

সাম্প্রতিক
বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় প্রাণিসম্পদ খাতে প্রাথমিকভাবে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ
২ হাজার ২৪০ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়, যেখানে
ক্ষতির পরিমাণ ৬০ কোটি ৬ লাখ ৮১ হাজার ১৪০ টাকা।
চট্টগ্রাম
বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার,
রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার ৪৫টি উপজেলার ১৯১টি ইউনিয়নে প্রাণিসম্পদ খাত
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, বন্যায় ১ লাখ ৬১ হাজার ৩৯৪টি গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি মারা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৬৪২টি গবাদিপশু এবং ১০ হাজার ৯৯১টি খামার। জেলাভিত্তিক হিসাবে
কক্সবাজারে ১৩ কোটি ৫৩ লাখ ৯১ হাজার ১১০ টাকা, রাঙামাটিতে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮২ হাজার টাকা,
খাগড়াছড়িতে ৩৭ লাখ ১ হাজার টাকা এবং বান্দরবানে ১৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত
খামারগুলোর মধ্যে ৪ হাজার ৭৫৬টি গবাদিপশুর খামারে ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭২ হাজার টাকা এবং
৬ হাজার ২৩৫টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৯ কোটি ৭২ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এছাড়া ৯১০ টন দানাদার পশুখাদ্যে ৫ কোটি ১৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা, ১৪ হাজার ২৬৫ টন খড়ে
২১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা এবং ৯ হাজার ১২৯ টন ঘাসে ৮ কোটি ২৬ লাখ ১৪ হাজার টাকার
ক্ষতি হয়েছে। মৃত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৪ কোটি ৮৫ লাখ ৪২ হাজার
৭৪০ টাকা।
শুধু
চট্টগ্রাম জেলাতেই ১৫টি উপজেলার ১০৮টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ২১৮টি গবাদিপশুর খামারে ১২ কোটি
৬৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ৫ হাজার ৬৭৪টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৭ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার
টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ১৬২ টন পশুখাদ্যে ৯২ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৬ হাজার ৯৬০ টন ঘাসে
৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং মৃত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগিতে ৩ কোটি ৮৬ লাখ ৭৬ হাজার ১৪০ টাকার
ক্ষতি হয়েছে।
বন্যার
পানিতে চট্টগ্রামের ১ হাজার ১ একর, কক্সবাজারের ৭ হাজার ৮৪০ একর, বান্দরবানের ৫১০ একর
এবং রাঙামাটির ১ হাজার ১২৯ একর চারণভূমি প্লাবিত হয়েছে। এতে ৭১টি গরু, ১৬৫টি ছাগল,
৫০টি ভেড়া, ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬০০টি মুরগি এবং ২ হাজার ৫০৮টি হাঁস মারা গেছে। এর মধ্যে
শুধু চট্টগ্রামেই মারা গেছে ৩৯টি গরু, ৯৫টি ছাগল, ৪২টি ভেড়া, ১ লাখ ৪২ হাজার ১৩৭টি
মুরগি এবং ১ হাজার ৩০০টি হাঁস।
এদিকে
বন্যার কারণে পাঁচ জেলায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৩৯০টি গরু, ৪ হাজার ৭৫৫টি মহিষ, ১ লাখ ৬০ হাজার
৮৭টি ভেড়া, ২৮ লাখ ৪৫ হাজার ৮২৮টি মুরগি এবং ৭০ হাজার ৩৭০টি হাঁস অসুস্থ হয়েছে। এ পর্যন্ত
১১ হাজার ৮৯৭টি পশু এবং ৮৪ হাজার ৬৫০টি হাঁস-মুরগিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি
১০ হাজার ৬৮৯টি পশু ও ১৯ হাজার ২৭টি হাঁস-মুরগিকে টিকা দেওয়া হয়েছে।
এ
ছাড়া বন্যার পানিতে চট্টগ্রামের তিনটি, কক্সবাজারের একটি এবং বান্দরবানের চারটি প্রাণিসম্পদ
কার্যালয়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
চট্টগ্রাম
বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপপরিচালক (ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ) ডা. মুহাম্মদ ইজমাল
হাসান বলেন, মাঠপর্যায় থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার
ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া গেছে। তবে তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনও চলমান থাকায় এ হিসাব পরিবর্তিত
হতে পারে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর
চাটখিল উপজেলায় পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে তার জেঠাতো
ভাই শাহাদাত হোসেনকে (২৬) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা
করা হয়েছে।
সোমবার
(৬ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালীর বিশেষ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক
ফারজানা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত
শাহাদাত হোসেন উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাবুল হোসেনের ছেলে
এবং নিহত শিশু আসমা আক্তারের জেঠাতো ভাই।
নারী
ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট সেলিম শাহী
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায়ে আসামিকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে
রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় শাহাদাত আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার
বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আসমা
আক্তার (৫)।
ঘটনার
নয় দিন পর আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে তার
মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ
ঘটনায় আসমার জেঠাতো ভাই শাহাদাত হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে আদালতে দেওয়া
স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তিনি জানান, ধর্ষণের পর বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায়
শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন এবং মরদেহ সেপটিক ট্যাংকিতে ফেলে রাখেন।
পরে
২০২২ সালের ৬ এপ্রিল নিহত শিশুর বাবা মাওলানা শাহজাহান চাটখিল থানায় শাহাদাত হোসেনকে
একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ
বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে
প্রমাণিত হওয়ায় শাহাদাত হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।
মন্তব্য করুন


নেত্রকোনার
কলমাকান্দা উপজেলায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুই যুবকের
মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। শুক্রবার (২৯ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার
নাজিরপুর ইউনিয়নের রহিমপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা
হলেন- কলমাকান্দা সদর ইউনিয়নের পূর্ব বাজার এলাকার নয়ন মিয়ার ছেলে নিরব (২৪) এবং একই
ইউনিয়নের ঘোষপাড়া এলাকার সজীব মিয়ার ছেলে সোহান (২০)। আহত ব্যক্তি মোটরসাইকেলের চালক।
তার পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে তিন বন্ধু একটি মোটরসাইকেলে করে ঘুরতে বের
হন। একপর্যায়ে রহিমপুর এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে
থাকা একটি তালগাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে মোটরসাইকেলে থাকা তিনজনই গুরুতর আহত
হন।
দুর্ঘটনার
পর স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক নিরব ও সোহানকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত মোটরসাইকেলচালকের
অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো
হয়।
কলমাকান্দা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিক হোসেন বলেন, তিন বন্ধু মোটরসাইকেল নিয়ে
ঘুরতে বের হয়েছিলেন। রাতের কোনো একসময় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তালগাছের সঙ্গে
ধাক্কা লাগলে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। আহত চালক বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ওসি
আরও বলেন, নিহত দুই যুবকের মরদেহ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর
করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পবিত্র
ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটি শেষে আজ থেকে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরেছে দেশের সব সরকারি ও
বেসরকারি অফিস-আদালত। ফলে রাজধানীসহ সারা দেশের প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলোতে কর্মচাঞ্চল্য
ফিরতে শুরু করেছে।
সোমবার
(১ জুন) সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি
লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত হয়ে
পড়েন তারা।
ঈদুল
আজহা উপলক্ষে গত ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সরকারি ছুটি ছিল। ঈদ উদ্যাপন শেষে প্রথম
কর্মদিবসে আজ সকালে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সকাল
৯টার কিছু পরেই তিনি সচিবালয়ে প্রবেশ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর
পাশাপাশি প্রথম কর্মদিবসেই সকালে সচিবালয়ে নিজ নিজ দপ্তরে উপস্থিত হন স্বাস্থ্য ও
পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির,
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের
খান চৌধুরীসহ মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন সদস্য।
দীর্ঘ
ছুটির পর সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় সকাল থেকেই সচিবালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে ঈদের শুভেচ্ছা
বিনিময় ও কোলাকুলির এক উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে। তবে প্রথম কর্মদিবসে বিভিন্ন
মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অনেক কক্ষেই কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতি তুলনামূলক কিছুটা
কম ছিল।
সংশ্লিষ্টরা
জানিয়েছেন, দূরপাল্লার যাত্রা ও যানজটের কারণে কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী এখনো কর্মস্থলে
পৌঁছাতে পারেননি, যা আগামী দু-এক দিনের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
সরকারি
অফিস খোলার পাশাপাশি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শেয়ারবাজার ও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানেও
স্বাভাবিক লেনদেন ও কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ছুটির পর প্রথম দিনেই বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে
সাধারণ মানুষের সেবাগ্রহণ কার্যক্রমও স্বাভাবিক হতে দেখা গেছে। অনেক দিন পর সেবা নিতে
আসা মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।
উল্লেখ্য,
ঈদের দীর্ঘ ছুটির সময়ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ফায়ার সার্ভিস,
জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ও হাসপাতাল, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট এবং
ডাক বিভাগের মতো জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবাগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা
নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মন্তব্য করুন


ফেনীর
ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নে গভীর রাতে ঘরের টিনের চাল কেটে ভেতরে ঢুকে এক প্রবাসীর
স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার
(২৭ জুন) রাতে দক্ষিণ তালবাড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কাজল আক্তার ওই এলাকার
কুয়েত প্রবাসী নুরুল আমিনের স্ত্রী এবং স্থানীয় ইসমাইল মাস্টারের ভাইয়ের পুত্রবধূ।
নিহতের
স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তিন সন্তানের জননী কাজল আক্তার রাতে ঘরে সন্তানদের
নিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন। রাতের কোনো একসময় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা আধাপাকা ঘরের টিনের চাল কেটে
ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর তারা কাজলের হাত-পা বেঁধে তাঁকে হত্যা করে। তবে এসময় ঘরে তাঁর
সন্তানরা থাকলেও দুর্বৃত্তরা তাদের ওপর কোনো হামলা করেনি।
খবর
পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের
মর্গে পাঠিয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


মানিকগঞ্জের
দৌলতপুর ও সদর উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় ভাবি-ভাতিজাসহ তিনজন নিহত এবং একজন গুরুতর আহত
হয়েছেন। ঘটনাগুলোতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রথম
ঘটনায়, দৌলতপুর উপজেলার বাঁচামারা ইউনিয়নের কাচারিপাড়া গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে
ভাবি ও ভাতিজাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে দেবর ইউসুফ আলীর (৪০) বিরুদ্ধে।
শনিবার
(৩০ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— ব্যবসায়ী ছালামের স্ত্রী আমিনা (৩০)
ও তাদের দুই বছরের ছেলে আসলাম। একই ঘটনায় ছালাম গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে দোকান বন্ধ করে বা ড়ি ফেরার পর ছালামকে দেশীয়
অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন তার ছোট ভাই ইউসুফ আলী। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে
ভর্তি করেন। এর আগেই আমিনা ও তার শিশুপুত্রকে হত্যা করা হয় বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে
রক্তাক্ত অবস্থায় দা ও হাতুড়ি পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
স্থানীয়
এক বাসিন্দা জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইউসুফ আলীকে তড়িঘড়ি করে এলাকা ছেড়ে যেতে দেখা
যায়।
দৌলতপুর
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার সরকার জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার
করে তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্ত ইউসুফ আলী পলাতক রয়েছেন।
অপরদিকে,
একই রাতে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পুটাইল ইউনিয়নের উত্তর পুটাইল গ্রামে পূর্ব শত্রুতার
জেরে মো. সজিব নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, শনিবার গভীর রাতে সজিব লুৎফর রহমানের বা ড়িতে অবস্থান করছিলেন। রাত
দেড়টার দিকে ১০০ থেকে ১৫০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল ওই বা ড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা
ধারালো অস্ত্র দিয়ে সজিবকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর
পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
মানিকগঞ্জ
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকরাম হোসেন বলেন, জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য
তদন্ত চলছে।
দুইটি
পৃথক ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ জনে। পুলিশ উভয় ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।
মন্তব্য করুন


স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব ব্যয় সরকার বহন করবে । এ ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালে
বিনা মূল্যে সব সেবা ও বেসরকারি হাসপাতালে বিল গ্রহণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শনিবার
(১৭ আগস্ট) স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে , বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যেসব ছাত্র-জনতা আহত
হয়েছেন সরকারি হাসপাতালে তাদের বিনা মূল্যে চিকিৎসাসহ যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় সরকার
বহন করবে।
এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে
হতাহতের ব্যাপারে অনুসন্ধান করতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে
একটি কমিটি গঠন করেছে। সেই কমিটির সদস্যরা তাদের কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে আগামীকাল
রবিবার বৈঠক করবেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
অপরদিকে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ
হাসপাতাল, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত
ছাত্র-জনতার চিকিৎসা বিল গ্রহণ না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে এসব
বেসরকারি হাসপাতালে চিকিংসাধীন ছাত্র-জনতার সব বিল সরকার বহন করবে বলে জানানো
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকার সাহ্রি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করবে এ সময়সূচি। ২ মার্চ প্রথম রোজার সাহ্রির শেষ সময় ভোর ৫টা ৪ মিনিট ও ইফতারির সময় ৬টা ২ মিনিট।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন আরও জানায়, দূরত্ব অনুযায়ী ঢাকার সময়ের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৯ মিনিট যোগ করে অথবা ৯ মিনিট বিয়োগ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ সাহ্রি ও ইফতার করবেন।
রোজা | মার্চ | বার | সাহরি শেষ | ফজর শুরু | ইফতারের সময় |
*০১ | ২ মার্চ | রোববার | ৫-০৪ মি. | ৫-০৫ মি. | ৬-০২ মি. |
০২ | ৩ মার্চ | সোমবার | ৫-০৩ মি. | ৫-০৪ মি. | ৬-০৩ মি. |
০৩ | ৪ মার্চ | মঙ্গলবার | ৫-০২ মি. | ৫-০৩ মি. | ৬-০৩ মি. |
০8 | ৫ মার্চ | বুধবার | ৫-০১ মি. | ৫-০২ মি. | ৬-০৪ মি. |
০৫ | ৬ মার্চ | বৃহস্পতিবার | ৫-০০ মি. | ৫-০১ মি. | ৬-০৪ মি. |
০৬ | ৭ মার্চ | শুক্রবার | ৪-৫৯ মি. | ৫-০০ মি. | ৬-০৫ মি. |
০৭ | ৮ মার্চ | শনিবার | ৪-৫৮ মি. | ৪-৫৯ মি. | ৬-০৫ মি. |
০৮ | ৯ মার্চ | রোববার | ৪-৫৭ মি. | ৪-৫৮ মি. | ৬-০৬ মি. |
০৯ | ১০ মার্চ | সোমবার | ৪-৫৬মি. | ৪-৫৭ মি. | ৬-০৬ মি. |
১০ | ১১ মার্চ | মঙ্গলবার | ৪-৫৫ মি. | ৪-৫৬মি. | ৬-০৬ মি. |
১১ | ১২ মার্চ | বুধবার | ৪-৫৪ মি. | ৪-৫৫ মি. | ৬-০৭ মি. |
১২ | ১৩ মার্চ | বৃহস্পতিবার | ৪-৫৩ মি. | ৪-৫৪ মি. | ৬-০৭ মি. |
১৩ | ১৪ মার্চ | শুক্রবার | ৪-৫২ মি. | ৪-৫৩ মি. | ৬-০৮ মি. |
১৪ | ১৫ মার্চ | শনিবার | ৪-৫১ মি. | ৪-৫২ মি. | ৬-০৮ মি. |
১৫ | ১৬ মার্চ | রোববার | ৪-৫০ মি. | ৪-৫১ মি. | ৬-০৮ মি. |
১৬ | ১৭ মার্চ | সোমবার | ৪-৪৯মি. | ৪-৫০ মি. | ৬-০৯ মি. |
১৭ | ১৮ মার্চ | মঙ্গলবার | ৪-৪৮ মি. | ৪-৪৯মি. | ৬-০৯ মি. |
১৮ | ১৯ মার্চ | বুধবার | ৪-৪৭ মি. | ৪-৪৮ মি. | ৬-১০ মি. |
১৯ | ২০ মার্চ | বৃহস্পতিবার | ৪-৪৬ মি. | ৪-৪৭ মি. | ৬-১০ মি. |
২০ | ২১ মার্চ | শুক্রবার | ৪-৪৫মি. | ৪-৪৬ মি. | ৬-১০ মি. |
২১ | ২২ মার্চ | শনিবার | ৪-৪৪ মি. | ৪-৪৫মি. | ৬-১১ মি. |
২২ | ২৩ মার্চ | রোববার | ৪-৪৩ মি. | ৪-৪৪ মি. | ৬-১১ মি. |
২৩ | ২৪মার্চ | সোমবার | ৪-৪২ মি. | ৪-৪৩ মি. | ৬-১১ মি. |
২৪ | ২৫ মার্চ | মঙ্গলবার | ৪-৪১মি. | ৪-৪২ মি. | ৬-১২মি. |
২৫ | ২৬ মার্চ | বুধবার | ৪-৪০ মি. | ৪-৪১মি. | ৬-১২মি. |
২৬ | ২৭ মার্চ | বৃহস্পতিবার | ৪-৩৯ মি. | ৪-৪০ মি. | ৬-১৩মি. |
২৭ | ২৮মার্চ | শুক্রবার | ৪-৩৮ মি. | ৪-৩৯ মি. | ৬-১৩মি. |
২৮ | ২৯মার্চ | শনিবার | ৪-৩৬ মি. | ৪-৩৮ মি. | ৬-১৪মি. |
২৯ | ৩০ মার্চ | রোববার | ৪-৩৫ মি. | ৪-৩৬ মি. | ৬-১৪মি. |
৩০ | ৩১ মার্চ | সোমবার | ৪-৩৪ মি. | ৪-৩৫ মি. | ৬-১৫মি. |
রমজানের সাহ্রি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৫
মন্তব্য করুন


আজ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু জানিয়েছেন, আজ রাতেই ট্রেনে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসবে বাংলাদেশে ।
প্রথম চালানে এক হাজার ৬৫০ টন পেঁয়াজ আসবে এবং ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে ঢাকা ও চট্টগ্রামে এই পেঁয়াজ ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হবে।
২০২৩ সালের আগস্টে ভারতের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পেঁয়াজ রপ্তানিতে সরকার ৪০ শতাংশ শুল্কারোপ করে। এরপর গত অক্টোবরে পেঁয়াজের সর্বনিম্ন রপ্তানিমূল্য নির্ধারণ করা হয় টনপ্রতি ৮০০ মার্কিন ডলার। কিন্তু অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়াতে এসব পদক্ষেপ খুব বেশি কার্যকর না হওয়ায় গত ৭ ডিসেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় ভারত সরকার।
চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড বা বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক মহাপরিচালকের কার্যালয়। ভারতের এ নিষেধাজ্ঞার পর বাংলাদেশের বাজারে হু হু করে বাড়ে পেঁয়াজের দাম।
মন্তব্য করুন


বিদায়ের
শঙ্কা উড়িয়ে মেসি ম্যাজিকে টানা দ্বিতীয় ফাইনালে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে,কঠিন পথ পেরিয়ে
শিরোপায় চোখ রাখছে স্পেন। এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার খবরের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
ঘুরতে শুরু করেছে একটি ছবি, যেখানে মেসির কোলে একটি ছোটো শিশুকে দেখা যাচ্ছে, যিনি
এখন স্পেন দলের তুখোড় খেলোয়ার লামিন ইয়ামাল।
অনেকেই
ছবিটিকে ভুয়া বা এআই-নির্মিত বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। তবে জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফই
এবার নিশ্চিত করেছে, এই ছবি কোনো কল্পনা বা প্রযুক্তির কারসাজি নয় বরং বাস্তব।
২০০৭
সালে, বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যুর ড্রেসিংরুমে একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের ফটোশুটের জন্য
এই শিশুকে নিয়ে ছবি তুলেছিলেন তরুণ লিওনেল মেসি। তখন মেসির বয়স ছিল ২০ বছর। ছবিতে পোজ
দেওয়ার অংশ হিসেবে মেসি তখন গোসল করিয়ে দিচ্ছিলেন লামিন ইয়ামালকে।
ইউনিসেফের
ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মেসি ও ইয়ামালের ছবিটি পোস্ট করে এর সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, হ্যাঁ, আপনারা যে ছবিগুলো দেখেছেন, সেগুলো একদম আসল।
পোস্টে
আরও বলা হয়েছে, ১৮ বছরেরও বেশি সময় আগে, ইউনিসেফের তহবিল সংগ্রহের একটি ফটোশুটে লামিন
ইয়ামাল ও তার মা শিলার সাথে লিওনেল মেসির দেখা হয়েছিল।
এতে
বলা হয়, আজ, খেলার মাঠে তাঁদের সাফল্য লাখ লাখ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। মাঠের বাইরেও,
মেসি ও লামিন ইয়ামাল—উভয়েই ইউনিসেফের ‘গুডউইল অ্যাম্বাসেডর’
বা শুভেচ্ছাদূত হিসেবে বিশ্বজুড়ে শিশুদের সহায়তা ও তাদের অধিকারের পক্ষে কথা বলেন।
পোস্টে
বলা হয়, এর লক্ষ্য কী? যাতে প্রতিটি শিশু বেঁচে থাকে, সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠে এবং নিজেদের
পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারে। আমাদের দলে তাঁদের পেয়ে আমরা গর্বিত।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
যাত্রাবাড়ি এলাকায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ,
কবি নজরুল কলেজ এবং ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থীর মধ্যে হামলা, মারধর ও
সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া।
উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া বলেন,
‘ভাঙচুরসহ হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় কারা জড়িত, অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং
আগামীতে এ ধরনের ঘটনাকে কোনোভাবেই টলারেট করা হবে না। সংঘর্ষ এড়াতে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কোনোভাবেই যেন আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ না হয়,
সেজন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করে যাচ্ছিল। কিন্তু কোনোভাবেই সংঘর্ষ এড়ানো
যায়নি।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি
এসব কথা বলেন।
এ
সময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষার্থীদের
মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, সামাজিকমাধ্যমে
বিভিন্ন জায়গা থেকে আমরা দেখেছি,
তিনজন নিহত হওয়ার একটি খবর রটেছিল। তবে এখন পর্যন্ত কারও নিহত হওয়ার কোনো
সংবাদ আমরা পাইনি। নানা মাধ্যমে চেষ্টা করেও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠিত কোনো
গণমাধ্যমেও এ ধরনের খবর আমরা পাইনি।
তিনি
বলেন, তবে
অনেকেই আহত হয়েছেন, হাসপাতালে
ভর্তি হয়েছেন। এটি আমরা জানতে পেরেছি। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে তিনি
উল্লেখ করেন।
উপদেষ্টা
বলেন, আমরা
বারবার আহ্বান জানাচ্ছি ছাত্ররা যেন কোনো প্রকার উসকানিতে পা না দিয়ে ধৈর্য সহকারে
তাদের যেকোন সমস্যা কলেজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধান করতে পারে। কিংবা প্রয়োজন হলে
সরকারও এর মধ্যে অংশীভূত হতে পারে।
মাহবুবুর রহমান কলেজের হামলার ঘটনা নিয়ে কাজ করার সময় জানতে পারলাম যে ৬ দিন
আগ থেকে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। একজন শিক্ষার্থী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সঠিক
চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগে এই ঘটনা শুরু হয়,
অভিযোগ ছিল ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে। কিন্তু এখানে সোরহাওয়ার্দী কলেজ
কীভাবে এলো সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এক
প্রশ্নের উত্তরে আসিফ মাহমুদ বলেন,
বিগত দিনগুলোতে পুলিশ যেকোন সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য রাবার বুলেট বা গুলি ছুড়তো।
এটা কোনো আন্তর্জাতিক প্রাকটিস না। আমরা সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছি।
অপর
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,
কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এ বিষয়ে অনেক ধরনের
তথ্য আসছে। জড়িতদের খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে জানাতে পারবো কারা এর
পেছনে জড়িত আছে।
দেশে অস্থিরতা তৈরির জন্য পরিকল্পিতভাবে যড়যন্ত্র করা হচ্ছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। সরকার সফলভাবে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাক, এটা তো অনেকে চাচ্ছে না, বিশেষ করে বিগত দিনের ফ্যাসিস্ট সরকার নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি
বলেন, সরকারের
কার্যক্রম নস্যাত করতে এবং সারাদেশের মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য
এসব করা হচ্ছে।’ তবে
যারা দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে এসব করছে তাদেরকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে
বলে তিনি জানান।
পরিকল্পিত
যড়যন্ত্র ও অপপ্রচার রুখে দিতে বিল্পবী চেতনার রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনকে
দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘জনগণের কাছে
আহবান থাকবে যেহেতু আমরা একটা অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে আছি। সকলের ভেতরে
বিপ্লবী চেতনা আছে, উত্তেজনা
আছে সেটা যেন আমরা ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করি।'
তিনি
আরো বলেন, 'আমরা
সচেতনতা সবদিক থেকে তৈরি করি এবং রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে এখানে অনেক
ভূমিকা নেওয়ার আছে। গণঅভ্যুত্থানে যেমন আমাদের মধ্যে ঐক্য ছিল- আমরা মনে করি
বর্তমান পরিস্থিতিতেও সকলের ঐক্যের ভিত্তিতে এসব রুখে দিতে হবে। মিথ্যা
প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে সাধারণ মানুষকে রাজধানীতে জড়ো করা
হয়েছিল। যে সংগঠনের ব্যানারে সাধারণ মানুষ ঢাকায় আনা হয়েছিল, সেই সংগঠনের
প্রধানকে পুলিশ ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছে।
মন্তব্য করুন