

কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বারের ধামতী ইউনিয়নে নানা পন্থায় ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মিঠুর ক্রয় করা বসত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সাবেক এমপির কর্মীদের বিরুদ্ধে। বসতজমির কলাগাছ কেটে নেয়া, বসতঘর কুপিয়ে ঘরের বাসিন্দাদের মারধর-মালামাল লুট, আবার সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করে আওয়ামী দোসর বানিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে বির্তকিত করে তার ক্রয় করা জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনদের বিরুদ্ধে।
ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মিঠুর ছোট ভাই মোঃ সোহরাব হোসেন জানান, আমার বড় ভাই ধামতী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিগত ২০২২ সালের ২২ জুন দুয়ারিয়া এলাকায় ৫২ শতক জায়গা হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনের কাছ থেকে কেনার জন্য বায়নাপত্র করে এবং সম্পত্তির মূল্য বাবদ ৪৩ লক্ষ টাকার চেক তাদের প্রদান করেন। তারা পরে টাকা বুঝে নিয়ে আমাদেরকে জায়গা ভোগ দখল বুঝাইয়া দিলে আমরা গত দুই বছর যাবৎ উক্ত সম্পত্তি ভোগ দখল করে সেখানে কলার বাগান করি। আমরা বহুবার তাদেরকে সম্পত্তিটি রেজিস্ট্রি করে দিতে বললেও মকবুল হোসেন প্রবাসে থাকার বাহানা দিয়া ‘অদ্যবধি তারা আমার ভাইয়ের নামে উক্ত সম্পত্তিটি রেজিস্ট্রি করে দেয়নি। চলতি বছরে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পরেই তারা বেপরোয়া হয়ে উঠে। তারা এমপি আবুল কালাম আজাদের অনুসারি ছিলেন। ৫ ফেব্রুয়ারি আমাদের বায়না করা ৫২ শতক জমির ৫ পাঁচ শতাধিক কলা গাছ কেটে নিয়ে জমির চারপাশে তার কাটা বেড়া দিয়ে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনের নেতৃত্বে আলামিন বাশার ও আলামিনসহ অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা । পরে মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হলে কিছুদিন তারা চুপচাপ থাকে। এছাড়া আমরা এই বিষয়ে থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি।
সোহরাব আরো জানান, পরবর্তীতে ১৫ অক্টোবর বিকেল ৫ টায় আমাদের জমিতে নির্মিত দুটি ঘরে বসবাসরত মো: জুয়েল (১৮) ও মো: হোসাইনকে (১৮)মারধর করে দুটি ঘর ভাংচুর করে মালামাল লুট করে নেয় হুমায়ুন কবির বাহিনী। এ ঘটনায় আমি বাদি হয়ে দেবিদ্বার থানায় ৭ জনের উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের করি। এ ঘটনায়ও জড়িত ছিলেন ধামতী ইউনিয়নের দুয়ারিয়া গ্রামের মো: বাচ্চু মিয়ার ৩ ছেলে মো: হুমায়ুন কবির, মকবুল হোসেন ও মহসিন, মৃত. খোরশেদ মিয়ার ছেলে এছাড়া আবু বকর ও আবু সাইদ, হোসেন মেম্বারের ছেলে আল আমিন ও মো: খলিল, জসিমের ছেলে মো: রিফাত এবং শাহ জালালের ছেলে মো: সিয়াম প্রমুখ। হামলা–ভাংচুর করেও জায়গা দখল করতে না পেরে ১৪ নভেম্বর আমার ভাইকে আওয়ামী দোসর বানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে হুমায়ুন কবির বাহিনী। আমরা তো বসতজমি দখল করিনি, জমিটি ক্রয় করেছি।
স্থানীয় একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন মিঠু আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ সমর্থিত আওয়ামী নেতাকর্মীদের রোষানলে পড়েন তিনি। চলতি বছরের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজাদ এমপি হওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদে নিজ কার্যালয়েও তিনি যেতে পারতেন না এমপি আজাদ সমর্থিত নেতাকর্মীদের হুমকির কারণে। এরপরই চেয়ারম্যান মিঠুর লোকজনকে একাধিকবার মারধর করা হয়। সম্প্রতি তার বসতজমিটিও দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। মহিউদ্দিন মিঠু দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য চেয়ারম্যান । বর্তমানে মহিউদ্দিন মিঠু চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে হুমায়ুন কবিরের মুঠোফোনে কল দিলে মুঠোফোন সংযোগে তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ইন্সপেক্টর শাহীন ইসলাম জানান, আমি এ বিষয়ে তেমন কিছু জানি না। ওসি স্যার ছুটিতে আছেন। তিনি হয়তো এ বিষয়ে বলতে পারবেন।
দেবিদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শুভ জানান, মিঠু সাহেবের বসতজমিতে হামলার পর আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলেছি। পরিবেশ যাতে ঘোলাটে না হয় সে জন্য সর্তক করা হয়েছে।আর বসতজমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বস্ত্র ও পাট এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সপ্তাহখানেক আগেও
কুমিল্লায় ত্রাণ দিয়েছি। আজ জরুরি ওষুধ যা বন্যা পরবর্তী সময় দরকার হয় ও একদল বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসক নিয়ে এসেছি। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। দ্রুত বন্যায় ক্ষয়-ক্ষতির নিরূপণ
ও বন্যা দুর্গতদের পুনর্বাসনে কাজ করছে অন্তর্বর্তী সরকার। ক্ষতির পরিমাণ দেখে বন্যায়
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করা হবে
শনিবার (৩১ আগস্ট) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
উপজেলা ও বুড়িচং উপজেলায় বন্যার্তদের জরুরি চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণের পর এসব কথা
বলেন তিনি। এসময় শিশু ও গণস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও এইচ অ্যান্ড এইচ ফাউন্ডেশনের হেলথ কেয়ার
প্রজেক্ট কনসালটেন্ট ডা. রেহানা খানমের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রতিনিধি দল বন্যায়
অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে
আহত হয়ে কুমিল্লার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ৬ জনের চিকিৎসার
খোঁজ-খবর নিলেন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। পরে বন্যার কারণে অসুস্থদের পরিদর্শন ও
চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।
বস্ত্র ও পাট এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেনের নিজ উদ্যোগ ও এইচ অ্যান্ড এইচ ফাউন্ডেশন, পিএসও, এস এস
গ্রুপের ও অন্যান্য সংগঠনের সহায়তায় প্রায় ৭০ হাজার ওষুধ এবং ১০০০ প্যাকেট শিশুখাদ্য
বিতরণ করা হয়েছে, এর মধ্যে পাউডার দুধ, চকোলেট, ম্যাংগো বার,বিস্কুট, চিপস, চানাচুর
ইত্যাদি প্রদান করা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম সেনা
ক্যাম্পের লে. কর্নেল মাহমুদুল হাসান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রহমতুল্লাহ, সার্কেল
এএসপি জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহেদা বেগমসহ সেনাবাহিনীর অন্যান্য কর্মকর্তা
ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


গণতন্ত্রের
অগ্রযাত্রায় অসামান্য অবদানের জন্য ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’
সম্মাননা পেলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়ার পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ
করেন তার নাতনি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
আজ
রবিবার (৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে
‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৬’ আয়োজন করা হয়।
আন্তর্জাতিক
নারী দিবসের এ অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন রাষ্ট্রপতি মো.
সাহাবুদ্দিন।
অন্যান্য
বছরের মতো এবারও পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচজন নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’
হিসেবে পুরস্কৃত করা হলো। ১. গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’
খালেদা জিয়া, ২. অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী নুরুন নাহার আক্তার, ৩.
শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী মোছা. ববিতা খাতুন, ৪. সফল জননী নুরবানু
কবীর, ৫. নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী মোছা. শমলা বেগম এবং
৬. সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন।
এ
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ‘শত অত্যাচারে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন অদম্য ও অবিচল।
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন
বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে
রাজধানী ঢাকার রাস্তাঘাটে আছড়ে পড়েছে অগণিত
জনতার ঢেউ। মানিক মিয়া
অ্যাভিনিউ রূপ নিয়েছে জনসমুদ্রে।যতদূর
চোখ যায়, চারদিকে শুধু
মানুষ আর মানুষ।
জাতীয়
সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের দক্ষিণ
প্লাজায় খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে সকাল
থেকেই সমবেত হতে থাকেন শোকাহত
মানুষেরা।
মানিক
মিয়া অ্যাভিনিউ ঘুরে দ্য ডেইলি
স্টারের সংবাদদাতা জানান, দিনের শুরুতেই মানুষের সারি তৈরি হতে
থাকে এবং সময় গড়ানোর
সঙ্গে সঙ্গে তা আরও দীর্ঘ
হয়।
ধানমন্ডি
৩২ নম্বর এলাকা থেকে শোকাহত মানুষের
লাইন আসাদ গেট পেরিয়ে
কারওয়ান বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। প্রধান সড়কের
সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি রাস্তা ও গলিপথে মানুষ
ধৈর্যের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অনেকের হাতে ছিল দলীয়
পতাকা ও প্ল্যাকার্ড, আবার
অনেকেই নীরবে দোয়া করছিলেন।
জনসমাগম
কেবল সড়কেই সীমাবদ্ধ ছিল না। বিভিন্ন
এলাকায় মানুষকে উড়াল সড়কের ওপর
এবং আশপাশের ভবনের ছাদে দাঁড়িয়ে জানাজার
কার্যক্রম একনজর দেখার চেষ্টা করতে দেখা যায়।
বিএনপি
সমর্থকদের পাশাপাশি কোনো রাজনৈতিক দলের
সঙ্গে যুক্ত নন, এমন সাধারণ
নাগরিকদেরও পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, যা
খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের ব্যাপক প্রভাবের প্রতিফলন। বয়স্ক মানুষ, নারী ও তরুণ—সব বয়সের মানুষই
উপস্থিত ছিলেন; অনেককেই শেষ শ্রদ্ধা জানাতে
ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা
করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত দেখা
যায়।
এই অভূতপূর্ব জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও চলাচল স্বাভাবিক
রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন
করা হয়। আশপাশের সড়কে
যান চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। বিশৃঙ্খলা
এড়াতে কর্তৃপক্ষ সবাইকে শান্ত থাকার এবং নির্দেশনা মেনে
চলার আহ্বান জানায়।
অনেক
শোকাহত মানুষ খালেদা জিয়াকে দেশের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাস গড়ে দেওয়া এক
প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন।আসাদ গেটের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা
এক ব্যক্তি বলেন, 'খালেদা জিয়া শুধু একটি
দলের নেত্রী ছিলেন না, তিনি ছিলেন
এ দেশের সব মানুষের নেত্রী।'
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাঁচ দিনের মাথায় সরকার গঠন করছে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
আজ
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার
সদস্যদের শপথ পাঠ অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন
রাষ্ট্রপতি।
ধর্ম
বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ।
মঙ্গলবার
গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপি ও সচিবালয়ের ঘনিষ্ঠ এক সূত্র।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে যত টিম আছে, তার মধ্যে পুলিশ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিম বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ সোমবার (১৭ মার্চ) মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে খুব বেশি সময় নেই। আমরা ইতোমধ্যে সাত মাস পার করে এসেছি। আমরা বলছি, ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। কাজেই কী কী সংস্কার করতে চাই করে ফেলতে হবে।
পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনারাও সংস্কারের কথা বলেছেন। কারও জন্য অপেক্ষা করে কোনো ফায়দা হবে না। কাজটা করতে হবে এবং সেটা আমাদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, দেশ বদলাতে হলে একক নির্দেশে নয়, বরং সবাইকে নিয়ে এক একটি টিম হয়ে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশে যত টিম আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিম হলো পুলিশ। সরকার যা কিছুই করতে চায়, শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাত দিয়েই করতে হয়। তারা সব করে দেয় না, তারা পরিবশেটা সৃষ্টি করে। যে পরিবেশটা না থাকলে কোনো কাজই আর হয় না। পুলিশের কথা প্রসঙ্গে বারবার আমরা দুটো শব্দ বলছি- আইনশৃঙ্খলা। পুলিশের হাতেই এটাকে এক্সিকিউট করতে হবে। এই পরিবেশ সৃষ্টি করা না গেলে সরকার, গণতান্ত্রিক অধিকার, মানুষের অধিকার, নাগরিকের অধিকার- কিছুই থাকে না। আমরা পুলিশকে অবহেলা করে দেশ গড়তে পারব না। তারাই সম্মুখসারির মানুষ। তারা ক্ষেত্র প্রস্তুত করলেই বাকি জিনিসগুলো হয়। আইনশৃঙ্খলা না থাকলে যত বড় বড় চিন্তাই হোক, যত টাকাই থাকুক, কোনো কাজে আসবে না।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, পুলিশ হবে বন্ধু। কারণ, আমি আইনের পক্ষের মানুষ। আমি আইন প্রতিষ্ঠা করার মানুষ। আইন হলো আমাদের সবার আশ্রয়। পুলিশ হলো আশ্রয়দাতা। আমরা এই ইমেজটা যদি প্রতিষ্ঠিত করতে পারি, মানুষ অতীতের সব কথা ভুলে যাবে।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রসচিব নাসিমুল গনি ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ ও রাজশাহী পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম। এ সময় আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সাম্প্রতিক
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত
করেছেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম। একইসঙ্গে তিনি গণতন্ত্র,
আইনের শাসন এবং মানবাধিকার রক্ষায় সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
ব্রিটিশ
পার্লামেন্টে ‘বাংলাদেশ ইলেকশন: হোয়াট নেক্সট?’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় হাইকমিশনার
আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার গণতান্ত্রিক নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক
সংস্কারের ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতি গঠনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
আজ
বুধবার ( ২৫ ফেব্রুয়ারি ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, কমনওয়েলথ
পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) আয়োজিত আলোচনা সভাটি গতকাল (মঙ্গলবার) ব্রিটিশ
পার্লামেন্টের কমিটি রুমে অনুষ্ঠিত হয়। এটি প্যানেল আলোচনায় সঞ্চালনা ও সভাপতিত্ব করেন
ব্রিটিশ এমপি আপসানা বেগম।
আলোচনায়
বিশিষ্ট বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ বিষয়ক বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস
উইন্টারটন, চ্যাথাম হাউজের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র রিসার্চ ফেলো সিতেজ বাজপেয়ী এবং
ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (আইডিএস) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো সোহেলা নাজনীন।
অনুষ্ঠানে লেবার পার্টির সাবেক নেতা জেরেমি করবিন, এমপি রূপা হক এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক
ও মানবাধিকার কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
আবিদা
ইসলাম বলেন, সরকার সকল বাংলাদেশির জীবনমান উন্নয়নে অর্থবহ পরিবর্তন আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও জানান, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এবং ‘জুলাই সনদে’-এর
সংস্কার প্রস্তাবগুলোর মধ্যে বেশকিছু উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে।
নতুন
সরকারের অর্থনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরে হাইকমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অর্থনৈতিক
ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে একটি আধুনিক রাষ্ট্র গড়ার স্বপ্ন দেখেন। বর্তমান সরকারের
লক্ষ্য হল বাংলাদেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করা। তিনি ‘ফ্যামিলি
কার্ড’ বাস্তবায়ন প্রকল্পকে সামাজিক অন্তর্ভুক্তির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
হিসেবে উল্লেখ করেন, যা নারীর ক্ষমতায়ন ও অধিকার নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পররাষ্ট্রনীতির
বিষয়ে আবিদা ইসলাম বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির মূল দর্শন হল সার্বভৌমত্ব ও
জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাকে অগ্রাধিকার
দেওয়া।
বাংলাদেশের
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান ব্যারোনেস উইন্টারটন।
একই সঙ্গে বাণিজ্য সহযোগিতা সম্প্রসারণে যুক্তরাজ্যের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। নিজের বাংলাদেশ সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে যুক্তরাজ্যের
বাংলাদেশ বিষয়ক এই বাণিজ্য দূত বলেন, স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় থাকলে বাংলাদেশের
প্রবৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশ
থেকে যুক্তরাজ্যে পাচার হওয়া সম্পদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উইন্টারটন জানান, পাচারকৃত
অর্থ ফেরত আনা বা আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়ে ব্রিটিশ সরকার সহযোগিতা করছে। আলোচনা শেষে
সিতেজ বাজপেয়ী তার পর্যবেক্ষণে বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় জাতীয়
নির্বাচনে বিএনপির বিজয় প্রত্যাশিতই ছিল।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা গেলে
২০২৬ সালে রমজান শুরু হওয়ার আগের সপ্তাহে দেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
আজ
শুক্রবার (১৩ জুন) যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় (বাংলাদেশ
সময় বেলা ২টা) বৈঠকটি শুরু হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ৩টা) বৈঠক
শেষ হয়। বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বাংলাদেশ
সময় বিকেল ৪ টার দিকে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা যৌথ সংবাদ সম্মেলন করে যৌথ বিবৃতি দেন।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস
সচিব শফিকুল আলম, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিএনপি
নেতা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন
অনুষ্ঠানের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার এই অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন তারেক রহমান।
যৌথ
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অধ্যাপক ড. ইউনূস ও তারেক
রহমানের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টার কাছে আগামী বছরের
রমজানের আগে নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তাব করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, তিনি আগামী বছরের এপ্রিলের প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচন
অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছেন। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা গেলে ২০২৬ সালের রমজান শুরু হওয়ার
আগের সপ্তাহেও নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেই সময়ের মধ্যে সংস্কার
ও বিচারের বিষয়ে পর্যাপ্ত অগ্রগতি অর্জন করা প্রয়োজন হবে।
বৈঠকে
ফলপ্রসূ আলোচনা হওয়ায় প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান।
মন্তব্য করুন


প্রতি বছরের ন্যায় এবারো মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষার টান দুই বাংলার ভাষাপ্রেমীদের মিলনমেলা বসে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট নো-ম্যান্সল্যান্ড এলাকায়।
বুধবার সকালে এ মেলার আয়োজন করা হয়। এসময় দু'দেশের শতশত ভাষাপ্রেমী মানুষ বিজিবি ও বিএসএফের বাধার মুখে প্রবেশ করতে পারেনি।
বেনাপোল চেকপাস্ট নো-ম্যান্সল্যান্ডে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ বেদীতে সকাল সাড়ে ১১টায় ভারত ও বাংলাদশ ভাষাপ্রমী শতশত মানুষ ফুল দিয়ে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
দু'দেশের পক্ষ নেতৃত্ব দেন পশ্চিমবঙ্গ বনগাঁও অঞ্চলের এমএলএ শ্রী নারায়ন গোস্বামী ও যশোর-১ আসনর সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন।
ভারতের পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান, পশ্চিমবঙ্গ বনগাঁও অঞ্চলর এমএলএ শ্রী নারায়ন গোস্বামী, শ্রী বীনা মন্ডল সভপতি উত্তর ২৪ পরগঁনা জেলা পরিষদ, সাবেক এমপি মমতা ঠাকুর, শ্রীমতি ইলাবাচী সভাপতি গাইঘাটা পঞ্চায়ত সমিতি, শ্রী সুরজীত বিশ্বাস সাবেক বিধায়ক, শ্রী বিশ্বজিত দাস সাবেক সাংসদ, হাবড়া পৌর মেয়র শ্রী নারায়ন সাহা।
বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জানান, যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযাদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয়ন কুমার রাজবংশী, শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি ফারজানা ইসলাম, বেনাপোল পৌর মেয়র আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন, অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল, বেনাপাল পোর্ট থানার ওসি শ্রী সুমন ভক্ত, ইমিগ্রেশন ওসি কামরুজ্জামান বিশ্বাস, শার্শা থানার ওসি মনিরুজ্জামান, শার্শা উপজেলা বীর মুক্তিযাদ্ধা কামান্ডার মাজাফ্ফর হোসেন, বিজিবির আইসিপি ক্যাম্পর কামান্ডার মিজানুর রহমান, যুবলীগের সভাপতি অহেদুজ্জামান অহিদ এবং সাধারণ সম্পাদক সাহরাব হোসেন।
এছাড়াও সর্বস্তরের জনগণ এতে অংশ নেন।
এরপর দুই দেশের জনগণের জন্য উভয় দেশ থেকে মিষ্টি পাঠানা হয়।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে দেশের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসে জাতীয় ঐক্য গড়ার আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। এ ছাড়াও দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণার আহ্বানও জানিয়েছে দলটি।
আজ বুধবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তখন তিনি এসব কথা জানান।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, চলমান সংকট নিরসনে এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। আমাদের সমানে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য বিশেষ করে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তাদের প্রতিহতের জন্য আমাদের অবশ্যই জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে বসে বিএনপির ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল।
প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় বৈঠকে অংশ নেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ ও ড. খন্দকার মোশাররফ।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন
পর্যবেক্ষণের সময় শতভাগ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রতি
আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।
তিনি
বলেন, যারা মাঠপর্যায়ে কাজ করবেন, অনুগ্রহ করে তারা শতভাগ নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করবেন।
একই সঙ্গে আপনাদের পক্ষে যারা কাজ করবেন তাদেরকেও এ কথা জানিয়ে দেবেন। নির্বাচন কমিশনের
একটাই এজেন্ডা-আর তা হল জাতিকে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া। তাই
সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করা সকলের জাতীয় দায়িত্ব।
আজ
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর ) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৪০টি পর্যবেক্ষক
সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপ চলাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান
নির্বাচন কমিশনার স্বচ্ছতার সঙ্গে সকলকে রিপোর্ট করার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন,
নির্বাচনে কমিশনের নিজস্ব সুপারভাইজারি মেকানিজম থাকবে, অফিশিয়াল মেকানিজম থাকবে। কিন্তু
আপনাদের চোখ দিয়েও আমরা এই নির্বাচনকে দেখতে চাই। যারা মাঠপর্যায়ে কাজ করবেন, তারা
নির্বাচন সংক্রান্ত কাজগুলো স্বচ্ছভাবে হচ্ছে কিনা এবং আচরণ বিধিমালা ও আইনগুলো সঠিকভাবে
পালন করা হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে আমাদের জানাবেন।
সিইসি
বলেন, যাদেরকে নিয়োগ করবেন তারা যাতে দলীয় প্রচার-প্রচারণা করে কাউকে প্রভাবিত করতে
না পারেন, সে বিষয়টা খেয়াল করবেন। মনে রাখবেন, তাদের দায়িত্ব হবে পর্যবেক্ষণ করা; নির্বাচনে
হস্তক্ষেপ করা নয়।
তিনি
বলেন, আপনাদেরকে সহযোগী হিসেবে পেতে চাই। আমরা জাতিকে ওয়াদা দিয়েছি একটি সুষ্ঠু, সুন্দর
এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার। কিন্তু এটা ইলেকশন কমিশনের একার পক্ষে সম্ভব
নয়। অতীতের ভুলভ্রান্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।
নির্বাচনের
প্রতিটি স্তরে পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা থাকবে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, প্রচারকালীন পরিস্থিতি,
কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা বা প্রিজাইডিং অফিসার ও পুলিশের দায়িত্ব পালন এবং ভোটারদের কেন্দ্রে
আসতে বাধা দেওয়া হচ্ছে কিনা-ইত্যাদি সম্পর্কে তারা রিপোর্ট দেবেন। তবে সেটি হতে হবে
শতভাগ সত্যনির্ভর। কেননা এই রিপোর্টের ওপরই অনেক কিছু নির্ভর করবে।
এএমএম
নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি বিচ্যুতি থাকলে তাও সংশোধন
করা হবে। এ বিষয়েও আপনারা সুপারিশ দিতে পারবেন। আমরা স্বচ্ছতার সঙ্গে ভোটারবান্ধব পরিবেশে
নির্বাচনের আয়োজন করতে চাই।
সংলাপে
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, আব্দুর রহমানেল
মাছউদ, তাহমিদা আহমেদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদসহ কমিশনের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন