

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় এডিস মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৬৫ জন।
আজ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়াদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৫১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮২ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৯৫ জন,
ঢাকা উত্তর সিটিতে ১২৭ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৮৮ জন, খুলনা বিভাগে ৪৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩০ জন, রংপুর বিভাগে ৩ এবং সিলেট বিভাগে ১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ৫৭৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৩ হাজার ১৯৬ জন।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৩৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৫ হাজার ৫৭৭ জন।
মন্তব্য করুন


দেশের চলমান পরিস্থিতিতে জনসাধারণের জান- মাল ও
সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার
লক্ষ্যে দেশব্যাপী নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ অক্টোবর ২০২৪ (শনিবার)
রাত আনুমানিক সাড়ে ৯ টার দিকে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ডিএমপির মোহাম্মদপুর
থানাধীন বছিলা হাউজিং এর মিনি সুপারশপে চাঞ্চল্যকর দুর্ধষ ডাকাতি ঘটনার প্রধান
আসামি মোঃ আসলাম ওরফে রুবেল আলমকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় তার তথ্য অনুযায়ী তার আরেকজন সহযোগী
পরিকল্পনাকারি মজিদকে যৌথবাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের ডাকাতির কথা স্বীকার করে। ডাকাতি হওয়া সুপারশপের সিসি ক্যামেরায় দেখা যায়, ডাকাতদলের হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। এ সময় তারা দোকানের কর্মচারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা নিয়ে যায়। গ্রেফতারের পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদেরকে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাক্ষাৎ করেছেন।
বৈঠকে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রধান উপদেষ্টাকে তার সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফর সম্পর্কে অবহিত করেন বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফর শেষে গতকাল শুক্রবার দেশে ফিরেন। তিনি ১৫ অক্টোবর সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় যান।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম
নাজমুল হাসান।
আজ
শনিবার ( ২১ ফেব্রুয়ারি ) এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে নৌবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক
পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে জানানো হয়।
পোস্টে
বলা হয়, সাক্ষাৎকালে দেশের জলসীমার সার্বিক নিরাপত্তা, সুনীল অর্থনীতি, সমুদ্রসম্পদ
রক্ষা এবং নৌবাহিনীর সক্ষমতা ও আধুনিকায়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পেশাদারি, দেশপ্রেম এবং সমুদ্রসীমা সুরক্ষায় তাদের নিরলস প্রচেষ্টার
ভূঁয়সী প্রশংসা করেন।
বাংলাদেশের
জলসীমা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত-শান্তিতে ও সংগ্রামে,
সমুদ্রে, দুর্জয়।
মন্তব্য করুন


জামায়াতে
ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে। কারণ
কিশোরগঞ্জ শিল্পভিত্তিক জেলা নয়, এটি একটি কৃষিনির্ভর জেলা। তাই কৃষিকে কেন্দ্র করেই
উন্নয়নের পরিকল্পনা করতে হবে।
আজ
মঙ্গলবার ( ০৩ ফেব্রুয়ারি ) কটিয়াদী সরকারি
কলেজ মাঠে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন।
ডা.
শফিকুর রহমান বলেন, অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, এতো টাকা কোথায় পাওয়া যাবে। এ প্রসঙ্গে
তিনি অভিযোগ করেন, দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করা হয়েছে, সেই অর্থ ফেরত আনা
গেলে উন্নয়ন সম্ভব।
তিনি
আরও বলেন, ‘এখন আর কোনো দুর্বৃত্ত কারও ভোটে হাত দিতে পারবে না। কেউ কোনো ক্ষতি করতে
এলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
অবাধ,
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ভোটাধিকার
প্রয়োগে কোনো ধরনের বাধা বা অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।
জামায়াত
আমির বলেন, জাতি পরিবর্তন চায় এবং সেই পরিবর্তনের পথেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। জামায়াতে
ইসলামী সরকার গঠন করতে পারলে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে
বলেও জানান তিনি।
তিনি
বলেন, অনেকে বলেন জামায়াতের সরকার হবে বা ইসলামি দলের সরকার হবে। আমরা জামায়াতের সরকার
চাই না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের সরকার চাই।
জেলা
জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলীর সভাপতিত্বে জনসভায় ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দসহ
ছয়টি আসনের প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


সৌদি
আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত খনি কোম্পানি সৌদি অ্যারাবিয়ান মাইনিং কোম্পানি (মা’আদেন)
দেশে চারটি স্থানে নতুন করে মোট ৭৮ লাখ আউন্স (২ লাখ ২১ হাজার কেজি) স্বর্ণসম্পদের
সন্ধান পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর মাধ্যমে দেশীয় খনিজ মজুত সম্প্রসারণ এবং বিশ্বমানের
স্বর্ণ উৎপাদক হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার কৌশল আরও জোরালো হলো বলে জানিয়েছে
প্রতিষ্ঠানটি। সংবাদ গলফ নিউজের
মা’আদেন
জানায়, লক্ষ্যভিত্তিক খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে শুরুতে ৯০ লাখ আউন্সের বেশি স্বর্ণসম্পদের
তথ্য পাওয়া যায়। বার্ষিক প্রতিবেদনসংক্রান্ত মানদণ্ড অনুযায়ী সমন্বয়ের পর চূড়ান্তভাবে
নতুন সম্পদ যোগ হয়েছে ৭৮ লাখ আউন্স।
এই
সম্প্রসারণের আওতায় রয়েছে মানসুরাহ–মাসারাহ, উরুক ২০/২১, উম্ম আস সালাম
এবং নতুন আবিষ্কৃত ওয়াদি আল জাওয়ান। এর মধ্যে মানসুরাহ–মাসারাহ
প্রকল্পে এক বছরে সবচেয়ে বেশি, ৩০ লাখ আউন্স স্বর্ণসম্পদ যুক্ত হয়েছে। উরুক ২০/২১ ও
উম্ম আস সালাম থেকে এসেছে ১৬ লাখ ৭০ হাজার আউন্স, আর ওয়াদি আল জাওয়ানে প্রথমবারের মতো
৩০ লাখ ৮০ হাজার আউন্স স্বর্ণসম্পদের হিসাব যোগ হয়েছে।
মা’আদেনের
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বব উইল্ট বলেন, এসব ফলাফল সৌদি আরবের খনিজ সম্পদ
উন্মোচনে কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের সফলতা প্রমাণ করে। তিনি বলেন, ‘এই ফলাফল স্পষ্ট
করে দিয়েছে যে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল বাস্তব পর্যায়ে কাজ করছে। এ কারণেই আমরা সৌদি
আরবের স্বর্ণসম্পদে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছি।’তিনি
আরও বলেন, নতুন স্বর্ণসম্পদ সংযোজন মা’আদেনের প্রকল্প পাইপলাইনের ধারাবাহিকতা
ও সক্ষমতা তুলে ধরেছে। ‘চারটি এলাকায় খননের মাধ্যমে ৭০ লাখ আউন্সের বেশি স্বর্ণ যোগ
হওয়া আমাদের স্বর্ণ পোর্টফোলিওর বিশালতা ও সম্ভাবনা দেখায়। এটি ভবিষ্যতের নগদ প্রবাহ
নিশ্চিত করতেও সহায়ক হবে,’ বলেন তিনি।
২০২৬
সালের অনুসন্ধান কর্মসূচিতে মা’আদেন মূলত সেন্ট্রাল অ্যারাবিয়ান গোল্ড
রিজিয়নে গুরুত্ব দিয়েছে। সেখানে উন্নত পর্যায়ের খনন কার্যক্রমে নতুন খনিজ স্তর এবং
সম্ভাব্য খনি সম্প্রসারণের ইঙ্গিত মিলেছে। ঐতিহাসিক মাহদ স্বর্ণখনির আশপাশেও খননের
মাধ্যমে খনির আয়ু বাড়ানোর সম্ভাবনা চিহ্নিত করা হয়েছে।
বব
উইল্ট বলেন, ‘সাম্প্রতিক ফলাফল কোম্পানির বহুমুখীকরণ পরিকল্পনাকেও জোরালো করেছে। স্বর্ণের
মতোই তামা ও নিকেলের প্রাথমিক ফলাফল আশাব্যঞ্জক। আরবিয়ান শিল্ড অঞ্চলে বড় পরিসরে খনিজ
উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে।’
শাইবান
ও জাবাল আল ওয়াকিল এলাকায় পাওয়া তথ্য সৌদি আরবজুড়ে বহুপণ্যভিত্তিক শক্তিশালী পোর্টফোলিও
গড়ার সম্ভাবনা দেখাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মা’আদেনের প্রধান প্রকল্প মানসুরাহ–মাসারাহে
বর্তমানে আনুমানিক ১১ কোটি ৬০ লাখ টন আকরে প্রতি টনে ২ দশমিক ৮ গ্রাম স্বর্ণ রয়েছে।
যার মোট পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৪ লাখ আউন্স। সাম্প্রতিক খনন
কার্যক্রমে
এক বছরে নিট ৩০ লাখ আউন্স স্বর্ণসম্পদ যোগ হয়েছে, যদিও মোট সংযোজন ছিল ৪২ লাখ আউন্স।
কোম্পানিটি
জানিয়েছে, মানসুরাহ ও মাসারাহ, উভয় খনিতেই গভীরে এখনও খনিজ স্তর উন্মুক্ত রয়েছে, যা
ভবিষ্যতে আরও বড় আবিষ্কারের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়। ২০২৬ সাল পর্যন্ত খনন কার্যক্রম
চলবে এবং পর্যায়ক্রমে নতুন তথ্য প্রকাশ করা হবে।
মন্তব্য করুন


নীলফামারীর
সৈয়দপুরের শহীদ তুলশিরাম সড়কে অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি শাখার ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি
টাকা গায়েব হয়ে গেছে। গত দুই বছর ধরে টাকাগুলো সরানো হয়েছে। যা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে
ব্যাংকটির ওই শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলিমুল আল রাজি তমালের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি
পলাতক।
ব্যাংকটির
আভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা চলাকালে জালজালিয়াতি, প্রতারণা ও অর্থআত্মসাতের বিষয়টি উদঘাটিত
হয়। ওই তদন্ত পরিচালনা করেন ব্যাংকটির হেড অফিসের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মেহেদী
রহমান।
তিনি
নিরীক্ষা দলের প্রধান। সাত সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত দলের অন্য সদস্যরা হচ্ছেন সিনিয়র প্রিন্সিপাল
অফিসার (এসপিও) আনোয়ারুজ্জামান, এসপিও খালেদ মুহাম্মদ সাইফুদ্দিন, প্রিন্সিপাল অফিসার
কাজী মো. সোলায়মান হোসেন, প্রিন্সিপাল অফিসার দেবাশীষ মল্লিক, প্রিন্সিপাল অফিসার মো.
ইকবাল কবীর ও প্রিন্সিপাল অফিসার একেএম ফজলুল করিম। তদন্ত প্রতিবেদন গত ১৫ ফেব্রুয়ারি
রংপুরে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয়ে দেওয়া হয়।
প্রতিবেদন
থেকে জানা যায়, গত দুই বছর ধরে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি সৈয়দপুর শাখা থেকে ৪৩ কোটি সরানো
হয়। এর মধ্যে ১৫ কোটি সরানো হয়েছিল ব্যাংকটির
রংপুর কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল এলাকার ইসলামী ব্যাংকিং শাখা থেকে। ওই শাখার ব্যবস্থাপক
আব্দুল লতিফের অ্যাকাউন্টেও পাঠানো হয়েছে ৪৫ লাখ টাকা।
তবে
ওই ব্যাংকের সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক আব্দুল লতিফ বলেন, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলিমুল আল
রাজি তমালের কাছে আমি ৪৫ লাখ টাকা পেতাম। ওই টাকা তিনি পরিশোধ করেছেন। টাকা আত্মসাতের
বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তিনি আরও বলেন,
বিষয়টি তদন্তাধীন, তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাই না।
নিরীক্ষা
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলিমুল আল রাজি তমাল ব্যাংকের কয়েকজন
সহকর্মীর অ্যাকাউন্ট ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে এসব টাকা
আত্মসাৎ করেন। যা চলছিল ২০২৪ সাল থেকে ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
প্রতিবেদনের
সূত্র ধরে ব্যাংকের সৈয়দপুর শাখার কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচরীর সঙ্গে কথা হয়। নাম প্রকাশ
না করর শর্তে তারা বলেন, এ ঘটনায় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলিমুল আল রাজি তমাল একা দায়ী নন।
তার সঙ্গে অনেকের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এ নিয়ে আরও গভীর তদন্ত প্রয়োজন।
অগ্রণী
ব্যাংক পিএলসি সৈয়দপুর শাখা ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান বলেন, আইটি বিভাগের গাফিলতির কারণে
এমন ঘটনা ঘটেছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে চলা টাকা অপসারণের ঘটনায় কে তার নজরে আসেনি বলে
এড়িয়ে যান।
মন্তব্য করুন


বিদ্যমান আইনকে
আরও শক্তিশালী করে প্রস্তাবিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন)
অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে এই
আইন কার্যকর হয়েছে।
সংশোধিত অধ্যাদেশে
পাবলিক প্লেসে ধূমপান করলে বিদ্যমান আইনে জরিমানা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা
করা হয়েছে। এ ছাড়া ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে অন্যান্য অপরাধের শাস্তিও বাড়ানো
হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।
বার্তায় এ আইনের
মূল উদ্দেশ্যে বলা হয়, তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনগণকে সুরক্ষা
দেওয়া, বিড়ি উৎপাদন সংক্রান্ত পৃথক অধ্যাদেশ বাতিল করে একীভূত আইন প্রণয়ন, ই-সিগারেট,
ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ ইমাজিং তামাকপণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা।
ধূমপান ও তামাকজাত
দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ও সংযোজন:
১. ‘তামাকজাত
দ্রব্য’-এর সংজ্ঞা সম্প্রসারণ
তামাকজাত দ্রব্যের
সংজ্ঞায় ই-সিগারেট, Electronic Necotin Delivery System (ENDS), Heated Tobacco
Product(HTP), নিকোটিন পাউচসহ সব উদীয়মান পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকার এরূপ যেকোন
পণ্যকে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্য হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। এছাড়াও,
‘নিকোটিন’ ও ‘নিকোটিন দ্রব্য’-এর পৃথক সংজ্ঞা সংযোজনসহ ‘পাবলিক প্লেস’-এর সংজ্ঞা ব্যাপকভাবে
সম্প্রসারিত করা হয়েছে।
২. পাবলিক প্লেসে
নিষেধাজ্ঞা
সকল পাবলিক
প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এ বিধান লঙ্ঘনের অপরাধে জরিমানা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২,০০০ টাকা করা হয়েছে।
৩. বিজ্ঞাপন
ও প্রচারণা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক,
ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া, OTT প্ল্যাটফর্মসহ সব মাধ্যমে তামাকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ,
বিক্রয়স্থলে (Point of Sales) প্যাকেট প্রদর্শন ও প্রচারণা নিষিদ্ধ, CSR কার্যক্রমে
তামাক কোম্পানির নাম/লোগো ব্যবহার এবং কোনো অনুষ্ঠান/কর্মসূচির নামে তামাক কোম্পানির
আর্থিক সহায়তা প্রদান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
৪. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
ও হাসপাতালের আশপাশে বিক্রয় নিষিদ্ধ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,
হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রয় নিষিদ্ধ
করা হয়েছে।
৫. ই-সিগারেট
ও উদীয়মান তামাকপণ্য (ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্টস) সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
উৎপাদন, আমদানি,
রপ্তানি, সংরক্ষণ, বিক্রয় ও ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। বিধান লংঘনে সর্বোচ্চ ৬ মাস
কারাদণ্ড ও ৫ লক্ষ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
৬. কুম্ভি পাতা
ও টেন্ডু পাতার বিড়ি নিষিদ্ধ
উৎপাদন, বিপণন
ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ পৃথক Bidi Manufacture (Prohibition) Ordinance, 1975 বাতিল
করা হয়েছে।
৭. আসক্তিমূলক
দ্রব্য মিশ্রণ নিষিদ্ধ
তামাক বা তামাকজাত
দ্রব্যের সাথে কোনো ক্ষতিকর আসক্তিমূলক দ্রব্য মেশানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিধান
রাখা হয়েছে।
৮. স্বাস্থ্য
সতর্কবার্তা ও স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং
প্যাকেটের ৭৫%
জায়গাজুড়ে রঙিন ছবি ও সতর্কবাণী বাধ্যতামূলক স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং ছাড়া তামাকজাত
দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
৯. শাস্তি ও
প্রয়োগ জোরদার
জরিমানা ও কারাদণ্ডের
পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি, কোম্পানির ক্ষেত্রে লাইসেন্স বাতিল ও মালামাল জব্দের
বিধান রাখা হয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী মামলা পরিচালনার বিধান সন্নিবেশ করা
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে এবং আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুতির এক মাস পূর্তিতে দিনটিকে
স্মরণীয় করে রাখতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘোষিত ‘শহীদী মার্চ’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) পৌনে ৪টায়
মার্চটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে শুরু হয়। এর আগে বেলা ২টা থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
বিভিন্ন হল এবং আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল
নিয়ে বিভিন্ন টিএসসির দিকে আসতে থাকে। এ সময় তাদের গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কিত বিভিন্ন
স্লোগান দিতে দেখা যায়।
জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
শুরু হয়ে এই মার্চ নীলক্ষেত, নিউমার্কেট, কলাবাগান, ধানমন্ডি, সংসদ ভবন, ফার্মগেট,
কারওয়ান বাজার, শাহবাগ হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ হবে।
এর আগে, গতকাল (বুধবার) দুপুরে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এক সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র
আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। মার্চে শহীদদের স্মরণ
করে ছবি, উক্তিসহ বিভিন্ন স্মারক নিয়ে ছাত্র-জনতাকে স্বতঃস্ফূর্ত অংশ নেওয়ার আহ্বান
জানান তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা নিজ
জায়গা থেকে শহীদী মার্চে অংশ নেবে।
এ ছাড়া ঢাকা মহানগরসহ দেশের প্রতিটি
জেলা ও উপজেলায় শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে শহীদী মার্চ পালনের কথা জানান। সরকার পতনের এক
মাস পূর্তি উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আন্দোলনের শহীদদের
ছবি থাকতে পারে। যে কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন, সেসব কথা প্ল্যাকার্ডে
থাকতে পারে। এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে কী চাই, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের
কাছে কী চাই- এসবও থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


দেশে চারটি
নতুন থানা স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয়
বাস্তবায়ন কমিটি । এ ছাড়া মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করার প্রস্তাব
অনুমোদিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে তাঁর বাসভবন যমুনায় নিকারের ১১৯তম
সভা অনুষ্ঠিত হয়। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদকালে নিকারের প্রথম সভা।
সভায় প্রশাসনিক
পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত মোট ১১টি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। সভা শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস
উইং থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
নতুন থানাগুলো
হলো গাজীপুর জেলার পূর্বাচল উত্তর, নারায়ণগঞ্জ জেলার পূর্বাচল দক্ষিণ ও কক্সবাজার জেলার
মাতারবাড়ী। এ ছাড়া নরসিংদী জেলার রায়পুরাকে ভেঙে একটি নতুন থানা স্থাপনের প্রস্তাব
অনুমোদিত হয়েছে।
আর সাতক্ষীরাকে
‘বি’ থেকে ‘এ’ শ্রেণির জেলায় উন্নীত করার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।
সভায় স্বাস্থ্য
মন্ত্রণালয়ের ‘স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ’ এবং ‘স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ’
দুটিকে আবার একত্র করে ‘স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়’ পুনর্গঠন করার প্রস্তাব
অনুমোদন করা হয়।
এ ছাড়া মহিলা
ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়’ করার প্রস্তাব
সভায় অনুমোদিত হয়। তবে এই মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি নাম অপরিবর্তিত থাকবে।
সভায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের
আওতায় ‘রাজস্ব নীতি বিভাগ’ ও ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ নামের দুটি প্রশাসনিক বিভাগ
গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। প্রসঙ্গত, এ বিষয়ে ইতিমধ্যে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা
অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছে।
সভায় পরিবেশগত
বৈশ্বিক ঐতিহ্য, পর্যটন ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিবেচনায় সাতক্ষীরা জেলাকে ‘বি’ থেকে
‘এ’ শ্রেণিতে উন্নীত করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
এ ছাড়া ঠাকুরগাঁও
জেলায় ‘ভূল্লী’ থানার নামের বানান সংশোধনের প্রস্তাব সভায় অনুমোদিত হয়।
সভায় প্রধান
উপদেষ্টা ছাড়াও কয়েকজন উপদেষ্টা, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্য সচিবসহ সরকারের ১৪ জন সচিব
বা জ্যেষ্ঠ সচিব উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ভাষা
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান
তারেক রহমান।
ইতিহাসে
প্রথমবারের মতো তিনি একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের
পর সেখানেই দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ
নেন।
প্রথা
অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণের পরপরই শহীদ মিনার ত্যাগ করেন।
তবে এবার সেই প্রথার বাইরে গিয়ে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণেই দোয়া মাহফিলে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
দোয়া
পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের জ্যেষ্ঠ ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা
নাজির মাহমুদ। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী
আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ
মোনাজাত করা হয়।
এ
সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার
জন্যও বিশেষ দোয়া করা হয়। পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
নেতৃত্বাধীন সরকারের সফলতা কামনা করা হয়।
এর
আগে রাত ১২টা ৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
দোয়া
শেষে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর মন্ত্রিসভা, দল এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকেও পৃথক পুষ্পস্তবক অর্পণ
করেন।
মন্তব্য করুন