

চট্টগ্রামের
কর্ণফুলীতে ‘জয় বাংলা’ বলে মিছিল করে টিকটক ভিডিও বানানোর অভিযোগে ১২ যুবককে আটক করেছে
পুলিশ।
গতকাল
শুক্রবার (২৫ জুলাই) বিকেলে উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের খোয়াজনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা
হলেন—মো. জাহেদ (১৮), সাইফুল, বিজয়, আকাশ, আরফাত, মিনহাজ, ফোরকান, ইকবাল, আকিব, আদর
এবং তাৎক্ষণিকভাবে নামপরিচয় না জানা আরো দুই কিশোর। তাদের বেশিরভাগের বয়স ১২ থেকে ১৫
বছরের মধ্যে।
এদের
বাড়ি চরপাথরঘাটা ৬ নম্বর ও চরলক্ষ্যা ৫ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায়।
পুলিশ
সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোররা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে রাস্তায় মিছিলের
মতো করে টিকটক ভিডিও বানাচ্ছিল। এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে।
তবে ভিডিওটি তারা ফেসবুকে আপলোড করতে পারেনি বলে দাবি পুলিশের।
মন্তব্য করুন


সারাদেশে তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত
হয়ে উঠেছে জনজীবন। তাই বৃষ্টি প্রার্থনায় বিশেষ নামাজ (সালাতুল ইস্তিসকা) আদায় করা
হয়েছে। চোখের পানি ছেড়ে রহমতের বৃষ্টি চাইলেন হাজারো মানুষ।
বুধবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ফেনী আল জামেয়াতুল
ফালাহিয়া কামিল মাদরাসা মাঠে এ নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় কয়েক
হাজার মানুষ অংশ নেন। নামাজের জামাতে ইমামতি করেছেন মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা মুফতি
আবদুল হান্নান।
নামাজের আগে আগত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে
বক্তব্য রাখেন বক্তারা। নামাজ শেষে অনাবৃষ্টি
এবং গরম থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর রহমত কামনা করে দোয়া-মোনাজাত করা হয়। এ সময়
মুসল্লিরা অঝোরে চোখের পানি ছেড়ে মোনাজাত করে তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া (চাঁদপুর):
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পালাখাল মডেল ও পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের সুন্দরী খাল কচুরিপানায় পরিপূর্ণ হয়ে এখন তা এলাকাবাসীর দূর্ভেগের কারণ।
ওই দু’ইউনিয়নটিতে ছোট বড় মিলেয়ে প্রায়ই অনেক খাল রয়েছে। তন্মধ্যে সুন্দরী খাল অন্যতম। এই খাল দিয়ে আগে নিয়মিত পরস্কিার পানি ও নৌকা যাতায়াত করত। এই খাল গুলোতে এলাকাবাসী গোসল সহ নানান রকম কাজ কর্ম করতো। কালের বিবর্তনে সেই দৃশ্য হারিয়ে গেছে এখন আর চোখে পড়ে না।
খাল গুলোতে এখন কচুরিপানায় দখলে চলে গেছে। এর ফলে পানি দুষিত হয়ে নানা ধরনের পানিবাহিত রোগ ছড়াচ্ছে। এছাড়া দুর্গন্ধে মানুষ বসবাস করতে পারে না।
জানা যায়, কচুয়া উপজেলার বক্সগঞ্জ হয়ে মালচোয়া গ্রামে অতিবাহিত হয়ে পাশ্ববর্তী মতলব উপজেলা সংযুক্ত রয়েছে। তাছাড়া কচুয়া উপজেলার পালাখাল মডেল ও পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে এ সুন্দরী খাল বয়ে গেছে। এই সুন্দরী খালের মাধ্যমে দুটি ইউনিয়নের ২০ থেকে ২৫ টি গ্রামের অভ্যন্তরে পানি প্রবেশ করায় কৃষক বিনা সেচে রবি শস্য অবাদ করত। আস্তে আস্তে কচুরিপানায় খালটিকে গ্রাস করে ফেলায় ছোট নৌকাও চলাচল করতে পারে না।
স্থানীয় অধিবাসী গোলাপ শাহ, মহিউদ্দিন ও তাজুল ইসলাম সহ একাধিক লোকজন জানায়, সুন্দরী খাল দুটি ইউনিয়নের সাথে সংযুক্ত রয়েছে। প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটির এখন কচুরিপানায় ভরা। সাপ-বিচ্ছু সহ নানা বিষধর পোকামাকড়ে আতংকিত থাকি সবসময়। এক সময় দুই ইউনিয়নের মানুষের জেলা ও উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম ছিল এটি।
এ ব্যাপারে পশ্চিম সহদেবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন বলেন, এই খাল গুলোতে কচুরিপানা পরিস্কারের জন্য সরকারি ভাবে কোন বরাদ্দ আসে না। এই খাল গুলোর কচুরিপানা পরিস্কারের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উদ্যোগ গ্রহন করা হবে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীকে সম্পৃক্ততা করে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সুন্দরী খালের কচুরিপানা পরিস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ম্যাগজিনসহ এনামুল হক (৫৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে এ তথ্য জানানো হয় র্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) রাতে এনামুল হককে গ্রেফতার করা হয় শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের উপরচকপাড়া এলাকা থেকে।
র্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে (১০ জানুয়ারি) রাতে শিবগঞ্জের শাহাবাজপুর ইউনিয়নের উপরচকপাড়া এলাকায় এনামুলের বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাব। সে সময় তার ষ্টোর রুমে একটি ধানের ড্রাম থেকে ১টি বিদেশি অস্ত্র, ২১ রাউন্ড গুলি ও ১টি ম্যাগজিনসহ হাতেনাতে এনামুল হককে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা হয়েছে।
র্যাবের পক্ষ থেকে দায়ের করা অস্ত্র মামলায় এনামুল হককে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,কুমিল্লা:
১৯৭১ সালের ১৮ অক্টোবর কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানায় দেউশ মন্দভাগ বাজারে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে একটি যুদ্ধে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে।
১৯৭১ সালের ১৪ অক্টোবর সালদা নদীতে প্রথম আক্রমণের পর ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ‘সি’ কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার ওহাবের ৭ নং প্লাটুনকে দেউশ-মন্দভাগ এলাকায় প্রতিরক্ষা অবস্থান নিতে নির্দেশ দেন। এলাকাটি দক্ষিণ-পশ্চিমে চান্দলা খাল ও দক্ষিণ-পূর্বে সালদা নদী ঘিরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সুবেদার ওহাবের নেতৃত্বে প্রায় ৬০ জন মুক্তিযোদ্ধা, ২টি এমজি, ৭-৮টি এলএমজি এবং ৬০ মি.মি. মর্টারসহ দৃঢ় প্রতিরক্ষা অবস্থান গ্রহণ করেন।
শত্রুপক্ষ ৩৩ বালুচ রেজিমেন্টের একটি কোম্পানি ১৭ অক্টোবর রাতে সালদা নদী পথে অগ্রসর হয়। ১৮ অক্টোবর ভোরে চান্দলা খালে মাছ ধরায় নিয়োজিত আবু মিঞা প্রথমে শত্রুর নৌবহরের শব্দ শুনে মুক্তিযোদ্ধাদের সতর্ক করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই শত্রুর প্রথম নৌকাটি প্রতিরক্ষা অঞ্চলে প্রবেশ করলে নায়েক আতাউর রহমান গুলি চালিয়ে আক্রমণ শুরু করেন। মুহূর্তেই মুক্তিবাহিনীর সব পোস্ট সক্রিয় হয় এবং সুবেদার ওহাব নিজে এমজি পজিশনে থেকে ফায়ার নিয়ন্ত্রণ করেন। ভয়াবহ গুলিবর্ষণে পাকিস্তানি সেনাদের ৭-৮টি নৌকা ধ্বংস হয়, বহু সেনা নিহত ও আহত হয়। ভোরের আলো ফোটার পর সুবেদার ওহাব ও তাঁর সহযোদ্ধারা লে. সীমাসহ প্রায় ১৫-২০টি মৃতদেহ উদ্ধার করেন। নিহত এক হাবিলদারের পকেট থেকে উদ্ধারকৃত চিঠিতে লেখা ছিল- “এখানে মুক্তিবাহিনী নামক বাহিনী আচমকা এসে আক্রমণ করে পালিয়ে যায়, এদের দেখা যায় না।”
এই চিঠি মুক্তিবাহিনীর গেরিলা কৌশলের সার্থকতা প্রকাশ করে।
আহতদের মধ্যে হাবিলদার আকরাম নামের এক সৈনিক জানায়, তাদের নৌকায় মেজর আফ্রিদি ছিলেন যিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিখোঁজ হন। সুবেদার ওহাব আহত আকরামকে হত্যা না করে চিকিৎসার জন্য ক্যাম্পে পাঠান—যা মুক্তিবাহিনীর মানবিক আচরণের উদাহরণ।
অতঃপর সকাল ৯টার দিকে পাকিস্তানি বাহিনী পশ্চিম ও দক্ষিণ দিক থেকে প্রতিআক্রমণ শুরু করে। সুবেদার ওহাবের এমজি ও এলএমজি পোস্ট থেকে গুলি ও মর্টার বর্ষণে শত্রু ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে পিছু হটে যায়। এরপর শুরু হয় আধাঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আর্টিলারি গোলাবর্ষণ, যা অধিকাংশই খাল ও বিলের পানিতে গিয়ে পড়ে। মুক্তিযোদ্ধাদের কেউ হতাহত না হলেও তাদের দৃঢ় অবস্থান শত্রুকে হতাশ করে।
দুপুরে শত্রু ৪টি হেলিকপ্টার নিয়ে আকাশ থেকে গুলি বর্ষণ করে। এই হামলায় কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক হতাহত হলেও মুক্তিযোদ্ধারা অক্ষত থাকে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও সুবেদার ওহাব পরে হেডকোয়ার্টারের সঙ্গে যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করে যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাঠান।
এই অভিযানে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রায় ৫০-৫২ জন নিহত ও ৫০-৫৫ জন আহত হয়, যার মধ্যে ২ জন অফিসারও ছিলেন। এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একক অভিযানে শত্রুপক্ষের সর্বাধিক হতাহতের অন্যতম নজির। পাকিস্তানি সেনারা পরবর্তীতে সুবেদার ওহাবকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় ধরিয়ে দিলে ৫০,০০০ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে।
দেউশ-মন্দভাগ অভিযান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায়—যেখানে সুবেদার ওহাবের নেতৃত্ব, মুক্তিযোদ্ধাদের কৌশল, সাহস ও আত্মত্যাগ প্রমাণ করেছিল যে আধুনিক অস্ত্র নয়, স্বাধীনতার অদম্য আকাঙ্ক্ষাই বিজয়ের মূল শক্তি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার জেলার মুরাদনগর উপজেলায় বাড়ির পাশে থাকা পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের কালারাইয়া গ্রামের কাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে বইছে শোকের মাতম।
নিহত শিশু কাজী ইয়াছিন আরাফাত(৩) উপজেলার কালারাইয়া গ্রামের কাজী তানভীর মিয়ার ছেলে ও রোজা মনি(৩) একই এলাকার মিদন মিয়ার মেয়ে। তারা দুজন সম্পর্কে চাচা-ভাতিজি ছিল।
দুই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি ছেলের বাবা কাজী তানভীর নিশ্চিত করে জানান, প্রতিদিনের মত আজকে সকাল ৯টার দিকে আমার ভাইয়ের মেয়ে রোজা মনি ও আমার ছেলে ইয়াছিন দুজন মিলে বাড়ির পিছনে পুকুর পাড়ে খেলতে যায়। কিছুক্ষন পর তাদের দুইজনকে কোথাও দেখতে না পেয়ে দুই পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজতে থাকি। খোঁজাখুঁজির একপর্যায় পুকুর পাড়ে তাদের ভাসতে দেখি। তাৎক্ষনিক তাদের উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দুইজনকে মৃত ঘোষণা করে।
বিকালের দিকে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মন্তব্য করুন


পারিবারিক গেট-টুগেদার অনুষ্ঠানে মদ
পান করে অসুস্থ হয়ে ঈশিতা রানী মন্ডল (২৪) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (২০ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার
দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুলশানের এভার কেয়ার হাসপাতালে তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির গুলশান
থানার এসআই রোজিনা আক্তার।
তিনি বলেন, ঘটনাটি গাজীপুরের গাছা থানা
এলাকার। তিনি মারা গেছেন এভার কেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে। ওই থানার নারী পুলিশ কর্মকর্তা
ছুটিতে থাকায় আমরা ডিসি স্যারের কথা মতো থানাটির পুলিশের সহযোগিতায় আইনি প্রক্রিয়া
শেষে মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করি।
পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি বৃহস্পতিবার
সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে পুরো বিষয়টি গাজীপুরের গাছা থানা
তদন্ত করছে বলে জানান এসআই।
গাছা থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭
জুন পরিবারিক গেট-টুগেদার অনুষ্ঠানে মদ্য পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন ঈশিতা। পরে স্বজনরা
১৮ জুন বিকালে তাকে উত্তরার ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে
চিকিৎসকের পরামর্শে রাত ৯টার দিকে তাকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে
ভর্তি করানো হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয়।
গাজীপুরের গাছা উপজেলার জামর মল্লিক
গ্রামের স্টেশনারি ব্যবসায়ী বিপ্লব মল্লিকের স্ত্রী ঈশিতা রানী মন্ডল। তার বাবার নাম
প্রদীপ চন্দ্র মন্ডল। দুই মেয়ের জননী ছিলেন তিনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৫০ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানা পুলিশ।
আজ
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা কোতোয়ালি থানাধীন
আলেখারচর থেকে প্রাইভেট কার সহ তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত
হলেন কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন থানার মিন্নতনগর এলাকার মো: ইব্রাহিম (৩৮)।
কুমিল্লা সদর দক্ষিন সীমান্ত এলাকা থেকে একটি প্রাইভেট
কার ( রেজিষ্ট্রেশন নং- ঢাকা মেট্টো-গ-১৫-৯০৬৪) এর চালক মাদক বহন করে মহাসড়ক দিয়ে ঢাকা
নিয়ে যাচ্ছে এমন তথ্য পায় হাইওয়ে পুলিশ। এই তথ্যের ভিত্তিতে ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে
থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইকবাল বাহার মজুমদার এর নেতৃত্বে এসআই ইকবাল হোসেন,
এএসআই রাজিবুল আলম সঙ্গীয় ফোর্সসহ উক্ত প্রাইভেট কারটি বেরি কেড দিয়ে আটক করেন। এসময়
প্রাইভেট কারটি তল্লাশি করে প্রাইভেট কারের বেকডালার মধ্যে ২৫(পঁচিশ) টি ফোটলায় প্রতিটিতে
২ কেজি কেজি করে মোট ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে পাঁচ মাসে কোরআনে হাফেজ হলেন ৯ বছরের শিশু তাহসিন মাত্র ১৪৮ দিনে সম্পূর্ণ কোরআনে কারিম হিফজ সম্পন্ন করার অনন্য গৌরব অর্জন করেছে ৯ বছর বয়সী তাহসিন।
তাহসিনের বাড়ি চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার সূচিপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের দশনাপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম মোঃ ইমাম হোসেন। সে শহরে অবস্থিত ব্যতিক্রমী ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শাহরাস্তি দারুল কোরআন মাদ্রাসার ছাত্র।
সোববার (১ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে তাহসিনের হিফজ সম্পন্ন হয়।
কোরআনে হাফেজ হতে মা-বাবা ও শিক্ষকদের সার্বিক সহযোগিতা ও দোয়া পেয়েছেন বলে জানান তাহসিন। তার মাও অনেক খুশি।
শাহরাস্তি দারুল কোরআন মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম (অধ্যক্ষ) হাফেজ মাওলানা মাহফুজুর রহমান বুলবুলি বলেন মাদ্রাসায় ৮০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। সম্প্রতি বিভিন্ন কুরআন তেলওয়াত প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছে। হিফজ শুরু করার পরই আমরা তাহসিনের মধ্যে ভিন্নরকমের প্রতিভা অনুভব করি। সে মাত্র ১৪৮ দিনে হিফজ সমাপ্ত করেছে-আলহামদুলিল্লাহ। তবে সে খুব চঞ্চল প্রকৃতির ছেলে, যদি একমনে সময় কাজে লাগাত তাহলে তার পক্ষে আরও অল্প সময়ে হাফেজ হওয়ার সম্ভবানা ছিল। কেননা শেষ দিকে সে প্রতিদিন ১০পৃষ্ঠা পর্যন্ত মুখস্থ শুনিয়েছে। ভালো হাফেজ হওয়ার পাশাপাশি তাহসিন ভবিষ্যতে বড় হক্কানী আলেম হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করতে চায়। মাদরাসার পরিচালক হাফেজ হোসাইন আহমেদ চাঁদপুরী বলেন। তিনি তাহসিনের জন্য এবং তার মাদরাসার জন্য দেশবাসীর নিকট দোয়া চেয়েছেন। তিনি বলেন, তাহসিনের ঐকান্তিক ইচ্ছা, শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং তার পরিবারের সহযোগিতায় আল্লাহ তাকে খুব শৈশবেই এই মহা পুরস্কারে ভূষিত করেছেন। এজন্য আমরা সবাই আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা খলিলুর রহমান জানান আলহামদুলিল্লাহ মাত্র ১৪৮ দিনে হেফজ সম্পন্ন করায় তাহসিন একজন হক্কানী আলেম হওয়ার দোয়া করেন এবং হক্কানী আলেম হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করবে বলেন আশাবাদ ব্যর্থ করেন।
মন্তব্য করুন




কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন নাজিরাবাজার এলাকা হতে ১৩২ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ০৩ নভেম্বর রাতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন নাজিরাবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১৩২ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো: ১। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার খাড়েরা গ্রামের মোঃ শামসু মিয়া এর ছেলে মোঃ রাসেল (২৪) এবং ২। কুমিল্লা জেলার বাঙ্গরা বাজার থানার হায়দারাবাদ গ্রামের মোঃ আব্দুল হান্নান এর ছেলে মোঃ শরীফ (২০)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত কাভার্ড ভ্যান ব্যবহার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন