে সংস্কারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ফিরে এসেছে।
একই সঙ্গে সুশাসনও প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ।
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়ায়
বাংলাদেশি কর্মীদের সুসংবাদ দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
গত মঙ্গলবার
(১৫ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই
সুখবর দেন।
নিজের ভেরিফায়েড
ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে আসিফ নজরুল লিখেছেন, মালয়েশিয়া ১৫টি দেশ থেকে কর্মী নিয়ে
থাকে। এর মধ্যে শুধুমাত্র বাংলাদেশি কর্মীদের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার পরিবর্তে সিঙ্গেল
এন্ট্রি ভিসা দেওয়া হচ্ছিল। এটি নিয়ে প্রবাসীদের অনেক ভোগান্তি হতো। গত মাসে আমি ও
লুৎফে সিদ্দিকী একটি প্রতিনিধি দলসহ মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে মিটিং করি।
উনাকে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরার পর তিনি দ্রুত এ সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।
এরপর থেকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও মালেয়শিয়ায় বাংলাদেশের দূতাবাসের কর্মকর্তারা
সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছিলেন। অবশেষে সুসংবাদটি নিশ্চিত করা হলো।
তিনি আরও লিখেছেন,
গত ১০ জুলাই মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালকের পক্ষে একটি পত্রে স্বাক্ষরে মালয়েশিয়ায়
প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের বিদ্যমান সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসাকে বর্ধিত করে মাল্টিপল এন্ট্রি
ভিসা সুবিধায় উন্নীত করে পত্র জারি করেছে। যেসব বাংলাদেশি কর্মীদের এটি জারির আগে সিঙ্গেল
এন্ট্রি ভিসা এবং টেম্পোরারি এমপ্লয়মেন্ট ভিজিট পাস ইস্যু করা হয়েছে, তাদের নতুন করে
মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা আবেদন করতে হবে না। পিএলকেএস নবায়নের সময় এমইভি নিজ থেকেই ইস্যু
করা হবে।
এ ছাড়া, মালয়েশিয়ার
সকল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোতে এই পত্রের মাধ্যমে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে
যে, যে সকল বাংলাদেশি কর্মীদের এসইভি ছিল এবং পিএলকেএস বৈধ আছে, তারা নতুন এমইভি ছাড়াই
মালয়েশিয়া আসা যাওয়া করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাষ্ট্রপতির সহধর্মিনী ড. রেবেকা সুলতানা।
মঙ্গলবার (০৪ জুন) এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় বঙ্গভবনে।
পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদিন ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, সাক্ষাৎকালে বিমান বাহিনী প্রধান দায়িত্ব পালনকালে সহযোগিতা প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।এ সময় তিনি বিমানবাহিনীর সার্বিক কার্যক্রম বিশেষ করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সফল ভাবে দায়িত্ব পালন করায় বিদায়ী বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নানকে ধন্যবাদ জানান। রাষ্ট্রপতি বিমান বাহিনীর উন্নয়নে তার ভূমিকার প্রশংসা করেন।
বিমান বাহিনীর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে এবং সরকার এ ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম খান এবং সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরী।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ
হাইকমিশনার সারাহ কুক।
আজ
বুধবার (৪ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গিয়ে তিনি সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে
হাইকমিশনার কুক সম্মানজনক কিং চার্লস হারমনি পুরস্কার প্রাপ্তির জন্য অধ্যাপক ড. ইউনূসকে
অভিনন্দন জানান।
পুরস্কারের
কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এটি একটি মহান সম্মানের বিষয়।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস ৯ জুন ঢাকা ত্যাগ করবেন এবং ১৩ জুন ফিরে আসবেন। সফরকালে প্রধান উপদেষ্টা ঊর্ধ্বতন
ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধান
উপদেষ্টা ও ব্রিটিশ হাইকমিশনারের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট
বিভিন্ন বিষয়, যেমন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, বিমান চলাচল সংক্রান্ত সহযোগিতা, অভিবাসন এবং
অন্তর্বর্তী সরকারের সম্পদ পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হয়।
এছাড়াও
অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত সংস্কারমূলক উদ্যোগ ও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি
নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস হাইকমিশনারকে জানান, জাতীয় ঐকমত্য গঠনে গঠিত কমিশন এবং
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা এ সপ্তাহে শুরু হয়েছে এবং শিগগির তা শেষ
হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস বাংলাদেশের সামুদ্রিক গবেষণা কার্যক্রম আরও উন্নত করতে যুক্তরাজ্যের কারিগরি
সহায়তা এবং ব্রিটিশ গবেষকদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সাক্ষাতে
উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, এসডিজি সমন্বয়কারী লামিয়া
মোরশেদ এবং ব্রিটিশ উপহাইকমিশনার জেমস গোল্ডম্যান।
মন্তব্য করুন


যুব ক্রীড়া এবং কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের দেশের বিভিন্ন সেক্টরে ইভিল প্র্যাকটিস হয়ে আসছিল। যার মধ্যে অন্যতম ছিল বাজার খাত। যে কারণে প্রতিবছরই কোনো না কোনো পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এ বছরে ডিমের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে গেছে। এর পেছনে মূলত দায়ী চাঁদাবাজি এবং সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম। আমরা সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ভাঙার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) টিসিবি কার্যালয়ের সামনে ফসল ডট কম কর্তৃক আয়োজিত ন্যায্যমূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, সাসটেইনেবল দামে পণ্য বিক্রি করায় ফসল ডটকমকে স্বাগত জানাচ্ছি। আমরা অন্যদেরও আহ্বান জানাব, তারা যেন এ ধরনের উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসে। প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে লোনের ব্যবস্থাও করা হবে। যারা সিন্ডিকেট করে তারা ব্যবসা নিয়ে সারাক্ষণ চিন্তায় থাকে। এমনটা যাতে না হয়, সে জন্য আমরা উদ্যোক্তারদের পাশে থাকব।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম উদ্দিন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের
সচিব এ এইচ এম
শফিকুজ্জামান, জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


ভারতে
বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও কনস্যুলার কার্যালয়ে সাম্প্রতিক নিরাপত্তা ঘটনার বিষয়ে গভীর
উদ্বেগ জানাতে আজ ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়
জানায়, গত ২০ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও হাইকমিশনারের বাসভবনের বাইরে
ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং ২২ ডিসেম্বর শিলিগুড়িতে বাংলাদেশ ভিসা সেন্টারে উগ্রবাদীদের
ভাঙচুরের বিষয়টি আলোচনায় তোলা হয়।
এক
বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘ভারতে বাংলাদেশের বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনের সামনে
সহিংস বিক্ষোভের ঘটনায় বাংলাদেশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।’
বিবৃতিতে
আরও বলা হয়, দূতাবাসে পূর্বপরিকল্পিত সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ
দৃঢ়ভাবে নিন্দা জানায়। এসব ঘটনা কেবল কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে
না, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, শান্তি ও সহনশীলতার নীতিকেও ক্ষুণ্ন করে।
বাংলাদেশ
সরকার ভারতকে এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের
ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভারতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন
ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
বাংলাদেশ
আশা প্রকাশ করেছে, ভারত সরকার আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী অবিলম্বে
যথাযথ পদক্ষেপ নেবে। এতে কূটনৈতিক কর্মকর্তা ও স্থাপনার মর্যাদা ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত
হবে।
মন্তব্য করুন