

প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় জাকজমকপূর্ণ ইফতার মাহফিল এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত
নিয়েছেন।
এবার
এতিম ও আলেম-উলামা এবং কূটনীতিকদের সম্মানে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দু’টি
ইফতার মাহফিলে থাকবেন তিনি।
বৃহস্পতিবার
(৫ মার্চ) তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানান।
তিনি
জানান, প্রধানমন্ত্রী দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে ৬ মার্চ শুক্রবার কূটনীতিকদের
সম্মানে একটি এবং ৭ মার্চ এতিম ও আলেম-উলামাদের সম্মানে আরেকটি ইফতার মাহফিলের আয়োজন
করছেন প্রধানমন্ত্রী। এই দুই ইফতার মাহফিল যমুনায় অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী
রাজনীবিদদের সম্মানে ৮ মার্চ এবং গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সম্মানে ১০ মার্চ রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যুমনায় ইফতার পার্টির সময়সূচি নির্ধারিত থাকলেও সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে
তা বাতিল করা হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
প্রতিবছর
রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ইফতার
মাহফিলের আয়োজন করা হয়ে থাকে। তবে এবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করে
তারেক রহমান নিজের বাসায় পরিবারের সাথেই ইফতার করছেন। রাষ্ট্রীয়ভাবে জাকজমকপূর্ণ ইফতার
অনুষ্ঠান হচ্ছে না।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে
নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) বিকেলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে এই সাক্ষাৎ
অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম বিষয়ে আলোচনা
করা হয়।
এ সময় ব্রিটিশ হাইকমিশনের সেকেন্ড
সেক্রেটারি এলি বুট উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানান, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ
অনুযায়ী বেশ কিছু সংস্কার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের দায়িত্ব ও সুরক্ষা-সংক্রান্ত
অধ্যাদেশ প্রণয়নের বিষয়ও বিবেচনা করা হচ্ছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনা প্রবাহের তথ্য প্রচারে তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
ওপর বেশ কয়েকটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করা হয়েছে এবং সেগুলো গণমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।
এর পাশাপাশি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ওপর কয়েকটি প্রকাশনাও তৈরি করা হয়েছে।
সাক্ষাতকালে তথ্য উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম জানান, আগামী ৫ই আগস্ট উদ্যাপন
উপলক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও কিছু প্রামাণ্যচিত্র ও প্রকাশনা তৈরি করা হবে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেন, দেশের
গণমাধ্যমের ওপর সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। বর্তমান অন্তর্বর্তী
সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।
সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, এ বছর বিশ্ব মুক্ত
গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশ উন্নতি করেছে।
এ সাফল্যের জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
এ সময় ব্রিটিশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার বিষয়ে হাইকমিশনার
তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
তিনি বাংলাদেশের গণমাধ্যমের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ
করেন।
সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যকার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা
হয়।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে আয়োজন করলে ব্যয় কিছুটা বাড়বে, তবে বাজেট নিয়ে কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থ উপদেষ্টা জানান, তপশিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেওয়া হবে। স্পর্শকাতর ভোটকেন্দ্রে বডি ক্যামেরা ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে, যার বরাদ্দ দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে করা একটি চ্যালেঞ্জ হলেও এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা উচিত। পৃথিবীর অনেক দেশেই একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি আরও জানান, পরিশোধিত তেল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়। চালের দাম স্থিতিশীল থাকলেও সাম্প্রতিক বৃদ্ধি মোকাবিলায় নন-বাসমতি চাল আমদানি করা হবে, সাধারণত যেটির পরিমাণ ৪০ থেকে ৫০ হাজার টনের কম হয় না। দেশের ব্যবসায়ীদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বে এভাবে পণ্যের দাম বাড়ে না; এর সমাধান প্রশাসনের চেয়ে রাজনৈতিক সরকারের হাতে বেশি কার্যকর।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামীকাল (৫ আগস্ট) মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় জাতীয়
সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করবেন।
বাংলাদেশ
টেলিভিশন অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


আইন উপদেষ্টা
ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সকল প্রলোভন পরিহার করে সৎ ও নির্ভীক
থেকে ওসমান হাদি ইনসাফ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিলেন৷ তিনি নিজের কথা না ভেবে দেশের মানুষের
কথা ভাবতেন তাই শেষ বিদায়ের দিন হাদির জন্য মানুষের আহাজারি আর দোয়া ছিলো অতুলনীয়
আজ রোববার দুপুরে
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্টেট ইউনিভার্সিটির সপ্তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে
তিনি এসব বলেন।
এসময় আইন উপদেষ্টা
ওসমান হাদির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আল্লাহ হাদিকে বেহেশতের
সর্বোচ্চ জায়গায় স্থান দেবেন। হাদি এই নস্যাৎ পৃথিবীর চেয়ে ভালো জায়গায় অবস্থা করছেন
বলে বিশ্বাস করেন তিনি৷
আসিফ নজরুল
বলেন, হামলাকারীর চেয়ে দেশে সৃষ্টিশীল মানুষের সংখ্যা বেশি। দেশে আত্মত্যাগকারী তরুণের
সংখ্যা অনেক বেশি।
মন্তব্য করুন


ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা
নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিতর্কিত ধারাগুলো পুনর্বিবেচনা করা হবে।
সোমবার (১২ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে
আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে এ কথা বলেন তিনি।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা
নাহিদ ইসলাম বলেন, আজকের বৈঠকে মৌলিকভাবে এই বিভাগের বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ এবং
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আমরা বলতে চাই, সাইবার সিকিউরিটি আইনের
যে ধারাগুলো নিয়ে সমালোচনা রয়েছে সেগুলো পুনর্বিবেচনা করা হবে। এ সময় তিনি বলেন, কোটা
সংস্কার আন্দোলনের সময়ে যেসব স্টার্টআপ শিক্ষার্থীদের পক্ষ নেওয়ায় বিরূপ আচরণের শিকার
হয়েছে, তাদের বিনিয়োগ নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা হবে। দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন শিক্ষামূলক
প্রতিষ্ঠান ‘টেন মিনিট স্কুল’-এর
জন্য পাঁচ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব গত ১৬ জুলাই বাতিল করে আইসিটি বিভাগের আওতাধীন
সরকারি সংস্থা স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড। টেন মিনিট স্কুলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিইও
আয়মান সাদিক সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের পক্ষ নিয়ে নিজের ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন।
এর পরই বিনিয়োগ প্রস্তাব বাতিল করা হয়।
এদিকে আন্দোলনকালে ইন্টারনেট শাটডাউন
নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে রবিবারে। কমিটিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার
কথা।
এর পেছনে যদি সাবেক প্রতিমন্ত্রী বা
কোনো সংস্থাপ্রধান জড়িত থাকেন, তাহলে তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে কি না—তা জানতে চাওয়া হলে নাহিদ ইসলাম বলেন,
অবশ্যই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আজকের মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন আসবে। এরপর যদি মূল্যায়ন
করে আরও তদন্ত প্রয়োজন হয়, সেটি করা হবে। এতে যদি সরকারের কোনো লোক, সংস্থা বা মন্ত্রী
কেউ জড়িত থাকেন, অবশ্যই বিচার করা হবে। ইন্টারনেটে অবাধে তথ্যপ্রবাহ হয়, এটি মানবাধিকার।
কিন্তু এই ইন্টারনেট বন্ধ করে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে, শত শত মানুষকে মেরে ফেলা
হয়েছে। এ বিভাগের প্রকল্পে দুর্নীতি ও অবহেলার সুযোগ নেই।
মন্তব্য করুন


স্বাধীনতাবিরোধীদের
হাতে দেশ নিরাপদ নয় মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,
যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়।
আজ
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের পশ্চিম আকচা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে
এ কথা বলেন তিনি।
জামায়াতকে
উদ্দেশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আরেকটা দল ভোটের জন্য এসেছে। তাদের মার্কা হলো দাঁড়িপাল্লা।
৭১
সালে তারা স্বাধীনতা যুদ্ধকে সমর্থন করেনি। অনেক লোককে মেরে ফেলেছে। মা-বোনদের ইজ্জত
নষ্ট করেছে। তারা এখনো মাফ চাননি।
তিনি
বলেন, ‘বিকাশ নম্বর কাউকে দেবেন না এসব ভাঁওতাবাজি আর ধান্দাবাজি। ভোট দিলে নাকি জান্নাতে
যাওয়া যাবে। এসব কথা সঠিক নয়। আগামী নির্বাচনে ভোট দিয়ে দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবেন।
গত
১৫-১৬ বছর দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ব্যাংকগুলো শূন্য হয়ে গেছে। সব টাকা নিয়ে পালিয়ে
গেছে। সেগুলো ঠিক করতে হবে। ঝগড়াঝাটি না করে সঠিক মানুষটিকে নির্বাচিত করতে হবে।
মহাসচিব
বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করি দেশের মানুষের উন্নতির জন্য। শান্তিতে থাকার জন্য। বিগত সময়ে
আমরা শান্তিতে থাকতে পারিনি। ১৫ বছর পর খারাপ সময় পার করেছি। এখন সুসময় এসেছে। দেশে
একটা ভালো নির্বাচন হবে। সবাই ভোট দিতে পারবে। এরকম একটা আশা জেগেছে।’
মির্জা
ফখরুল বলেন, ‘দীর্ঘ সময় আপনার সঙ্গে থেকেছি। আমার বাবা এলাকায় ভালো কাজ করেছেন। ওনার
ছেলে হিসেবে আমিও আপনাদের কাছে এসেছি। আমি মন্ত্রীও ছিলাম, কেউ বলতে পারবে না এক কাপ
চা খেয়েছি। নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে আমি প্রার্থী। ভোট চাওয়ার জন্য এসেছি। মার্কা
হলো ধানের শীষ। এটাই আমার শেষ নির্বাচন। আপনারা আমাকে কাজ করার সুযোগ করে দেবেন।’
বিএনপি
চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে ১০ হাজার
পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মাফ করে দেওয়া হবে। এনজিও এর যত টাকা ঋণ আছে তার দায় সরকার নেবে।
মায়েদের মওকুফ করে দেয়া হবে। এছাড়া মায়েদের ফ্যামিলি কার্ড আর কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়া
হবে। শিক্ষিত বেকারের জন্য ১৮ মাসে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
শান্তি, শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে। সব ধর্মের মানুষেরা শান্তিতে থাকবেন।’
মন্তব্য করুন


আজ দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপ্রধানের
সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক
ড. দীন মোহাম্মদ নুরুল হকের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়।
রোগীরা যাতে বিদেশমুখী না হয়ে বিএসএমএমইউ’র মতো সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে উৎসাহী হয় সে লক্ষ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পাশাপাশি রোগীদের চিকিৎসা ও সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি বিএসএমএমইউ’র সার্বিক কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, ‘বিদেশমুখীতা কমাতে দেশের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসায়
উৎসাহ বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন।’
এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন ব্রিফিংয়ে জানান, সাক্ষাৎকালে উপাচার্য
চিকিৎসাসহ বিএসএমএমইউ’র সার্বিক কর্মকান্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সাহাবুদ্দিন বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল
বিশ্ববিদ্যালয় একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। এখানে রোগীদের উন্নত চিকিৎসা ও সেবার বিষয়ে
সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।
প্রেস সচিব আরো জানান, পরে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আব্দুর
রশীদ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় উপাচার্য ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কর্মকাণ্ড এবং ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনা
তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য প্রমাণ করতে পারে; কারিকুলাম উন্নয়নের ক্ষেত্রে সে বিষয়ে প্রাধান্য দিতে হবে।
শিক্ষার্থীরা যাতে তথ্য প্রযুক্তিসহ ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে পারে সে ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এবং সামরিক সচিব মেজর
জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, আওয়ামী লীগ শাসনামলে দমনপীড়নের মধ্যেও যারা ন্যূনতম সাংবাদিকতার চেষ্টা করতেন, তাদের ওপরও নেমে আসত নির্যাতনের খড়গ।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘প্রশ্ন নয়, প্রশংসা করতে এসেছি’ এই ছিল হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের ধরন। এই দমনপীড়নের মধ্যেও যারা ন্যূনতম সাংবাদিকতার চেষ্টা করতেন, তাদের ওপর নেমে আসত নির্যাতনের খড়গ। যেসব কারণে জুলাই অনিবার্য হয়ে উঠেছিল, তার মধ্যে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়াও ছিল অন্যতম।
পোস্টে আরো বলা হয়, শিল্পী দেবাশিস চক্রবর্তী জুলাই প্রিলিউড সিরিজের ৯ ও ১০ নম্বর পোস্টার এঁকেছেন গণমাধ্যমের স্বাধীনতাহীনতা ও চাটুকারিতাকে থিম করে।
জুলাই ২০২৪-এর অন্যতম যোদ্ধা এই শিল্পী সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে ‘জুলাই পুনর্জাগরণ’ অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে এসব পোস্টার ডিজাইন করছেন। এসব পোস্টারে ফুটে উঠেছে জুলাই কেন অনিবার্য হয়ে উঠেছিল এবং সেই সময়ে কী ঘটেছিল।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, শিল্পী দেবাশিস চক্রবর্তীর আঁকা দশটি পোস্টারে ফুটে উঠেছে কেন জুলাই অনিবার্য হয়ে উঠেছিল এবং জুলাইয়ে কী ঘটেছিল। ‘আমার চাওয়ার কিছু নেই। আমি আসছি মানুষকে দিতে’ মুখে এমন কথা বললেও স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা ফেনা তুললেও ভেতরের চিত্র কী ছিল, তা এখন উন্মোচিত। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় লাগামহীন ও অবিশ্বাস্য মাত্রার লুটপাট আওয়ামী লীগ আমলের এক বড় নির্দেশক।’
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ আরো লিখেছেন, শিল্পী দেবাশিস চক্রবর্তী জুলাই প্রিলিউড সিরিজের ৫ থেকে ৮ নম্বর পোস্টার এঁকেছেন এই লুটপাটকে থিম করে। জুলাই ২০২৪-এর অন্যতম যোদ্ধা শিল্পী দেবাশিস চক্রবর্তী সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে ‘জুলাই কোমেমোরেশন’ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে এসব পোস্টার ডিজাইন করছেন। শুরুতে দশটি পোস্টার ধারাবাহিকভাবে প্রকাশের পরিকল্পনা থাকলেও সবার অনুরোধ ও অনুপ্রেরণায় তিনি পোস্টারের সংখ্যা বাড়াতে সম্মত হয়েছেন। এসব পোস্টারে ফুটে উঠছে জুলাই অনিবার্য হয়ে ওঠার কারণ এবং যা ঘটেছিল জুলাইয়ে।
(সূত্র- বাসস)
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
জুলাই সনদ স্বাক্ষরকে সামনে রেখে গত বুধবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে এ কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, নির্বাচন আয়োজন ও জুলাই সনদকে আলাদা কোনো বিষয় হিসেবে দেখা যায় না। আমাদের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী অটল থাকতে হবে। নির্বাচনকে একটি উৎসবের মতো আয়োজন করতে যা যা প্রয়োজন, আমরা তা করব। এ বিষয়ে কোনো আপস হবে না। রাজনৈতিক দলের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা যেভাবে সবাই মিলে সনদ প্রস্তুত করেছেন, সরকারের দায়িত্ব হলো সবাই মিলে তা উৎসবমুখর নির্বাচনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা।
সনদ ও নির্বাচনকে পৃথক কোনো বিষয় নয় বলে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, উত্তরণের পথ কী হবে, সেটি নিয়ে প্রশ্ন ছিল। সেই উত্তরও জুলাই সনদে সংযুক্ত রয়েছে। এই উত্তরকে কাজে লাগিয়ে সন্তোষজনকভাবে উত্তরণ করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলো যেভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেই অনুযায়ী রূপান্তরটি ঘটবে। আমরা চেষ্টা করব, আপনারা যা পরিশ্রম করে রচনা করছেন, আমরা তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ফলাফল দেখাতে পারি। নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা এই রূপান্তর নিশ্চিত করব। আশা করছি, আগামী শুক্রবার এই আশা আমরা সমগ্র জাতির সামনে উপস্থাপন করতে পারব।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, যে অসম্ভবকে আপনারা সম্ভব করেছেন, তা কেবল বাংলাদেশের ইতিহাসে নয়, পৃথিবীর রাজনৈতিক ব্যবস্থার ইতিহাসেও উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন