

বাড়িতে লজেন্স খাচ্ছিলেন মৌসুমী মুখোপাধ্যায়।
হঠাৎ সেটা তার গলায় আটকে যায়। দমবন্ধ হয়ে কথা বলার শক্তিও চলে যায় তার। মাকে ওই অবস্থায়
দেখে প্রাথমিক ভাবে ঘাবড়ে গেলেও অসুবিধা বুঝতে দেরি করেনি দুই মেয়ে।
গ্রামের একটি অনুষ্ঠানে খেলার ছলে দুই
বোন শিখেছিলেন হাইমলিখ কৌশল। সেটাই যে এ ভাবে কাজে লেগে যাবে, কে জানত! আচমকা অসুস্থ
হয়ে পড়া মাকে সুস্থ করে তুললেন কলেজপড়ুয়া দুই বোন। শনিবার (১৩ জুলাই) বাঁকুড়ার সোনামুখী
ব্লকের পাথরমোড়া গ্রামের ঘটনা।
বৃষ্টি মুখোপাধ্যায় এবং চতুর্থী মুখোপাধ্যায়
নামে দুই মেয়ের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তাদের মা মৌসুমী মুখোপাধ্যায়।
মায়ের উপর হাইমলিখ কৌশল প্রয়োগ করেন
তারা। বেশ কিছুক্ষণ চেষ্টা চালানোর পর মায়ের গলা থেকে লজেন্সের টুকরো বার করে আনতে
সমর্থ হন বৃষ্টি এবং চতুর্থী। কোনও চিকিৎসকের সাহায্য ছাড়াই মাকে সুস্থ করে তুলতে পেরে
খুশি দুই বোন।
বৃষ্টি বলেন, মা আমাদের সঙ্গে বসে গল্প
করছিলেন। মুখে একটা লজেন্স ছিল। হঠাৎ কথা বন্ধ হয়ে যায় মায়ের। গলা থেকে অদ্ভুত একটা
শব্দ বার হতে থাকে। ধীরে ধীরে জিভ বার হয়ে আসছিল। বুঝতে পেরেছিলাম মা সাধারণ বিষম খাননি।
শ্বাসনালীতে লজেন্স আটকে শ্বাসরোধ হয়েছে। দ্রুত আমরা দুই বোন মায়ের উপর হাইমলিখ পদ্ধতি
প্রয়োগ করে লজেন্স বার করে আনি। মা আবার স্বাভাবিক হন।
চতুর্থী বলেন, ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী
সমিতির রাধানগর শাখা বেশ কিছু দিন আগে আমাদের গ্রামে একটি অনুষ্ঠান করেছিল। সেই অনুষ্ঠানেই
আমরা হাইমলিখ কৌশল শিখেছিলাম। ওই কৌশল শেখা না থাকলে জানি না মায়ের কী হত! আগামিদিনে
যাতে এই কৌশল অন্যদেরও শেখাতে পারি, সেই চেষ্টা করব।”
মৌসুমী মুখোপাধ্যায় বলেন, দুই মেয়ে
এই কৌশল না জানলে হয়তো মারাই যেতাম গতকাল।
ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির
কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সৌম্য সেনগুপ্ত বলেন, খাবার বা পানীয় আমাদের গলা দিয়ে পেটে
যাওয়ার সময় একটি মাংসপেশি আমাদের শ্বাসনালী আটকে দেয়। শ্বাস নেওয়ার সময় তা খোলা থাকে।
কিন্তু খাবার সময় কথা বললে বা মাংসের হাড় থেকে মজ্জা জোরে শুষে খাওয়ার সময় কিছু ক্ষেত্রে
খাবার শ্বাসনালীতে গিয়ে শ্বাসরোধ করে দেয়। ফলে রোগীর তীব্র শ্বাসকষ্ট হয়। কথা বলার
শক্তিও থাকে না তখন। অল্প সময়ের মধ্যে রোগী ছটফট করতে করতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে পারেন।
এই সময় রোগীর শ্বাসনালী থেকে খাবার বার করে আনার জন্য হাতে সময় থাকে মাত্র ৪ মিনিট।
ফলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়টুকুও থাকে না। এ ক্ষেত্রে আশপাশে থাকা লোকেদের সাহায্যে
বিশেষ কৌশলে ফুসফুসে চাপ দিয়ে খাবারের অংশ বার করে আনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরী
কৌশল ‘হাইমলিখ’।
এই কৌশল ব্যবহার করে সারা পৃথিবীতে লক্ষাধিক রোগীকে সুস্থ করা সম্ভব হয়েছে। বৃষ্টি
আমাদের অনুষ্ঠানে ‘হাইমলিখ’কৌশল
রপ্ত করে রাখায় তার মাকে সাক্ষাৎ মৃত্যুর হাত থেকে ফিরিয়ে আনতে পেরেছেন।
মন্তব্য করুন


পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত (শুক্রবার দিবাগত
রাত ২টা ৫৯ মিনিট) ৪৭ হাজার ৪২০ বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এখন পর্যন্ত
সরকারি-বেসরকারি মোট ১১৯টি ফ্লাইটে তারা সৌদিতে পৌঁছান।
আজ শুক্রবার (১৬ মে) হজ সম্পর্কিত সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এয়ারলাইন্স, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব
সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্প ডেস্ক।
হেল্প ডেস্কের তথ্য মতে, ১১৯টি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের
৫৯টি, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৪০টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২০টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
এসব ফ্লাইটে এখন পর্যন্ত ৪৭ হাজার ৪২০ বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এর মধ্যে
সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৮৩ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪২ হাজার ৮৩৭ হজযাত্রী
রয়েছেন। এখন পর্যন্ত ৮৬ হাজার ৬৭৮টি ভিসা ইস্যু করা হয়েছে।
চলতি বছর হজ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। এর মধ্যে ছয়জন পুরুষ
ও একজন নারী। নিহতরা হলেন, জামালপুর বকশীগঞ্জের হাফেজ উদ্দিন (৭৩), রাজবাড়ীর খলিলুর
রহমান, কিশোরগঞ্জের মো. ফরিদুজ্জামান, পঞ্চগড়ের আল হামিদা বানু, ঢাকার মোহাম্মদপুরের
মো. শাহজাহান কবীর, নীলফামারির ফয়েজ উদ্দীন (৭২) ও চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার অহিদুর
রহমান (৭২)।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ,
কুড়িগ্রাম:
কুড়িগ্রামের
অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন শেষে সস্ত্রীক ভুটান ফিরে গেলেন রাজা জিগমে খেসার নাময়িগেল
ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে জেলার সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন
শেষে ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তিনি। কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন
শেষে সস্ত্রীক ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন রাজা জিগমে খেসার নাময়িগেল ওয়াংচুক।
কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন শেষে সস্ত্রীক ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা
শুরু করেছেন রাজা জিগমে খেসার নাময়িগেল ওয়াংচুক।
এর
আগে বৃহস্পতিবার সার্কিট হাউজ থেকে দুপুর ১ টা ২০ মিনিটে ধরলার পাড়ের অর্থনৈতিক অঞ্চলে
যান এবং পনের মিনিট স্থানটি পরিদর্শনের পাশাপাশি বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ
হারুনসহ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
এর
পরে রাজা সড়ক পথে সোনাহাট স্থলবন্দরের দিকে রওয়ানা দেন। রাজা সড়ক পথে দুপুর ১২ টা ১৫
মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে কুড়িগ্রাম
সার্কিট হাউজে এসে পৌঁছান।
কুড়িগ্রামের
জেলা প্রশাসক সাইদুল আরীফ জানান, ভুটানের রাজা দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সার্কিট হাউজে অবস্থান
করেন। এরমধ্যে তিনি দুপুরের খাবার সেরে নেন। এরপর দুপুর দেড়টায় তিনি ধরলার পাড়ের কুড়িগ্রাম
সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মাধবরাম এলাকায় ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত
জায়গা পরিদর্শন করেন। সেখানে রাজা পনের মিনিট অবস্থানের পর সড়ক পথে জেলার ভূরুঙ্গামারী
উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দরের দিকে যাত্রা শুরু করেন। স্থলবন্দরে বিশেষ ইমিগ্রেশনের
মাধ্যমে ভারত হয়ে নিজ দেশ ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন রাজা। বাংলাদেশ-ভুটান দুদেশের
যৌথ উদ্যোগে ধরলা পাড়ে ২১৯ একর জমির ওপর গড়ে তোলা হবে জিটুজি ভিত্তিতে এ বিশেষ অর্থনৈতিক
অঞ্চল। রাজার আগমনকে ঘিরে সব ধরনের আয়োজন সম্পন্ন করে প্রশাসন। ভুটানের রাজার আগমনে
কয়েক স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
কুড়িগ্রাম
চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট আব্দুল আজিজ জানান, ধরলার পাড়ে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
গড়ে তোলা হলে সড়ক, নদী ও রেল পথের সুবিধা মিলবে। এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি
অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে।
এ
সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রাম ৪- আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিপ্লব হাসান পলাশ
সহ আরও অনেকেই।
মন্তব্য করুন


পশ্চিমবঙ্গে এক চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদ এবং বিচারের দাবিতে ভারতজুড়ে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
গত সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হন এক ইন্টার্ন চিকিৎসক। সেই ঘটনার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে পুরো ভারত।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের চিকিৎসকদের সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ) জানিয়েছে, আগামীকাল শনিবার থেকে ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতি কার্যকর হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করা এক পোস্টে আইএমএ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আইএমএ জানিয়েছে, ১৭ আগস্ট শনিবার সকাল ৬টা থেকে রোববার ১৮ আগস্ট সকাল ৬টা পর্যন্ত কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে চিকিৎসকদের সংগঠন আইএমএ। আইএমএ এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করেছে। এ সময় জরুরি সেবা চালু থাকলেও বহির্বিভাগসহ অন্য সব সেবা বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
এর আগে, গত ৯ আগস্ট কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক শিক্ষানবিশ ডাক্তারকে (৩১) ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এই নৃশংস ঘটনার প্রভাবে সারা ভারতে জ্বলছে বিক্ষোভের আগুন। চলছে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও সাধারণ মানুষের বিক্ষোভ-প্রতিবাদ।
গত শুক্রবার আরজি কর মেডিকেল কলেজের জরুরি বিভাগের চারতলায় রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় নারী চিকিৎসকের দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ে যায় রাজ্যে। খুন ও ধর্ষণের অভিযোগ তুলে আন্দোলনে শামিল হন আরজি করের জুনিয়র চিকিৎসকেরা। পরে সেই আন্দোলনে যোগ দেন অন্য চিকিৎসকেরা। তবে সেই আন্দোলন শুধু আরজি করের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেছেন, দেশের বিচার ব্যবস্থার মূল সমস্যা ৪ মিলিয়ন মামলার ভার। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আমরা রাউন্ড-ব্রেকিং টেকনোলজিকাল ইনোভেশন সিস্টেমের উপর ফোকাস করছি এবং মামলা নিষ্পত্তির জটিলতাগুলো সমাধানের চেষ্টা করছি।
সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স
অন জুডিশিয়ারি এক্রোস দ্যা বর্ডার্স (21st Century Challenges and
Experiences from the Himalayas and Beyond) শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক
সম্মেলন হয়েছে ।
আন্তর্জাতিক সম্মেলনটির প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন
প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। তিনি এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।
সম্মেলনটির দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভুটানের হাইকোর্টের বিচারপতি লোবজাং রিনজিন ইয়ার্গে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন- আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতি এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন।
প্রধান বিচারপতি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ভুটান ও নেপাল বাংলাদেশকে স্বাধীনতার স্বীকৃতিদানের ইতিহাস কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন এবং পিপলস জুডিসিয়ারি সম্পর্কে বলেন, পিপলস জুডিসিয়ারি ধারণাটি এমন একটি ধারণা, যা সংখ্যালঘুসহ সকল নাগরিকের সমান প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে এবং সংবিধান অনুযায়ী তাদের অধিকারগুলো রক্ষা করে।
প্রধান বিচারপতি বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার মূল সমস্যা উল্লেখ করে- তা থেকে উত্তরণের উপায় ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, বাংলাদেশের আদালত আজকে ৪ মিলিয়ন মামলার ভারে জর্জরিত। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আমরা রাউন্ড-ব্রেকিং টেকনোলজিকাল ইনোভেশন সিস্টেমের উপর ফোকাস করছি এবং মামলা নিষ্পত্তির জটিলতাগুলো সমাধানের চেষ্টা করছি।
প্রধান বিচারপতি বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা আধুনিকায়নে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। কক্সবাজারে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠায় জমি বরাদ্দের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, এই অধিবেশন দক্ষিণ এশিয়ার বিচার ব্যবস্থার জন্য একটি অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম- যা নিজেদের মধ্যে সংলাপে অন্তর্ভুক্ত হওয়া, ক্রস বর্ডার
ঐক্য গড়ে তোলা ও বৃহত্তর সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন করবে।
এছাড়া বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান
সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী এবং তা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।
তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আর তাই দেশে আজ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
ভুটানের হাইকোর্টের বিচারপতি লোবজাং রিনজিন ইয়ার্গে বলেন, ব্যক্তির মানবাধিকার রক্ষায় আইনের শাসনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি শক্তিশালী গণতন্ত্রের মূলভিত্তি।
তিনি বলেন, দুটি গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি- কেউ আইনের উর্ধ্বে নয় এবং সকলেই আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। এটা বাস্তবায়ন করা না হলে, আইন ন্যায়বিচারের পরিবর্তে অবিচারের উৎস হয়ে উঠে। তিনি তার বক্তৃতায় ভুটানের বিচার ব্যবস্থার অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির এরূপ সম্মেলনের উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এই সম্মেলনের ফলে এই অঞ্চলের বিচারব্যবস্থার চ্যালেঞ্জগুলো শেয়ার করার মাধ্যমে তা উত্তরণে সহায়ক হবে।
সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- আপিল বিভাগ ও হাইকোর্টের বিচারপতিগণ, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি,
এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, এটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের কর্মকর্তাগণ, সুপ্রিমকোর্ট
বার নেতৃবৃন্দ, সিনিয়র আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রির কর্মকর্তাবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


চোর ভেবেছিল সে দামি
কিছু চুরি করেছে। ভেবে ছিলো চুরি করা ফোনটা আইফোনই হবে। তবে কিছুদূর যেতে চোর বুঝতে
পারে সে ভুল করেছে। এটা আইফোন নয় বরং অ্যান্ড্রয়েড ফোন। আর সে ভুল ভাঙতেই ফোনটা
মালিকের কাছে নিজ দায়িত্বে পৌঁছে দিয়েছে চোর।
ওয়াশিংটনের বাসিন্দা
ফোনের মালিক নিজেই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন।
ফোনের মালিক জানিয়েছেন, কিছু দিন আগে রাস্তার পাশে গাড়ি দাঁড়
করিয়ে কাছেই একটি কাজে গিয়েছিলেন। গাড়িতে ফোনটা ফেলে গিয়েছিলেন। তাড়াহুড়া থাকায়
গাড়ি লক করে যেতেও ভুলে যান। চাবিটি গাড়ির গায়েই ঝুলছিল।
ঠিক সেই সময়েই চোর এসে ফোনসহ গাড়িতে থাকা অন্য
জিনিসও নিয়ে যায়। ঘণ্টাখানেক পর গাড়ির মালিক ফিরে এসে দেখেন, ফোন চুরি হয়ে গেছে।
ফলে ফোন করে কারও কাছে সাহায্য চাইতে পারছিলেন না। এই পরিস্থিতিতে কী করবেন সেটা
বুঝে উঠতে না পেরে হয়রান হয়ে গিয়েছিলেন। ঠিক সে সময় চোর নিজে এসেই তাকে ফোনটি
ফিরিয়ে দিয়ে যায়। এই ঘটনায় তিনি তাজ্জব বনে যান। কৌতূহল
মেটাতে চোরকেই সরাসরি প্রশ্নটি করেন। উত্তরে চোর জানায়, সে আইফোন ভেবে চুরি
করেছিল। কিন্তু কিছু দূর যাওয়ার পর ভাল করে দেখে সে বুঝতে পারে, এটি আইফোন নয়।
সাধারণ অ্যান্ড্রয়েড ফোন।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ উপলক্ষ্যে শুক্রবার (০৭ মার্চ) দেওয়া এক বাণীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, নারীদের সম্ভাবনা ও কর্মদক্ষতাকে উৎপাদনমুখী কাজে সম্পৃক্ত করে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে বর্তমান সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের নারীরা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের নারী সমাজের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’
ড. ইউনূস বলেন, ৮ মার্চ- আন্তর্জাতিক নারী দিবস। ১৯৭৫ সালে ৮ মার্চকে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। নারী অধিকার রক্ষায় এই দিনটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও প্রতি বছর উদযাপিত হয়। এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়: ‘অধিকার, সমতা, ক্ষমতায়ন-নারী ও কন্যার উন্নয়ন’।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের আকাঙ্ক্ষায় ছাত্র-শ্রমিক-জনতা যে অভ্যুত্থান সংগঠিত করেছিল গত জুলাই-আগস্টে তার সম্মুখ সারিতে ছিল নারী। লাখ লাখ ছাত্রী বিভিন্ন ক্যাম্পাসে দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হয়েছে। একাধিক নারী এই গণ-অভ্যুত্থানে শাহাদতবরণ করেছেন। আমি এই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারীদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি এবং জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। তারা এগিয়ে যাচ্ছে সর্বক্ষেত্রে। নারীদের অধিকার ও ক্ষমতায়নের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
তিনি আরও বলেন, নির্যাতিত, দুস্থ ও অসহায় নারীদের জন্য শেল্টার হোম, আইনি সহায়তা দিতে ‘মহিলা সহায়তা কেন্দ্র’, কর্মজীবী মহিলাদের আবাসন ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সহায়তা ও ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
ড. উইনূস বলেন, বাংলাদেশের অদম্য মেয়েরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বমহিমায় এগিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.
মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইর্মা ভ্যান
ডুরেন সৌজন্য সাক্ষৎ করেছেন।
আজ মঙ্গলবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ
সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে অধ্যাপক ইউনুস ডাচ রাষ্ট্রদূতকে
ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, নেদারল্যান্ডসের নেতৃত্ব ও ব্যবসায়ী সম্পম্প্রদায়সহ দেশটির
সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে।
এ সময় ডাচ রাষ্ট্রদূত তাঁর দেশের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে বলেন, নেদারল্যান্ডস কৃষি, সামুদ্রিক সম্পদ, শিল্প, যুব, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি, শ্রম, পরিবেশ এবং বন্যা ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক জোরদার করতে আগ্রহী।
অন্তর্বর্তী সরকারের উচ্চাকাঙ্ক্ষী সংস্কার
কর্মসূচির বাস্তবায়নে ড. ইউনূস নেদারল্যান্ডস সরকারের সহযোগিতা চান।
বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা, অর্থনীতি, শ্রম খাত, নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগ, বেসামরিক প্রশাসন ও ব্যবসায় পরিবেশ-প্রতিটি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সাক্ষাৎকালে রোহিঙ্গা সঙ্কটের বিষয়েও আলোচনায় উঠে আসে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, কক্সবাজারের আশ্রয়
শিবিরগুলোতে বেড়ে ওঠা রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ এমনভাবে দিতে হবে যেন
তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হয়।
ইর্মা ভ্যান ডুরেন উল্লেখ করেন- কৃষি, পানি ও
নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ সম্ভাবনাময় বেশ কিছু খাতে আরও বেশি ডাচ বিনিয়োগ নিয়ে আসার
জন্য সেদেশের ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ জানাবেন।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি
বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক (সিনিয়র সচিব) লামিয়া মোরশেদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
মহাপরিচালক কাজী রাসেল পারভেজ, ডাচ উপ-রাষ্ট্রদূত থিজ ওয়ুডস্ট্রা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সেনেগালের
প্রেসিডেন্ট বাসিরু দিওমায়ে ফায়ে কয়েক মাসের রাজনৈতিক উত্তেজনার পর প্রধানমন্ত্রী
ওসমান সোনকোকে বরখাস্ত করেছেন এবং সরকার ভেঙে দিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সোনকোর পশ্চিমা
দেশগুলোর প্রতি সমকামিতা নিয়ে তীব্র সমালোচনার মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে, এক আকস্মিক
অধ্যাদেশের মাধ্যমে এ খবর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানানো হয়। পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটি
ইতোমধ্যে ব্যাপক ঋণের বোঝার মধ্যে থাকায় ঘটনাটি রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়িয়েছে।
সোনকো
সম্প্রতি পশ্চিমা বিশ্বের তীব্র সমালোচনার জবাবে বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো অন্য দেশের
ওপর সমকামিতার 'চাপ' তৈরি করার চেষ্টা করছে। সমকামিতার অপরাধের জন্য শাস্তি কঠোর করার
একটি নতুন আইন সেনেগালে পাশ হওয়ায়, সোনকো এই মন্তব্য করেন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে
বরখাস্ত করা হয়।
তিনি
ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের সমালোচনার কথা উল্লেখ করে বলেন, 'যদি তারা এই পথ বেছে নেয়,
সেটা তাদের সমস্যা। এ বিষয়ে আমাদের শিক্ষার প্রয়োজন নেই।'
প্রেসিডেন্ট
কার্যালয়ের কর্মকর্তা ওমর সাম্বা অধ্যাদেশটি পড়ে শোনান এবং জানান, প্রেসিডেন্ট ফায়ে
সোনকোকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন, যার ফলে সরকারের অন্যান্য মন্ত্রীরাও পদত্যাগ
করেছেন। তবে নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
বরখাস্ত
হওয়ার পর সোনকো সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, 'আলহামদুলিল্লাহ। আজ রাতে আমি কুয়ের গরগুইয়ে
শান্তিতে ঘুমাব।' কুয়ের গরগুই সোনকোর নিজ এলাকা, যা ডাকারের মধ্যে অবস্থিত। এ সময়
তার শত শত সমর্থক তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন।
প্রেসিডেন্ট
ফায়ে মূলত সোনকোর সমর্থনের ওপর ভর করে ক্ষমতায় এসেছিলেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে সোনকোই
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সবচেয়ে সম্ভাবনাশীল ব্যক্তি ছিলেন, তবে মানহানির মামলায় দোষী
সাব্যস্ত হওয়ায় নির্বাচনে দাঁড়াতে পারেননি। সোনকো এবং ফায়ে একসময় পাস্তেফ পার্টি গঠন
করেছিলেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে দুর্নীতি রোধ এবং অর্থনীতি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে
প্রথম ধাপের ভোটেই তারা জয়লাভ করেন।
সেনেগালের
তরুণদের মধ্যে সোনকো ব্যাপক জনপ্রিয়, বিশেষ করে তাঁর প্যান-আফ্রিকান মনোভাব এবং সাবেক
ঔপনিবেশিক ফ্রান্সের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তরুণদের আকৃষ্ট করে। তবে সব ক্ষমতা প্রেসিডেন্ট
ফায়ের হাতে থাকায়, তিনি চাইলে অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে সরাতে পারেন।
সাম্প্রতিক
মাসগুলোতে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী দুইজনের সম্পর্ক তিক্ত হয়ে উঠেছে। গত মে মাসে
এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ফায়ে প্রকাশ্যভাবে সোনকোর একক আধিপত্যের সমালোচনা করেন। সরকার
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নতুন প্রশাসন বিশাল ঋণের বোঝার মধ্যে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক
মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য অনুযায়ী, সেনেগালের ঋণের পরিমাণ মোট জিডিপির ১৩২ শতাংশে
পৌঁছেছে, যা সাব-সাহারা আফ্রিকার মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
সম্প্রতি
পার্লামেন্টে পাশ হওয়া একটি নতুন বিলের মাধ্যমে ২০২৯ সালের নির্বাচনে সোনকো অংশগ্রহণ
করতে পারবে। এই আইনি সংস্কার পূর্বের নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছে, যা মানহানির মামলায় দণ্ডিত
ব্যক্তিদের নির্বাচনে দাঁড়াতে বাধা দিত।
মন্তব্য করুন


এক অন্যরকম আবেগের শব্দ মা। এর সাথে জড়িয়ে থাকে একটি মানুষের হৃদস্পন্দন। মায়ের মতো দুনিয়াতে কেউ হয় না।
এবার সেই কথাকেই যেন বাস্তবে প্রমাণ করলেন এক ছেলে। করলেন ইক অকল্পনীয় কাজ ।
নিজের গায়ের চামড়া কেটে মায়ের জন্য জুতা বানালেন। শুধু তাই নয়, নিজের হাতে সে জুতো পরিয়েও দিলেন এই ছেলে।
এই যুবকের নাম রৌনক গুর্জর। ভারতের মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীর বাসিন্দা সে। রৌনক গুর্জর জানান, তিনি রামায়ণের ভক্ত। রোজ একবার করে রামায়ণ পাঠ করেন। রাম তার আদর্শ। সেই গ্রন্থ পাঠ করেই মায়ের জন্য কিছু করার ইচ্ছা জাগে তার মনে। এজন্য নিজের গায়ের চামড়া দিয়ে মায়ের জুতা তৈরির পরিকল্পনা করেন।
জানা গেছে, অতীতে বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যকলাপের সাথে যুক্ত ছিলেন রৌনক। একবার পায়ে পুলিশের গুলিও খান তিনি। পরে সেই পায়ের অংশ থেকে অস্ত্রপচারের মাধ্ম্যমে কিছুটা চামড়া কেটে মায়ের জন্য জুতা বানান এই ছেলে। শুধু তাই নয়, নিজের হাতে মায়ের পায়ে পরিয়ে দেন সেই জুতা। আর এতে আবেগে মা কেঁদে ফেলেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রামায়ণ অনুযায়ী, ভগবান রাম একবার বলেছিলেন, নিজের চামড়া দিয়ে তৈরি জুতা মায়ের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য যথেষ্ট নয়। সেখান থেকেই এই ভাবনাটি মাথায় আসে বলে জানায় ওই যুবক।
অন্যদিকে, জুতা পেয়ে উচ্ছ্বসিত বৃদ্ধা মা বলেন,এমন ছেলে যেন ঈশ্বর সব মাকেই দেন।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন