

কুমিল্লায়
রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন মামলায় ১১ আসামিকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ।
শুক্রবার
রাতভর নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। এ সময় পাচারকালে
আট কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
আজ
শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, নগরীতে অপরাধ দমনে পুলিশের একাধিক টিম শুক্রবার রাতভর
বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পুলিশ রাজনৈতিক মামলা সংক্রান্তে ৮ জন,
সড়ক দুর্ঘটনার মামলায় দুইজন এবং নিয়মিত মামলায় একজনসহ মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে পাচারকালে উদ্ধার করা হয় ৮ কেজি গাঁজা।
গ্রেফতারকৃতরা
হচ্ছেন, হাসান (২৩), আব্দুল মালেক (৫৯), কামাল (১৯), জসিম (৪৩), মাহবুব খান শোয়েব
(২৬), তাজুল ইসলাম (৫৩), জাহাঙ্গীর আলম জানু (৬৫), সাইফুল হক (৫৮), সাইফুল আরেফিন রাহাত
(৪৩), আব্দুল আজিজ মিঠু (৫৪), আসাদুজ্জামান লাদেন প্রকাশ জামান প্রকাশ আসাদ (২২)।গ্রেফতারকৃতদেরকে
শনিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঈদ উপলক্ষে কুমিল্লা বিসিকে (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন) উৎপাদিত সেমাই বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, মুন্সীগঞ্জ, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, জামালপুরসহ ২০-২২টি জেলায় যাচ্ছে।
সূত্রমতে, কুমিল্লা বিসিকের পাঁচটি কারখানায় সেমাই উৎপাদন করা হয়। সেগুলো হচ্ছে কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিল, রিয়াজ ফ্লাওয়ার মিল,মেট্রো কনফেকশনারি, খন্দকার ফুড ও মক্কা কনজুমার এন্ড ফুড প্রোডাক্টস। বিসিক ছাড়া কুমিল্লা আদর্শ সদর ও বিভিন্ন উপজেলায় সেমাই উৎপাদন হয়ে থাকে। কারখানা গুলোতে বাংলা ও লাচ্ছা নামে দুই ধরনের সেমাই তৈরি করা হয়।
কুমিল্লা বিসিকের কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলে গিয়ে দেখা গেছে, মেশিনে গর গর শব্দে বাংলা সেমাই উৎপাদন করা হচ্ছে। সেই সেমাই ছাদে শুকানো হচ্ছে। শুকানোর পর সেটা উনুনে ভাজা হয়। ঈদ বাজারের চাহিদা মেটাতে দ্রুত প্যাকেটজাত করছেন শ্রমিকরা। ঘণ্টায় একজন শ্রমিক দুই থেকে আড়াইশ’ প্যাকেট করছেন। কেউ প্যাাকেট, কেউ ওজন, কেউ মুখ লাগানোর কাজ করছেন। কেউ কার্টনে সেমাই ভরছেন।
কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলের সেমাই কারখানার সুপারভাইজার মো. মহসীন, শ্রমিক ফজলে রাব্বী ও হালিমা আক্তার বলেছেন, ঈদের অল্প কয়েকদিন বাকি। এখন বাজারে সেমাইয়ের চাহিদা রয়েছে। ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে দ্রুত কাজ করতে হচ্ছে।
নগরীর কাপ্তান বাজারের ব্যবসায়ী টিপু সুলতান বলেছেন, কুমিল্লা বিসিকে উৎপাদিত সেমাইয়ের সুনাম রয়েছে। তাই স্থানীয় বাজারে এর চাহিদাও ভালো।
কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলের পরিচালক সৈয়দ গোলাম কাদের তানিন বলেছেন, আমরা ৩ দশক ধরে মান সম্মত উপায়ে সেমাই তৈরি করি। এখানে সেমাই তৈরিতে কৃত্রিম কিছু ব্যবহার করা হয় না। আমাদের সেমাই বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বেশি বিক্রি হয়। বাংলা সেমাই আল-নূর, কুলসুম নামে এবং লাচ্ছা সেমাই তানিন নামে বাজারজাত করি। চরাঞ্চলে বাংলা সেমাইয়ের চাহিদা বেশি।
বিসিক কুমিল্লার ডিজিএম মো. মুনতাসির মামুন বলেছেন, কুমিল্লা বিসিকের খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনে সুনাম রয়েছে। তার একটি সেমাই। এখানে উৎপাদিত সেমাই ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে। এখানের সেমাই মান সম্মত। মান রক্ষায় আমরা নিয়মিত কারখানা পরিদর্শন করি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
দীর্ঘ একযুগের নিরবিচ্ছিন্ন পথচলার পর নতুন ঠিকানায় যাত্রা শুরু করলো কুমিল্লার পাঠকপ্রিয় সংবাদপত্র ‘দৈনিক কুমিল্লার ডাক’। গতকাল বিকেল সাড়ে ৩টায় দক্ষিণ চর্থা (থিরা পুকুর পাড়) প্রাইমারি স্কুলের পেছনে, মুরাদপুর বটতলা সংলগ্ন নতুন কার্যালয়ে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে এই শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।
পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “সত্য প্রকাশের দায়ে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার আমলে আমাকে হামলা-মামলা ও কারাবরণ করতে হয়েছে। তবুও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কলম থেমে যায়নি, থামবেও না। আমরা কোনো রাজনৈতিক নেতার পদলেহন করে সত্য আড়াল করিনি, করবোও না।”
তিনি আরও বলেন, “আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, ‘দৈনিক কুমিল্লার ডাক’-এর নাম ব্যবহার করে কোনো গোষ্ঠীকে জিম্মি করে একটি টাকাও উপার্জন করিনি। সাংবাদিকতা একটি মহৎ ও আত্মত্যাগের পেশা। পারিবারিকভাবে অসচ্ছল হলে এই পেশায় আসবেন না। এখানে নিজের অর্থ, শ্রম ও মেধা দিয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হয়।”
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রবীণ সাংবাদিক ও কলামিস্ট শান্তনু হাসান খান, দৈনিক পূর্বাশা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, দৈনিক তরুণ কণ্ঠ পত্রিকার কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি আবু ইউসুফ বাবু, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, দৈনিক আজকের জীবন পত্রিকার কুমিল্লা প্রতিনিধি মোহাম্মদ নেকবর হোসেন, বাংলার আলোড়ন পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান খান, আলোকিত প্রতিদিন পত্রিকার কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি এম. কে. নূর আলম, জাগরণী টেলিভিশনের কুমিল্লা প্রতিনিধি আশিকুর রহমান, মনোহরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু ইউসুফ, আলোকিত কুমিল্লা পত্রিকার সম্পাদক সাইফুল সুমন, খোলা কাগজ পত্রিকার শাহ ইমরান, টুডে নিউজ পত্রিকার সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, চেতনায় ৭১-এর মাইনুল ইসলাম এবং এক্সপ্রেস বাংলা অনলাইন পত্রিকার সাইদুর সোহাগ।
উপস্থিত ছিলেন দৈনিক কুমিল্লার ডাকের নিজস্ব প্রতিবেদক মোঃ বিল্লাল হোসেন, মোঃ জয়নাল হোসেন, মোঃ মামুন মিয়া, মোঃ ফয়েজ আহাম্মদ ভূঁইয়া, শাখাওয়াত হোসেন, নাজমুল হাসান, মনোহরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি ইমরান হোসেন, লালমাই উপজেলা প্রতিনিধি মাইন উদ্দিন এবং সাংবাদিক মিজানুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শরিফুর রহমান শরিফ, কুমিল্লা মহানগর যুবদল নেতা আশ্বাদ আলী, বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ জাকির হোসেন সর্দার, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুল ওহাব, ১৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কামাল হোসেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাজী লোকমান হোসেন।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী দুলাল, বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ আবুল কালাম, বিশিষ্ট সমাজসেবক কাজী জসিম উদ্দিন মুন্না, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ এনামুল হক লিটন, জাহিদ হাসান, ১৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি বাচ্চু মিয়া, দেলোয়ার হোসেন, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসনাত হিরা, মোহাম্মদ মাহবুব আলম, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল হোসেন কাউছার, যুবদল নেতা মোঃ মিলন মিয়া, মোঃ আকবর হোসেন রেজভি, আনিসুর রহমান, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ বাপ্পি মিয়া, সাবেক গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক লোকমান হোসেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক আবদুস সালাম, ডা. জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন হামিদ, মোহাম্মদ জসিম, মোহাম্মদ ফিরোজ আলম চৌধুরী, আলী রানা, ইশান, ইয়াছিন, মাসুম, রুবেল, অপু প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা বদরুল হাসান রাব্বু নতুন কার্যালয় পরিদর্শন করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দৈনিক কুমিল্লার ডাকের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন।
এদিকে, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও মানবিক সংগঠন ‘বিবেক’-এর প্রতিষ্ঠাতা ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রাজিউর রহমান রাজিব, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার হাজ্বী আবদুস সালাম মাসুক, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সেলিম খান, ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নাজিম উদ্দীন খান সোহেল-বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের কুমিল্লা আগমন উপলক্ষে সুযাগাজি মাঠ পরিদর্শনে থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারলেও মুঠোফোনে শুভেচ্ছা ও কুমিল্লার ডাকের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
বক্তারা বলেন, ‘দৈনিক কুমিল্লার ডাক’ একযুগ অতিক্রম করে দুই যুগে পা রেখেছে। নানা প্রতিকূলতা ও দমন-পীড়নের মধ্যেও পত্রিকাটি সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় অবিচল থেকেছে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, নতুন কার্যালয়ের মাধ্যমে পত্রিকাটি আরও পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা ও সাহসিকতার সঙ্গে সমাজের পক্ষে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখবে।
যদিও সাংবাদিকদের একটি বড় অংশ কক্সবাজার সফরে থাকায় সরাসরি উপস্থিত হতে পারেননি, তবুও তাঁরা শুভেচ্ছা ও সমর্থন জানিয়েছেন পত্রিকাটির নতুন যাত্রার জন্য।
এই উদ্বোধনী আয়োজন কেবল একটি কার্যালয়ের সূচনা নয়—এটি ছিল সত্য, সাহস ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রতি এক নতুন অঙ্গীকার। ‘দৈনিক কুমিল্লার ডাক’ কেবল একটি সংবাদপত্র নয়, এটি একটি নৈতিক অবস্থান, একটি সামাজিক আন্দোলন, একটি নির্ভীক কণ্ঠস্বর। নতুন কার্যালয় থেকে এই কণ্ঠ আরও উচ্চকিত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা কুমিল্লার সচেতন নাগরিক সমাজের।
মন্তব্য করুন


শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে কুমিল্লা শহরে ভোরবেলায় শীতার্ত ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে বাংলাদেশ ইয়ংস্টার সোশ্যাল অর্গানাইজেশন।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকদের সরাসরি অংশগ্রহণে এ মানবিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ফুটপাত ও খোলা স্থানে অবস্থানরত দরিদ্র মানুষের মাঝে কম্বলসহ প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। শীতের সকালে ঠান্ডায় কাঁপতে থাকা মানুষদের জন্য এই উদ্যোগ স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসে।
সংগঠনের দায়িত্বশীলরা জানান, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের মূল লক্ষ্য। শীত মৌসুমে যেন কোনো মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করতে না হয়, সে লক্ষ্যেই তারা নিয়মিতভাবে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
তারা আরও জানান, ভবিষ্যতেও কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ সংগঠনের এই উদ্যোগকে প্রশংসা করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


রবিবার কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা কর্তৃক একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে ।
এই বিশেষ অভিযানে ১জন আসামীকে গ্রেফতার করাসহ ৫০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫২গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ উদ্ধার করা হয় ।
আজ সকাল আনুমানিক ৭টার সময় জেলা গোয়েন্দা শাখা,কুমিল্লায় কর্মরত এসআই(নিঃ) মোঃ
আরেফুল ইসলাম, এএসআই(নিঃ) মোঃ মাসুদ রানা,
এএসআই মোঃ ইকবাল হোসেন ফোর্সসহ কুমিল্লা জেলার সকল থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও
বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানার পশ্চিম চান্দিশকড়া
সাকিনের মোঃ সোহাগ (৩৪) কে তার নিজ বাড়ি থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট ও সাদা রঙের আইসসহ গ্রেফতার করে ।
আসামীর নিজ বসত ঘরে ২টি সাদা এয়ার টাইট পলিপ্যাক পাওয়া যায় যার ১টি পলিপ্যাক
এর ভেতর রাখা প্রতি প্যাকেটে ২৬(ছাব্বিশ) গ্রাম করে মোট ৫২(বায়ান্ন) গ্রাম সাদা রংয়ের
মাদকদ্রব্য আইস (ক্রিস্টাল মেথ) এবং স্কচটেপ দ্বারা মোড়ানো ২৫(পঁচিশ)টি কালো রংয়ের
এয়ার টাইট পলিপ্যাকেট এর প্রতিটি পেকেটের ভেতরে লুকানো ২০০(দুইশত) পিস করে ৫০০০ (পাঁচ
হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় ।
উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করলে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং- তারিখ- ২৮/০৪/২০২৪ খ্রিঃ; ধারা- ২০১৮ সালের
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর টেবিল ১০(ক)/১০(গ) রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে খিচুড়ি নিয়ে বিরোধের জের ধরে শালধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র আল-আমিনকে হত্যার দায়ে মোঃ নেয়ামত উল্লাহ নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। একই সাথে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
রোববার (৩১ মার্চ) দুপুরবেলা কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোছা: ফরিদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন: কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন শালধর (সামারচর) গ্রামের মোঃ মোসলেম সরদারের ছেলে মোঃ নেয়ামত উল্লাহ (১৮)।
মামলার বিবরণে জানাযায়, ২০১৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী মাগরিবের নামাজের শেষে শালধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ভিকটিম আল-আমিন (৯) মাহফিলের কথা বলে বাড়ীতে ফিরে না আসায় তাঁর পিতাসহ আত্মীয় স্বজন বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করে না পেয়ে পরদিন কোতয়ালী মডেল থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে পরেরদিন শালধরের জৈনক দেলোয়ার হোসেন এর বাগানের পাশে পুকুরে ছোট শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে শোর চিৎকার করে মোঃ আল আমিন এর পিতা। আল-আমিন এর মরদেহ পুকুর থেকে উপরে তুলে দেখেন আল-আমিনের ঘাড়ের ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এ ব্যাপারে ২০১৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী ভিকটিম মোঃ আল আমিন এর পিতা বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন শালধর গ্রামের মৃত মালু মিয়ার ছেলে মোঃ ফয়েজ আহমেদ ও অজ্ঞাতনামা আসামি করে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক মোঃ সারওয়ার আলম তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি মোঃ নেয়ামত উল্লাহ (১৮) ও মোঃ শাহ জাহানকে আটক করে।
পরবর্তীতে মামলাটি বিচারে আসলে রাষ্ট্রপক্ষে ১৫জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামি মোঃ নেয়ামত উল্লাহ এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধানমতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০১ ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অপর আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।
রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী এপিপি মোঃ জাকির হোসেন বলেন, আশা করছি উচ্চ আদালত উক্ত রায় বহাল রাখবেন।
মন্তব্য করুন


সাম্প্রতিক বন্যায় কুমিল্লা জেলার বুড়িচং এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।বন্যার পানি কমে এলেও এখনো দুর্ভোগ শেষ হয়নি সাধারণ অসহায় মানুষের।
তাইতো কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার হরিপুর গ্রামের বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিবেক।
বিবেক হচ্ছে একটি সামাজিক সংগঠন। সমাজের মানুষের সহযোগিতার কল্যাণে যে প্রতিষ্ঠানটি সার্বক্ষণিক কাজ করে আসছে।
উক্ত প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান হলেন ইউসুফ মোল্লা টিপু যিনি কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব।
শনিবার ৭ সেপ্টেম্বর বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এর উদ্যোগে বিবেকের একটি টিম বুড়িচং এলাকায় হরিপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে বন্যার্তদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।
বন্যা
দুর্গতদের পাশে সহযোগিতার হাত নিয়ে বিবেকের এই উদ্যোগ সামনের দিনগুলোতেও চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে গাঁজা নিয়ে স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে এসে কারারক্ষীদের হাতে ধরা পড়েছেন এক দর্শনার্থী।
রোববার সকালে কারাগারের মূল ফটকে তল্লাশির সময় এই ঘটনা ঘটে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
আটক ব্যক্তির নাম মো. সফিক (৬০)। তিনি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার রূপনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. ছাদেকের ছেলে। জানা গেছে, তিনি তার দুই ভাই বন্দি ইয়াছিন ও ইসমাইলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কারাগারে এসেছিলেন।
কারা সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকালে কারারক্ষী মো. আব্দুল হান্নান সফিককে তল্লাশি চালান। এ সময় তার শার্টের পকেট থেকে একটি বিড়ি গাঁজা এবং পরবর্তীতে শরীর তল্লাশি করে আরও পাঁচ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সফিক গাঁজা সেবনের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত উল্লিখিত শাস্তি প্রদান করেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুন বলেন, কারাগার প্রাঙ্গণে মাদকসহ কোনো প্রকার অবৈধ দ্রব্য প্রবেশ রোধে তারা সবসময় কঠোর নজরদারি চালাচ্ছেন। তিনি আরও জানান, কারাগারের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩০ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর)
রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন শিমপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ
শাকিব আহমেদ নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৩০ কেজি
গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ শাকিব আহমেদ (২২) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার চরপাড়া গ্রামের মৃত বাবুল
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় একটি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অন্যতম ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে র্যাব ।
গত
১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে র্যাবের অভিযানে মাদারীপুর জেলার সদর থানাধীন শহরস্থ হোটেল সার্বিক
ইন্টারন্যাশনাল এর সামনে অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িত অন্যতম আসামী
মোঃ আব্দুল হাকিম জোমাদ্দার (৪৮), পিতা-মৃত ইউসুফ জোমাদ্দার, সাং-মহেশপুর, থানা-বাকেরগঞ্জ,
জেলা-বরিশাল’কে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব
জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী উক্ত ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে
তথ্য প্রদান করে। গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার
চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।
উল্লেখ্য,
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি মামলা সহ মোট ১০ টি মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলায় সংসারের খরচ চাওয়ায় মাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাতে উপজেলার সাতানি ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত মঞ্জুরা বেগম (৬৫) ওই গ্রামের শান্তি মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শান্তি মিয়ার দুই ছেলে তিন মেয়ে। ছোট ছেলে প্রবাসী বাবুল মিয়া বাহরাইনে থাকেন। আর বড় ছেলে নবীর হোসেন স্থানীয় একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। শান্তি মিয়ার বয়স হয়েছে, উপার্জন করতে পারেন না। সাংসারিক খরচের জন্য তাকিয়ে থাকেন দুই ছেলের দিকে। ছোট ছেলে প্রবাস থেকে মাস শেষে টাকা পাঠালেও বড় ছেলে খুব একটা সংসার খরচ দেন না। এতে করে কয়েকদিন পর পরই বড় ছেলে নবীর হোসেনের সঙ্গে তার বাবা মায়ের ঝগড়া লাগতো। এর আগেও কয়েকবার সাংসারিক খরচ নিয়ে নবীর হোসেনের সঙ্গে তার মায়ের কথা কাটাকাটি হয়। পরে স্থানীয়রা বসে সমস্যার সমাধান করেন।
মঙ্গলবার রাতে সংসারের খরচ চাওয়ায় নবীর হোসেন তার মাকে গালিগালাজ করেন। শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। এক পর্যায়ে চেয়ার দিয়ে মাকে মারধর করতে শুরু করেন। এই সময় তার বাবা শান্তি মিয়া বাধা দিলে তাকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে মা মঞ্জুরা বেগমকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারতে থাকেন। এক পর্যায়ে মা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তিতাস উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাতেই ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে সকালে পুলিশ এসে মঞ্জুরা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
কুমিল্লা তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষ্ণ কান্তি দাস বলেন, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে। নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন আমরা পাইনি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে মূল ঘটনা জানা যাবে। আমরা এই বিষয়ে তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
মন্তব্য করুন