

বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলের দিকে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার দুর্গাপুর পদ্মবিল এলাকায় পুলিশের একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। কয়েকদিন ধরে এলাকায় সড়কে গাছ ফেলে পথচারী ও যানবাহন থামিয়ে ডাকাতির ঘটনা বাড়তে থাকায় পুলিশ গোপনে নজরদারি শুরু করে। এ–সংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত হলে পুলিশ ভিন্ন কৌশলে অভিযান সাজায়।
গ্রেপ্তার হওয়া দুই ব্যক্তি হলেন—মহেশপুরের বেগমপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে সোহেল রানা (২৮) এবং চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ নফর কান্দি গ্রামের মসলেম খলিফার ছেলে আলী হোসেন (৩৫)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা দুজন দীর্ঘদিন ধরে মহেশপুর ও আশপাশের সড়কে গাছ ফেলে পথ আটকে ডাকাতি ও ছিনতাই করছিল।মহেশপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, গোপন সূত্র থেকে খবর পাওয়া যায় যে পদ্মবিল এলাকায় ডাকাতদলের দুই মূল সদস্য লুকিয়ে আছে। তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ সদস্যরা ছদ্মবেশে এলাকায় অবস্থান নেয়—কেউ জেলের পোশাকে বিলে ঘোরাফেরা করতে থাকে, আবার কেউ কৃষক সেজে আশপাশে নজরদারি করে। কিছুক্ষণ পর লক্ষ্য করা যায় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তি ঘোরাফেরা করছে। মুহূর্তেই পুলিশ তাদের পিছু নিয়ে ধরে ফেলে।
ওসি আরও জানান, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ডাকাতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি তাদের মাধ্যমে চক্রের অন্য সদস্যদেরও শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনের আগে গ্রাহক প্রতি মোবাইল সিমের সংখ্যা কমিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৫তম সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান। বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী একজন মোবাইল গ্রাহক তার জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নিবন্ধন করতে পারেন।
তিনি বলেন, আগামী ৩০ অক্টোবরের পর এনআইডির বিপরীতে মোবাইল গ্রাহক প্রতি সিম নিবন্ধনের সংখ্যা ১০টিতে নামিয়ে আনা হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গ্রাহক প্রতি সিমের সংখ্যা আরো কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।
উপদেষ্টা বলেন, একজনের সিমকার্ড ব্যবহার করে অন্যজন অপরাধ করে। এতে করে প্রকৃত দোষী ব্যক্তি অনেক সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে। এজন্য ব্যক্তি পর্যায়ে রেজিস্ট্রেশন করা সিমকার্ড কমিয়ে আনা হবে। কোনো ঘটনা ঘটার পর দেখা যায় সিমটি সেই ব্যক্তির নয়। সেজন্য নির্বাচনের আগে সিমকার্ডের সংখ্যা কমিয়ে আনা হবে।
নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আপত্তি আসে নাই। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আগেও ছিল, বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোতে নিয়োগ ও পদায়নের ক্ষেত্রে কোনো পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ ও পদায়ন করা হয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের সব প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। তিনি এ সময় নির্বাচন সুষ্ঠু ও ভালোভাবে সম্পন্ন হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব “নাসিমুল গনি “, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেছেন, ঈদে মহাসড়কে বিশেষ নজরদারিতে থাকবে পুলিশ। এ সময় সড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ দৃষ্টি থাকবে তাদের। মহাসড়কে নসিমন, করিমন ও ভটভটি অথবা এ ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। একই সঙ্গে চলাচল করতে পারবে না ফিটনেসবিহীন কোনো যান।
পুলিশ সদর দপ্তরে ঈদুল ফিতর এবং বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় এসব কথা বলেন তিনি। বৈঠকে ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।
এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক মাঠে থেকে ব্যক্তিগত তদারকির কথা বলেন আইজিপি। সড়কপথ, রেলপথ ও নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন তিনি।
ঈদে শহর ছেড়ে যাওয়া মানুষের বাসা-বাড়ি, মার্কেট, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য পুলিশের নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ। আনন্দমুখর পরিবেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের লক্ষ্যে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
এ ছাড়া নৌ দুর্ঘটনা ও নৌ ডাকাতি রোধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নৌ পুলিশকে নির্দেশনা দেন তিনি।দেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে নিরাপত্তা প্রদানের ক্ষেত্রে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশকেও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে আইজিপি বলেন, ‘গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ নিয়ে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর অবস্থার সৃষ্টি না হয় সে জন্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশকে তৎপর থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’
সভায় অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মো. কামরুল আহসান, স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলামসহ অন্যান্য অতিরিক্ত আইজিপি, বিশেষায়িত ইউনিটের প্রধান, ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট প্রধান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এবং রেঞ্জ ডিআইজি উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


এদিকে বিকেল জাতির উদ্দেশে ভাষণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জনগণের উদ্দেশে সেনাপ্রধান বলেছেন, দেশে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখেন। আপনারা আমার ওপর আস্থা রাখেন, একসঙ্গে কাজ করি। দয়া করে সাহায্য করেন। মারামারি সংঘাত করে আর কিছু পাব না। সংঘাত থেকে বিরত হোন। সবাই মিলে সুন্দর দেশ গড়েছি।
তিনি বলেন, আপনারা আমাদের সহযোগিতা করেন। চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যত হত্যাকাণ্ড হয়েছে, প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। প্রতিটি অন্যায়ের বিচার হবে।
এর আগে সোমবার দুপুর আড়াইটায় বঙ্গভবন থেকে একটি সামরিক হেলিকপ্টারে শেখ হাসিনাকে নিয়ে উড্ডয়ন করেন। এ সময় তার ছোট বোন শেখ রেহানাও সঙ্গে ছিলেন।
অপরদিকে দুপুরে সেনা সদরদপ্তরে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
উল্লেখ্য, জুলাইয়ের শুরুতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। প্রথম সপ্তাহ রাজধানীর শাহবাগ ঘিরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলে। ১৪ জুলাই পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলায় বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। এরপর দফায় দফায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। সারাদেশে স্ফুলিঙ্গের মতো ছড়িয়ে আন্দোলন। বাড়তে থাকে প্রাণহানি। অবশেষে সরকার পতনের এক দফা দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমে আসে ছাত্র-জনতা।
মন্তব্য করুন


শনিবার রাতে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা একটি টিম কুমিল্লা জেলার সকল থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার আমতলী এলাকার চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা গামী মহাসড়কের রাস্তার উপর হতে ২৬ কেজি গাঁজাসহ ১জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম মোঃ আরিফুল ইসলাম (২০), পিতা-এরশাদ মিয়া।
আসামী কুমিল্লা জেলার মুরাদপুর থানার দিলালপুর গ্রাম নিবাসী।
উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ নিজ ভোটাধিকার সচেতনভাবে প্রয়োগ করতে দেশের
সকল শ্রেণি ও পেশার ভোটারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর
মুহাম্মদ ইউনূস।
আগামীকাল
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠেয় ‘গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’
উপলক্ষ্যে দেয়া আজ এক বাণীতে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘এ যুগান্তকারী গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে
এক অনন্য ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি শুধু একটি নির্বাচন বা সাংবিধানিক
প্রক্রিয়া নয়; বরং দেশের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক ধারা ও জনগণের সার্বভৌম
ইচ্ছার প্রতিফলনের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।
তিনি
বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত একটি জাতি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে
যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও আত্মমর্যাদার ঘোষণা দিয়েছে, এই নির্বাচন সেই আকাঙ্ক্ষার
চূড়ান্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক বহিঃপ্রকাশ।
প্রধান
উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, গণভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রকাঠামো
ও শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে তাদের সুস্পষ্ট মতামত ব্যক্ত করবেন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের
মাধ্যমে সেই মতামত বাস্তবায়নের জন্য যোগ্য, দায়বদ্ধ ও জনআকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল
জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। এভাবে জনগণ সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণে অংশীদার
হবেন।
তিনি
বলেন, ‘এ নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে আমাদের বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে যে, দেশের বিপুলসংখ্যক
তরুণ নাগরিক এবারই প্রথম তাদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন। একই সঙ্গে
পূর্ণবয়স্ক অনেক নাগরিকও দীর্ঘদিন ধরে প্রকৃত অর্থে ভোট প্রদানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত
ছিলেন। তাই এ গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন প্রতিটি ভোটারের কাছে একটি আনন্দময়,
শঙ্কামুক্ত, বিশ্বাসযোগ্য ও উৎসবমুখর গণতান্ত্রিক অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়, তা নিশ্চিত করা
আমাদের সকলের নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব। এ লক্ষ্য অর্জনে বর্তমান অন্তর্র্বর্তীকালীন
সরকার সম্পূর্ণ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই একটি গণতান্ত্রিক
রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। দেশের প্রতিটি নাগরিক যেন কোনো ধরনের ভয়ভীতি, চাপ বা প্রভাব
ছাড়াই স্বাধীনভাবে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, নির্বাচন
কমিশন, সশস্ত্র বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সকল বাহিনীকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব,
নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নিজ নিজ কর্তব্য পালন করতে হবে। একই সঙ্গে আমি রাজনৈতিক
দলসমূহ, প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সংযম, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক আচরণ বজায় রাখার
আহ্বান জানাই।’
তিনি
বলেন, ‘গণতন্ত্রের এ ঐতিহাসিক অভিযাত্রায় আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ একটি শান্তিপূর্ণ,
স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পথে আমাদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে
যেতে সহায়তা করবে।’
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা
হাসান বলেছেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে। এই ভিত্তি
গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করবে এবং সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহির আওতায় আনবে। বৈষম্যহীন ও
শোষণমুক্ত সমাজ গড়ার যে স্বপ্ন এখনো পূর্ণতা পায়নি, সেই লক্ষ্য অর্জনের যাত্রা এখান
থেকেই শুরু করা সম্ভব হবে।’
আজ
সোমবার ( ১৬ ডিসেম্বর ) ঢাকায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন
শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা
বলেন, ‘শুধু নির্বাচন নয়, এবার গণভোটের মাধ্যমেও সংস্কার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে
জনগণ তাদের মতামত জানাতে পারবে। এর ওপর ভিত্তি করে গণতন্ত্রের যাত্রা নতুন রূপে শুরু
হতে পারে।’
রিজওয়ানা
হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিপক্ষকে দমন করতে যুক্তি ও তর্কের বদলে হত্যাচেষ্টার
মতো সহিংস পন্থা নেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি নিন্দনীয় ও কাপুরুষোচিত।
তিনি
বলেন, ‘শক্তি থাকলে জনগণের মুখোমুখি হতে হবে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের সামনে যাওয়ার
পথ সবারই জানা।’ তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিপক্ষকে ঘায়েল
করার যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, নতুন বাংলাদেশে তার কোনো স্থান নেই। এই সরকার তখনই সফল
হবে, যখন সুষ্ঠু নির্বাচন, বিচার এবং সংস্কারের যে লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছে,
তা বাস্তবায়ন করা যাবে।’
তথ্য
উপদেষ্টা বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচন
নিশ্চিত করা। মানুষ যেন নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে। তবে এই প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার জন্য
একটি শক্তি সক্রিয় রয়েছে। সেই শক্তিকে প্রতিহত করার পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে
তোলাও প্রয়োজন।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য
স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির পরিবারকে তাঁর সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিতের আশ্বাস
দিয়েছেন।
আজ
শনিবার ( ১৩ ডিসেম্বর ) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ওসমান হাদির ভাই আবু বকর
সিদ্দীক, বোন মাসুমা এবং ইনকিলাব মঞ্চের তিন নেতা আব্দুল্লাহ আল জাবের, ফাতিমা তাসনিম
জুমা ও মো. বোরহান উদ্দিন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ আশ্বাস দেন।
ওসমান
হাদির সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে
জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সারাদেশ তাঁর জন্য দোয়া করছে। তাঁর সর্বোত্তম চিকিৎসা
নিশ্চিতে সবাই চেষ্টা করছে। হাদির শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় যদি দেশের বাইরে পাঠাতে
হয়, যেখানে পাঠানোর প্রয়োজন হবে সরকার সেখানেই তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে।’
ওসমান
হাদির বোন বলেন, ‘সে ছোটবেলা থেকেই দেশকে মনেপ্রাণে ভালোবাসে। ছোটবেলা থেকেই সে বিপ্লবী।
বিদ্রোহী কবিতা তাঁর প্রিয়, সে বিদ্রোহী কবিতা আবৃত্তি করতে ভালোবাসত। তাঁর একটি ১০
মাসের সন্তান আছে। হাদি আমাদের মেরুদণ্ড।’তিনি আরো বলেন, ‘ওর অনেক কাজ, ওকে বেঁচে
থাকতে হবে। আপনারা বিপ্লবী সরকার। যে করেই হোক জুলাই বিপ্লবীদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
তা না হলে এদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব হুমকিতে পড়বে।’
অপরাধীকে
দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা জাবের বলেন, ‘৫ই
আগস্টের পর অনেকে বাসায় ফিরে গিয়েছিল। কিন্তু ওসমান হাদি বাসায় ফিরে যায়নি। সে জুলাই
বিপ্লবকে ধারণ করত এবং জুলাই বিপ্লবের জন্য দিনরাত কাজ করছে। যে ছেলেটা গুলি করেছে,
শুনতে পাচ্ছি সে একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিল। কোন প্রক্রিয়ায় সে জামিন পেয়েছে সেটা
তদন্ত করতে হবে।’
এমন
নৃশংস হামলার সাথে যারা জড়িত তাদের পুরো চক্রকে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা হবে
জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। এ ঘটনার আদ্যপান্ত বিশ্লেষণ করে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য
ইতোমধ্যেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’এ সময় আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, পরিবেশ,
বন ও জলবায়ু উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও জাতীয় নিরাপত্তা
উপদেষ্টা খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠক আজ ৫ জানুয়ারি সোমবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়। সম্মনিত আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সংগঠনের মগবাজারস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সংগঠনের নায়েবে আমীরগণ, সেক্রেটারি জেনারেল এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলগণসহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বৈঠকে অভিমত প্রকাশ করা হয় যে, দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ এখনো সৃষ্টি হয়নি। প্রশাসনের মধ্যে কিছু কিছু সরকারি কর্মকর্তা একটি বিশেষ দলের পক্ষে কাজ করছে বলে বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযোগ আসছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে এখনো প্রকাশ্য দিবালোকে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে।
দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে। দেড় হাজার শহীদ, ত্রিশ হাজারের অধিক আহত ও পঙ্গুত্ববরণের মধ্য দিয়ে অর্জিত আমাদের এই প্রিয় নতুন বাংলাদেশকে কোনো ধরনের চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র বা কোনো গোষ্ঠীর হাতে জিম্মি হতে দেয়া যাবে না।
নির্বাচন কমিশন এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে এবং বিশেষ কোনো দলের দিকে ঝুঁকে না পড়ে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়।
অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের নিরপেক্ষতা শতভাগ নিশ্চিত করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের নিকট জোর দাবি জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া ও ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের গবেষকেরা যৌথভাবে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্র স্বয়ংক্রিয় ও প্রোগ্রামযোগ্য রোবট উদ্ভাবনের দাবি করেছেন। অণুজীবের সমান আকৃতির এই রোবটগুলোর আয়তন মাত্র ০.২ × ০.৩ × ০.০৫ মিলিমিটার—যা একটি বালুকণার থেকেও ছোট এবং খালি চোখে প্রায় অদৃশ্য।
গবেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই অতিক্ষুদ্র রোবটগুলো নিজে নিজে চলাচল করতে পারে, আশপাশের পরিবেশের পরিবর্তন শনাক্ত করতে সক্ষম এবং প্রয়োজন হলে নিজেদের ক্ষত নিজে থেকেই সারিয়ে তুলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসাবিজ্ঞান ও সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি তৈরির ক্ষেত্রে এই উদ্ভাবন নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।
গবেষণায় বলা হয়েছে, আলো ব্যবহার করে শক্তি সঞ্চয় ও নিয়ন্ত্রণ করার সক্ষমতাই এই রোবটগুলোর অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য। প্রতিটি রোবটের জন্য আলাদা পরিচয় নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে হাজারো রোবটের ভিড় থেকেও নির্দিষ্ট রোবটকে আলাদা করে নির্দেশ দেওয়া সম্ভব।
পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড সিস্টেমস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মার্ক মিসকিন জানান, প্রচলিত স্বয়ংক্রিয় রোবটের তুলনায় প্রায় ১০ হাজার গুণ ছোট আকারের রোবট তৈরি করতে তারা সক্ষম হয়েছেন। পানির নিচে চলাচলের সময় এসব রোবট মাছের ঝাঁকের মতো সমন্বিতভাবে কাজ করে। যান্ত্রিক নড়াচড়ার কোনো চলমান অংশ না থাকায় এগুলো দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই।
এই রোবটগুলোর ‘মস্তিষ্ক’ হিসেবে ব্যবহৃত অতি ক্ষুদ্র মাইক্রো-কম্পিউটারটি তৈরি হয়েছে ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের অধ্যাপক ডেভিড ব্লাউ ও ডেনিস সিলভেস্টারের গবেষণাগারে। কম্পিউটারটি সচল রাখতে প্রয়োজন হয় মাত্র ৭৫ ন্যানোওয়াট বিদ্যুৎ—যা একটি স্মার্ট ওয়াচে ব্যবহৃত শক্তির তুলনায় প্রায় এক লাখ গুণ কম।
এই স্বল্প শক্তি সংগ্রহের জন্য রোবটটির বড় অংশজুড়ে ক্ষুদ্র সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে। অতিক্ষুদ্র পর্যায়ে পানির সান্দ্রতার কারণে চলাচল কঠিন হলেও বিজ্ঞানীরা বিশেষ বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি করে সেই সমস্যা সমাধান করেছেন। এতে রোবটগুলো সরাসরি নড়াচড়া না করেও আশপাশের পানির অণু ঠেলে সামনে এগিয়ে যেতে পারে
ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশনের সহায়তায় পরিচালিত এই গবেষণার ফলাফল ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সাময়িকী সায়েন্স রোবটিক্স ও প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস-এ প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিটি রোবট তৈরির ব্যয় পড়বে প্রায় এক পয়সার সমান।
অত্যন্ত কম খরচ ও ক্ষুদ্র আকারের কারণে ভবিষ্যতে এসব রোবট মানবদেহের রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করিয়ে কোষ পর্যায়ের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ কিংবা নির্দিষ্ট স্থানে নিখুঁতভাবে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। গবেষকদের দাবি, এসব রোবট মাসের পর মাস কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি ছাড়াই কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম হবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য
নিজ নিজ অবস্থান থেকে দোয়া করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব
রুহুল কবির রিজভী।
আজ
শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রিজভী বলেন, আমাদের নেত্রী
গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আমরা সবাই আল্লাহর কাছে দোয়া করছি-আল্লাহ
তাআলা যেন তাকে পুরোপুরি সুস্থতা দান করেন।
রিজভী
জানান, দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে ভিড় করছেন,
যা চিকিৎসা কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে এবং অন্যান্য রোগীদের জন্যও সমস্যার তৈরি
করছে।
তিনি
বলেন, নেত্রীর প্রতি আপনাদের আবেগ স্বাভাবিক। আপনারা তাকে দেখতে চান, তার সুস্থতার
জন্য মোনাজাত করেন-এটা ভালোবাসা থেকেই আসে। কিন্তু এই ভিড়ের কারণে চিকিৎসা ব্যাহত
হচ্ছে। তাই আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, আপনারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে তার জন্য দোয়া
করেন।
রুহুল
কবির রিজভী বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে পথের কাঁটা মনে করতেন শেখ হাসিনা। সেই কারণে অতীতে
তাকে ‘দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়ার’ সব রকম চেষ্টা হয়েছে। অনেকে বলেন,
জেলখানায় তার খাবারে ‘বিষ মেশানো হয়েছিল’।
রুহুল
কবির রিজভী অভিযোগ করে বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালে ক্ষমতা ভোগ করেছেন নিজের,
ছেলে ও পরিবারের স্বার্থে। তিনি দাবি করেন, ‘স্বর্ণ কিনে মজুদ করা’,
‘লোকজন দিয়ে ব্যাংক লুট করে টাকা পাচার করানো’, এমন নানা অনিয়মের মাধ্যমেই দেশ পরিচালিত
হয়েছে। তার অভিযোগ, ‘সব ছেড়ে শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন, তবে জমানো স্বর্ণ নিয়ে
যেতে পারেননি’।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল
এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহবায়ক আতিকুর রহমান রুমন।
মন্তব্য করুন