

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, কুমিল্লাকে একটি বাসযোগ্য -আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। দীর্ঘদিন এই অঞ্চলে কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। আমি নির্বাচিত হলে কুমিল্লার উন্নয়ন নিয়ে বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করবো।
আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা টাউন হল মাঠে আমার স্বপ্ন আমার কুমিল্লা শীর্ষক উন্নয়ন প্রস্তাবনা উপস্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কুমিল্লা বিভাগ কুমিল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। কুমিল্লা নোয়াখালী অঞ্চলকে নিয়ে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন অবিলম্বে করতে হবে। আমি সংসদে গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবো।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনের সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুর সঞ্চালনায় পরিকল্পনা প্রস্তাব উপস্থাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, সাবেরা আলাউদ্দিন হেনা, জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট কাইমুল হক রিংকু, মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বপন, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজীব, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইউম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফারুক চৌধুরী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সারসহ মহানগর ও জেলার বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মনিরুল হক চৌধুরী আরো বলেন, ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা বিমানবন্দরটি বন্ধ হয়ে আছে। বিমানবন্দরের পাশেই রয়েছে কুমিল্লা ইপিজেড। প্রতিনিয়ত এখানে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যাতায়াত করে। বিমানবন্দর চালু হলে ইপিজেডে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে তথা এ অঞ্চলের প্রবাসীদের দুঃখ দুর্দশা লাঘব হবে। অচিরেই কুমিল্লা বিমানবন্দর চালু করা আমার অন্যতম পরিকল্পনার অংশ।
সিটি করপোরেশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মেগাসিটিতে রূপ নেয়নি। সিটি করপোরেশনের সীমানাও বৃদ্ধি করা হয়নি। আমি নির্বাচিত হলে কুমিল্লা সিটিকে মেট্রোপলিটন সিটিতে রূপদান ও সীমানা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।
নগরীর যানজট প্রসঙ্গে বলেন, যানজট কুমিল্লা নগরীর বর্তমানে প্রধান সমস্যা। পুরোনো শহরে সংকীর্ণ রাস্তায় ছোট পরিকল্পনায় যানজট নিরসনে সুদূরপ্রসারী সুবিধা পাওয়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে দরকার বৃহৎ পরিকল্পনা। শহরকে বিকেন্দ্রীকরণ করে দক্ষিণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো স্থানান্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করলে মানুষ দক্ষিণমুখী হবে। উত্তরে গোমতী পাড় হয়ে উপশহর করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ, ভিক্টোরিয়া কলেজের আলাদা ক্যাম্পাস স্থাপন করলে শহরে মানুষের চাপ কমবে।
পয়োনিষ্কাশন নিয়ে তিনি জানান, জলাবদ্ধতা এখন কুমিল্লার অন্যতম সমস্যা। বিশেষ করে বর্ষায় জলাবদ্ধতা লেগেই থাকে। এক্ষেত্রে পুরোনো দখলকৃত খাল উদ্ধার ও খনন, ড্রেন বড় করা ও খনন করা, বড় খালের সাথে লিংকেজ করে দিলে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব। আমি নির্বাচিত হলে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
তাছাড়া অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ভেঙ্গে পড়েছে। জগন্নাথপুরে যে বর্জ্য প্রতিদিন ফেলা হয় তা পাহাড়ের আকার ধারণ করেছে। এতে ওই বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ নানাবিধ রোগবালাইয়ে ভুগছে। শুনেছি ওই এলাকায় বর্জ্যের গন্ধে কেউ আত্মীয়তাও করতে চায় না। এক্ষেত্রে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জরুরি। এর জন্য আমার 'ওয়েস্ট রিসাইকল প্রজেক্ট' বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।
কোটবাড়ি ও লালমাই পাহাড়কে ঘিরে রয়েছে স্যাটেলাইট সিটি ও ইকো ট্যুরিজম হাব বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে তার।
তিনি বলেন, এছাড়াও ঢাকা- কুমিল্লা বিকল্প সড়ক পথ ও সরাসরি রেললাইন (কর্ডলাইন) স্থাপনের কাজ অনেকদূর এগিয়েছে। আমি অনেকদিন ধরে সরাসরি রেললাইন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছি। সর্বশেষ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) নিকট পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছি। আশাব্যঞ্জক হলো এডিবি সরাসরি রেললাইনে অর্থ দিতে রাজি হয়েছে। সরকারের সাথে এ নিয়ে আলাপ আলোচনা চলছে। অচিরেই এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
মন্তব্য করুন


সোমবার
(৫ মে) কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় (AOR 23 BIR) যৌথ অভিযানে
দুটি পৃথক অভিযান চালিয়ে ডিপার্টমেন্ট অব নারকোটিক্স কন্ট্রোল (ডিএনসি), কুমিল্লা
ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সহযোগিতায় বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে
আটক করা হয়েছে।
প্রথম
অভিযানটি চালানো হয় মদিনগর এলাকায়। অভিযানে আটক করা হয় ইব্রাহিম খলিল (৩৫) নামক
এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে। তার কাছ থেকে ৩৮৪ পিস ইয়াবা, ২ পিস স্ক্রাপ এবং ১,৮১৯
টাকা উদ্ধার করা হয়।
দ্বিতীয়
অভিযানটি পরিচালিত হয় আমতলী বিশ্বরোড সংলগ্ন রহমান ফিলিং স্টেশনের সামনে। অভিযানে
স্টার লাইন পরিবহনের এক যাত্রী, আব্দুল মাজেদ (৪৫)-কে তল্লাশি করে তার দেহ থেকে ১,৯০০
পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত
মাদকদ্রব্যসহ আটক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ
অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় কুমিল্লায় হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় স্ত্রীকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদন্ড
দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের
বিচারক রোজিনা খান এ রায় দেন।
রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাজু আদালতের কাঠগড়ায় অনুপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, খালেদা আক্তারকে বিয়ের পর
থেকেই তার স্বামী রাজু বেকার ছিলেন। এ কারণে মেয়েসন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে
থাকতেন খালেদা।
রাজু ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে
যান। পরের দিন ভোরে স্বামীকে কাপড় ধুয়ে দেয়ার কথা বলেন খালেদা। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির
একপর্যায়ে খালেদার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তার স্বামী।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, খালেদার মরদেহ পুকুর ঘাটের কাছে ফেলে রেখে আসামি পালিয়ে যান। এরপর ঘাটে মেয়ের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে রাজুকে আসামি করে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানায় হত্যা মামলা করেন খালেদার বাবা।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অতিরিক্ত পিপি আমিনুল ইসলাম ও নুরুল
ইসলাম জানান, তাদের আশা, উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় মায়ের অভিযোগে তানভির হাসান হৃদয় (২৯) নামে এক মাদকসেবীকে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ শত টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (৭ অক্টোবর ) দুপুরে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ ফারহানা পৃথা তাকে কারাদন্ড দেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাইঘর গ্রামের আবু তাহের এর ছেলে তানভির হাসান হৃদয় মাদক খেয়ে নেশাগ্রস্থ অবস্থায় পিতা-মাতা ও ভাইকে মারধর করে এবং বিরক্তকর আচরণ করায় তাকে হাতেনাতে আটক করে।
এসময় তার মা রাশেদা বেগম উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিলে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ ফারহানা পৃথা উপস্থিত হয়ে মাতাল তানভির হাসান হৃদয়কে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ২শত টাকা জরিমানা করেন। এ সময় ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলার বরল
এলাকায় একটি কোল্ডস্টোরেজ থেকে অবৈধভাবে মজুত করা জব্দকৃত ৪ লাখ ২৭ হাজার পিস ডিম
নিলামে বিক্রি করে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
ভ্রাম্যমান আদালতের নিলামে বিক্রয়কৃত
ডিমের মূল্য ২৭ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন লালমাই উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
তিনি জানান, জেলাপ্রশাসকের নির্দেশনায়
বিভিন্ন কোল্ডস্টোরেজে অবৈধ মজুদ আছে কি না জানতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরই অংশ
হিসেবে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় লালমাই উপজেলার বরল এলাকার মেঘনা কোল্ডস্টোরেজে
অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান ডিমের মজুদ সন্ধান পান ভ্রাম্যমান আদালত। ভ্রাম্যমান
আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মারজানা আক্তার তাৎক্ষনিকভাবে অবৈধভাবে মজুদকৃত ডিম
নিলামে বিক্রি করেন এবং অবৈধ মজুদারির দায়ে কোল্ডস্টোরেজকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন।
কৃষি বিপনন আইন অনুযায়ী ডিমের ক্ষেত্রে সরকারি অনুমোদন সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ১০ থেকে
১৫ দিন মজুদ রাখতে পারবেন। এখানে গিয়ে দেখা গেছে- মাসের পর মাস ধরে মজুদ করা হয়েছে। তার মানে এসব অবৈধ মজুদ। এর আগেও এই কোল্ডস্টোরেজ
থেকে ২১ লাখ ডিমের বিশাল অবৈধ মজুদ জব্দ করে বাজারজাত করার নির্দেশনা দেয়া হয়।
প্রকাশ্য নিলামে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ প্রায়
৬ টাকা পিস দরে ৪ লাখ ২৭ হাজার পিস ডিম কিনে নেন লালমাই উপজেলার ব্যবসায়ি লোকমান হোসেন।
তিনি জানান, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট
প্রকাশ্য নিলামে ডিম বিক্রি করেন। আমি ৪ লাখ ২৭ হাজার ডিমের টাকা জমা দিয়ে নিলাম থেকে
ডিম কিনেছি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
আসন্ন ঈদ-উল আযহা ২০২৫ উপলক্ষ্যে পশুরহাটের ইজারাদারদের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।
শনিবার (৩১ মে ) বেলা ১১ টায় কুমিল্লার পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেট শহীদ আরআই এ.বি.এম আবদুল হালিম মিলানায়তনে আসন্ন ঈদ-উল আযহা ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষ্যে পশু হাটের ইজারাদারদের সাথে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন ।
উক্ত মতবিনিময় সভায় কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানার পশুর হাটের ইজারাদারগণ উপস্থিত ছিলেন।
উক্ত আলোচনা সভায় পশু হাটের ইজারাদারগণ তাদের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে মতামত ব্যক্ত করেন। পরবর্তীতে পুলিশ সুপার পশুর হাট সংক্রান্তে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি ও হয়রানি রোধ, জালটাকা সনাক্তের জন্য মেশিন স্থাপন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়সহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্তে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লার ১৮টি থানা এলাকায় এই বছর স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে সর্বমোট ৪০৯টি পশুর হাট বসবে।
উক্ত মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) রাশেদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) শামীম কুদ্দুস ভূঁইয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ সাইফুল মালিকসহ কুমিল্লা জেলার সকল সার্কেল অফিসার এবং সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়; এটি দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামের পর সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন কুমিল্লা জেলায়। ফলে এই জেলায় নির্বাচনী কার্যক্রমের পরিধি ও চাপ তুলনামূলকভাবে বেশি। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, নির্বাচন অফিস এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান অগ্রাধিকার হবে। একই সঙ্গে সব ভোটকেন্দ্র শতভাগ সিসিটিভি ফুটেজের আওতায় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, নির্বাচন কমিশন, এনএসআই ও ডিজিএফআইসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা- সিলেট মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করন এবং দ্রুত সংস্কারের দাবিতে কুমিল্লার ময়নামতি থেকে কংশনগর পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা।
বুধবার সকাল ১০ টা থেকে ঘন্টা ব্যাপী কুমিল্লা সিলেট মহাসড়কের ময়নামতি থেকে কংশনগর পর্যন্ত নয়টি পয়েন্টে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভ চলাকালীন সময় সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট তৈরি হলেও, বিক্ষোভ শেষে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। সড়ক ও জনপদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জেলা পুলিশের কর্মকর্তাদের আশ্বাসে পরবর্তীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি উঠিয়ে নেওয়া হয়।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা বলেন, দীর্ঘদিন যাবত কুমিল্লা সিলেট মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করনের জন্য প্রস্তাবিত হয়ে। এছাড়া দীর্ঘদিব সড়কটিতে খানাখন্দ হলেও সেটি মেরামত করা হচ্ছে না। চরম ভোগান্তিতে যাতায়াত করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তাই আমরা চাই খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়ক মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হোক।
এছাড়াও বক্তারা আরো বলেন, সড়কটি সংকীর্ণ হওয়ায় প্রতিনিয়ত হলো দুর্ঘটনা ঘটছে। প্রাণহানি সহ মানুষের অঙ্গ হানি হচ্ছে। তাই সড়কের নিরাপদ করতে দ্রুত মেরামত করা দরকার। আমাদের দাবি মেনে নেয়া হলে আবারও কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।
দেবপুর এলাকায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ময়নামতি ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, যুবদল নেতা মোস্তফা কামাল, সমাজকর্মী আনোয়ারুল আজিম, হারুনুর রশিদ মেম্বারসহ অন্যান্যরা।
এদিকে মহাসড়কের দেবপুর এলাকায় এসে বিক্ষোভকারীদের সাথে কথা বলেন সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা ও বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিজুল হক। দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়ক মেরামতের কাজ শুরু করার আশ্বাসে দেবপুর এলাকা সহ অন্যান্য এলাকা থেকে বিক্ষোভ উঠিয়ে নেয়া হয়।
এ সময়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, কুমিল্লা সিলেট মহাসড়কটি চার লাইনে উন্নীত করনের কাজ সরকারের ঊর্ধ্বতনও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে সড়কটি মেরামতের কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শুরু করা হবে বলে আমরা আশা করছি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৪০ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত
১০ মার্চ র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানাধীন মঠ পুষ্কুরুনী সাকিনস্থ কোটবাড়ী বিশ্বরোড
এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ ফজল মিয়া (৫৫) নামক একজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৪০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ
কাজে ব্যবহৃত ১ টি ব্যাটারী চালিত অটোমিশুক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী মোঃ ফজল মিয়া (৫৫) কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানার কলাহাটি দুলালপুর গ্রামের
মৃত আক্কাস মিয়া এর ছেলে। আসামী বর্তমানে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
বামৈল, শিবের বাজার এলাকায় বসবাস করে।
র্যাব
জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ
করে কুমিল্লা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি
ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ
হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১
এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লার
নাঙ্গলকোট উপজেলায় গরু ছুটে গিয়ে গাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জেরে দুপক্ষের
সংঘর্ষে ৪ জন গুলিবিদ্ধসহ উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন।
আজ
শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকালে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ আলিয়ারা গ্রামে এ ঘটনা
ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা
হলেন- রোকন আলীর স্ত্রী শরিফা বেগম (৬০),বশির আহম্মেদের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম (৫৫),
জাকির হোসেনের ছেলে ওসমান (১৬), জাকির হোসেনের স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৫০)।
তাদের
প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো
হয়েছে।
দায়িত্বরত
ডাক্তার শিমা মজুমদার জানান, দুপুর ১ টার পর তিন নারী ও এক কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে
চিকিৎসা নেন। তাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
গুলিবিদ্ধ
হোসনেয়ারা বেগম বলেন, বেলা ১১টার দিকে দোতলা মসজিদের সামনে শেখ ফরিদের লোকজন এসে আমাদের
গুলি করে। এতে আমিসহ অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়।
এ
বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার ওসি একে ফজলুল হক জানান, দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির খবর পেয়ে
ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীসহ পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর
পাইনি। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


জাইকা প্রতিনিধি
দল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। গতকাল (৩ নভেম্বর) পরিদর্শনের অংশ হিসেবে
প্রকৌশল অনুষদের বিভিন্ন অবকাঠামো এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলি নিয়ে
অনুষদ সদস্যদের সাথে আলোচনা করেন।
পরিদর্শন শেষে সকাল ১১টায় উপাচার্যের কার্যালয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী’র সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের, জাইকা বিশেষজ্ঞ শোজি আকিহিরো, কাতসুকি নাহু, সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মাহমুদুল হাছান, আইসিটি সেলের পরিচালক ড. মোঃ মেহেদী হাসান।
মতবিনিময় সভায় একাডেমিক,
প্রশিক্ষণ, উদ্ভাবন এবং গবেষণা উদ্যোগে একসাথে কাজ করার জন্য পারস্পরিক আগ্রহ প্রকাশ
করেন এবং জাইকা ও আইসটি মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে ‘Project for ICT Engineers
Development for the Promotion of the ICT Industry and New Innovations’ এর আওতায়
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জন শিক্ষককে Software Engineering, Cloud Computing এবং
Information Security বিষয়ের উপর উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য মত পোষণ করেন। এই
৬ জন শিক্ষক পরবর্তিতে উক্ত ট্রেনিং প্রোগ্রামসমূহের প্রশিক্ষক হিসেবে থাকবেন। কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ উক্ত প্রোগ্রাম থেকে উপকৃত হবেন। এছাড়াও ভবিষ্যতে
National Institute of Informatics, Japan এর সাথে MoU স্বাক্ষরের জন্য উপাচার্য মত
প্রকাশ করলে জাইকা প্রতিনিধি দল সার্বিক সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন