

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন,দেশের তরুণদের ভাগ্য উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে উদ্যোক্তা উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং যুব ঋণ নীতিমালাকে যুগোপযোগী করা হচ্ছে।
আজ শনিবার (৯ আগস্ট) নাটোর সদর উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম সরাসরি ও ১০টি জেলার ১৩টি উপজেলার মিনি স্টেডিয়াম ভার্চুয়ালি উদ্বোধনের পর জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, তরুণদের নেতৃত্বেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। দেশের তরুণদের বেকারত্ব দূর করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে বিশ্বমানের এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তিসহ আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা ও একটি টেকসই ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে একটি টাস্কফোর্সও গঠিত হয়েছে। সারা দেশে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড়শটি উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি উপজেলাগুলোতেও মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ সম্পন্ন করা হবে।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে বিকেন্দ্রীকরণ নীতিমালা বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব স্টেডিয়ামের পরিচর্যা করতে হবে। স্টেডিয়ামগুলো যেন বিভিন্ন ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে বছরব্যাপী সচল থাকে। এক্ষেত্রে ক্রীড়া সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও সফলতা বয়ে আনা সম্ভব। মিনি স্টেডিয়ামগুলোতে তিনতলা বিশিষ্ট প্যাভিলিয়ন ভবন এবং পাঁচ ধাপ বিশিষ্ট তিনটি সাধারণ গ্যালারি রয়েছে। পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা আলাদা টয়লেট ব্লকও রয়েছে।
নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীনের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম এবং নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইফতে খায়ের আলম।
উপদেষ্টা দুপুর ১টায় নাটোর সার্কিট হাউসে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন।
মন্তব্য করুন


আগামীতে আইনকানুন এবং সংস্কারের মাধ্যমে
নির্বাচনে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
তিনি বলেছেন, নির্বাচনে কেউ জিতলে পরাজিত
বা অন্যরা আর সন্দেহ করবে না। ভাববে না যে, কলকাঠি নেড়ে কাউকে জিতিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আজ শনিবার (ফেব্রুয়ারি ১৫) রাজধানীর
ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে তিনি এসব কথা
বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নতুন বাংলাদেশ
মানে নতুন নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার গঠন হবে তার ব্যাপারে কেউ প্রশ্ন
তুলবে না। সেটার ব্যাপারে আইনকানুন সবার জানা থাকবে, এটা নড়চড় করার উপায় কারো থাকবে
না। আইনকানুন বানানোর পরে সেটা নড়চড় করার সুযোগ থাকবে না সেজন্যই এত বড় কমিশন করতে
হয়েছে। এই যে আইনকানুন, নীতিমালা বানিয়ে দেব। একবার বানিয়ে দিলে তারপর থেকে চলতে থাকবে।
একটা ট্র্যান্সপারেন্ট খেলা হবে। খেলায় জিতলে কেউ সন্দেহ করবে না যে কেউ জিতিয়ে দিয়েছে।
এতো ট্রান্সপারেন্ট যে, কেউ সন্দেহ করবে না।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, এখন
যে খেলা চলছে, ঠিকমতো জিতলেও সন্দেহ করে। বলে কিছু একটা কলকাঠি নেড়ে করেছে। এই কলকাঠি
নাড়ার বিষয়টি আমাদের মনের ভেতর গেঁথে গেছে। কলকাঠি ছাড়া যে দেশ একটা নিয়মে চলতে পারে
সেটা আমরা ভুলে গেছি।
সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি
বলেন, এটা সবার স্বপ্ন। এই স্বপ্ন আমরা এমন মজবুতভাবে বানাব যা সবাই মেনে চলবে। এই
মেনে চলার মাধ্যমে আমরা একটা সুন্দর সমাজ, সুন্দর রাষ্ট্র উপহার দিতে পারব। সেই উদ্দেশ্যেই
আজকের সভা।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রচণ্ড
সুযোগ এখন। সুযোগ এজন্যই যে, আমাদের মধ্যে ঐকমত্য সৃষ্টি হলে আমরা সেগুলো কাজে লাগাতে
পারি এমন পর্যায়ে আছি আমরা। একবার কাজে লাগালে সেটা বংশ, প্রজন্ম ও পরম্পরায় সেটা চলতে
থাকবে। একটা সুন্দর দেশ আমরা পাব। এই ভাবনা থেকেই আমরা এগুলো গ্রহণ করব।
অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন অধ্যায় শুরু
হয়েছে মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ছয় মাসে প্রথম ইনিংস
বা প্রথম অধ্যায় শেষ হয়েছে। আজ রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হলো।
আলোচনাটা কত সুন্দর হবে, কত মসৃণ হবে সেটা আপনাদের ওপর নির্ভর করবে। আমাদের পক্ষ থেকে
আমরা সুপারিশগুলো উপস্থাপন করবো। কমিশনের সদস্যরা এখানে রয়েছেন এগুলো ব্যাখ্যা করার
জন্য, চাপিয়ে দেওয়ার জন্য না। চাপানোর ক্ষমতা আমাদের নাই। আমরা শুধু আপনাদের বোঝানোর
জন্য।
সংস্কার বাস্তবায়ন সবার দায়িত্ব উল্লেখ
করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আপনাদের সহযোগিতা চাই এটা বলব। কারণ, এটা
আপনাদের কাজ। এটা আমার কাজ না, একার কাজ না। যেহেতু আপনারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন
আপনাদের বলতে হবে সমাজের কল্যাণে কোন কোন জিনিস করতে হবে, কীভাবে করতে হবে। যেটা এক্ষুণি
করা যাবে বলবেন। যেটা এক্ষুণি করা দরকার, সামান্য রদবদল থাকলে সেটা করে দেন। আমরা শুধু
সাচিবিক কাজগুলো আপনাদের করে দিলাম। আমরা একটা লন্ডভন্ড অবস্থার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব
নিয়েছি। চেষ্টা করেছি এটাকে কোনোরকমে সফল করতে। এই ৬ মাসের যে অভিজ্ঞতা সেটা আমাদের
সবাইকে প্রচণ্ড সাহস দেবে। এই ৬ মাসের অভিজ্ঞতা হলো, দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ,
রাজনৈতিক ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃত্বসহ সবাই সমর্থন দিয়েছে এই অন্তর্বর্তী সরকারকে।
কাজেই আমরা প্রথম পর্বের পর দ্বিতীয় পর্বে এলাম। ২য় পর্বে যেন আমরা আনন্দের সঙ্গে,
খুশি মনে সম্পন্ন করতে পারি।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, শিশুরাই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার। বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে শিশুদের সুন্দর বিকাশের জন্য গুরুত্ব প্রদান করা আমাদের সবার দায়িত্ব।
সোমবার (৭ অক্টোবর) ‘বিশ্ব শিশু দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে উপযুক্ত পরিবেশ, শিক্ষা, নিরাপত্তা, পুষ্টি ও সুস্থ বিনোদনের বিকল্প নেই। শিশুরা স্নেহ, মমতা ও মুক্তচিন্তার চেতনায় সমৃদ্ধ হয়ে বেড়ে উঠলে আগামী দিনের বাংলাদেশ গঠনে তারা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আজকের শিশুরাই আগামীর শিল্পী, সাহিত্যিক, দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, বিজ্ঞানী, চিকিৎসক ও প্রকৌশলীসহ নানা পেশায় দক্ষ হয়ে উঠবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার শিশুর প্রতি বঞ্চনা, শিশুশ্রম, অপুষ্টি ও বাল্যবিয়েসহ অন্যান্য সমস্যা যা শিশুর সঠিক বিকাশের অন্তরায়, সেসব চিহ্নিত করে সমাধান করতে বদ্ধপরিকর।
‘বিশ্ব শিশু দিবস ২০২৪' উদযাপনে নেওয়া কর্মসূচি শিশুর সার্বিক বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শিশু নিরাপদ ও নিবিড় স্নেহ যত্নে বেড়ে উঠুক- আজকের দিনে এটাই আমার প্রত্যাশা।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশে “বিশ্ব শিশু দিবস ২০২৪” উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শিশুকে স্নেহ ও ভালোবাসা জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের ঊষালগ্নে বিশ্ব শিশু দিবস পালনের গুরুত্ব নতুন মাত্রায় উপনীত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী।
আজ
বুধবার (৭ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এ-সংক্রান্ত পরিপত্র থেকে বিষয়টি
জানা গেছে।
পরিপত্রে
বলা হয়েছে, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। নিয়োজিত থাকবে ১৪
ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, মোট সাতদিন।
এছাড়া
মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে প্রতি ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৫–১৬
জন। গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১৭–১৮ জন। মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রতি সাধারণ
ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৬ জন। গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) ভোটকেন্দ্রে
থাকবে ১৭ জন।
দুর্গম
ও বিশেষ এলাকায় সাধারণ ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৬–১৭
জন। আর গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে থাকবে ১৭ থেকে ১৮ জন।
ইসি
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৫ জানুয়ারি
থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে।
প্রার্থিতা
প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা
প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি।
প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
মন্তব্য করুন


রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) জানা যাবে আরবি ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র শবে বরাতের তারিখ। পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখার জন্য আগামীকাল জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে।
শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপি এই সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেলে সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) থেকে গণনা শুরু হবে শাবান মাসের। সেক্ষেত্রে শবে বরাত পালিত হবে ২৫ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাতে। চাঁদ দেখা না গেলে মঙ্গলবার রজব মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে, ১৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে শাবান মাস। এক্ষেত্রে শবে বরাত পালিত হবে ২৬ মার্চ দিনগত রাতে।
মন্তব্য করুন


নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখ নির্বাচন আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর
সদস্যদেরকে দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০২৫
উপলক্ষে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তোরণে
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। একটি নির্বিঘ্ন
ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে
দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।’
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের
সকল শহীদ, যুদ্ধাহত এবং অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করেন এবং ২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট
মাসে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সকল শহীদ, আহত এবং অংশগ্রহণকারী সর্বস্তরের জনগণের প্রতিও
শ্রদ্ধা জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্ম ১৯৭১ সালে
রণক্ষেত্রে। সেসময় ২১ নভেম্বর সেনাবাহিনীর সাথে নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে পাকিস্তানি
বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়েছিল বলে ২১ নভেম্বরকে মুক্তিযুদ্ধের একটি মাইলফলক হিসেবে গৌরবের
সাথে পালন করা হয়। তবে মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর সংগ্রামের সূচনা ঘটে ২৫শে মার্চের
রাত থেকেই। আমরা যদি বিজয় অর্জন না করতাম তাহলে এই বীর সেনাদের মৃত্যুদন্ড ছিল অনিবার্য,
অসহনীয় হয়ে যেত তাঁদের পরিবারের সকল সদস্যের জীবন।
ড. ইউনূস আরও বলেন, মুক্তিকামী সেনা, নৌ ও বিমান
বাহিনীর অকুতোভয় বীর সেনানীরা জীবনের পরোয়া না করে, পরিবারের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা
না করে এদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তারাই এদেশের আপামর জনসাধারণকে সাহস
জুগিয়েছেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জল-স্থল ও আকাশপথে সম্মিলিতভাবে
প্রতিরোধ গড়ে তুলে দেশমাতৃকাকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে এনেছেন। যুদ্ধ বেগবান
ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে তখন বাংলাদেশ ফোর্সেস গঠন করা হয়েছিল। যার অধীনে ১১টি সেক্টরে
দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে আসা মুক্তিযোদ্ধাদের সামরিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি গেরিলা প্রশিক্ষণ
দেওয়া হয়।
এরই চূড়ান্ত রূপ আমরা দেখি ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর
সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর সম্মিলিত অভিযানে। পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে
এই যৌথ অভিযানই ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের চুড়ান্ত বিজয়
এনে দিয়েছিল।
তিনি উল্লেখ করেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র
বাহিনীর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
ড. ইউনূস বলেন, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষাসহ
জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনী সবসময় জনগণের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে এবং
২০২৪ এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও চলমান দেশ পুনর্গঠনের কাজে সশস্ত্র বাহিনী মানুষের
পাশে দাঁড়িয়ে আস্থার প্রতিদান দিয়েছে। তিনি গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক নেতৃত্বের প্রতি
অনুগত থেকে বাহিনীর পেশাগত দক্ষতা ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে এই ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন থাকবে
বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, একটি শান্তি প্রিয় জাতি হিসেবে আমরা সকল
বন্ধু রাষ্ট্রের সাথে সম্মানজনক সহাবস্থানে বিশ্বাসী। তথাপি, যেকোন আগ্রাসী বহিঃশত্রুর
আক্রমন থেকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আমাদেরকে সদা প্রস্তুত এবং সংকল্পবদ্ধ থাকতে
হবে। এ লক্ষ্যে আমাদের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং উন্নত
বিশে¡র সাথে তাল মিলিয়ে বাহিনীগুলোতে যুগোপযোগী প্রযুক্তি সংযোজনের প্রয়াস অব্যাহত
রয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, বিগত ৩৭ বছরে জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা ৪৩ টি দেশে ৬৩ টি মিশন সম্পন্ন করেছে এবং বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ১০টি মিশনে অংশগ্রহণকারী রয়েছে। তিনি বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের সাফল্যের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা যাতে বিশ্বের চ্যালেঞ্জিং ও বিপদজনক অঞ্চল সমূহে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারে সেজন্য তাদের সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রাপ্তির চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
(সূত্র- বাসস)
মন্তব্য করুন


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রেসিডেন্ট ও ডা. জুবাইদা রহমানকে ভাইস প্রেসিডেন্ট করে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) এর বোর্ড অব ডাইরেক্টরস কমিটি গঠন করা হয়।
আজ বুধবার (১৩ নভেম্বর) বিএনপির ফেসবুক পেইজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) গঠনতন্ত্র মোতাবেক কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির পরিবর্তে নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি বোর্ড অব ডাইরেক্টরস কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির
তালিকা-
• তারেক রহমান (প্রেসিডেন্ট)
• ডা. জুবাইদা রহমান (ভাইস প্রেসিডেন্ট)
• অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর
• অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান ডাইরেক্টর (এডমিন)
• অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম ডাইরেক্টর (ফাইন্যান্স)
• ডা. সৈয়দা তাজনীন ওয়ারিস সিমকী ডাইরেক্টর (প্ল্যানিং)
ডাইরেক্টর
(প্রোগ্রাম)
• ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ
• ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন
• প্রকৌশলী মো. মাহবুব আলম
• কৃষিবিদ ড. খন্দকার মাহফুজুল হক বাচ্চু
• অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান
• অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী
• আমিরুল ইসলাম কাগজী
ডাইরেক্টর
• ব্যারিস্টার জাইমা রহমান
• অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম
• কৃষিবিদ আনোয়ারুননবী মজুমদার বাবলা
• কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম
• ব্যারিস্টার মীর হেলাল
• অধ্যাপক ড. শেখ মনির উদ্দিন
• প্রকৌশলী একেএম জহিরুল ইসলাম
• কৃষিবিদ শফিউল আলম দিদার
• প্রকৌশলী উমাশা উমায়ন মনি চৌধুরী
• সাংবাদিক হাফিজ আল আসাদ সাঈদ খান।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম বলেছেন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে দেশের ইতিহাসে
সবচাইতে ভালো নির্বাচন। গণঅভ্যুত্থানের মুল উদ্দেশ্য হচ্ছে- বাংলাদেশে যাতে গণতন্ত্র
ফিরে আসে। এজন্য একটি ফ্রি এন্ড ফেয়ার নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সবধরনের
পদক্ষেপ নিয়েছে।
আজ শনিবার (২৮ জুন) বিকেলে খুলনা জেলা
প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে খুলনার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শফিকুল আলম এসব কথা
বলেন।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, খুলনার
দিকে বর্তমান সরকারের যথেষ্ট দৃষ্টি রয়েছে। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে এর ফলাফল দেখা যাচ্ছে
না। তবে, আগামীতে ভালো ফলাফল দেখা যাবে। বিগত আওয়ামী সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে
গেছে। যে কারণে খুলনার জুট ও চিংড়ি সেক্টরে প্রত্যাশিত গ্রোথ হয়নি। বরং জুট মিলগুলো
যেভাবে বন্ধ করেছে তা নিয়েও অনেক প্রশ্ন রয়েছে। তবে, খুলনায় একাধিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। বর্তমান সরকার খুলনার একটিসহ দেশের তিনটি জুট মিলের
স্কুল সরকারি করেছে। দেশের প্রত্যেকটা জুট মিলের স্কুল সরকারি করা হবে বলেও তিনি জানান।
মোংলা বন্দর কেন্দ্রিক একটি ইকোনমিক
জোন গড়ে তোলার জন্য কাজ চলছে উল্লেখ করে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, এজন্য প্রাইভেট
সেক্টরকে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যেই প্রধান উপদেষ্টা চীন সফরকালে এ
বিষয়ে তাদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
আগামী দশক খুলনার জন্য গ্রোথের দশক
হবে উল্লেখ করে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, খুলনা আবার ঘুরে দাঁড়াবে, পুরনো গৌরব ফিরে
পাবে।
খুলনা অঞ্চলের উপকূলের বেড়িবাঁধ রক্ষা
এবং ভবদহ নিয়েও সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, সাতক্ষীরার
শ্যামনগর ও গাবুরায় স্থাপনকৃত সুপেয় পানির প্রজেক্ট বাড়িয়ে সকল উপকূলীয় এলাকায় চালুর
উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া ক্ষতিগ্রস্তদের
জন্যও একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
খুলনা অঞ্চলে পাইপ লাইনে গ্যাস সরবরাহ
না থাকা সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, গ্যাস ছাড়াও অনেক
কারখানা পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে খুলনায় জুতা এবং ব্যাটারি সেক্টর অনেক সম্ভাবনা
তৈরি করেছে। সুতরাং গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে দক্ষ শ্রমিক দিয়ে কিভাবে কর্মসংস্থান
বৃদ্ধি করা যায় সরকার সেদিকে জোর দিচ্ছে।
দ্রুততম সময়ের মধ্যে সার্চ কমিটির মাধ্যমে
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ভিসি নিয়োগ দিয়ে সমস্যার সমাধানের
উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
খুলনাসহ দেশের সার্বিক আইনশৃংখলা পরিস্থিতির
উন্নতির কথা উল্লেখ করে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, যারা ক্রাইম করবে তাদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো
টলারেন্স রয়েছে।
শফিকুল আলম সরকারের মৌলিক সংস্কারের
প্রসংগ উল্লেখ করে বলেন, প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে সংস্কারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ফিরে এসেছে।
একই সঙ্গে সুশাসনও প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ।
মন্তব্য করুন


মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর থেকে ৫০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিলসহ ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার (১৫ জানুয়ারি) মধ্যরাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুজিবনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী স্বাধীনতা সড়কে অভিযান পরিচালনা করে আটক করা হয় তাদের।
আটকৃতরা হলো: মুজিবনগর উপজেলার গৌরীনগর গ্রামের দারিয়াপুর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে মো. মাসুদ রানা (৩৫) ও একই উপজেলার সাজিবুর রহমানের স্ত্রী মোছা. কোহিনুর (৪৫)।
ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) উত্তম কুমার বলেন, ফেনসিডিল পাচার হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ২ জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মুজিবনগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর কদমতলী এলাকা
থেকে হত্যা মামলায় সুজন (২৪) ও মো. বশির (৫৫) নামে পলাতক ২ আসামিকে গ্রেফতার করেছে
র্যাব-১০।
৭ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১০ এর অধিনায়ক এডিশনাল ডিআইজি মো. ফরিদ উদ্দিন।
র্যাব-১০ এর অধিনায়ক
এডিশনাল ডিআইজি মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ৬ নভেম্বর সোমবার রাতে
র্যাব-১০ এর একটি দল রাজধানী কদমতলী থানার মাদবর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভোলা
জেলার বোরহানউদ্দিন থানার হত্যা মামলার পলাতক ২ আসামিকে গ্রেফতার করে।
তিনি আরও জানান,
আসামিরা ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা স্বীকার করেছেন। তারা মামলার পর
থেকে রাজধানীর কমদতলীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করেছিলেন।
গ্রেফতারের পর তাদের
থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশকে বিদেশে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার এবং বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ আজ বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকার তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে লাফেভ বিদায়ী সাক্ষাৎকালে এ আশ্বাস দেন।
হেলেন লাফেভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই বাংলাদেশকে পরামর্শ ও অন্যান্য সহায়তা দিয়ে অর্থ উদ্ধার এবং তা বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করছে।
‘চুরি করা টাকা ফেরত দেওয়া কঠিন, কিন্তু এটা অসম্ভব নয়,’ বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা অবশ্যই এটি করব।’
এসময় একজন শীর্ষ কূটনীতিক হিসেবে লাফেভের দায়িত্ব পালন ও সেবার প্রশংসা করেন প্রধান উপদেষ্টা। একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্ক এগিয়ে নিতে তার আন্তরিক প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন তিনি।
জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থী-নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে হেলেন লাফেভ বলেন, ‘আমি ইতিহাসের সাক্ষী হতে পেরে খুবই গর্বিত।’
এসময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিকেনের একটি চিঠি অধ্যাপক ইউনূসের কাছে হস্তান্তর করেছেন মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টাকে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ ক্যাম্প থেকে উত্তর আমেরিকার দেশে পুনর্বাসন ত্বরান্বিত করছে।
আলোচনায় বিচারিক সংস্কার, দক্ষিণ এশীয় বিদ্যুৎ সংযোগ, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, স্বৈরচারী সরকার আমলে বাংলাদেশ থেকে চুরি হওয়া কয়েক বিলিয়ন ডলার দেশে ফেরানোর প্রচেষ্টা, বেসামরিক আমলাতন্ত্রের সংস্কার এবং শ্রম সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে।
তাঁর সরকার ব্যাপক শ্রম সংস্কার করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার প্রয়াসে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা বাংলাদেশ সফর করবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ।
মন্তব্য করুন