

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া
ইন্না ইলাইহি রজিউন)।
আজ বুধবার ঢাকার
একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি
এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন।
বাঞ্ছারামপুর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিন জানান, ইউএনও ফেরদৌস আরা আজ বুধবার সকাল
৭টার দিকে ঢাকায় মারা গেছেন। তিনি মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগছিলেন।
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে
ফেরদৌস আরার স্বামীর বাড়ি হলেও তার বাবার বাড়ি ঢাকার যাত্রাবাড়িতে।
নবীনগরের ইউএনও
মাহমুদুল হাসান জানান, গত রবিবারও তারা একইসঙ্গে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইন-শৃঙ্খলা
বিষযক এক সভায় যোগ দিয়েছিলেন। এরপরই তিনি সোমবার অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় গিয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত, ৩৬তম
বিসিএসের এ কর্মকর্তা গত বছরের ৯ জানুয়ারি বাঞ্ছারামপুরে যোগদান করেছিলেন।
মন্তব্য করুন


সংকটাপন্ন
অবস্থায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে
উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। দলের উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র
জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় চিকিৎসক পরামর্শ ও লজিস্টিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেই কাতারের পাঠানো
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে লন্ডনে নেওয়া হবে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের
স্ত্রী ও চিকিৎসক জোবাইদা রহমান লন্ডন থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। তিনি
ঢাকায় পৌঁছে খালেদা জিয়ার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন এবং অবস্থা অনুকূল থাকলে
তার সঙ্গেই লন্ডন যাত্রা করবেন বলে জানা গেছে।
এদিকে
কাতার জানায়, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার প্রয়োজন হলে তারা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দিতে
প্রস্তুত। চিকিৎসকদের সম্মতি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকার উদ্দেশে
রওনা হবে। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরেই তা রওনা হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে। খালেদা
জিয়ার সঙ্গে ব্যক্তিগত চিকিৎসকসহ মোট ১৪ জন যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
বিএনপির
পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তার শারীরিক অবস্থায় তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি।
চিকিৎসকরা অবস্থাকে ‘স্থিতিশীল’ বলছেন। তার চিকিৎসায় যুক্তরাজ্যের
বিশেষজ্ঞ রিচার্ড বিলসহ দেশি–বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল
বোর্ড কাজ করছে। বুধবার যুক্তরাজ্য এবং চীন থেকে বিশেষজ্ঞের নতুন দুটি দল এই বোর্ডে
যুক্ত হয়েছে।
গত
২৩ নভেম্বর ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের গুরুতর সংক্রমণ নিয়ে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়। পরে কিডনি জটিলতা, হৃদরোগ ও নিউমোনিয়ায় তার অবস্থার আরও অবনতি হয়। ১
ডিসেম্বর তাকে ভেন্টিলেশনে নেওয়া হয় বলে দলীয় সূত্র জানায়।
অন্যদিকে,
তাকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ (ভিভিআইপি) ঘোষণার পর হাসপাতাল এলাকাজুড়ে
নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হয়েছে এসএসএফ ও পিজিআর সদস্যদের। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়
জানিয়েছে, এয়ার ট্রান্সপোর্ট প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল
৪টার মধ্যে হাসপাতালের নিকটস্থ উন্মুক্ত মাঠে সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারের
পরীক্ষামূলক অবতরণ ও উড্ডয়ন পরিচালিত হবে। এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়ানোর অনুরোধ
করেছে কার্যালয়।
বহু
বছর ধরেই আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি ও ফুসফুসজনিত জটিলতাসহ নানা অসুস্থতায় ভুগছেন
খালেদা জিয়া। গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর মুক্তি পেয়ে তিনি চলতি বছরের জানুয়ারিতে
উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান এবং ১১৭ দিন অবস্থান শেষে মে মাসে দেশে ফেরেন। দেশে
ফেরার পর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্যও তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, ঐক্যবিহীন সংস্কার কিংবা সংস্কারবিহীন নির্বাচন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে
পারবে না।
আজ শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর
কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ আয়োজিত ‘ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচন’
শীর্ষক জাতীয় সংলাপে দেওয়া ভিডিও বার্তায় এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আপনারা এই সংলাপে তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছেন; ‘ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচন’।
সংস্কার বিষয়ে আমাদের মধ্যে ঐকমত্য প্রয়োজন। এই তিন লক্ষ্যের কোনোটিকে ছাড়া কোনোটি
সফল হতে পারবে না। ঐক্যবিহীন সংস্কার কিংবা সংস্কারবিহীন নির্বাচন বাংলাদেশকে এগিয়ে
নিতে পারবে না।
সংস্কার ও নির্বাচনের প্রস্তুতি একই
সঙ্গে চলতে থাকবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, নির্বাচনের
প্রস্তুতির কাজ মূলত নির্বাচন কমিশনের। কিন্তু সংস্কারের কাজে সকল নাগরিককে অংশগ্রহণ
করতে হবে। যারা ভোটার তারা তো অংশগ্রহণ করবেনই, তার সঙ্গে যারা ভবিষ্যতে ভোটার হবেন
তারাও সর্বাত্মকভাবে সংস্কারের কাজে নিজেদেরকে
নিয়োজিত করুন। সংস্কারের কাজটা নাগরিকদের
জন্য সহজ করতে আমরা ১৫টি সংস্কার কমিশন গঠন করে দিয়েছিলাম। তাদের প্রতিবেদন জানুয়ারি
মাসে পেয়ে যাব। প্রত্যেক সংস্কার কমিশনের দায়িত্ব হলো প্রধান বিকল্পগুলো চিহ্নিত
করে তার মধ্য থেকে একটি বিকল্পকে জাতির জন্য সুপারিশ করা। যার যার ক্ষেত্রে সংস্কারের
মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কীভাবে রচিত হবে তা বিভিন্ন পক্ষের মতামত নিয়ে সুপারিশমালা তৈরি করে
দেওয়া, নাগরিকদের পক্ষে মতামত স্থির করা সহজ করে দেওয়া। কমিশনের প্রতিবেদনে সুপারিশ
করলেই আমাকে-আপনাকে তা মেনে নিতে হবে এমন কোনো কথা নেই। এজন্য সর্বশেষ পর্যায়ে জাতীয়
ঐকমত্য গঠন কমিশন গঠন করা হয়েছে। যেমন একটা উদাহরণ দেই। কোন বয়সে একজন নাগরিক ভোটার
হতে পারবে তার জন্য নানা দেশে নানা বয়স নির্ধারণ করা আছে। নির্বাচন সংস্কার কমিশন
নিশ্চয়ই এরকম একটা বয়স সুপারিশ করবে। সে বয়স আমার পছন্দ হতেও পারে না-ও হতে পারে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ধরুন আমি
তরুণদের তাড়াতাড়ি ভোটার করার পক্ষে। যে যত তরুণ, পরিবর্তনের প্রতি তার আগ্রহ তত বেশি-এই
হলো আমার যুক্তি। তরুণরা সংখ্যায়ও বেশি। দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা আগ্রহী। নিজের ভবিষ্যৎ
নিয়ে তার মতামত নেওয়ার জন্য আমি মনে করি ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর নির্ধারিত হওয়া উচিত।
নির্বাচন সংস্কার কমিশন কী সুপারিশ করবেন তা আমার জানা নেই। কিন্তু দেশের বেশিরভাগ
মানুষ যদি কমিশনের সুপারিশ করা বয়স পছন্দ করে, ঐকমত্যে পৌঁছার জন্য আমি তা মেনে নেব।
সবকটা কমিশন মিলে আমাদের সামনে বহু সুপারিশ তুলে ধরবে। আমরা এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছি
যে যার যাই মতামত হোক না কেন আমরা দ্রুত একটা ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত করে সংস্কারের কাজগুলো
করে ফেলতে চাই। নির্বাচনের পথে যেন এগিয়ে যেতে পারি সেই ব্যবস্থা করতে চাই।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


বাংলাদেশকে ভালো রাখতে হলে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও আদর্শকে ধারণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
শুক্রবার বিকেলে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘নাগরিক সমাজ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ নজরুল বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া যখন জীবিত ছিলেন, আমি তাঁর জন্য বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতাম। তখন প্রায়ই বলতাম—বেগম জিয়া ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। আমি বিশ্বাস করি, তিনি এখন ভালো আছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো—বাংলাদেশ কি ভালো আছে বা ভালো থাকবে? বাংলাদেশকে ভালো রাখতে হলে বেগম খালেদা জিয়াকে ধারণ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “খালেদা জিয়া জীবিত থাকা অবস্থায় যখন বন্দি ছিলেন, তখন তাঁর পক্ষে কথা বলার সুযোগ আমার হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় তাঁর পক্ষে কথা বলার মানুষ খুঁজে পাওয়া যেত না।”
স্মৃতিচারণ করে আইন উপদেষ্টা বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে বিচারটি হয়েছিল, সেটি ছিল অদ্ভুত ও উদ্ভট। সেই মামলার শুনানিতে অন্য পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শুনে তিনি গভীরভাবে শকড হয়েছিলেন।”
তিনি বলেন, “বেগম জিয়া বিস্মিত ও ব্যথিত হয়ে বলেছিলেন—‘আমি মেরে খেয়েছি এতিমের টাকা?’ অথচ সেই আবেগপূর্ণ প্রশ্নকেই বিচারক রায়ে লিখেছেন যে, বেগম জিয়া নিজেই নাকি অপরাধ স্বীকার করেছেন।”
আসিফ নজরুল বলেন, এই ঘটনাগুলো দেশের বিচারব্যবস্থা ও রাজনৈতিক ইতিহাসের এক বেদনাদায়ক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন


শনিবার
(২৪ মে) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির
সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন,প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপি মূল তিনটি বিষয়ে
আলোচনা হয়েছে। সেগুলো হলো সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন।
এর
আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিএনপির চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার
বাসভবন যমুনায় প্রবেশ করে। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন
খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাউদ্দিন আহমেদ।
দলের
স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা বলেছি, এই তিনটি বিষয়ের একটার
সঙ্গে আরেকটার কোনো সম্পর্ক নেই। কেননা সংস্কার চলমান বিষয়। এটা চলতে থাকবে। আমরা আশা
করেছি এই সরকার একটা ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটা সংস্কার প্রস্তাব দেবে। সেটা চলমান থাকবে।
ভবিষ্যতে যদি জনগণ আমাদের ক্ষমতায় বসায়, আমরা সেই সংস্কার চলমান রাখব এবং বাস্তবায়নের
প্রচেষ্টা নেব।
বিএনপির
নেতাদের মামলার বিষয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ বলেন, আমরা বলেছি, দেশনেত্রী
বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান থেকে শুরু করে আমরা এবং তৃণমূলের
নেতাকর্মীরা সবচেয়ে বেশি বিক্ষুব্ধ। আমরা সেই স্বৈরাচারী সরকারের কর্তাব্যক্তিদের,
যারা দায়ী, তাদের বিচার চাই।
বিচারব্যবস্থা
নিয়ে তিনি বলেন, এ জন্য আমরা স্বাধীন বিচারব্যবস্থা চাই, যারা এই বিচার সম্পন্ন করবে।
আমরা বলেছি, যেসব বিচার সম্পন্ন না হবে, যদি বিএনপি ক্ষমতায় যায়, তাহলে তাদের বিচারের
আওতায় এনে স্বাধীন বিচারব্যস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।
বিএনপি
নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সংস্কার কার্যক্রম অবিলম্বে শেষ করে দ্রুত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বলেও জানান খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
তিনি
বলেন, আমাদের আলোচনা বিষয়ে আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। আমরা যা অনুমান করেছিলাম তার
ওপর ভিত্তি করে একটা লিখিত বক্তব্য নিয়ে এসেছিলাম। সেটা প্রধান উপদেষ্টাকে দিয়েছি।
সেই ভিত্তিতে আলোচনা করেছি।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের বোমা তৈরির কারিগর ও হ-ত্যা মামলার আসামি কসাই সোহেলকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-২।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেন র্যাব-২ এর সহকারী পরিচালক এএসপি শিহাব করিম।
র্যাব-২ এর সহকারী পরিচালক এএসপি শিহাব করিম বলেন, রাজধানীর গাবতলী গরুর হাট এলাকা থেকে জেনেভা ক্যাম্পের বোমা তৈরির কারিগর ও হত্যা মামলার আসামি কসাই সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-৮
আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান
হাদির এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। পরিবারের পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুরেই অপারেশন
করবার অনুমতি দেয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর) ওসমান হাদির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের
এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পোস্টে লেখা হয়, আপনারা দোয়া করুন আল্লাহ যেন তাকে হায়াতে তাইয়্যেবাহ নসিব করেন।
মন্তব্য করুন


মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন আজ সোমবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে
বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন।
সাক্ষাতে
আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট, বাণিজ্য, বেসামরিক বিমান
চলাচল, অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া শ্রম সংস্কার এবং দুই দেশের সামগ্রিক দ্বিপক্ষীয়
সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশে
এক বছরের দায়িত্বপূর্ণ মেয়াদ শেষে দেশে ফেরার প্রাক্কালে ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন গত
১৭ মাসে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি ফেব্রুয়ারির নির্বাচন আয়োজনের
বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
এ
সময় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের
বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সফলভাবে
সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
‘আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত,’ বলেন অধ্যাপক
ইউনূস। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে শান্তি বিঘ্নিত করার যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে
মোকাবিলা করা হবে।
অন্তর্বর্তী
সরকারের নেওয়া সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করে মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বিশেষভাবে
নতুন শ্রম আইনকে ‘অসাধারণ ও ব্যতিক্রমধর্মী’ বলে উল্লেখ করেন। তার মতে, এসব সংস্কার
বাংলাদেশে আরও বেশি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়ক হবে।
তিনি
আগের সরকারগুলোর আমলে শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে করা ৪৬টি মামলার মধ্যে ৪৫টি প্রত্যাহারের
সিদ্ধান্তেরও প্রশংসা করেন।
জবাবে
প্রধান উপদেষ্টা নতুন শ্রম অধ্যাদেশকে ‘একটি উৎকৃষ্ট আইন’
হিসেবে উল্লেখ করে জানান, দেশের শীর্ষস্থানীয় শ্রমিক নেতারা এ সংস্কারকে স্বাগত জানিয়েছেন
এবং অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন অনুসমর্থনের
বিষয়টিও ইতিবাচকভাবে দেখছেন।
সাক্ষাতে
রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তার অর্থায়ন নিয়েও আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টা রোহিঙ্গাদের
পাশে দাঁড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান।
অধ্যাপক
ইউনূস বলেন, ‘বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্ব এলাকায় আশ্রয় শিবিরগুলোতে বসবাসরত এক মিলিয়নের
বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গার জন্য জীবনরক্ষাকারী মানবিক সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র
এককভাবে সবচেয়ে বড় দাতা।’ ভবিষ্যতেও এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে
বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বিদায়ী
সাক্ষাতে এক বছরের দায়িত্বকালে ‘গুরুত্বপূর্ণ কাজ’ করার জন্য ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনকে
ধন্যবাদ জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি তাঁকে বাংলাদেশের ‘বন্ধু’
হিসেবে উল্লেখ করে ভবিষ্যতে আবার বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। সাক্ষাতে জাতীয় নিরাপত্তা
উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন
খালেদা জিয়ার নিরাপত্তায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) ও প্রেসিডেন্ট
গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। ভিভিআইপি
প্রটোকলের অংশ হিসেবে , আজ (০২ নভেম্বর ) মঙ্গলবার দুপুর থেকে তারা দায়িত্ব পালন শুরু
করেছেন।
হাসপাতাল ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর ২টা ২০ মিনিট থেকে এসএসএফের ৭ জন কর্মকর্তা নিরাপত্তার দায়িত্ব বুঝে নেন।
এ সময় তাদের সঙ্গে পিজিআরের ডেপুটি কমান্ডার কর্নেল ইমতিয়াজ ও মেজর আহনাফ উপস্থিত ছিলেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পিজিআরের সদস্যরা হাসপাতালের গাড়ি পার্কিং এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন।
এ ছাড়া ইউনিটের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা হাসপাতালের ৪ র্থ তলায় খালেদা জিয়ার কেবিনের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছেন।
হাসপাতালে মোট কতজন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে বা কীভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কেমন হবে,
সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা
নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, সেন্সরবোর্ড পুনর্গঠন করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন
আইন অনুযায়ী সার্টিফিকেশন বোর্ড গঠন করা হবে।
বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে
সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড এবং জুরি বোর্ডের নবনির্বাচিত কমিটির
সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা
নাহিদ ইসলাম বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড এবং জুরি
বোর্ড গঠন করা হয়েছে। আজ (বুধবার) দুই কমিটির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক ছিল। সেন্সর বোর্ড
নিয়ে আমরা কিছু আলোচনা করেছি। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশনের আইনের গেজেট
হয়েছিল। এখন পর্যন্ত সেই গেজেটের বিধিমালা তৈরি হয়নি। বিগত সময়েও যে সেন্সর বোর্ড গঠন
করা হয়েছিল সেটিও কিন্তু ১৯৬৩ সালের যে আইন সে আইন অনুযায়ী করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে যেহেতু
একটি আইনের গেজেট হয়ে গেছে সেটি পর্যালোচনা করে সবার মতামতের ভিত্তিতে সেন্সর যে শব্দটি
সেটিকে বাদ দিয়ে দিচ্ছি। আমাদের যে ২০২৩ সালের আইন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন
আইন তা অনুযায়ী দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রজ্ঞাপন দিয়ে সার্টিফিকেশন বোর্ডটাকে পুনর্গঠন
করবো। ২০২৩ সালে যে আইন রয়েছে সেটি অনেক ত্রুটিপূর্ণ, সেগুলো নিয়ে আজ আলোচনা হয়েছে।
সেই আইনটিও নানা অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে সংশোধনের জন্য আমরা কাজ করবো। সে প্রস্তাবনা
তৈরি করা হবে। যেহেতু প্রচুর সিনেমা পেন্ডিং রয়েছে সেগুলোকে দ্রুত মুক্তির ব্যবস্থা
করার জন্যই যে সার্টিফিকেশন বোর্ড সেটি পুনর্গঠন করা হবে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন
আইন অনুযায়ী সার্টিফিকেশন বোর্ড করে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রজ্ঞাপন দিয়ে একটা সার্টিফিকেশন
বোর্ড করবো, সেন্সরবোর্ডকে পুনর্গঠন করে।
কেন এটি পরিবর্তন করতে হচ্ছে জানতে
চাইলে তিনি বলেন, আমাদের চলচ্চিত্র জগতের যারা আছেন তারা দীর্ঘদিন ধরে সেন্সরশিপের
বিরুদ্ধে কথা বলে আসছিলেন। তাদের এক ধরনের একটিভিজমের জন্যই কিন্তু সার্টিফিকেশন আইনের
কথা ভাবা হয়েছিল বিগত সময়ে। নতুন আইন অনুযায়ী আমরা ছবি পরিচালনার কাজগুলো চলমান রাখবো।
মন্তব্য করুন