

চাঁদপুর জেলার কচুয়ায় জান্নাত আক্তার (৯) নামের এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার রাত ৮টার দিকে পৌরসভার কড়ইয়া গাইন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে সোমবার ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুরের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। জান্নাত আক্তার উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের জাফর খন্দকারের মেয়ে।
জান্নাতের বাবা জাফর খন্দকার জানান, তার স্ত্রী খালেদা আক্তারের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য থাকায় প্রায় দু’ বছর যাবৎ তার স্ত্রী খালেদা আক্তার মেয়ে জান্নাতকে নিয়ে কড়ইয়া গ্রামে তার বাপের বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। এ ঘটনায় তদন্তপূর্বক মূল রহস্য উদঘাটন ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি।
কচুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে চাঁদপুরের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ,কুড়িগ্রাম:
কুড়িগ্রাম
জেলায় চর রাজিবপুর উপজেলার কাচারিপাড়া এলাকায় চর রাজিবপুর সমাজকল্যাণ সংগঠন(RPSKS)এর
পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধী, অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র(কম্বল)বিতরণ করা হয়েছে।এ
সময়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রাম জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক
মোঃ রোকোনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চর রাজিবপুর উপজেলা সমাজসেবা
কার্যালয়ের সমাজসেবা কর্মকর্তা(অ:দা:) মোঃ মিনহাজ উদ্দিন, চর রাজিবপুর উপজেলার সাবেক
ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজা বেগম। এ সময় আরো উপস্থিত
ছিলেন, চর রাজিবপুর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের ফিল্ড-সুপারভাইজার মোঃ আমিনুল ইসলামসহ
এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
মন্তব্য করুন


দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে ধানক্ষেতে দাঁড়িয়ে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল।
গতকাল শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে তিনি ধানক্ষেত গিয়ে ক্রিকেট ম্যাচে আম্পায়ারের ভঙ্গিতে ‘রিভিউ’ আবেদনের মতো হাত তুলে প্রতিবাদ জানান। পরে এ নিয়ে একটি ছবি পোস্ট করতেই সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।
জানা গেছে, ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-২ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু গত ৩ নভেম্বর বিএনপি মহাসচিব ঘোষিত সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছেন সেখানে তার নাম ছিল না।
এ বিষয়ে ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল জানান, ফেনী জয়নাল হাজারীর সময় সারা দেশের লেবানন হিসেবে পরিচিত ছিল। এরপর নিজাম হাজারীর সময় নির্বাচনগুলো ‘ফেনী স্টাইল’ নামে সারা দেশে পরিচিত ছিল। আর এখন আমরা একটি পরিবর্তিত যুগে এসে প্রতিবাদের ভাষায় ভিন্নতা এনেছি। প্রতিবাদ ভিন্নভাবেও জানাতে পারে ফেনীর মানুষ। যাতে আগামী প্রজন্ম জানতে পারে তাদের প্রতিবাদের ভাষা ভিন্ন হলেও এটি দেশের মানুষ তা গ্রহণ করেছে। আমিও চাই এ প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে ফেনী-২ আসনটি রিভিউ করা হোক এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান যাতে ফেনী-২ আসনটি রিভিউ করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়ায় বিপুলসংখ্যক
ভারতীয় বাজি জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ( ৩০ মে ) বিকেলে উপজেলার
শশীদল ইউনিয়নের শশীদল রেলস্টেশন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা
সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ ফারহানা পৃথার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময়
শশীদল বিওপির বিজিবির একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসন সূত্র জানায়, জব্দকৃত মালামালের
মধ্যে রয়েছে, ভারতীয় কিং কোবরা বাজি ৮৪ হাজার, কালার কালেকশন বাজি ২ হাজার ৫৫টি, রয়েল
বাজি ২০৪টি ও ৫-স্টার বাজি ১ হাজার। যার বাজারমূল্য মোট ৩৩ লাখ ৮ হাজার ৫০০ টাকা।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী
কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ ফারহানা পৃথা বলেন, এটি নিয়মিত অভিযানের অংশ। নির্মূল না হওয়া
পর্যন্ত মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


ইকবাল আনোয়ার মোস্তফা, প্রতিবেদক:
রাজনীতি ক্ষমতার প্রতিযোগিতা হলেও, কিছু মানুষ আছেন যাদের কাছে রাজনীতি মানে দায়িত্ব, সেবা ও মানবিকতা। কুমিল্লা বিএনপির পরিচিত মুখ হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এমনই একজন নেতা—যিনি দায়িত্বকে ক্ষমতা নয়, বরং ‘আমানত’ হিসেবে দেখেন। তাঁর কর্মীদের চোখে তিনি শুধু রাজনীতিক নন, একজন নীতিবান, মানবিক ও নিষ্ঠাবান পথপ্রদর্শক।
একজন দীর্ঘদিনের কর্মীর ভাষায়—
“আমি প্রায় ২২ বছর ধরে হাজী সাহেবকে কাছ থেকে দেখেছি। অনেক নেতা রাজনীতি করেন ব্যক্তিস্বার্থে, কিন্তু তিনি করেন মানুষের জন্য, দলের জন্য। তাঁর ভদ্রতা, সততা ও মানবিকতা আজও অনন্য।”
মানুষের পাশে, আন্দোলনের প্রথম সারিতে
১/১১-এর দুঃসময় থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত—প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে হাজী ইয়াছিন ছিলেন সামনে। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি ও কুমিল্লা শহর বিএনপি (সিটি করপোরেশন হওয়ার আগে)–র প্রতিটি কর্মসূচিতে তাঁর সরাসরি নেতৃত্ব ছিল।
দলের কঠিন সময়ে মামলা, হামলা ও গ্রেফতারের ঝড়ে যখন অনেকেই পিছু হটেছিলেন, তখন হাজী ইয়াছিন দায়িত্ব নেন শতাধিক মামলার আইনি সহায়তার। কারাগারে থাকা নেতাকর্মীদের খরচ, চিকিৎসা ও পরিবারের দেখভাল—সবই করেছেন নিজের ব্যক্তিগত অর্থে, নীরবে ও অকৃত্রিমভাবে।
একজন কর্মীর ভাষায়,
“আমি দেখেছি, গভীর রাত পর্যন্ত তিনি মামলার কাগজে কাজ করছেন। কখনো কৃতিত্ব চাননি, বরং কৃতজ্ঞতা ভাগ করেছেন সবার সঙ্গে।”
ত্যাগী নেতৃত্বের প্রতীক
২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিএনপি'র হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচির প্রতিটি মাঠের দায়িত্ব পালন করেছেন হাজী ইয়াছিন। ৯২ দিনব্যাপী টানা অবরোধে তিনি ছিলেন রাজপথের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য নাম।
নেতাকর্মীদের মনোবল ধরে রাখা, আইনি ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া—এসব কাজ তিনি করলেও কখনো নেতৃত্বের কৃতিত্ব দাবি করেননি। তাঁর ত্যাগ ও সততা দলের ভেতরে অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে উঠেছে।
সততা ও ক্লিন ইমেজের ধারক
রাজনীতির অঙ্গনে নানা বিতর্ক, সুযোগসন্ধান ও বিভাজনের সময়েও হাজী ইয়াছিন নিজের অবস্থান অটুট রেখেছেন। দলের ভেতরে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম বা অনাচারের অভিযোগ কখনো শোনা যায়নি। তাঁর ক্লিন ইমেজই আজ তাঁকে কর্মীদের আস্থার প্রতীক করেছে।
কুমিল্লার উন্নয়নে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন পরিকল্পনা
রাজনীতি ছাড়াও হাজী ইয়াছিনের রয়েছে উন্নয়ন ও মানবিক সমাজ গড়ার স্বপ্ন।
তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতে রয়েছে—
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সম্প্রসারণ,
বিমানবন্দর চালু করা,
জলাবদ্ধতা নিরসন,
সরাসরি রেল সংযোগ ও
তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
এগুলো তাঁর কাছে শুধু উন্নয়ন পরিকল্পনা নয়—মানুষের জীবনমান উন্নত করার অঙ্গীকার।
একজন সত্যিকারের অভিভাবক
দলের ভেতরে অনেক তরুণ কর্মী তাঁকে শুধু নেতা নয়, অভিভাবক হিসেবে দেখেন।
ঈদ-পূজা বা বিপদের সময় কর্মীদের গোপনে সহায়তা করা, অসুস্থ নেতাদের পাশে দাঁড়ানো, বা হতাশ কর্মীদের সাহস দেওয়া—এসবই তাঁকে মানুষের হৃদয়ে জায়গা দিয়েছে।
একজন কর্মীর কণ্ঠে স্পষ্ট অনুভূতি—
“তিনি শুধু নেতা নন, একজন পথপ্রদর্শক। তাঁর চশমার আড়ালে থাকা সেই শান্ত চোখ আমাদের প্রেরণা।”
শেষ কথা
কুমিল্লা-০৬ আসনে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে কর্মীরা দেখেন যোগ্য, সৎ ও মানবিক প্রার্থী হিসেবে। তাদের বিশ্বাস—যিনি দুঃসময়ে দলের পাশে ছিলেন, সেই নেতাই সক্ষম হবেন কুমিল্লাকে সুশাসন, মানবিকতা ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে।
“সবার আগে বাংলাদেশ—এই মন্ত্রে বিশ্বাসী হাজী ইয়াছিন আমাদের হৃদয়ের নেতা,” — এমনই দাবি কুমিল্লা-০৬ আসনের কর্মীদের।
মন্তব্য করুন


জাহাঙ্গীর আলম, কুড়িগ্রাম উত্তর প্রতিনিধি
:
কুড়িগ্রামের
জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানার জরুরী নির্দেশনা ও তার তত্ত্বাবধানে ২৭.২ বর্গ কিলোমিটার
আয়তনের কুড়িগ্রাম পৌরসভাকে জলজট মুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
তথ্যানুসন্ধানে
জানা গেছে- ১৯৭২ সালে কুড়িগ্রাম পৌরসভা প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর এ পর্যন্ত পৌরসভার ভিতর
৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। যুগের পর যুগ ধরে নির্মিত ড্রেনগুলির
প্রয়োজনীয় সংস্কার না করায় অধিকাংশ ড্রেন ভঙ্গুর অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কিছু ড্রেনের
উচ্চতা রাস্তার থেকে নিচু হওয়ায় ড্রেনগুলি মাটি দ্বারা ভরাট হয়েছে। এছাড়াও ড্রেনগুলির
উপর অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় ড্রেনগুলি নিয়মিত পরিষ্কার করা যাচ্ছে না। এমন আরো নানামুখী
পুঞ্জিভূত সমস্যার কারণে সামান্য বৃষ্টিপাতে পৌর এলাকার অধিকাংশ অফিস পাড়া সহ বেশকিছু
গুরুত্বপূর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। এতে ভোগান্তির শিকার হয় পৌরসভার সাধারণ নাগরিক।
সংশ্লিষ্ট
সূত্র জানিয়েছে-জনদুর্ভোগের এই বিষয়টি কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানার
নজরে আসলে তিনি সৃষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য অধিকতর তৎপর হয়ে ওঠেন। ইতোমধ্যে ড্রেন
সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় নতুন ড্রেন নির্মাণের জন্য ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকার বরাদ্দ এসেছে।
বরাদ্দ প্রাপ্ত এই অর্থ দ্বারা সার্কিট হাউস থেকে টিটিসির মোড় পর্যন্ত, কলেজ মোড় থেকে
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস পর্যন্ত ভায়া সরকারী মহিলা কলেজ, পলিটেকনিক কলেজ মোড় হতে
বালাটারী রেললাইন পর্যন্ত মোট ১ দশমিক ৩২৮ কিলোমিটার ড্রেনের কাজ করা হবে। এরমধ্যে
শূন্য দশমিক ৭৭৮ কিলোমিটার নতুন ড্রেন নির্মাণ এবং শূন্য দশমিক ৫৫০ কিলোমিটার পুরাতন
ড্রেন সংস্কার করা হবে। এই কাজ বাস্তবায়ন হতে সময় লাগবে নূন্যতম ৬ মাস। কাজটি বাস্তবায়ন
হলে মাঝারি কিংবা ভারী বৃষ্টিপাতে জেলা প্রশাসক কার্যালয় এবং তার আশপাশ এলাকায় আর
জলজটের সৃষ্টি হবে না।
সূত্র
জানায়- উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভঙ্গুর ড্রেন সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় নতুন ড্রেন নির্মাণের
জন্য আরো প্রায় বিশ কোটি টাকার বরাদ্দ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। মোদ্দা কথা আগামী এক
বছরের মধ্যে ড্রেনেজ সমস্যার স্থায়ী সমাধান আসবে বলে সূত্রটি আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
সূত্রটি
আরো জানায়- "রংপুর বিভাগের ৯ পৌরসভার ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের" আওতায়
কুড়িগ্রাম পৌরসভার অনুকূলে ১০০ কোটি টাকার বরাদ্দ রয়েছে। আগামী ২০২৬ সালের ৩১শে ডিসেম্বর
প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত করার টার্গেট নেয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় কুড়িগ্রাম পৌরসভা
এলাকার ড্রেন, সড়ক এবং বাজার উন্নয়নের কাজ করার কথা রয়েছে।
এ
ব্যাপারে কুড়িগ্রাম পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুন্নবী জানান-আপাতত তিনটি ড্রেনের
কাজ করা হবে। তারপর পর্যায়ক্রমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ড্রেনের সংস্কার কাজ করার উদ্যোগ
রয়েছে।
কুড়িগ্রাম
পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান বলেন- কুড়িগ্রাম পৌরসভার ড্রেনের সমস্যাগুলো
আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি। খুব শীঘ্রই সমাধান আসবে।
কুড়িগ্রাম
পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী বলেন- আমাদের সামনে বড়
চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ড্রেনের উপর অবৈধ স্থাপনাগুলি। অবৈধ স্থাপনাগুলি সরিয়ে
নেয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে যদি কাজ না হয় তাহলে আমরা উদ্যোগ নিয়ে অবৈধ
স্থাপনাগুলি সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবো।
কুড়িগ্রাম
পৌরসভার নবাগত প্রশাসক মো: আসাদুজ্জামান বলেন- ইতোমধ্যে ডিসি স্যারের সাথে আমাদের একটি
সভা হয়েছে। ওই সভায় ড্রেনের সমস্যাগুলি নিয়ে কথা হয়েছে। ডিসি স্যারের দিকনির্দেশনা
মেনে ড্রেনের সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা দ্রুত গতিতে কাজ এগিয়ে নিচ্ছি। আমাদের কাজ
শেষ হলে পৌরসভার নাগরিকদের আর জলজটের ভোগান্তি থাকবে না।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় দালাল চক্রের সাত সদস্যকে
আটক করেছে সেনাবাহিনী। এসময় তাদের কাছ থেকে ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
সোমবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে দেবিদ্বার
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমান
আদালতের মাধ্যমে তাদের তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)
ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন, ছোট
আলমপুরের এরশাদ মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন, একই গ্রামের আব্দুল ওয়াহেদ মিয়ার মেয়ে নাছিমা
আক্তার, বারুর গ্রামের মৃত ঈসমাইল মিয়ার ছেলে আব্দুল জলিল মিয়া, বারেরা গ্রামের সুলতান
আলীর ছেলে মো. জাকির হোসেন, ওয়াহেদপুর গ্রামের আবুল কাশেম মিয়ার মেয়ে শাহেনা আক্তার,
একই গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. বুলবুল এবং রসুলপুর গ্রামের জিয়াখানের মেয়ে
ফাতেমা আক্তার।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা গেছে,
আটক দালাল চক্রের সাত সদস্য রোগীদের ভুল বুঝিয়ে হাসপাতাল থেকে বাইরের বিভিন্ন বেসরকারি
হাসপাতালে নিয়ে যেতেন অপরদিকে হাসপাতালে সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সুযোগ থাকার পরও
তারা বেসরকারি হাসপাতালে উচ্চ মূল্যে পরীক্ষা নিরিক্ষা করাতে বাধ্য করতেন। রোগীরা চিকিৎসা
করাতে রাজী না হলে হয়রানি করতেন চক্রের সদস্যরা।
দেবিদ্বার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)
ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম বলেন, দালালেরা সরকারি হাসপাতাল
থেকে তাঁদের কমিশন ভিত্তিক বিভিন্ন ক্লিনিক ও বেসরকারি হাসপাতালে রোগী ভাগিয়ে নিচ্ছেন
এমন তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর একটি দল অভিযান চালিয়ে চক্রের সাত সদস্যকে আটক করে।
পরে আটক সাতজনকে তিন মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার
কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. আলী এহসান বলেন, দালাল চক্রের শতাধিক সদস্য হাসপাতালের স্বাভাবিক
স্বাস্থ্যসেবায় ব্যাহত করছে। তারা দূর থেকে আসা সাধারণ রোগীদের কম টাকায় ভালো চিকিৎসা
দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ফাঁদে ফেলে সরকারি হাসপাতাল থেকে বাহিরের বিভিন্ন ক্লিনিকে
নিয়ে যায়। এতে সাধারণ রোগীরা ভালো চিকিৎসা পাওয়ার বদলে প্রতারিত হচ্ছেন। ওই দালাল চক্রের
সাত সদস্যকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক আবাসিক/ বাসাবাড়িতে নতুন গ্যাস সংযোগ/লোড বৃদ্ধির সংযোগ বন্ধ রয়েছে বলে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড এর সংশ্লিষ্ট গ্যাস বিতরণ কর্তৃপক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আবাসিকে/বাসা বাড়িতে নতুন বা লোড বৃদ্ধির সংযোগ দেয়ার প্রকাশিত তথ্য সম্পূর্ণ গুজব ও ভিত্তিহীন। কিছু প্রতারক চক্র জনগনকে বিভ্রান্ত করছে যা থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার পরামর্শ প্রদান করা হয়। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট গ্যাস বিতরণ কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেন সংশ্লিষ্ট গ্যাস বিতরণ কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


মিলন হোসেন, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ মিরওয়ারিশপুর থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে বৃহস্প্রতিবার রাতভর অভিযান চালিয়ের ৮ ডাকাত ও তাদের ১ সহযোগিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এসময় তাদের কাছ থেকে ২টি আগ্নেয়াস্ত্র, গ্রিল কাটার, ৫টি বড় ছোরা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বিভিন্ন স্থান থেকে স্বার্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার দুপুরে বেগমগঞ্জ থানায় প্রেস কনফারেন্স করে ডাকাতদের আটকের ঘটনা, অস্ত্র এবং স্বর্নালংকার উদ্ধারের ডাকাত চক্রের বিষয়ে বিস্তারিত জানান, বেগমগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান রাজিব।
এসময় বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ারুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) ফরিদুল ইসলাম, সেকেন্ড অফিসার কৃষ্ণা সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনায় পুলিশ পূর্ববর্তী ডাকাতি মামলা ছাড়াও নতুন করে ডাকাতি ও অস্ত্র মামলা নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় ঈদ পূনর্মিলনী ও গুণীজন সম্মাননা উপলক্ষে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। রবিবার বিকালে আশারকোটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আশারকোটা সোস্যাল এক্টিভিটিসের উদ্যোগে সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার মো. নবীর হোসেনকে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক নবাবপুর শাখার ম্যানেজার ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিন আহমেদ।
আশারকোটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ফজলুর রহমান মাষ্টারের সভাপতিত্বে ও আবরাহুল খাদেমের পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কচুয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মবিন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মজুমদার,ঢাকা মাতুয়াল শিশু হাসপাতালের ডা. মো. আসিফ ইকবাল সহ আরো অনেকে।
এসময় ইউপি সদস্য বাচ্চু বেপারী,যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্টার রিয়াজ উদ্দিন,বিশিষ্ট সমাজসেবক মোতালেব হোসেন,হারুন অর রশিদ,আব্দুল মতিন,আব্দুল খালেক,আরিফুল ইসলাম,খতিব সোলাইমান,সাবেক শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ,ইসমাইল মিয়া,আওয়ামী লীগ নেতা অলিউল্যাহ প্রধান সহ সুশীল সমাজ,আশারকোটা সোস্যাল এক্টিভিটিসের সদস্যবৃন্দ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন