

কুমিল্লা জেলার চান্দিনায় গরুর গোবর ফেলাকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের হাতে খুন হলো আপন বড় ভাই হানিফ মিয়া (৩৫)।
বুধবার (২৭ মার্চ) দুপুরে চান্দিনা উপজেলা সদরের আনিছ মোহাম্মদ এর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চান্দিনা থানার এস.আই মো. গিয়াস উদ্দিন।
নিহত হানিফ মিয়া ওই এলাকার আনু মিয়ার ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে বড় হানিফ। হত্যাকারি আনিছ মিয়া নিহতের আপন ছোট ভাই।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা দুই ভাইয়ের পৃথক গরুর খামার আছে। বাড়ির পাশের একটি অন্যের খালি জায়গায় দুই ভাই দীর্ঘদিন যাবৎ গরুর গোবর ফেলে আসছে। বুধবার দুপুরে ওই স্থানে গরুর গোবর ফেলাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। চরম উত্তেজনার মধ্যে মেঝ ভাই আনিছ মিয়া বড় ভাই হানিফ মিয়াকে মারধর করে এক পর্যায়ে তাকে কাঠের চোখা টুকরো দিয়ে আঘাত করায় ওই কাঠের চোখা অংশ বাম চোখের ভিতর দিয়ে মাথায় ঢুকে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. আরিফুর রহমান জানান, তার শরীরের বিভিন্ন অংশের ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রচন্ড রক্তক্ষরণ ও মস্তিস্কে আঘাত জনিত কারণে মৃত্যু ঘটে তার।
ঘটনাস্থল থেকে চান্দিনা থানার এস.আই মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, ঘটনার পরপর হত্যাকারী পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থাসহ হত্যাকারীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা শিশু পার্ক এমন এক জায়গায় যেখানে আনাগোনা সব বয়সী মানুষের হয়, ছোট থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত।
শিশুরা এসে ঘুরে বেড়ানোর জন্য এখানে অনেক রাইড,দোলনা সহ অনেক কিছু যেমন আছে বয়সী ব্যক্তিরা এসেও যেন এখানে দু'দন্ড গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিতে পারে তেমন পরিবেশ রয়েছে।
সারা দেশের দেয়ালগুলো শিক্ষার্থীদের আঁকা গ্রাফিতিতে সুন্দরভাবে সেজে উঠেছে।
কুমিল্লার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই শিশু পার্কের দেয়ালগুলো এর ব্যতিক্রম নয়।
বর্ণিল ক্যালিগ্রাফি আর গ্রাফিতিতে ভরে উঠেছে শিশু পার্কের প্রবেশের তোরণ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৪০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ডিবি।
শনিবার (২১ ভোরে কুমিল্লা-বুড়িচং সড়কের কুমিল্লা সদর উপজেলার আমড়াতলীর কবিরাজ বাজার এলাকা থেকে আজাদ ও রমজান নামে দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের সঙ্গে থাকা ৪০ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।
শনিবার পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ডিবির ওসি সাজ্জাদ করিম খান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদেরে ভিত্তিতে শনিবার ভোরেসদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নের কবিরাজ বাজারে বুড়িচং-কুমিল্লাগামী পাকা রাস্তার উপর পৌছিয়া ওৎপেতে থাকেন এসআই জীবন বিশ্বাস, এএসআই মোহাম্মদ ফোরকান, ডিবি সদস্য আসাদ মিয়া, সানি বড়ুয়া ও নুরুল ইসলাম একটি কার্গো ট্রাককে থামিয়ে গাড়ি বডির নিচে তল্লাশী করে স্কচটেপ মোড়ানো ৪০ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়। এসময় গাঁজা পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাকটিও জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়।
আসামীরা হলো: ট্রাক চালক মোঃ আজাদ মিয়া (৪৫) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগন্ডা গ্রামের মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে এবং মোঃ রমজান আলী (৫০) কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার দক্ষিণ গ্রামের মৃত আবদুল মজিদের ছেলে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানার পুলিশ।
গতকাল (৮ মে) বিকালে কোতয়ালী মডেল থানার এসআই শেখ মফিজুর রহমান
ও সঙ্গীয় ফোর্স বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোতয়ালী মডেল থানাধীন পাঁচথুবী ইউনিয়নের
পাঁচথুবী পশ্চিমপাড়া রমিজ মিয়ার বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপরে ৩০ কেজি গাঁজাসহ মাদক
ব্যবসায়ী রাসেল ও জামাল কে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: কুমিল্লা
জেলার ইটাল্লা (পূর্ব পাড়া) এলাকার মৃত শাহ আলম এর ছেলে রাসেল(২২) এবং একই এলাকার আব্দুর
রহমান এর ছেলে জামাল(৪০)।
উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা
দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১,১৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
সোমবার (১৩ মে) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন অরন্যপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী তানভীর ইসলাম আনিস নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১,১৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী তানভীর ইসলাম আনিস (২৫) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বিবির বাজার গ্রামের মৃত নাবালক মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


৫ অক্টোবর , শনিবার কুমিল্লা শহরের নিউমার্কেট, ঝাউতলাসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা এ অভিযান পরিচালনা করে ।
বাজার তদারকির এ অভিযানে ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে চার প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয় এবং অন্যদের সতর্ক করা হয়।
জনস্বার্থে
এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
নগরীতে ফুটপাত দখল করে অবৈধ দোকান ও হকার বসিয়ে ভাড়া দেয়ার অভিযোগে ৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের
ট্রেড লাইসেন্স সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক)। নগরীর যানজট
নিরসন, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে চলমান অভিযানের
অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন। পরে
আজ (সোমবার, ৬ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের উপপ্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো.
মুস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক স্মারকে এ তথ্য জানানো হয়।
স্মারকে
জানানো হয়, কুসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন জানান, গত কয়েকদিন ধরে নগরীর
গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যানজট কমানো এবং ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা
করা হচ্ছে। অভিযানের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সচেতন করতে মাইকিং, লিখিত নোটিশ এবং গণমাধ্যমে
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে।
তিনি
বলেন, ‘সিটি প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপুসহ আমরা নিজেরা মাঠে গিয়ে নির্দেশনা দেই। পরে
বারবার সতর্ক করার পরও কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দোকানের সামনের ফুটপাত দখল করে অবৈধ
হকার ও অস্থায়ী দোকান বসিয়ে ভাড়া দিয়ে আসছিলো। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় রানীরবাজার
এলাকার আটটি প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।’স্থগিত
হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— সারা বয়লার হাউস, আরব সুইট অ্যান্ড
বেকারি, ট্রাই বেকারি, কাজী ফজলুল হক স্টোর, জেলিকা বেকারি, আল বারাকা হোটেল, মেসার্স
হাজী অ্যান্ড সন্স এবং আবেদন স্টোর।
নগরীর
ফুটপাত, সড়ক এবং সড়কের পাশের দোকানের সামনে অবৈধভাবে হকার, ভ্যানগাড়ি ও অস্থায়ী দোকানপাট
বসিয়ে যানজট সৃষ্টি করা হচ্ছে। এর ফলে পথচারীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি
নগরীর স্বাভাবিক যান চলাচলও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্মারকে
আরও বলা হয়, এ সমস্যা নিরসনে কুসিকের পক্ষ থেকে একাধিকবার নোটিশ প্রদান, মাইকিং, পত্রিকায়
বিজ্ঞাপন প্রকাশ, উচ্ছেদ অভিযান এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হলেও কিছু ব্যবসা
প্রতিষ্ঠান তা উপেক্ষা করে দোকানের সামনে অবৈধ হকার ও ভ্যানগাড়ি বসাতে সহযোগিতা করে
আসছে। তদন্তে এসব প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ার পরই তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক
ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়।
কুমিল্লা
সিটি করপোরেশন জানায়, প্রচলিত আইন লঙ্ঘন করে নগরীতে যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করায়
সংশ্লিষ্ট আটটি প্রতিষ্ঠানের নামে ইস্যুকৃত ট্রেড লাইসেন্স সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য,
সম্প্রতি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের চলমান উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে নগরীর রানীরবাজার
এলাকায় ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনাকারী হকারদের অন্তত ৩০টি ভ্যান বিনষ্ট করা হয়।
একই অভিযানে একটি ভবনের পার্কিংয়ে হকারদের ভ্যান সংরক্ষণের জন্য জায়গা দেয়ার অভিযোগে
ভবন কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশও প্রদান করা হয়। কুসিক জানায়, ফুটপাত দখল,
যানজট সৃষ্টি এবং অবৈধ কার্যক্রমে সহযোগিতার বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


আমরা সর্বদা সমাজ সেবায় নিয়োজির এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লা চকবাজার ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়।
দেশের যে কোন দুর্যোগ ও বিপদে মানুষের পাশে থেকে সেবা করার প্রত্যয় নিয়ে এ কমিটির সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
গতকাল নগরীর চকবাজার চকমার্কেটে
এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ মোঃ
নজরুল ইসলাম, আতাউর রহমান ছুটি, আমিরুল পাশা সিদ্দিকী রাকিব,মোহন মজুমদার, তোফায়েল
আহম্মেদসহ অন্যরা।
আলোচনা সভা শেষে মাসুদ আল হক জছিকে সভাপতি ও মোঃ রুবেল
আহমেদকে সাধারন সম্পাদক করে চকবাজার ক্লাব এর পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করা হয়।
কমিটির সহ-সভাপতি হয়েছেন সাইফ হোসাইন আল বান্না, সহ- সাধারণ সম্পাদক-মোঃ সুমন সওদাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক-মোঃ শাকিল আহমেদ, অর্থ সম্পাদক- মোঃ কামরুল হাসান, প্রচার সম্পাদক- মাহাবুব আলম ইতিফ, দপ্তর সম্পাদক- মোঃ সাইফুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক- মোঃ মারুফ সরকার, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক- মাজহারুল আলম ইমন মজুমদার, অপ্যায়ন ও আমোদ প্রমোদ সম্পাদক- ফয়েজ আহমেদ অপু, সদস্য- ইমাম হোসেন অনিক, মোঃ জাবেদ হোসেন, রবিউল আলম পাভেল, জীবন সরকার, শ্রী রনি সাহা, শ্রী জনি সাহা, সীমান্ত সাহা, রনি সাহা, মোঃ রাজু আহম্মেদ, তন্ময় সাহা।
কমিটিতে উপদেষ্ঠা করা হয়েছে
বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ মোঃ নজরুল ইসলাম, আতাউর রহমান ছুটি, আমিরুল পাশা
সিদ্দিকী রাকিব,মোহন মজুমদার ও তোফায়েল আহম্মেদকে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় বিএসটিআই, কুমিল্লা ও উপজেলা প্রশাসন, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লার যৌথ উদ্যোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার পরিচালিত অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে 'মুড়ি' পণ্যের গুণগত মান সনদ গ্রহণ ব্যতীত প্রস্তুত, বিক্রয়-বিতরণ করায় "বিএসটিআই আইন-২০১৮" অনুযায়ী কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ এর বেলতলীর কৃষ্ণপুরে মেসার্স খোরশেদ চিড়া ও মুড়ি মিল প্রতিষ্ঠানটিকে ২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার টাকা) এবং কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ এর গোপিনাথপুরের মেসার্স মমতা মুড়ি মিল প্রতিষ্ঠানটিকে "বিএসটিআই আইন-২০১৮" এবং "ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮" অনুযায়ী ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার টাকা) অর্থদণ্ড করা হয়।
উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত সদর দক্ষিণ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈয়দ রেফাঈ আবিফ এর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।
প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই, কুমিল্লা অফিসের কর্মকর্তা জনাব ইকবাল আহম্মদ, ফিল্ড অফিসার (সিএম) এবং প্রকৌ: আরিফ উদ্দিন প্রিয়, পরিদর্শক (মেট্রোলজি)।
জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে
দুই পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও পাঁচ জনকে কুপিয়ে
জখম করা হয়েছে।
রবিবার (১৩ অক্টোবর)
রাতে উপজেলার খিলা ইউনিয়নের সাতেশ্বর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় করা
মামলায় প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার (১৪ অক্টোবর)
সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত তরুণের নাম বাবুল
মিয়া (২৭)। তিনি সাতেশ্বর গ্রামের সোলেমান মিয়ার ছেলে। তিনি দিনমজুরের কাজ করতেন। বাবুলের
আড়াই বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা
গেছে, রবিবার বেলা ১১টায় সাতেশ্বর গ্রামের নড়াই বাড়ির পাশ দিয়ে অটোরিকশা চালিয়ে যাচ্ছিলেন
একই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে রিমন হৃদয়। দ্রুতগতিতে অটোরিকশা চালিয়ে যাওয়ায় ওই
বাড়ির শিশুদের গায়ে ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে ওই বাড়ির বাসিন্দাসহ স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে
অটোরিকশাচালকের বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে হৃদয় ফেরার সময় বিষয়টি নিয়ে ওই বাড়ির
লোকজনের সঙ্গে আবার ঝামেলা হয়। ঘটনাটি সমাধানের জন্য সন্ধ্যার পর সাতেশ্বর পূর্বপাড়ার
একটি দোকানের সামনে সালিশ বৈঠক বসে।
এ সময় ইউনিয়ন যুবদলের
সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুল
মতিন, ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি এমরান হোসেনসহ গ্রামের গণ্যমান্যরা দুই পক্ষকে মিলিয়ে
দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু অটোরিকশাচালক হৃদয়সহ তার পক্ষে থাকা সুমন, রুবেল, অন্তর,
রিপন, আবদুল্লাহসহ বেশ কয়েকজন এ সিদ্ধান্ত মেনে নেননি।
তারা অপর পক্ষের ওপর
হামলা করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। একপর্যায়ে বাবুলসহ স্থানীয় লোকজন তাদের থামাতে
গেলে হৃদয়সহ তার লোকজন চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। এ সময় বাবুলের পায়ে, পিঠে
ও হাতে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার
করে লাকসাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি
হাসপাতালে আসার আগেই মারা গেছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত দুলাল মিয়া, আবদুল মান্নান, মনির
হোসেন, যুবদল নেতা এমরান হোসেনসহ পাঁচ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়েছে।
মনোহরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার পর রাতেই লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অটোরিকশাচালক হৃদয়সহ তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জেনেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। এতে ১০ জনের নাম ও অজ্ঞাত ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার মূল আসামি ও বাবুলকে ছুরিকাঘাত করা সুমনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাকে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন