

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে দেশের মানুষ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লালকার্ড দেখাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শুক্রবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রেস সচিব বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো ধরনের রিকনসিলিয়েশন বা সমঝোতার আলোচনা হচ্ছে না। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো অনুশোচনার কথা শোনা যায়নি। বরং গতকাল একজন সাবেক মন্ত্রী শহিদের রক্ত নিয়ে মকারি করেছেন। আমরা তাদের মধ্যে অনুতপ্ত হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখছি না।”
তিনি আরও বলেন, “যারা খুনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের জায়গা সমাজে নয়, তাদের জায়গা জেলখানায়। খুনিদের সমাজে গ্রহণযোগ্যতা থাকতে পারে না।”
গণভোট প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, “এই গণভোটে মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রেডকার্ড দেখাবে। গত ১৬ বছর ধরে যে গুম-খুনের রাজনীতি চলেছে, তার বিরুদ্ধেই জনগণের এই রায়। মানুষ সুশাসনের পক্ষে ভোট দেবে।”
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এবছরের জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো আজ। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী
হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
আজ
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশবাসীর সম্মিলিত সমর্থনই আমাদের পরিবারের
শক্তি ও প্রেরণার উৎস।
মঙ্গলবার
(২ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ
কথা বলেন।
তারেক
রহমান বলেন, ‘বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য
যেভাবে সহযোগিতা ও শুভকামনা জানানো হচ্ছে, জিয়া পরিবার ও বিএনপির পক্ষ থেকে আমরা সবার
প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’
তিনি
বলেন, ‘বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিকবৃন্দ ও বন্ধুগণের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা, পাশাপাশি
বাংলাদেশের মানুষের অপরিসীম ভালোবাসা ও দোয়া, সবকিছু আমাদের আবেগ ও অনুভূতিকে গভীরভাবে
স্পর্শ করছে।
বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশবাসীর সম্মিলিত সমর্থনই আমাদের পরিবারের শক্তি ও প্রেরণার
উৎস। মমতাময়ী দেশনেত্রীর দ্রুত আরোগ্যের জন্য আমরা সবাই নিরন্তর দোয়া করছি। এই কঠিন
সময়ে ঐক্য, সহমর্মিতা ও সংহতির জন্য প্রতিটি মানুষের প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা রইল। উল্লেখ্য,
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। অর্থাৎ আগের চেয়ে তার
অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। তবে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তার চিকিৎসা চলছে।
সোমবার
গভীর রাতে তাকে দেখতে হাসপাতালে যান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলের
স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ
হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে তিনি হাসপাতালে পৌঁছান। সেখানে তারা মেডিক্যাল টিমের সঙ্গে সর্বশেষ
শারীরিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করবেন বলে জানিয়েছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। কোনো দলে যোগ দেব কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো দলের সঙ্গে আলোচনা হয়নি।
আজ রোববার (৯ নভেম্বর) ধানমন্ডি নির্বাচন অফিসে ঢাকা-১০ আসনে ভোটার হওয়ার আবেদনপ্রক্রিয়া শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, নির্বাচন করব নিশ্চিত। এখন পর্যন্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত রয়েছে।
তবে উপদেষ্টা পদ থেকে কবে পদত্যাগ করছেন, সে বিষয়েও পরিষ্কার করে কিছু জানাননি তিনি।
ধানমন্ডি এলাকার ভোটার হওয়া নিয়ে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, দুবার যেহেতু ভোট দিতে পারিনি, আগামীতে ধানমন্ডিতেই থাকার ইচ্ছা। সে কারণেই ঢাকা-১০ এর ভোটার হওয়া।
এর আগে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর উপজেলা) আসনের ভোটার ছিলেন আসিফ মাহমুদ।
ঢাকা-১০ নির্বাচনী আসনটি ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, কলাবাগান ও হাজারীবাগ থানা নিয়ে গঠিত। এই আসনে এখনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিএনপি। তবে জামায়াতে ইসলামী এই আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জসীম উদ্দিন সরকারকে।
মন্তব্য করুন


২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকারের মোট দেশজ উৎপাদন তথা জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও বছর শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত জিডিপির চূড়ান্ত হিসাবে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এছাড়া আরো জানানো হয়েছে , ডলারের হিসাবে কমলেও টাকার অঙ্কে মাথাপিছু আয় বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৭৩ হাজার ৩৬০ টাকা।
বিবিএস আরো জানায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৭ টাকা, ২০২০-২১ অর্থবছরে ছিল ২ লাখ লাখ ১৯ হাজার ৭৩৮ টাকা এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে ছিল ১ লাখ ৯৭ হাজার ১৯৯ টাকা। ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে টাকায় প্রকাশ করা হয়েছে মাথাপিছু আয়
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচিত হলে তারা কারও উপর প্রতিশোধ
নেবেন না। দেশ সকল নাগরিকের, কোনও একক গোষ্ঠীর নয়।
তিনি
বলেন, ‘৫ আগস্টের পর আমরা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছি যে, আমরা কারও উপর প্রতিশোধ নেব না।
অন্যায়ভাবে কাউকে মামলায় আসামি করা হবে না। জামায়াত অন্যায়ভাবে একটা মানুষকেও মামলার
আসামি করেনি।’
আজ
সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি ) কুষ্টিয়া আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী
জনসভায় জামায়াত আমির এসব কথা বলেন।
তিনি
বলেন, জামায়াত নেতাদের হত্যা করা হয়েছে, বারবার কারারুদ্ধ করা হয়েছে, দলীয় অফিস বন্ধ
করে দেওয়া হয়েছে, বুলডোজার দিয়ে বাড়িঘর ভেঙে ফেলা হয়েছে, দলের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে
এবং অবশেষে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ‘এতকিছুর পরেও, ৫ আগস্ট রাতে আমরা ঘোষণা করেছি
যে, আমরা কোন প্রতিশোধ নেব না।
আবরার
ফাহাদের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শহীদ এই শিক্ষার্থী
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তিনি বলেন, ‘আবরার ফাহাদ নিজেই এক বিদ্রোহী
বিপ্লবের নাম। আধিপত্যের বিরুদ্ধে কলম ধরাই ছিল তার একমাত্র ‘অপরাধ’,
যার জন্য তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।’তিনি বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান
প্রমাণ করেছে যে, বাংলাদেশের সাহসী যুবসমাজ আল্লাহ ছাড়া কাউকেই ভয় করে না। গত বছরের
জুলাইয়ে যাদের নেতৃত্বে জাতি সংগ্রাম করে মুক্তি অর্জন করেছে, সেই সব শহীদের প্রতি
আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।’
কুষ্টিয়া
প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, পদ্মা ও গড়াই নদী অববাহিকা অঞ্চল কার্যত অব্যবস্থাপনার
কারণে মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘উজান থেকে পানি এলে তা নদীর মধ্যে থাকে না।
দুই তীর উপচে পড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। বছরের পর বছর নদী ভাঙনে অসংখ্য মানুষের স্বপ্ন
চুরমার হয়ে গেছে।’ তিনি নদীকে আল্লাহর এক বিশেষ নিয়ামত
হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এই নিয়ামত ধীরে ধীরে ধ্বংস করা হয়েছে। প্রতি বছর নদী খননের
জন্য বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়, কিন্তু সেই টাকা উধাও হয়ে যায়, আর নদীর বালু কখনোই তোলা
হয় না।
ডা.
শফিকুর রহমান আগস্টের পর যারা চাঁদাবাজিতে জড়িত, তাদেরকে এ পথ থেকে সরে আসার আহ্বান
জানিয়ে বলেন, ‘যদি কষ্টের কারণে আপনারা এসব কাজে জড়ান, তাহলে সেখান থেকে সরে আসুন।
আল্লাহ আমাদের যে হালাল রিজিক দিয়েছেন, তা থেকে আমরা ভাগ করে নিতে প্রস্তুত। তিনি বলেন,
জামায়াতে ইসলামি এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে নারী ও পুরুষ-বিশেষ করে যুবসমাজ-সকলের
জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা থাকবে, যাতে তারা নিজেদের শক্তি দেশ গঠন ও অগ্রগতির
কাজে লাগাতে পারে।
সমাবেশে
১১-দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কুষ্টিয়া জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির ও কুষ্টিয়া-২
আসনের প্রার্থী আবদুল গফুর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
এছাড়া
জামায়াতের সেক্রেটারি সুজা উদ্দিন জোয়ার্দার, কুষ্টিয়া-৩ আসনের প্রার্থী আমির হামজা,
কুষ্টিয়া-১ আসনের প্রার্থী বেলাল উদ্দিন, কুষ্টিয়া-৪ আসনের প্রার্থী আফজাল হোসেন এবং
কুষ্টিয়া শহর জামায়াতের আমির এনামুল হক সমাবেশে বক্তব্য দেন।
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মাল্টিপল ভিসা দেওয়ার এবং মালয়েশিয়ায় পেশাজীবী ও কর্মী বাড়ানোর আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। একইসঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন।
শুক্রবার (৪ অক্টোবর) মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সফর নিয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তার ‘মহান বন্ধু’হিসেবে উল্লেখ করে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার প্রচেষ্টার প্রতি তার সমর্থন প্রকাশ করেছেন।
ঢাকায় এলে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এ সময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনারসহ লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
দুই নেতার মধ্যে একটি একান্ত বৈঠক ও একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মাধ্যমে সফরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
বৈঠকের সময় দুই নেতা দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে তাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ডেটা সায়েন্স, সেমি-কন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অর্থ, স্বাস্থ্য, উচ্চ শিক্ষা, কৃষি, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও হালাল অর্থনীতিসহ সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।
উভয় নেতা শিগগিরই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে পরবর্তী দফা আলোচনা করতে সম্মত হন।
আগামী বছরের শুরুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের যৌথ কমিশনের বৈঠকে বসতেও সম্মত হন তারা।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও বিশ্বের অন্যত্র ক্ষুদ্রঋণ ও সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশাল অবদানের প্রশংসা করেন।
প্রধান উপদেষ্টা একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়পরায়ণ বাংলাদেশের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত চলমান সংস্কার উদ্যোগ সম্পর্কে সফররত প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
‘আমরা একটি নতুন বাংলাদেশে যাচ্ছি, যা আমাদের গর্বিত করবে’- বলেন অধ্যাপক ইউনূস।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতিপথকে ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনতে’ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টার প্রতি তার সমর্থন ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, পুলিশের প্রত্যেক
সদস্যকে দায়িত্বশীলতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে নির্বাচনী দায়িত্ব
পালন করতে হবে।
তিনি
আজ রোববার ( ০৪ জানুয়ারি ) দুপুরে ডিএমপি ট্রেনিং একাডেমি রাজারবাগে নির্বাচনী দায়িত্বে
পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।
এ
সময় তিনি নির্বাচন-পূর্ব, নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে পুলিশের করণীয় বিষয়ে
দিক-নির্দেশনা দেন।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন একটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, যেখানে পুলিশের
ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নির্বাচনের সময় মাঠে অবস্থানরত প্রত্যেক পুলিশ সদস্যই
হবে জনগণের আস্থার প্রতীক। পুলিশ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে।’উপদেষ্টা
বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সরকারের পক্ষ থেকে
সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে পুলিশের সক্ষমতা
ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডিএমপি ট্রেনিং একাডেমিতে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ
কর্মশালার ২৩তম ব্যাচের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে
উপস্থিত ছিলেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) বাহারুল আলম, ঢাকা মেট্রোপলিটন
পুলিশ কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত আইজিপি (ডেভেলপমেন্ট)
সরদার নুরুল আমিন ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো.
সরওয়ার।
এছাড়া
এ সময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য,
এ পর্যন্ত ২২টি ব্যাচের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। যেখানে ১৮ হাজার ১৫০ জন সফলভাবে প্রশিক্ষণ
সম্পন্ন করেছে। ডিএমপির ১৯টি ভেন্যুতে ২৮টি ব্যাচে ২৪ হাজার ৩৪২ জনকে এই প্রশিক্ষণ
দেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি
বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় কুমিল্লায় চলছে ধারাবাহিক বিশেষ প্রার্থনা, কুরআন খতম, খাবার বিতরণ ও সদকার কর্মসূচি। স্থানীয় নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে টানা আটদিন ধরে এ আয়োজন রাজধানীর বাইরে অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয়–মানবিক উদ্যোগ হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা, সাবেক সংসদ সদস্য এবং কুমিল্লা-৬ আসনের জননেতা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের উদ্যোগে এ ধারাবাহিক কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। তার সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিদিন কুরআন তেলাওয়াত, বিশেষ মোনাজাত, খাবার বিতরণ এবং বিভিন্ন এতিমখানায় গবাদিপশু সদকার আয়োজন করা হচ্ছে। দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) কান্দিরপাড় বিএনপি কার্যালয়ে দিনব্যাপী কুরআন খতম অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে অনুষ্ঠিত বিশেষ দোয়ায় দেশনেত্রীর দীর্ঘায়ু, রোগমুক্তি এবং দেশের শান্তি–স্থিতিশীলতা কামনা করা হয়। এর আগে দুপুরে বিভিন্ন এতিমখানার শিশুদের খাবার পরিবেশন করা হয়। অংশগ্রহণকারী নেতারা জানান, মানবিক এই আয়োজনে কুমিল্লার মানুষ ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত হচ্ছেন, যা দেশনেত্রীর প্রতি জনগণের ভালোবাসার প্রতিফলন।
দলীয় কার্যালয়ে দোয়ার অনুষ্ঠানে বক্তব দেন সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এসএ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ছুটি, মাহবুবুর রহমান দুলাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহবায়ক কাজী শাহিনুর, মহানগর যুবদলের সদস্য–সচিব রুমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাশা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য–সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানাসহ অন্যরা।
জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালমান সাইদ, মহানগর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিব, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রবিন, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেনসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
নেতারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও রাজনীতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাই তার রোগমুক্তি প্রত্যাশায় কুমিল্লা বিএনপি ও অঙ্গ–সংগঠনগুলো মানবিক ও ধর্মীয় কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। দোয়া–মোনাজাতে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষও দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় আন্তরিক প্রার্থনা করেন।
মন্তব্য করুন


মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সেনাবাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এই প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা দেওয়া হয়। এই ধারা অনুযায়ী সরকারকে মেট্রোপলিটনের বাইরে যে কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ক্ষেত্রে সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিচে কাউকে দায়িত্ব প্রদান করা না গেলেও অন্যদের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে আইনে শর্ত আরোপ করা হয়নি।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা (সেনা কর্মকর্তা) সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (জেলা প্রশাসক) তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন।
গ্রেফতার, তল্লাশি ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের ক্ষমতা: প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এসব ধারা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা কাউকে আটক বা গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ, তল্লাশির আদেশ ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের জন্য আদেশ দিতে পারবেন।
গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪ ও ৬৫ ধারায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে ও এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোনো অপরাধ করলে তিনি নিজে অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারবেন অথবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারবেন। এছাড়া ৮৩ ও ৮৪ ধারা অনুযায়ী অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। আইনের ৮৬ ধারার বিধান মতে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিতে পারবেন অথবা অপরাধ জামিনযোগ্য না হলে তাকে আদালতে পাঠাবেন।
তল্লশি সংক্রান্ত আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৯৫(২) ধারার বিধানমতে তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে ডাক বা টেলিগ্রাম বিভাগের দ্বারা তল্লাশি পরিচালনা করবার ও উক্ত দলিল, পার্সেল বা ব্যক্তি আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন। ১০০ ধারার বিধানমতে কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করার বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পেলে তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। ১০৫ ধারার বিধানমতে নিজ উপস্থিতিতেও ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশির আদেশ দিতে পারবেন।
শান্তিরক্ষায় মুচলেকা গ্রহণ: শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী শান্তি শান্তিরক্ষায় সদাচরণের মুচলেকা গ্রহণ করতে পারবেন। ১০৯ ধারার বিধানমতে অধিক্ষেত্রের মধ্যে ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছ থেকে মুচলেকা নিতে পারবেন। ১১০ ও ১২৬ ধারা অনুযায়ী অভ্যাসগত অপরাধীর কাছ থেকে জামিনদারসহ বা জামিনদার ছাড়াও শান্তিরক্ষায় মুচলেকা নিতে এবং প্রয়োজনে মুচলেকা বাতিল করতে পারবেন।
বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দান: ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ ধারা অনুযায়ী সর্বসাধারণের শান্তি বিনষ্ট হওয়ার কারণ হতে পারে এই ধরনের পাঁচ বা তারবেশি ব্যক্তির সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দিতে পারেন। আদেশ অমান্য করলে ১২৮ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ ভঙ্গে বল প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন। ১৩০ ধারার বিধান অনুযায়ী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে প্রয়োজনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে পারবেন।
এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট পথ, নদী, খাল বা প্রকাশ্য স্থানে বেআইনি বাঁধা অপসারণ, ব্যবসা বা সংরক্ষিত এলাকায় মানুষের আরাম আয়েশের বিঘ্ন ঘটানো, গৃহ বা তাবু হতে ক্ষতিকর বস্তু বা বৃক্ষ অপসারণ, জলাশয় ঘেরাও, বিপজ্জনক প্রাণী ধ্বংস বা আটক ইত্যাদি আদেশ দিতে পারেন। কোনো ব্যক্তি ১৪২ ধারার বিধান মতে ক্ষতি এড়াতে কোনো ব্যক্তির উপর নির্দিষ্ট স্থানে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন।
মন্তব্য করুন


যুব ক্রীড়া এবং কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের দেশের বিভিন্ন সেক্টরে ইভিল প্র্যাকটিস হয়ে আসছিল। যার মধ্যে অন্যতম ছিল বাজার খাত। যে কারণে প্রতিবছরই কোনো না কোনো পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এ বছরে ডিমের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে গেছে। এর পেছনে মূলত দায়ী চাঁদাবাজি এবং সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম। আমরা সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ভাঙার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) টিসিবি কার্যালয়ের সামনে ফসল ডট কম কর্তৃক আয়োজিত ন্যায্যমূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, সাসটেইনেবল দামে পণ্য বিক্রি করায় ফসল ডটকমকে স্বাগত জানাচ্ছি। আমরা অন্যদেরও আহ্বান জানাব, তারা যেন এ ধরনের উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসে। প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে লোনের ব্যবস্থাও করা হবে। যারা সিন্ডিকেট করে তারা ব্যবসা নিয়ে সারাক্ষণ চিন্তায় থাকে। এমনটা যাতে না হয়, সে জন্য আমরা উদ্যোক্তারদের পাশে থাকব।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম উদ্দিন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের
সচিব এ এইচ এম
শফিকুজ্জামান, জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন