

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন পলিসি অ্যাডভোকেসি বিষয়ে তামাক বিরোধী নারী জোট সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৭ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) একটি হলরুমে
কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, ঢাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের তামাক বিরোধী নারীর জোটের সদস্য এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের উপস্থিতিতে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
উন্নয়ন বিকল্পের নীতি নির্ধারণী গবেষণা (উবিনীগ) ও তামাক বিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) এর আয়োজনে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্থাটির পরিচালক সীমা দাস সীমু।
কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থাপনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব পরিচালনা করেন ক্যাম্পেইন ফর টোবাকো ফ্রি কিডস এডভোকেসী ম্যানেজার জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আতাউর রহমান মাসুদ।
হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন কুমিল্লা'র নির্বাহী পরিচালক পারভীন হাসান এর সঞ্চালনায় আলোচনায় তামাক সেবনের ক্ষতিকর দিক, বর্তমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ, WHO-FCTC ও MPOWER কাঠামো, এবং FCTC’র আর্টিকেল ৫.৩ অনুযায়ী সরকারের অঙ্গীকার তুলে ধরেন। তিনি পলিসি এডভোকেসির কার্যকর কৌশল সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা করেন।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী তাবিনাজ সদস্যরা দলীয় আলোচনার মাধ্যমে “তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন ও নারীর ভূমিকা” বিষয়ে মতামত প্রদান করেন। তারা তামাক কোম্পানির সঙ্গে বৈঠক বাতিল, সংশোধিত আইন দ্রুত পাস করে আইনকে শক্তিশালী করা এবং জেলখানায় তামাকজাত দ্রব্য সরবরাহ বন্ধের দাবি জানান।
এ কর্মশালায় হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (কুমিল্লা), এসোসিয়েশন ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (এআরডি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া), শাহপুর দুঃস্থ মহিলা উন্নয়ন সংস্থা (ফেনী), ভয়েস এনজিও (লক্ষ্মীপুর), অনন্যা বহুমুখী কল্যাণ সংস্থা (নোয়াখালী), যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা (চট্টগ্রাম), ঝুমকা মহিলা সমিতি (জামালপুর), ঢাকার তাবিনাজ সদস্য এবং স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা চান্দিনা এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ শে মে ) দূপর পৌনে ১২টার দিকে চান্দিনা থানাধীন চান্দিনা পৌরসভার ০৫ নং ওয়ার্ড খান বাড়ীর মোঃ নজরুল ইসলাম খান এর তিন তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং এর ২য় তলার পশ্চিম পার্শ্বর ফ্লেটের দঃ পশ্চিম রুম হইতে অফিসার্স ইন্চার্জ চান্দিনা থানার নেতৃত্বে এসআই মো রায়হান হোসেন এর সর্গীয় ফোর্স এসআই মোঃ ইমাম হোসেন সহ আরো কয়েক জনের অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলো–(১) মো হুমায়ন কবির প্রঃ জুয়েল (৪৫) পিতা ফজলুল হক ব্যাপারী মাতা হোসনেয়ারা বেগম সাং গোপালপুর ব্যাপারী বাড়ী থানা তিতাস।( ২) আব্দুল আজিজ পিতা আবুল হোসেন মোল্লা মাতা আমেনা বেগম সাং বুধাইরকান্দি পো উজানচর থানা বাঞ্ছারামপুর, (৩)মো খাইরুল ইসলাম প্রঃ পারভেজ পিতা শামীম প্রধাান মাতা খাদিজা বেগম সাং তালতলী থানা দাউদকান্দি , (৪)মাসুদ রানা পিতা জসিম উদ্দিন ভূইয়া মাতা পারভীন বেগম সাং রাগদৈল ভুঁইয়া বাড়ী ইউপি সাচার থানা কচুয়া(৫) মো হাসান খান পিতা কাশেম খান মাতা সেফালী বেগম সাং পশ্চিম শ্যামপুর( আটরশী দরবার ) থানা সদরপুর ,(৬) মোঃ মোহর আলী পিতা হরমুজ সাং ঘোলঘর সূরমা ইউপি থানা সুনামগন্জ( ৭) মো নজরুল ইসলাম খান পিতা আশ্রাফ খান মাতা হাসিনা বেগম সাং চান্দিনা খান বাড়ী চান্দিনা পৌরসভা থানা চান্দিনা, শুক্রবার (৩০ মে ) দুপুরে চান্দিনা থানার ওসি প্রেস এর মাধ্যমে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, শুক্রবার দুপরে গোপন সংবাদে জানা যায়, চান্দিনা পৌরসভার মো নজরুল ইসলাম খান এর বাড়ীতে কিছু দুষ্কৃতকারী ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরে থানা-পুলিশ অভিযান চালায়।
অভিযানকালে পালানোর সময় সাত জনকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়। এ সময় অজ্ঞাত চার-পাঁচ জন দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। গ্রেফতার কৃত সাত জনসহ অজ্ঞাত আরো চার-পাঁচ জনের বিরুদ্ধে চান্দিনা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।’মামলা নং ২৪ তাং ৩০/৫/২০২৫ ইং ধরা ৩৯৯/ ৪০২ পেনাল কেড ১৮৬০ রজু করা হয়। এমামলার তদন্তবার এসআই ইমামের হাতে তদন্তবার দেওয়া হয়।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানায়, গ্রেফতার কৃত ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ও ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কে চান্দিনা ইলিয়টগঞ্জ দাউদকান্দি এলাকাসহ কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই ও ডাকাতি করে আসছিল। তাদের মধ্যে , আজিজ, মাসুদ, খাইরুল, এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, ছিনতাই, চুরি, মাদক, হত্যা চেষ্টা, মারামারি সহ একাধিক মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় আইজিপি কাপ ও চট্ট্রগ্রাম রেঞ্জ কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের আয়োজনে ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় কুমিল্লা জিমনেসিয়ামে কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কুমিল্লা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার)।
কাবাডি প্রতিযোগিতায় চট্ট্রগ্রাম বিভাগের ৮টি জেলা পুলিশ দল অংশ নিচ্ছে। দুটি গ্রুপে লীগ পর্যায়ে খেলবে।
গ্রুপ-ক দলে কুমিল্লা জেলা, চাঁদপুর খাগড়াছড়ি ও লক্ষীপুর জেলা দল। গ্রুপ-খ দলে বান্দরবান জেলা, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও আর আর এফ চট্ট্রগ্রাম।
১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুর ৩ টায় কাবাডি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরন করা হবে।
উদ্বোধনী খেলায় ৫০/১৫ পয়েন্টে চাঁদপুর জেলাকে হারায় কুমিল্লা জেলা।
কুমিল্লায় আইজিপি কাপ ও চট্ট্রগ্রাম রেঞ্জ কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার মংনে খোয়াই মারমা।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান, মতিউল ইসলাম, কামরান হোসেন, কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন জাকির।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার রসুলপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৯৫ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ ভারতীয় আতশবাজি জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বুধবার (৩০ জুলাই) ভোররাতে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর একটি বিশেষ টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, অত্র ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক এর নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল ও চোরাচালানবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে সীমান্ত পিলার ২০৮০/এম হতে প্রায় ৭ কিলোমিটার অভ্যন্তরে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার রসুলপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় আতশবাজি জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত বাজির সংখ্যা ৪,৭৫,৮৪০ পিস, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৯৫,৬৭,২০০ টাকা। বাজিগুলো বিভিন্ন প্রকার ও আকারের ছিল বলে জানিয়েছে বিজিবি।
বিজিবি আরও জানিয়েছে, আটককৃত মালামাল যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় কুমিল্লা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বিজিবি কর্মকর্তা বলেন, “দেশীয় বাজারে অবৈধ ভারতীয় পণ্য প্রবেশ রোধে সীমান্ত এলাকায় আমাদের নিয়মিত অভিযান চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতেও এমন অভিযান আরও জোরদার করা হবে।”
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকা থেকে পাসপোর্ট দালাল চক্রের মূলহোতা মোঃ সাব্বির
হোসেন সহ ১৪ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২। এ সময় পাসপোর্ট,
পাসপোর্ট ডেলিভারী স্লীপ, মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-১১, সিপিসি-২
এর একটি আভিযানিক দল সোমবার (২২ জানুয়ারী) সকালে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
নোয়াপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পাসপোর্ট দালাল চক্রের মূলহোতা সহ সর্বমোট
১৪ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করে। পাসপোর্ট দালাল চক্রের আসামীদেরকে কাছ থেকে ৪ টি
পাসপোর্ট, ৮৭ সেট ডেলিভারি স্লীপ, ১২ টি মোবাইল সেট ও নগদ ১২,৬০০ টাকা সহ পাসপোর্ট
সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীগণ হলোঃ-
১। মোঃ সাব্বির
হোসেন (২৪), পিতা-মোঃ নজরুল ইসলাম, সাং-হাড়াতলী, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
২। মোঃ সাফি মাহমুদ
(২৮), পিতা-মৃত মঈন উদ্দিন, সাং-নোয়াপাড়া, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
৩। মোঃ সুজন
(৪২), পিতা-মৃত ইদ্রিস মিয়া, সাং-ছোটরা, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
৪। তানজিদ হাসান
(৩০), পিতা-তোফাজ্জল হোসেন, সাং-শিকারপুর, থানা-বুড়িচং, জেলা-কুমিল্লা।
৫। মোঃ জয়নাল
আবেদীন (৫৩), পিতা-মৃত সুলতান মিয়া, সাং-নোয়াপাড়া, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
৬। মোঃ ইমরুল
হক (৩২), পিতা-মোঃ মঞ্জুরুল হক, সাং-মোনসেফ বাড়ী, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
৭। মোঃ আলী (২৭),
পিতা-সুলতান আহমেদ, সাং-মোহনপুর, থানা-চান্দিনা, জেলা-কুমিল্লা।
৮। মোঃ শাহাদাত
হোসেন প্রিন্স (২৮), পিতা-মোঃ দেলোয়ার হোসেন রোমান, সাং-নতুন চৌধুরী পাড়া, থানা-কোতয়ালী
মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
৯। মোশারফ হোসেন
সাকিব (২০), পিতা-মৃত আব্দুল মতিন, সাং-শাসনগাছা, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
১০। মোঃ রনি
(২৩), পিতা-মোঃ রুক মিয়া, সাং-শংকরপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
১১। ফয়সাল আহমেদ
ইমন (২১), পিতা-বিল্লাল হোসেন, সাং-রাজাপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
১২। জহির আহম্মেদ
(২৬), পিতা-খোরশেদ আলম, সাং-দক্ষিণ ধনপুর, থানা-লালমাই, জেলা-কুমিল্লা।
১৩। পারভেজ (২২),
পিতা-আবুল হোসেন, সাং-বরহাতুয়া, থানা-বরুড়া, জেলা-কুমিল্লা।
১৪। সিয়ামুল ইসলাম
সৈকত (২০), পিতা-আলাউদ্দিন, সাং-মানিকারচর, থানা-মেঘনা, জেলা-কুমিল্লা।
র্যাব জানান,
তারা দীর্ঘদিন যাবৎ পাসপোর্ট তৈরী করে দেওয়ার নাম করে ভুক্তভোগী লোকজনের নিকট থেকে
সরকার নির্ধারিত রেট এর অধিক বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আসছিল বলে স্বীকার করে।
মূলতঃ তারা ৩টি গ্রুপে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে, যার একটি গ্রুপ সাধারণ মানুষকে সহজভাবে
পাসপোর্ট তৈরী করার নাম করে বিভিন্ন এজেন্টের নিকট নিয়ে আসে। এই এজেন্টের গ্রুপ ভুক্তভোগীদের
অনলাইন আবেদন ও ব্যাংক ড্রাফট করে দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুতসময়ে পাসপোর্ট দিবে বলে ডেলিভারী
স্লীপ নিজেদের নিকট রেখে দেয়। অপর গ্রুপ বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে পাসপোর্ট ডেলিভারী
করার নির্দিষ্ট তারিখ নিধারণ করে। এভাবেই তাদের কাছে টাকা জমা দিলে তারা বিভিন্নভাবে
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জালিয়াতি মাধ্যমে প্রস্তুত করে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে পাসপোর্ট
অফিস থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করার ব্যবস্থা করে আসছিল।
উক্ত
বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
ঈদুল ফিতরের আনন্দে যখন সারা দেশ উচ্ছ্বাসে ভাসছে, তখন তার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি দেখা গেল কুমিল্লা শহরের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে। ঈদের দিন সকাল গড়াতেই নগরীর ধর্ম সাগর পাড় সহ বিনোদন স্পটগুলোতে নেমে আসে মানুষের ঢল।
শনিবার (২১শে মার্চ) বিকালে নগরীর ধর্মসাগর পার্কে গিয়ে দেখা যায় পরিবার-পরিজন নিয়ে আসা মানুষের ভিড়ে হাঁটার জায়গাও সংকুচিত হয়ে পড়ে। শিশুদের উচ্ছ্বাস, কিশোরদের হৈ-হুল্লোড় আর বড়দের স্বস্তির হাসি সব মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। বিশেষ করে শিশুদের আনন্দ ছিল চোখে পড়ার মতো। নানা ধরনের রাইড, ট্রেন, নৌকা ভ্রমণ এবং খেলার সরঞ্জাম ঘিরে ছিলো তাদের উপচে পড়া ভিড়।
নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও ছিলো বাড়তি নজর। বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়। একই সঙ্গে দর্শনার্থীদের চাপ সামাল দিতে কর্মীদেরও বাড়ানো হয়েছে। তবে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে কিছু জায়গায় সাময়িক বিশৃঙ্খলার কথাও শোনা গেছে।
অন্যদিকে, খাবারের স্টলগুলোতেও ছিলো ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন। ফুচকা, চটপটি, আইসক্রিম থেকে শুরু করে ফাস্টফুড সবকিছুর চাহিদা ছিল তুঙ্গে।
বিক্রেতারা জানান, ঈদের দিন তাদের বছরের অন্যতম ব্যস্ত সময়, আর এবার সেই ব্যস্ততা আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।
নগরীর ধর্মসাগর পাড় ঘুরতে আসা দর্শনার্থী ইসরাত জাহান ঐশী বলেন, “বন্ধুদের সঙ্গে ঈদের দিনটা এমন সুন্দর পরিবেশে কাটাতে পেরে দারুণ লাগছে। ভিড় থাকলেও আনন্দটা অন্যরকম।”সুমাইয়া আক্তার বলেন, “বাচ্চাদের আনন্দ দেখতেই এখানে আসা। তারা খুব খুশি, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া।”
আব্দুল করিম বলেন, “নিরাপত্তা ব্যবস্থা মোটামুটি ভালো। পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসে স্বস্তি পাচ্ছি।”
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী বলেন, “ঈদকে কেন্দ্র করে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং সাদা পোশাকেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,কুমিল্লা:
কুমিল্লায় ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক না পেয়ে
দুই সন্তানের জননী নূরজাহান বেগম (৩০) নামের এক গৃহবধূর স্পর্শকাতর অঙ্গসহ শরীরের বিভিন্ন
জায়গায় গরম খুন্তির ছ্যাঁকা দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ীর লোকজন।
বুধবার (১৯ জুন) ভোরে জেলার আদর্শ সদর
উপজেলার শীমপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে নূরজাহান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের
বার্ণ ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন।
ঘটনার পর বুধবার বিকেলে স্বামী খোরশেদ
আলম (৪৫) ও তার পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগীর
বাবা জয়নাল আবেদীন।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ প্রধান আসামি
ভুক্তভোগী গৃহবধূর ভাশুর ও তার স্ত্রী এবং আরেক জা–কে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে।
অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, যৌতুকের
টাকা না পেয়ে ভোর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামী ও শ্বশুরবাড়ীর লোকজন মিলে মারধর করে দড়ি
দিয়ে বেঁধে রাখেন নূরজাহানকে। একপর্যায়ে গরম খুন্তি দিয়ে গোপনাঙ্গ ও শরীরের বিভিন্ন
অঙ্গ পুড়িয়ে দেয় তারা। সকালে গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
নিয়ে যায়।
নূরজাহানের বাবা জয়নাল আবেদীন বলেন,
শ্বশুরবাড়ীর লোকজন যৌতুকের জন্য দীর্ঘদিন ধরে আমার মেয়েকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। আমি
এর আগে কয়েকবার তাদের সাথে বসে বিষয়টি সমাধান করি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আনোয়ার
হোসেন বলেন, তিন আসামিকে একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। অপর আসামিদের ধরতে
অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী নারীর ৯ বছর বয়সী এক শিশুকন্যা ও ১২ বছরের একটি
ছেলে রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)
মো: কামরান হোসেন বলেন, হাসপাতালে গিয়ে শারীরিক নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর বক্তব্য রেকর্ড
করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তার স্বামীসহ ৬ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ৩ জনকে পুলিশ
আটক করেছে। বাকিদেরও আটকের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার ধর্মপুর রেলগেট এলাকায় চেকপোস্ট দিয়ে আসামি ধরার অভিযান পরিচালনাকালে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
আজ শনিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ধর্মপুর এলাকার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রবিনকে পুলিশ আটক করলে সেখানে স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের উত্তেজনা তৈরি হয়। এ সময় দুর্বৃত্তরা পুলিশকে এবং পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। রবিন এক পুলিশ সদস্যের হাতে কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়। এসময় উত্তেজনা দেখা দেয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ধর্মপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ জানায়, রবিন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। ইটপাটকেল নিক্ষেপের কারণে পুলিশের একটি গাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া আরো তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক জানান, আজ শনিবার দুপুরে ধর্মপুর এলাকায় চেকপোস্টে তল্লাশি চালানোর সময় পুলিশ রবিনের কাছে একটি ছুরি পায়। এ নিয়ে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের উত্তেজনা দেখা দেয়। মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে এবং পুলিশ সদস্যের হাতে কামড় দিয়ে রবিন পালিয়ে যায়। ঘটনার পর খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রবিন পুলিশের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
গঠনের পর সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় প্রায় ৫৯৩টি থানার কার্যক্রম চালু হয়েছে। তারই
ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনীর সহযোগিতার চলছে বুড়িচং থানার কার্যক্রমও ।
রবিবার (১১ আগস্ট)
বিকেলে বুড়িচং থানা পরিদর্শন করেন বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার দায়িত্বে থাকা
৩৮/বীর এর উপ-অধিনায়ক মেজর নাজিউর রহমান এবং থানাতে আসা সেবাগ্রহীতাদের সমস্যা ওসি
নিজে শুনেন এবং তাদের সেবা দিতে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মেজর নাজিউর রহমান এর বুড়িচং
থানা পরিদর্শন নিয়ে বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসানাত খন্দকার বলেন, আমার
থানার সকল পুলিশ সদস্য উপস্থিত আছেন। তারমধ্যে ২জন অফিসিয়াল ছুটিতে আছে।
সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় আমাদের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়াও থানাতে ১৫ জন আনসার
সদস্য এখানে দায়িত্ব পালন করছে। সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় আমাদের আইনি সহায়তার কাজ ও
চলবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় স্ত্রীকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদন্ড
দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের
বিচারক রোজিনা খান এ রায় দেন।
রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাজু আদালতের কাঠগড়ায় অনুপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, খালেদা আক্তারকে বিয়ের পর
থেকেই তার স্বামী রাজু বেকার ছিলেন। এ কারণে মেয়েসন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে
থাকতেন খালেদা।
রাজু ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে
যান। পরের দিন ভোরে স্বামীকে কাপড় ধুয়ে দেয়ার কথা বলেন খালেদা। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির
একপর্যায়ে খালেদার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তার স্বামী।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, খালেদার মরদেহ পুকুর ঘাটের কাছে ফেলে রেখে আসামি পালিয়ে যান। এরপর ঘাটে মেয়ের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে রাজুকে আসামি করে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানায় হত্যা মামলা করেন খালেদার বাবা।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অতিরিক্ত পিপি আমিনুল ইসলাম ও নুরুল
ইসলাম জানান, তাদের আশা, উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করবে।
মন্তব্য করুন


আশা রহমান :
চলতি বছরে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশে এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের আওতাধীন ৭৮১ জনের ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে ২০৪ জনও ফেল থেকে পাস করেছেন।
মঙ্গলবার (১১ জুন) সকাল ১০টায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো: আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে পুনর্নিরীক্ষণের এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার বিভিন্ন বিষয়ে ৩০ হাজার ৮৯৮ জন শিক্ষার্থী ৭৫০৮৫টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করে। এরমধ্যে ৭৮১ জনের ফল পরিবর্তন হয়। এরমধ্যে ৭৭ জন নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। আর ২০৪ জন ফেল থেকে পাস করেন এবং ৫০০ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো: নিজামুল করিম বলেন, আবেদনের উত্তরপত্রগুলো পুনর্নিরীক্ষণের নীতিমালা অনুযায়ী যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই শেষে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফলাফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা ১২ ও ১৩ জুন কলেজে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবে।
উল্লেখ্য, গত ১২ মে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। আর ১৩ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হয়। এ বছর কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পাসের হার ছিল ৭৯.২৩।
মন্তব্য করুন