

সরকারি
চাকরিজীবীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই লম্বা ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে পবিত্র
শবেবরাত পালিত হবে। সে উপলক্ষে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি
ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরের দিন ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার)।
এ
অবস্থায় কেবল এক দিনের ছুটি নিলেই টানা চার দিনের ছুটি কাটানো যাবে। কেননা এর পরের
দুদিন যথাক্রমে ৬ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) ও ৭ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি। সুতরাং
মাত্র এক দিনের ছুটি নিলেই সরকারি চাকরিজীবীরা টানা চার দিনের ছুটি কাটাতে পারবেন।
এদিকে,
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ক্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সে
উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এর পরের দুদিন ১৩ ও ১৪
ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। অর্থাৎ এখানে মিলছে টানা চার দিনের
ছুটি।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামী
১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
আর
১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের
দিন সাধারণ ছুটি থাকবে, যা আগেই ঘোষণা করা হয়।’
অন্যদিকে,
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, চলতি বছরে
মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি ও ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্র
ও শনিবারে পড়েছে। এ ছাড়া ২০২৬ সালে ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটি নির্ধারিত হয়েছে।
সে
অনুযায়ী মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫ দিন; হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৯ দিন; খ্রিস্টান
ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৮ দিন; বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর
সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহ জেলার পুরোহিতপাড়া এলাকা থেকে ১টি পিস্তল, ৩টি রিভলবারসহ বিপুল পরিমান দেশি অস্ত্র উদ্ধার, একই সঙ্গে ৪৭টি ককটেল, ৫টি ফেনসিডিলসহ ২৭৯টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন জব্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ জুন) বিকেলে সংশ্লিষ্ট মামলায় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ আসামিদের ময়মনসিংহের চিফ জুডিসিয়াল আদালতে পাঠিয়েছে ।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: জামিল হোসেন (২৪) ও মো. সেলিম মিয়া (৬৫)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা চিহ্নিত মাদক কারবারি।
এর আগে ১০ জুন রাতে নগরীর পুরোহিতপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন।
জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে আসামিরা অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ককটেল ও মাদক কারবারি চক্রের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে থানায় ৪টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় ২টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ৭দিনের রিমান্ড এর আবেদর করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বিস্তারিত জানা যাবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এখন এভার কেয়ার হাসপাতালে নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। এ অবস্থায় তিনি সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছেন মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
তিনি জানান, মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থাকে গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছে।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন যেন মহান আল্লাহ তাকে দ্রুত সুস্থ করে তোলেন।
এর আগে গত রোববার (২৩ নভেম্বর) রাতে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।
গত ৭ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। সেখানে ১১৭ দিন অবস্থান শেষে ৬ মে দেশে ফেরার পর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাচ্ছিলেন।
মন্তব্য করুন


এশিয়ান
নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনসের (আনফ্রেল) একটি নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
আজ
বুধবার ( ১১ ফেব্রুয়ারি ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাত সদস্যের
সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন রোহানা হেট্টিয়ারাচ্ছি ।
এ
সময় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালী টু ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের সেতু ভাঙ্গা পশ্চিম বাজার দানবাক্স এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক আয়ুবের্দিক চিকিৎসকের মৃত্যু ঘটে।
নিহত চিকিৎসক আবু নুর মোহাম্মদ মাসুম (৩৮) লক্ষীপুর সদর উপজেলার পশ্চিম সৈয়দপুর গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে। এ দুর্ঘটনায় নিহতের ভাই মাসুদ রানা (৫০) আহত হয়।
আজ সকালে নোয়াখালী টু ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের সেতু ভাঙ্গা পশ্চিম বাজার দানবাক্স এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মাসুমের অনেক জায়গায় আয়ুবের্দিক চিকিৎসার চেম্বার ছিল। সকালে তারা দু'ভাই অ্যাম্বুলেন্সযোগে ফেনীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। যাত্রা পথে অ্যাম্বুলেন্সটি নোয়াখালী টু ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের সেতু ভাঙ্গা পশ্চিম বাজার দানবাক্স এলাকায় পৌঁছলে অ্যাম্বুলেন্সের সামনে থাকা ব্যানারটি তাদের গাড়ির চাকায় পেঁচিয়ে পুরো রাস্তাজুড়ে মাঝামাঝি ভাবে দাঁড়িয়ে যায়। ওই সময় পিছনে থাকা ক্যাভার্ড ভ্যানটি তাদের অ্যাম্বুলেন্সে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কা মারার তীব্রতা এত বেশি ছিল যে অ্যাম্বুলেন্সটি উড়ে গিয়ে রাস্তার উল্টো পাশে পড়ে নোয়াখালী মুখি হয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে চিকিৎসকের মৃত্যু হয়।
উক্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন চন্দ্র হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুর মোহাম্মদ।
তিনি বলেন ঘটনার পরপরই ঘাতক কাভ্যার্ড ভ্যানটি পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরে সাবেক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল
হকের বাড়িতে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে
বলে আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী।
আজ শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা বলেন। এর আগে তিনি
ওই ঘটনায় গুরুতর আহত কয়েকজনকে দেখতে ঢামেকের জরুরি বিভাগে আসেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের কোনো ছাড় নয়। এটার ক্ষেত্রে
আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা তো নিচ্ছিই, যারা জড়িত তাদের সর্বোচ্চ বিচারের আওতায় আনা হবে।
তাদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয় এ ব্যবস্থা করা হবে। এর আগে হাসপাতাল ঘুরে আহত ছাত্রদের খোঁজখবর নেন
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন আইজিপি বাহারুল আলম ও ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত
আলী।
তারা সকাল সোয়া ১০টার দিকে ঢামেকের
অর্থোপেডিক বিভাগ ও বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের ৬ষ্ঠ তলার ৬১৭ নং ওয়ার্ডে
আহতদের দেখতে যান এবং তাদের খোঁজখবর নেন। পরে পৌনে ১১টার দিকে তারা হাসপাতাল ত্যাগ
করেন।
হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত ১০ জনকে ঢাকা
মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন- শুভ
শাহরিয়া (১৬), ইয়াকুব (২৪), সৌরভ (২২), কাশেম (১৭), হাসান (২২), রৌহান আহমেদ (২২),
ওমর হামজা (২২), ছাব্বির খান মিলন (২২) নাঈম (২১) ও ইয়াকিব (২৩)।
মন্তব্য করুন


বর্তমান
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই শহীদ হাদি হত্যার বিচার সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি
আজ রোববার (২৮ ডিসেম্বর ) বিকেলে স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে
এ কথা জানান।
এ
সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, হাদি হত্যা মামলা চলাকালীন এ যাবত ১১ জনকে গ্রেফতার
করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো— ঘটনার মূল হোতা ফয়সাল করিম মাসুদের
বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ
শিপু, গার্লফ্রেন্ড মারিয়া আক্তার লিমা, মো. কবির, নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল,
সিবিয়ন দিও, সঞ্জয় চিসিম, মো. আমিনুল ইসলাম রাজু ও মো. আব্দুল হান্নান।
তিনি
আরও বলেন, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৬ জন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে
এবং ৪ জন সাক্ষীও ১৬৪ ধারায় সাক্ষ্য প্রদান করেছে।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জব্দকৃত উল্লেখযোগ্য আলামতসমূহ হলো— হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুইটি বিদেশি পিস্তল, ৫২ রাউন্ড
গুলি, ম্যাগাজিন ও ছোরা, হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও ভুয়া নম্বর প্লেট, ঘটনাস্থল
থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত গুলির খোসা, বুলেট, ভিডিওচিত্র সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য
আলামত এবং প্রায় ৫৩টি একাউন্টের মোট ২১৮ কোটি
টাকার স্বাক্ষরিত চেক।
তিনি
আরও বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত রয়েছে— তা উদঘাটনের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনীর সদস্যদের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
মো.
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য, সাক্ষীদের জবানবন্দি
ও উদ্ধারকৃত আলামত পর্যালোচনা ও সার্বিক বিবেচনায় মামলাটির তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
আগামী
১০ দিনের মধ্যে (৭ জানুয়ারি ২০২৬) এ মামলার চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা
প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
টঙ্গী তুরাগ তীরে আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত
হয়। লাখো মুসল্লি এ জুমার নামাজে অংশ নেন।
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে জুমার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সাদ'র বড়
ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।
বৃহস্পতিবার
(৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বের
আনুষ্ঠানিকতা।
আজ
লাখো মুসল্লির সঙ্গে শরিক হয়ে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ আদায় করতে সকাল থেকেই চারদিক
থেকে মুসল্লিরা ইজতেমার ময়দানে আসতে শুরু করেন। ময়দানে, সড়ক-মহাসড়ক, খালি জায়গাসহ
বিভিন্ন স্থানে পলিথিন, খবরের কাগজ ও চট বিছিয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।
যানজট
নিয়ন্ত্রণে ও মুসল্লিদের নিরাপত্তায় রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েক
হাজার সদস্য।
আজ
বয়ান করেন যারা:
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) ফজরের পরে বয়ান করেন মাওলানা ইলিয়াস বিন সাদ। তার বয়ান বাংলায়
তর্জমা করেন মাওলানা মনির বিন ইউসুফ। জুমার আগে জুমার ফাজায়েল বয়ান করেন মাওলানা
মনির বিন ইউসুফ।
জুমার
পরে বয়ান করবেন- শেখ মোফলে (আরবি) এবং বাংলা তর্জমা করবেন মাওলানা শেখ আব্দুল্লাহ
মনসুর। আসরের পরে বয়ান করবেন মাওলানা মোশাররফ। মাগরিবের পরে বয়ান করবেন মাওলানা ইউসুফ
বিন সাদ। পরে তা বাংলায় তর্জমা করবেন মাওলানা জিয়া বিন কাশেম।
মুসল্লির
মৃত্যু-
বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আয়োজকরা জানান, শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে ৪ জন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
তারা
হলেন, শেরপুর সদর থানার রামকৃষ্ণপুর এলাকার আবুল কালাম (৬৫), নেত্রকোনার কেন্দুয়া
থানার কুতুবপুর এলাকার হেলিম মিয়া (৬৫), দিনাজপুরের
নবাবগঞ্জ থানার শিবনগর এলাকার জহির উদ্দিন (৭০) ও জামালপুরের ইসলামপুর থানার গোয়ালের
চর এলাকার নবীর উদ্দিন (৬৫)।
রোববার
(১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।
মন্তব্য করুন


কুষ্টিয়া-৩
আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আলোচিত ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজাকে হত্যার
হুমকি দেওয়া হয়েছে।
রোববার
(১৮ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় বিভিন্ন মাধ্যম থেকে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ
করে নিজ ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন আমির হামজা।
পোস্টে
তিনি উল্লেখ করেন, ‘একটু জানিয়ে রাখি— গতকাল থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে আমাকে
হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমি মৃত্যুর জন্য সব সময় প্রস্তুত ইনশাআল্লাহ।’
তার
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আপনাদের কাছে অনুরোধ রইল—
কুষ্টিয়াতে যে ইনসাফ কায়েমের লড়াই আমরা শুরু করেছি আমার অনুপস্থিতিতে সেটা প্রতিষ্ঠিত
কইরেন এবং আমার ৩ শিশু কন্যা সন্তানকে একটু দেখে রাইখেন।’
নিজের
ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে করা পোস্ট প্রসঙ্গে জানতে চেইলে মুফতি আমির হামজা কালবেলাকে
জানান, পাবনা-৪ আসনের বিএনপির এমপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব তো সরাসরি টেলিভিশন
টকশোতে হুমকি দিয়েছে। আমি আগামীকাল নিরাপত্তার জন্য থানায় জিডি করব। সংবাদ সম্মেলনের
মাধ্যমে সবাইকে জানাব।
নির্দিষ্ট
কোনো রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে হুমকি পাচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি কালবেলাকে জানান,
নির্দিষ্ট কোনো জায়গা না, সব মাধ্যম থেকেই হুমকি আসছে। নির্দিষ্ট করে নাম বলতে পারছি
না। আগামীকাল পর্যন্ত বিষয়টা দেখব কী হয়। আগামীকাল জিডি করে আপনাদের জানাব।
নিরাপত্তা
ঝুঁকি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, না, সেরকম মনে করছি না। বিষয়টি দল থেকে দেখছে।
এ
সময় তিনি পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়ে বলেন, আমার মেয়েগুলো ছোট, চিন্তাতো হয় সবার।
মানুষ তো সব এক রকম না। দেখলেন না হাদি সাহেবের কী হয়ে গেল।
মন্তব্য করুন


সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে । বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহার করা গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা বাড়িয়ে গেজেট জারি করা হয়েছে। নতুন এ দাম চলতি ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কার্যকর ধরা হয়েছে।
এর আগে গত বছরের ১৮ জানুয়ারি আবাসিক, সিএনজিচালিত যানবাহন, সার ও চা শিল্পে ব্যবহার ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল, যা ওই বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কার্যকর হয়।
সরকারি, আইপিপি ও রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের জন্য গ্যাসের পূর্ব মূল্য ছিল প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা যা বাড়িয়ে বর্তমান মূল্য করা হয়েছে ১৪ টাকা ৭৫ পয়সা।
ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট, স্মল পাওয়ার প্ল্যান্ট ও বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ছিল প্রতি ঘনমিটার ৩০ টাকা। এক্ষেত্রেও ৭৫ পয়সা বাড়িয়ে সেটা ৩০ টাকা ৭৫ পয়সা করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ভতুর্কি সমন্বয়ে বিদ্যুতের সঙ্গে গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে । গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেছিলেন, গ্যাসের দাম সমন্বয় গ্রাহক পর্যায়ে হচ্ছে না। বিদ্যুতের পর্যায় হচ্ছে। গ্যাসের আবাসিক পর্যায়ে ব্যবহারের ক্ষেত্রে দাম বাড়ছে না। শিল্পেও গ্যাসের দাম বাড়ছে না। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে যে গ্যাস দেওয়া হয় সেখানে আমরা কিছুটা সমন্বয় করছি।
তিনি বলেন যে গ্যাস বিদ্যুতে দেওয়া হয় সেখানে প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা বাড়বে, অর্থাৎ এটা ইন্টারনাল।
এ বছর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি আসবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি ক্ষেত্রে ৬ হাজার কোটি টাকার মতো ভর্তুকি আসবে। এগুলো আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আমরা সমন্বয়ে যাবো।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের সরকারি সিদ্ধান্তে আনন্দ প্রকাশ
করেছে বিএনপি।
আজ রবিবার (১১ মে) দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক
বিবৃতিতে এ কথা জানান।
তিনি বলেন, গত ১০ ফেব্রুয়ারি আমরা প্রধান উপদেষ্টা সঙ্গে সাক্ষাৎকালে
তার হাতে দেওয়া পত্রে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল
হিসেবে বিচারিক প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছিলাম।
তিনি বলেন, গত ১৬ এপ্রিল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সর্বশেষ সাক্ষাৎকালেও
তার হাতে দেওয়া পত্রে আমরা পতিত ফ্যাসিবাদী দল ও সেই দলীয় সরকারের সঙ্গে যারাই যুক্ত
ছিল, তাদের বিচার দ্রুত করে দেশের রাজনীতির ময়দানকে জঞ্জালমুক্ত করার দাবি জানিয়েছি।
আলোচনায় আমরা স্পষ্ট করে বলেছিলাম যে, আইনি প্রক্রিয়াতেই ফ্যাসিবাদী দল আওয়ামী লীগকে
নিষিদ্ধ করা সম্ভব ও উচিত। বিভিন্ন সভা, সমাবেশে ও আলোচনায় আমরা আমাদের এসব দাবি বার
বার উত্থাপন করেছি।
উল্লেখযোগ্য যে, আমরা প্রশাসনিক আদেশে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের
বিরুদ্ধে বলেই বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার পতনের আগ মুহূর্তে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে
নিষিদ্ধ ঘোষণার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছিল বিএনপি।
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা আনন্দিত যে, বিলম্বে
হলেও গত রাতে (১০ মে) অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ফ্যাসিবাদী সরকারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুত করার এবং বিচারকার্য নির্বিঘ্ন করার স্বার্থে ফ্যাসিবাদী
দল আওয়ামী লীগ ও তার সঙ্গে যুক্ত সব সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রাসঙ্গিক আইন সংশোধন করে বিচারিক প্রক্রিয়ায়
গুম, খুন, নিপীড়ন ও জনগণের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন অপশাসন চালনাকারী ফ্যাসিবাদী দলের বিচার
করার সিদ্ধান্তকে আমরা সঠিক বলে মনে করি। তবে আমাদের দাবি মেনে আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া
হলে চাপের মুখে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো বিব্রতকর ও অনভিপ্রেত অবস্থায় সরকারকে পড়তে হতো
না। ভবিষ্যৎ কার্যক্রম পরিচালনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে মনে
রাখবেন বলে আমরা আশা করি। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ভোটাধিকার বঞ্চিত জনগণ তাদের ভোটাধিকার
তথা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই ফ্যাসিবাদের পতনের জন্য গুম, খুন, জেল, জুলুম
সহ্য করেও অব্যহত লড়াই করেছে। তাদের সেই দাবি এখনও অর্জিত হয়নি। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার
সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণঅর দাবিও ক্রমাগত উপেক্ষিত হওয়ায় জনমনে যে ক্ষোভোর সৃষ্টি
হচ্ছে, সে ব্যাপারে সচেতন হওয়ার জন্য আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন