

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার সদর দক্ষিণে জাইতুন রেস্টুরেন্টে নাস্তা খাওয়ার পর ভুলবশত ফেলে যাওয়া বিদেশি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায় শিশুটিকে হস্তান্তর করেন। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শিশুটির নাম নাফিসা বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তারা সপরিবারে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে ঘুরতে এসেছেন।
পুলিশ জানায়, পাকিস্তানের কাশ্মীরের নাগরিক সালমান পরিবার নিয়ে শনিবার কক্সবাজার ঘুরতে যাচ্ছিলেন। সপরিবারে সকালে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড মোস্তফাপুর এলাকার জাইতুন রেস্তোরাঁয় নাশতা করেন। নাশতা শেষে ভুলে শিশু নাফিসাকে হোটেল জাইতুনে রেখে চলে যায় তারা।
রেস্টুরেন্টের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, বিদেশি পরিবারটি প্রায় ১৫ জন সদস্য নিয়ে দুটি গাড়িতে করে এসে জাইতুন রেস্তোরাঁয় বসে নাশতা করছেন। এ সময় তারা গল্প-আড্ডায় মেতে ছিলেন।
জাইতুন রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী লুৎফুর রহমান রিপন বলেন, পাকিস্তানের কাশ্মীরের একটি পরিবার শনিবার সকালে দুটি গাড়িতে করে এসে প্রায় ১৫ জন সদস্য রেস্টুরেন্টে নাস্তা করেন। তারা চলে যাওয়ার সময় ভুলবশত শিশুটিকে রেখে চলে যান। বাচ্চাকে হেফাজতে নিয়ে সদর দক্ষিণ থানায় জানালে পুলিশ উদ্ধার করে। পরে প্রশাসন শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে। সদর দক্ষিণ থানার ওসি রকিকুল ইসলাম বলেন, রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে সমাজসেবা অফিসারের মাধ্যমে পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা আসেন। আইন অনুযায়ী শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় বলেন, আমরা প্রথমে শুনেছিলাম শিশুটির পরিবার কাশ্মিরের। কিন্তু পরিবারের লোকজন শিশুটিকে নিতে এলে জানতে পারলাম তারা পাকিস্তানি। পাকিস্তান থেকে পরিবারের সদস্যরা এসেছেন বাংলাদেশে ঘুরতে। শনিবার দুটি গাড়িতে করে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন সবাই। সকালে তারা কুমিল্লার জাইতুন রেস্টুরেন্টে নাস্তা করেন। নাস্তা শেষ করে পাকিস্তানি পরিবারটি দুটি গাড়িযোগে যাচ্ছিলেন। একটিতে শিশুর বাবা-মা এবং অপরটিতে শিশুর দাদা-দাদি ছিলেন। বাবা-মায়ের ধারণা ছিল দাদা-দাদির গাড়িতে শিশু নাফিসা এবং দাদা-দাদির ধারণা ছিল শিশু নাফিসা তার বাবা-মায়ের গাড়িতে উঠেছে। উভয়ের ভুলে পাকিস্তানি শিশু নাফিসা হোটেল জাইতুনে রয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল এলাকায় গিয়ে শিশু নাফিসাকে দেখতে না পেয়ে কুমিল্লার দিকে রওয়ানা দেয় পাকিস্তানি পরিবারটি। পরে উপজেলা সমাজসেবা অফিস সেই পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করে শিশুটির অবস্থান নিশ্চিত করলে তারা জাইতুন রেস্টুরেন্টে এসে শিশুটিকে নিয়ে পুনরায় কক্সবাজারের দিকে রওনা দেন।
মন্তব্য করুন


মেট্রোরেল নির্বাচনের দিনেও যথা নিয়মে চলবে বলে জানিয়েছেন মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল)।
শনিবার(৬ জানুয়ারি) সকালে ডিএমটিসিএল জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) মোহাম্মদ ইফতিখার হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মোহাম্মদ ইফতিখার হোসেন বলেন, আমরা এই বিষয়ে কোনো ঘোষণা দিইনি। যেহেতু দিইনি, সেহেতু মেট্রোরেল চলবে। যদি না চলতো, তহালে আমরা নোটিশ দিতাম, ঘোষণা দিতাম। শুক্রবার মেট্রোরেলের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন ছাড়া প্রতিদিন নিময় অনুযায়ী মেট্রোরেল সাভাবিক ভাবে চলাচল করবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ। প্রচণ্ড গরমে মানুষের নাভিশ্বাস অবস্হা ।
তীব্র তাপদাহে ইতোমধ্যে সারা দেশে বেশ কয়েকজনের হিট অ্যাটাকে মৃত্যুও হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিন নগরবাসীকে ব্যাগে পানির বোতল, টুপি, ফ্যান, ছাতার মতো জিনিসপত্র রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
তীব্র তাপপ্রবাহের এই পরিস্হিতিতে সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই অবস্থা থেকে সবাইকে বাঁচানোর জন্য তারা নিয়মিত ‘হিট অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইন’ চালাচ্ছেন। চেষ্টা করে যাচ্ছেন কেন ঢাকায় তাপমাত্রা বাড়ছে তা খুঁজে বের করার। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সেটার চেষ্টা সম্পর্কে বুশরা জানান, তার মতে, ঢাকা এবং আশপাশের এলাকায় তাপমাত্রা কমাতে আরও বেশি গাছ লাগানো জরুরি।
তিনি বলেন, আমাদের এখানে রাস্তার ধারে ২ লাখ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর উপযুক্তভাবে রক্ষণাবেক্ষণও করতে হবে। নগরে বনায়ন করা খুব জরুরি। এখানে যে ফাঁকা এবং পরিত্যক্ত জায়গাগুলো পড়ে আছে সেখানে সবুজায়ন করার দিকেও আমরা নজর দিয়েছি। আমাদের এখানে আরও অনেক পার্ক এবং সবুজে ঘেরা জায়গা দরকার। তাতে তাপমাত্রা যেমন কমবে, তেমনই পাখিসহ নানা প্রাণীও ফিরে আসবে।
হিট অফিসার আরো বলেন, ঢাকা শহরের প্রায় ৮০ শতাংশ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এর ফলে নানা রকম সমস্যার সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রাও। দিন দিন বাড়তে থাকা জনসংখ্যার ঘনত্বের কারণে সংকটে পড়া ঢাকার তাপমাত্রা গ্রামাঞ্চলের চেয়ে বেশি হচ্ছে।
নগরের তাপমাত্রা কমাতে ঢাকায় বনাঞ্চল তৈরির পরিকল্পনার বিষয়ে বুশরা আফরিন বলেন, ঢাকায় তাপমাত্রা কমানোর জন্য আমরা ‘টু অ্যাবেল ফরেস্ট’ অর্থাৎ দুটি বন করার চেষ্টা করছি। একটা হচ্ছে মিরপুর কল্যাণপুরের দিকে; অন্যটি বনানীর এক্সপ্রেসওয়ের পাশে।
তিনি বলেন, এই বন দুটি যে শুধু নগরের হিট কমাবে তা নয় পাশাপাশি দূষণ প্রতিরোধেও সহায়তা করবে। একই সঙ্গে তীব্র তাপপ্রবাহ কমাতে শহরের ফাঁকা জায়গাগুলোতে গাছ লাগনো হবেও বলে জানান তিনি।
বুশরা বলেন, তীব্র তাপপ্রবাহে আমরা নিজেরা যদি সচেতন থাকি- আমরা যদি বাসা থেকে বের হওয়ার আগে আমাদের ব্যাগে একটা পানির বোতল, টুপি, ফ্যান, ছাতার মতো জিনিসপত্র সঙ্গে রাখি তাহলে কিন্তু অনেকটাই নিরাপত্তা পেতে পারি।
মন্তব্য করুন


৬
বছর বয়সী এক শিশুর লাশ ফেলে পালিয়েছেন তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা
এক ব্যক্তি। হাসপাতালে আসার পর পুলিশকে নুরনবী
নামের এক ব্যক্তি নিজেকে ওই শিশুটির বাবা পরিচয় দেন। তিনি জানিয়েছিলেন, রাজধানীর যাত্রাবাড়ী
কাজলা এলাকায় বাসার পাশে ভ্যানের ধাক্কায় আহত হয়েছিল শিশুটি।
শুক্রবার
(১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে শিশুটির মৃত্যু হয়।
ঢাকা
মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, সকালে নূরনবী নামে এক ব্যক্তি শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তখন তিনি নিজেকে শিশুটির বাবা পরিচয় দেন এবং জানান তার বাসা যাত্রাবাড়ী কাজলা এলাকায়। সকালে বাসার সামনের রাস্তায় একটি ভ্যানের ধাক্কায় আহত হয়েছে শিশুটি। পরে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় নূরনবী নামে ওই ব্যক্তি।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের
চিকিৎসক ও নার্সরা জানান, সকাল ১০টার দিকে জরুরি বিভাগের ৪ নম্বর রুমে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
মারা যায় শিশুটি। এর পরপরই তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা ওই ব্যক্তি উধাও হয়ে যায়। এরপর
থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নুরনবীর বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার ১ নম্বর
ওয়ার্ডে বলে জানিয়েছিলেন।
মন্তব্য করুন


মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জমায়েত বিশ্ব ইজতেমা শুরু হয়েছে ।
তিন দিনব্যাপী এ বিশ্ব ইজতেমা শুরুর আগে তিনজন ও ইজতেমা শুরু হওয়ার পর একজন মুসল্লি মৃত্যুবরণ করেন। এ নিয়ে বিশ্ব ইজতেমায় চারজন মুসল্লি মারা গেলেন।
শুক্রবার ভোররাতে এখলাস উদ্দিন (৭০) নামে এক মুসল্লি বার্ধক্যজনিত কারণে ইজতেমা ময়দানে মারা যান যার বাড়ি নেত্রকোনা জেলা সদরে।
বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সেলের প্রধান মো. হাবিবুল্লাহ রায়হান মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, ভোররাত ৩টা ১৫ মিনিটে ইজতেমা ময়দানে নির্দিষ্ট খিত্তায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে এখলাস উদ্দিনকে টঙ্গী শহিদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানার কুমরি বাজার গ্রামের আব্দুস সাত্তার (৭০), চাঁপাইনবাবগঞ্জের চৌহদ্দীটোলা গ্রামের জামান মিয়া (৪০) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ধামাউরা গ্রামের ইউনুছ মিয়া (৬৫) নামে ৩ জন মৃত্যুবরণ করেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন
দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও
বিএনপি।
কিন্তু আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। এর পরিবর্তে এই জায়গায় সংস্কার আনতে নতুন দল গঠনের চিন্তাভাবনা করছেন তারা।
অতি সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্যই করেছেন ছাত্র আন্দোলনের চার শিক্ষার্থী।
কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকেই শুরু হয় সরকারবিরোধী আন্দোলন। মানুষের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, সরকারি আমলা ও মন্ত্রী-এমপিদের দুর্নীতি থেকে শুরু করে সব অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলে ‘জেন জি’ হিসেবে পরিচিত তরুণেরা।
সরকারের পতন হয়, ক্ষমতায় আসে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রধান উপদেষ্টা হন নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর উপদেষ্টা পরিষদে ছাত্র আন্দোলনের দুজন সমন্বয়কও রয়েছেন।
এমন অবস্থায় দেশে সংস্কার আনতে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন নিয়ে আলোচনা করছেন শিক্ষার্থীরা। রয়টার্সকে এমনটাই বলেন মাহফুজ আলম নামের এক শিক্ষার্থী। সরকার এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রণি-পেশার মানুষের মধ্যে লিয়াজোঁ করতে গঠিত কমিটির প্রধানের দায়িত্বে আছেন তিনি।
আইন নিয়ে পড়াশোনা করা ২৬ বছর বয়সী মাহফুজ
আলম বলেন, এক মাসের মধ্যে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের
আগে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে এ নিয়ে আলাপ করতে চায় শিক্ষার্থীরা। এর আগে পরিকল্পনার ব্যাপারে
কোথাও বিস্তারিত জানানো হয়নি।
এ নিয়ে সমন্বয়ক তাহমিদ চৌধুরী বলেন, তাদের নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। এর মূল ভিত্তি হবে অসাম্প্রদায়িকতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
তবে, অর্ন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে থাকা দুজন ছাত্র প্রতিনিধি এ ব্যাপারে খোলাশা করে কিছু বলেননি। এমনকি কোন পলিসি নিয়ে তাঁরা কাজ করতে চাইছেন, সেটাও জানাননি। তবে, নির্বাচন কমিশনে ব্যাপক সংস্কারের কথা বলছেন।
এ নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই আন্দোলনের স্পিরিট ছিল মূলত নতুন বাংলাদেশ গঠন করা, যেখানে কোনো ফ্যাসিস্ট বা স্বৈরাচার আর থাকবে না। তা নিশ্চিত করতে গঠনগত সংস্কার দরকার। এতে কিছু সময় তো লাগবেই।’
দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে যে দাবি জানানো হচ্ছে, তা অন্তর্বর্তী সরকার আমলে নিচ্ছে না বলে রয়টার্সকে বলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
এ ব্যাপারে সংবিধান বিশেষজ্ঞ শাহদীন মালিক রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা এখন অজানা নদীতে এসে পড়েছি। সেটা আইনগত ও রাজনৈতিকভাবেও। এই অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা কেমন হবে তাও বলা যাচ্ছে না। কেননা এই সরকার আইন মেনে হয়নি।’
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে
প্রায় ৩০ জনের সঙ্গে কথা বলেছে রয়টার্স। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ছাড়াও রাজনৈতিক দলের নেতা
ও বিশ্লেষক রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বিয়ের
সংবর্ধনা থেকে নবদম্পতির হেলিকপ্টারে করে নতুন জীবনের যাত্রা শুরু হওয়ার কথা ছিল। পরিকল্পনা
ছিল ডিকালব-পিচট্রি বিমানবন্দরে গিয়ে সেখান থেকে আটলান্টার একটি হোটেলে রাত কাটানো।
কিন্তু আনন্দের সেই মুহূর্ত নিমেষেই রূপ নেয় ভয়াবহ ট্র্যাজেডিতে।
বলছি
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের কথা। ডসনভিলের কাছে ‘দ্য
রিভিয়ার’ নামের একটি ভেন্যুতে ডেভ ও জেসনির বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল।
পরিবারের কয়েকশ' অতিথি ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন।
বর
একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। নাম ডেভ ফিজি। তিনি আটলান্টার বাসিন্দা এবং
ডেল্টা এয়ারলাইন্সের একজন পাইলট ছিলেন।
শুক্রবার
(২৯ জুন) ডসন কাউন্টির ডসনভিলের কাছে পাঁচ আসনের একটি 'রবিনসন' হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত
হয়ে ডেভ এবং ওই হেলিকপ্টারের পাইলট মারা যান। ডেভের স্ত্রী জেসনিকে আহত অবস্থায় উদ্ধার
করে কাছের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি এখনো চিকিৎসাধীন।
স্থানীয়
সময়, শুক্রবার (২৯ মে) রাতে আটলান্টার উত্তরে ডসনভিল এলাকার একটি ঘন বনাঞ্চলে এই দুর্ঘটনা
ঘটে।
২৬
বছর বয়সী ডেভ ফিজি এবং তার স্ত্রী জেসনি বিয়ের রিসেপশন শেষে 'রোবিনসন আর-৬৬' হেলিকপ্টারে
করে আটলান্টার একটি হোটেলে যাচ্ছিলেন। পথেই হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।
নববধূ
জেসনি দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ধ্বংসাবশেষের ভেতরে কয়েক ঘণ্টা আটকে ছিলেন। পরে জ্ঞান ফিরলে
তিনি নিজেই জরুরি সেবায় যোগাযোগ করেন এবং উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবারের
বরাত দিয়ে জানা যায়, জেসনি দুর্ঘটনার পর প্রথমে অচেতন হয়ে পড়েন এবং কয়েক ঘণ্টা পর জ্ঞান
ফিরে স্বামীর নিথর দেহ দেখতে পান।
পরিবারের
সদস্যদের দাবি, উড্ডয়নের আগে খারাপ আবহাওয়ার কারণে ফিজি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ
করেছিলেন। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে যায়।
বিধ্বস্ত
হেলিকপ্টারটির মালিকানা প্রতিষ্ঠান 'প্রেস্টিজ হেলিকপ্টারস'-এর অপারেশন ডিরেক্টর অ্যান্ডি
হুইটেকার বলেন, কোম্পানির ইতিহাসে এমন দুর্ঘটনা এই প্রথমবারই হয়েছে। এছাড়া, সংশ্লিষ্ট
পাইলটও ওই রুটের বিষয়ে বেশ অভিজ্ঞ ছিলেন।
মার্কিন
ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড এরইমধ্যে এই দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আগামী
৩০ দিনের মধ্যে তারা একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


গরমের
দিনে এক স্কুপ ঠাণ্ডা আইসক্রিম যেন মুহূর্তেই এনে দেয় স্বস্তি। শিশু থেকে শুরু করে
বড়দের কাছেও সমান জনপ্রিয় এই খাবারটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর পালিত হয় ন্যাশনাল
আইসক্রিম ডে।
শুধু
একটি দিন নয়, আইসক্রিমের জনপ্রিয়তাকে উদযাপন করতে পুরো একটি মাসকেও উৎসর্গ করা হয়েছে
এই ঠাণ্ডা মিষ্টান্নের নামে।
ভ্যানিলা,
চকোলেট, স্ট্রবেরি, পেস্তা—আইসক্রিমের স্বাদের তালিকা যেন শেষ
হওয়ার নয়। সাধারণ কাপ বা কোণ ছাড়াও এখন আইসক্রিম দিয়ে তৈরি হচ্ছে নানা ধরনের ডেজার্ট।
আইসক্রিম কেক, মিল্কশেক, স্যান্ডউইচ কিংবা জনপ্রিয় বানানা স্প্লিটের মতো খাবারও তৈরি
হচ্ছে এই প্রিয় উপাদান দিয়ে।
আইসক্রিম
দিবস উদযাপনের ধরনও বেশ সহজ। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে প্রিয় স্বাদের আইসক্রিম খাওয়া,
নতুন কোনো ফ্লেভার চেখে দেখা কিংবা ঘরেই নিজের পছন্দের উপকরণ দিয়ে আইসক্রিম তৈরি করা—সবই
হতে পারে উদযাপনের অংশ।
তবে
আজকের আধুনিক আইসক্রিমের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস। ধারণা করা হয়, এই খাবারের শিকড়
প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরোনো।
খ্রিষ্টপূর্ব
প্রায় ৫০০ সালের দিকে ইরানের আচেমেনিড সাম্রাজ্যে বরফের সঙ্গে বিভিন্ন স্বাদ ও উপকরণ
মিশিয়ে ঠাণ্ডা খাবার তৈরি করা হতো। গরমের সময় রাজপরিবারের জন্য এমন খাবার বিশেষ জনপ্রিয়
ছিল।
পরবর্তীতে
পারস্যে তৈরি হয় আরও উন্নত ধরনের ঠাণ্ডা খাবার, যেখানে বরফের সঙ্গে সেমাই, গোলাপজল,
ফল, জাফরানসহ বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করা হতো। এই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় ইরানের জনপ্রিয়
‘বাসতানি সোনাতি’ আজও বিশেষ পরিচিত। পেস্তা, জাফরান,
গোলাপজল, ভ্যানিলা, দুধ ও ডিমের মিশ্রণে তৈরি এই আইসক্রিমের স্বাদ আলাদা বৈশিষ্ট্যের
জন্য বিখ্যাত।
একসময়
আইসক্রিম ছিল বিলাসী খাবার। কারণ গরমের দেশে বরফ সংরক্ষণ ও সংগ্রহ করা ছিল কঠিন কাজ।
ফলে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল এটি। তবে হিমায়ন প্রযুক্তির উন্নতির পর বদলে
যায় চিত্র। এখন বছরের যেকোনো সময় বিশ্বের প্রায় সব দেশেই পাওয়া যায় আইসক্রিম।
যুক্তরাষ্ট্রে
ন্যাশনাল আইসক্রিম ডে চালু হয় ১৯৮৪ সালে। দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট Ronald
Reagan এই দিবসের ঘোষণা দেন। আইসক্রিমের ব্যাপক জনপ্রিয়তার কথা বিবেচনা করে তিনি জুলাই
মাসকে ‘ন্যাশনাল আইসক্রিম মাস’ হিসেবেও ঘোষণা করেছিলেন।
বর্তমানে
আইসক্রিম শুধু কোনো নির্দিষ্ট দেশের খাবার নয়। বিশ্বের নানা প্রান্তে মানুষের পছন্দ
ও সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে তৈরি হয়েছে অসংখ্য নতুন স্বাদ। তাই একটি সাধারণ ঠান্ডা মিষ্টান্ন
থেকে আইসক্রিম এখন পরিণত হয়েছে আনন্দ, উৎসব ও স্মৃতির অংশে।
মন্তব্য করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জে
মাদক মামলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মো. ইব্রাহীম
(৩৩) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
এ
ছাড়া উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১২ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ
হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত
যুবক শাহজাহানপুর ইউনিয়নের চরদূর্লভপুর গ্রামের শওকত আলীর ছেলে।
নিহতের
পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১০ জুন) সকল সাড়ে ৮টার
দিকে মাদক মামলায় হাজতে থাকা ফাহাদ নামের এক ব্যক্তির পরিবার ও স্বজনরা মামলার খরচ
নিয়ে ওই মামলায় জড়িত পলাতক আসামি একই গ্রামের রুবেলের বাবা মনিরুল ইসলাম ও তার লোকজনের
সঙ্গে সালিশে বসে। কিন্তু সালিশে কোনো ফল না হওয়ায় উভয়পক্ষ সকাল ১০টার দিকে দেশি অস্ত্র,
ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে প্রতিপক্ষের হামলায়
আহত হন ইব্রাহীম। তাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক ১২টার দিকে মৃত ঘোষণা
করেন।
অন্যদের
হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সদর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একরামুল হোসাইন বলেন, মামলাসংক্রন্ত শত্রুতা নিয়ে সালিশের
পর ঘটনাটি ঘটেছে। বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের
জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান
ওসি।
মন্তব্য করুন


বিপিএলের ব্যস্ততা শেষ হয়েছে শুক্রবার। এখন আবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিরছে দেশের ক্রিকেট।পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে এসেছে শ্রীলঙ্কা দল। তাদের বিপক্ষে সিরিজ শুরু হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি দিয়ে।
এই সিরিজের টিকিটের মূল্য ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) । তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টির সবগুলোই হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের টিকিট কেনা যাবে ১৫০০ টাকায়।
সর্বনিম্ন মূল্য গ্রিন ও ওয়েস্টার্ন গ্যালারির, এখানে খেলা দেখতে ২০০ টাকা খরচ করতে হবে। এছাড়া ক্লাব হাউজ ৫০০ ও ইস্টার্ন গ্যালারির জন্য খরচ করতে হবে ৩০০ টাকা। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও রিকাভিবাজারের কাউন্টার থেকে টিকিট কেনা যাবে। সকাল দশটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত খোলা থাকবে বুথ।
আগামী ৪ মার্চ প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। দ্বিতীয় ম্যাচ ৬ মার্চ, দুটি ম্যাচই হবে সন্ধ্যা ছয়টায়। ৯ মার্চ তৃতীয় টি-টোয়েন্টি শুরু হবে বিকেল তিনটায়। এরপর তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট খেলবে শ্রীলঙ্কা।
মন্তব্য করুন


তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হোর্তা বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের তাঁর দেশে বিনিয়োগের আহবান জানিয়েছেন।
আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক এবং প্রতিনিধিদলের আলোচনার পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে রামোস-হোর্তা বলেন, আমি মনে করি আমরা বাংলাদেশ থেকে আরও পণ্য আমদানি করতে পারি এবং বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোকে তিমুর-লেস্তে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাই। আগামী বছর আমরা আসিয়ানের সদস্য হব এবং সেইসাথে ৭০০ মিলিয়ন জনগোষ্টির অঞ্চলের অংশ হয়ে উঠব। আগামী বছর তিমুর-লেস্তে ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি জিডিপি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হবে। তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন যে বাংলাদেশ তাঁর দেশের উন্নয়নে অংশীদার হবে।
রামোস-হোর্তা বলেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূস বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত নেতা, যিনি এখনও সক্রিয়ভাবে অফিসে কাজ করছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টাকে নেলসন ম্যান্ডেলা, জন এফ কেনেডি, মহাত্মা গান্ধী, ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভারের মতো বিশ্ব নেতাদের সাথে তুলনা করেন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ অত্যন্ত সৌভাগ্যবান, খুবই ভাগ্যবান যে এমন একজন নিরহঙ্কার ও বিনয়ী মানুষ দেশের নেতৃত্বে রয়েছেন। তিনি আপনাদের তরুণদের সাথে কাজ করছেন দেশের পরিববর্তনের জন্য।'
বাংলাদেশ ও তিমুর-লেস্তের জনগণের ভোগান্তির ইতিহাস প্রায় একই রকম উল্লেখ করে তিমোর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ দৃঢ়চেতা, পরিশ্রমী, সৃজনশীল ও সফল।
অধ্যাপক ইউনূসকে তার ভাই, বন্ধু ও পরামর্শক উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশ সরকারকে তাকে আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এখানে এসে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন।
সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট এবং তার সফরসঙ্গীরা গতকাল রাত ১০টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (এইচএসআইএ) অবতরণ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস তাকে গার্ড অব অনার এবং গান স্যালুটের মাধ্যমে অভ্যর্থনা জানান।
আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক এবং প্রতিনিধিদলের আলোচনার পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে রামোস-হোর্তা বলেন, আমি মনে করি আমরা বাংলাদেশ থেকে আরও পণ্য আমদানি করতে পারি এবং বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোকে তিমুর-লেস্তে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাই। আগামী বছর আমরা আসিয়ানের সদস্য হব এবং সেইসাথে ৭০০ মিলিয়ন জনগোষ্টির অঞ্চলের অংশ হয়ে উঠব। আগামী বছর তিমুর-লেস্তে ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি জিডিপি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হবে। তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন যে বাংলাদেশ তাঁর দেশের উন্নয়নে অংশীদার হবে।
রামোস-হোর্তা বলেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূস বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত নেতা, যিনি এখনও সক্রিয়ভাবে অফিসে কাজ করছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টাকে নেলসন ম্যান্ডেলা, জন এফ কেনেডি, মহাত্মা গান্ধী, ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভারের মতো বিশ্ব নেতাদের সাথে তুলনা করেন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ অত্যন্ত সৌভাগ্যবান, খুবই ভাগ্যবান যে এমন একজন নিরহঙ্কার ও বিনয়ী মানুষ দেশের নেতৃত্বে রয়েছেন। তিনি আপনাদের তরুণদের সাথে কাজ করছেন দেশের পরিববর্তনের জন্য।'
বাংলাদেশ ও তিমুর-লেস্তের জনগণের ভোগান্তির ইতিহাস প্রায় একই রকম উল্লেখ করে তিমোর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ দৃঢ়চেতা, পরিশ্রমী, সৃজনশীল ও সফল।
অধ্যাপক ইউনূসকে তার ভাই, বন্ধু ও পরামর্শক উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশ সরকারকে তাকে আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এখানে এসে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন।
সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট এবং তার সফরসঙ্গীরা গতকাল রাত ১০টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (এইচএসআইএ) অবতরণ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস তাকে গার্ড অব অনার এবং গান স্যালুটের মাধ্যমে অভ্যর্থনা জানান।
মন্তব্য করুন