

লাখো
মানুষের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসা আর গভীর শ্রদ্ধায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন
বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা আজ বুধবার বেলা ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত
হয়েছে। দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম এই জানাজায় অংশ নিতে আসা মানুষের ভিড় সংসদ ভবন
এলাকা ছাড়িয়ে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে এক মহাসমুদ্রে রূপ নেয়।
জাতীয়
মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক জানাজার নামাজ পড়ান। দুপুর ২টায় জানাজা
শুরুর সময় নির্ধারিত থাকলেও ভোর থেকেই মানিক মিয়া এভিনিউ ও এর আশপাশের এলাকায় মানুষের
ঢল নামে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অগণিত মানুষ প্রিয় নেত্রীকে শেষবারের মতো
এক নজর দেখতে রাজধানীজুড়ে জনস্রোত তৈরি করে।
জানাজায়
অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ ও নেতা-কর্মীরা জানান, বেগম খালেদা জিয়া আমৃত্যু জনগণের অধিকার
আদায়ের সংগ্রামে যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, আজ কৃতজ্ঞ জাতি তার শেষ বিদায়বেলায় সেই ভালোবাসারই
বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। দীর্ঘ ৪৫ বছরের রাজনৈতিক লড়াইয়ে তিনি যে জনপ্রিয়তার দৃষ্টান্ত
স্থাপন করেছেন, আজকের এই মহাসমুদ্র তারই প্রমাণ।
সাবেক
এই প্রধানমন্ত্রীর জানাজায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ
ইউনূসসহ দেশি-বিদেশি শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিদেশি অতিথিদের মধ্যে পাকিস্তানের
স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিক, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং নেপাল, ভুটান ও
শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন।
দেশের
নেতাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
জানাজায় শরিক হন। জানাজায় নারীদের অংশগ্রহণের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।
সাবেক
প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজার আগে তাঁর জীবন ও কর্ম সবার উদ্দেশে তুলে ধরেন বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এছাড়াও পরিবার ও দলের পক্ষ্য থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমান বক্তব্য রাখেন। এর আগে আজ সকালে বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ এভারকেয়ার
হাসপাতাল থেকে শেষবারের মতো গুলশানের বাসভবনে নেওয়া হয়। পরে কফিনবাহী গাড়িটি দুপুর
পৌনে ১১টার দিকে মানিক মিয়া এভিনিউতে পৌঁছালে সেখানে হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।
জাতীয় পতাকায় মোড়ানো মরদেহের সঙ্গে লাল-সবুজ রঙের বাসে পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের বড় ছেলে তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা
রহমান ও পরিবারের অন্য সদস্যরা জানাজাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
জানাজা
উপলক্ষ্যে সংসদ ভবন ও মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ,
র্যাবের পাশাপাশি ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়। জানাজা শেষে এখন মরদেহ শেরেবাংলা
নগরে নেওয়া হচ্ছে। বিকেল সাড়ে ৩টায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে
পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ভোর ৬টায় চিকিৎসাধীন
অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর বিদায়ে
সরকার দেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও আজ বুধবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। প্রিয় নেত্রীর
মৃত্যুতে সমগ্র দেশ এখন শোকাতুর।
মন্তব্য করুন


‘বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনে’ আহতদের দেখতে সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ ঢাকা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে যান। বাচ্চাদের সুচিকিৎসা সরকারের প্রধান ম্যান্ডেট। এই বাচ্চাদের যদি
নিরাপদ জীবন দিতে না পারি তাহলে আমরা অকৃজ্ঞ জাতি হবো।
এ
সময় উপস্থিত সাংবাদিকদেরকে তিনি বলেন, এ আন্দোলনে আহত-নিহতদের হাসপাতালের রেজিস্ট্রার
থেকে তথ্য নিয়ে সবার ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। আহতের পুনর্বাসনের জন্য যা যা করার সমাজকল্যাণ
মন্ত্রণালয় তার নৈতিকতার জায়গা থেকে করবে। আহতদের পুনর্বাসিত করবে মন্ত্রণালয়।
সোমবার
(১৯ আগস্ট) ছাত্র আন্দোলনে আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে এসব কথা
বলেন তিনি।
তিনি
এ সময় আহতদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন।
এ
সময় উপস্থিত চিকিৎসকদের বলেন, সুচিকিৎসার জন্য যা যা করতে হবে সব করার অঙ্গীকার ব্যক্ত
করেন। তিনি যত্ন, ভালোবাসা, সুচিকিৎসা ও সেবার মান এবং আন্তরিকতার জন্য ধন্যবাদ জানান
কর্তব্যরত চিকিৎসকদের।
তিনি
বলেন, আমরা নতুন করে ডাক্তারদের পেলাম নতুন করে চিকিৎসা সেবা দেখলাম। এই ডাক্তার ও
সেবাই চায় নতুন বাংলাদেশ।
উপদেষ্টা
উপস্থিত মিডিয়ার প্রতিনিধিদের কাছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের তথ্য দেয়ার
অনুরোধ জানান। এর জন্য মন্ত্রণালয় একটি সেল খোলা কথাও জানান উপদেষ্টা।
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. সফিকুর রহমান, ঢাকা মেডিক্যালের
উপ-পরিচালক ডা. মো. খালেকুজ্জামান, সহকারী পরিচালক ডা. আশ্রাফুল আলম, ডা. আব্দুর রহমান
ও ডা. আ. সামাদ সহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জের
উল্লাপাড়া উপজেলায় নির্বাচন পরবর্তীতে যুবদল নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে
ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ও সেক্রেটারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার
আব্দুল আলিম সরদার উপজেলার উধুনিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ও আব্দুল কাদের খন্দকার একই
ইউনিয়নের সেক্রেটারি।
মামলা
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৪
আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান জয়লাভ করেন।
শুক্রবার
(১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে পূর্বশক্রতার জেরে গজাইল বাজারে অবস্থিত উধুনিয়া ইউনিয়ন যুবদলের
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফের দোকানে জামায়াতের নেতাকর্মীরা হামলা চালান। হামলাকারীরা
দোকানটি ভাংচুর করে এবং নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যান।
উল্লাপাড়া
মডেল থানার ওসি সাকিউল আযম বলেন, এ ঘটনায় যুবদল নেতা আব্দুল লতিফ ১০/১২জনের বিরুদ্ধে
থানায় মামলা দায়ের করেছেন। শনিবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে ইউনিয়ন জামায়াত নেতা আব্দুল
আলিম সরদার ও আব্দুল কাদের খন্দকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
নির্বাচনকে সকলের জন্য অংশগ্রহণমূলক, শঙ্কামুক্ত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সশস্ত্র
বাহিনীকে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব
পালনের বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি ) সেনাসদরের হেলমেট অডিটোরিয়ামে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায়
তিনি এ নিদের্শনা প্রদান করেন।
আন্ত:বাহিনী
জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রধান
উপদেষ্টা অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে তাঁকে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,
নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান
মাহমুদ খাঁন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে: জেনারেল এস এম
কামরুল হাসান অভ্যর্থনা জানান।
সভার
শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা দেশের বিভিন্ন প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ও দায়িত্বশীল
ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে ধৈর্য ও পেশাদারিত্বের সাথে দেশের
আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
করেন। সভায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা
হয়।
মতবিনিময়
সভায় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ, সংশ্লিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ
এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


দেশের
খাদ্যপণ্যে দূষণ ও ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের
উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
খাদ্যদূষণ
প্রতিরোধ এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমাতে জরুরি উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেছেন,
‘খাদ্যে বিভিন্ন দূষণের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমরা জানি; এটাকে কীভাবে মোকাবিলা করা যায়
সেই ব্যবস্থা আমাদের নিতে হবে। আমাদের সন্তান, বাবা-মা, আপনজন সবাই এর ভুক্তভোগী। নিজেদের
স্বার্থেই আমাদের সকলকে একসঙ্গে এই সংকট মোকাবিলায় কাজ করতে হবে। বাস্তবায়নের দিকগুলো
নিয়ে আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব কোনটি এখনই শুরু করা জরুরি। এ বিষয়ে জরুরি উদ্যোগগুলো
আমরা তাৎক্ষণিকভাবে নেব।’
আজ
রবিবার ( ০৭ ডিসেম্বর ) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি
ভবন যমুনায় খাদ্যে বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি ও এর প্রেক্ষাপটে জনস্বাস্থ্যের
ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যক্রম গ্রহণ এবং খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে
তিনি এ কথা বলেন। প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকে
কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার,
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, জাতীয়
নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী সায়েদুর রহমান, প্রধান
উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ এবং বাংলাদেশ
স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) মহাপরিচালক এস এম ফেরদৌস
আলম, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফারুক আহম্মেদ, বাংলাদেশ নিরাপদ
খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) চেয়ারম্যান জাকারিয়া ও পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান
ড. মো. মজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে
খাদ্যবাহিত রোগ, দূষণ সম্পর্কিত ঝুঁকি এবং এ সংকট মোকাবিলায় করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত
আলোচনা হয়েছে। এসময় সংশ্লিষ্ট প্রত্যেককে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে খাদ্যে দূষণ সংকট
মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রস্তাবনা লিখিত আকারে পাঠানোর
নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা।
বৈঠকে
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কিছু তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হয়। তারা জানান,
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা অনুযায়ী বছরে খাদ্যবাহিত রোগে প্রতি বছর ১০ জনের মধ্যে
এক জন শিশু বছরে অন্তত একবার অসুস্থ হয়। খাদ্যবাহিত রোগে আক্রান্ত ৩ ভাগের ১ ভাগ শিশু
মৃত্যুবরণ করে। খাদ্যবাহিত রোগে প্রতিবছর বিশ্বে ৬০ কোটি এবং বাংলাদেশে ৩ কোটি শিশু
আক্রান্ত হয়।
নিরাপদ
খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, খাবারে চার ধরনের দূষক থাকতে পারে। ভারী ধাতু, কীটনাশক-জীবনাশক
এর অবশিষ্টাংশ, তেজস্ক্রিয়তা ও জৈবদূষক। গত অর্থবছর ১৭১৩টি এবং এ বছর এ পর্যন্ত ৮১৪টি
নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে অতিরিক্ত মাত্রায় পাওয়া গেছে সীসা বা সীসা ক্রোমেট। মোট
১৮০ নমুনার মধ্যে ২২টিতে সীসা শনাক্ত হয়েছে।
শেরে
বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউএমইএ সুইডেন এর যৌথ গবেষণায়
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৮৭টি পানি ও ২৩ মাছ এর নমুনা সংগ্রহ করে ৩০০ ধরনের ঔষধ, ২০০
ধরনের কীটনাশক, ১৬ ধরনের পিএফএএস শনাক্ত করা হয়।
ইউনিসেফের
এক জরিপে জানা গেছে, বাংলাদেশে সাড়ে তিন কোটি শিশু সীসার সংক্রমণে আক্রান্ত। এ তথ্য
তুলে ধরে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জাকারিয়া বলেন, ‘সীসা মানবদেহে প্রবেশ
করে মস্তিষ্ক, যকৃৎ, কিডনি, হাড় এবং দাঁতে জমা হয়। শিশুদের হাড় নরম হওয়ায় সীসা সরাসরি
মস্তিস্কে চলে যায়। ফলে শিশুদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।’
প্রধান
উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী সায়েদুর রহমান জানান, বাংলাদেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে
ল্যাব আছে। শিক্ষার্থীদের এ ধরনের পরীক্ষা করার ক্যাপাসিটিও রয়েছে। খাদ্যে সীসার পরিমাণ
নিয়ে একটি সমন্বিত গবেষণা করে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।
বৈঠকে
খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা হাঁস-মুরগি, দুগ্ধজাত খাদ্য ও মাছের মাধ্যমে
মানবদেহে প্রবেশকারী ক্ষতিকারক পদার্থ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। তারা জানান,
হাঁস-মুরগির খামারগুলোতে অনিয়ন্ত্রিত ওষুধ প্রয়োগ হয়। মুরগিকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া
হলে তা ৭ থেকে ২৮ দিন পর্যন্ত থেকে যায়। ২৮ দিন পার হওয়ার আগেই মুরগিকে বাজারজাত করা
হলে সেই মুরগির মাংসের মাধ্যমে মানবদেহে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ঢুকতে পারে। তারা
জানান, বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে এসব বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন হলেও কিছু চোরাগোপ্তা কোম্পানি
কর্তৃপক্ষের নজরদারি এড়িয়ে গোপনে অনিয়ন্ত্রিতভাবে পোল্ট্রি ফার্ম পরিচালনা করছে।
পোল্ট্রি
ফার্মগুলোকে নজরদারিতে আনা এবং কৃষিতে অবৈধ কীটনাশকের ব্যবহার রোধে কী কী ব্যবস্থা
নেওয়া হয়েছে এবং আরও কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্য নিশ্চিত করতে গিয়ে কখনো কখনো যা খাচ্ছি
তা নিরাপদ কি না সে দিকটি উপেক্ষা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমগুলো
ভূমিকা রাখতে পারে। খাদ্য নিরাপত্তা একটি জরুরি বিষয়। পাঠ্যপুস্তকে এ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত
হওয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দায় থেকে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা মুক্তি পেতে পারে না
বলে মনে করে বিএনপি। আজ বুধবার বিকালে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত জানাজার
আগে দলের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ করা হয়।
বিএনপির স্থায়ী
কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী নজরুল ইসলাম খান লিখিত বক্তব্য
পাঠ করেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা
উপস্থিত ছিলেন।
নজরুল ইসলাম
খান বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী হাসিনার ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মিথ্যা মামলায় ২০১৮
সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দুই বছরেরও বেশি সময় অন্ধকার কারাগারে আবদ্ধ থাকার সময়
উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে খালেদা জিয়া দারুণভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। দেশবাসী সাক্ষী হলো,
পায়ে হেঁটে যিনি কারাগারে প্রবেশ করেছিলেন; নির্জন কারাগার থেকে তিনি বের হলেন চরম
অসুস্থতা নিয়ে।’
‘দেশ-বিদেশের
চিকিৎসকদের মতে, পরবর্তী সময়ে গৃহবন্দিত্বের চার বছর বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ না দেওয়ার
কারণেই তার অসুস্থতা বৃদ্ধি পায় এবং তার ফলশ্রুতিতে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানতেই
হলো এই অপরাজেয় নেত্রীর। তাই এই মৃত্যুর দায় থেকে ফ্যাসিবাদী হাসিনা কখনও মুক্তি
পেতে পারে না’- বলেন নজরুল ইসলাম খান।
নজরুল ইসলাম
উল্লেখ করেন, গণতন্ত্রের মাতা ও আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মঙ্গলবার ভোর ৬টায়
মারা যান। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ়করণ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
হয়েছে।
আজ
শনিবার ( ২১ ফেব্রুয়ারি ) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা
অনুষ্ঠিত হয়।
সভায়
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তারেক
রহমান এর আগে সকাল ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস
করতে আসেন।
কার্যালয়ের
মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রধানমন্ত্রীকে
স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রী
নিজের কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের
সময় দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান কার্যালয়ের পুরনো অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নাম ধরে কাছে ডেকে কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী
একটি স্বর্ণচাঁপা ফুলের চারা কার্যালয় চত্বরে রোপণ এবং মহান আল্লাহপাকের কাছে শুকরিয়া
আদায় করে বিশেষ মোনাজাত করেন।
মন্তব্য করুন


জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী
অপরাধের দায়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক
অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
আজ সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের
নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণা করেন।
রায় প্রদানকারী এই ট্রাইব্যুনালে অপর দুই সদস্য বিচারক হলেন মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও
মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
বহুল আলোচিত এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে পাঁচটি
অভিযোগ এনে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছিলেন প্রসিকিউশন।
অন্যদিকে, আসামিদের নির্দোষ দাবি করে খালাস চায় তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী। এছাড়া রাজসাক্ষী
সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের খালাস চান তার আইনজীবী।
এই মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ
তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এস. এইচ. তামিম শুনানি করেন। এছাড়া শুনানিতে
প্রসিকিউটর বি. এম. সুলতান মাহমুদ, শাইখ মাহদি, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্য প্রসিকিউটরা
উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, পলাতক শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে শুনানি
করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন। আর রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী
আবদুল্লাহ আল-মামুনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী যায়েদ বিন আমজাদ।
এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম
শহীদ আবু সাঈদের পিতাসহ স্বজনহারা পরিবারের অনেকে। এছাড়া স্টার উইটনেস হিসেবে সাক্ষ্য
দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী নাহিদ ইসলাম এবং
দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান। সর্বোমোট ৫৪ জন সাক্ষী এই মামলায়
সাক্ষ্য দিয়েছেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান
খান কামাল ও আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে গত ১০ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর
আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
একপর্যায়ে দোষ স্বীকার করে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনে
(অ্যাপ্রুভার) রাজসাক্ষী হন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
দমনে আওয়ামী লীগ সরকার, তাদের দলীয় ক্যাডার ও সরকারের অনুগত প্রশাসনসহ আইন-শৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করে বলে আন্তর্জাতিক
অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একের পর এক অভিযোগ জমা
পড়ে।
মন্তব্য করুন


কাজের ক্ষেত্রে কারো রক্তচক্ষু বা ধমক
আমলে না নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মাঠ প্রশাসনকে
আইন অনুযায়ী দেশের জন্য কাজ করতে বলেছেন।
আজ রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে
১০টায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হলে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, কারও রক্তচক্ষুর কারণে, কারো ধমকের কারণে কোনো কাজ করার প্রয়োজন নাই। আমি
নিজের মতো করে যেটাই আইন, যেটা দেশের জন্য করা দরকার সেটা করবো। সে কাজেই আমি ব্যস্ত
থাকবো যাতে আমি করতে পারি।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, বিনা কারণে মানুষকে হয়রানি করা হয়। হয়রানি
করাটাই যেন আমাদের ধর্ম! সরকার মানেই মানুষকে হয়রানি—এটার থেকে উল্টে দাও। সরকার ভিন্ন জিনিস,
আপনার অধিকার আপনার দরজায় পৌঁছে দেওয়া আমাদের কাজ। এটাই যেন আমরা স্মরণ রাখি।
দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ
অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা যেহেতু এমন পরিস্থিতিতে
এসেছি, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা মস্ত বড় ইস্যু হয়ে গেল। এটাতে আমরা কে কী পরিমাণে
অগ্রসর হলাম, কী করণীয়—এটা
এক নম্বর বিবেচ্য বিষয়। আইন-শৃঙ্খলায় আমরা যেন বিফল না হই, কারণ এটাতে আমাদের সমস্ত
অর্জন সফলভাবে অর্জিত হতে বা বিফলতায় পর্যবসিত হতে পারে। সেটাই নিয়ে এই সম্মেলনে আলোচনা
হোক। ফিরে যাওয়ার পর যেন এটা বোঝার মধ্যে কোনো গলদ না থাকে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এ বি এম আব্দুস
সাত্তার। একই সঙ্গে তার প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এ এ এম সালেহকে (সালেহ
শিবলী)।
আজ
শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব
এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একান্ত সচিব
হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ
সম্পাদক এ এ এম সালেহকে (সালেহ শিবলী) তারেক রহমানের প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া
হয়েছে।
প্রসঙ্গত,
এ বি এম আব্দুস সাত্তার এর আগে সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সবশেষ গত বছরের অক্টোবরে তিনি
বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রধান জাতীয় কমিশনার হিসেবেও মনোনীত হন।
মন্তব্য করুন


আগামী
১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে দেশজুড়ে চলছে বিশেষ কর্মসূচির প্রস্তুতি।
বিজয়
দিবসের দিন সকাল ১১টা থেকে ঢাকার তেজগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী,
নৌ বাহিনী ও বিমানবাহিনী পৃথকভাবে ফ্লাই পাস্ট মহড়া পরিচালনা করবে। চলবে বিজয় দিবসের
বিশেষ ব্যান্ড-শো।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সকাল ১১টা ৪০ মিনিট
থেকে ‘টিম বাংলাদেশ’ এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার স্বাধীনতার
৫৪ বছর উদ্যাপনে পতাকা হাতে স্কাইডাইভিং করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, গতকাল বুধবার বিজয় দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতির খোঁজ নেন জাতীয়
নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন