

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, কুমিল্লাকে একটি বাসযোগ্য -আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। দীর্ঘদিন এই অঞ্চলে কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। আমি নির্বাচিত হলে কুমিল্লার উন্নয়ন নিয়ে বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করবো।
আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা টাউন হল মাঠে আমার স্বপ্ন আমার কুমিল্লা শীর্ষক উন্নয়ন প্রস্তাবনা উপস্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কুমিল্লা বিভাগ কুমিল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। কুমিল্লা নোয়াখালী অঞ্চলকে নিয়ে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন অবিলম্বে করতে হবে। আমি সংসদে গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবো।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনের সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুর সঞ্চালনায় পরিকল্পনা প্রস্তাব উপস্থাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, সাবেরা আলাউদ্দিন হেনা, জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট কাইমুল হক রিংকু, মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বপন, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজীব, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইউম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফারুক চৌধুরী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সারসহ মহানগর ও জেলার বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মনিরুল হক চৌধুরী আরো বলেন, ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা বিমানবন্দরটি বন্ধ হয়ে আছে। বিমানবন্দরের পাশেই রয়েছে কুমিল্লা ইপিজেড। প্রতিনিয়ত এখানে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যাতায়াত করে। বিমানবন্দর চালু হলে ইপিজেডে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে তথা এ অঞ্চলের প্রবাসীদের দুঃখ দুর্দশা লাঘব হবে। অচিরেই কুমিল্লা বিমানবন্দর চালু করা আমার অন্যতম পরিকল্পনার অংশ।
সিটি করপোরেশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মেগাসিটিতে রূপ নেয়নি। সিটি করপোরেশনের সীমানাও বৃদ্ধি করা হয়নি। আমি নির্বাচিত হলে কুমিল্লা সিটিকে মেট্রোপলিটন সিটিতে রূপদান ও সীমানা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।
নগরীর যানজট প্রসঙ্গে বলেন, যানজট কুমিল্লা নগরীর বর্তমানে প্রধান সমস্যা। পুরোনো শহরে সংকীর্ণ রাস্তায় ছোট পরিকল্পনায় যানজট নিরসনে সুদূরপ্রসারী সুবিধা পাওয়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে দরকার বৃহৎ পরিকল্পনা। শহরকে বিকেন্দ্রীকরণ করে দক্ষিণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো স্থানান্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করলে মানুষ দক্ষিণমুখী হবে। উত্তরে গোমতী পাড় হয়ে উপশহর করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ, ভিক্টোরিয়া কলেজের আলাদা ক্যাম্পাস স্থাপন করলে শহরে মানুষের চাপ কমবে।
পয়োনিষ্কাশন নিয়ে তিনি জানান, জলাবদ্ধতা এখন কুমিল্লার অন্যতম সমস্যা। বিশেষ করে বর্ষায় জলাবদ্ধতা লেগেই থাকে। এক্ষেত্রে পুরোনো দখলকৃত খাল উদ্ধার ও খনন, ড্রেন বড় করা ও খনন করা, বড় খালের সাথে লিংকেজ করে দিলে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব। আমি নির্বাচিত হলে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
তাছাড়া অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ভেঙ্গে পড়েছে। জগন্নাথপুরে যে বর্জ্য প্রতিদিন ফেলা হয় তা পাহাড়ের আকার ধারণ করেছে। এতে ওই বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ নানাবিধ রোগবালাইয়ে ভুগছে। শুনেছি ওই এলাকায় বর্জ্যের গন্ধে কেউ আত্মীয়তাও করতে চায় না। এক্ষেত্রে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জরুরি। এর জন্য আমার 'ওয়েস্ট রিসাইকল প্রজেক্ট' বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।
কোটবাড়ি ও লালমাই পাহাড়কে ঘিরে রয়েছে স্যাটেলাইট সিটি ও ইকো ট্যুরিজম হাব বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে তার।
তিনি বলেন, এছাড়াও ঢাকা- কুমিল্লা বিকল্প সড়ক পথ ও সরাসরি রেললাইন (কর্ডলাইন) স্থাপনের কাজ অনেকদূর এগিয়েছে। আমি অনেকদিন ধরে সরাসরি রেললাইন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছি। সর্বশেষ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) নিকট পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছি। আশাব্যঞ্জক হলো এডিবি সরাসরি রেললাইনে অর্থ দিতে রাজি হয়েছে। সরকারের সাথে এ নিয়ে আলাপ আলোচনা চলছে। অচিরেই এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল - প্রতিবেদক:
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কার্যক্রমে সরকারি নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও রাতের অন্ধকারে কাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, নির্ধারিত নিয়ম ও সময় উপেক্ষা করে রাতের বেলায় নির্মাণ কাজ চলায় এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি ও জনভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
ডিসির বাসভবন সড়ক সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের পাঠানো ছবিতে দেখা যায়, রাতের সময় কারাগারের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নির্মাণকাজ সাধারণত নির্ধারিত কর্মঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না।
আইন ও বিধি অনুযায়ী অবস্থান
সরকারি নির্মাণকাজে সরকারি ক্রয় বিধিমালা (PPR), শ্রম আইন ২০০৬, এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে আবাসিক এলাকায় রাতের বেলায় ভারী নির্মাণকাজ চালানো হলে তা শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬–এর পরিপন্থী হতে পারে।
এ ছাড়া কারাগারের মতো সংবেদনশীল স্থাপনার আশপাশে রাতের নির্মাণকাজ চললে তা সার্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলেও মনে করছেন সচেতন মহল।
স্থানীয়দের উদ্বেগ
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের বেলায় কাজ চলার কারণে চলাচলে বিঘ্ন, শব্দদূষণ এবং অনাকাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুপস্থিত
এ বিষয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সচেতন নাগরিকদের মতে, সরকারি নির্দেশনা ও আইনগত বিধি মেনে স্বচ্ছভাবে নির্মাণকাজ পরিচালনা না হলে তা জনস্বার্থের পরিপন্থী হিসেবে বিবেচিত হবে
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
পবিত্র
ঈদ-উল-আযহা ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে আজ সোমবার (২ জুন) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ
(বিআরটিএ) এর চেয়ারম্যানের নির্দেশনা ও পরিচালকের উপদেশ অনুযায়ী যাত্রী সাধারণের যাতায়াত
নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখা, যানজটমুক্ত রাখা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করা ও ফিটনেসবিহীন
যানবাহন নিয়ন্ত্রণের নিমিত্তে, জেলা প্রশাসন কুমিল্লা, জেলা পুলিশ কুমিল্লা ও বিআরটিএ,
কুমিল্লা সার্কেল, কুমিল্লার সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ
সময় বাস টার্মিনালের বিভিন্ন কাউন্টারে ভাড়ার তালিকা প্রদর্শনী নিশ্চিত করা হয় এবং
যাত্রী সাধারণকে হয়রানি করা থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়। সেই সাথে যাত্রী সাধারণের
সাথে হয়রানিমূলক আচরণের জন্য শাস্তির বিধান সম্পর্কে অবহিত করা করা হয়। উক্ত বিশেষ
অভিযানে যাত্রী সাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়।
আজকের
অভিযানে সড়ক পরিবহন আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের জন্য ৫ টি মামলা ও ১০,০০০/- (দশ হাজার
টাকা মাত্র) জরিমানা করা হয়।
উক্ত
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন,জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শ্রী রতন
কুমার,এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট যায়েদ হোছাইন, বিআরটিএ কুমিল্লার মোটরযান পরিদর্শক
মোঃ সাইফুল ইসলাম ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের আরপি চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনরত এক মহিলারক্ষীর সতর্কতা, দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে এক নারী দর্শনার্থীর দেহ তল্লাশি করে গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।মঙ্গলবার সন্দেহভাজন ওই নারী কারাগারে বন্দির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন বলে জানা গেছে।
দেহ তল্লাশির সময় তার কাছ থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার হওয়ার পর ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত অভিযুক্ত নারীকে ১৫ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা জরিমানা প্রদান করেন।
কারাগার সূত্র জানায়, কারাগারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সর্বদা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। একই সঙ্গে অবৈধ দ্রব্য পাচার বা বহনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
কারা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শৃঙ্খলা রক্ষা ও আইন প্রয়োগে তারা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে এবং ভবিষ্যতেও কারাগারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
কারা কর্তৃপক্ষ সাধারণ জনগণকে আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নিরাপদ সমাজ গড়তে সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) কুমিল্লা প্রেসক্লাব সংলগ্ন সড়কে হেযবুত তওহীদ কুমিল্লা জেলা শাখার উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ফিলিস্তিনে গণহত্যার বন্ধ করার দাবীতে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- হেযবুত তওহীদ চাঁদপুর জেলা সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক,হেযবুত তওহীদ কুমিল্লা জেলা বাণিজ্য সম্পাদক তসলিমা মোবারক আজাদ, হেযবুত তওহীদ লাকসাম উপজেলা সভাপতি মোঃ ফয়সাল মোহাম্মদ,হেযবুত তওহীদ সদর উপজেলা সভাপতি সুজন আলী, হেযবুত তাওহীদ কুমিল্লা জেলা সদস্য ইয়াসিন আরাফাত সহ আরও অনেকে।
বক্তাগণ বলেন, ৭৫ বছরের হত্যাযজ্ঞের পরে এবার ইসরায়েল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এই ভূমিতে আর কোনো একজন মুসলমানকেও থাকতে দেওয়া হবে না। এ হৃদয়বিদারক, ন্যাক্কারজনক ও পৈশাচিক ঘটনার সাক্ষী সমগ্র বিশ্ব। এমন একটি পরিস্থিতিতেও গোটা মুসলিম বিশ্বের সরকারগুলো, বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা, জাতিসংঘ, ওআইসি, আরব লীগ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানগুলো নীরব। প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোও যেন চোখে ঠুলি পরে আছে। এই বিপর্যয় থেকে মুক্তির উপায় হচ্ছে, জাতির মধ্যে বিরাজিত সব ফেরকা, মাজহাব, দলাদলি এই মুহূর্ত থেকে বাদ দিয়ে আমাদেরকে আল্লাহর তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৫৪ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গতকাল
(১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটি টিম কুমিল্লা জেলায় বিশেষ
অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থানাধীন কৃষ্ণপুর মধ্য পাড়া সাকিনস্থ মৃত
লুতু মিয়ার বাড়িতে আসামী মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এর বসত ঘরের ভিতর থেকে ৫৪ কেজি গাঁজা
সহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী
হলো: মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন (৪০), পিতা-আবুল হাসেম, মাতা-অজুফা খাতুন, গ্রাম-কৃষ্ণপুর
(মধ্য পাড়া-মৃত লুতু মিয়ার বাড়ী), থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


সুজন মজুমদার,বরুড়া:
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) ইংরেজি ১ম পত্র
পরীক্ষার দিন তাদের বহিষ্কার করে উপজেলা প্রশাসন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নু এমং মারমা মং। তবে তিনি বহিষ্কার হওয়া পরীক্ষার্থীদের
নাম প্রকাশ করেননি।
বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)
নু এমং মারমা মং জানান, বৃহস্পতিবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ৩য় দিন বরুড়া উপজেলার
বরুড়া শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ কেন্দ্র, আড্ডা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্র এবং বরুড়া সুন্নিয়া
কামিল মাদরাসা কেন্দ্র পরিদর্শন করে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বরুড়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসা
কেন্দ্রে ৮ জন পরীক্ষার্থীকে তল্লাশি করে ৮টি মোবাইল ও নকল, শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ
কেন্দ্রে ১ জন পরীক্ষার্থীকে তল্লাশি করে ১টি মোবাইল ও নকল এবং আড্ডা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে
২ জন পরীক্ষার্থীকে তল্লাশি করে মোবাইল ফোন ও নকল পাওয়া যায়। এ সময় নকল ও মোবাইল ফোন
পাওয়া পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা স্থগিত করে তাদের সবাইকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নকলের বিরুদ্ধে জিরো
টলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে। বরুড়া উপজেলা প্রশাসনের নকল বিরোধী অভিযান সব সময় অব্যাহত
থাকবে। শিক্ষার্থীরা হলে কীভাবে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করল সেটি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট
কেন্দ্রের শিক্ষক ও সচিবদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে তার বিরুদ্ধেও
ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেছেন, দেশে প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতি চালু হলে ফ্যাসিবাদ ও কর্তৃত্ববাদী রাজনীতির অবসান ঘটবে। এতে জনগণের প্রকৃত মতামত ও ভোটাধিকার প্রতিফলিত হবে এবং স্বৈরাচার তৈরির পথ বন্ধ হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে চায়। আমরা প্রতিযোগিতা চাই, প্রতিহিংসা নয়। কারও অধিকার বা মর্যাদা সে কোন দলের সেটা বিবেচ্য নয়—সব নাগরিকের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করাই জামায়াতের লক্ষ্য।”
বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতে কুমিল্লা নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে “জুলাই জাতীয় সনদ ও পিআর পদ্ধতির ভিত্তিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, “বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের স্বার্থে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন আদায় করতে হবে।
জামায়াত নেতা বলেন, “পিআর পদ্ধতি হলে জনগণের প্রতিনিধিত্ব আরও সুষম হবে। এটি গণতন্ত্রের ভিত মজবুত করবে।”
তিনি জানান, ৩১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২৬টি দল ইতোমধ্যে পিআর পদ্ধতির পক্ষে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। কেউ উচ্চকক্ষ, কেউ নিম্নকক্ষ—ভিন্ন প্রস্তাব দিলেও সবাই মূলত পিআর ব্যবস্থাকে সমর্থন করেছে।
মাওলানা হালিম জানান, জামায়াতে ইসলামী ৫ দফা দাবি উত্থাপন করেছে, যার একটি হলো ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী ও মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িতো রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিদের নিষিদ্ধ করা। তিনি বলেন, “তারা ভোট দিতে পারবে, কিন্তু যারা গুম-খুন ও নির্যাতনের সহযোগী ছিল তাদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া গণতন্ত্রের পরিপন্থী।”
‘কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর’ উদ্যোগে আয়োজিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মহানগর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা জেলা দক্ষিণ জামায়াতের আমীর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহজাহান ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আমীর অধ্যাপক আবদুল মতিন।বৈঠক পরিচালনা করেন মহানগর সেক্রেটারি মু. মাহবুবুর রহমান।এসময় আরও বক্তব্য রাখেন—অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন, অধ্যাপক মু. শফিকুল আলম হেলাল, ব্যবসায়ী হাজী নুর উদ্দিন, কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শহিদ উল্লাহ, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি লুৎফুর রহমান, বার্ডের সাবেক মহাপরিচালক ড. মাসুদুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. সফিকুর রহমান পাটোয়ারী।ওলামা প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা জালাল উদ্দীন।ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবির কুমিল্লা মহানগর সভাপতি হাসান আহমেদ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি হাফেজ মাজারুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা সভাপতি মহিউদ্দিন রনি।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন এনডিএফ কুমিল্লা জেলা সভাপতি ডা. জহিরুল হক বাবর, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ এনডিএফ সেক্রেটারি ডা. গিয়াস উদ্দিন, ব্যবসায়ী কাউন্সিলর মোশারফ হোসাইন, মিজানুর রহমান, হাসান মজুমদারসহ গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা।
বৈঠকে সাংবাদিকরা পিআর পদ্ধতি বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করলে জামায়াতের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ সেগুলোর গঠনমূলক উত্তর প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) সচিবালয়ে মজুরি ঘোষণা করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান।
পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী, আট হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি পাচ্ছিলেন পোশাকশ্রমিকরা। আগের তুলনায় ন্যূনতম মজুরি বেড়েছে সাড়ে ৪ হাজার টাকা।
আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নতুন মজুরি কার্যকর হবে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মালিক ও শ্রমিক পক্ষ এবং নিরপক্ষ প্রতিনিধিদের নিয়ে দ্রুত নতুন মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন শ্রমজীবী মানুষ আন্দোলন করে আসছেন মজুরি বাড়ানোর জন্য। মালিক ও শ্রমিকপক্ষকে নিয়ে মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আলাপ-আলোচনার মধ্যদিয়ে একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।মজুরির যদি কোনো তারতম্য হয়ে যায় আমরা শেষ সম্বল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বারস্থ হই সবসময়। উনার মৌখিক নির্দেশে আজকে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ঘোষণা করছি।
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের রেশনের দাবি আছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, একটি পরিবারের জন্য একটি ফ্যামিলি কার্ডের মধ্যেই নির্ধারিত থাকবে যতগুলো সদস্য কার্ডটি ব্যবস্থা করতে পারবে। পরবর্তীতে এ কার্ডের মাধ্যমে রেশনিং ব্যবস্থা চালুর কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।এখানে শ্রমজীবী মানুষ ও রাষ্ট্রের স্বার্থ আছে। শিল্প বাঁচলে শ্রমিক বাঁচবে। শ্রমিকের সঙ্গে শিল্পও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। উভয়দিক লক্ষ্য রেখেই মজুরি ঘোষণা করা হচ্ছে।
মজুরি ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়বে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আট হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকা করা হয়েছে। ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট বহাল আছে।
আন্দোলন-অবরোধের কারণে শিল্পাঞ্চলের বাড়িভাড়া মওকুফের জন্য মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, ডিসেম্বরের বেতন নতুন বেতনের আলোকে হবে। গেজেট এখনই করতে দেবে, কোনো সংশোধন থাকলে ১৪ দিনের মধ্যে করবে।
মজুরি ঘোষণার সময় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী মোল্লা, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তৌফিকুল আরিফ, বিকেএমইএ'র সভাপতি সেলিম ওসমান, বিজিএমইএ'র সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, শ্রমিক প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম রনি উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের (১০ বিজিবি) বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ২৫ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় বিভিন্ন প্রকারের ২৫,৮০০ পিস বাজি জব্দ করেছেন।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ কটকবাজার পোস্টের বিশেষ টহলদল, হাবিলদার মোঃ মাহাবুবুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করে।
অভিযানে, সীমান্ত পিলার ২১০০/২-এস থেকে প্রায় ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কেকে নগর নামক স্থান থেকে ভারত থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা এই বিপুল পরিমাণ বাজি জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
ভিক্টোরিয়ান্সের মুখোমুখি হয়েছে খুলনা। আগে ব্যাট করে
লড়াই করার মতো পুঁজি
পেয়েছে বিজয়বাহিনী। আসরের
শুরুটা ভালোই ছিল খুলনা টাইগার্সের।
কিন্তু ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি
খুলনা টাইগার্স।
২০২৪
বিপিএলের ৩২তম ম্যাচে আজ
৮ উইকেট হারিয়ে কুমিল্লার সামনে ১৬৫ রানের লক্ষ্য
ছুড়ে দিয়েছে খুলনা টাইগার্স। সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেছেন
দলটির ক্যারিবীয় মিডল অর্ডার ব্যাটার
এভিন লুইস। শেষদিকে ১১ বলে ২০
রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন
দক্ষিণ আফ্রিকান অলরাউন্ডার ওয়েইন পারনেল।
চট্টগ্রামের
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস আগে ব্যাট
করতে নামে খুলনা। ২
ওপেনার অ্যালেক্স হেলস ও আফিফ
হোসেন মিলে ৩২ রানের
জুটি গড়েন। হেলস ১৭ বলে
২২ রান করে বিদায়
নেন। তুলনায় আফিফ রান তোলেন
ধীরে। ৩৩ বলে ২৯
রানের ইনিংস খেলেন তিনি। হেলস বোল্ড হয়ে
ফেরেন ম্যাথু ফোর্ডের বলে। তারপর
অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় ১৩
বলে ১৮ রান করে
মোস্তাফিজুর রহমানের বলে বিদায় নেন।
আর আফিফ ফেরেন তরুণ
স্পিনার আলিস ইসলামের ঘূর্ণিতে
পরাস্ত হয়ে। দলীয় ৭৩
রানে ৩ উইকেট হারালেও
বিপদে পড়েনি খুলনা। কারণ হাল ধরেন
লুইস ও জয়। ২জনের
জুটিতে আসে ৫৭ রান।
ফেরেন ১৯ বলে ২৮
রান করে।
মন্তব্য করুন