

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন পলিসি অ্যাডভোকেসি বিষয়ে তামাক বিরোধী নারী জোট সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৭ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) একটি হলরুমে
কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, ঢাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের তামাক বিরোধী নারীর জোটের সদস্য এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের উপস্থিতিতে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
উন্নয়ন বিকল্পের নীতি নির্ধারণী গবেষণা (উবিনীগ) ও তামাক বিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) এর আয়োজনে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্থাটির পরিচালক সীমা দাস সীমু।
কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থাপনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব পরিচালনা করেন ক্যাম্পেইন ফর টোবাকো ফ্রি কিডস এডভোকেসী ম্যানেজার জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আতাউর রহমান মাসুদ।
হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন কুমিল্লা'র নির্বাহী পরিচালক পারভীন হাসান এর সঞ্চালনায় আলোচনায় তামাক সেবনের ক্ষতিকর দিক, বর্তমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ, WHO-FCTC ও MPOWER কাঠামো, এবং FCTC’র আর্টিকেল ৫.৩ অনুযায়ী সরকারের অঙ্গীকার তুলে ধরেন। তিনি পলিসি এডভোকেসির কার্যকর কৌশল সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা করেন।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী তাবিনাজ সদস্যরা দলীয় আলোচনার মাধ্যমে “তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন ও নারীর ভূমিকা” বিষয়ে মতামত প্রদান করেন। তারা তামাক কোম্পানির সঙ্গে বৈঠক বাতিল, সংশোধিত আইন দ্রুত পাস করে আইনকে শক্তিশালী করা এবং জেলখানায় তামাকজাত দ্রব্য সরবরাহ বন্ধের দাবি জানান।
এ কর্মশালায় হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (কুমিল্লা), এসোসিয়েশন ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (এআরডি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া), শাহপুর দুঃস্থ মহিলা উন্নয়ন সংস্থা (ফেনী), ভয়েস এনজিও (লক্ষ্মীপুর), অনন্যা বহুমুখী কল্যাণ সংস্থা (নোয়াখালী), যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা (চট্টগ্রাম), ঝুমকা মহিলা সমিতি (জামালপুর), ঢাকার তাবিনাজ সদস্য এবং স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করা। তিনি বলেন , নির্বাচনে ষড়যন্ত্র হতে পারে তাই সকাল বেলায় ভোট কেন্দ্রে আসলে হবে না। বাড়িতে তাহাজ্জতের নামাজ পড়ে ভোট কেন্দ্রে এসে জামাতে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে এসে ভোট দিতে দাঁড়াতে হবে। ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোটের বাক্স পাহাড়া দিতে হবে। রবিবার রাত পৌনে ১১টায় জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার ফুলতলী মাঠে বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রায় ২৩ মিনিটের বক্তব্যে তারেক রহমান খাল কাটা, বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, দরিদ্র জনগোষ্টির স্বাস্থ্য সেবায় হেলথ কার্ডসহ বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরে ধরেন।
তারেক রহমান বলেন, আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের উন্নয়ন এবং ভাগ্যের পরিবর্তন করা। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে এ দেশের মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। ২০২৪ সালে এই স্বাধীনতা রক্ষার জন্য মানুষ আবারো জীবন দিয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলেরই ৪১৯ জন মানুষ শহীদ হয়েছেন। এর বাইরে আরো সহস্রাধিক মানুষ জীবন দিয়েছে। জুলাই যোদ্ধারা আমাদের স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় যখন ছিল নারীদের ফ্রি শিক্ষা ব্যবস্থা করেছে। বহু কৃষকের ঋণ মওকুফ করেছে। বিএনপি দেশের এবং মানুষের উন্নয়নে বিশ্বাসী। বিএনপির অভিজ্ঞতা আছে কিভাবে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হয়। কিভাবে ছাত্রদের বা যারা তরুণ যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হয়। আমরা সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাব। মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আমরা কাজ করব। তিনি বলেন, আমরা অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করতে চাই না। আমরা মানুষের উন্নয়নের কথা বলতে চাই। কিভাবে উন্নয়ন করতে হয় সেই পরিকল্পনা মানুষের সামনে তুলে ধরছি।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ যে আশা নিয়ে ৫ আগষ্ট দেশের একটি পরিবর্তন করেছিল সেই লক্ষ্যে দেশকে স্বনির্ভর ও দেশের মানুষকে ভালো রাখতে বিএনপি ভোট দিতে হবে। আগামি ১২ ফেব্রুযারি কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ উপকৃত হবে এমন কাজ করবে। কিন্তু তারা আমাদের ভালো কাজেরও সমালোচনা করছে। নির্বাচনী শ্লোগান স্মরণ করিয়ে দিয়ে সমাবেশে তারেক রহমান বলেন, ‘করবো কাজ গরবো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও কুমিল্লা-৬ আসনে দলের প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা-৭ আসনের প্রার্থী ড. রেদোয়ান আহমেদ, চাঁদপুর-১ আসনের প্রার্থী এহসানুল হক মিলন, চাঁদপুর সদর আসনের ফরিদ উদ্দিন মানিক, চাঁদপুর-৫ আসনের হারুনুর রশিদ, কুমিল্লা-১০ আসনের প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, দলের কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম ভূঁইয়া, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ
মন্তব্য করুন


ফারুক হোসেন, প্রতিবেদক:
এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি ২০২৫ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন শিক্ষা, সামাজিক ও মানবিক সংগঠন আমরা কুমিল্লার তরুণ প্রজন্ম।
আমরা কুমিল্লার তরুন প্রজন্মের সদস্য সচিব সাজ্জাদ সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, মোহাম্মদ জাবের হোসাইন, মোহাম্মদ আজিম, রাজিবুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আমরা কুমিল্লার তরুণ প্রজন্মের উপদেষ্টা কাজী কায়কোবাদ।
এ সময় বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা শেষে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে কাজী কায়কোবাদ বলেন, এসএসসি পরীক্ষা দিয়েই শিক্ষাজীবন শেষ না করে উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে হবে। সামনে অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। এজন্য ঠিকমতো পড়াশোনা করতে হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস (IAUP)-এর ৬০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সেমি-অ্যানুয়াল কনফারেন্স ২০২৫-এ অংশগ্রহণ করেছে কুমিল্লার সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (CCN University of Science & Technology)।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দুই শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ও গ্লোবাল এডুকেশন লিডারদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ট্রাস্টি বোর্ডের অনারারি ডিরেক্টর (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) ইফতেখারুল ইসলাম চৌধুরী সিয়াম।
এ সম্মেলনে বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা সহযোগিতা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হয়। সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।
মন্তব্য করুন


ফাতেমাতুজ জোহরা তন্বী, প্রতিবেদক:
নিটোল
পায়ে রিনিক ঝিনিক,পায়েলখানি বাজে
মাদল
বাজে সেই সংকেতে
শ্যামা
মেয়ে নাচে...
এস
ডি বর্মণের কণ্ঠে সেই প্রখ্যাত গান। বলছিলাম উপমহাদেশের সংগীতের রাজপুত্র কুমার শচীন
দেববর্মণের কথা।
শচীন
দেববর্মণ (১ অক্টোবর, ১৯০৬-৩১ অক্টোবর, ১৯৭৫) বিংশ শতাব্দীতে ভারতীয় বাংলা ও হিন্দী
গানের কিংবদন্তীতুল্য ও জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার, গায়ক ও লোকসঙ্গীত। আগরতলার বাসিন্দা হলেও শচীন দেবের শৈশব কেটেছে কুমিল্লায়
এবং শেষ জীবন মুম্বাইতে। তাঁর সহধর্মিণী মীরা দেবী এবং একমাত্র পুত্র রাহুল দেববর্মনও
মুম্বাই চিত্রজগতের প্রতিষ্ঠিত কণ্ঠশিল্পী।প্রায়শ তাঁকে এস ডি বর্মণ হিসেবেই উল্লেখ
করা হয়। কিছুটা অনুনাসিক কণ্ঠস্বরের জন্য তিনি তার শ্রোতাদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত।
প্রায় একশো বছর পার করেও বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে তার কালোত্তীর্ণ গানের আবেদন
কিছুমাত্র লঘু হয়নি। কেবল সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে নয়, গীতিকার হিসাবেও তিনি সার্থক।
তিনি বিভিন্ন চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পুত্র রাহুল
দেববর্মণ ভারতের বিখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। তাঁর ছাত্রী এবং পরবর্তীতে
সহধর্মিনী মীরা দেববর্মণ গীতিকার হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি রবি গুহ মজুমদার এর
অনেক গানে সুর দিয়েছেন এবং তা শিল্পে রূপান্তরিত করেছেন। তিনি ২ বার (১৯৫৫ ও ১৯৭৪)
সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং ১৯৭০ সালে শ্রেষ্ঠ নেপথ্য গায়ক হিসেবে
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত) লাভ করেন।
শচীন
দেব বর্মণ তার যুগের তুলনায় অনেকাংশে আধুনিক ছিলেন। তার অনেক গানই আজকাল রিমিক্স হচ্ছে
এবং জনপ্রিয়তাও পাচ্ছে। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানছেন না, গান গুলোর আসল
সুরকার এবং গায়ক শচীন দেববর্মণ। শচীন দেব অনেক বাংলা গানে সুর দিয়েছেন। ১৯৩৪ সালে
নিখিল ভারত সঙ্গীত সম্মিলনে গান গেয়ে তিনি স্বর্ণপদক লাভ করেন। ১৯৩৭ সাল থেকে পরপর
কয়েকটি বাংলা ছায়াছবিতে তিনি সঙ্গীত পরিচালনা করেন। এক্ষেত্রে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য
ছায়াছবি হলো: রাজগী, ছদ্মবেশী, জীবন-সঙ্গিনী, মাটির ঘর ইত্যাদি। তার বিখ্যাত কিছু
গান যেমন-
শোনো
গো দখিন হাওয়া
হৃদয়ে
দিয়েছো দোলা
কে
যাসরে
ঝিল
মিল ঝিল মিল
তুমি
আর নেই সেই তুমি
রজ্গীলা
তুমি
এসেছিলে পরশু ইত্যাদি।
প্রতি
বছর দু-তিন দিন জুড়েই পালিত হয় 'শচীন মেলা'। স্নিগ্ধতা এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা ব্যাখ্যা
দেয় সোনালী অতীতের। শচীন দেববর্মণের মতো মানুষরা অমর প্রজন্মের পর প্রজন্মে।
বাংলা ও হিন্দি গানের কিংবদন্তি সুরকার শচীন দেববর্মণ এর জন্মভিটা কুমিল্লার দক্ষিণ চর্থায়। একসময় রাজবাড়ি হলেও এখন সেটি ইতিহাসের কান্না বয়ে চলা এক পরিত্যক্ত ভবন।
সরকারি উদ্যোগে ‘সংস্কৃতি কমপ্লেক্স’ গড়ে তোলার কথা বলা হলেও বাস্তবে বাড়িটি পড়ে আছে অযত্নে-অবহেলায়।
আমরা কি তবে শচীন কর্তার সুরের স্মৃতি হারাতে বসেছি?
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার দেবিদ্বারে ব্যবসায়ী থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে ওবায়দুল ইসলাম হৃদয় নামে সাবেক ছাত্রদলের এক নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ওবায়দুল ইসলাম হৃদয় দেবিদ্বার পৌর এলাকার ৮ নং ওয়ার্ড গুনাই ঘরের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলেও দেবিদ্বার পৌর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, দেবিদ্বার সুজাত আলী কলেজে ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।
দেবিদ্বার পৌর এলাকার ব্যবসায়ী ফতেয়াবাদ গ্রামের মৃত আব্দুস সোবানের ছেলে আমির হোসেনের দায়েরকৃত মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত পাঁচ আগস্ট পরিবর্তনের পর থেকে ছাত্রদল নেতা ওবায়দুল ইসলাম হৃদয় আমির হোসেনের কাছে দৈনিক ৫০০ টাকা করে চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা না দিলে তার স্ত্রী সুমি আক্তার ও মেয়ে সামিয়া আক্তার কে অপহরণসহ হত্যার ভয় ভীতি প্রদর্শন করে। এমতাবস্থায় ব্যবসায়ী আমির হোসেন এর কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে আসছিল। সম্প্রতি ওই ছাত্রদল নেতা হৃদয় ওই ব্যবসায়ীর নিকট ১৫০০০ টাকা চাঁদা দাবি করে। স্ত্রী ও কন্যার জীবন রক্ষার্থে ১৫ হাজার টাকা ও চাঁদা হিসাবে ছাত্রদল নেতা হৃদয়কে দেয়া হয়। ওই ব্যবসায়ী এ অবস্থা থেকে রক্ষা পেতে দেবিদ্বার থানায় সাবেক ছাত্রদল নেতা ওবায়দুল ইসলাম হৃদয় সহ অজ্ঞাত দুই তিন জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন।
শুক্রবার দেবিদ্বার থানার ওসি শামসুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াস মামলার তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এই ঘটনায় ওই সাবেক ছাত্রদল নেতা ওবায়দুল ইসলাম হৃদয়কে শুক্রবার গ্রেফতার করে বিকালের দিকে আদালতে চালান দেয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবীতে মানববন্ধন করেছে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
সোমবার দুপুর ১২ টায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড প্রাঙ্গণে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, কতিপয় অকৃতকার্য ছাত্রছাত্রী শিক্ষা বোর্ডের এখতিয়ার বহির্ভূত দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে গেটে তালা ঝুলিয়ে অবরুদ্ধ করাসহ গালমন্দ এবং ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। তারই প্রতিবাদে সারাদেশে আন্তঃবোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারীরা মানববন্ধন করে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনার কুমিল্লা জেলার রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জনশুমারির কুমিল্লা জেলার রিপোর্ট ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার)।
কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন) ডা. অমৃত কুমার দেবনাথ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা এবং স্বাগত বক্তব্যসহ জনশুমারির জেলার তথ্য তুলে ধরেন জেলা পরিসংখ্যান ব্যুরোর উপ-পরিচালক হাবিবুর রহমান।
পরে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান জনশুমারি ও গৃহগণনার কুমিল্লা জেলার রিপোর্টের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। জেলা প্রশাসক অনুষ্ঠানে উপস্থিত সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলদের বইটি ব্যবহারের ওপর গুরত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে জনশুনানির রিপোর্টে বলা হয়, ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী কুমিল্লার বর্তমান জনসংখ্যা ৬২ লাখ ১২ হাজার ২শ ১৬ জন। জনসংখ্যায় পুরুষের তুলনায় নারী সংখ্যা বেশি।
বর্তমানে কুমিল্লা মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার কারী ৭১ দশমিক ৪২ ভাগ। এর মধ্যে নারী চেয়ে পরুষ ব্যবহারকারী সংখ্যা বেশী। ইন্টারনেট ব্যবহার কারী কুমিল্লায় ৫০ দশমিক ২৯ ভাগ।নারী চেয়ে পুরুষ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেশী।
এদিকে কুমিল্লায় বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছেন জেলার ৯৯ দশমিক ৩৪ ভাগ মানুষ। যেখানে ১৯৯১ সালে ছিলো ১২ দশমিক ১৪ ভাগ। এছাড়াও জনশুমারিতে উঠে আসা জেলার নানা তথ্য তুলে ধরা হয় এই রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে।
মন্তব্য করুন


সাইদুর রহমান, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর সহকারী পরিচালক
ডাঃ নিশাত সুলতানা কে উপ-পরিচালক হিসাবে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ
মন্ত্রণালয়াধীন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির সুপারিশ এবং মহামান্য
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ফিডার পদে অভিজ্ঞতার শর্ত প্রমার্জনের পরিপ্রেক্ষিতে বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ক্যাডারের নিম্নোক্ত ৪৪ জন কর্মকর্তাকে উপ-পরিচালক/সমমান পদে পদোন্নতি প্রদান সম্পর্কে
এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উক্ত পদোন্নতি পেয়ে ডাঃ নিশাত সুলতানা কুমিল্লা
টুয়েন্টিফোর টেলিভিশনকে জানান - পদোন্নতি পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের
মুহূর্ত। এটি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয় বরং আমার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের
স্বীকৃতি। এই অর্জন আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে
এবং প্রতিষ্ঠানকে আরও এগিয়ে নিতে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে
নিয়ে তার পরবর্তী পরিকল্পনা - আমার মূল লক্ষ্য হলো হাসপাতালের
সেবার মান আরও উন্নত করা এবং রোগীসেবাকে আরও মানবিক ও দক্ষ করা। এজন্য আমি কয়েকটি দিককে
অগ্রাধিকার দিতে চাই —
চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন: আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সঠিক তদারকির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় আরও নির্ভুলতা আনা।
মানবিক সেবা: চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের মধ্যে সহানুভূতি
ও নৈতিকতা জাগ্রত করে রোগীদের প্রতি যত্নশীল মনোভাব বৃদ্ধি করা।
গবেষণা ও শিক্ষা: চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের
বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ বাড়ানো।
পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনা: হাসপাতালের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
রাখা এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সেবা সহজলভ্য করা।
কমিউনিটি সংযোগ: সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য
সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদার করা।
আমার বিশ্বাস, এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে
আমাদের হাসপাতাল একটি আদর্শ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার মতো কুমিল্লা
জেলাতেও চলছে শিক্ষার্থীদের বাজার মনিটরিং।
শনিবার ১১ই আগস্ট কুমিল্লা জেলা ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর শিক্ষার্থীদের নিয়ে করেছে বাজার মনিটরিং।
এদিন সকালে কুমিল্লার নিউমার্কেট এলাকায়
শিক্ষার্থীদের কে নিয়ে বিভিন্ন বাজার মনিটরিং করেন কুমিল্লা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন