

আইন উপদেষ্টা
ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সকল প্রলোভন পরিহার করে সৎ ও নির্ভীক
থেকে ওসমান হাদি ইনসাফ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিলেন৷ তিনি নিজের কথা না ভেবে দেশের মানুষের
কথা ভাবতেন তাই শেষ বিদায়ের দিন হাদির জন্য মানুষের আহাজারি আর দোয়া ছিলো অতুলনীয়
আজ রোববার দুপুরে
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্টেট ইউনিভার্সিটির সপ্তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে
তিনি এসব বলেন।
এসময় আইন উপদেষ্টা
ওসমান হাদির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আল্লাহ হাদিকে বেহেশতের
সর্বোচ্চ জায়গায় স্থান দেবেন। হাদি এই নস্যাৎ পৃথিবীর চেয়ে ভালো জায়গায় অবস্থা করছেন
বলে বিশ্বাস করেন তিনি৷
আসিফ নজরুল
বলেন, হামলাকারীর চেয়ে দেশে সৃষ্টিশীল মানুষের সংখ্যা বেশি। দেশে আত্মত্যাগকারী তরুণের
সংখ্যা অনেক বেশি।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটে’র ঘোষণা দিয়েছে।
আজ রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংবাদ সম্মেলন করে এই জোটের ঘোষণা দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
এ সময় আরও উপস্থিত
ছিলেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান
সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
দলগুলোর পক্ষ
থেকে এই জোটকে বলা হচ্ছে, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অঙ্গীকার রক্ষা ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত
বিনির্মাণে আগ্রহীদের রাজনৈতিক ও নির্বাচনী ঐক্য’৷
জোটের ঘোষণা
দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ২৪-এর পরে গত দেড় বছরে আমাদের অনেক জায়গা হতাশা রয়েছে। ঐকমত্য
কমিশনে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে নানা শক্তি নানাভাবেই সংস্কারের বিরোধিতা করেছে এবং
বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। এ অবস্থায় সংস্কারের পক্ষে আমরা তিন দল আজ ঐক্যবদ্ধ
হয়েছি। এই ঐক্য প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।
এনসিপির আহ্বায়ক
আরও বলেন, এটা কেবল নির্বাচনী জোট না, এটা রাজনীতিক জোট ও। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন
করব। আরও অনেকগুলা রাজনৈতিক শক্তি ও দলের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। আগামী নির্বাচনে
আমরা একসঙ্গে, এক মার্কায় নির্বাচন করব।
হুঁশিয়ার করে
নাহিদ বলেন, কেউ যদি মনে করে আগামী নির্বাচনে গায়ের জোরে জয়ী হবে, কিংবা ধর্মের দোহাই
দিয়ে জয়ী হবে, তারা সফল হবে না।
এবি পার্টির
চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু বলেন, নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা দিতে তিনটি দল
এক হয়েছে। অভ্যুত্থানের পর আমাদের প্রত্যাশা ব্যর্থ হয়েছে। তরুণদের প্রত্যাশা ব্যর্থ
হয়েছে। নতুনদের কর্মকাণ্ড অনেকের কাছে সমালোচিত হয়েছে। এ অবস্থায় আজ একটা নতুন যাত্রা
ঘোষণা করার জন্য আমরা এসেছি।
রাষ্ট্রসংস্কার
আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম বলেন, আমরা তিনটা দল নিয়ে যাত্রা শুরু করেছি, তবে
আমরা মনে করি না শুধু এই তিন দলই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে কিংবা পরিবর্তনের
আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান “এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, বিবিপি, ওএসপি, জিইউপি, এনএসডব্লিউসি, পিএসসির” সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন পাকিস্তান নৌবাহিনী প্রধান “এডমিরাল নাভিদ আশরাফ”। আজ মঙ্গলবার ( ১১ নভেম্বর ) বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। সাক্ষাতের সময় বিমান বাহিনী প্রধান পাকিস্তান নৌবাহিনী প্রধানের সঙ্গে পারস্পরিক কুশল বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা খাতসহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।
এছাড়া তারা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার বিদ্যমান সর্ম্পক জোরদার ও পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এসময় পাকিস্তান নৌবাহিনীর প্রতিনিধি দল, পাকিস্তান হাই কমিশনার, ডিফেন্স এ্যাটাশে ও বিমান বাহিনী সদর দপ্তরের পিএসওরা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যত দ্রুত সম্ভব সংস্কারকাজ এগিয়ে নিয়ে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব সংস্কারকাজ করা এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে নির্বাচন আয়োজন করবে সরকার।”
এ ক্ষেত্রে তাদের ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই বলেও জানান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে টোকিও ভিত্তিক নিউজ আউটলেট এনএইচকে ওয়ার্ল্ডের সাথে এক সাক্ষাৎকারে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে গিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা। চার দিনের সফর শেষে রবিবার ভোরে দেশে ফিরেছেন তিনি।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
বিভিন্ন সড়ক থেকে বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানো বিজ্ঞাপন এবং ব্যানার
দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি
বলেন, ‘মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী গুলশানের বাসা থেকে বেরিয়ে হাতির ঝিলে পুলিশ প্লাজার
সামনে তাঁর ছবি সম্বলিত ব্যানার এখনই সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন এবং সেটা তৎক্ষণাৎ সরানো
হয়।' এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বিভিন্ন কোম্পানির
যেসব বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হচ্ছে সেগুলোও দ্রুত অপসারণ করতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন। কয়েকদিন আগেও বিজয় সরণীর সড়ক দিয়ে প্রধানমন্ত্রী যাওয়ার সময়ে একটি এলইডিতে
অভিনন্দন জানিয়ে তাঁর ছবি প্রদর্শিত হচ্ছিল সেটা দেখে তিনি তখনই তা অপসারণের নির্দেশনা
দিয়েছিলেন।
মঙ্গলবার
প্রধানমন্ত্রী অফিস করেছেন সচিবালয়ে। সকাল ৯টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী অফিসে আসেন।
দিনের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল
জিয়াউল হক।
অতিরিক্ত
প্রেস সচিব বলেন, ‘উপকূলীয় ও বঙ্গোপসাগর এলাকায় জলদস্যুতা, ডাকাতি, অবৈধ পাচার ও মৎস্য
সম্পদ রক্ষায় নিয়মিত টহল বাড়ানো এবং জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা
দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।'
ট্রাফিক
সিগন্যাল মেনে চলায় রাজধানীর সড়কে যান চলাচলের গতি বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষের দেয়া প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব
আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি
বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে রাজধানীর যানজট নিরসন এবং সড়কে যানবাহন চলাচলের
গতি প্রকৃতি কেমন এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আজ উপস্থাপন করা হয়েছে। সেই প্রতিবেদনে
বলা হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ভিভিআইপি প্রটোকল
ছাড়া চলাচলের কারণেই যানবাহনের গতি ১ কি.মি.বেড়েছে। '
তিনি
আরো বলেন,‘রাজধানীতে আগে যানবাহনের স্বাভাবিক গতি ছিলো ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার যা কিনা
পায়ে হাঁটা গতির সমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জনাব তারেক রহমান দায়িত্বভার গ্রহণের পরে
তিনি ভিভিআইপি প্রটোকল কমিয়ে ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলাচল করছেন।’
প্রতিবেদনে
গত ১৪ দিনের একটি পরিসংখ্যান দিয়ে বলা হয়েছে যে ভিভিআইপি প্রটোকলে যানচলাচল বাধাগ্রস্ত
না হওয়ায় যানবাহনের গতি ৫ দশমিক ৩ কিলো মিটারে উন্নীত হয়েছে। কারণ প্রধানমন্ত্রীর পর
রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা ট্রাফিক সিগন্যাল অনুসরণ করছেন।'
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, প্রতিবেদনটি প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন। এদিকে মোটা চালের মূল্য
বাড়ার খবর শুনেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ
দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
অতিরিক্ত
প্রেস সচিব বলেন, ‘গতকাল খুচরা বাজারে মোটা চালের মূল্য বাড়ার সংবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
জনাব তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে
নির্দেশ দেন। এরফলে তাৎক্ষণিক এর ইতিবাচক প্রভাব বাজারে দেখা গেছে।'
মন্তব্য করুন


রোববার (২১ জানুয়ারি) স্পেকট্রাম বিভাগের পরিচালক ড. মো. সোহেল রানার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে ,দেশে ব্যবহৃত অবৈধ মোবাইল ফোন শিগগির নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে ।
এতে বলা হয়, বিটিআরসি জাতীয় পরিচিতি ও নিবন্ধিত সিম কার্ডের সঙ্গে ট্যাগিং করে প্রতিটি মোবাইল নিবন্ধনের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণ বা প্রদান নিশ্চিত করা, অবৈধভাবে উৎপাদিত বা আমদানিকৃত মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধ করার উদ্দেশ্যে এনইআইআরের কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গ রূপে শুরু হয়েছে। এতে সরকারের রাজস্ব আহরণ নিশ্চিত সম্ভব হবে। পাশাপাশি মোবাইল ফোনের চুরি ও অবৈধ ব্যবহার রোধ হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এনইআইআরের কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গ রূপে চালু করে শিগগির অবৈধ মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে। এ পরিস্থিতিতে সবাইকে মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনার আগে বৈধতা যাচাই করে নিতে হবে।
বিটিআরসি জানিয়েছে ,মোবাইল কেনার আগে মেসেজ অপশন থেকে KYD ও ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বর লিখে (উদাহরণ স্বরূপ: KYD 123456789012345) ১৬০০২ নম্বরে প্রেরণের মাধ্যমে হ্যান্ডসেটের বৈধতা যাচাই করা যাবে ।
১৬ জানুয়ারি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক দেশে অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেন ।
ওইদিন তিনি বলেন, দেশে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিবন্ধনবিহীন মোবাইল ফোনগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। মোবাইল ফোনের ডেটাবেজ এবং অটোমেটিক রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা বিটিআরসির রয়েছে।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ,
বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা
রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অকারণে হর্ন বাজানো বন্ধ করতে হবে। অকারণে
হর্ন বাজানোটা আমাদের বদভ্যাস। এই অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে।
তিনি
বলেন, শব্দদূষণ কমানোর দায়িত্ব আমাদের সবার। শুধু সরকারের ওপর দায়িত্ব ছেড়ে দিলে হবে
না।
আজ
রবিবার ( ২৫ জানুয়ারি ) বিমান বন্দর এলাকায় ‘ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিতকরণ
কর্মসূচি’ বাস্তবায়নে পরিবেশ অধিদপ্তর, ডিএমপি, বিআরটিএ, ডিএনসিসি
ও সিভিল এভিয়েশনের-এর সমন্বিত অভিযানে হর্নের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে
আয়োজিত সমাবেশে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। এসময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের
সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা
বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা শুধু হর্ন এর উপরে জোর দিচ্ছি। কোন অজুহাতেই হর্ন বাজানো যাবেনা।
তিনি বলেন, অন্যান্য আইন ভাঙ্গলে ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পুলিশ যেভাবে গাড়ির ব্যাপারে
দণ্ড আরোপ করে, একইভাবে হর্নের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন এবিষয়ে ‘শব্দ দূষণ
(নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২৫’-হয়েছে। পুলিশকেও একাজে সম্পৃক্ত করা
হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃপক্ষ বেশকিছু তরুণকে একাজে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তারা এখন অফিসিয়ালি
ট্রাফিক পুলিশের অংশ। সিভিল এভিয়েশন বিমানবন্দরের ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বন্ধে ভলেন্টিয়ারদের
সহায়তায় কার্যক্রম শুরু করতে পারে। বিমানবন্দর এলাকা হর্নমুক্ত করে আমরা উদাহরণ একটা
উদাহরণ তৈরি করতে পারি।
উপদেষ্টা
জানান, উচ্চশব্দের কারণে শতকরা ৬৫ ভাগ ড্রাইভার ঢাকা শহরে কানে কম শুনেন। একটা বাচ্চা
যখন স্কুলে যায় হর্নের আওয়াজ তার জন্য খুবই অস্বস্তিকর। জাতিগতভাবে আমাদের সকলকে দায়িত্ব
নিতে হবে। উপদেষ্টা জনগণকে সচেতন করায় এগিয়ে আসতে গণমাধ্যমকর্মীদের আহ্বান জানান। তাদেরকে
স্বপ্রণোদিত হয়ে, নিজেদের দায়িত্বের জায়গা থেকে কাজ করার অনুরোধ জানান তিনি।
সচিব
ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে যে বিধিমালাটি করা হয়েছে তা বাস্তবায়নে
সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এব্যাপারে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সমাবেশে
আরো বক্তব্য রাখেন ডিএনসিসি-র প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত
পুলিশ কমিশনার মো. সারোয়ার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস
মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক প্রমুখ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন
পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের
প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এছাড়া, পরিবেশ
অধিদপ্তর, ডিএমপি, বিআরটিএ, ডিএনসিসি ও সিভিল এভিয়েশনের ঊর্ধতন কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি তার এক মহান অভিভাবককে হারাল। তাঁর মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।
প্রফেসর ইউনূস বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না; তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাঁর অবদান, তাঁর দীর্ঘ সংগ্রাম এবং তাঁর প্রতি জনগণের আবেগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার চলতি মাসে তাঁকে রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর আপোষহীন নেতৃত্বের ফলে গণতন্ত্রহীন অবস্থা থেকে জাতি বারবার মুক্ত হয়েছে, মুক্তির অনুপ্রেরণা পেয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও জাতির কল্যাণে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং দৃঢ় মনোবল সব সময় পথ দেখিয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত রাজনীতিককে হারাল।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি’র চেয়ারপারসন, যিনি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তাঁর স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালে গৃহবধূ থেকে রাজনীতির মাঠে আসা বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব স্বৈরশাসক এরশাদের দীর্ঘ ৯ বছরের দুঃশাসনের পতন ঘটাতে প্রধান ভূমিকা রাখে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বহু কর্ম ও সিদ্ধান্ত দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে। তিনি মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালু করেন, যা বাংলাদেশের নারী শিক্ষার অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক জীবনে বেগম খালেদা জিয়া ভীষণভাবে সফল ছিলেন। তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনগুলোতে তিনি পাঁচটি পৃথক সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে তিনি যে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, সেখানেই তিনি জয়লাভ করেছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর অর্থনৈতিক উদারীকরণের মাধ্যমে তিনি দেশের অর্থনীতির একটি মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সংগ্রাম ও প্রতিরোধের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর আপোষহীন ভূমিকা দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামে জাতিকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক সাফল্যের কারণেই বেগম খালেদা জিয়া চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলেন। মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় তাঁকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং দীর্ঘদিন কারাবাস করতে হয়েছিল।
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতির দিনে তিনি দেশবাসীকে শান্ত থাকার ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন এবং যার যার অবস্থান থেকে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ করেছেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক
শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেছেন।
আজ
শনিবার ( ২৭ ডিসেম্বর ) সকাল ১১টার পরে তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবি কাজী নজরুল
ইসলামের সমাধির পাশে ওসমান হাদির কবরে পৌঁছান।
তারেক
রহমান এ সময় ওসমান হাদির কবরে ফুল দেন এবং ফাতিহা পাঠ ও হাদিসহ জুলাইয়ের সকল শহীদের
জন্যে দুহাত তুলে আল্লাহ’র দরবারে দোয়া ও মোনাজাত করেন। পাশাপাশি
তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরেও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
হাদির
কবর জিয়ারতের সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন
দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ সিনিয়র
নেতাকর্মীরা।
এছাড়াও,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আমহেদ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা
দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, উন্মুক্ত
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য
অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমানসহ আরো অনেকে এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে রওনা হন তারেক রহমান। বিএনপির
ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানানো হয়, তিনি ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে
যাত্রা করেন।
আজ
আগের দুই দিনের মতো লালসবুজ রঙে সাজানো বাস ব্যবহার না করে সাদা রঙের একটি গাড়িতে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ে যান তারেক রহমান। গাড়িটি ফুল দিয়ে সাজানো ছিল। এ সময় রাস্তার দুপাশে
বিএনপির নেতা-কর্মীদের অবস্থান করতে দেখা যায়। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর
সদস্যদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।
তারেক
রহমানের আগমনকে ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। টিএসসি থেকে
হাদির কবর পর্যন্ত দুই স্তরের ব্যারিকেড বসানো হয়। শাহবাগের দিকেও পুলিশের ব্যারিকেড
ও নজরদারি ছিল। এর আগে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে টিএসসি এলাকায় অবস্থান নেন ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সংগঠনের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ
সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনের নেতৃত্বে তারা রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান করেন।
কবর
জিয়ারত শেষে ভোটার হওয়ার জন্য নির্বাচন ভবনে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
সেখান থেকে ধানমন্ডিতে মাহবুব ভবনে যাবেন তিনি। ধানমন্ডির মাহবুব ভবনে কিছু সময় থাকার
পর বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী তার মা খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ারে
যাবেন তারেক রহমান।
বিএনপির
মিডিয়া সেলের এক ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, জুলাই গণুঅভ্যুত্থানের কোনো আহত ব্যক্তি
বর্তমানে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি না থাকায় সেখানে যাওয়ার কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,
দীর্ঘ ১৭ বছর পর গত বৃহস্পতিবার লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তাঁর প্রত্যাবর্তন
ঘিরে ঢাকায় বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি
দেখা যায়। পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা সমাবেশে সারা দেশ থেকে দলীয় নেতা-কর্মীরা
অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন জোড়কানন এলাকা হতে ৪৬ কেজি গাঁজা ও ২ বোতল বিদেশী মদ’সহ ২জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১০ নভেম্বর সকালে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন জোড়কানন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৪৬ কেজি গাঁজা ও ০২ বোতল বিদেশী মদ’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো: রাজশাহী জেলার তানোর থানার মুন্ডুমালা গ্রামের মৃত নাইমুল হক এর ছেলে মোঃ শরীফুল ইসলাম (২৭) এবং একই জেলার চন্দ্রিমা থানার পূর্বপাড়া ছোট বনগ্রাম গ্রামের মৃত সেরাজুল ইসলাম এর ছেলে মোঃ জহুরুল ইসলাম (২৭)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি পিকআপ জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত মিনি পিকআপ ব্যবহার করে রাজশাহী, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা, বিদেশী মদ’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন