

স্থানীয়
বাজারে তেজাবি সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে সোনার দাম
বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম)
সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ
৬২ হাজার ৯০ টাকা।
আজ
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ
জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। শনিবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড
প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান
ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত
২৯ জানুয়ারি সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১৬ হাজার ২১৩ টাকা
বাড়িয়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার ০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা দেশের ইতিহাসে রেকর্ড সৃষ্টি করে।
এটাই ছিল সোনার সর্বোচ্চ দাম।
নতুন
দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ৬৪০ টাকা
বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি
সোনার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ
ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৬ হাজার ২৪১ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা
হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা
বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা। এর আগে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি)
সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২
লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ
৪২ হাজার ৯০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৬ হাজার ২৪১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৮
হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা কমিয়ে এক লাখ
৭০ হাজার ৪১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এর
আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১০ হাজার
৯০৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১০ হাজার ৪৩৯ টাকা
বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৮ হাজার ৯২৩ টাকা বাড়িয়ে
২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৭ হাজার ২৯০ টাকা বাড়িয়ে
১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
একই
দিন সকালে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে
২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ১৯০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ
৩৯ হাজার ৭৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫ হাজার
৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৬৮ হাজার
১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তার আগে ২ ফেব্রুয়ারি রাতে ভালো মানের প্রতি ভরি সোনায় ৫
হাজার ৪২৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ১৯০
টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৬৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা
কমিয়ে ২ লাখ ১ হাজার ৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা
কমিয়ে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
একইদিন
সকালে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমিয়ে ২
লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৬ হাজার ২৯০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৯
হাজার ৭৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ০৫ হাজার
৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৬৮ হাজার
১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
তার
আগে ১ ফেব্রুয়ারি রাতে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় এক হাজার
৯২৫ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় এক হাজার ৮৬৬ টাকা
কমিয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৫২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় এক হাজার ৬৩৩ টাকা কমিয়ে
২ লাখ ১০ হাজার ৮৮৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় এক হাজার ৩১৪ টাকা কমিয়ে
১ লাখ ৭১ হাজার ৫৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
একইদিন
সকালে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৪ হাজার ৮২ টাকা বাড়িয়ে ২
লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৩ হাজার ৯০৭ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪৭
হাজার ৯১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৩ হাজার ৩৮২ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১২ হাজার
৫১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ৪১ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৭৩ হাজার
৯১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এদিকে
সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম
৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক
ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা
নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৯তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের
বৈঠকে যোগদানের জন্য তাঁর চার দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষ করে আজ ভোরে দেশে ফিরেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের
বহনকারী কাতার এয়ারওয়েজের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট ভোর ৩টা ৩২ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে
এসে পৌঁছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম এ তথ্য জানান।
এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় (নিউইয়র্ক
সময়) ফ্লাইটটি নিউইয়র্কের জেকেএফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দেয়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস মার্কিন প্রেসিডেন্ট
জো বাইডেনসহ ১২টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের
সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সাইডলাইনে ৪০টি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন।
প্রধান উপদেষ্টা নিউইয়র্ক সময় শুক্রবার
(২৭ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেয়া ছাড়াও ২৪ সেপ্টেম্বর মার্কিন
প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর বাইডেনের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।
এছাড়া তিনি অন্যান্যের মধ্যে জাতিসংঘ
মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
শেহবাজ শরীফ, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি এবং নেদারল্যান্ডস’র প্রধানমন্ত্রী ডিক শুফের সাথে দ্বিপাক্ষিক
বৈঠক করেন।
নিউইয়র্ক অবস্থানকালে প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট
উরসুলা ভন ডের লেয়েন, জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক, মার্কিন পররাষ্ট্র
মন্ত্রী অ্যান্টনি জে ব্লিঙ্কেন, জাতিসংঘের হাইকমিশনারের শরণার্থী বিষয়ক কমিশনার ফিলিপ্পো
গ্র্যান্ডি, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ ও ইউএসএইডের প্রশাসক সামান্থা
পাওয়ার সাক্ষাত করেন।
প্রধান উপদেষ্টা নিউইয়র্কে জাতিসংঘ
সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেন।
তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম
অধিবেশনে যোগ দিতে ২৩শে সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক পৌঁছান।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা থেকে অর্ধকোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করল কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)। কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন ১০ বিজিবির অধিনায়ক কর্নেল মীর আলী এজাজ অবৈধ ভারতীয় শাড়ি আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে। আজ ১২ জানুয়ারি ভোর ৫টায় কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার আওতাধীন শিবের বাজার বিওপির টহল দল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে বাংলাদেশ সীমান্তের ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বদরপুর নামক স্থানে বিজিবি টহল দল মালিকবিহীন অবস্থায় ০১টি অটোরিকশসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় শাড়ি জব্দ করে, যার সর্বমোট দাম ৪৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন ১০ বিজিবির অধিনায়ক কর্নেল মীর আলী এজাজ বলেন, জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমসে জমা করা হবে। চোরাচালান বন্ধে আমাদের অভিযান চলমান থাকবে ।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এদেশ
আমাদের সকলের। ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের জন্য এক নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ
আবাসভূমি।
আগামীকাল শুক্রবার ( ২৩ জানুয়ারি ) ‘সরস্বতী পূজা’
উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা হিন্দু সম্প্রদায়ের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা
ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
হাজার বছর ধরে এদেশে জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকল ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা
ও সৌহার্দ্যের সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করে আসছেন।’
তিনি বলেন, ‘হিন্দু ধর্মমতে, দেবী সরস্বতী সত্য,
ন্যায় ও জ্ঞানের প্রতীক। তিনি বিদ্যা, বাণী ও সুরের অধিষ্ঠাত্রী। তিনি আমাদের অজ্ঞতার
অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে যান। সরস্বতী পূজার এই পবিত্র উৎসব উপলক্ষ্যে আমি প্রত্যাশা
করি, আমাদের শিক্ষা যেন কেবল নিজের উন্নতির জন্য না হয়, বরং সমাজের উন্নতির জন্য হয়।
আমরা যেন আমাদের জ্ঞান দিয়ে অন্যকে সাহায্য করি, দুর্বলদের পাশে দাঁড়াই এবং একটি সুন্দর
সমাজ গড়ে তুলি।
প্রধান উপদেষ্টা হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ বাংলাদেশের সকল নাগরিকের শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


মাগুরা শহরের ইসলামপুর পাড়ায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় ও সরকারি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করেছে দুষ্কৃতকারীরা। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ভোররাত ৩টার দিকে পৃথক দুই কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এতে দুটি অফিসের গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র, নথি এবং আসবাবপত্র পুড়ে যায়।
মাগুরা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. আলিম মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুটো জায়গাতেই পেট্রোল বোমার কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা আক্তার জানান, রাতে দুষ্কৃতকারীরা ভূমি অফিসের পেছনের জানালা ভেঙে ভেতরে পেট্রোল বোমা ছুঁড়ে মারে। এতে নিচতলায় থাকা কম্পিউটার, আসবাবপত্র এবং জমি–জমা সংক্রান্ত দলিল ও নথিপত্র সম্পূর্ণ পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়।
এদিকে একই সময়ে সাব রেজিস্ট্রার অফিসেও একই ধরনের হামলা হয়। সাব রেজিস্ট্রার শুভ্রা রানী দাস বলেন, পেট্রোল বোমার আগুনে সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের নিচতলা এবং সামনে থাকা দলিল লেখকদের অফিস পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। জমিজমার দলিল, নথিপত্রসহ লেখকদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও নষ্ট হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুনে দুটি প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার, বৈদ্যুতিক লাইন, আসবাবপত্রসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সদর থানার ওসি আয়ুব আলী জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে। দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


ক্রিকেটারদের
দাবির মুখে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটির পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। টাইগার ক্রিকেট বোর্ড শর্ত জুড়ে দিয়েছিল, যদি আজকের মধ্যে
ক্রিকেটাররা খেলায় না ফেরে, তাহলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিপিএল বন্ধ করে দেওয়া হবে।
সেই
পথেই হাঁটছে বিসিবি। কোয়াবের অনড় অবস্থান এবং ক্রিকেটারদের ম্যাচ বয়কটের কারণে চলমান
বিপিএল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে দিয়েছে বিসিবি।
আজ
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতেই আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রাঞ্চাইজিদের এ সিদ্ধান্তের কথা
জানিয়ে দেবে বোর্ড।
বাংলাদেশ
প্রিমিয়ার লিগের ঢাকা পর্ব শুরু হওয়ার কথা ছিল আজ। তবে তা শুরুর আগেই বড় অনিশ্চয়তায়
পড়ে। পরে দিনের ম্যাচ হয়নি। বিকালের ম্যাচও মাঠে গড়ায়নি। এরপর এমন সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি।
এদিন
সন্ধ্যা ছয়টায় মিরপুরে সিলেট টাইটানসের বিপক্ষে রাজশাহী ওয়ারিয়রসের মাঠে নামার কথা
ছিল। দুপুরে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের ম্যাচটিও একই কারণে অনুষ্ঠিত
হয়নি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
২০১৫ সালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পেট্রোল বোমা হামলা ও কাভার্ডভ্যানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হত্যাসহ তিনটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া তৎকালীন সরকারের করা মামলাগুলো রাজনৈতিক মামলা বিবেচনায় প্রত্যাহারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বাকি আসামিদের মামলাও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (৭ জুলাই) বিকেলে সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন কুমিল্লা জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. কাইমুল হক রিংকু।
তিনি জানান, ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগমোহনপুরে একটি বাসে পেট্রোল বোমা হামলার ঘটনায় আট যাত্রী নিহত হন। ওই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা করে পুলিশ। মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ৭৮ জনকে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ মামলায় বাদী ছিলেন চৌদ্দগ্রাম থানার তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা নুরুজ্জামান হাওলাদার। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দুই মামলার শুনানিতে বেগম খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততা প্রমাণ না হওয়ায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক সফিকুল ইসলাম তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। কারণ সে সময় বেগম খালেদা জিয়া গুলশানের বাসায় বালুর ট্রাক দ্বারা অবরুদ্ধ ছিলেন।
অপরদিকে ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি চৌদ্দগ্রামের হায়দারপুর এলাকায় কাভার্ডভ্যান পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় নাশকতার মামলায়ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ৩২ জনকে আসামি করা হয়। পরে এ মামলায় আরও ১০ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়। এ মামলারও বাদী চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান হাওলাদার। এ মামলাতেও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততা না পাওয়া যাওয়ায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আফরোজা শিউলি তাকে অব্যাহতি দেন।
কাইমুল হক রিংকু আরও জানান, মামলা তিনটি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা বিবেচনায় প্রত্যাহারের জন্য আইন মন্ত্রণালয় আবেদন করা হয়। মন্ত্রণালয় সেই আবেদন গ্রহণ করে মামলা তিনটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এখন থেকে খালেদা জিয়া ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় কোনো মামলা নেই।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে রইস খান নামে এক পাকিস্তানি নাগরিক মুক্তি পেয়েছেন।
আজ
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার সময় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২
থেকে তিনি মুক্তি পান। পরে দুপুর দেড়টার সময় লাল রঙের গাড়িতে করে মূল ফটক দিয়ে
বের হয়ে যান তিনি।
কাশিমপুর
কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন কালবেলাকে তথ্যটি নিশ্চিত
করেছেন।
রইস
খান পাকিস্তানের করাচি জেলার গুলজার হিজরি থানার দিন মোহাম্মদের ছেলে। তিনি মাদকদ্রব্য
নিয়ন্ত্রণ আইনে রমনা থানার করা মামলায় কারাভোগ করছিলেন।
কারাগার
সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি কারাভোগ করছিলেন। পরে ২০০৫ সালের
৭ জুলাই তার সাজা হয়। চলতি বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর তার সাজার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়। দীর্ঘদিন
ধরে মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে তিনি কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ আটক ছিলেন।
এ
বিষয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন জানান, দীর্ঘদিন
ধরে মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে তিনি কারাগার-২ এ আটক ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে
১২টার সময় বিশেষ শাখার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে দূতাবাসের প্রতিনিধিদের নিকট তাকে হস্তান্তর
করা হয়।
মন্তব্য করুন


আজ মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সেনাবাহিনী প্রধানের
সাথে সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেরেক লো সেনাসদরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে তাঁরা পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময়
ছাড়াও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও দু'দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা
করেন। বিশেষ করে তাঁরা সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, যৌথভাবে হাসপাতাল নির্মাণ ও
পরিচালনার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, প্রতিরক্ষা শিল্পে বিনিয়োগ ও সামরিক
প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রশিক্ষনার্থী বিনিময়ের উপর আলোকপাত করেন।
এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, স্পেশাল ফোর্সেস' অভিযান ইত্যাদি বিষয়ে যৌথ মহড়া পরিচালনার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা নগরীকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু। তিনি নগরীর যানজট, জলাবদ্ধতা, চুরি-ছিনতাই ও মশার উপদ্রব দূর করে একটি ‘গ্রিন ও ক্লিন সিটি’ উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, ‘আজ থেকে কুমিল্লা নগরীতে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও যৌন হয়রানির বিষয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করছি। মানুষ যেন দরজা খোলা রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে—এমন নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের নির্দেশনা রয়েছে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করব, ইনশাআল্লাহ।’
প্রশাসক হিসেবে প্রথম ও প্রধান কাজ হিসেবে নগরীকে যানজটমুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। ঈদের আগেই মাঠ পর্যায়ে নেমে যানজট নিরসনে কাজ শুরু করার ঘোষণা দেন।
এ ছাড়া মশা নিধনকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রথমে চারটি ওয়ার্ডকে মশার উপদ্রব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করা হবে। এ বিষয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে এবং ঈদের আগেই কাজ শুরু করা হবে। ধীরে ধীরে পুরো নগরীকে মশামুক্ত করা হবে, ইনশাআল্লাহ। মানুষ যেন মশারি না টানিয়েও নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে সেই লক্ষ্যেই কাজ করব।
তিনি আরও বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং সবুজায়ন বাড়ানোর মাধ্যমে কুমিল্লাকে একটি পরিবেশবান্ধব শহরে পরিণত করা হবে। একই সঙ্গে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে।
প্রশাসক হিসেবে প্রথম দিনের আগমনকে ঘিরে নগর ভবনজুড়ে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এ সময় সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইউসুফ মোল্লা টিপুকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
মন্তব্য করুন


কেউ যাতে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে বলে জানান প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ল' অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (রুলা) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধান বিচারপতি এ কথা বলেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ঐতিহ্য তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি বলেন, জাতিকে নেতৃত্ব দিতে, জনসাধারণের সেবা করতে এবং বাংলাদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখে চলেছে রাবি আইন অনুষদের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা স্মরণ করি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের, যাদের অসীম সাহসিকতায় একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র নেতৃত্বাধীন বিপ্লবের শহিদদের শ্রদ্ধা জানাই। যাদের অসীম আত্মত্যাগ এক নতুন বাংলাদেশের সূচনা করেছে। তাদের আর্তনাদ ছিল 'আমরা ন্যায়বিচার চাই'। এখন একটি ন্যায্য সমাজের অন্বেষণ প্রতিধ্বনিত হয়। আইনজীবীরা সংবিধানের প্রথম সারির রক্ষক। আইনজীবীরা কণ্ঠহীনদের প্রতিনিধিত্ব করেন। ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠায় অসীম ভূমিকা রাখেন আইনজীবীরা। তিনি বলেন, আইনজীবীরা বিচার বিভাগ ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন। বিচার বিভাগ সংস্কারের জন্য একটি ব্যাপক রোডম্যাপ ঘোষণা করেছি। এই উদ্যোগটি আমাদের বিচার বিভাগকে শক্তিশালী করতে এবং সততা ও দক্ষতার সাথে জনগণের সেবা করার ক্ষমতাকে শক্তিশালী করার ভিত্তি। বিচার বিভাগীয় সংস্কারের জন্য মূল লক্ষ্য প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে শক্তিশালী করা। বিচার বিভাগের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় তৈরির প্রক্রিয়া ঘোষণা করেছি। যা বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং যোগ্যতা প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের জন্য একটি বিচার বিভাগীয় নিয়োগ কাউন্সিল গঠনে সরকারের কাছে প্রস্তাব করেছি।
মন্তব্য করুন