

এবার প্রেমের টানে পাকিস্তানি যুবক
বাংলাদেশে। প্রথমে ফেসবুকে পরিচয়, এরপর প্রেম। অবশেষে খাগড়াছড়িতে এসে তরুণীর সঙ্গে
বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন পাকিস্তানি এক যুবক। তরুণীর নাম তাহমিনা আক্তার বৃষ্টি (২১)।
তিনি খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার বেলছড়ি ইউনিয়নের উত্তর পাড়ার আলী হোসেনের মেয়ে।
খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের সম্মান শ্রেণির তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী বৃষ্টি। আর মো. আলিম
উদ্দিন (২৮) পাকিস্তানের লাহোর সিটির বাসিন্দা। তিনি একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি
করেন।
গত বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি আদালতে তাদের
বিয়ে হয়। রবিবার বেলছড়িতে নিজ গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে জানান
বৃষ্টির বাবা আবুল হোসেন। ওই তরুণী তার স্বামীর সঙ্গে পাকিস্তানে চলে যাবেন বলে জানিয়েছেন
স্বজনরা।
জানা গেছে, আট মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম
ফেসবুকে আলিম উদ্দিনের সঙ্গে তাহমিনার পরিচয় হয়। পরে কথা বলার এক পর্যায়ে দুজনের
মধ্যে প্রেম হয়। প্রেমের টানে ১১ ডিসেম্বর আলিম উদ্দিন পাকিস্তান থেকে চট্টগ্রাম হয়ে
মাটিরাঙ্গার বেলছড়িতে আসেন। এরপর উভয়ের সম্মতিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। এখন
তাহমিনার বাড়িতে অবস্থান করছেন পাকিস্তানি যুবক আলিম উদ্দিন।
বাবা আবুল হোসেন বলেন, তাহমিনা তার
স্বামীর সঙ্গে পাকিস্তানে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তার পাসপোর্ট ও ভিসার কাজ
চলছে। ততদিন পর্যন্ত তারা বাংলাদেশে থাকবেন। দোয়া করি তারা যেন সুখী হয়।
মন্তব্য করুন


টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ে স্রোতের কারণে
রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের পানি এখন বিপদসীমার ঊর্ধ্বে।
শনিবার রাত ১০টায় খোলা হবে কাপ্তাই
কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৬টি গেইট। এ গেইট দিয়ে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া
হবে প্রায় ৯ হাজার সিএফএম পানি। তবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে কাপ্তাই হ্রদের পানি আরও
বৃদ্ধি পেলে ৩২ হাজার পানি নিষ্কাশিত করা হবে। অর্থাৎ কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি
টানা বৃষ্টি আর ভারত সীমান্তের পাহাড়ি স্রোতের কারণে অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে
রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের পানি। পানির স্তর
বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদ তীরবর্তী অঞ্চল অর্থাৎ রাঙামাটির
৫টি উপজেলা বাঘাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, লংগদু ও বিলাইছড়ি। স্থানীয়দের তলিয়ে গেছে বসতঘর।
ফসল, ফসলি জমি, গবাদি পশু, দোকান পাঠ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
অন্যদিকে অতি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চাপ
বেড়েছে রাঙামাটি কাপ্তাই কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী গেইটে।
রাঙামাটি কাপ্তাই কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ
কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক এটিএম আব্দুজ্জাহের বলেন, রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদে বর্তমানে পানি
রয়েছে ১০৭.৬৬ ফুট এমএসএল। যা বিপদ সীমার কাছাকাছি। শনিবার রাত ১০টার দিকে ১৬টি স্পিলওয়ের
৬টি গেইটই খুলে দিয়ে ৯ হাজার সিএফএম পানি কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হবে। তাছাড়া বর্তমানে
কাপ্তাই হ্রদের পানি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যদি পানির চাপ বেশি থাকে, তাহলে আরও ৩২
হাজার সিএফএম পানি ছেড়ে দেওয়া হবে কর্ণফুলীতে।
মন্তব্য করুন


পাওনা
৩৬ হাজার টাকা না দেওয়ায় পরকীয়া প্রেমিকের হাতে খুন হয় কুমিল্লা হোমনা উপজেলার বড় ঘাগুটিয়া
ইউনিয়নের ঘাগুটিয়া গ্রামের শাহপরানের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার (৩৫), তাদের ৯ বছরের ছেলে
সাহাত এবং প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের মেয়ে তিশা (১৪)।
গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার হোমনার বড় ঘাগুটিয়া এলাকায় শাহপরানের ঘরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা।
হত্যাকাণ্ডের
পরই রহস্য উদঘাটনে এবং খুনিকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ।
এর একদিন পর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে হোমনার শ্রীমদ্দি চরেরগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূলহোতা আক্তার হোসেনকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আক্তার হোসেন (২৭) হোমনা শ্রীমদ্দি চরের গাঁও এলাকার হক মিয়ার ছেলে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর হত্যাকারী আক্তার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, নিহত মাহমুদার সঙ্গে তার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর মাহমুদা তার পরকীয়া প্রেমিক আক্তার হোসেনের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় টাকা ধার নিতো। সর্বশেষ আক্তার হোসেনের নিহত মাহমুদার কাছে ৩৬ হাজার টাকা পাওনা ছিল। আক্তার সেই টাকা মাহমুদার কাছে ফেরত চাইলে টাকা ফেরত দেব-দিচ্ছি করে আক্তারকে ঘোরাতে থাকেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কয়েক দফা বাগবিতণ্ডা হয়।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আক্তারকে তার পাওনা টাকা ফেরত দেবেন বলে বাড়িতে ডাকেন মাহমুদা। পরে রাতে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করেন মাহমুদা, হত্যাকারী আক্তার, মাহমুদার ছেলে সাহাত এবং মাহমুদার ভাতিজি তিশা।
খাওয়া শেষে তিশা ও সাহাত ঘুমিয়ে পড়ে। তখন আক্তার তার পাওনা টাকা ফেরত চাইলে মাহমুদা রাগারাগি করেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ফের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে মাহমুদাকে মাথায় আঘাত করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করেন আক্তার। আর ভাবতে থাকেন তিশা ও সাহাত তো সন্ধ্যায় তাকে দেখেছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা যদি আক্তারের কথা বলে দেয় সেই আশঙ্কা থেকে তাদের দুজনকেও গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে মরদেহ তিনটি এক খাটের ওপর রেখে পালিয়ে যান তিনি।
হোমনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন বলেন, তিনজনকে হত্যার ঘটনায় নিহত মাহমুদার বাবা বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করার পর ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে নামে পুলিশ। তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ হত্যাকারী আক্তারকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
তিনি আরও বলেন, শুক্রবার রাতে আক্তারকে তার নিজবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার বিকেলে আদালতে তোলা হলে ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার হোমনার বড় ঘাগুটিয়া এলাকায় শাহপরানের ঘরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এর আগে, বুধবার রাতের কোনো একসময় তিনজনকে হত্যা করে মরদেহ একটি খাটের ওপর ফেলে রাখা হয়।
নিহতরা হলেন বড় ঘাগুটিয়া এলাকার মো. শাহপরানের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার (৩৫), তাদের ৯ বছরের ছেলে সাহাত এবং প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের মেয়ে তিশা (১৪)।
এ
ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতেই নিহত মাহমুদার বাবা আবুল হোসেন বাদী হয়ে হোমনা থানায় একটি
হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতক আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরে শনিবার বিকেলে তাকে আদালতে তোলা হয়।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর চাটখিল ও সোনাইমুড়ী উপজেলায় জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও ১৪৪ ক্যান বিয়ারসহ ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোয়াখালী কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল হামিদ।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় জেলার চাটখিল-সোনাইমুড়ী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় তাদের।
আটকৃতরা হলো: চাটখিল উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়নের কড়িহাটি গ্রামের সৈয়দ গাজী বেপারী বাড়ির মোহাম্মদ উল্ল্যার ছেলে মাহমুদ হাসান সজিব (২৯) ও সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের ঘাসের খিল গ্রামের সৈয়দ গাজী বেপারী বাড়ির সিদ্দিক উল্ল্যার ছেলে মো. ইউসুফ(৩৫)।
সহকারী পরিচালক আব্দুল হামিদ আরও বলেন, আটকৃতরা একই বাড়ির বাসিন্দা। তাদের দুজনের বাড়ি দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী হওয়ায় বাড়ির এক অংশ চাটখিল উপজেলায় ও অপর অংশ সোনাইমুড়ী উপজেলায় অবস্থিত। এজন্য তাদের দুজনের থানা ভিন্ন। দীর্ঘদিন ধরে তারা দুইজন একসঙ্গে মাদক কারবার চালিয়ে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা তাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারি সজিবের বাড়ি থেকে ১৪৪ ক্যান রয়্যাল ডাচ বিয়ার জব্দ করা এবং ইউসুফের বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ১টি বিদেশি পিস্তল ও ২ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মামলা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মৃত্যুর ১৫ বছর পর কবরে মিললো অক্ষত
মরদেহ। চারপাশে চিকচিক করছিল বালু। কাফনের কাপড়টুকুতেও লাগেনি সামান্য দাগ।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বিকেলে রংপুর মহানগরীর নব্দীগঞ্জ গোদা-শিমলা এলাকায় এ ঘটনাটি
ঘটেছে। বিরল এ ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
রংপুর-কুড়িগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে
রংপুর মহানগরীর নব্দীগঞ্জ গোদা-শিমলা এলাকায় গ্যাসের সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ চলছিল।
এ কারণে সেখান থেকে কয়েকটি কবর স্থানান্তরের উদ্যোগ নেন স্বজনরা। দুইদিনে ৪টি কবর স্থানান্তরের
পর আরেকটি কবর খুড়তেই ঘটে আশ্চর্যজনক ঘটনা। দেখা গেল, অক্ষত অবস্থায় ধবধবে সাদা কাপড়
দিয়ে মোড়ানো আছে লাশ।
স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, ২০১০ সালে
সেখানে কবরস্থ করা হয়েছিল মরহুম আব্দুস সামাদকে। ১৫ বছর আগের সেই পুরোনো কবরটি স্থানান্তর
করতে গিয়ে এ ঘটনায় অবাক তারা। দ্বিতীয়বার স্বচোক্ষে অবিকল অভিভাবককে দেখতে পারায় অবাক
মরহুমের স্বজনসহ পুরো গ্রামবাসী।
জানা গেছে, ১০৫ বছর বয়সে সম্পূর্ণ সুস্থ
অবস্থায় নিজ বাড়িতে মারা যান আব্দুস সামাদ। ছিলেন কৃষিকাজের সাথে যুক্ত। তিনি আট ছেলে
ও চার কন্যাসন্তানের জনক। এরমধ্যে তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে মারা গেছেন।
আব্দুস সামাদের ছেলে জানান, আমার বাবা
যেদিন মারা যান, সেদিন বাড়ির পাশের পুকুরে একাই তিনি গোসল করেন। এরপর তিনি পুকুর থেকে
উঠে এসে চেয়ারে বসলে ওই অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি ধার্মিক মানুষ ছিলেন। কবর থেকে
মরদেহ উত্তোলনের পর তাকে পাশে অন্যদের সাথে দাফন করা হয়। তার শরীরের সবকিছুই স্বাভাবিক
মনে হয়েছে। শুধু শরীরের চামড়াটা শুকিয়ে গেছে।
আব্দুস সামাদের আরেক ছেলে জানালেন,
তার বাবার শরীরের কোথাও কোনো পচন ধরেনি। এমনকি কাফনের কাপড়ও নষ্ট হয়নি। তাকে কোনো কিছুই
স্পর্শ করেনি। হজের ইহরামের কাপড় দিয়ে তাকে কবরস্থ করা হয়েছিল। যেভাবে তাকে কিবলামুখী
করে রেখেছিলাম সেভাবেই কবরে ছিল। আলহামদুলিল্লাহ এটা আল্লাহর বান্দার প্রতি তার রহমত
ছাড়া আর কিছুই নয়।
স্থানীয়রা জানান, ১৫ বছর আগে আমরা তাকে
কবরস্থ করার সময় যেভাবে দাফন করেছিলাম। সেদিন ওই অবস্থায় তার লাশ কবর থেকে উত্তোলন
করা হয়। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য লাশের হাত-পায়ের সামান্যতম পরিবর্তন হয়নি।
ধাপ সাতগাড়া বায়তুল মোকাররম মডেল কামিল
মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আনম হাদিউজ্জামান জানান, এ ধরনের ঘটনা অস্বাভাবিক নয়, যারা
দুনিয়াতে সবকিছু ভুলে আল্লাহর আদেশ নিষেধ মেনে চলেন তাদেরকে কবরে সুসংবাদ দেওয়া হয়।
কবর পোকা-মাকড়ের ঘর হলেও তাদের কোনো কিছুই স্পর্শ করে না। শুধু তাই নয় ইসলামের পথে
থাকা ওইসব ব্যক্তির দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ নিজের। আল্লাহ ওই ব্যক্তিকে তার ভালো কাজের
জন্য পুরস্কার হিসেবে এটা দিয়েছেন। কারণ এটা আল্লাহর প্রতিশ্রুতি। আল্লাহ ঘোষণা দিয়েছেন
যারা আল্লাহর হয়ে যান, আল্লাহ তার হয়ে যান।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার:
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় নগরীর টিক্কারচর গোমতীর পাড় সংলগ্ন ক্রীড়া পল্লীতে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি (সিডিবিএ) টি-১০ প্রিমিয়ার ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট-২০২৪-২৫ইং খেলার শুভ উদ্বোধন।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি এডভোকেট আছিয়া মাহজাবিন খান নিশু।
ওই খেলায় ১২টি দল অংশগ্রহণ করবেন। এ দলগুলো হলো: লিগ্যাল ফাইটারস্, লিগ্যাল লেগাম গেইন্ট (এলএলজি), ময়নামতি-১৬, ডায়নামিক ল' ইয়ার্স্, টিম-২৪, লিগ্যাল ওয়ারিয়র্স, এমিকাস র্যাংগার্স, সিবিএ এডভোকেটস্, জেড-ফোর্স, রাবেল রিডার্স, রয়েল ল' ইয়ার্স ও সিবিএ সেলেঞ্জারস্।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন শাসনগাছা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকা থেকে ০৬ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত (২১ জুন) বিকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ জামাল হোসেন (৫০), ২। মোঃ শাহিন (৪৮), ৩। রাসেল আহমেদ (২৭) এবং ৪। মোঃ খোকন (৫০) নামক ০৪ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির ২,৫৪০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গত (২১ জুন) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মিজানুর রহমান (২২) এবং ২। মোঃ আব্দুর রশিদ (৫০) নামক ০২ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির ৯,৭৯০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ জামাল হোসেন (৫০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার শাসনগাছা গ্রামের মৃত শফিক ইসলাম এর ছেলে, ২। মোঃ শাহিন (৪৮) একই গ্রামের মৃত খয়েজ আলী এর ছেলে, ৩। রাসেল আহমেদ (২৭) একই গ্রামের মৃত আবুল হাশেম এর ছেলে, ৪। মোঃ খোকন (৫০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার সাতোরা চম্পকনগর গ্রামের মৃত তাজুল এর ছেলে, ৫। মিজানুর রহমান (২২) কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানার পরকরা গ্রামের আবুল হাশেম এর ছেলে এবং ৬। মোঃ আব্দুর রশিদ (৫০) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার উত্তর বিজয়পুর গ্রামের মানিক মিয়া এর ছেলে।
আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা সকলেই চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী ও সদর দক্ষিণ থানা এবং এর আশ-পাশের বিভিন্ন রাস্তায় অটো, সিএনজি ইত্যাদি পরিবহনের ড্রাইভার ও হেলপারদের নিকট হতে ক্ষয়ক্ষতি ও গুরুতর আঘাতের ভয়ভীতি দেখিয়ে বলপূর্বক টাকা গ্রহণ করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন মাঝিগাছা এলাকা থেকে অস্ত্রসহ অস্ত্রধারীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ এর সিপিসি-২।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ০৬ ডিসেম্বর বুধবার রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন মাঝিগাছা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ১টি পাইপগানসহ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হলো: কুমিল্লার জেলার কোতয়ালী মডেল থানার, বিষ্ণপুর (পশ্চিমপাড়া) এলাকার মৃত তবদল হোসেন এর ছেলে মোঃ জাহের (৩৮)।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
সদর দক্ষিণের সোয়াগঞ্জ বাজার এলাকায় ইফতারির বাজার, মৌসুমি ফলসহ নিত্যপণ্যের
বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা।
রোববার (২৪ মার্চ) ভোক্তা-অধিকার বিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। পঁচা-বাসি এবং রং যুক্ত খাবার জব্দ করে ধ্বংস করা। অভিযানে ভোক্তা সাধারণের মাঝে যৌক্তিক মূল্যে তরমুজ বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।
এ
তদারকি অভিযানের সময় ব্যবসায়ীদের ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার যাচাই করা হয়। ন্যায্যমূল্যে
পণ্য বিক্রয় করতে, দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন করতে, মানুষের স্বাস্থ্যের
জন্য ক্ষতিকর এমন অপদ্রব্য না মেশাতে এবং মেয়াদহীন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয়
ও সংরক্ষণ না করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
জাতীয়
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের
নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ইসরাইল হোসেন এবং
জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় মৌসুমি ফলসহ নিত্যপণ্যের বাজারে ভোক্তা অধিকারের তদারকি অভিযান পরিচালনা করা হয় ।
বৃহস্পতিবার কুমিল্লার টমছম ব্রিজ বাজার ও ঢুলিপাড়া এলাকায় অভিযানের সময় সকল স্তরের ভাউচার যাচাই করা হয়। ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রয় করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অভিযানের ফলে অন্য সময়ে ৬০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া তরমুজ যৌক্তিক মূল্যে ৩০০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হয়।
উৎসুক ভোক্তা সাধারণ যৌক্তিকমূল্যে উৎসবমুখর পরিবেশে তরমুজ ক্রয় করেন এবং তদারকি টিমের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আজ ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে চার প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।
জনস্বার্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় এনায়েতপুর
কেন্দ্রে পরীক্ষার খাতা দেখতে না দেওয়ায় সহপাঠীদের মারধরে আহত ইমন হোসেন (১৬) নামে
এক এসএসসি পরীক্ষার্থী মারা গেছে। গত ১৮ এপ্রিল তাকে মারধর করা হয়েছিল।
গত শুক্রবার খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত ইমন উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের
ইমদাদুল মোল্লার ছেলে। সে স্থানীয় খুকনী উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায়
অংশ নিয়েছিল।
নিহত ইমনের বাবা ইমদাদুল মোল্লা জানান,
গত ১৭ এপ্রিল এনায়েতপুর ইসলামী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা
চলাকালে কয়েকজন সহপাঠী ইমনের খাতা দেখে পরীক্ষা দিতে চায়। এতে সে রাজি হয়নি। পরদিন
শুক্রবার দুই সহপাঠী তাকে ডেকে নিয়ে যায়। পাশের বেলকুচি উপজেলার দৌলতপুর নতুনপাড়ায়
নিয়ে গিয়ে কয়েকজন মিলে তাকে মারধর করে। মারধরে ইমনের মাথার বাম পাশের খুলি ভেঙে যায়।
গুরুতর অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ও পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়। বুধবার তাকে বাড়িতে আনা হয়েছিল। শুক্রবার
অবস্থার অবনতি হলে তাকে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই
সে মারা যায়।
এনায়েতপুর থানার ওসি রওশন ইয়াজদানি
শনিবার বিকেলে বলেন, শিক্ষার্থী ইমনের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় জিডি হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের
পর শুক্রবার রাতে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়। শনিবার
ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ সুপার বিষয়টি জেনে
বেলকুচি থানায় মামলা করার জন্য সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।ু
মন্তব্য করুন