ফেরার আকুতি অধরাই থেকে গেল খালেদা জিয়ার পৈতৃক বাড়ি

ফেরার আকুতি অধরাই থেকে গেল খালেদা জিয়ার পৈতৃক বাড়ি
ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক নেমে এসেছে তার পৈতৃক জেলা ফেনীতে। শোকাচ্ছন্ন পরিবেশে স্তব্ধ হয়ে আছে ফুলগাজীর পৈতৃক জনপদ।মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোররাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুরে তার পৈতৃক বাড়িতে ভিড় করতে থাকেন স্বজন, দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।পৈতৃক বাড়িতে মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনায় কুরআন খতম ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। শোকে নীরব হয়ে পড়েছে পুরো এলাকা।স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, ফেনীর সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার সম্পর্ক ছিল আবেগঘন ও গভীর। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ফেনীতে এলে তিনি নিয়মিতই ফুলগাজীর পৈতৃক বাড়িতে সময় কাটাতেন। তার প্রয়াণে একজন অভিভাবককে হারানোর বেদনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।খালেদা জিয়ার চাচাতো ভাই শামীম হোসেন মজুমদার বলেন, এই বাড়ির সঙ্গে তার অসংখ্য স্মৃতি জড়িয়ে আছে। আমরা সবাই আশা করেছিলাম, তিনি আবার সুস্থ হয়ে এই আঙিনায় ফিরবেন। কিন্তু হঠাৎ পাওয়া দুঃসংবাদ আমাদের সেই আশাকে চিরতরে নিভিয়ে দিয়েছে।উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়া ফেনী-১ আসন থেকে পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি ওই আসনের প্রার্থী ছিলেন। তার পক্ষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে সম্প্রতি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন দলের নেতাকর্মীরা।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

ফেনীতে সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত

ফেনীতে সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত
ছবি: সংগৃহীত

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ৫২মিনিটে ফেনী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে।

ফেনী রেলস্টেশনের মাস্টার মো. হারুন জানান, ঢাকা চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রামগামী সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ১টি বগির ৪ চাকা লাইনচ্যুত হয়েছে। তবে রেলযোগাযোগ স্বাভাবিক রয়েছে। 

ক্ষতিগ্রস্ত ট্রেনটির ৯টি বগির মধ্যে ৭টি চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হবে। আর ২টি বগির মেরামত কাজ শেষ করে পরে রওনা করবে।

এঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, সাগরিকা এক্সপ্রেসের আনসার কমান্ডার শফিকুর রহমান।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

কমছে তাপমাত্রা,বাড়বে কুয়াশা

কমছে তাপমাত্রা,বাড়বে কুয়াশা
সংগৃহীত

দেশের বেশিরভাগ জায়গায় রাতের তাপমাত্রা কমেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে আজ রাতেও তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে ।

মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল রাজশাহীতে। একদিন আগে সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে কমে হয়েছে ১৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তবে আগামী কয়েকদিন সারাদেশে কুয়াশা ফের বেড়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টা অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং এটি কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে মধ্যরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগে সাময়িকভাবে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

এ সময়ে সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। কুয়াশার কারণে সারাদেশে দিনে ঠান্ডা পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে।

বুধ ও বৃহস্পতিবার সারাদেশে ঘন কুয়াশা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, বুধবার সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। বৃহস্পতিবার সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

তবে পরবর্তী পাঁচদিনে তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলেও জানান তরিফুল নেওয়াজ কবির।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

শহীদ লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যার ঘটনায় জড়িত আরও ১ জনকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

শহীদ লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যার ঘটনায় জড়িত আরও ১ জনকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
সংগৃহীত

গত ২৪ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনার সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩) শহীদ হয়েছিলেন।

 

এ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত দুষ্কৃতিকারীদের ধরতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান চলমান রয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে আজ শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) আনুমানিক ১০:৩৫ মিনিটে চকোরিয়ার রংমহল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন প্রকাশ (৩৫) ওরফে ভিন্ডি কামালকে আটক করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাত কামাল উক্ত ডাকাতির ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা স্বীকার করেছে। অদ্যাবধি উক্ত হত্যাকাণ্ড এবং ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যাদের মধ্যে ৩ জন সরাসরি হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল। উক্ত ঘটনায় জড়িত অবশিষ্ট ডাকাতদের গ্রেফতারের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বাত্মক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃতকে চকরিয়া থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে চকরিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

পরাজিত ফ্যাসিস্ট শক্তি দেশের মাটিতে আর ফিরে আসার সুযোগ নেই : ড. ইউনূস

পরাজিত ফ্যাসিস্ট শক্তি দেশের মাটিতে আর ফিরে আসার সুযোগ নেই : ড. ইউনূস
ছবি

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ টেলিভিশন, বিটিভি নিউজ ও বাংলাদেশ বেতারসহ সব বেসরকারি টেলিভিশনে একযোগে এই ভাষণ সম্প্রচার করা হয়।

ভাষণে ড. ইউনূস বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের কারণে ম্লান হয়ে পড়েছিল। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জাতি আবারও একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ পেয়েছে।

জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ তুলে ধরা হলো- প্রিয় দেশবাসী, শিশু, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী, ছাত্র-ছাত্রী, নারী-পুরুষ, নবীন-প্রবীণ—আপনাদের সকলের প্রতি আমার আন্তরিক সালাম ও শ্রদ্ধা। আসসালামু আলাইকুম! মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশে ও বিশ্বজুড়ে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে জানাই বিজয়ের উষ্ণ শুভেচ্ছা। আজ বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় গৌরবময় দিন। ১৯৭১ সালে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ শেষে এই দিনে আমরা পাই কাঙ্ক্ষিত বিজয়ের স্বাদ। অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা আর লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাই একটি স্বাধীন দেশ ও লাল-সবুজের পতাকা। গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি মহান মুক্তিযুদ্ধসহ স্বাধীনতার জন্য যুগযুগ ধরে লড়াই-সংগ্রামে যারা আত্মত্যাগ করেছেন সেইসব বীর যোদ্ধা ও শহীদদের। তাদের এই অবদান আমাদের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রেরণা ও সাহস যোগায়, সকল সংকট-সংগ্রামে দেখায় মুক্তির পথ। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার যে নতুন সূর্য উদিত হয়েছিল, বিগত বছরগুলোতে তা স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদে ম্লান হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা আবারও একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত, স্বাধীন ও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি উন্নত ও সুশাসিত বাংলাদেশের শক্তিশালী ভিত গড়ে তুলতে যে বিস্তৃত সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, দেশের আপামর জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আজ আমরা তার সফল পরিসমাপ্তির পথে এগিয়ে যাচ্ছি। প্রিয় দেশবাসী, আপনাদের সামনে আজ উপস্থিত হয়েছি অত্যন্ত ব্যথিত হৃদয়ে। এই আনন্দের দিনে গভীর বেদনার সঙ্গে জানাচ্ছি— জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখযোদ্ধা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর সম্প্রতি যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তা শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়—এটি বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত, আমাদের গণতান্ত্রিক পথচলার ওপর আঘাত। শরিফ ওসমান হাদি বর্তমানে সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন। তার চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়েছে। আপনারা তার জন্য মহান আল্লাহতায়ালার কাছে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে দোয়া করুন। বিজ্ঞাপন সরকার এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা গেছে। আমি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই—যারা এই ষড়যন্ত্রে জড়িত, তারা যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই—পরাজিত শক্তি ফ্যাসিস্ট টেরোরিস্টদের এই অপচেষ্টা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ করে দেওয়া হবে। ভয় দেখিয়ে, সন্ত্রাস ঘটিয়ে বা রক্ত ঝরিয়ে এই দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না। আপনাদের প্রতি আহ্বান জানাই—সংযম বজায় রাখুন। অপপ্রচার বা গুজবে কান দেবেন না। ফ্যাসিস্ট টেরোরিস্টরা, যারা অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়, আমরা অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের মোকাবিলা করবো। তাদের ফাঁদে পা দেবো না। পরাজিত ফ্যাসিস্ট শক্তি এ দেশের পবিত্র মাটিতে আর কোনোদিন ফিরে আসবে না। বিজ্ঞাপন প্রিয় দেশবাসী, আমাদের তরুণদের রক্ষা করুন। তাহলে আমরা সবাই এবং আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি রক্ষা পাবে। যারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে তারা বুঝে গেছে তরুণ যোদ্ধারা তাদের পুনরুত্থানের পক্ষে ভীষণ রকম বাধা। এই অস্ত্রহীন, ভীতিহীন, ব্যক্তিগত স্বার্থ সম্বন্ধে সম্পূর্ণ উদাসীন— দৈনন্দিন এই চেহারার ছেলেমেয়েদের নিয়ে তাদের সাংঘাতিক ভীতি। তাদের লক্ষ্য হলো নির্বাচন আসার আগেই পথের এই বাধাগুলো সরিয়ে ফেলা, নিজেদের রাজত্ব আবার কায়েম করা। তাদের বন্ধুরা যতদিন তাদের সঙ্গে আছে ততদিন তারা এই স্বপ্ন দেখবে। নির্বাচন হয়ে গেলে তাদের বন্ধুরা সমর্থন জোগাতে বেকায়দায় পড়বে। সেজন্যইতো এত তাড়াহুড়া। তারা চায় নির্বাচনের আগেই তাদের ফিরে আসা নিশ্চিত করতে। নানা ভঙ্গিতে এটা তারা করবে। এই চোরাগোপ্তা খুন করার উদ্যোগ তার একটা রূপ। আরও কঠিনতর পরিকল্পনা নিয়ে তাদের প্রস্তুতি আছে। দেশের সবাইকে জোর গলায় বলতে হবে আমরা তরুণদের রক্ষা করবো। এখানে পুরনো আমলের দাসত্ব মেনে যারা আছে তাদের দাসত্ব থেকে বের হয়ে আসতে হবে। উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করে আমরা সবাই মিলে দেশের ওপর আমাদের পরিপূর্ণ দখল প্রতিষ্ঠিত করবো। নির্বাচন অব্দি আর বাকি মাত্র দু’মাস। আমরা তাদের ওপর নজর রাখবো এবং বাকি দিনের প্রতিটি দিন উৎসবমুখর করে রাখবো। যেহেতু আমাদের কিশোর কিশোরী তরুণ তরুণীদের মনে কোনো ভয়ডর নেই তাই তারা নির্বাচনের আগের দু’মাসের প্রতিটি মুহূর্তকে উৎসবমুখর করে রাখবে। সব রকমের হিংসা, কোন্দল থেকে দেশকে বাঁচিয়ে রাখবে। প্রিয় দেশবাসী, আপনারা জানেন, জাতীয় নেত্রী, দেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক রাজনীতির অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তিত্ব এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আছেন। এ বিষয়টি আমাদের সকলের জন্যই উদ্বেগের বিষয়। বিজ্ঞাপন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার বিষয়টি শুরু থেকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রতি তার অবিচল অঙ্গীকার, দেশের উন্নয়নে তার অবদান এবং তার প্রতি জনগণের শ্রদ্ধাময় আবেগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার ইতোমধ্যেই তাকে রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পরিবারের ইচ্ছাকে সম্মান দেখিয়ে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। দেশে চিকিৎসার পাশাপাশি প্রয়োজনে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থাসহ সব বিষয় বিবেচনায় রয়েছে। প্রিয় দেশবাসী, দায়িত্ব গ্রহণের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তিনটি বিষয়কে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে— জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডের বিচার, একটি জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় উত্তরণের জন্য রাষ্ট্রকাঠামোর প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্কার এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্দেশে সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক একটি মামলার রায় ঘোষিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল স্বাধীন ও স্বচ্ছ প্রমাণভিত্তিক বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ জনগণের ওপর নির্বিচার হত্যাকাণ্ডের প্রধান নির্দেশদাতা হিসেবে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রধান শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, অভ্যুত্থানের পর পলাতক শেখ হাসিনা এবং এই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত অপর আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে দেশে ফেরানোর জন্য সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে। প্রিয় দেশবাসী, ইতোমধ্যে বেশ কিছু প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত সংস্কার সম্পন্ন করা হয়েছে। কয়েক ডজন পুরোনো আইন সংশোধন করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। সংস্কারের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদ। মৌলিক সাংবিধানিক সংস্কার নিশ্চিত করার জন্য এটি আদেশ আকারে জারি করা হয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে এখন নাগরিকদের অনুমোদন নেওয়ার পালা। তাই আগামী নির্বাচনে আপনাদের সিদ্ধান্ত অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ। গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের পথরেখা এখান থেকেই সূচিত হবে। আগামী সংসদ নির্বাচনের সময় একই সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই গণভোটে আপনারা হ্যাঁ/না ভোটের মাধ্যমে সংস্কারের পক্ষে বা বিপক্ষে মতামত দিন। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই লক্ষ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে। সরকার নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। প্রিয় দেশবাসী, এবারের নির্বাচন ও গণভোট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পথরেখা নির্ধারণের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। আমরা কোন ধরনের রাষ্ট্র প্রত্যাশা করি তা নির্ভর করবে গণভোটের ফলাফলের ওপর। এই ভোটের মাধ্যমে ঠিক হবে নতুন বাংলাদেশের চরিত্র, কাঠামো ও অগ্রযাত্রার গতিপথ। আমরা চাই এই নির্বাচন হোক সত্যিকার অর্থে উৎসবমুখর, অংশগ্রহণমূলক, শান্তিপূর্ণ এবং সর্বোপরি সুষ্ঠু। নির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা, প্রশাসনিক প্রস্তুতি, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং পর্যবেক্ষণের প্রতিটি ধাপকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একটি বিষয় বারবার মনে করিয়ে দিতে চাই—নতুন বাংলাদেশ গঠনের দায়িত্ব আমাদের সবার। আপনাদের মূল্যবান ভোটই আমাদের রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। তাই ভোটকে শুধুই কাগজে একটি সিল মারার আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখলেই হবে না; বরং এটি হবে নতুন রাষ্ট্র বিনির্মাণে আপনার সক্রিয় অংশগ্রহণ, গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চা এবং দেশকে এগিয়ে নিতে সরাসরি অবদান। দেশের মালিকানা আপনাদের হাতে, আর সেই মালিকানারই স্বাক্ষর আপনার ভোট। এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা ও পবিত্রতা রক্ষার জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা অপরিসীম। আমি দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের প্রতি উন্মুক্ত আহ্বান জানাচ্ছি—আপনারা একে অপরকে প্রতিযোগী হিসেবে দেখবেন, কখনো শত্রু হিসেবে দেখবেন না। নির্বাচনের মাঠে এমন একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করুন, যাতে দেশের মানুষ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন। যারা ভোটবাক্স ডাকাতি করবে তারা দেশের মানুষের স্বাধীনতা হরণকারী। তারা নাগরিকদের দুশমন। তাদের থেকে নাগরিকদের রক্ষা করা আমাদের সবার অবশ্য কর্তব্য। ভোট জনগণের ভবিষ্যৎ রচনার অক্ষর। ভোটবাক্সে ভোট জমা দিতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যৎ আর রচনা করা যাবে না। আপনার ভোট আপনি সযত্নে ভোটবাক্সে দিয়ে আসুন। কেউ বাধা সৃষ্টি করলে তাকে সুশৃঙ্খলভাবে প্রতিহত করুন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নিন। ভোটের ওপর নির্ভর করছে আপনার আমার সবার ভবিষ্যৎ। আপনার আমার সন্তানের ভবিষ্যৎ। যোগ্য লোককে ভোট দিন। জাতির ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করুন। মনে রাখবেন, ভোট রক্ষা করা দেশ রক্ষা করার সমান দায়িত্ব। ভোট রক্ষা করুন। দেশকে রক্ষা করুন। ভোট দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবার গাড়ির চাকা। এই চাকা কাউকে চুরি করতে দেবেন না। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে প্রশাসনকে আরও কার্যকর, নিরপেক্ষ ও নির্বাচনি পরিবেশের উপযোগী করতে সরকার মাঠ প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনে বেশ কিছু রদবদল করেছে। এই পরিবর্তনগুলো কারও প্রতি অনুরাগ বা বিরাগ প্রসূত নয়। এগুলো করা হয়েছে দক্ষতা, যোগ্যতা এবং পেশাগত সক্ষমতার ভিত্তিতে। আমাদের লক্ষ্য একটাই—দেশের প্রতিটি ভোটার যেন ভোট দিতে পারেন নিরাপদ পরিবেশে, ভয়মুক্ত মনে এবং সর্বোচ্চ স্বাধীনতায়। নির্বাচন কমিশন যদি মনে করে আরও কোনো পদক্ষেপ প্রয়োজন—তা কমিশন অবশ্যই গ্রহণ করবে। প্রিয় দেশবাসী, জুলাই সনদ জাতির ভবিষ্যৎ পথযাত্রার একটি ঐতিহাসিক দলিল। এই সনদে আমরা যে সংস্কারমালা প্রস্তাব করেছি—রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন, প্রশাসনিক জবাবদিহি, দুর্নীতি হ্রাস, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এবং সমাজে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা—এসব বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন জনগণের সুস্পষ্ট মতামত। কারণ একটি জাতীয় রূপান্তর কখনোই একক নেতৃত্ব বা একটি প্রশাসনের মাধ্যমে টেকসই হয় না; জনগণকেই চূড়ান্ত সম্মতি দিতে হয়। এই কারণেই আমরা গণভোটের আয়োজন করেছি—যাতে দেশের ভবিষ্যৎ সংস্কারদিশা নির্ধারণে জনগণ সরাসরি সিদ্ধান্ত দিতে পারেন। এই গণভোট হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন মাইলফলক। এখানে আপনাদের প্রতিটি ভোট আগামী দিনের রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করবে। এবারের নির্বাচনটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একই দিনে এবার দুটি ভোট। একটি সংসদ সদস্য নির্বাচনের ভোট। আরেকটি গণভোট—যার প্রভাব হবে শতবর্ষব্যাপী। কাজেই অবশ্যই ভোট দিন। ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করুন। এর মাধ্যমে আপনারা জানিয়ে দিন—আপনারা কি জুলাই সনদের সংস্কার কাঠামোকে এগিয়ে নিতে চান কি না। আপনাদের ভোটই নির্ধারণ করবে রাষ্ট্র কোন পথে অগ্রসর হবে, প্রশাসন কোন কাঠামোয় পুনর্গঠিত হবে এবং নতুন বাংলাদেশ কেমন রূপ পাবে। প্রিয় দেশবাসী, আপনারা জানেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় আমাদের প্রবাসী ভাই-বোনেরা কী তৎপরতার সঙ্গে এগিয়ে এসেছিলেন। ফ্যাসিবাদের মসনদ গুঁড়িয়ে দিতে তারা অভূতপূর্ব ভূমিকা রেখেছেন। প্রবাসীদের এই ভূমিকা শুধু জুলাইয়েই নয়, আমরা দেখেছি ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়ও। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, আমাদের এই প্রবাসী ভাই-বোনেরা কখনোই ভোটাধিকার পাননি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সক্রিয় উদ্যোগের ফলে প্রথমবারের মতো লাখ লাখ প্রবাসী এবার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে যাচ্ছেন। এর ফলে প্রবাসীরা অত্যন্ত আনন্দিত। আমরাও আনন্দিত। একই সঙ্গে অনেক প্রবাসী নানা জটিলতায় এই উদ্যোগে শামিল হতে না পেরে ব্যথিতও। আপনাদের আবেগের প্রতি আমরা শ্রদ্ধা রেখে বলছি—এবারের যে ধারা শুরু হলো, তা ভবিষ্যতে থামবে না। আগামীতে আপনারা সবাই এই প্রক্রিয়ায় সামিল হতে পারবেন। প্রিয় দেশবাসী, আজ আমি আপনাদের সামনে আমাদের রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার, আইনশৃঙ্খলা ও মানবাধিকার পরিস্থিতির বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি তুলে ধরতে চাই। একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিচার বিভাগকে স্বাধীন করা অত্যাবশ্যক। বহুদিন ধরে বিচার বিভাগ প্রশাসনের বিভিন্ন কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে তার পূর্ণ সম্ভাবনা অনুযায়ী কাজ করতে পারেনি। এটি জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারে বাধা সৃষ্টি করেছে, আর রাষ্ট্রের ওপর মানুষের আস্থাকেও দুর্বল করেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম বড় পদক্ষেপ বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। আনন্দের সঙ্গে আপনাদের জানাতে চাই—ইতোমধ্যে বিচার বিভাগকে স্বতন্ত্র প্রশাসনিক কাঠামো দিয়ে পৃথক সচিবালয় গঠন করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা সংস্কারের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক। এখন থেকে আর রাজনৈতিক কোনো চাপ বা প্রভাবের মাধ্যমে বিচারিক স্বাধীনতা যাতে ব্যাহত না হয়, সে নিশ্চয়তাও আরও জোরদার হবে। প্রিয় দেশবাসী, আমাদের দেশের পুলিশ প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যার মুখোমুখি। ফ্যাসিস্ট আমলে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বার্থান্বেষী নিয়োগের কারণে সাধারণ মানুষ পুলিশের প্রতি আস্থা হারিয়েছে। আমরা চাই এই আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হোক। সেই লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আমাদের মানবাধিকারহীন এক ভয়াবহ রাষ্ট্রে বসবাস করতে বাধ্য করা হয়েছে। অথচ সেই ফ্যাসিস্ট সরকারেও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন নামে একটি সংস্থার অস্তিত্ব ছিল। মূলত আজ্ঞাবহ লোকদের দ্বারা এই ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হতো নিজেদের অপকর্মের বৈধতা নিশ্চিত করার স্বার্থে। অসাধু ব্যবস্থার পরিসমাপ্তি ঘটানোর উদ্দেশ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করেছে। প্রিয় দেশবাসী, আমরা আজ এক নতুন ইতিহাসের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছি। এই দেশ আমাদের, এই রাষ্ট্র আমাদের, এর ভবিষ্যৎও আমাদের হাতেই। এখন আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পালা। আমরা এবারের বিজয় দিবসকে জাতীয় জীবনে নতুনভাবে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে নিতে চাই। মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক অনুপ্রেরণা ধারণ করে জনগণের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে যে নবযাত্রা সূচিত হয়েছে, তা এগিয়ে নেওয়াই আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব। আসুন, শতবর্ষের সংগ্রাম ও বহু কষ্টে অর্জিত স্বাধীনতাকে পূর্ণতা দিতে নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সুখী ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলি। ধর্ম–বর্ণ–গোষ্ঠী এবং লিঙ্গ পরিচয় নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে হাতে হাত রেখে এগিয়ে যাই শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্রের পথে। আসুন, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র, মানবিকতা ও উন্নয়নের পথে একসঙ্গে এগিয়ে যাই। সবাইকে আবারও মহান বিজয় দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

ভোটের দিন যানবাহন চলাচল নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা

ভোটের দিন যানবাহন চলাচল নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা
সংগৃহীত

আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। 

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআরটিএ এই দিন যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ।এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জারি করা  নিষেধাজ্ঞায় বলা হয়েছে, আগামী ৬ জানুয়ারি রাত ১২টা থেকে ৭ জানুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল করতে পারবে না।

আর সেই সঙ্গে ৫ জানুয়ারি রাত বারোটা থেকে ৮ জানুয়ারি রাত বারোটা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, পর্যেবক্ষক দল ও জরুরি সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন এর আওতামুক্ত থাকবে।

এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ভোটের দিন প্রাইভেটকার, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও গণপরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। এবার আমরা যে সার্কুলার (বিজ্ঞপ্তি) দিয়েছি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মতামত নিয়ে, সেখানে যানবাহনের ওপর আগে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, সেটা এবার শিথিল করা হয়েছে ।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

বিদেশে শ্রমশক্তি রপ্তানিতে বড় বাধা দালাল চক্র : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশে শ্রমশক্তি রপ্তানিতে বড় বাধা দালাল চক্র : প্রধান উপদেষ্টা
ছবি

বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে দালাল ও প্রতারণামুক্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, দালালচক্র, নথি জালিয়াতি ও কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানে গভীর সংকট তৈরি হয়েছে।

আজ বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবস–২০২৫ উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিদেশগমন এখন বিপজ্জনকভাবে দালাল ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। এ অবস্থা থেকে মুক্ত না হলে অর্থবহ অগ্রগতি সম্ভব নয়। সরকারের নানা উদ্যোগ থাকা সত্ত্বেও দালালনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার মূল কাঠামোর ভেতরে প্রবেশ করা এখনো সম্ভব হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

গ্রামীণ ব্যাংকের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, গ্রামাঞ্চলের নারীরা সন্তানদের বিদেশে পাঠাতে ঋণের জন্য আবেদন জানালে দালালচক্রের বাস্তব চিত্র সামনে আসে। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই বাংলাদেশ থেকে অভিবাসন কার্যত দালালনিয়ন্ত্রিত।

রেমিট্যান্স আয়ের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হলে যে কোনো মূল্যে এই বাস্তবতা বদলাতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানে তিন ক্যাটাগরিতে ৮৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশিকে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) সম্মাননা দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রবাসী কর্মীদের জন্য বীমা সুবিধা, চিকিৎসা সহায়তা, আর্থিক অনুদান ও বৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নথি জালিয়াতির কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এর ফলে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশিদের ভিসা প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে বিপুল শ্রমিক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ বড় সুযোগ হারাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাপান একাই কয়েক লাখ শ্রমিক নিতে আগ্রহী, তবে ভাষা ও কারিগরি দক্ষতা অপরিহার্য।

বাংলাদেশকে ‘যুবাদের সোনার খনি’ আখ্যা দিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, দেশের প্রায় ৯ কোটি মানুষ ২৭ বছরের নিচে। এই মানবসম্পদ কাজে লাগাতে হলে সুশাসন ও শৃঙ্খলাভিত্তিক, দালালমুক্ত ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

ভূমি উপদেষ্টা হাসান আরিফের মৃত্যুতে উপদেষ্টা পরিষদের শোক

ভূমি উপদেষ্টা হাসান আরিফের মৃত্যুতে উপদেষ্টা পরিষদের শোক
সংগৃহীত

বেসামরিক বিমান পর্যটন ও ভূমি উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের মৃত্যুতে আনুষ্ঠানিকভাবে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করেছে উপদেষ্টা পরিষদ।

আজ রবিবার (২২ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পরিষদের এক বিশেষ সভায় এই শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়।

বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সভায় শোক প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতভাবে গৃহিত হয়।

সভায় রিজওয়ানা হাসান জানান, আগামীকাল সকাল সাড়ে দশটায় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি হামিদুর রহমানের কবরের পাশে হাসান আরিফকে সমাহিত করা হবে।

সভার শুরুতে উপদেষ্টা হাসান আরিফের মৃত্যুতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্য উপদেষ্টারা হাসান আরিফের স্মৃতিচারণ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আজ ছোট ছোট অনেক কথাই মনে পড়ছে, তিনি সবসময় আমাকে মনে করিয়ে দিতেন- আমরা কিন্তু সমবয়সী। শিশুর মতো সরল ব্যবহার ছিল তার। যতরকম সমস্যা দেখা দিয়েছে, যেখানে কোনো কোন্দল দেখেছেন, তিনি হাজির হয়েছেন তার সমাধানে। এ এক অপূর্ব লোক, আমাদের মাঝ থেকে চলে গেলেন।

অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, হাসান আরিফ ছিলেন একজন বিরল ব্যক্তিত্ব এবং সদা হাস্যময়।

অতীতের কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করে পাট বস্ত্র ও নৌপরিবহণ উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ব্যক্তিগতভাবে হাসান আরিফের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত।

সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন মুরশিদ বলেন, এখানে কাজ করতে এসে উনার সঙ্গে একটা সুন্দর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিলো। উনি আমাদের জন্য ছিলেন এক ইতিবাচক প্রেরণা।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, আজকে আমাদের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় আমরা হাসান আরিফকে মিস করছি। উনাকে ছাড়া আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাবে।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান আইনজীবী হিসেবে হাসান আরিফের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বলেন, উনি ছিলেন মানবাধিকার রক্ষায় সব সময় সোচ্চার।

সভায় আদিলুর রহমান জানান, মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি হিসেবেও কাজ করেছেন হাসান আরিফ।

আইন ও বিচার এবং প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, হাসান আরিফ ছিলেন একজন কর্মনিষ্ঠ ও পরিশ্রমী মানুষ। সবগুলো নথি তিনি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, হাসান আরিফ কখনো কোনো কাজকে কম গুরুত্বের সঙ্গে নিতেন না।

স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, হাসান আরিফ ছিলেন অমায়িক এক মানুষ, যেকোনো সমস্যা উনার সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করা যেত।

জ্বালানি ও সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, আমাদের সমাজে বিভেদ অনেক বেশি। এই বিভেদ জোড়া লাগানোর মানুষ আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। সর্ব মহলে উনার গ্রহণযোগ্যতা ছিল।

১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের সময় হাসান আরিফের ভূমিকা স্মরণ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, উনি পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষদের নিয়ে অনেক ভাবতেন। তাঁর মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হলো পার্বত্য অঞ্চলের মানুষদের।

স্থানীয় সরকার ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, উপদেষ্টা পরিষদে এসে হাসান আরিফকে চিনেছি, উনাকে সব সময় শিক্ষকের মতো পাশে পেয়েছি।

তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, উনার সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে একবারও আমাদের বয়সের পার্থক্য বুঝতে পারিনি। তিনি সবার সঙ্গে আন্তরিকভাবে মিশতেন।

খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ২০০৮ সালে অংশগ্রহণমূলক একটি নির্বাচন আয়োজনে আন্তরিকভাবে কাজ করতে দেখেছি উনাকে। এবারও উনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ, বেসামরিক বিমান সচিব নাসরীন জাহান, ভূমি সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

রানির পরনে বাংলাদেশের আড়ংয়ের জ্যাকেট

রানির পরনে বাংলাদেশের আড়ংয়ের জ্যাকেট
সংগৃহীত

বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডের পরনে দেখা যায়, বাংলাদেশের জনপ্রিয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ের সাব-ব্র্যান্ড “হার স্টোরি”র একটি জ্যাকেটে।


বিভিন্ন দেশের রাজপরিবারের সদস্যসের ফ্যাশন ইনস্টাগ্রামে তুলে ধরে রয়্যাল ফ্যাশন পুলিশ। গত ৪ মার্চ তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয় বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডের একটি ছবি। সেখানে রাজপরিবারের এই সদস্যের পরনে দেখা যায়, বাংলাদেশের জনপ্রিয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ের সাব-ব্র্যান্ড “হার স্টোরি”র একটি জ্যাকেটে।


প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের আগস্টে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় এসেছিলেন রানি মাথিল্ডে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার দূত হিসেবে ওই এসেছিলেন তিনি। সেই সময় বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানা পরিদর্শনের পর বাংলাদেশের পোশাক খাতের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, সেই সময়ই পোশাকটি সংগ্রহ করেন তিনি।


জানা গেছে, রানি মাথিল্ডে গত ৩ মার্চ পশ্চিম আফ্রিকার রাষ্ট্র আইভরিকোস্টের রাজধানী ইয়ামুসুক্রোতে রাষ্ট্রীয় সফরে পোশাকটি পরেছিলেন। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) দূত হিসেবে ওই রাষ্ট্রীয় সফরে অংশ নেন তিনি।


রয়্যাল ফ্যাশন পুলিশের ওই পোস্টে অনেকেই রানির “ফ্যাশন সেন্সের” প্রশংসা করেছেন। প্রশংসিত হয়েছে রানির পরিহিত জ্যাকেটটিও। সিল্কে বিভিন্ন রঙের প্রিন্ট আর এমব্রয়ডারি করা জ্যাকেটটিতে রয়েছে রাজকীয় আবেদন। ধাতব সোনালি রঙের একরঙা কো-অর্ডস সেটের ওপর জ্যাকেটটি পরেছেন তিনি।


ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন তিনগুণ বাড়ানো হবে: মেজর জেনারেল

আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন তিনগুণ বাড়ানো হবে: মেজর জেনারেল
ছবি

আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পরিমাণ তিনগুণ পর্যন্ত বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান।

আজ শনিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা সেনানিবাসের মেসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সামরিক সদস্যদের মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি তথ্য জানান।

মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামান বলেন, পুরো জাতি এখন নির্বাচনমুখী। গত ১৩-১৪ মাস ধরে সেনাবাহিনী মাঠে কাজ করছে। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে সেনা সদস্যরা বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পরিমাণ তিনগুণ পর্যন্ত বাড়ানো হবে,এমন প্রস্তুতি আমরা নিচ্ছি। ট্রেনিং, পোস্টিং, প্রমোশনসহ সব ধরনের প্রস্তুতি চলছে। এমন সময় এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ঘটনাটি সেনা সদস্যদের মনোবলে কিছুটা প্রভাব ফেলেছে। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে আমরা সবসময় ন্যায়ের পক্ষে থাকব।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

ঈদ স্পেশাল ট্রেন চলাচল শুরু কিন্তু শর্তসাপেক্ষে বন্ধ আন্তঃনগর ট্রেন

ঈদ স্পেশাল ট্রেন চলাচল শুরু কিন্তু শর্তসাপেক্ষে বন্ধ আন্তঃনগর ট্রেন
সংগৃহীত

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আজ (শুক্রবার) থেকে ৮ জোড়া বিশেষ ট্রেন নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলাচল করবে।

৮ জোড়া বিশেষ ট্রেন সম্পর্কে জানা যায়, ঈদুল ফিতরে চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল (১ ও ৩) চট্টগ্রাম-চাঁদপুর; চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল (২ ও ৪) চাঁদপুর-চট্টগ্রাম; ময়মনসিংহ ঈদ স্পেশাল (৫ ও ৬) চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম; দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল (৭ ও ৮) ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা রুটে শুক্রবার (৫ এপ্রিল) থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এবং ঈদের পরে ৫ দিন চালানো হবে।

কক্সবাজার ঈদ স্পেশাল (৯ ও ১০) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে ঈদের আগে (৮ ও ৯) এপ্রিল ও ঈদের পরের দিন থেকে ৩ দিন চলাচল করবে।

এছাড়া শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল (১১ ও ১২) ভৈরব বাজার-কিশোরগঞ্জ-ভৈরব বাজার; শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল (১৩ ও ১৪) ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ রুটে শুধু ঈদের দিন চলাচল করবে।

ঈদ স্পেশাল (১৫ ও ১৬) জয়দেবপুর-পার্বতীপুর-জয়দেবপুর রুটে ঈদের আগে ৭-৯ এপ্রিল পর্যন্ত ৩ দিন এবং ঈদের পরের দিন থেকে ৩ দিন চলাচল করবে। 

কিন্তু ঈদুল ফিতরের দিন সব আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে বিশেষ সিদ্ধান্তে দু-একটি কমিউটার ট্রেন চলাচল করবে। তবে কোন কোন ট্রেন চলবে তা ঈদের দুই দিন আগে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শুক্রবার (৫ এপ্রিল) সকালে ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ের বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শাহ আলম কিরণ শিশির বিষয়টি  নিশ্চিত করে বলেন, ঈদের দিন সব আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে কয়েকটি কমিউটার ও মেইল ট্রেন চলাচল করবে। তবে রেলওয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, মেইল ট্রেনের মধ্যে শুধু ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চট্টগ্রাম মেইল চলাচল করবে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০