

সুনামগঞ্জের
সুরমা নদীর কয়েকটি পয়েন্টে পানি কিছুটা বেড়েছে। কুশিয়ারার মারকুলি স্টেশনে পানি এখনো
বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা পুরোপুরি কাটেনি।
পাউবো
সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১২ জুলাই) সকাল ৯টায় জেলার প্রধান নদ-নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার
নিচে থাকলেও কয়েকটি পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
জেলা
সদরের প্রধান নদী সুরমার শহরের ষোলঘর পয়েন্টে ৭ দশমিক ৪০ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে,
যা মৌসুমি বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এখানে পানির উচ্চতা ১৫
সেন্টিমিটার বেড়েছে। একই সময়ে সুনামগঞ্জে ৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
ছাতক
পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি ৮ দশমিক ৬৮ মিটার উচ্চতায় রয়েছে, যা বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার
নিচে। এ সময়ে ছাতকে ৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টিপাত কম হলেও উজানের
ঢলে ছাতকের নদ-নদীতে পানি বেড়েছে। উজানের ঢল অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
গত
২৪ ঘণ্টায় জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে তাহিরপুর
উপজেলার লাউড়েরগড়ে। অব্যাহত বর্ষণ ও ভারতের মেঘালয় অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায়
আগামী কয়েক দিনে নদ-নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পাউবো
জানিয়েছে, শনিবার বিকালে সুনামগঞ্জ শহরের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানির উচ্চতা ছিল
৭ দশমিক ৪০ মিটার, যা মৌসুমি বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার নিচে। গত ২৪ ঘণ্টায় এখানে পানির
উচ্চতা ১৫ সেন্টিমিটার বেড়েছে। একই সময়ে জেলায় ৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে,
যা আগের ২৪ ঘণ্টার ৭৭ মিলিমিটারের তুলনায় কম। তবে পাহাড়ি ঢলের পানি নামা অব্যাহত আছে।
পাউবোর
সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. এমদাদুল হক বলেন, আপাতত বৃষ্টি কিছুটা
কমে নদ-নদীর পানি হ্রাস পেলেও আগামী দিনগুলোতে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বৃষ্টি
বাড়লে নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে এবং স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি
হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে
সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় জেলার ১২টি উপজেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জেলা
প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান জানান, জেলার ১ হাজার ৩১১টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত
রাখা হয়েছে। উদ্ধারকাজের জন্য পর্যাপ্ত নৌযান, স্বেচ্ছাসেবক এবং ১ হাজার ৫৬টি মেডিকেল
টিম প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ২০০ প্যাকেট শুকনা খাবার ও জিআর চাল
বিতরণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে।
প্রশাসনের
পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারি বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে পরিস্থিতি
দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে। তাই জরুরি সেবা সচল রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সম্ভাব্য
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সুনামগঞ্জে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। জেলা
ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। একই সঙ্গে সুনামগঞ্জ ৪ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
বাড্ডা থানা এলাকায় একটি প্রাইভেটকার থেকে ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে ট্রাফিক পুলিশ।
এ সময় গাড়ির চালক গাড়ি রেখে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বুধবার
(৮ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট দেবু বড়ুয়া।
তিনি
জানান, বুধবার সকাল ১০টার দিকে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে একটি নিশান মডেলের
প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৫৩১৭) বেপরোয়াভাবে চলছিল। এ সময় দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক
পুলিশ গাড়িটিকে থামার সংকেত দেয়।
পরে
চালক গাড়ি থামিয়ে দ্রুত নেমে দৌড়ে পালিয়ে যান। এরপর পুলিশ গাড়িটির ব্যাগডালা খুলে সাদা
রঙের পাঁচটি বস্তা দেখতে পায়। বস্তাগুলো তল্লাশি করে মোট ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা
হয়।
সার্জেন্ট
দেবু বড়ুয়া আরও জানান, চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা যায়নি। উদ্ধার করা গাঁজা পরবর্তী
আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাড্ডা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায়
আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলবে।
মন্তব্য করুন


ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউমের’ প্রভাবে মঙ্গল, বুধ এবং বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত সোমবার (৪ ডিসেম্বর) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আগামী বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
তবে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল এবং নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। তাছাড়া সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) রাজশাহী, ময়মনসিংহ, বরিশাল, ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের অধিকংশ জায়গায় এবং রংপুর বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। তখন সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।
মন্তব্য করুন


শহীদ
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত কর্মসূচি
ঘোষণা করেছে বিএনপি। আগামী ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে। সোমবার রাজধানীর
নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
এর
আগে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন রুহুল কবির রিজভী।
সভায় দলের যুগ্ম মহাসচিববৃন্দ, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য
সচিব, এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি, আহ্বায়ক, সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য
সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।
ঘোষিত
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ৩০ মে ভোর ৬টায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ
ও কালো পতাকা উত্তোলন। এইদিন সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রী
ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি’র জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে পুস্পার্ঘ অর্পণ ও মাজার জিয়ারত করবেন এবং
জিয়ারত শেষে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে মাজার প্রাঙ্গণে দোয়া মাহফিলে শরীক হবেন।
দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতি থানায় দুঃস্থদের মাঝে কাপড়, চাল,
ডালসহ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ।
৩১
মে বেলা ২টায় রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে
বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ৩০ মে দিনব্যাপী ঢাকা মহানগর উত্তর
ও দক্ষিণের প্রতিটি থানায় দুঃস্থদের মাঝে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা
হবে।
কর্মসূচির
অংশ হিসেবে পোস্টার প্রকাশ, কালো ব্যাজ ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্রে ক্রোড়পত্র
প্রকাশ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর উদ্যোগে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। একইসঙ্গে
সারা দেশে জেলা ও মহানগর পর্যায়ে দলীয় ইউনিট কার্যালয়গুলোতে ৩০ মে ভোর ৬টায় পতাকা অর্ধনমিতকরণ
ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।
এছাড়া
নিজ নিজ এলাকার সুবিধা অনুযায়ী আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য ও
বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিও পালন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিচার বিভাগের মর্যাদা, ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকার এবং আইনজীবীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে কুমিল্লায় নবাগত বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেমায়েত উদ্দিন-কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নিয়েছে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) বিকেলে কুমিল্লা আইনজীবী সমিতি ভবনের দ্বিতীয় তলার ৭ নম্বর হলরুমে জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শুরু থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। নবীন-প্রবীণ আইনজীবীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং আন্তরিক অভ্যর্থনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো মিলনায়তন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ সহিদ উল্লাহ। সঞ্চালনায় ছিলেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ মাহাবুবুল হক খন্দকার, যিনি সুচারুভাবে পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই নবাগত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেমায়েত উদ্দিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত আইনজীবীরা করতালির মাধ্যমে তাঁকে স্বাগত জানান এবং তাঁর নেতৃত্বে কুমিল্লার বিচার বিভাগ আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসান বলেন, বিচারক ও আইনজীবীরা একই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেন—ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে পারস্পরিক সম্মান, আন্তরিকতা ও পেশাগত সৌহার্দ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নবাগত জেলা জজের সফল দায়িত্বপালন কামনা করেন।
ওই অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ মাহাবুবুল হক খন্দকার।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন- জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইসমাইলসহ সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে নবাগত জেলা জজের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, কুমিল্লার বিচারাঙ্গন দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নবাগত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজের অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও কর্মদক্ষতা বিচার বিভাগের কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে বিচারক ও আইনজীবীদের পারস্পরিক সহযোগিতা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার অন্যতম ভিত্তি বলেও উল্লেখ করেন। তারা আরও বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমানো এবং বিচার ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করতে বিচারক ও আইনজীবীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
সংবর্ধনার জবাবে নবাগত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেমায়েত উদ্দিন জেলা আইনজীবী সমিতির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা অটুট রাখতে সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনই তাঁর প্রধান অঙ্গীকার। আইনজীবীদের সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে কুমিল্লার বিচার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে জেলা আইনজীবী সমিতির নবীন ও প্রবীণ আইনজীবীরা ছাড়াও বিভিন্ন আদালতের বিচারক, সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং বিচারাঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল সৌহার্দ্য, আন্তরিকতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের অনন্য এক পরিবেশ, যা কুমিল্লার বিচারাঙ্গনে নতুন কর্মউদ্দীপনা ও আশার বার্তা ছড়িয়ে দেয়।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় এবং স্মৃতিচারণমূলক আলোকচিত্র ধারণের মধ্য দিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। উপস্থিত আইনজীবীদের প্রত্যাশা, নবাগত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজের বিচক্ষণ নেতৃত্বে কুমিল্লার বিচার ব্যবস্থা আরও গতিশীল, স্বচ্ছ, মানবিক এবং ন্যায়ভিত্তিক হয়ে উঠবে।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে
নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) বিকেলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে এই সাক্ষাৎ
অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম বিষয়ে আলোচনা
করা হয়।
এ সময় ব্রিটিশ হাইকমিশনের সেকেন্ড
সেক্রেটারি এলি বুট উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানান, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ
অনুযায়ী বেশ কিছু সংস্কার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের দায়িত্ব ও সুরক্ষা-সংক্রান্ত
অধ্যাদেশ প্রণয়নের বিষয়ও বিবেচনা করা হচ্ছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনা প্রবাহের তথ্য প্রচারে তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
ওপর বেশ কয়েকটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করা হয়েছে এবং সেগুলো গণমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।
এর পাশাপাশি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ওপর কয়েকটি প্রকাশনাও তৈরি করা হয়েছে।
সাক্ষাতকালে তথ্য উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম জানান, আগামী ৫ই আগস্ট উদ্যাপন
উপলক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও কিছু প্রামাণ্যচিত্র ও প্রকাশনা তৈরি করা হবে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেন, দেশের
গণমাধ্যমের ওপর সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। বর্তমান অন্তর্বর্তী
সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।
সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, এ বছর বিশ্ব মুক্ত
গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশ উন্নতি করেছে।
এ সাফল্যের জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
এ সময় ব্রিটিশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার বিষয়ে হাইকমিশনার
তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
তিনি বাংলাদেশের গণমাধ্যমের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ
করেন।
সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যকার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা
হয়।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রথমবারের মতো সেনাসদরে গেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা সেনাসদরে পৌঁছালে সেনাবাহিনী
প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তাঁকে স্বাগত জানান।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টাকে জাতীয় নিরাপত্তার
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি সম্পর্কে ব্রিফ করা হয়। পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা কর্তৃক
প্রদত্ত মূল্যবান দিকনির্দেশনাসমূহ সম্মিলিতভাবে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং
বাস্তবায়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালনে অত্যন্ত সহায়ক হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
মো: তৌহিদ হোসেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো: জাহাঙ্গীর আলম
চৌধুরী, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারি লেফটেন্যান্ট
জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো: মাহবুব হোসেন, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী
প্রধান, পিএসও এএফডি, সামরিক ও অসামরিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, পুলিশ মহাপরিদর্শক এবং
গোয়েন্দা সংস্থাসমূহ, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি, র্যাব এর মহাপরিচালকগণ
ও সেনাসদরের কর্মকর্তাগণ।
(খবর বাসসের)
মন্তব্য করুন


নিম্নচাপের
প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে আবারও পাহাড়ধসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা
এড়াতে নগরের ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি ও সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে
সরে যেতে মাইকিং করছে জেলা প্রশাসন। পাশাপাশি পাহাড়সংলগ্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও
মসজিদকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সোমবার
সকাল থেকে জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে বাসিন্দাদের ঝুঁকিপূর্ণ
এলাকা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এর আগে রোববার রাতেও নগরের বিভিন্ন
পাহাড়ি এলাকায় সতর্কতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।
এদিকে
রোববার রাতে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও কক্সবাজার শহরে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায়
নারী ও শিশুসহ অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর চট্টগ্রামেও পাহাড়ধসের ঝুঁকি
নিয়ে সতর্কতা আরও জোরদার করা হয়েছে।
জেলা
প্রশাসন জানিয়েছে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত জারির পর পাহাড়ধসের
ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে
প্রশাসনের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে।
চট্টগ্রামের
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া বলেন, ‘শনিবার রাত থেকে বৃষ্টিপাত অব্যাহত
রয়েছে। পাহাড়ধসের আশঙ্কা বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে
সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। জেলা প্রশাসনের ছয়জন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিজ নিজ এলাকায়
তদারকি করছেন। মাইকিংয়ের পাশাপাশি স্থানীয়দের সরিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া
হয়েছে।’
তিনি
আরও বলেন, ‘নগরের আকবরশাহ এলাকার ঝিল-১, ঝিল-২ ও ঝিল-৩, বিজয়নগর পাহাড়, শান্তিনগর পাহাড়
এবং বেলতলীঘোনা পাহাড়ে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলছে।’
চান্দগাঁও
সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্লাবন কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘টাংকির পাহাড়, আমিন জুট
মিল এলাকা, পাহাড়িকা, সমবায় আবাসিক, সমসাময়িক গৃহ নির্মাণ এলাকা, মিয়ার পাহাড় এবং মুরাদপুর
রেলস্টেশনসংলগ্ন রেলওয়ের পাহাড়ে বসবাসকারীদের সতর্ক করা হচ্ছে। এসব এলাকার নিকটবর্তী
কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’
আগ্রাবাদ
সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীর হাসান তুরান জানান, লালখান বাজারের পোড়া কলোনি,
ঢেবারপাড়, আমবাগানসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকা এবং উত্তর হালিশহর সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় মাইকিং
করে বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের
মতে, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। তাই পাহাড় কেটে গড়ে
ওঠা বসতি কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ ঢালের নিচে বসবাসকারীদের কোনো অবস্থাতেই সেখানে অবস্থান
না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে।
মন্তব্য করুন


দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও তীব্র শীত আর অনুভূত হচ্ছে না। তাপমাত্রা কিছুটা উঠানামার মধ্যে থাকলেও কনকনে ঠান্ডা আর অনুভূত হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে বৃষ্টিরও পূর্বাভাস নেই।
আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমলেও দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তীত থাকতে পারে। (৩ ফেব্রুয়ারি) শনিবার সকাল ৯টায় পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবহাওয়াবিদ খোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, শীতের তীব্রতা আর থাকবে না; তবে শীত একদম বিদায়ও নিচ্ছে না। ফেব্রুয়ারিজুড়ে মৃদু শীত অনুভূত হবে।তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একটা মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস থাকলেও জোরালো না।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। অপর দিকে মংলা ও ভোলায় সর্বোচ্চ ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এদিন ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস বলছে, সারাদেশে শনিবার তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলেও রাতে ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। এ ছাড়া রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। পরদিন সোমবারও (৫ ফেব্রুয়ারি) দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
সিনপটিকে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী, আগামী কয়েক দিন অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যান্য জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে।
আর বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়া
রেলওয়ে স্টেশনে অভিযান চালিয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১১ নারীকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে
পুলিশ। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে তাদের আটক করা
হয়।
বিষয়টি
নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শাহ আলম মিয়া জানান, গোপন
তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে ওই নারীদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের সবার বাড়ি জেলার
নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে।
পুলিশের
দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া নারীরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ট্রেনে যাত্রী সেজে চলাচল করতেন।
সুযোগ বুঝে নারী যাত্রীদের গলার চেইন, কানের দুলসহ স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
রেলওয়ে
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন
থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো
হয়েছে।
এ
ধরনের অপরাধ দমনে রেলওয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান
তিনি।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত
পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন থেকে ব্যয় হবে ৪ হাজার
৫৩৬ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ হিসেবে যোগ হবে ২ হাজার ৪৬৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার
(১৬ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায়
সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। সভায় মন্ত্রিসভার সদস্য
এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুমোদিত
প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন তিনটি এবং সংশোধিত দুটি প্রকল্প রয়েছে। প্রকল্পগুলো বিভিন্ন
খাতে অবকাঠামো উন্নয়ন, নদী ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণকে
কেন্দ্র করে গৃহীত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ের অধীনে ‘Supporting Infrastructure Project for Chinese Economic and
Industrial Zone’ শীর্ষক একটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এই প্রকল্পটি দেশের শিল্পায়ন
ত্বরান্বিত করতে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অবকাঠামোগত সহায়তা জোরদারে ভূমিকা রাখবে বলে
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
পানি
সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে তিনটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফেনী
জেলার মুহুরী-কহুয়া এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ ব্যবস্থার পুনর্বাসন
প্রকল্পের প্রথম পর্যায়। একই সঙ্গে করতোয়া নদী সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প এবং পদ্মা নদীর
ভাঙন থেকে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর ও কুমারখালী উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা রক্ষায় একটি
সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীভাঙন প্রতিরোধ,
কৃষি সেচব্যবস্থা উন্নয়ন এবং বন্যা ঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করা
হচ্ছে।
শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘১০০টি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন’
প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধিত প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং
দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে এই প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এছাড়া
৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত চারটি প্রকল্প সম্পর্কে একনেক সভায় অবহিত করা হয়, যেগুলো
পূর্বে পরিকল্পনা মন্ত্রীর অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কক্সবাজারে বিমান বাহিনী
ঘাঁটিতে ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ, সাভারে নৌবাহিনী স্কুল ও কলেজ স্থাপন, শমসেরনগরে
বিমান বাহিনী শাহীন কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্যাগোডাভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক ও নৈতিক
শিক্ষা কার্যক্রমের চতুর্থ পর্যায়।
সভায়
উপস্থিত মন্ত্রীরা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি, ব্যয় কাঠামো এবং বাস্তবায়ন কৌশল
নিয়ে আলোচনা করেন এবং দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন