

ত্রয়োদশ
সংসদ নির্বাচনের জন্য ঢাকা-১৭ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে দলটির প্রতিনিধি দল।
আজ
সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেন আসনটিতে
বিএনপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক আবদুস সালাম।
সকাল থেকেই সেগুনবাগিচায় অবস্থিত ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে
এই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।
পুরো প্রক্রিয়াটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে শেষ হয়।
মনোনয়নপত্র
জমা দেওয়া শেষে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম বলেন, আল্লাহর রহমতে আমরা
সুন্দরভাবে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্রটি জমা দিতে পেরেছি। দীর্ঘ ১৭ বছর আমাদের যে নেতাকে
তারা প্রবাস জীবনে বাধ্য করেছিল, আজ আল্লাহর রহমতে জনগণের দোয়ায় তিনি দেশে ফিরে এসেছেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে এই নির্বাচনের জন্য আমরা অপেক্ষা করেছি।
আব্দুস
সালাম বলেন, তারেক রহমান দেশে ফিরে আসার দিন নগরবাসী যেভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে বরণ
করে নিয়েছেন, সে জন্য আমরা নগরবাসীকে ধন্যবাদ জানাই। ঠিক একইভাবে আগামী ফেব্রুয়ারির
১২ তারিখের নির্বাচনেও ঢাকা-১৭ আসন এলাকার জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের নেতার পক্ষে
ভোট দেবে বলে আমরা আশা করি। তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে একটি ভোটের জন্য
অপেক্ষা করছে। নতুন প্রজন্ম গত তিনটি নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি। নতুন প্রজন্মের সব
ভোট ধানের শীষের পক্ষে হোক, এটাই আমরা আশা করি।
তিনি
বলেন, এখনও যে ষড়যন্ত্র চলছে, তা ভেদ করে একমাত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলই এই দেশের
সব জনগণের পক্ষে কথা বলবে।
এ
সময় আরও উপস্থিত ছিলেন— বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ফরহাদ হালিম ডোনার, ঢাকা
মহানগর উত্তর বিএনপি’র আহ্বায়ক ও ঢাকা-১৬ আসনের বিএনপি মনোনীত
প্রার্থী আমিনুল হক, মহানগর উত্তর বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা-১৮ আসনের বিএনপি
মনোনীত প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর আলম এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন
জুয়েলসহ বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের একাধিক
নেতা-কর্মী।
বিএনপি’র
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ঢাকা-১৭ আসনকে ঘিরে দলটির প্রস্তুতি বেশ কিছুদিন ধরেই
চলছিল। দেশে ফেরার পর গত শনিবার তারেক রহমান
ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার হন। এরপর থেকেই বিএনপি’র সিনিয়র নেতারা তাকে ঢাকা-১৭ আসন থেকে
নির্বাচন করার অনুরোধ জানিয়ে আসছিলেন। গুলশান-বনানী ও বারিধারার মতো অভিজাত এলাকা নিয়ে
গঠিত ঢাকা-১৭ আসন। এই আসনে বিএনপি’র
জোটসঙ্গী হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থের
নির্বাচন করার কথা শোনা যাচ্ছিল।
তবে
তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসন থেকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এই আসনটি ছেড়ে দেওয়ার
ঘোষণা দিয়েছেন বিজেপি’র চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি ভোলা-১ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত
নিয়েছেন বলে জানা গেছে। এর আগে বগুড়া-৬ আসন থেকে তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
করা হয়। পাশাপাশি বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তিনটি
আসন— বগুড়া-৭, ফেনী-১ ও দিনাজপুর-৩ থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন
বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুষ্টিয়া-৩
আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আলোচিত ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজাকে হত্যার
হুমকি দেওয়া হয়েছে।
রোববার
(১৮ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় বিভিন্ন মাধ্যম থেকে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ
করে নিজ ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন আমির হামজা।
পোস্টে
তিনি উল্লেখ করেন, ‘একটু জানিয়ে রাখি— গতকাল থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে আমাকে
হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমি মৃত্যুর জন্য সব সময় প্রস্তুত ইনশাআল্লাহ।’
তার
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আপনাদের কাছে অনুরোধ রইল—
কুষ্টিয়াতে যে ইনসাফ কায়েমের লড়াই আমরা শুরু করেছি আমার অনুপস্থিতিতে সেটা প্রতিষ্ঠিত
কইরেন এবং আমার ৩ শিশু কন্যা সন্তানকে একটু দেখে রাইখেন।’
নিজের
ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে করা পোস্ট প্রসঙ্গে জানতে চেইলে মুফতি আমির হামজা কালবেলাকে
জানান, পাবনা-৪ আসনের বিএনপির এমপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব তো সরাসরি টেলিভিশন
টকশোতে হুমকি দিয়েছে। আমি আগামীকাল নিরাপত্তার জন্য থানায় জিডি করব। সংবাদ সম্মেলনের
মাধ্যমে সবাইকে জানাব।
নির্দিষ্ট
কোনো রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে হুমকি পাচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি কালবেলাকে জানান,
নির্দিষ্ট কোনো জায়গা না, সব মাধ্যম থেকেই হুমকি আসছে। নির্দিষ্ট করে নাম বলতে পারছি
না। আগামীকাল পর্যন্ত বিষয়টা দেখব কী হয়। আগামীকাল জিডি করে আপনাদের জানাব।
নিরাপত্তা
ঝুঁকি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, না, সেরকম মনে করছি না। বিষয়টি দল থেকে দেখছে।
এ
সময় তিনি পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়ে বলেন, আমার মেয়েগুলো ছোট, চিন্তাতো হয় সবার।
মানুষ তো সব এক রকম না। দেখলেন না হাদি সাহেবের কী হয়ে গেল।
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়ায়
বাংলাদেশি কর্মীদের সুসংবাদ দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
গত মঙ্গলবার
(১৫ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই
সুখবর দেন।
নিজের ভেরিফায়েড
ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে আসিফ নজরুল লিখেছেন, মালয়েশিয়া ১৫টি দেশ থেকে কর্মী নিয়ে
থাকে। এর মধ্যে শুধুমাত্র বাংলাদেশি কর্মীদের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার পরিবর্তে সিঙ্গেল
এন্ট্রি ভিসা দেওয়া হচ্ছিল। এটি নিয়ে প্রবাসীদের অনেক ভোগান্তি হতো। গত মাসে আমি ও
লুৎফে সিদ্দিকী একটি প্রতিনিধি দলসহ মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে মিটিং করি।
উনাকে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরার পর তিনি দ্রুত এ সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।
এরপর থেকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও মালেয়শিয়ায় বাংলাদেশের দূতাবাসের কর্মকর্তারা
সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছিলেন। অবশেষে সুসংবাদটি নিশ্চিত করা হলো।
তিনি আরও লিখেছেন,
গত ১০ জুলাই মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালকের পক্ষে একটি পত্রে স্বাক্ষরে মালয়েশিয়ায়
প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের বিদ্যমান সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসাকে বর্ধিত করে মাল্টিপল এন্ট্রি
ভিসা সুবিধায় উন্নীত করে পত্র জারি করেছে। যেসব বাংলাদেশি কর্মীদের এটি জারির আগে সিঙ্গেল
এন্ট্রি ভিসা এবং টেম্পোরারি এমপ্লয়মেন্ট ভিজিট পাস ইস্যু করা হয়েছে, তাদের নতুন করে
মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা আবেদন করতে হবে না। পিএলকেএস নবায়নের সময় এমইভি নিজ থেকেই ইস্যু
করা হবে।
এ ছাড়া, মালয়েশিয়ার
সকল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোতে এই পত্রের মাধ্যমে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে
যে, যে সকল বাংলাদেশি কর্মীদের এসইভি ছিল এবং পিএলকেএস বৈধ আছে, তারা নতুন এমইভি ছাড়াই
মালয়েশিয়া আসা যাওয়া করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


দেশজুড়ে নতুন শিক্ষাক্রমের পাঠ্যপুস্তকে ভুল-ত্রুটি ও অসঙ্গতি নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ক্ষোভ জানাচ্ছেন।
এসব সমালোচনা ও মতামতকে ইতিবাচকভাবে নিয়ে মূল্যায়ন করে পাঠ্যপুস্তকের ভুল-অসঙ্গতির সংশোধনী অতি দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর কথা জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
মঙ্গলবার বিকালে পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীসহ সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক প্রণীত ২০২৪ সালের বইয়ের বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা ও গভীর পর্যবেক্ষণে যেসব বিষয় উঠে এসেছে, তা আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। বছরের প্রথম দিনে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের সময় আমরা সব শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পাঠ্যপুস্তক সম্পর্কে কোনো পরামর্শ থাকলে তা অবহিত করতে অনুরোধ করেছিলাম। আপনারা আমাদের আহ্বানে তাৎপর্যপূর্ণ ইতিবাচক মতামত দিয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে একই সাথে আরো বলা হয়, আপনাদের এ তাৎপর্যপূর্ণ মতামত আন্তরিকতার সঙ্গে গ্রহণ করে বিদ্যমান পাঠ্যপুস্তক যৌক্তিকভাবে মূল্যায়ণপূর্বক সংশোধনীসমূহ অতি দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমে পাঠানো হবে। যারা আমাদের নানান তথ্য-উপাত্ত, যৌক্তিক বিশ্লেষণ এবং সঠিক উপস্থাপনার মাধ্যমে পাঠ্যপুস্তকের মানোন্নয়নে সহায়তা করছেন, তাদের প্রতি আমরা অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
মন্তব্য করুন


আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড.
আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, বিচার বিভাগ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
সংবিধান সংশোধন করা হবে কিনা প্রশ্নে
তিনি বলেন, এ বিষয়ে অনেক দাবি আছে। কিন্তু আমরা এখনো এ বিষয়ে কোনো জবাব দিতে পারব না।
এটা আমার এখতিয়ারাধীন বিষয় না। আমরা উপদেষ্টা পরিষদে এ বিষয়ে আলোচনা করব।
মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে কোনো
চেষ্টা করবেন কিনা, জানতে চাইলি তিনি বলেন, অবশ্যই চেষ্টা করব। একটা পুরোজাতির ভোটাধিকারকে
এমনভাবে প্রহসন করা! এ রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার মাধ্যমে সেই
অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বিচার বিভাগ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া
হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে
আইন মন্ত্রণালয়কে যে সহযোগিতা করতে হয়, সেটা আমরা সম্পন্ন করেছি। এরইমধ্যে প্রধান বিচারপতিসহ
আপিল বিভাগের বিচারপতিরা নিয়োগ পেয়েছেন।
আমরা এমন একজন প্রধান বিচারপতি পেয়েছি,
যিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া করেছেন। এখান থেকে আপনারা বুঝে নেবেন, আমরা
কীসের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। যোগ্যতা ও সততার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। আগে যারা প্রধান বিচারপতি
ছিলেন, তাদের সিভি, আর বর্তমান প্রধান বিচারপতির সিভি তুলনা করলে বুঝতে পারবেন, আমরা
কীসের ওপর জোর দিচ্ছি,’ যোগ করেন আইন উপদেষ্টা।
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার বিচার
না হলে জাতির কাছে আমরা দায়ী থাকব বলে মন্তব্য করেছেন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
সাগর-রুনি হত্যার বিচার গতি পাবে কিনা;
জানতে চাইলে, উপদেষ্টা বলেন, অবশ্যই, আপনারা রাজপথে থেকে আমাদের চাপে রাখবেন। এই বিচার
না হলে জাতির কাছে আমরা দায়ী থাকব। আমি বিশ্বাস করতে পারি না, এমন একটি নির্মম হত্যাকাণ্ড
নিয়ে কীভাবে প্রহসন করা হয়।
অর্থপাচারের দায়ে অভিযুক্তদের বিচারের
বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যেকোনো অপরাধের বিচার করার ইচ্ছা ও উদ্দেশ্য আমাদের আছে।
আমাদের দেশের ব্যাংক ও সম্পদ লুটপাট করে নিয়ে যাবে, এটা তো আমার-আপনার টাকা। সাবেক
সরকারের মন্ত্রীদের টাকা না। জনগণের টাকা যারা নিয়ে গেছেন, তাদের অর্থ ফেরত আনার ব্যবস্থা
করা ও বিচারের সম্মুখীন করার জন্য যতটুকু করা দরকার, অবশ্যই আমরা করব।
মন্তব্য করুন


সাংবাদিকদের
অধিকার প্রশ্নে সরকারের দায়িত্ব নিয়ে সমালোচনা করতে গিয়ে গণমাধ্যমের মালিকরা দায়িত্ব
এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন,
দায়িত্ব পালনে সরকারের ব্যর্থতা আছে, পাশাপাশি অন্য যাদের দায়িত্ব আছে কি দায়িত্ব পালন
করছে, এটাও বড় ব্যর্থতা। তাদের ব্যর্থতাও তুলে ধরা হবে। জুলাই-আগস্টে ছয়জন সাংবাদিক
নিহত হয়েছেন, তারা যেমন গুলিতে নিহত হয়েছেন।
আবার
বিরূপ পরিস্থিতিতে কাজ করার সময় এসব সাংবাদিকের কোনো প্রটেকটিভ ইক্যুইপমেন্ট দেওয়া
হয়নি।
আজ
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে জার্নালিস্ট সাপোর্ট
ডেস্ক হ্যান্ডওভার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল
আলম বলেন, যেসব সাংবাদিকরা সামনে থেকে সংবাদ সংগ্রহ করলেন, গুলির মধ্যে কাজ করলেন তাদের
একটি হেলমেট নেই, তাদের একটি প্রটেক্টিভ ভেস্ট ছিল না, টিয়ার গ্যাস থেকে রক্ষা পেতে
কোনো ব্যবস্থা ছিল না। আশ্চর্যের বিষয় হলো সংবাদপত্রের মালিকদের যে সংগঠন নোয়াব একজন
সাংবাদিকের নিরাপত্তা সামগ্রী দেন না।
কয়েকদিন
আগে অনেক বড় অনুষ্ঠান করেছেন। সেখানে তারা অনেক কথা বলেছেন। কিন্তু তারা কোনো সাংবাদিকের
নিরাপত্তা সামগ্রী নিয়ে কথা বলেননি। ছয়জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন তারা এটা কোনো বিবৃতি
দেননি। তারা তাদের কর্মী নিয়ে কোনো দায়িত্ব পালন করেননি।
ঐক্য
প্রশ্নে তিনি বলেন, কয়েকদিন পর আমি সাংবাদিকতায় ফিরতে চাই। আমিও মনে করি সব সাংবাদিকরা
ঐক্যবদ্ধ থাকুক। কিন্তু সেটা হতে হবে সবার জন্য। কয়েকজন লোকের জন্য সিলেক্টিভ ঐক্য
নয়।
সবার
জন্য ঐক্য থাকতে হবে। সাংবাদিক যখন যুদ্ধক্ষেত্রে যায় সবার কাছে থেকে সাপোর্ট চায়,
তার জন্য বিশেষ কোনো পরিস্থিতি থাকে না। তারা তাদের পাঠকের জন্য খবর সংগ্রহ করবে, খবর
সার্ভ করবে। সব এক রকম হতে পারে না। একজন সম্পাদককে অফিস থেকে টেনে হিছড়ে বের করে আনা
হবে তথ্য ঐক্যের কথা বলা হবে না, একটা বিবৃতি দেবো না, এটা হতে পারে না। ঐক্য তখনও
থাকতে হবে।
ফেডারেল
সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন বলেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় অন্য
কেউ যখন মাঠে দাঁড়াতে পারছিল না তখন সাংবাদিকরা মাঠে থেকেছে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের
পর সেই সাংবাদিকদের মূল্যায়ন করা হয়নি, জায়গামতো পদায়ন করা হয়নি। এর মাধ্যমে সাংবাদিকদের
সঠিক ব্যবহার করা হয়নি।
সরকারি একটি গণমাধ্যমে ফ্যাসিস্ট বসানো হয়েছে, এখনো বহাল। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ডিআরইউ নেতাদের সাক্ষাতের খবর রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমটিতে প্রকাশের অনুরোধ করা হলে ডিআরইউ নেতার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান এখনো এমন সাহস কোথায় থেকে পায়, তার জবাব চান ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের এ শীর্ষনেতা।
সিনিয়র
সাংবাদিক সোহরাব হাসান বলেন, এখন সাংবাদিক আক্রান্ত। সাংবাদিক আক্রান্ত হলে আর সাংবাদিকতা
থাকে না। এখন তাই হয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর দুই শতাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা
মামলা দেওয়া হয়েছে। অনেককে জেলে পাঠানো হয়েছে। কোনো সাংবাদিককে হত্যা মামলার আসামী
করে জেলে থাকবে এটা কোনোভাবে ভালো দেখায় না। কেউ সাংবাদিকতার নামে দালালি করলে তার
বিরুদ্ধে দালাল হিসেবে বিচার করা হোক, হত্যা মামলা নয়।
তিনি
সাংবাদিকদের ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, জুলাই পরবর্তী ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে
সাংবাদিকদের ইউনিটি ধরে রাখতে পারলেও প্রেসক্লাব ধরে রাখলে পারলো না। কাউকে বাদ দিল,
কারো সদস্য পদ স্থগিত করলো। প্রেসক্লাবের নির্বাচনটাও শেষ পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।
তিনি
বলেন, সরকার সফলতার সঙ্গে এবং দ্রুত অনেক তদন্ত সম্পন্ন করেছে, কিন্তু সাগর-রুনির তদন্ত
করতে পারলো না। শুরুতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, শেষ পর্যন্ত তা রক্ষা করতে পারেনি। আগের
সরকারের সময়ে বারবার তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। কী এমন হলো কেউ
প্রতিবেদন দিতে পারছে না। তদন্ত প্রতিবেদন না দিতে না পারলে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে
সরে যাওয়া হোক।
জুলাই
আন্দোলন পরবর্তী কোন কোন গণমাধ্যমের অফিস দখল করা হয়েছে, মহল বিশেষের চাপে সাংবাদিকদের
চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। কেন চাকরিচ্যুত করা হয়েছে সে কথাটিও বলা হয়নি। এগুলো সাংবাদিকের
নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলে বলে মন্তব্য করেন সোহরাব হাসান।
ডিআরইউ
সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, সাংবাদিকরা ঘরে, বাইরে এবং অফিসে নির্যাতন ও নিগ্রহের শিকার
হচ্ছে। বেতনের নিরাপত্তা না থাকার কারণে পকেটে টাকা থাকে না। এজন্য পরিবারে নির্যাতনের
শিকার হন। খবর সংগ্রহ করতে বাইরে গিয়ে গন্তব্যে পৌছতে না পেরে নিগ্রহের শিকার হন। আর
পকেটে টাকা না থাকার কারণে ভালো রিপোর্টটি না দিতে পেরে নিগ্রহের শিকার হন। শুধু আইনি
নিরাপত্তা নয়, সাংবাদিকের বেতন-ভাতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। যাতে ব্যক্তি, পরিবার,
সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
রাজনৈতিক
পালা বদলে সাংবাদিক হত্যা মামলায় দুই শতাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা নিয়ে
দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গে টেনে ডিআরইউ সভাপতি বলেন, এখন উষ্ণ পরিবেশে উষ্ণ দাবি তোলা
হচ্ছে। অতীতে ভিন্ন মত হওয়ার কারণে যখন ৭ নম্বর ক্রমিকের নয়া দিগন্ত পত্রিকা ৫৭ নম্বরে
নামিয়ে দেওয়া হয় তখন কোনো কথা উঠে না, এখন কথা উঠছে। আগেও এ ধরনের কথা উঠা দরকার ছিল।
ঢাকা
সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইইজে) সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, অতীতে যাদের নেতৃত্বে সাংবাদিকদের
নিয়ে কাজ করা হয়েছে, সাগর-রুনি হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন দাবি দাওয়া দিয়ে কর্মসূচি শুরু
হয়েছে তখন মনে করেছে সাংবাদিকদের স্বার্থ ও নিরাপত্তায় দাবি জানাতে থাকলে সরকার বিরক্ত
হবে। তাই কারা আন্দোলন-কর্মসূচি থেকে পিছিয়ে আসে। এজন্য সাগর-রুনির হত্যার বিচার করা
যায়নি। সাংবাদিকের অধিকার ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক
মাইনুল হাসান সোহেল।
অনুষ্ঠানে
আরও বক্তব্য রাখেন ক্র্যাব সাধারণ সম্পাদক এমএম বাদশাহ, ডিআরইউ এর সাবেক নারী বিষয়ক
সম্পাদক নাদিয়া শারমিনসহ ইউনিসেফের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে
ইউনিসেফের পক্ষ থেকে ডিআরইউকে জার্নালিস্ট হেল্প ডেস্ক হস্তান্তর করা হয়। পেশাগত দায়িত্ব
সম্পর্কিত যে কোনো আইনি সহায়তা দেবে এ হেল্প ডেস্ক। আইনি কোনো সহায়তা চেয়ে ডেস্কে ফোন
করার সঙ্গে এ হেল্প ডেস্ক যেখানে যে ধরনের সহায়তা প্রয়োজন সহায়তা দেবে।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বেতর (তারাবাড়ি) এলাকায় রংপুর এক্সপ্রেসের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে বন্ধ রয়েছে ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল।
২১ নভেম্বর মঙ্গলবার এ ঘটনাটি ঘটে ভোর ৪টা ৫৭ মিনিটে।
টাঙ্গাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ছালাম বলেন, উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভোরে বেতর এলাকায় পৌঁছালে একটি বগি লাইনচ্যুত হয়।
বগিটি যাত্রীদের মালামাল বহনকারী ছিল। এতে বন্ধ রয়েছে ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল। ঢাকা থেকে রওয়ানা দিয়েছে উদ্ধারকারী ট্রেন।
মন্তব্য করুন


সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছরে উন্নীতকরণ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
বুধবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব মো. সাজজাদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান চাকরিতে প্রবেশের বয়সীমা ৩৫ এবং অবসরের বয়সবৃদ্ধির দাবি জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আবেদন করেন।
আর তখন করা সেই আবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, এ বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিধির সম্পৃক্ততা থাকায় সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ
(সা.)-এর অনুপম জীবনাদর্শ, সর্বজনীন শিক্ষা ও সুন্নাহর অনুসরণ আজকের এ দ্বন্দ্ব-সংঘাতময়
বিশ্বে শান্তি, ন্যায় এবং কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারে। পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.)
উপলক্ষ্যে দেওয়া শুক্রবার এক বাণীতে তিনি বলেন, ধর্মীয় ও পার্থিব জীবনে মহানবী হযরত
মুহাম্মদ (সা.)-এর সুমহান আদর্শ ও সুন্নাহ বিশ্ববাসীর জন্য উৎকৃষ্টতম অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়
এবং এর মধ্যেই মুসলমানদের জন্য অফুরন্ত কল্যাণ, সফলতা ও শান্তি নিহিত রয়েছে।
বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব,
সর্বশেষ নবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের পবিত্র স্মৃতি বিজড়িত ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী
(সা.) সারাবিশ্বের মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত একটি দিন উল্লেখ করে
এ উপলক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ
জানান।
তিনি বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’ তথা সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমত। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁকে সমগ্র মানবজাতির হেদায়েত ও নাজাতের জন্য প্রেরণ করেছেন। নবী করিম (সা.) সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘হে নবী, আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য কেবল রহমতরূপে প্রেরণ করেছি’ (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত : ১০৭)।
হযরত মুহাম্মদ (সা.) দুনিয়ায় এসেছিলেন সিরাজাম মুনিরা অর্থাৎ আলোকোজ্জ্বল প্রদীপরূপে। সব ধরনের কুসংস্কার, অন্যায়, অবিচার, দাসত্ব ও পাপাচারের অন্ধকার থেকে মানুষকে মুক্তি ও আলোর পথ দেখাতে শান্তি, প্রগতি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে এসেছিলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আল্লাহর প্রতি অসীম আনুগত্য ও ভালোবাসা, অনুপম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, অপরিমেয় দয়া ও মহৎ গুণের জন্য পবিত্র কুরআনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনকে বলা হয়েছে ‘উসওয়াতুন হাসানাহ্’ অর্থাৎ সুন্দরতম আদর্শ। তিনি বিশ্ব মানবতার জন্য যে অনিন্দ্য সুন্দর অনুসরণীয় শিক্ষা ও আদর্শ রেখে গেছেন, তা প্রতিটি যুগ ও শতাব্দীর মানুষের জন্য মুক্তির দিশারী হিসেবে পথ দেখাবে। পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) সকলের মাঝে বয়ে আনুক অপার শান্তি ও সমৃদ্ধি এই কামনা করে তিনি বলেন, সমগ্র মুসলিম উম্মাহর ঐক্য আরো সুসংহত হোক। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুমহান জীবনাদর্শ লালন ও অনুসরণের মাধ্যমে আমাদের ইহকালীন ও পরকালীন জীবনের সার্বিক কল্যাণ ও মুক্তি সুনিশ্চিত হোক - এ কামনা করি। আমিন।
মন্তব্য করুন


আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
জুলাই সনদ স্বাক্ষরকে সামনে রেখে গত বুধবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে এ কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, নির্বাচন আয়োজন ও জুলাই সনদকে আলাদা কোনো বিষয় হিসেবে দেখা যায় না। আমাদের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী অটল থাকতে হবে। নির্বাচনকে একটি উৎসবের মতো আয়োজন করতে যা যা প্রয়োজন, আমরা তা করব। এ বিষয়ে কোনো আপস হবে না। রাজনৈতিক দলের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা যেভাবে সবাই মিলে সনদ প্রস্তুত করেছেন, সরকারের দায়িত্ব হলো সবাই মিলে তা উৎসবমুখর নির্বাচনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা।
সনদ ও নির্বাচনকে পৃথক কোনো বিষয় নয় বলে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, উত্তরণের পথ কী হবে, সেটি নিয়ে প্রশ্ন ছিল। সেই উত্তরও জুলাই সনদে সংযুক্ত রয়েছে। এই উত্তরকে কাজে লাগিয়ে সন্তোষজনকভাবে উত্তরণ করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলো যেভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেই অনুযায়ী রূপান্তরটি ঘটবে। আমরা চেষ্টা করব, আপনারা যা পরিশ্রম করে রচনা করছেন, আমরা তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ফলাফল দেখাতে পারি। নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা এই রূপান্তর নিশ্চিত করব। আশা করছি, আগামী শুক্রবার এই আশা আমরা সমগ্র জাতির সামনে উপস্থাপন করতে পারব।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, যে অসম্ভবকে আপনারা সম্ভব করেছেন, তা কেবল বাংলাদেশের ইতিহাসে নয়, পৃথিবীর রাজনৈতিক ব্যবস্থার ইতিহাসেও উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন


রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী ১ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সাড়ে ৩ ঘণ্টা করে বন্ধ থাকবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে।
এসময় বন্ধ থাকবে ফ্লাইট ওঠানামা।
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, রানওয়েতে আইএলএস ক্যাটাগরি-২ সংক্রান্ত রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী ১ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত ১৪ দিন রাত ১টা থেকে ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত রানওয়ে বন্ধ থাকবে। এই মেরামতকালীন সময়ে বিমানবন্দরের সব ফ্লাইটের অবতরণ ও উড্ডয়ন কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।
বিমানবন্দরের ফ্লাইট অপারেশনের নিয়মমাফিক কাজের মধ্যে একটি রানওয়ে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের অংশ হিসেবে রানওয়ে সেন্টারলাইন লাইটস, টাচ ডাউন জোন লাইটস, ইন্টলেশন অব স্টপওয়ে লাইটিং সিস্টেম ফর রানওয়ে-১৪ এবং ৩২ এর কাজ করা হবে। এতে রানওয়ের কার্যক্রম ও ফ্লাইট অপারেশন সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। সংশ্লিষ্ট সব এয়ারলাইনস ও সংস্থাকে জানাতে ইতোমধ্যে নোটাম জারি করা হয়েছে।
এই মেরামতকালীন সময়ে বিমানবন্দরের সব ফ্লাইটের অবতরণ ও উড্ডয়ন কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত থাকায় ফ্লাইট সূচিতে পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এ সংক্রান্ত সব এয়ারলাইনস ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
যাত্রীদেরকে তাদের স্ব স্ব ফ্লাইট সম্পর্কে অগ্রিম জানাতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসকে ও যাত্রীদের তাদের ফ্লাইট সূচি পুনরায় নিশ্চিত হওয়ার জন্য বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ পরামর্শ দিচ্ছে। প্রয়োজনে বিমানবন্দর কল সেন্টার ১৩৬০০ তে কল করতে পারবেন যাত্রীরা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সর্বদা বদ্ধপরিকর।
মন্তব্য করুন