

২০২৬
সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ হবে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)। মহাজাগতিক এ দৃশ্য দেখার অপেক্ষায়
রয়েছে গোটা বিশ্বের মানুষ। বলয়াকার এ সূর্যগ্রহণ অনেকের কাছে ‘রিং অব ফায়ার’
বা আগুনের বলয় নামে পরিচিত।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের
ভাষায়, বলয়াকার সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে অবস্থান নেয়, কিন্তু
সে সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে তুলনামূলক দূরে থাকে। ফলে চাঁদ পুরো সূর্যকে ঢাকতে পারে না।
সূর্যের চারপাশে উজ্জ্বল আগুনের বলয়ের মতো একটি অংশ দৃশ্যমান থাকে। এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্যকেই
বলা হয় ‘রিং অব ফায়ার’।
নাসার দেয়া তথ্যানুযায়ী, পৃথিবী, সূর্য এবং চন্দ্র
মহাকাশে নিজ কক্ষপথে অবিরত পরিভ্রমণকালে সূর্য, চন্দ্র এবং পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান
করলে, অর্থাৎ চন্দ্র পৃথিবী এবং সূর্যের মধ্যে অবস্থানকালে কিছু সময়ের জন্য চন্দ্রের
ছায়া পৃথিবীতে পড়লে সূর্যগ্রহণ ঘটে। সাধারণত চন্দ্র, পৃথিবী এবং সূর্যের অবস্থানের
তারতম্যের কারণে বিভিন্ন প্রকার সূর্যগ্রহণ পরিলক্ষিত হয় (পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, আংশিকগ্রাস
সূর্যগ্রহণ, বলয়াকারগ্রাস সূর্যগ্রহণ)।
ফোর্বসের
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ শুরু হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭ টা ১
মিনিটে (ইউটিসি)। স্পেস ডটকমের তথ্য বলছে, সর্বোচ্চ ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড পর্যন্ত বলয়াকার
সূর্যগ্রহণ স্থায়ী হতে পারে। এ সময় চাঁদ সূর্যের কেন্দ্রের প্রায় ৯৬ শতাংশ ঢেকে ফেলবে।
বাংলাদেশ ও ভারতের আকাশ থেকে এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে না। কারণ গ্রহণের সময় সূর্য এ
দুই দেশের দিগন্তের নিচে অবস্থান করবে।
এছাড়া
ঘটনাটি মূলত দক্ষিণ গোলার্ধে সংঘটিত হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার এই অঞ্চল থেকে তা দৃশ্যমান
হবে না। সর্বোচ্চ গ্রহণ দেখা যাবে অ্যান্টার্কটিকায়, বিশেষ করে কনকর্ডিয়া ও মিরনি গবেষণা
কেন্দ্র থেকে। দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলের দক্ষিণ আফ্রিকা, তানজানিয়া, জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে
আংশিকভাবে গ্রহণটি দেখতে পাবে।
আবহাওয়াবিদ
জে অ্যান্ডারসন তার ওয়েবসাইট ইকলিপস ফুল.কম-এ লিখেছেন, ‘সম্ভবত খুব অল্পসংখ্যক মানুষই
বলয়াকার অঞ্চলের ভেতর থেকে এই গ্রহণটি দেখতে পারবেন। কারণ স্থানটি অত্যন্ত দুর্গম এবং
বলয় ছায়ার ভেতরে মাত্র দুটি বসতিপূর্ণ স্থান রয়েছে, যেগুলো পর্যটকদের গ্রহণের জন্য
উপযুক্ত নয়।’ এছাড়া দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা ও চিলির কিছু অংশ থেকেও
গ্রহণটি দেখা যাবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহে কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছে। তবে বাংলাদেশে এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই। আগামী এক মাসের চাহিদা মেটানোর মতো মজুদ দেশে রয়েছে এবং পরবর্তী চালানবাহী জাহাজও ইতোমধ্যে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। তাই তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।
শনিবার (৭ মার্চ) কুমিল্লা স্টেডিয়াম জিমনেসিয়ামে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার পরিচিতি সভা, ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বিদ্যুতের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং অপচয় রোধে সচেতন হতে হবে। আসন্ন ঈদ মৌসুমে মার্কেটগুলোতে অতিরিক্ত আলোকসজ্জা না করার জন্যও তিনি ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান। মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব এখন একটি কঠিন সময় অতিক্রম করছে। তাই বিদ্যুতের অপচয় কমিয়ে আমাদের সবাইকে হিসাব করে চলতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। আমাকে এমন কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন , যেগুলোর সঙ্গে দেশের প্রতিটি মানুষের জীবন-জীবিকা সরাসরি সম্পর্কিত। এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন, যাতে তিনি দায়িত্ব পালন করে কুমিল্লার মানুষের মুখ উজ্জ্বল করতে পারেন।
কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি
সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) মোঃ মোস্তাক মিয়া,বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূঁইয়া, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জামাল খন্দকার।
কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মঞ্জুরুল আলম ভূইয়া মঞ্জুর পরিচালনায় কুমিল্লার বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
আলোচনা সভা শেষে দোকান মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি হেলাল উদ্দিন কুমিল্লা জেলার নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে পরিচয় করিয়ে দেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন
কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে দাখিল করা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৩১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। একই সঙ্গে ৭৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি ) মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে কুমিল্লা-৭ থেকে কুমিল্লা-১১ আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই করা হয়। এদিন এসব আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়। এর আগে শুক্রবার কুমিল্লা-১ থেকে কুমিল্লা-৬ আসনের মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে ১৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার ১১টি আসনে মোট ১০৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের মধ্যে ৭৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৩১ জনের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে কুমিল্লার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম–মনোহরগঞ্জ) আসনে। এ আসনে দাখিল করা ১৩টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৮টি মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়, যা জেলার মধ্যে সর্বাধিক।
কুমিল্লার রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান বলেন, “কুমিল্লায় ১১টি আসনে মোট ১০৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। শুক্রবার ও শনিবার দুই দিন ধরে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৭৬টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৩১টি মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, তারা নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করা। তিনি বলেন , নির্বাচনে ষড়যন্ত্র হতে পারে তাই সকাল বেলায় ভোট কেন্দ্রে আসলে হবে না। বাড়িতে তাহাজ্জতের নামাজ পড়ে ভোট কেন্দ্রে এসে জামাতে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে এসে ভোট দিতে দাঁড়াতে হবে। ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোটের বাক্স পাহাড়া দিতে হবে। রবিবার রাত পৌনে ১১টায় জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার ফুলতলী মাঠে বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রায় ২৩ মিনিটের বক্তব্যে তারেক রহমান খাল কাটা, বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, দরিদ্র জনগোষ্টির স্বাস্থ্য সেবায় হেলথ কার্ডসহ বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরে ধরেন।
তারেক রহমান বলেন, আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের উন্নয়ন এবং ভাগ্যের পরিবর্তন করা। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে এ দেশের মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। ২০২৪ সালে এই স্বাধীনতা রক্ষার জন্য মানুষ আবারো জীবন দিয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলেরই ৪১৯ জন মানুষ শহীদ হয়েছেন। এর বাইরে আরো সহস্রাধিক মানুষ জীবন দিয়েছে। জুলাই যোদ্ধারা আমাদের স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় যখন ছিল নারীদের ফ্রি শিক্ষা ব্যবস্থা করেছে। বহু কৃষকের ঋণ মওকুফ করেছে। বিএনপি দেশের এবং মানুষের উন্নয়নে বিশ্বাসী। বিএনপির অভিজ্ঞতা আছে কিভাবে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হয়। কিভাবে ছাত্রদের বা যারা তরুণ যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হয়। আমরা সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাব। মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আমরা কাজ করব। তিনি বলেন, আমরা অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করতে চাই না। আমরা মানুষের উন্নয়নের কথা বলতে চাই। কিভাবে উন্নয়ন করতে হয় সেই পরিকল্পনা মানুষের সামনে তুলে ধরছি।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ যে আশা নিয়ে ৫ আগষ্ট দেশের একটি পরিবর্তন করেছিল সেই লক্ষ্যে দেশকে স্বনির্ভর ও দেশের মানুষকে ভালো রাখতে বিএনপি ভোট দিতে হবে। আগামি ১২ ফেব্রুযারি কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ উপকৃত হবে এমন কাজ করবে। কিন্তু তারা আমাদের ভালো কাজেরও সমালোচনা করছে। নির্বাচনী শ্লোগান স্মরণ করিয়ে দিয়ে সমাবেশে তারেক রহমান বলেন, ‘করবো কাজ গরবো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও কুমিল্লা-৬ আসনে দলের প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা-৭ আসনের প্রার্থী ড. রেদোয়ান আহমেদ, চাঁদপুর-১ আসনের প্রার্থী এহসানুল হক মিলন, চাঁদপুর সদর আসনের ফরিদ উদ্দিন মানিক, চাঁদপুর-৫ আসনের হারুনুর রশিদ, কুমিল্লা-১০ আসনের প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, দলের কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম ভূঁইয়া, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ
মন্তব্য করুন


ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা আম্পায়ারদের একজন হ্যারল্ড ডেনিস বার্ড আর নেই। ৯২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন প্রথম তিন বিশ্বকাপের ফাইনালে দায়িত্ব পালন করা এই ইংলিশ আম্পায়ার।
ইয়র্কশায়ার মঙ্গলবার বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিজ বাড়িতে এদিন মৃত্যুবরণ করেন ক্রিকেট বিশ্বে ডিকি বার্ড নামে পরিচিত এই আম্পায়ার।
১৯৫৬ সালে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে ইয়র্কশায়ারের হয়ে পেশাদার ক্রিকেটে পথচলা শুরু করেন ডিকি বার্ড। পরে ২০১৪ সালে ক্লাবটির প্রেসিডেন্টের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
আট বছরের খেলোয়াড়ি জীবনে ৯৩টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ২০.৭১ গড়ে তিন হাজার ৩১৪ রান করেন বার্ড। দুই সেঞ্চুরির সঙ্গে ফিফটি করেন ১৪টি। দুটি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচে করতে পারেন কেবল ৯ রান।
এরপর আম্পায়ারিংকে পেশা হিসেবে বেছে নেন বার্ড। ১৯৭০ সালের মে মাসে পেশাদার আম্পায়ার হিসেবে অভিষেক হয় তার। তিন দশকের ক্যারিয়ারে ৬৬টি টেস্ট ও ৬৯টি ওয়ানডেতে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। মেয়েদের সাতটি ওয়ানডেতেও ছিলেন আম্পায়ার।
৪৭টি প্রথম শ্রেণি ও মোট ১৯২টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচে আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্ব পালন করেন বার্ড।
বার্ডের অদ্ভুত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে বিখ্যাত ছিল সময়ানুবর্তীতা নিয়ে তার অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা। আম্পায়ার হিসেবে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচে তাকে যেতে হয়েছিল লন্ডনে। ওভালে সারে ও ইয়র্কশায়ারের মধ্যকার ম্যাচটি শুরু হয়েছিল ১১টায়, কিন্তু বার্ড মাঠে পৌঁছে গিয়েছিলেন সকাল ৬টায়। তালাবদ্ধ মাঠের দেয়াল টপকে ভেতরে ঢোকার চেষ্টায় পুলিশের হাতে ধরাও পড়েছিলেন তিনি।
১৯৯৬ সালে ভারত-ইংল্যান্ডের লর্ডস টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আম্পায়ার হিসেবে ক্যারিয়ারের ইতি টানেন বার্ড। দুই দলের ক্রিকেটারদের ‘গার্ড অব ওনারে’ চোখে জল নিয়ে মাঠে নেমে প্রথম ওভারেই ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইক আথারটনকে এলবিডব্লিউ দেন তিনি। সেটি ছিল রাহুল দ্রাবিড় ও সৌরভ গাঙ্গুলির অভিষেক টেস্ট।
১৯৯৫ সালের ২৬ মে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচটি ছিল আম্পায়ার হিসেবে বার্ডের শেষ ওয়ানডে। ২০০০ সালে সবশেষ একটি অনানুষ্ঠানিক ওয়ানডে ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
ক্রিকেটে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮৬ সালে এমবিই (মেম্বার অব দা অর্ডার অব দা ব্রিটিশ এম্পায়ার) ও ২০২১ সালে ওবিই (অফিসার অব দা অর্ডার অব দা ব্রিটিশ এম্পায়ার) স্বীকৃতি পান তিনি।
মন্তব্য করুন


মহান বিজয় দিবসে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হোর্তা সাভারের জাতীয় স্মৃতি সৌধে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এ সময় পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ৫৪তম বিজয় দিবস উদযাপন করেন।
উভয় নেতা আজ সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ৫ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তাঁরা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এ সময় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রর্দশন করে এবং বিউগলে করুণ সুর বেজে উঠে।
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা এবং পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট সেখানে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, মুক্তিযোদ্ধা, কূটনীতিক, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি এবং বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিজয় দিবস উপলক্ষে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কুমিল্লা সেক্টর এর উদ্যোগে কুমিল্লায় গোমতী নদী তীরবর্তী বন্যাদুর্গত অসহায় মানুষদের উদ্ধার ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ ও নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে ।
২২ আগস্ট ২০২৪, বৃহস্পতিবার কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীন এ বিবির বাজার বিওপির দায়িত্বপূর্ণ গোমতী নদীর তীরবর্তী বন্যাদুর্গত এলাকার অসহায় মানুষদের উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নিরাপদে পৌঁছে দেয়ার কাজ করছে বিজিবি।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর আরাফাত হোসেন অনি এ ব্যাপারে জানানোর পাশাপাশি আরো বলেন, বিজিবির উদ্যোগে বন্যাদুর্গত অসহায় মানুষদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রীও বিতরণ করা হচ্ছে।
এছাড়া গোমতী নদীর তীরে ফাটল দেখা দিলে নদীর ভাঙ্গন রোধে স্থানীয় জনসাধারণকে সাথে নিয়ে বালুর বস্তা ফেলে বাঁধ নির্মাণ করছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


দেশে চারটি
নতুন থানা স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয়
বাস্তবায়ন কমিটি । এ ছাড়া মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করার প্রস্তাব
অনুমোদিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে তাঁর বাসভবন যমুনায় নিকারের ১১৯তম
সভা অনুষ্ঠিত হয়। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদকালে নিকারের প্রথম সভা।
সভায় প্রশাসনিক
পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত মোট ১১টি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। সভা শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস
উইং থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
নতুন থানাগুলো
হলো গাজীপুর জেলার পূর্বাচল উত্তর, নারায়ণগঞ্জ জেলার পূর্বাচল দক্ষিণ ও কক্সবাজার জেলার
মাতারবাড়ী। এ ছাড়া নরসিংদী জেলার রায়পুরাকে ভেঙে একটি নতুন থানা স্থাপনের প্রস্তাব
অনুমোদিত হয়েছে।
আর সাতক্ষীরাকে
‘বি’ থেকে ‘এ’ শ্রেণির জেলায় উন্নীত করার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।
সভায় স্বাস্থ্য
মন্ত্রণালয়ের ‘স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ’ এবং ‘স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ’
দুটিকে আবার একত্র করে ‘স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়’ পুনর্গঠন করার প্রস্তাব
অনুমোদন করা হয়।
এ ছাড়া মহিলা
ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়’ করার প্রস্তাব
সভায় অনুমোদিত হয়। তবে এই মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি নাম অপরিবর্তিত থাকবে।
সভায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের
আওতায় ‘রাজস্ব নীতি বিভাগ’ ও ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ নামের দুটি প্রশাসনিক বিভাগ
গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। প্রসঙ্গত, এ বিষয়ে ইতিমধ্যে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা
অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছে।
সভায় পরিবেশগত
বৈশ্বিক ঐতিহ্য, পর্যটন ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিবেচনায় সাতক্ষীরা জেলাকে ‘বি’ থেকে
‘এ’ শ্রেণিতে উন্নীত করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
এ ছাড়া ঠাকুরগাঁও
জেলায় ‘ভূল্লী’ থানার নামের বানান সংশোধনের প্রস্তাব সভায় অনুমোদিত হয়।
সভায় প্রধান
উপদেষ্টা ছাড়াও কয়েকজন উপদেষ্টা, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্য সচিবসহ সরকারের ১৪ জন সচিব
বা জ্যেষ্ঠ সচিব উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম
নাজমুল হাসান।
আজ
শনিবার ( ২১ ফেব্রুয়ারি ) এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে নৌবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক
পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে জানানো হয়।
পোস্টে
বলা হয়, সাক্ষাৎকালে দেশের জলসীমার সার্বিক নিরাপত্তা, সুনীল অর্থনীতি, সমুদ্রসম্পদ
রক্ষা এবং নৌবাহিনীর সক্ষমতা ও আধুনিকায়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পেশাদারি, দেশপ্রেম এবং সমুদ্রসীমা সুরক্ষায় তাদের নিরলস প্রচেষ্টার
ভূঁয়সী প্রশংসা করেন।
বাংলাদেশের
জলসীমা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত-শান্তিতে ও সংগ্রামে,
সমুদ্রে, দুর্জয়।
মন্তব্য করুন


শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফিজুর রহমান বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) গণমাধ্যমকে জানান, ইট দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত রেজাউল করিম শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পাশাপাশি তিনি ফতেহপুর ফাজিল মাদ্রাসায় প্রভাষক ছিলেন।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে হাফিজুর রহমান বলেন, খুব শিগগিরই এ ঘটনায় মামলা করা হবে। তার অভিযোগ, বিএনপির নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় না আনা হলে জামায়াতে ইসলামী কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে। সে ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে তার দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।
এর আগে বুধবার শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে সংঘর্ষের ঘটনায় গুরুতর আহত হন রেজাউল করিম। প্রথমে তাকে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে শেরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকেও উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
শেরপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক উপল হাসান জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
স্থানীয় প্রশাসন ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠের একটি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হতে থাকেন। অনুষ্ঠান শুরু হলে সামনের সারিতে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। এতে সভাস্থলের সামনে রাখা কয়েক শ চেয়ার ও বেশ কিছু মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষে দুই দলের অন্তত অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। পরে সন্ধ্যার দিকে ঝিনাইগাতী শহরে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ওই সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা রেজাউল করিমকে আটক করে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে। শ্রীবরদী উপজেলার গজরিপা ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আবদুল মান্নান বলেন, ‘বিএনপির কর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। ধাওয়ার সময় রেজাউল করিমকে ধরে ফেলে এবং মারাত্মকভাবে আঘাত করে।’
এ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থী নূরুজ্জামান বাদল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই ঘটনার পর নির্বাচনে সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে তিনি শঙ্কিত। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার দাবি, এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সহিংসতা এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
বৃহস্পতিবার সকালে নিহত রেজাউল করিমের বাড়ি শ্রীবরদী উপজেলার গজরিপা ইউনিয়নের চাউলিয়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, তার দাফনের প্রস্তুতি চলছে। কবর খোঁড়া হচ্ছে, আর পুরো গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসী মরদেহের অপেক্ষায় বাড়িতে ভিড় করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আজিজুর রহমান বলেন, ‘রেজাউল করিম অত্যন্ত ভদ্র ও জনপ্রিয় মানুষ ছিলেন। তার এমন মৃত্যু আমরা কেউ মেনে নিতে পারছি না। পুরো এলাকা আজ শোকাহত।’
মন্তব্য করুন


যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে চাঁদাবাজি ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের
বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সচিবালয়
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তার কাছে প্রশ্ন ছিল, সরকার কেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ
করতে পারছে না?
জবাবে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, আগে
যে সিন্ডিকেট ছিল তা নিয়ন্ত্রণ করত আওয়ামী লীগ সরকার, কিন্তু সিন্ডিকেটের ভেতরে ছিল
ব্যবসায়ীরা। এখন তারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলে আশ্রয়
নিয়েছে। আমরা তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি।
“কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির সঙ্গে
জড়িত অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সিন্ডিকেট ভাঙতে রাজনৈতিক দলগুলোকেও সহযোগিতা করতে
হবে। কারণ, দলগুলো যদি আগের সেই প্রাকটিসে ঢুকে যায়, তাহলে এতগুলো মানুষের জীবন দেওয়ার
কোনো দরকার ছিল না। এখন দলগুলোর মধ্যে একটা পজিটিভ বিষয় পরিলক্ষিত হচ্ছে। দলগুলো কর্মীদের
বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে ব্যবস্থা নিচ্ছে। আশা করি তৃণমূলেও এ ধরনের পদক্ষেপ নেবে। তাহলে
স্থানীয় চাঁদাবাজি কমে আসবে। সরকারি পর্যায়েও এ বিষয়ে আমরা কঠোর হব। দুর্গাপূজা নিয়ে
একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, সেটা ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এখন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে, সিন্ডিকেটের
বিরুদ্ধে ড্রাস্টিক অ্যাকশনে যাব। দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে অনেকগুলো বিষয় ইনভলব। বন্যার
কারণে শাকসবজির সরবরাহ কমেছে। পর পর দুটো বন্যা হয়ে গেছে। সেই বিষয়টি আমাদের মাথায়
রাখতে হবে। তবে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদেরকে হার্ডলাইনে যেতে হবে। যেসব করপোরেট প্রতিষ্ঠান
সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দাম বাড়াবে তাদেরকে অ্যারেস্ট করব।
মন্তব্য করুন