

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সরকারি ও বেসরকারি সব টেলিভিশন চ্যানেল এবং অন্যান্য গণমাধ্যমকে নির্দেশ দিয়েছে, নির্বাচনী সংলাপ বা অন্য কোনো অনুষ্ঠানে কোনো দল বা প্রার্থীকে হেয়প্রতিপন্ন করে বক্তব্য বা কটূক্তি প্রচার না করার জন্য। একই সঙ্গে, নির্বাচনী প্রচারে সব প্রার্থীকে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ অধিশাখার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, “সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলসমূহ তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ তৈরি করে নির্বাচনী পরিবেশে ভূমিকা রাখতে পারে।”
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান, সাক্ষাৎকার, টক শো বা নির্বাচনী সংলাপে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর প্রতি সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনের রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ২৫ অনুযায়ী, গণমাধ্যমে নির্বাচনী সংলাপে অংশ নেওয়া প্রার্থী বা দলের প্রতিনিধি ব্যক্তিগতভাবে কাউকে আক্রমণ করতে পারবে না।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “সরকারি-বেসরকারি সব টেলিভিশন চ্যানেলে নির্বাচনী সংলাপ বা অন্য কোনো অনুষ্ঠান প্রচারের ক্ষেত্রে সব প্রার্থীকে সমান সুযোগ প্রদান এবং কোনো দল বা প্রার্থীকে হেয়প্রতিপন্ন করে বক্তব্য বা কটূক্তি প্রচার না করার জন্য সতর্কতা অবলম্বনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।”
মন্তব্য করুন


ডিমসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক
রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালনা করেন।
আজ (৫ অক্টোবর) শ্যামবাজারের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যবসায়ীবৃন্দের সাথে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন মতবিনিময় সভা করেন এবং ব্যবসায়ীদের সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করার পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
মতবিনিময় সভা শেষে ডিমসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন এঁর নেতৃত্বে ঢাকা মহানগরের শ্যামবাজার এলাকায় বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী মোজাম্মেল হক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব দাউদুল ইসলাম, অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) আব্দুল জলিল, পরিচালক (কার্যক্রম ও গবেষণাগার) ফকির মুহাম্মদ মুনাওয়ার হোসেনসহ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়, ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় ও ঢাকা জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মেহেদী হাসান, বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশনের উপপ্রধান মাহমুদুল হাসান, ঢাকা জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের প্রতিনিধি, ইমপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর আহ্বায়ক হাফিজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন বাজার তদারকির সময় ব্যবসায়ীদের সংশ্লিষ্ট আইন মেনে যৌক্তিক মূল্যে পণ্য বিক্রয় করার কথা বলেন এবং পণ্যের যথাযথ সরবরাহ নিশ্চিতসহ ব্যবসা সংশ্লিষ্ট কোন সমস্যা থাকলে তা সমাধানের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তথা সরকার সার্বিক সহযোগিতা করবে মর্মে জানান।
অপরদিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ৬টি টিম কর্তৃক ঢাকা মহানগরের শ্যামবাজার, কারওয়ান বাজার, কাপ্তান বাজার, মোহাম্মদপুর টাউনহল মার্কেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়৷
কারওয়ান বাজারে পরিচালিত অভিযানে ডিম, মুরগী, মাছ, মাংস ও চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের বাজার তদারকি করা হয়। এসময় মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, ধার্যকৃত মূল্য অপেক্ষা বেশি মূল্যে পন্য বিক্রয় করা এবং পন্যের ক্রয়-বিক্রয় রশিদ সংরক্ষণ না করায় ৮টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২১,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ওয়ারী থানাধীন কাপ্তান বাজার এলাকায় ডিমের আড়তসহ মুদি দোকান ও ফার্মেসিতে পরিচালিত অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৫৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
মোহাম্মদপুর টাউনহল এলাকায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের আড়তে তদারকি করা হয়। তদারকিতে দেখা যায়, চাল, ডাল,পেঁয়াজ, আদা, রসুন, আলু, ভোজ্য তেল ,চিনি ইত্যাদি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য এক সপ্তাহ যাবত একই রকম রয়েছে, ডিম ও মুরগির মূল্য কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী এবং বিক্রেতাগণ তেজগাঁও থেকে ডিম ক্রয় করেন। এছাড়া তেজগাঁও ব্যবসায়ীগণ তাদেরকে সরবরাহ কম থাকার বিষয়ে অবহিত করেছেন। অভিযানে একটি ব্রয়লার মুরগির প্রতিষ্ঠানে মূল্য তালিকা না দেয়ায় সতর্কতামূলক ৫০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
আজ ঢাকা মহানগরে অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে ১৩ টি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী সর্বমোট ৮১,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন


বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত
করতে আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ মঙ্গলবার সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডে পুনঃতদন্ত এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তীকালীন
সরকার বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর
থেকেই কাজ করে যাচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা হিসেবে আমি
প্রথম থেকেই বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সোচ্চার ছিলাম
এবং এখনো রয়েছি। এ বিষয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রথমবার এবং গত ৪
নভেম্বর বিজিবি সদরদপ্তর পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বার ঘোষণা দেই, যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত
হয়েছে। শুধু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা হিসেবে নয়, একজন সাধারণ
নাগরিক ও সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সদস্য হিসেবে আমি শুরু থেকেই বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার
দাবি করে আসছি। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার
লক্ষ্যে জনগণের অধিকার, সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর। বিডিআর হত্যাকাণ্ডে
ন্যায়বিচার নিশ্চিতে আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। অবসরপ্রাপ্ত
বিচারক, সিভিল সার্ভিস, সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে এই
কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সদস্য সংখ্যা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। তবে সদস্য ৫ জন, ৭
জন, ৯জনও হতে পারে। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য সংখ্যা একটু বেশি থাকবে।
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কী পুনঃতদন্তের
দিকে যাচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেই আদেশ দিতে পারে আদালত। আর আমরা হলো
একটা শুধু প্রেস ইনকোয়ারি করতে পারি।
কতদিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে এমন
প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, পাঁচ কার্যদিবসের সময় আমরা বলব। আগে কমিটি
গঠনের জন্য নামগুলো নিতে হবে। আপনারা জানেন এসব কমিটিতে সবাই আসতে চায় না। নাম সংগ্রহে
যদি সময় না লাগতো তাহলে অনেক তাড়াতাড়ি হয়ে যেত। নাম পাওয়ার পর তাদের সঙ্গে আলোচনা করে
তারপর আমরা সময়টা বলতে পারব।
কাজের পরিধি কী হবে জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর
আলম বলেন, আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনার পর বলতে পারব।
প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও সচিবের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত ড. নাসিম আহমেদসহ
বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মিষ্টান্ন ‘ছানামুখী’। ছানা থেকে তৈরি এই মিষ্টান্নের সুনাম রয়েছে দেশজুড়ে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাড়া দেশের অন্য কোথাও তৈরি হয় না এই ছানামুখী। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
পণ্যের জিআই স্বীকৃতি দেয় ডিপিডিটি। কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কোনো একটি পণ্য চেনার জন্য জিআই স্বীকৃতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ‘ছানামুখী’। সরকারিভাবে ছানামুখীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্র্যান্ডিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে। জেলার ব্র্যান্ডবুকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই মিষ্টান্ন।
মন্তব্য করুন


নারী
শিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চার নারীর
হাতে রোকেয়া পদক ২০২৫ তুলে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
আজ
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের হাতে
রোকেয়া পদক তুলে দেন তিনি।
পদকপ্রাপ্তরা
হলেন নারী শিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব, নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার)
কল্পনা আক্তার, মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস ও নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া)
ঋতুপর্ণা চাকমা।
জাতীয়
পুরস্কার সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সুপারিশে এ চারজনকে রোকেয়া পদকের জন্য মনোনীত
করা হয়। গত বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) তাদের নাম অনুমোদনের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে
পাঠানো হয়েছিল। ৯ ডিসেম্বর নারী জাগরণ ও শিক্ষার পথিকৃৎ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের
জন্ম ও মৃত্যুদিন। ১৯৩২ সালের এ দিনে মারা যান তিনি। দিনটি জাতীয়ভাবে রোকেয়া দিবস
হিসেবে পালিত হয়। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদ্যাপন
করছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঢাকার মিরপুরে গুলিবিদ্ধ তাহের মোক্তার হোসেন এর ছেলে মোঃ রাফি হোসেন (১৪) এর ঢাকা সিএমএইচে সফল অস্ত্রপ্রচার করা হয়।
রাফি হোসেন গত ১৯ জুলাই ডান কাঁধে গুলিবদ্ধ হন এবং তার ডান কাঁধের হাড় ও ধমনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এপ্রেক্ষিতে, তাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে অপারেশন করা হয়। পরবর্তীতে কিছু জটিলতা দেখা দিলে হৃদরোগ ইনিস্টিউট ও ঢাকা সিএমএইচ এর চিকিৎসকগণের আলোচনার ভিত্তিতে তাকে গতকাল (২৫ আগস্ট ২০২৪) দিবাগত রাতে ঢাকা সিএমএইচ এ আনা হয় এবং দ্রুততার সাথে দীর্ঘ ৬ ঘন্টা সময় ধরে সিএমএইচের ভাস্কুলার টিম কর্তৃক সফলভাবে কৃত্রিম রক্তনালী সংযোজনের মাধ্যমে অস্ত্র প্রচার করা হয়। বর্তমানে মোঃ রাফি হোসেন আশঙ্কা মুক্ত।
অপরজন মিরপুর কলেজের ছাত্র হারুন মিয়া এর ছেলে মোঃ মমিন হোসেন (২৩) গত ১৯ জুলাই ২০২৪ তারিখে গুলিবিদ্ধ হয় এবং গুলিটি তার মেরুদণ্ডের পিছনে আটকে যায়। পরবর্তীতে ২০ আগস্ট ২০২৪ তারিখে তাকে ঢাকা সিএমএইচে ভর্তি করা হয় এবং ল্যাপারস্কপির মাধ্যমে ২৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে অপারেশন করে গুলি বের করা হয়। বর্তমানে মোঃ মমিন হোসেন ভালো আছে।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকা হতে ৩৬ কেজি গাঁজা’সহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৬ নভেম্বর রাতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ২২ কেজি গাঁজা’সহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলোঃ ১। ঝিনাইদহ জেলার সদর থানার ব্যাপারীপাড়া গ্রামের মোঃ হাশেম আলী এর ছেলে মোঃ আশরাফুল (৩৫); ২। একই থানার নতুন কোর্ট পাড়া গ্রামের মোঃ হুমায়ুন কবির এর ছেলে মোঃ মুক্তার হোসেন (৩০) এবং ৩। গোপালগঞ্জ জেলার মোকছেদপুর থানার কানুড়িয়া গ্রামের মোঃ জহুর আলী শেখ এর ছেলে মোঃ সুমন শেখ (২৪)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক জব্দ করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৬ নভেম্বর রাতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১৪ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানার খাসেরহাট (মিস্ত্রিপাড়া) গ্রামের ফাইজ উদ্দীন এর ছেলে মোঃ মুকুল (২৯)।
র্যাব জানায় প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ ঝিনাইদহ, গোপালগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের নীরব সঙ্গী গৃহকর্মী
ছিলেন ফাতেমা বেগম। এভারকেয়ার হাসপাতালে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ছায়ার মতো খালেদা জিয়ার
পাশে ছিলেন তিনি। সেই ছায়াসঙ্গী ফাতেমাকে চিরবিদায় জানালেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
রাজনীতির
ইতিহাসে যেখানে নেতা, আন্দোলন, ক্ষমতা ও কারাগারের গল্প বারবার উঠে আসে। সেখানে অনেক
সময় আড়ালে থেকে যায় কিছু নীরব মুখ। আলোয় না থেকেও যারা ইতিহাসের সাক্ষী হন। বেগম খালেদা
জিয়ার জীবনে সেই নীরব সাক্ষীর নাম ফাতেমা বেগম।
দেড়
দশকেরও বেশি সময় ধরে গৃহকর্মীর পরিচয় ছাড়িয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন খালেদা জিয়ার একান্ত
সঙ্গী। কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ, গৃহবন্দিত্বের দীর্ঘ সময়, হাসপাতালের নিঃসঙ্গ রাত
কিংবা বিদেশ সফরের নীরব করিডর সবখানেই নিঃশব্দে উপস্থিত ছিলেন তিনি।
ফাতেমা
বেগমের জন্ম ভোলার সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের শাহ-মাদার গ্রামে। রফিকুল ইসলাম ও মালেকা
বেগম দম্পতির পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন জ্যেষ্ঠ। অল্প বয়সেই সংসারের দায়িত্ব
কাঁধে নিতে হয় তাকে। একই ইউনিয়নের কৃষক মো. হারুন লাহাড়ির সঙ্গে বিয়ের পর মেঘনা নদীর
চরে কৃষিকাজ করেই চলছিল সংসার।
তাদের
সংসারে জন্ম নেয় মেয়ে জাকিয়া ইসলাম রিয়া ও ছেলে মো. রিফাত। তবে ২০০৮ সালে ছেলের বয়স
মাত্র দুই বছর থাকতেই অসুস্থ হয়ে মারা যান তার স্বামী। এক মুহূর্তে বদলে যায় জীবনের
পথচলা। দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি ফিরে যান বাবার বাড়িতে। কিন্তু মুদি দোকানি বাবার সামান্য
আয় সংসারের ব্যয় মেটাতে না পারায় কঠিন সিদ্ধান্ত নেন ফাতেমা। সন্তানদের গ্রামে রেখে
কাজের খোঁজে ঢাকায় পাড়ি জমান।
২০০৯
সালে পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি কাজ পান বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে। সেখান
থেকেই শুরু হয় এক দীর্ঘ সহযাত্রা। রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এক নেত্রীর দৈনন্দিন
জীবনের নীরব সাক্ষী হয়ে ওঠেন তিনি। বাথরুমে নেওয়া–আসা, ওষুধ খাওয়ানো, শারীরিক দুর্বলতায়
হাত ধরে রাখা এসব কাজ তার কাছে শুধু দায়িত্ব ছিল না, ছিল সম্পর্কের দায়।
২০১৪
সালের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচির সময় গুলশানের বাসভবনের সামনে
বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে পথ অবরুদ্ধ করা হয়। গাড়িতে উঠেও বেরোতে না পেরে ফিরোজার দোরগোড়ায়
দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন খালেদা জিয়া। পুলিশের চাপের মধ্যে শরীরের ভার সামলাতে
না পারার মুহূর্তে নীরবে তার হাত শক্ত করে ধরে রেখেছিলেন ফাতেমা। ক্যামেরার ফ্রেমে
ধরা পড়ে যায় সেই মানবিক দৃশ্য।
২০১৮
সালের ৮ ফেব্রুয়ারি আদালতের রায়ে খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে আইনজীবীরা আবেদন করেন,
তার গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম যেন সঙ্গে থাকতে পারেন। আদালতের অনুমতিতে ছয় দিন পর তিনি
নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াই
স্বেচ্ছায় হয়ে ওঠেন কারাবন্দি।
২০২১
সালের এপ্রিল মাসে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৩ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন খালেদা জিয়া।
যখন মহামারির ভয়ে প্রিয়জনের কাছেও যেতে মানুষ দ্বিধায় ছিল, তখন ফাতেমা ছিলেন অবিচল
সেবিকা হয়ে, সাহস হয়ে, ছায়া হয়ে।
সবশেষ
লন্ডনে উন্নত চিকিৎসার সময়ও খালেদা জিয়ার সঙ্গেই ছিলেন তিনি। আগের বিদেশ সফরগুলোতেও
নীরবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ফাতেমা
বেগম কোনো রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন না, কোনো পদও ছিল না। তবু ইতিহাসের কঠিন মুহূর্তগুলোতে
তার উপস্থিতি ছিল অবিচ্ছেদ্য। তিনি প্রমাণ করে গেছেন সব সম্পর্ক ক্ষমতার নয়, কিছু সম্পর্ক
শুধু দায়িত্ব আর মানবিকতার। রাজনীতির কোলাহলের ভিড়ে তিনি ছিলেন এক নীরব নাম। কিন্তু
সেই নীরবতাই তাকে আলাদা করে চিহ্নিত করে।
মন্তব্য করুন


বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট ২০২৪) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসময় সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ ৬ টি হেলিকপ্টার সর্টির মাধ্যমে নোয়াখালী পুলিশ লাইন, নোয়াখালী, বেগমগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উল্লেখ্য, হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ৪ জন মুমূর্ষ রোগীকে উদ্ধারপূর্বক হাসপাতালে স্থানান্তর ও ১৩ জন ব্যক্তিকে দুর্যোগপূর্ণ এলাকা হতে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হয়। প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও ১৮৪০ কেজি ত্রান, বিশুদ্ধ পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বন্যা কবলিত এলাকায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার এর মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩ টি ফিল্ড হাসপাতাল ও ১৮ টি মেডিকেল টিম বন্যা দুর্গতদের চিকিৎসা সেবা প্রদানে নিরলস ভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
তন্মধ্যে, ফেনী জেলায় বন্যা কবলিত জনসাধারণকে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৮টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। শুধুমাত্র ফেনী জেলায় দ্রুত চিকিৎসা সেবা পেতে নিম্নোক্ত ফোন নম্বরসমূহে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হলো :
০১৫৫৭৭০৩৫৬৬, ০১৩২৯৭৬৮০৬৬, ০১৪০৭০৯৫০৩৬
দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


১১
বছর পর ৫ম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ
শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করলেন বাবর আলী।
রোববার (১৯ মে) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টায় এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন তিনি।
বেসক্যাম্প
টিমের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অভিযানের প্রধান সমন্বয়ক ফরহান জামান।
তার
আগেও আরও চারজন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছিলেন।
তবে
সেই চারজনের চেয়ে বাবর আলীর লক্ষ্য আলাদা। জানা গেছে, বাবরের
লক্ষ্য পৃথিবীর চতুর্থ উচ্চতম পর্বত মাউন্ট লোৎসে। রোববার ক্যাম্প-৪ এ নেমে
মাঝরাতে আবারও শুরু করবেন দ্বিতীয় লক্ষ্যের পথে যাত্রা। সব অনুকূলে থাকলে ভোরে
পৌঁছতে পারেন এর চূড়ায়। এ লোৎসেতে এর আগে কোনো বাংলাদেশি সামিট করেননি। কোনো
বাংলাদেশি একই অভিযানে দুটি আট হাজারি শৃঙ্গেও চড়েননি। তাই লক্ষ্য পূরণে হলে বাবার
আলী নতুন রেকর্ড গড়বেন।
বাংলাদেশ
থেকে আগে এভারেস্ট জয় করা হলেও একই অভিযানে এভারেস্ট এবং লোৎসে আরোহণের চেষ্টা
হয়নি। সেই চ্যালেঞ্জই নিতে বেশ কয়েক বছর ধরে নিজেকে হিমালয়ের নানান চূড়ায় অভিযানের
জন্য প্রস্তুত করেন বাবর।
৩৩
বছর বয়সী বাবর আলী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেছেন। শুরু করেছিলেন চিকিৎসা পেশা। এরপর চাকরি ছেড়ে দেশ-বিদেশে ঘোরায় মনোযোগ দেন তিনি।
২০১৪ সাল থেকে তার পর্বতারোহণে পথচলা শুরু বাব
২০১৪
সাল থেকে তার পর্বতারোহণে পথচলা শুরু বাবরের। চট্টগ্রামের পর্বতারোহণ ক্লাব
ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তিনি। এ ক্লাবের হয়েই গত দশ বছরে
হিমালয়ের নানান শিখরে অভিযান করেছেন তিনি। ২০১৭ সালে ভারতের উত্তরকাশীর নেহেরু
ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং থেকে মৌলিক পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। ২০২২
সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে হিমালয়ের অন্যতম দুর্গম ও টেকনিক্যাল চূড়া আমা দাবলাম
(২২,৩৪৯
ফুট) আরোহণ করেন বাবর।
সাইকেলিংয়ের
পাশাপাশি এখন পর্যন্ত সারগো রি (৪ হাজার ৯৮৪ মিটার), সুরিয়া পিক (৫ হাজার ১৪৫ মি.), মাউন্ট
ইয়ানাম (৬ হাজার ১১৬ মি.),
মাউন্ট ফাবরাং (৬ হাজার ১৭২ মি.),
মাউন্ট চাউ চাউ কাং নিলডা (৬ হাজার ৩০৩ মি.), মাউন্ট শিবা (৬ হাজার ১৪২ মি.), মাউন্ট
রামজাক (৬ হাজার ৩১৮ মি.) ও চুলু ইস্ট (৬ হাজার ০৫৯ মি.) পর্বতের চূড়ায় উঠেছেন বাবর
আলী।
মন্তব্য করুন