

সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন
বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে আজ
সকালে ঢাকায় পৌঁছেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর।
তাকে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের মুখপাত্র বাসস’কে এ
তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি
জানান, ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বহনকারী একটি বিশেষ ফ্লাইট
বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে
ঢাকায় অবতরণ করে।
দুপুর
২টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে খালেদা
জিয়ার জানাজার নামাজ হবে। এতে বিভিন্ন
দেশের অতিথি, রাজনৈতিক নেতা ও প্রতিনিধিরা
উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভুয়া মামলা দায়ের এবং মামলায় নিরপরাধ
ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করার চেষ্টা রোধে ফৌজদারি কার্যবিধিতে নতুন বিধি সংযোজিত হয়েছে
বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আজ রবিবার (২৯ জুন) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস
একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি
এ কথা জানান।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, অ্যাডভাইজার
কাউন্সিলের আজকের বৈঠকের খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে- ফৌজদারি কার্যবিধির একটি সংশোধন।
আমাদের সরকারের আমলে কিছু জিনিস নিয়ে আমরা নিজেরাই খুব বিব্রত, এবং এ বিষয়েগুলো নিয়ে
আমরা কাজ করার চেষ্টা করি। তেমনই একটি বিষয় হচ্ছে ভুয়া মামলা, এবং আরেকটি হচ্ছে মামলায়
অকারণে নির্দোষ ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করে মামলা বাণিজ্য করা। এ বিষয়টি থেকে পরিত্রাণ
পেতে এটি নিয়ে আমরা ভেবে দেখেছি। বাংলাদেশের ক্রিমিনাল ল' এক্সপার্ট ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
সাথে আলোচনা, বৈঠক করে আমরা ফৌজদারি কার্যবিধির একটি বিধানে বড় একটি সংশোধনী এনেছি।
১ফৌজদারি কার্যবিধিতে যখন একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয় তখন ইনভেস্টিগেশন করতে তিন-চার
বছর লাগে, এখানে শত শত আসামি থাকেন, কিছু ক্ষেত্রে এখানে মামলা বাণিজ্যও হয়। এ থেকে
পরিত্রাণ পেতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩(ক)/১৭৩(অ) এই নতুন বিধানটি যুক্ত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে- পুলিশ কমিশনার, এসপি বা কোনো জেলার এসপি পদমর্যাদার কোনো পুলিশ কর্মকর্তার
এখতিয়ারাধীন কোনো মামলার বিষয়ে তিনি যৌক্তিক মনে করলে ইনভেস্টিগেশন অফিসার/তদন্ত কর্মকর্তাকে
ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর সেই মামলার তদন্তের ব্যাপারে প্রাথমিক বা প্রিলিমিনারি ইনভেস্টিগেশন
রিপোর্ট দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারবেন। ম্যাজিস্ট্রেট তার বিবেচনাবলে নিরপরাধ ও যার
বিরুদ্ধে উক্ত অপরাধের কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ নেই, তাদের প্রি ট্রায়াল বা বিচার পূর্ববর্তী
স্টেজেই মামলা থেকে রেহাই দিতে পারবেন।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানান,
আমরা আশা করছি এটি কার্যকর হলে পুলিশ ও আদালত প্রশাসন একসাথে কাজ করে এসমস্ত মামলায়
গ্রেফতার বাণিজ্য, মামলা বাণিজ্য এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবেন। এর ফলে নিরপরাধ
ব্যক্তিরা ভুয়া মামলা থেকে রেহাই পাবেন। এর ফলে তদন্ত কিন্তু থেমে যাবেনা, যাদের বিরুদ্ধে
অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্টতার যথাযথ প্রমাণ পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা চলমান
থাকবে।
আগামীকাল গেজেট প্রকাশিত হলেই আইনটি
কার্যকর হবে বলে জানান তিনি।
এসময় আইন উপদেষ্টা আরও জানান, আজ আরেকটি
গুরুত্বপূর্ণ আইনগত অগ্রগতি হয়েছে। একটি জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা ইউএনওএইচসিএইচআর
এর প্রধান ফলকার তুর্ক আমাদের দেশে সফর করেছিলেন। সংস্থাটি তাদের কার্যালয়ের একটি মিশন
শাখা বাংলাদেশে খুলতে চেয়েছেন, এ লক্ষ্যে আলোচনা হয়েছে। তাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
আজকে এ বিষয়ে একটি খসড়া সমঝোতা স্মারকের ব্যাপারে আজকের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সভায় নীতিগতভাবে
অনুমোদিত হয়েছে। এটি নিয়ে আরো কিছু আলোচনার পর চূড়ান্ত খসড়াটি ফলকার তুর্ককে পাঠানো
হবে, তিনি তার মতামত দিলে দ্রুততম সময়ে এটি স্বাক্ষরিত হবে। এই স্মারক স্বাক্ষরিত হলে
প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য অফিস স্থাপিত হবে। বাংলাদেশে যদি কোন ধরনের গুরুতর মানবাধিকার
ঘটনা ঘটে তাহলে আমাদের মানবাধিকার বিষয়ক রাষ্ট্রীয় এজেন্সিগুলোর পাশাপাশি এই সংস্থাটিও
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে।
সম্প্রতি কুমিল্লার মুরাদনগরে সংঘটিত
একটি ধর্ষণের বিষয়ে তিনি বরেন, মুরাদনগরে যে জঘন্য ঘটনা ঘটেছে, তাতে বাংলাদেশের যে
কোন সাধারণ নাগরিকের মত আমরা মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ। আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ের
সাথে সাথেই ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রধান আসামি এর সাথে সাথে যারা এই ছবি বা ভিডিও গুলো
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার মতন অত্যন্ত দায়িত্বহীন ও অপরাধমূলক কাজ করেছে
তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ধর্ষণ বিষয়ক আইনে
সময়োপোযোগী সংশোধন এনেছি সেটার প্রমাণ আপনারা মাগুরার ধর্ষণ মামলার ক্ষেত্রে দেখেছেন।
এই ঘটনাটির ক্ষেত্রেও আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচার করব,
সে বিষয়ে আমরা বদ্ধপরিকর।
মন্তব্য করুন


বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আলোচনায় থাকা ‘মুফতি’ কাভি এবার আরও চমকপ্রদ দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর একসময় তার স্ত্রী ছিলেন এবং তাদের মধ্যে নিকাহ সম্পন্ন হয়েছিল।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে কাভি ভারতীয় চলচ্চিত্রাঙ্গনের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে নানা দাবি করেন। সেখানে তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে কারিনা কাপুরের সঙ্গে তার প্রথম যোগাযোগ হয় এবং ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। সে সময় করিনার বয়স ২১ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে ছিল বলে দাবি করেন তিনি।
কাভির বক্তব্য অনুযায়ী, শরিয়ত অনুযায়ী মুসলমানদের হিন্দু নারীদের বিয়ে করার সুযোগ রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী তিনি কারিনা কাপুরকে নিকাহ করেছিলেন। তিনি বলেন, “কারিনা কাপুর আমার স্ত্রী ছিলেন। তিনি পাকিস্তানের ভাবি ছিলেন।”
তিনি আরও দাবি করেন, ‘সেঠ শাহিদ’ নামটি কারিনাকে প্রভাবিত করেছিল এবং সে সময় তিনি বড় তারকা না হওয়ায় তাদের নিকাহ সম্ভব হয়েছিল।
মুফতি কাভির আরও বক্তব্য, কারিনা কাপুর ও সাইফ আলী খানের বিয়ের সময় ভারতের কিছু আলেম ওই বিয়েকে হারাম ঘোষণা করেছিলেন। তবে তিনি নিজে সেটিকে হালাল বলে ফতোয়া দেন। এর পেছনে কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেন—কারিনা তার নিকাহে ছিলেন বলেই তিনি প্রকাশ্যে ওই বিয়ের পক্ষে অবস্থান নেন।
পডকাস্টে কাভি আরও বলেন, এখনো যদি অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের পক্ষ থেকে নিকাহের প্রস্তাব আসে, তবে তিনি প্রস্তুত।
তবে কারিনা কাপুরকে স্ত্রী দাবি করলেও, তাদের মধ্যে কখন ও কীভাবে তালাক হয়েছে—সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দেননি কাভি।
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮০তম অধিবেশনে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের দায়িত্বশীল বৈশ্বিক
ভূমিকাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। এতে গণতান্ত্রিক শাসন, মানবিক সংহতি ও গঠনমূলক আন্তর্জাতিক
সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি নতুনভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আজ শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে
পোস্ট করা এক বার্তায় তিনি প্রধান উপদেষ্টার ইউএনজিএ সফরের সাফল্যগুলো তুলে ধরেন।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, অধ্যাপক ড. ইউনূস গত
সপ্তাহে নিউইয়র্কে ইউএনজিএ-র উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলকে নেতৃত্ব
দেন। সেখানে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে উদ্দেশ করে বক্তব্য রাখেন, বিশ্বনেতাদের
সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন এবং গণতন্ত্র, মানবিক নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতা
নিয়ে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন। ইউএনজিএ-র ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে
গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থার প্রতি অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
করেন। তিনি স্বাধীন, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে বৈশ্বিক
মহলকে আশ্বস্ত করেন যে বাংলাদেশ জনগণ ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের লালিত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
রক্ষায় প্রস্তুত।
শফিকুল আলম আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সফরে
তিন রাজনৈতিক দলের ৬ প্রতিনিধি ছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘এটাই প্রথমবার এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ
প্রতিনিধিদল একসঙ্গে সফরে যোগ দিল। তারা কূটনীতিক, প্রবাসী নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়ীদের
সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব যোগাযোগ বিশ্বের কাছে শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দিয়েছে যে গোটা
বাংলাদেশই গণতান্ত্রিক, স্বাধীন ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে একসঙ্গে এগোচ্ছে।’
বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার কৌশলগত বৈঠক
প্রসঙ্গে আলম বলেন, অধ্যাপক ড. ইউনূস উচ্চপর্যায়ের একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন, যা
বাংলাদেশের বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদার ও যৌথ অগ্রাধিকারের প্রসারে ভূমিকা রাখে।
তিনি জানান, ইতালি, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান,
অস্ট্রেলিয়া, আলবেনিয়া, কসোভো ও ভুটানের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে গণতান্ত্রিক শাসন, বাণিজ্য,
জলবায়ু সহনশীলতা ও মানব উন্নয়নের বিষয় গুরুত্ব পায়।
আলম আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও
গুতেরেস, ইউএনএইচসিআর প্রধান ফিলিপো গ্রান্ডি, ইউনিসেফ নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল,
জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল রাবাব ফাতিমা, বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা,
নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা এবং আইএমএফ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার
সঙ্গে বৈঠক করেন।
এছাড়া অধ্যাপক ড. ইউনূস মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
ট্রাম্প আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নিয়ে শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। যুক্তরাষ্ট্রের
বিশেষ দূতের সঙ্গেও তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা হয়, যেখানে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও বহুপাক্ষিক
কূটনীতিতে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ভূমিকা উঠে আসে।
রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক নেতৃত্ব প্রসঙ্গে আলম বলেন,
প্রধান উপদেষ্টার সফরের মূল বিষয় ছিল রোহিঙ্গা ইস্যু। সেখানে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া
এক মিলিয়নের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রতি অব্যাহত মানবিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া
যায়। জাতিসংঘ সংস্থা ও দাতা দেশগুলোর সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা নিরাপদ, স্বেচ্ছায়
ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সংকট যেন বৈশ্বিক মনোযোগ থেকে
হারিয়ে না যায় সে আহ্বান জানান। প্রেস সচিব জানান, এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
থেকে রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতি আনতে সক্ষম হন।
শফিকুল আলম বলেন, জবাবদিহি ও উন্নয়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি
তুলে ধরতে অধ্যাপক ইউনূস জাতিসংঘকে অনুরোধ জানান বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি)
থেকে উত্তরণের অগ্রগতির একটি স্বাধীন মূল্যায়ন পরিচালনা করতে। এ অনুরোধ ঢাকার অর্থনৈতিক
যাত্রাপথে আস্থা ও গঠনমূলক আন্তর্জাতিক মূল্যায়নের প্রতি উন্মুক্ততা প্রকাশ করে।
প্রেস সচিব জানান, ইউএনজিএ সফরে বিদেশে কর্মসংস্থান
ও শ্রমশক্তি রপ্তানির নতুন সুযোগও উন্মোচিত হয়। কসোভো, আলবেনিয়া ও ইউরোপের আরও কয়েকটি
দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনায় বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য শ্রমবাজার সম্প্রসারণের
বিষয়ে সম্ভাবনা খোঁজা হয়েছে। তিনি বলেন, এসব সুযোগ প্রবাসী আয় বাড়াতে ও নতুন অংশীদার
দেশের সঙ্গে জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করতে সহায়ক হবে।
মন্তব্য করুন


অভিনব কৌশলে পিকআপে করে মাদক পরিবহনকালে ২৯ কেজি গাঁজা’সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
গত ০১ নভেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানাধীন ধানসিড়ি এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অভিনব কৌশলে পিকআপের পিছনে কাঠের গুড়ার বস্তার মধ্যে লুকিয়ে গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী বশির (২০) নামক ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ২৯ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত ০১ টি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী বশির (২০) বি.বাড়িয়া জেলার কসবা থানার শ্রীপুর গ্রামের মোঃ এনামুল হক এর ছেলে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত পিকআপ ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে বি.বাড়িয়া, কুমিল্লা সহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে সে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আজ রবিবার দুপুরে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৯ হাজার ৯২৩ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এর মধ্যে পুরুষ প্রার্থী ২০ হাজার ৪৫৭ জন, যা উত্তীর্ণ প্রার্থীর ৪০ দশমিক ৯৮ শতাংশ। উত্তীর্ণ নারী প্রার্থীর সংখ্যা ২৯ হাজার ৪৬৬, যা উত্তীর্ণ প্রার্থীর ৫৯ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।
যেভাবে জানা যাবে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল :
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, এই ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল জানা যাবে। এছাড়া স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটে আজকের ফলাফলবিষয়ক তথ্য পাওয়া যাবে ।
পাশাপাশি যেসব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাদের আবেদনের সময় দেওয়া মোবাইল ফোন নম্বরে ক্ষুদেবার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফল জানিয়ে দেবে অধিদপ্তর।
মন্তব্য করুন


মহান মুক্তিযুদ্ধের
বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা
হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ শুক্রবার
বিকেলে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত শেষে
তিনি সাভারের পথে রওনা হন। তবে নিয়ম অনুযায়ী, জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে সূর্যাস্তের
আগে পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক
রহমানের পক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
বিএনপির মিডিয়া
সেলের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, মহান জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদীতে নিয়ম
অনুযায়ী সূর্যাস্তের আগে পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী
দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত
ছিলেন বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায়, ড. আব্দুল মঈন খান। বিএনপি চেয়ারপার্সনের
উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, লুৎফুজ্জামান বাবর। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা
জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক এবং সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।
এছাড়া আরও
উপস্থিত ছিলেন ডা. দেওয়ানা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, তমিজউদদীন, ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ,
আইয়ুব খান, মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর এবং বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল
কবির খান।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ অভিযোগ করেছেন, একটি রাজনৈতিক দল যেকোনোভাবে
ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, উচ্চাভিলাষ পূরণে দলটি অনৈতিক পন্থা অবলম্বন
করছে, যা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত।
আজ
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউট
কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
কোনো
দলের নাম উল্লেখ না করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তারা অতি উচ্চাভিলাষী। যেকোনোভাবে ক্ষমতায়
যেতেই হবে— এমন তাড়না তাদের মধ্যে রয়েছে। এই অভিলাষ পূরণে তারা অনৈতিক
পথ বেছে নিচ্ছে।
তিনি
দাবি করেন, বিভিন্ন স্থানে সাজানো ঘটনা এবং ব্যালট পেপার ছাপানোর মতো অনিয়মের অভিযোগ
পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় নির্দিষ্ট একটি দলের নেতাকর্মীরা জড়িত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, “আমরা এসব ঘটনার নিন্দা জানাই। গণতান্ত্রিক চর্চা বজায় রাখতে হলে সব রাজনৈতিক
দলকে নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ আর কোনো ধরনের অপসংস্কৃতি মেনে নেবে
না; বরং প্রত্যাখ্যান করবে।”
তিনি
আরও বলেন, ভিন্ন পথে বা অনৈতিক উপায়ে ক্ষমতায় যাওয়ার যে চেষ্টা, তা দেশের গণতন্ত্রের
জন্য ক্ষতিকর। জনগণ এ ধরনের রাজনীতিকে সমর্থন করে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না বলে মন্তব্য
করেন বিএনপির এই নেতা।
মন্তব্য করুন


সিঙ্গাপুর জেনারেল
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জুলাই বিপ্লবের অগ্রসেনানী এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র
শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কঠোর অবস্থান নিয়েছেন সাবেক তথ্য উপদেষ্টা
মাহফুজ আলম। তিনি হাদির খুনিদের ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সব
ধরণের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার
রাতে রাজধানীর শাহবাগ ও কারওয়ান বাজার এলাকায় হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ
মিছিলে অংশ নিয়ে মাহফুজ আলম এই দাবি জানান।
তিনি বলেন,
শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতরা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।
এই খুনিদের বাংলাদেশের হাতে তুলে না দেওয়া পর্যন্ত ভারতের সাথে কোনো ধরণের স্বাভাবিক
সম্পর্ক রাখা সম্ভব নয়।
মাহফুজ আলম
হাদিকে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি
বলেন, হাদির কণ্ঠ স্তব্ধ করতেই এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। যারা এই খুনিদের
আশ্রয় দিচ্ছে, তারাও এই অপরাধের অংশীদার। তাই অবিলম্বে খুনিদের ফেরত আনার প্রক্রিয়া
শুরু করার জন্য তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর
বিজয়নগরে নির্বাচনী গণসংযোগ চলাকালীন মাথায় গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি।
তদন্তে উঠে
এসেছে যে, হামলাকারী নিষিদ্ধ সংগঠনের এক নেতা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন।
উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও এক সপ্তাহের লড়াই শেষে আজ রাত সাড়ে ৯টার
দিকে হাদি চিরবিদায় নেন।হাদির এই ‘শহীদি মৃত্যু’র পর রাজপথে নেমে আসা ছাত্র-জনতার সাথে
একাত্মতা প্রকাশ করে মাহফুজ আলম বলেন, "আমাদের লড়াই আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এবং
হাদির রক্ত বৃথা যেতে দেব না।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন বলে জানায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
২৮ নভেম্বর মঙ্গলবার সকালে এই তথ্য জানানো হয়েছে ঢাকার আগারগাঁওয়ে বিবিএস অডিটোরিয়ামে আয়োজিত জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর ন্যাশনাল রিপোর্ট প্রকাশনা অনুষ্ঠানে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন জনসংখ্যার মধ্যে পল্লী অঞ্চলে বসবাস করেন ১১ কোটি ৬০ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ জন এবং শহরের বসবাস ৫ কোটি ৩৭ লাখ ৬৩ হাজার ১০৭ জন।
মোট জনসংখ্যার মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৮ কোটি ৪১ লাখ ৩৪ হাজার ৩ জন ও নারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৫৬ লাখ ৮৬ হাজার ৭৮৪ জন। শতকরা হিসাবে পুরুষ ৪৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং নারী ৫০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা শূন্য দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি।
মন্তব্য করুন


কোনো
পত্রিকা অফিসে ভাঙচুর বা পত্রিকা বন্ধে চাপ প্রয়োগ সহ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
আজ
সোমবার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক
সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
সংবাদ
সম্মেলনে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা
নাহিদ ইসলাম বলেন, কোনো
পত্রিকার বিরুদ্ধে যদি কারও কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে তা জানাতে পারে। তবে তা শান্তিপূর্ণ হতে হবে। কোনো
পত্রিকা অফিসে ভাঙচুর করা,
পত্রিকা বন্ধের জন্য চাপ প্রয়োগ করা আমরা সমর্থন করি না। এ ধরনের ঘটনা
পরবর্তীতে ঘটলে টলারেট করা হবে না।
ভাঙচুরের ঘটনায় যারা জড়িত,
তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের আহ্বান থাকবে, মানুষের যদি
ক্ষোভ থাকে তাহলে যেন শান্তিপূর্ণভাবে প্রকাশ করে।
উপদেষ্টা
নাহিদ আরও বলেন, সুনির্দিষ্ট
অভিযোগ থাকলে সেটার জন্য আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারে। আমরা আহ্বান জানাব যেন কোনো
অনাকাঙ্ক্ষিত বা নৈরাজ্যকর বিষয়ে জনগণ অংশ না নেয়। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়
এমন কাজ থেকে আমরা বিরত থাকব।
মন্তব্য করুন