

চীনের
দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চলের জিয়াংশি প্রদেশে জিনয়ু শহরে দোকানে অগ্নিকাণ্ডে
৩৯ জন নিহত হয়েছেন। এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন আরও ৯ জন।ওই প্রদেশটির কর্তৃপক্ষ
এই খবর নিশ্চিত করেছে।
বুধবার(২৪
জানুয়ারি) বিকেলে জিনয়ু শহরে একটি দোকানের বেজমেন্টে আগুন লেগে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে
এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। তবে অন্য একটি সূত্র বলছে ঘটনাটি স্থানীয় সময় বেলা ৩টার দিকে
একটি রাস্তার দোকান থেকে এই আগুন লাগে। (খবর আল আল জাজিরা)
চীনা
টেলিভিশন সিসিটিভি এ ঘটনার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। যেখানে ভবনের ভেতর থেকে কালো ধোঁয়া
বেরিয়ে আসতে এবং লোকজনকে জানালা দিয়ে লাফ দিতে দেখা যায়।
দুঃখজনক
দুর্ঘটনা উল্লেখ করে কী কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তা তদন্ত করে দেখতে বলেছেন চীনের
প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
মন্তব্য করুন


বেনাপোল স্থলবন্দরের গুরুত্বের কারনে যাত্রীদের দাবির মুখে এবার বেনাপোল-মোংলা রেলপথে আজ থেকে যাত্রী সেবা শুরু করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। আপাতত দিনে একটি ও সপ্তাহে ৬ দিন রেল চলবে এ রুটে। সময় ও অর্থ সাশ্রয়ে এপথে উপকৃত হবেন যাত্রীরা।
জানা যায়, বেনাপোল রুটে যাত্রী সেবা বাড়াতে ব্যবসায়ী ও পাসপোর্টধারীদের দাবির মুখে
রেল কর্তৃপক্ষ বেনাপোল-খুলনা-মোংলা রুটে চালু করেছে যাত্রী সেবা।
ট্রেন চলাচলের জন্য চার হাজার
কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে খুলনা থেকে মোংলা পর্যন্ত নতুন রেলপথ এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
‘নতুন এই রুটে ‘মোংলা কমিউটার’ নামে একটি ট্রেন চলাচল করবে। খুলনা থেকে যশোর হয়ে বেনাপোল
পর্যন্ত চলাচল করে বেতনা এক্সপ্রেস নামে একটি লোকাল ট্রেন। সেই ট্রেনটি ফেরার পথে খুলনার
ফুলতলা জংশন থেকে মোংলার দিকে যাত্রা করবে, তখন ফুলতলা থেকে মোংলা পর্যন্ত ট্রেনটি
‘মোংলা কমিউটার’ নাম ধারণ করে চলবে।
ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন
মঙ্গলবার।
খুলনা থেকে ভোর ৬টায় বেনাপোলে
পৌঁছাবে সকাল সাড়ে ৮ টায় । পরে বেনাপোল থেকে ৯ টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে মোংলা পৌঁছাবে
দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে। পরে দুপুর ১ টায় মোংলা থেকে ছেড়ে ট্রেনটি বেনাপোল পৌছাবে বিকাল
সাড়ে ৪ টায়।
২০১০ সালে একনেকে অনুমোদনের
প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে। উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
দীর্ঘ ৯১ কিলোমিটার নতুন এ রেলপথে ৫.১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি রেলসেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ১১টি প্লাটফর্ম, ১০৭টি কালভার্ট, ৩১টি ছোট ব্রিজ ও ৯টি আন্ডারপাসের নির্মাণ সম্পন্ন।
বেনাপোল বন্দরের ব্যবসায়ী নেতা আমিনুল হক জানান, বানিজ্যিক কারনে মোংলা বন্দর। যেতে হয়। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না থাকায় দ্রুত পণ্য খালাস কাজে বিঘ্ন ঘটতো। এখন রেল সেবা চালুতে দ্রুত পণ্য খালাসে সহায়ক হবে।
বেনাপোল রেল নিরাপত্তা বাহিনীর ইনচার্জ আসাদুজ্জামান রানা জানান, বেনাপোল-মোংলা রেল সেবা চালুতে বেনাপোল আন্তর্জাতিক রেল ষ্টেশনের ব্যস্তত বাড়বে। এতে যাত্রীদের নিরপত্তা ব্যবস্থাও বাড়ানো হয়েছে।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক রেল ষ্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান জানান, বেনাপোল ও মোংলা বন্দরের গুরুত্ব বিবেচনা করে মোংলা কমিউটার চালু হয়েছে। বেনাপোল রেল স্টেশন থেকে সকাল ১০টায় ৭১৬ জন যাত্রী নিয়ে মংলার উদ্দেশ্যে ট্রেনটি যাত্রা শুরু করে।
মন্তব্য করুন


ভারতীয় নায়িকাদের মধ্যে ‘ডিপ ফেক’ ভিডিও রীতিমতো আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। এসব ভিডিও প্রকাশের হার দিনদিন বেড়েই চলেছে। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতির অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে ডিপফেক।
কিছুদিন আগে দক্ষিণী সিনেমার নায়িকা রাশমিকা মান্দানার ডিপ ফেক ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। এরপর ক্যাটরিনা কাইফের ভিডিও প্রকাশিত হয়েছিল। তারকাদের ডিপ ফেক ভিডিও নিয়ে রীতিমতো হৈ চৈ পড়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
শুধু বলিউডেই নয় বরং সাধারণ মানুষেরা এর শিকার হচ্ছে। এবার বলিউড অভিনেত্রী কাজলের ডিপ ফেক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এ নিয়ে বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে রীতিমতো তোলপাড় চলছে।
বলিউড অভিনেত্রী কাজল পোশাক পরিবর্তন করছেন এ ভিডিও নিয়ে রীতিমতো আলোচনা-সমালোচানর ঝড় বইছে। আসলে ডিপ ফেক করেই এ ভিডিও বানানো হয়েছে। ভিডিও সব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভাইরাল হয়েছে। এ ভিডিওটিতেও কাজলের মুখ মর্ফড করে বসানো হয়েছে, যেখানে একটু সময়ের মধ্যে ওই নারীর মুখ দেখা গেছে।
মন্তব্য করুন


শহীদ
রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে
তাকে স্মরণ করে বিবৃতি দিয়েছে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন। শনিবার (৩০ মে) তাদের ভেরিফায়েড
ফেসবুক পেজে এই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।
বিবৃতিতে
বলা হয়, বাংলাদেশের জনগণ যখন জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করছে, তখন ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে
তার ঐতিহাসিক বেতার ভাষণের কথা বিশেষভাবে স্মরণ করা হচ্ছে, যা দেশের জনগণকে স্বাধীনতা
সংগ্রামের জন্য অনুপ্রাণিত করেছিল। ওই ভাষণ নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রেখেছিল বলে উল্লেখ করা হয়।
ভারতীয়
হাইকমিশনের বার্তায় আরও বলা হয়, সেই সময়ের মতো আজও ভারত বাংলাদেশের জনগণের পাশে রয়েছে
এবং দুই দেশের জনগণের অভিন্ন আত্মত্যাগ, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির যৌথ যাত্রা অব্যাহত রয়েছে।
বার্তায়
জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলা হয়, তার ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসে
গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। এই বিবৃতিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে আন্তর্জাতিক
মঞ্চে রাশিয়া বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার
রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মান্টিটস্কি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধে
রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাইন অপসারণের কথা স্মরণ
করেন।
তিনি রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি বাংলাদেশের
অন্যান্য পণ্যও আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান। বর্তমানে রাশিয়ায় বাংলাদেশের মোট
রপ্তানির ৯০ শতাংশ তৈরি পোশাক।
বৈঠকে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায়
বাংলাদেশে নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং খাদ্য নিরাপত্তা,
জ্বালানি অনুসন্ধান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সহায়তা বাড়ানোসহ পারস্পরিক স্বার্থ
সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি আলোচনা করেন।
বাংলাদেশের খাদ্যশস্য এবং সারের বড় একটি অংশ রাশিয়া থেকে আমদানি
করা হয় উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক
অংশীদার।
গত বছর রাশিয়া থেকে বাংলাদেশ ২ দশমিক ৩ মিলিয়ন টনেরও বেশি গম
আমদানি করেছে এবং চলতি বছর আমদানির পরিমাণ ইতোমধ্যে ২ মিলিয়ন টন অতিক্রম করেছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত জানান, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি
কোম্পানি গ্যাজপ্রম ভোলা দ্বীপে এবং দেশের অভ্যন্তরে আরও পাঁচটি গ্যাস কূপ
অনুসন্ধান করতে আগ্রহী।
তিনি আরও জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ
চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং এটি আগামী বছর চালু হতে পারে।
তিনি বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশে এলএনজি রপ্তানিতে আগ্রহী।
প্রধান উপদেষ্টা অর্থনৈতিক ও শিক্ষা সহযোগিতা এবং দুই দেশের জনগণের
মধ্যে সম্পর্ক বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্তব্য করুন


ডিভোর্স আজকাল এর যুগে এক নিত্যনৈমিত্তিক
ঘটনায় পরিণত হয়েছে । বিভিন্ন ইস্যু তুলে ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে চলে মনোমালিন্য যা
শেষ অবধি গড়ায় ডিভোর্সে। জরিপে দেখা গেছে এমন বিচ্ছেদের পেছনে বেশিরভাগ সময় পরকীয়া
থাকে প্রধান কারণ।
তবে কুরকুরে চিপস না আনার কারণে
বিচ্ছেদ ?
এমন অদ্ভুত কারণেও যে হতে পারে
বিচ্ছেদ তার প্রমাণ মিললো ভারতের উত্তরপ্রদেশের আগ্রায়।
মঙ্গলবার (১৪ মে) এক প্রতিবেদনে
এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।
স্ত্রীর পছন্দের চিপস আনতে ভুলে
গিয়েছেন স্বামী। আর এতেই রেগে বাপের বাড়ি চলে গেছেন ওই স্ত্রী। তবে এখানেই শেষ না।
রীতিমতো ডিভোর্স চেয়ে ছুটে গেছেন পুলিশের কাছেও।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ৫ রুপির
কুরকুরে চিপস অনেক পছন্দের ওই স্ত্রীর। এজন্য তার অনুরোধ ছিল প্রত্যেক দিন যেন সেই
চিপস আনা হয়। যা নিয়ে এর আগেও তাদের মধ্যে বিরোধ হয়েছিল। এবার সেই চিপসটি আনতে ভুলে
যায় স্বামী। আর তা নিয়েই বাধে ঝগড়া। একপর্যায়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই যুবতী। তিনি
বলেন, তিনি স্বামীর কাছ থেকে ডিভোর্স চান।
যদিও এমন অভিযোগ শোনার পর অবশ্য
পুলিশ এই দম্পতিকে ফ্যামিলি কাউন্সেলিংয়ের জন্য রেফার করেছে।
জানা গেছে, গত বছরই বিয়ে হয়েছে
ওই দম্পতির। তবে যুবতীর ডিভোর্সের দাবির বিপরীতে তাদের মতভেদ মেটানোর এবং সংসার রক্ষা
করার প্রচেষ্টায় পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের ফ্যামিলি কাউন্সেলিংয়ে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


গত ২৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে তাইওয়ানে। বুধবার সকালে স্থানীয় সময় ৭টা ৫৮ মিনিটে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৪। এতে অন্তত ৪ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের পর তিন দেশ- তাইওয়ান, ফিলিপাইন ও জাপানে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। খবর বিবিসির।
এক জরুরি বার্তায় তারা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কারণে সুনামি আঘাত হানতে পারে। তাইওয়ানে এর প্রভাব পড়তে পারে। উপকূলীয় এলাকার লোকজনকে সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে। ২৫ বছর আগে ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বরে তাইওয়ানে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত আনে। তাতে ২ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্যমতে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল তাইওয়ানের হুয়ালিয়েন শহরের ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণে। ভূপৃষ্ঠের ৩৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তি হয়েছে। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করেছে তাইওয়ান কর্তৃপক্ষ। ভূমিকম্পে তাইওয়ানের একাধিক শহরের বেশকিছু ভবন ধসে পড়েছে। এসব ভবনের নিচেও চাপা পড়েছেন অনেকে। এছাড়া এই পাহাড়ি শহরটিতে ভূমিধ্বসের খবরও জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


ভেনেজুয়েলায়
একটি সোনার খনির ধসে অন্তত
২৩ জন নিহত হয়েছেন।
ভেনেজুয়েলার মধ্যাঞ্চলে একটি উন্মুক্ত সোনার
খনিতে এই দুর্ঘটনা ও
প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার
এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
প্রতিবেদনে
বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার মধ্যাঞ্চলে বেআইনিভাবে পরিচালিত একটি সোনার খনিতে
মাটির দেয়াল ধসে পড়ার পর
অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু
হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় সেখানে বহু
মানুষ কাজ করছিলেন।
স্থানীয়
কর্মকর্তা ইওরগি আর্কিনিগা বুধবার বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেছেন, দেশের বলিভার প্রদেশের জঙ্গলে বুল্লা লোকা নামে পরিচিত
খোলা গর্ত থেকে প্রায়
২৩টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত
মঙ্গলবার এই দুর্ঘটনা ঘটে।
বেসামরিক
নিরাপত্তা উপমন্ত্রী কার্লোস পেরেজ অ্যাম্পুয়েদা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে এই ঘটনার একটি
ভিডিও প্রকাশ করেছেন এবং ধসের ঘটনায়
নিহতের সংখ্যাকে ‘বিশাল’ বলে উল্লেখ করেছেন।
যদিও তিনি নিহতের কোনও
সংখ্যা উল্লেখ করেননি।
ভিডিওটিতে
দেখা যাচ্ছে, একটি উন্মুক্ত খনির
অগভীর পানিতে কর্মরত লোকদের ওপর ধীরে ধীরে
মাটির একটি প্রাচীর ভেঙে
পড়ছে। কেউ কেউ ঘটনার
সময় সেথান থেকে পালাতে সক্ষম
হলেও অনেকে আবার তাতে চাপা
পড়েন।
কর্মকর্তাদের
মতে, প্রায় ২০০ জন লোক
সেসময় খনিতে কাজ করছিল বলে
ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে
এই খনিটি অবস্থিত সেখানে পৌঁছাতে হলে নিকটতম শহর
লা প্যারাগুয়া থেকে সাত ঘণ্টার
নৌকায় যেতে হয়।
বলিভার
প্রদেশের নাগরিক নিরাপত্তা বিষয়ক সেক্রেটারি এডগার কোলিনা রেয়েস বলেছেন, আহতদের আঞ্চলিক রাজধানী সিউদাদ বলিভারের একটি হাসপাতালে নিয়ে
যাওয়া হচ্ছে। এই অঞ্চলটি লা
প্যারাগুয়া থেকে চার ঘণ্টা
দূরত্বে এবং রাজধানী কারাকাসের
৭৫০ কিলোমিটার (৪৬০ মাইল) দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
রেয়েস
বলেছেন, পরিস্থিতি বিবেচনা করে সামরিক, দমকল
বাহিনী এবং অন্যান্য সংস্থাগুলো
‘আকাশপথে ওই এলাকায় চলে
যাচ্ছে’। তিনি বলেন,
অনুসন্ধানে সহায়তার জন্য কারাকাস থেকে
উদ্ধারকারী দলও পাঠানো হচ্ছে।
আল
জাজিরা বলছে, বলিভার অঞ্চল সোনা, হীরা, লোহা, বক্সাইট, কোয়ার্টজ এবং কোল্টান সমৃদ্ধ।
রাষ্ট্রীয় খনি ছাড়াও এই
অঞ্চলে অবৈধভাবে এসব মূল্যবান ধাতু
উত্তোলনের বিকাশমান শিল্পও রয়েছে।
এর
আগে গত বছরের ডিসেম্বরে
একই অঞ্চলের ইকাবারুর আদিবাসী সম্প্রদায়ের একটি খনি ধসে
কমপক্ষে ১২ জন নিহত
হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


ডিসেম্বরে কায়রোতে
অনুষ্ঠিতব্য ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে আয়োজক দেশ মিশর।
আজ বুধবার (৩০ অক্টোবর)
ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমর ফাহমি অধ্যাপক ইউনূসের কাছে
সেদেশের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির পক্ষ থেকে এই আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন।
রাষ্ট্রদূত ওমর ফাহমি
জানান, অন্তত পাঁচটি দেশে—তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান এবং নাইজেরিয়ার
সরকার প্রধানগণ আগামী ১৬ থেকে ১৯ ডিসেম্বর কায়রোতে অনুষ্ঠেয় ডি-৮ সম্মেলনে অংশগ্রহণ
নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, সম্মেলনের
একটি গুরুত্বপূর্ণ সাইডলাইন বৈঠকে ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনকে সমর্থনের
উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।
রাষ্ট্রদূত আরো জানান,
জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক রূপান্তর
প্রচেষ্টায় মিশর সরকার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
অধ্যাপক ইউনূস এই
সমর্থনকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন মিশর ও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে,
যেমন ওআইসি এবং ডি-৮-এ হাতে হাত মিলিয়ে একসঙ্গে কাজ করবে।
প্রধান উপদেষ্টা জানান,
তিনি মিশরে ডি-৮ সম্মেলনে অংশগ্রহণের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন।
রাষ্ট্রদূত ফাহমি
আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরাও ডি-৮ সম্মেলনের সময় মিশর সফর করবেন।
তিনি বলেন, মিশর বাংলাদেশের
তৈরি পোশাক ও ওষুধ শিল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে উপকৃত হতে চায় এবং পাট চাষ সম্পর্কে
শিক্ষা নিতে আগ্রহী।
তিনি আরো উল্লেখ করেন,
উভয় দেশের মধ্যে কৃষি, টেক্সটাইল এবং ওষুধ শিল্পের চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ)
কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা উচিত।
রাষ্ট্রদূত নিশ্চিত
করেন যে, ২০৩১-৩২ মেয়াদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য আসনে বাংলাদেশের
প্রার্থিতার প্রতি মিশর সমর্থন জানাবে।
মিশরের রাষ্ট্রদূত
ইউনেস্কোর মহাপরিচালক পদে কায়রোর প্রার্থিতার পক্ষে ঢাকার সমর্থন চান।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও মিশরের মধ্যে ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) পুনরায় শুরু
করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্তব্য করুন


সৌদি কর্তৃপক্ষ এক সপ্তাহে ১৯ হাজার ৫০ জনকে আবাসন, কাজ ও সীমান্ত নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের দায়ে গ্রেফতার করেছে। শনিবার এ তথ্য জানিয়েছেন সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)।
একটি সরকারি প্রতিবেদন অনুসারে, মোট ১১ হাজার ৯৮৭ জনকে আবাসিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে গ্রেফতার করা হয়। অন অবৈধ সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টার দায়ে আরও ৪ হাজার ৩৬৭ জন এবং শ্রম সম্পর্কিত সমস্যার জন্য আরো ২ হাজার ৬৯৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, অবৈধভাবে দেশে প্রবেশের চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তার হওয়া এক হাজার ১১ জনের মধ্যে ৬১ শতাংশ ইথিওপীয়, ৩৬ শতাংশ ইয়েমেনি এবং ৩ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক।
এ ছাড়া আরো ২৪ জন প্রতিবেশী দেশগুলোতে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করে ধরা পড়েছে এবং ১৮ জনকে আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন ও আশ্রয় দেওয়ার জন্য আটক করা হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানান, পরিবহন, আশ্রয় প্রদানসহ দেশে অবৈধ প্রবেশের চেষ্টা করা কাউকে সুবিধা দিলে তাকে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড, এক মিলিয়ন সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা এবং সেই সঙ্গে যানবাহন ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে।
সূত্র : আরব নিউজ
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ,
কুড়িগ্রাম:
কুড়িগ্রামের
অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন শেষে সস্ত্রীক ভুটান ফিরে গেলেন রাজা জিগমে খেসার নাময়িগেল
ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে জেলার সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন
শেষে ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তিনি। কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন
শেষে সস্ত্রীক ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন রাজা জিগমে খেসার নাময়িগেল ওয়াংচুক।
কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন শেষে সস্ত্রীক ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা
শুরু করেছেন রাজা জিগমে খেসার নাময়িগেল ওয়াংচুক।
এর
আগে বৃহস্পতিবার সার্কিট হাউজ থেকে দুপুর ১ টা ২০ মিনিটে ধরলার পাড়ের অর্থনৈতিক অঞ্চলে
যান এবং পনের মিনিট স্থানটি পরিদর্শনের পাশাপাশি বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ
হারুনসহ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
এর
পরে রাজা সড়ক পথে সোনাহাট স্থলবন্দরের দিকে রওয়ানা দেন। রাজা সড়ক পথে দুপুর ১২ টা ১৫
মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে কুড়িগ্রাম
সার্কিট হাউজে এসে পৌঁছান।
কুড়িগ্রামের
জেলা প্রশাসক সাইদুল আরীফ জানান, ভুটানের রাজা দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সার্কিট হাউজে অবস্থান
করেন। এরমধ্যে তিনি দুপুরের খাবার সেরে নেন। এরপর দুপুর দেড়টায় তিনি ধরলার পাড়ের কুড়িগ্রাম
সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মাধবরাম এলাকায় ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত
জায়গা পরিদর্শন করেন। সেখানে রাজা পনের মিনিট অবস্থানের পর সড়ক পথে জেলার ভূরুঙ্গামারী
উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দরের দিকে যাত্রা শুরু করেন। স্থলবন্দরে বিশেষ ইমিগ্রেশনের
মাধ্যমে ভারত হয়ে নিজ দেশ ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন রাজা। বাংলাদেশ-ভুটান দুদেশের
যৌথ উদ্যোগে ধরলা পাড়ে ২১৯ একর জমির ওপর গড়ে তোলা হবে জিটুজি ভিত্তিতে এ বিশেষ অর্থনৈতিক
অঞ্চল। রাজার আগমনকে ঘিরে সব ধরনের আয়োজন সম্পন্ন করে প্রশাসন। ভুটানের রাজার আগমনে
কয়েক স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
কুড়িগ্রাম
চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট আব্দুল আজিজ জানান, ধরলার পাড়ে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
গড়ে তোলা হলে সড়ক, নদী ও রেল পথের সুবিধা মিলবে। এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি
অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে।
এ
সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রাম ৪- আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিপ্লব হাসান পলাশ
সহ আরও অনেকেই।
মন্তব্য করুন