

ঢাকা
মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের রোববার (২২ জুন) দুপুর ১২টার মধ্যে
হল ত্যাগের নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
আজ
শনিবার (২১ জুন) একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল
কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো
হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলেজের
চলমান অচলাবস্থা নিরসনের লক্ষ্যে আগামীকাল (রোববার) থেকে কলেজের এমবিবিএস ছাত্র-ছাত্রীদের
একাডেমিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হলো। ছাত্র-ছাত্রীদের আগামীকাল
দুপুর ১২টার মধ্যে হোস্টেল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের পেশাগত এমবিবিএস
পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী এবং বিদেশি শিক্ষার্থীরাও এর আওতামুক্ত থাকবে।
উল্লেখ্য,
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের আবাসিক ও একাডেমিক ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার
প্রতিবাদে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
পার্টিকে আওয়ামী লীগের সহযোগী দল আখ্যা দিয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট
২০২৬-এ দলটির অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
রাজশাহী জেলার সাবেক সমন্বয়ক মো. নাহিদুল ইসলাম সাজু।
তিনি
বলেন, জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। রাজশাহীতে জাতীয় পার্টি
নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে এখানে কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।
বুধবার
(২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৫০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত রাজশাহী জেলা প্রশাসকের
সম্মেলন কক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান চলাকালে এ
উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় রাজশাহী-০৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে জাতীয় পার্টির
মনোনীত প্রার্থী মো. আফজাল হোসেনের প্রতীক বরাদ্দের প্রতিবাদ জানান নাহিদুল ইসলাম সাজু।
প্রতীক
বরাদ্দ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, রাজশাহীতে যদি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো সহযোগী বা
দোসরকে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়, তাহলে জেলা প্রশাসক কার্যালয় ঘেরাও করা হবে
এবং রাজশাহীতে কোনো জাতীয় নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।
তার
এ বক্তব্যের পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা
আফিয়া আখতার তাকে লিখিত অভিযোগ দাখিল করার পরামর্শ দেন। তিনি জানান, অভিযোগ নির্বাচন
কমিশনে পাঠানো হবে এবং কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপর
নাহিদুল ইসলাম সাজু জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার বরাবর একটি
স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে
বলা হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ তৎকালীন স্বৈরাচারী
শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং
তাদের নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, যা গভীর উদ্বেগজনক। এসব ব্যক্তি ও দল অতীতে
গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে প্রত্যক্ষ
ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা পালন করেছে।
এতে
আরও বলা হয়, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত
করতে হলে স্বৈরাচার ও তার দোসরদের রাজনৈতিকভাবে প্রত্যাখ্যান করা জরুরি। সংবিধান, নির্বাচন
কমিশনের বিধিমালা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের
নির্বাচনে অংশগ্রহণ জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিসমূহ
হলো—
১.
আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল
ব্যক্তি ও দলের মনোনয়নপত্র ও প্রতীক বরাদ্দ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
২.
যেসব প্রার্থী অতীতে অবৈধ নির্বাচন, ভোট কারচুপি ও দমনপীড়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের
প্রার্থিতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৩.
নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ও সাহসী ভূমিকা
নিশ্চিত করতে হবে।
মন্তব্য করুন


আজ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৬০তম জন্মদিন। তিনি ১৯৬৫ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন।
তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী দলের নেতাকর্মীরা জাঁকালো অনুষ্ঠান উদযাপনের পরিকল্পনা করলেও এবার দলের পক্ষ থেকে তা না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
১১ নভেম্বর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে দলের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের জন্মদিন উদযাপন না করার জন্য বলা হয়েছে। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা ওই বিবৃতিতে সংগঠনের সব ইউনিটের নেতাকর্মীদের জানানো হয়, তারেক রহমানের জন্মদিন নিয়ে কোনো অনুষ্ঠান হবে না। এর ব্যত্যয় হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়।
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন


ন্যায় ও ইনসাফের নতুন বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে সাধারণ একজন নাগরিক অপরাধের জন্য যেই শাস্তি পাবে প্রেসিডেন্টও অপরাধ করলে একই শাস্তি পাবে। বিচারের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অপরাধ বিবেচ্য বিষয় হবে। অপরাধ করলে কেউ ছাড় পাবে না। তিনি বলেন, ‘‘জামায়াত ক্ষমতায় গেলে প্রতি ৬ মাস পরপর জনপ্রতিনিধিদের জনগণের মুখোমুখি হতে হবে’’। বিগত ৬ মাসে জনগণের জন্য কী কী কাজ করেছে এবং পরবর্তী ৬ মাসে জনগণের জন্য কী কী কাজ করবে তার হিসাব জনগণকে দিতে হবে। জনগণের টাকায় দেশ চললে অবশ্যই জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জনপ্রতিনিধির নামে জনগণকে শোষণ করার দিন শেষ। জনপ্রতিনিধিদের শাসক নয় সেবক হতে হবে। দেশের সব নদী, খাল-বিল রক্ষায় জনপ্রতিনিধিদের বছরে ৪ বার নদী ও খাল-বিলে গোসল করানো হবে। কোনো এমপি, মেয়র, কমিশনার, চেয়ারম্যান বা মেম্বার ক্ষমতার প্রভাবে নদী, খাল-বিল দখল করতে পারবে না এবং ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করতে হবে না। যদি করে তাকে ময়লার ভাগাড়েই গোসল করতে হবে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-৪ ও ৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের কবল থেকে জাতিকে মুক্ত করতে যাত্রাবাড়ী অঞ্চলের মানুষ সর্বোচ্চ ত্যাগ শিকার করেছে। এই অঞ্চল শহীদের রক্তে রঞ্জিত। এই অঞ্চলের দায় রাষ্ট্রকেই শোধ করতে হবে। ঢাকা-৪ ও ৫ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা নিজ-নিজ এলাকার যেই সমস্যাগুলো তুলে ধরেছে জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে সকল সমস্যা গুলো সমাধান করা হবে।
কওমী মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে আমীরে জামায়াত বলেন, কওমী মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রতিটি সরকার চরম অবহেলা করেছে। কওমী মাদ্রাসার সিনিয়র লেভেলের সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হলেও নিচের দিকের কোনো সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। কেউ তাদের স্বীকৃতি না দিলেও জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে কওমী মাদ্রাসার সর্বস্তরের সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হবে। শিক্ষা ব্যবস্থায় বাংলা ভাষার পাশাপাশি আরবি ও ইংরেজি ভাষার উপর গুরত্বারোপ করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সারাবিশ্বে আমাদের আগামী প্রজন্ম দক্ষতার স্বাক্ষর রাখতে হবে। জামায়াতে ইসলামী সেই সুযোগ সৃষ্টি করবে। যুবকদের বেকার ভাতার নয় দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়ে তোলা হবে উল্লেখ করে আমীরে জামায়াত বলেন, বেকারত্ব জাতির অভিশাপ। যারা জাতিকে নিয়ে ভাবে না, জাতির জন্য যাদের পরিকল্পনা নেই; তারাই যুবকদের বেকার ভাতার দেওয়ার ঘোষণা দেয়। জামায়াতে ইসলামী যুবসমাজকে দক্ষ জাতি হিসেবে গড়ে তুলবে।
আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘‘পরিবারের মতোই দেশকে নারী-পুরুষের সমন্বয়ে গড়ে তুলতে হবে’’। বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতিতে সমানভাবে নারীরা অংশগ্রহনের সুযোগ পাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে, ‘‘নারী সমাজের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় মহিলাদের জন্য বড় শহরে ইভেনিং বাস সার্ভিস চালু করা হবে’’। নারী সমাজের অধিকার, স্বাধীনতা, মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্রীয়ভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা কোনভাবেই মেনে নেওয়া হবে না, সহ্য করা হবে না। তিনি আরও বলেন, আমরা ফ্যাসিবাদের ছায়ামুক্ত বাংলাদেশ চাই, আধিপাত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ চাই। যারা জনগণের মুখের ভাষা বুঝতে পারে না, জনগণ তাদেরকে ১২ ফেব্রুয়ারি সেটি বুঝিয়ে দিবে। নতুনরূপে কোনো ফ্যাসিবাদ জনগণ মেনে নেবে না। দেশের জনগণের অর্থে কেনা অস্ত্রে জনগণের বুকে আর গুলি চালানোর দৃশ্য দেখতে চাই না।
যারা চাঁদাবাজি নামক নতুন পেশা চালু করেছে তাদের উদ্দেশ্যে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে আমরা কোনো মায়ের সন্তানকে চাঁদাবাজ হতে দেবো না। চাঁদাবাজরা যদি তাওবা করে সরল পথে ফিরে আসে তাদের জন্যও আমরা কর্মের ব্যবস্থা করবো। তাদের আমরা বলবো যেই যেই ব্যবসায়ী থেকে চাঁদা নিয়েছিলে তাদের টাকা ফেরত দিয়ে আসো। চাঁদাবাজরা চাঁদা ফেরত দিয়ে আসলে রাষ্ট্র তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। একটি সুখি-সমৃদ্ধ মানবিক বাংলাদেশ গড়তে সমাজের অপরাধ দমনের জন্য যা যা করণীয় তার সব কিছু করা হবে। চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করতে বিশেষ অ্যাপস চালু হবে। সেই অ্যাপসের তথ্যের আলোকে চাঁদাবাজ মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। পরিশেষে তিনি উপস্থিত জনসাধারণকে জুলাই সনদের বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেনম, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি- ‘না’ মানে গোলামী।
১১ দলীয় জোট সমর্থিত ঢাকা-৫ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ঢাকা-৫ আসনে জলাবদ্ধতায় মানুষ নিদারুণ কষ্ট ভোগ করছে। এই এলাকাকে ময়লার ভাগাড় করে রাখা হয়েছে। বিগত সময়ে এই এলাকায় উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি। এখানকার দুটি জুটমিল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে বন্ধ থাকা জুটমিল দুটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া সহ মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। আমীরে জামায়াতের নির্দেশনার আলোকে জামায়াতের কোনো এমপি শাসক হবে না সেবক হবে। ভোগবিলাসের জন্য জনপ্রতিনিধি না হওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যত্যয় করে মোহাম্মদ কামাল হোসেন, ঢাকা-৫ সংসদীয় এলাকাকে নতুনরূপে গড়ে তুলতে তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চান।
১১ দলীয় জোট সমর্থিত ঢাকা-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকা হচ্ছে অবহেলিত এলাকা। আগামীতে জনগণ জামায়াতে ইসলামীকে নির্বাচিত করলে ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকাকে আধুনিক ঢাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, এই এলাকায় খেলাধুলার জন্য কোনো মাঠ নেই যার ফলে যুব সমাজ খেলাধুলার পরিবর্তে মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। যুবসমাজের খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের জন্য এই এলাকায় একটি খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে। এখানে কোনো সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র নেই, সড়কের বেহাল দশা, ড্রেনেজ ব্যবস্থার দূরবস্থা, গ্যাস সংকট নিত্যদিনের সঙ্গী। জনগণের যাবতীয় সমস্যা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধান করাই তার মূল লক্ষ্য বলে তিনি উপস্থিত জনসাধারণকে জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুর রব, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, ঢাকা-৫ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন, ঢাকা-৪ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মুফতি মুখলেসুর রহমান কাসেমী, জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য এবং জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক মোকাররম হোসাইন খান, জাকসু জিএস মাজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-৫ আসন কমিটির পরিচালক আব্দুস সালাম, ঢাকা-৪ আসন কমিটির পরিচালক ও কদমতলী থানা আমীর আব্দুর রহিম জীবন।
যাত্রাবাড়ী মধ্য থানা আমীর এডভোকেট এ.কে আজাদের পরিচালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন জুলাই আন্দোলনের শহীদ আসলামের বোন শারমিন, এনসিপির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার, খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি মুফতি সানাউল্লাহ আমিনী, নেজামে ইসলাম পার্টি যাত্রাবাড়ী থানা সভাপতি মাওলানা ওহিদুজ্জামান, খেলাফত আন্দোলন যাত্রাবাড়ী থানা সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা লুৎফুর রহমান, ঢাকা-৫ আসন কমিটির সহকারী পরিচালক ও যাত্রাবাড়ী পূর্ব থানা আমীর মো. শাহজাহান খান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি মো. হেলাল উদ্দীন রুবেল, ঢাকা-৫ আসন কমিটির সদস্য সচিব ও ডেমরা মধ্য থানা আমীর মোহাম্মদ আলী, ঢাকা-৪ আসন কমিটির সদস্য সচিব ও কদমতলী মধ্য থানা আমীর মো. মহিউদ্দীন, যাত্রাবাড়ী উত্তর থানা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা জাকির হোসেন, শ্যামপুর থানা আমীর ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দীন, কদমতলী দক্ষিণ থানা আমীর ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান, শ্যামপুর পশ্চিম থানা আমীর মাওলানা আব্দুর রব ফারুকী, যাত্রাবাড়ী থানা আমীর মাওলানা সাদিক বিল্লাহ, ডেমরা উত্তর থানা আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, যাত্রাবাড়ী-কোনাপাড়া থানা আমীর মো. আখতারুজ্জামান চয়ন, যাত্রাবাড়ী পশ্চিম থানা আমীর মাওলানা আবুল হোসাইন, ডেমরা দক্ষিণ থানা আমীর মির্জা মো. হেলাল, ডেমরা পশ্চিম থানা আমীর মাওলানা মো. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের সকল থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে জননেতা আব্দুস সবুর ফকির বলেন, যাত্রবাড়ী শহীদের রক্তে রর্জিত এক ভূমি। আওয়ামী ফ্যাসিস্ট পালিয়ে যাওয়ার পরও যাত্রাবাড়ীতে সন্ধ্যা পর্যন্ত গুলি চালানো হয়েছে। গুলি শেষ না হওয়া পর্যন্ত জনগণের বুকে গুলি চালানো হয়েছে। ফ্যাসিবাদের কবল থেকে জাতিকে মুক্ত করতে যাত্রাবাড়ী এলাকার জনগণের ত্যাগ সর্বোচ্চ। এই ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই এলাকাকে নতুনরূপে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, যাদের সামজের কল্যাণে রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচি নাই তারাই এখনো একাত্তরের পরে আছে। জনগণের কল্যাণে কর্মসূচি না থাকলে আওয়ামী লীগের মতোই দেশ থেকে বিদায়ী নিতে হতে পারে উল্লেখ করে তিনি সকল দলকে জনগণের কল্যাণে জাতির স্বার্থে রাজনীতি করার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ও প্রজ্ঞাকে মূল্যবান সম্পদ হিসেবে দেখে দেশ।
অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এ মন্তব্য করেছেন।
উপদেষ্টা
তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে দেওয়া পোস্টে বলেন, 'সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া
দেশের গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার প্রশ্নে এক আপোসহীন ও সর্বজন
শ্রদ্ধেয় নেতৃত্ব। এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে তার
সংগ্রাম, সাহসী ভূমিকা আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।' তিনি আরও বলেন,
'দেশ তাঁর নেতৃত্ব ও প্রজ্ঞাকে মূল্যবান সম্পদ হিসেবে দেখে। আমরা তাকে হারাতে চাই না।
গণতান্ত্রিক ধারার অভিভাবকসুলভ এই নেত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দ্রুত আরোগ্যের জন্য দেশবাসীর
দোয়া কামনা করছি।'
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সহায়তা করার জন্য আজ বুধবার (০৩ ডিসেম্বর ) সকালে
যুক্তরাজ্যের এক চিকিৎসক ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন।
ডা.
রিচার্ড বিলি নামে ওই চিকিৎসক সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সকাল ১০টা
৩৫ মিনিটে তিনি হাসপাতালের চতুর্থ তলায় করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) প্রবেশ করেন,
যেখানে খালেদা জিয়া চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালের একটি ঊর্ধ্বতন সূত্র জানিয়েছে, পরিদর্শনকারী
চিকিৎসক তার সর্বশেষ মেডিকেল রিপোর্ট পরীক্ষা করবেন এবং তার চিকিৎসার পরবর্তী পদক্ষেপ
সম্পর্কে তাদের মূল্যায়ন দেওয়ার আগে মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে পরামর্শ করবেন।
সকাল
সাড়ে ১০টার দিকে খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা
রহমান সিথিও হাসপাতালে পৌঁছে সরাসরি সিসিইউতে যান।
হাসপাতালের
কর্মকর্তারা জানান, চীন থেকে একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল আজ সন্ধ্যার পরে পৌঁছাবে বলে
আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত
বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এ বছরের স্বাধীনতা
পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার
(৫ মার্চ) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। সচিবালয়ে
অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ
সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
মন্ত্রিপরিষদ
সচিব জানান, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের জন্য সাবেক
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়েছে।
এ
ছাড়া মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিলকে
(মরণোত্তর) পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
পুরস্কারপ্রাপ্ত
অন্যদের মধ্যে রয়েছেন- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, চিকিৎসাবিদ্যায়
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে এ
কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু),
পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)।
এ
ছাড়া সমাজসেবা ও জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), এসওএস চিলড্রেন্স ভিলেজ
ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, সাইদুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং মাহেরীন চৌধুরীকে
(মরণোত্তর) পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
জনপ্রশাসনে
পিএইচডি কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক
ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার
(মুকিত মজুমদার বাবু) স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন।
স্বাধীনতা
পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। জাতীয় জীবনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ
প্রতিবছর সরকার এই পুরস্কার প্রদান করে থাকে।
মন্তব্য করুন


স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, আওয়ামী লীগ শাসনামলে দমনপীড়নের মধ্যেও যারা ন্যূনতম সাংবাদিকতার চেষ্টা করতেন, তাদের ওপরও নেমে আসত নির্যাতনের খড়গ।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘প্রশ্ন নয়, প্রশংসা করতে এসেছি’ এই ছিল হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের ধরন। এই দমনপীড়নের মধ্যেও যারা ন্যূনতম সাংবাদিকতার চেষ্টা করতেন, তাদের ওপর নেমে আসত নির্যাতনের খড়গ। যেসব কারণে জুলাই অনিবার্য হয়ে উঠেছিল, তার মধ্যে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়াও ছিল অন্যতম।
পোস্টে আরো বলা হয়, শিল্পী দেবাশিস চক্রবর্তী জুলাই প্রিলিউড সিরিজের ৯ ও ১০ নম্বর পোস্টার এঁকেছেন গণমাধ্যমের স্বাধীনতাহীনতা ও চাটুকারিতাকে থিম করে।
জুলাই ২০২৪-এর অন্যতম যোদ্ধা এই শিল্পী সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে ‘জুলাই পুনর্জাগরণ’ অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে এসব পোস্টার ডিজাইন করছেন। এসব পোস্টারে ফুটে উঠেছে জুলাই কেন অনিবার্য হয়ে উঠেছিল এবং সেই সময়ে কী ঘটেছিল।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, শিল্পী দেবাশিস চক্রবর্তীর আঁকা দশটি পোস্টারে ফুটে উঠেছে কেন জুলাই অনিবার্য হয়ে উঠেছিল এবং জুলাইয়ে কী ঘটেছিল। ‘আমার চাওয়ার কিছু নেই। আমি আসছি মানুষকে দিতে’ মুখে এমন কথা বললেও স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা ফেনা তুললেও ভেতরের চিত্র কী ছিল, তা এখন উন্মোচিত। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় লাগামহীন ও অবিশ্বাস্য মাত্রার লুটপাট আওয়ামী লীগ আমলের এক বড় নির্দেশক।’
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ আরো লিখেছেন, শিল্পী দেবাশিস চক্রবর্তী জুলাই প্রিলিউড সিরিজের ৫ থেকে ৮ নম্বর পোস্টার এঁকেছেন এই লুটপাটকে থিম করে। জুলাই ২০২৪-এর অন্যতম যোদ্ধা শিল্পী দেবাশিস চক্রবর্তী সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে ‘জুলাই কোমেমোরেশন’ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে এসব পোস্টার ডিজাইন করছেন। শুরুতে দশটি পোস্টার ধারাবাহিকভাবে প্রকাশের পরিকল্পনা থাকলেও সবার অনুরোধ ও অনুপ্রেরণায় তিনি পোস্টারের সংখ্যা বাড়াতে সম্মত হয়েছেন। এসব পোস্টারে ফুটে উঠছে জুলাই অনিবার্য হয়ে ওঠার কারণ এবং যা ঘটেছিল জুলাইয়ে।
(সূত্র- বাসস)
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় পুলিশের গুলিতে
আহত রকিবুল সরদার (৩০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) ভোর ৬টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু
হয়।
নিহত রকিবুল মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার আলীনগর এলাকার দক্ষিণ কামাইপুর
গ্রামের কালু সরদারের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও এলাকা সূত্রে জানা গেছে, রকিবুলের পরিবারে স্ত্রী,
২ মেয়ে, বাবা, ৩ ভাই ও ১ বোন রয়েছে। তিনি ঢাকার উত্তর বাড্ডায় একটি ফার্নিচারের দোকানে
কাজ করতেন। দরিদ্র পরিবারের মাত্র ভরসা ছিলেন তিনি। তার উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল ছিল
পুরো পরিবার।
গত ২০ জুলাই বিকালে উত্তর বাড্ডা এলাকায় ছাত্র-জনতার একটি মিছিল বের
হলে আ. লীগের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ মিছিল দেখতে বাসা থেকে রকিবুল
রাস্তায় বের হয়। এসময় দুই পক্ষের মিছিলের মাঝখানে পড়ে যান তিনি। তখন হঠাৎ পুলিশের একটি
ছোড়াগুলি রকিবুলের পেটের সামনে দিয়ে ঢুকে পিছন দিয়ে বের হয়ে যায়। মুহূর্তেই মাটিতে
লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। আজ মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের স্ত্রী শাবনুর বেগম বলেন, আমার স্বামীর ওপর নির্ভরশীল ছিল আমাদের
সংসার। এখন আমাদের সংসার কে চালাবে। আমাদের সব শেষ হয়ে গেল। একটি গুলিতে সব স্বপ্ন
আজ মিথ্যা হয়ে গেল। এখন আমরা কীভাবে বাঁচবো।
নিহতের মামা এইচ এম মশিউর রহমান বলেন, রকিবুল ঢাকায় সোপা কাপড় সেলাইয়ের
কাজ করে তার সংসার চালাতো। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের ধাওয়া পালটা ধাওয়ার মধ্যে
থেকে একটি গুলি এসে লেগে রকিবুলকে শেষ করে দিল। তার সংসারে বাতি আজ নিভে গেল।
মন্তব্য করুন


আন্তঃশিক্ষা বোর্ড ২০২৪ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সীমা ঘোষণা করেছে । অনলাইনে ফরম পূরণ কার্যক্রম শুরু হবে আগামী ১৬ এপ্রিল। জরিমানা ছাড়া ফরম পূরণ চলবে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার(২১ মার্চ) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড থেকে ফরম পূরণ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিলম্ব ফিসহ ফরম পূরণ করা যাবে ২৯ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত। পরীক্ষা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ৩০ জুন।
ফরম পূরণের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান শাখার পরীক্ষার্থীদের জন্য ২৬৮০ টাকা, মানবিক এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ২১২০ টাকা করে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আগামী ৩১ মার্চের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আজ (২৪ সেপ্টেম্বর) ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও চট্টগ্রাম এরিয়া পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান চট্টগ্রাম সেনানিবাসে কর্মরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে দরবার নেন এবং দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। অতঃপর তিনি আর্মি মেডিকেল কলেজের একটি বহুতল ভবনের নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শনসহ বৃক্ষরোপণ করেন। পরে তিনি সকল পদবির সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে 'অফিসার্স অ্যাড্রেস' গ্রহণ করেন। এসময় তিনি তাঁর মূল্যবান বক্তব্যের শুরুতেই শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন এর মৃত্যুতে মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তিনি বলেন, দেশমাতৃকার সেবায় তরুণ সাহসী এই সেনা কর্মকর্তার আত্মত্যাগ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাঁর জন্য গর্বিত। এরপর সকলের উদ্দেশ্যে দেশের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর আলোকপাত করে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং যৌথ বাহিনীর অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি বিচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশ ও জনগণের আস্থার প্রতীক। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলমান বিভিন্ন গুজব সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ প্রদানের পাশাপাশি সততা, সত্যনিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়ণতার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।
পরবর্তীতে সেনাবাহিনী প্রধান পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি রিজিয়নের নানিয়ারচর জোন সদর পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, সাধারণ জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদানসহ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা প্রদান করেন। দুর্গম পাহাড়ি সেনা ক্যাম্পে সেনাবাহিনী প্রধানের আগমন পার্বত্য চট্টগ্রামে মোতায়েনরত সেনাসদস্য এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মনোবল উঁচু করেছে। এছাড়াও তিনি পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসনের পদস্থ অসামরিক কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় করেন।
এসময় জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া, সেনাসদরের চিফ কনসালটেন্ট জেনারেল, অ্যাডহক সিএসসি'সহ সেনাসদর ও চট্টগ্রাম এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার ও অন্যান্য পদবির সৈনিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন