

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত গোমতী নদীর পাড় ঘেঁষে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট ও রেস্টুরেন্ট উচ্ছেদে পরিচালিত হয়েছে মোবাইল কোর্টের বিশেষ অভিযান।
রবিবার (২৭ জুলাই) বিকাল ৫টা থেকে রাত ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলে এ অভিযান, যার নেতৃত্বে ছিলেন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিনা জাহান। অভিযানে পাউবো, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো), সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশ একযোগে অংশ নেয়।
বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে দেখা যায়, পালপাড়া কালীমন্দির এলাকা থেকে শুরু করে বিবির বাজার স্থলবন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত পাউবোর জমিতে গড়ে উঠেছে অবৈধ কাঠামোতে পরিচালিত ১৫টির বেশি টং দোকান, মুদি দোকান ও বেশ কিছু অভিজাত রেস্টুরেন্ট।
স্থানীয়দের আড্ডা ও জমজমাট পরিবেশে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছিল এসব ব্যবসা। বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল অবৈধভাবে নেওয়া—কোনো বৈধ মিটার বা চুক্তি ছাড়াই। অভিযান চালিয়ে এসব সংযোগ সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
পাউবো'র তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে যেসব রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফে'র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:গোমতী টাচ,গোমতী বিলাস,রোজ ক্যাফে ভ্যালি,বাগান বিলাস।
এসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদন ছাড়াই নদীর পাড়ে সরকারি জমি দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। অনেক প্রতিষ্ঠানই জমির মালিকানা নিয়ে মিথ্যা দাবি করে আসছিল, যা তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নদীর পাড়ের সৌন্দর্য ও পরিবেশ নষ্ট হওয়ায় ক্ষোভ ছিল স্থানীয়দের মধ্যে।
একাধিক বাসিন্দা জানান, “গোমতীর পাড় এখন আর আগের মতো শান্তিপূর্ণ নয়। এইসব দোকানে সন্ধ্যার পর নানা ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ চলত।”
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিনা জাহান বলেন, “গোমতীর পাড় ঘেঁষে পাউবোর জায়গা অবৈধভাবে দখল করে কেউই ব্যবসা করতে পারবে না। অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগসহ সব প্রকার অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমাদের এই অভিযান আগামীকালও চলবে।”
তিনি আরও বলেন, “নদী রক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। কেউ প্রভাব খাটিয়ে এসব জায়গায় অবৈধ স্থাপনা চালু রাখতে পারবে না।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা নগরীকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু। তিনি নগরীর যানজট, জলাবদ্ধতা, চুরি-ছিনতাই ও মশার উপদ্রব দূর করে একটি ‘গ্রিন ও ক্লিন সিটি’ উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, ‘আজ থেকে কুমিল্লা নগরীতে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও যৌন হয়রানির বিষয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করছি। মানুষ যেন দরজা খোলা রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে—এমন নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের নির্দেশনা রয়েছে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করব, ইনশাআল্লাহ।’
প্রশাসক হিসেবে প্রথম ও প্রধান কাজ হিসেবে নগরীকে যানজটমুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। ঈদের আগেই মাঠ পর্যায়ে নেমে যানজট নিরসনে কাজ শুরু করার ঘোষণা দেন।
এ ছাড়া মশা নিধনকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রথমে চারটি ওয়ার্ডকে মশার উপদ্রব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করা হবে। এ বিষয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে এবং ঈদের আগেই কাজ শুরু করা হবে। ধীরে ধীরে পুরো নগরীকে মশামুক্ত করা হবে, ইনশাআল্লাহ। মানুষ যেন মশারি না টানিয়েও নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে সেই লক্ষ্যেই কাজ করব।
তিনি আরও বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং সবুজায়ন বাড়ানোর মাধ্যমে কুমিল্লাকে একটি পরিবেশবান্ধব শহরে পরিণত করা হবে। একই সঙ্গে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে।
প্রশাসক হিসেবে প্রথম দিনের আগমনকে ঘিরে নগর ভবনজুড়ে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এ সময় সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইউসুফ মোল্লা টিপুকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলায় এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাটি ঘটেছে লাকসাম উপজেলার আজগরা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে।
বুধবার বিকেলে গ্রেফতারকৃত আসামি জানু মিয়াকে আদালতে পাঠানো হয়।
লাকসাম থানার ওসি সাহাবুদ্দিন খান জানান, গত ২৮ এপ্রিল বেলা আড়াইটায় ওই গ্রামের মৃত বন্দে আলী মিয়ার ছেলে জানু মিয়া (৭০) তার নাতনির খেলার সাথী ওই শিশু কন্যাকে একা পেয়ে ঘরে নিয়ে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করলে তাকে ছেড়ে দেয়। পরে শিশুটি তার মাকে ঘটনাটি জানায়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


মো: মিজানুর রহমান মিনু :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে চুরির ২৪ ঘন্টার মধ্যে চোরাইকৃত ক্যাবল ও চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের ২ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো; ঘোলপাশা ইউনিয়নের ঈশানচন্দ্রনগর গ্রামের নোয়াব মিয়ার ছেলে মোঃ রাশেদ ও গুণবতী ইউনিয়নের গদানগর গ্রামের ছালেহ আহাম্মদের ছেলে মোঃ শাহজাহান।
শুক্রবার বিকেলে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় অবস্থিত নিপ্রো জেএমআই ফার্মা লিমিটেডের ভাউন্ডারী দেয়ালের ভিতর থেকে বৃহস্পতিবার ভোর রাত সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে অজ্ঞাতনামা চোর চক্রের সদস্যরা ফ্যাক্টরির নির্মানাধীন নতুন ভবনের বিদ্যুৎ লাইনের কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ ইলেক্ট্রিক ক্যাবল চুরি করে নিয়ে যায়। এরপর ফ্যাক্টরির ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম বাদি হয়ে থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার উপ-পরিদর্শক ছাইদুল ইসলাম তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় শুক্রবার ভোরে হাড়িসর্দার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা চোরচক্রের সদস্য রাশেদ ও শাহজাহানকে আটক করে। এ সময় চোরাই যাওয়া ৩৬ মিটার ক্যাবল ও চোরাইকাজে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশা জব্দ করে পুলিশ।
চৌদ্দগ্রাম থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, চোরাই ক্যাবল ও একটি অটোরিকশাসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের ২ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তাদেরকে শুক্রবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় বিএসটিআই, কুমিল্লা ও উপজেলা প্রশাসন, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লার যৌথ উদ্যোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার পরিচালিত অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে 'মুড়ি' পণ্যের গুণগত মান সনদ গ্রহণ ব্যতীত প্রস্তুত, বিক্রয়-বিতরণ করায় "বিএসটিআই আইন-২০১৮" অনুযায়ী কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ এর বেলতলীর কৃষ্ণপুরে মেসার্স খোরশেদ চিড়া ও মুড়ি মিল প্রতিষ্ঠানটিকে ২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার টাকা) এবং কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ এর গোপিনাথপুরের মেসার্স মমতা মুড়ি মিল প্রতিষ্ঠানটিকে "বিএসটিআই আইন-২০১৮" এবং "ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮" অনুযায়ী ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার টাকা) অর্থদণ্ড করা হয়।
উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত সদর দক্ষিণ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈয়দ রেফাঈ আবিফ এর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।
প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই, কুমিল্লা অফিসের কর্মকর্তা জনাব ইকবাল আহম্মদ, ফিল্ড অফিসার (সিএম) এবং প্রকৌ: আরিফ উদ্দিন প্রিয়, পরিদর্শক (মেট্রোলজি)।
জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা:
পিআর পদ্ধতিতে আগামী জাতীয় নির্বাচন ও জুলাই সনদ ঘোষণাসহ পাঁচ দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরী। সমাবেশ শেষে মিছিলটি টাউন মাঠ থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে চকবাজার মোড়ে গিয়ে শেষ করে।
আজ শনিবার ২৫ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কুমিল্লা নগরীর টাউন হল মাঠে গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারী মু. মাহবুবর রহমান এর পরিচালনা গণমিছিল ও সমাবেশ বক্তব্য রাখেন,মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মু. কামারুজ্জামান সোহেল, নাছির আহম্মেদ মোল্লা, ,কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির সভাপতি হাফেজ মাজারুল ইসলাম,সদর দক্ষিণ উপজেলা জামায়াতে আমীর মিজানুর রহমান, মহানগর ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী নাজমুল হাসান পঞ্চায়েত।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক জাকির হোসেন, দেলোয়ার হোসাইন সবুজ, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম সহ অনেকে।কর্মসূচিতে দলের হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেন। এসময় এই মুহূর্তে দরকার পিআর আর সংস্কার, পিআর পদ্ধতির নির্বাচন, দিতে হবে দিয়ে দাও, জামায়াত-শিবির জনতা, গড়ে তোলো একতা স্লোগান দিতে দেখা যায়সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ আরো বলেন,আগামী জাতীয় নির্বাচনে সংসদের উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করতে হবে। অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সবার জন্য সমান সুযোগ) নিশ্চিত করতে হবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা দাবি জানান।তিনি আগামী নির্বাচনে কুমিল্লা ৬ আসনে সদর -সদর দক্ষিণ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে ন্যায়ের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে নগরবাসীকে আহবান জানান।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে চলা মানবিক ও সমাজসেবামূলক সংগঠন “দুর্বার বাংলাদেশ” এবার তাদের বিশেষ কর্মসূচি “প্রজেক্ট স্বাবলম্বী”-এর আওতায় এক অসচ্ছল ব্যক্তিকে রিকশা প্রদান করেছে। সমাজে স্বাবলম্বী মানুষ তৈরির লক্ষ্যে এই প্রকল্পের এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ, যা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
এই আয়োজনটি সম্প্রতি কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুর্বার বাংলাদেশের উপদেষ্টা সাদমান সারার, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রাকিবুল আলম রিফাত, পরিচালক আকিব হাসান, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলম মহিউদ্দিন আজম, সাধারণ সম্পাদক মইন নাসের খান রাফি, এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্য অহনা, মিলি, শতাব্দী, রাত্রি, মেহজাবীন, বিপুল, আবির ও ওমর সহ আরও অনেকে। সংগঠনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো অসহায় মানুষদের স্বনির্ভর করে তোলা।
দুর্বার বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রাকিবুল আলম রিফাত বলেন, “আমরা চাই মানুষ শুধু সাহায্যের উপর নির্ভরশীল না থেকে নিজে উপার্জনের সুযোগ পাক। প্রজেক্ট স্বাবলম্বী শুরু থেকেই সেই চিন্তা থেকে পরিচালিত হচ্ছে। আজ যে মানুষটিকে রিকশা দেওয়া হলো, তিনি এখন নিজে উপার্জন করে পরিবারকে সহায়তা করতে পারবেন এটা আমাদের জন্য গর্বের।”
উপদেষ্টা সাদমান সারার বলেন, “দুর্বার বাংলাদেশ শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, মানুষের জীবনে স্থায়ী পরিবর্তন আনতেই কাজ করে যাচ্ছে। প্রজেক্ট স্বাবলম্বী আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মসূচি। আজকের এই রিকশা প্রদানের মাধ্যমে একজন মানুষ তার জীবনে নতুন আশার আলো খুঁজে পেয়েছেন।”
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে বেশি সংখ্যক মানুষ উপকৃত হতে পারেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে একমত হন যে, সমাজে পরিবর্তন আনতে হলে শুধু দান নয়, আত্মকর্মসংস্থান ও সুযোগ তৈরির মতো কার্যক্রমই বেশি কার্যকর। দুর্বার বাংলাদেশ ঠিক সেই জায়গাটিতেই কাজ করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কেবল ব্যক্তি নয়, একটি পরিবারের ভবিষ্যৎও বদলে দিতে পারে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “প্রজেক্ট স্বাবলম্বী” আগামীতে সেলাই মেশিন, ক্ষুদ্র ব্যবসার পুঁজি এবং অন্যান্য স্বনির্ভর উপকরণ প্রদান কর্মসূচিও চালু করতে যাচ্ছে। এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে অসহায় মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন সম্ভব বলে মনে করছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মইন নাসের খাঁন রাফি বলেন,“আমাদের লক্ষ্য সমাজে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। দুর্বার বাংলাদেশ সে লক্ষ্যেই কাজ করছে। আমরা শুধু সমস্যার কথা বলি না, তার সমাধানেও এগিয়ে যাই।”
সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনে এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অনুকরণীয়। দুর্বার বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে এই উদ্যোগকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


আগামী ২৫ ও ২৬ শে অক্টোবর ২০২৪ এ "অল বাংলাদেশ উন্মুক্ত কারাতে
প্রতিযোগিতা ২০২৪" এবং "৫ম আন্তর্জাতিক কারাতে প্রতিযোগিতা ২০২৪" অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। উক্ত প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ
করবেন কুমিল্লা সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র মোফাজ্জাল মাহিন চৌধুরী। টানা ৬বার
জাতীয় স্বর্ণপদক প্রাপ্ত এই খেলোয়াড়টি এবার -৫৫ ওজন শ্রেণীতে খেলবেন কুমিল্লা সরকারি
কলেজের হয়ে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
আসন্ন নির্বাচনে দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) কুমিল্লা জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার (চতুর্থ পর্যায়) সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, কুমিল্লার কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) মোঃ ফারুক হোসেন।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন বলেন, “আজকের এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও দায়িত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করা। নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন, যেখানে পুলিশের ভূমিকা নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের দায়িত্ব হলো ভোটার, প্রার্থী এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখা। এজন্য প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে আইন, আচরণবিধি ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”
পুলিশ সুপার আশা প্রকাশ করেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যরা মাঠ পর্যায়ে আরও দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠবেন। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটাই— নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় কুমিল্লা জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকল প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার হোমনায় জমি সংক্রান্ত বিষয়ের
জের ধরে রফিকুল ইসলাম প্রকাশ বেঙ্গা (৬৫) নামের একজনকে পেট কেটে ভুরি বের করে হ*ত্যা
করা হয়েছে।
আজ রবিবার (২৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মাথাভাঙ্গা ইউনিয়নের ছয়ফুল্লাকান্দি দক্ষিণ পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রফিকুল ইসলাম বেঙ্গা ওই গ্রামের মৃত ছুনু মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত অলেক মিয়া নামে একজনকে স্থানীয় জনগণ আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। সে একই বাড়ীর মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে ও নিহতের চাচাতো ভাই।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করেন এবং অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যান।
নিহতের স্ত্রী রাশিদা বেগম জানান, আমজাদ হোসেন, আবুল হোসেন, আমির আলী, কমিক মিয়াসহ তিন পরিবারের ১০/১২জন মিলে দশ লাখ টাকা বাজেট করে আমার স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করে। আমি বিষয়টি জানিয়ে হোমনা থানায় লিখিত অভিযোগ করেও আমার স্বামীকে বাঁচাতে পারলাম না। আজ সকালে আমার স্বামীকে মেরে এসে আবার আমাদেরকেও মারার জন্য দল বল নিয়ে হামলা চালায়। আমি আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই।
এ বিষয়ে হোমনা থানা অফিসার ইনচার্জ (ও.সি) মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা যতটুকু দেখেছি জায়গা দখল-বেদখল নিয়েই তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিলো। সে কারণেই এ হত্যাকান্ড হয়েছে বলে ধারণা করছি। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে। এঘটনায় মূল অভিযুক্ত একজনকে আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর পৃথক অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার।
বুধবার (১৪ মে) দুপুরে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানাধীন উত্তর দূর্গাপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত
অভিযানে জেরিন আক্তার (২২) নামক একজন মহিলা মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেয়। এ সময় আসামীর
কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে
দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন দূর্গাপুর দীঘির পাড় এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা
করে। উক্ত অভিযানে মনির (৪২) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর
কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি অটো ট্রলি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। জেরিন আক্তার (২২) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার দূর্গাপুর গ্রামের আব্দুর
রশিদ এর মেয়ে এবং ২। মনির (৪২) একই থানার কৃষ্ণপুর গ্রামের দুদু মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী
এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক
সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক
অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে
র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন