

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলের ক্যান্টিনে আগুনের ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে হলের যমুনা ব্লকের পেছনের অংশে আগুন দেখা দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, গ্যাস লাইন বা সিলিন্ডার থেকে লিকেজের কারণে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর তাদের চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেয়। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইউনিটগুলোকে সেখানে পাঠানো হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, ক্যান্টিনে থাকা একটি গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে।
উল্লেখ্য, গত ২২ নভেম্বর তিন দফা ভূমিকম্পের পর টানা ১৫ দিনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এ ধরনের আরেকটি অঘটন ঘটল।
মন্তব্য করুন


ইন্দোনেশিয়ায়
৭৪ বছর বয়সি এক বৃদ্ধ ২৪ বছর বয়সি এক যুবতীকে বিয়ে করে সাড়া ফেলে দিয়েছেন। মোহরানা
হিসেবে কনেকে দিয়েছেন ২ কোটি ২২ লাখ টাকা (প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার)।
কিন্তু
বিয়েটি নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে, যখন জানা যায় বিয়ের পর নবদম্পতি তাদের ফটোগ্রাফারের
পারিশ্রমিক না দিয়েই উধাও হয়ে যান। এ নিয়ে তদন্তও শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ।
পূর্ব
জাভা প্রদেশের পাসিতান রিজেন্সিতে গত ১ অক্টোবর এই জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের অনুষ্ঠান হয়।
বৃদ্ধের নাম তারমান, আর কনের নাম শেলা আরিকা। সবার সামনে তিনি বিয়ের ঘোষণা দেন এবং
তিন বিলিয়ন রুপিয়ার (২ কোটি ২২ লাখ টাকা) মোহরানা প্রদান করেন।
সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছেন, বিপুল অঙ্কের চেকটি ভুয়া
ছিল।
বিয়ের
আগে জানানো হয়েছে, মোহরানা হবে এক বিলিয়ন রুপিয়া (প্রায় ৭৪ লাখ টাকা), কিন্তু অনুষ্ঠান
চলাকালে তা হঠাৎ বাড়িয়ে তিন বিলিয়ন রুপিয়া (প্রায় ২ কোটি ২২ লাখ টাকা) ঘোষণা করা
হয়।
অনলাইনে
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিলাসবহুল ভেন্যুতে অনুষ্ঠান হচ্ছে, আর বর তিন বিলিয়ন
রুপিয়ার চেক প্রদর্শন করলে অতিথিরা উল্লাস করছেন। এ ছাড়া উপহার নেওয়ার পরিবর্তে বরপক্ষ
নাকি অতিথিদের প্রত্যেককে নগদ ১ লাখ রুপিয়া (প্রায় ৭৩ হাজার টাকা) দিয়েছেন।
এদিকে
অনুষ্ঠান শেষ হতেই বিয়ের ফটোগ্রাফি সংস্থাটি অভিযোগ তোলে, নবদম্পতি তাদের পারিশ্রমিক
পরিশোধ না করেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে পালিয়ে গেছেন।
এমনও
গুজব ওঠে যে তারমান কেবল ভেন্ডরদের টাকা দেয়নি তা-ই নয়, কনের পরিবারের মোটরসাইকেল
নিয়েও পালিয়ে গেছেন। কেউ কেউ দাবি করছেন, তিন-বিলিয়ন রুপিয়ার চেকটিও নাকি নকল।
অপরদিকে
কনের এক আত্মীয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, পরিবার ও প্রতিবেশীরা
শেলাকে সতর্ক করেছিলেন, তবুও সে এই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে।
তবে
এসব অভিযোগের বিষয়ে তারমান সামাজিক মাধ্যমে জানান, মোহরানার টাকা আসল এবং তা এসেছে
ইন্দোনেশিয়ার ব্যাংক সেন্ট্রাল এশিয়া (বিসিএ) থেকে। তিনি পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগও
অস্বীকার করেন। তিনি আরো বলেন, ‘আমি আমার স্ত্রীকে ছেড়ে যাইনি, আমরা একসঙ্গেই আছি।’কনের
পরিবারও জানায়, ‘ওসব মিথ্যা খবর। তারা শুধু হানিমুনে গেছে।’অন্যদিকে
বিয়ের ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠানের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ আনুষ্ঠানিক তদন্ত
শুরু করেছে।
এ
বিয়ে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হইছই শুরু হয়েছে। অনেকেই বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। কেউ লিখেছেন,
‘মেয়েটি কি বৃদ্ধের গন্ধেই প্রেমে পড়ল? ভালোবাসা, নাকি কেবল টাকা?’ আরেকজন লিখেছেন,
‘অর্থই শেষ পর্যন্ত পৃথিবীর আসল শক্তি।’
মন্তব্য করুন


পরিবার
গঠনে উৎসাহ দিতে আল হাবতুর গ্রুপে কর্মরত আমিরাতি নাগরিকদের জন্য ৫০ হাজার দিরহাম অনুদান
দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দুবাইয়ের ধনকুবের ও আল হাবতুর গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান
খালাফ আল হাবতুর। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১৬ লাখ টাকা।
ঘোষণা
অনুযায়ী, চলতি বছর আল হাবতুর গ্রুপে কর্মরত কোনো আমিরাতি নারী বা পুরুষ বিয়ের সিদ্ধান্ত
নিলে তিনি এই আর্থিক সহায়তা পাবেন। এছাড়া বিয়ের পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে সন্তানের জন্ম
হলে এই অনুদান দ্বিগুণ করা হবে।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে খালাফ আল হাবতুর বলেন, বিবাহ ও পরিবার গঠন শুধু ব্যক্তিগত
বিষয় নয়, এটি সামাজিক ও জাতীয় দায়িত্ব। এর মাধ্যমেই জাতি গড়ে ওঠে এবং কমিউনিটি টিকে
থাকে।
তিনি
বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার তরুণদের পারিবারিক জীবন শুরু করতে নিয়মিত সহায়তা
দিয়ে আসছে। তবে নাগরিকদের বিয়ে ও পরিবার গঠনে উৎসাহ দিতে সবার পক্ষ থেকেই বাস্তব উদ্যোগ
প্রয়োজন।
এই
প্রেক্ষাপটেই নিজের উদ্যোগের কথা জানিয়ে আল হাবতুর বলেন, চলতি বছর আল হাবতুর গ্রুপে
কর্মরত যেকোনো আমিরাতি যুবক বা তরুণী বিয়ে করলে তাকে ৫০ হাজার দিরহাম অনুদান দেওয়া
হবে। পাশাপাশি বিয়ের দুই বছরের মধ্যে সন্তান জন্ম নিলে এই সহায়তা দ্বিগুণ করা হবে।
সর্বশেষ
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখে
পৌঁছেছে। এর মধ্যে স্থানীয় নাগরিকদের হার আনুমানিক ১৫ শতাংশ।
ফেডারেল
ও স্থানীয় সরকার বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আমিরাতি নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে
এবং সরকারি ও বেসরকারি খাতে তাদের অংশগ্রহণ ও ভূমিকা বাড়াতে কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা
হাসান বলেছেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে। এই ভিত্তি
গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করবে এবং সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহির আওতায় আনবে। বৈষম্যহীন ও
শোষণমুক্ত সমাজ গড়ার যে স্বপ্ন এখনো পূর্ণতা পায়নি, সেই লক্ষ্য অর্জনের যাত্রা এখান
থেকেই শুরু করা সম্ভব হবে।’
আজ
সোমবার ( ১৬ ডিসেম্বর ) ঢাকায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন
শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা
বলেন, ‘শুধু নির্বাচন নয়, এবার গণভোটের মাধ্যমেও সংস্কার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে
জনগণ তাদের মতামত জানাতে পারবে। এর ওপর ভিত্তি করে গণতন্ত্রের যাত্রা নতুন রূপে শুরু
হতে পারে।’
রিজওয়ানা
হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিপক্ষকে দমন করতে যুক্তি ও তর্কের বদলে হত্যাচেষ্টার
মতো সহিংস পন্থা নেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি নিন্দনীয় ও কাপুরুষোচিত।
তিনি
বলেন, ‘শক্তি থাকলে জনগণের মুখোমুখি হতে হবে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের সামনে যাওয়ার
পথ সবারই জানা।’ তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিপক্ষকে ঘায়েল
করার যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, নতুন বাংলাদেশে তার কোনো স্থান নেই। এই সরকার তখনই সফল
হবে, যখন সুষ্ঠু নির্বাচন, বিচার এবং সংস্কারের যে লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছে,
তা বাস্তবায়ন করা যাবে।’
তথ্য
উপদেষ্টা বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচন
নিশ্চিত করা। মানুষ যেন নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে। তবে এই প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার জন্য
একটি শক্তি সক্রিয় রয়েছে। সেই শক্তিকে প্রতিহত করার পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে
তোলাও প্রয়োজন।
মন্তব্য করুন


সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ শনিবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তিনি এ সংবর্ধনা প্রদান করেন।
এ সময় নারী ফুটবল দলের সদস্যরা তাঁদের স্বপ্ন ও খেলোয়াড় জীবনের প্রতিদিনের সংগ্রামের কথা প্রধান উপদেষ্টার সামনে তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা বিজয়ী খেলোয়াড়দের বিভিন্ন দাবি ও কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং অগ্রাধিকারভিত্তিতে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।
গত ৩০ অক্টোবর কাঠমান্ডুতে সপ্তম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে পরাজিত করে শিরোপ জিতে নেয় বাংলাদেশ দল।
নারী ফুটবলারদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই সাফল্যের জন্য আমি পুরো জাতির পক্ষ থেকে তোমাদেরকে অভিনন্দন জানাই। জাতি তোমাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমাদের দেশের মানুষ সাফল্য চায়, আর তোমরা সেই সাফল্য এনে দিয়েছ।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে সম্মানিত বোধ করছি।
তিনি বলেন, অনেক বাধা পেরিয়ে আমরা এই পর্যায়ে পৌঁছেছি। শুধু নারী ফুটবল দলই নয়, বাংলাদেশের নারীদের সামগ্রিকভাবে নানা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
২০০৯ সালে ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করা সাবিনা তাঁর আগের প্রজন্মের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, আগের প্রজন্ম
ফুটবলকে তাঁদের ভালবাসা হিসেবে বেছে নেওয়ার সাহস দেখিয়েছিলেন।
সাবিনা আরো বলেন, আমাদের অনেকে সাধারণ পরিবার থেকে এসেছে এবং তার পরিবারকে আর্থিকভাবে
সাহায্য করতে হয়।
তিনি বলেন, আমাদের বেতন খুব বেশি নয়। এই বেতন দিয়ে পরিবারকে তেমন কোন সাহায্য করতে পারি না।
এই তারকা স্ট্রাইকার তাঁর কয়েকজন সহযোদ্ধার সংগ্রামের গল্প, যেমন মারিয়া মান্দারের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
ময়মনসিংহের বিখ্যাত কলসিন্দুর গ্রামের মারিয়া, যেখান থেকে সাফ বিজয়ী দলের ছয়জন খেলোয়াড় এসেছেন, ছোটবেলায় তাঁর বাবাকে হারান এবং মা তাকে বড় করেন।
উইঙ্গার কৃষ্ণা রানী সরকার ঢাকায় তাঁদের আবাসন সমস্যার কথা উল্লেখ করেন, আর মিডফিল্ডার মানিকা চাকমা খাগড়াছড়ি জেলার দূরবর্তী লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার ফুটবলার হিসেবে উঠে আসার সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন।
মিডফিল্ডার স্বপ্না রানী তাঁর নিজ জেলা দিনাজপুরের রানীশংকৈল উপজেলায় তার গ্রামের দূর্বল অবকাঠামোর কথা বলেন।
উইঙ্গার কৃষ্ণা প্রধান উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ করেন যেন তাঁদের জন্য এশিয়ার বাইরে একটি প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়, বিশেষ করে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বিজয়ী বার্সেলোনার সঙ্গে।
প্রধান উপদেষ্টা প্রত্যেক খেলোয়াড়কে তাদের ব্যক্তিগত আশা-আকাঙ্ক্ষা, সংগ্রাম ও তাদের বিভিন্ন দাবি আলাদাভাবে কাগজে লিখে তাঁর কার্যালয়ে জমা দেওয়ার জন্য বলেন।
অধ্যাপক ইউনুস বলেন, ‘তোমরা যা কিছু চাও তা লিখতে দ্বিধা করো না আমরা তোমাদের দাবিগুলো পূরণ করার চেষ্টা করব। যদি কিছু এখনই করা সম্ভব হয়, আমরা তা করব’।
কোচ পিটার বাটলার এবং ম্যানেজার মাহমুদা আক্তারও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া, সুপ্রদীপ চাকমা, অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এবং নূরজাহান বেগম।
মন্তব্য করুন


জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দলের ক্ষমতায় আসার পর দেশের নেতৃত্ব এককভাবে নয়, বরং জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। তিনি বলেন, বিভেদের রাজনীতি নয়, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি হবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশের ভিত্তি।
আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে ১০ দলের সমন্বয়ে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জামায়াতের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
বিগত সরকারগুলোর কর্মকাণ্ডকে সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একসময় একদল বলেছিল, ১০ টাকা দরে চাল দেবেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ কি তা পেয়েছে? তিনি বলেন, জনগণ আর এমন রাজনৈতিক প্রতারণা দেখতে চায় না। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে নারীদের নিরাপদ চলাচল ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। নারীদের যোগ্যতা অনুযায়ী সম্মানজনক চাকরি এবং যুবকদের জন্য কার্যকর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে তিনি বলেন, বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনা হবে। এছাড়া বগুড়া সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন ও একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। উত্তরের মানুষের যাতায়াত সহজ করতে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানান তিনি।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শহীদদের স্বপ্ন ছিল বৈষম্যহীন ও ন্যায়সঙ্গত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্যেই নতুন বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের কোনো স্থান থাকবে না।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বগুড়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আব্দুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা।
সঙ্গে বক্তব্য রাখেন—বগুড়া-১ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ আসনের প্রার্থী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ আসনের প্রার্থী নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ আসনের প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ, বগুড়া-৫ আসনের প্রার্থী দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ আসনের প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল, বগুড়া-৭ আসনের প্রার্থী গোলাম রব্বানী এবং বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


যেকোনো
মূল্যে দেশে নির্বাচন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি)
মিলনায়তনে বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি
যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তারেক
রহমান বলেন, “ষড়যন্ত্র থেমে নেই। দেশের কল্যাণে আমরা যদি ঐকবদ্ধ না হই তাহলে দেশ ধ্বংস
হয়ে যাবে। ষড়যন্ত্র থামানো যাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে, তাই নির্বাচন যেকোনো মূল্য
নির্বাচন হতে হবে।”
ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় উল্লেখ করে
তিনি বলেন, “গতকাল ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর যে দুষ্কৃতকারীদের
হামলা হয়েছে, গুলিবিদ্ধ সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন তিনি, এই হামলার পেছনে কারও
কোনো অসৎ উদ্দেশ্য আছে কি না ভেবে দেখতে হবে।”এ সময় তিনি কিছুদিন আগে চট্টগ্রামে
বিএনপির এক কর্মীর ওপর হামলার ঘটনাও তুলে ধরেন এবং বলেন, এসব ঘটনা ঘটিয়ে কেউ হয়তো ফায়দা
লোটার চেষ্টা করছে। অতীতের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, “অতীতে আওয়ামী
স্বৈরাচার যেভাবে দেশ পরিচালিত করেছেন, আমরা সেভাবে দেশ পরিচালিত করবো না। আমরা তার
পরিবর্তন আনবো, কল্যাণ করবো। সেজন্য এই দেশ গড়ার পরিকল্পনা আমরা আপনাদের সামনে তুলে
ধরেছি। ইনশাআল্লাহ আমরা নির্বাচিত হলে বাস্তবায়ন করবো।”
দলীয়
নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “মানুষের কাছে আমাদের যেতে হবে।
একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আপনারা মানুষের সঙ্গে মেশেন, তাদের সঙ্গে কথা বলেন। আমাদের
বসে থাকলে চলবে না।”বিএনপির দায়িত্ব ও করণীয় তুলে ধরে তারেক
রহমান বলেন, “আমাদের এখন বড় দায়িত্ব হলো বিএনপির প্রত্যেকটি পরিকল্পনা জনগণের কাছে
পৌঁছে দেওয়া। বিএনপির একজন নেতা হিসেবে, একজন কর্মী হিসেবে আমাদের পরিকল্পনাগুলো জনগণের
কাছে নিয়ে যেতে হবে। শুধু জনগণের দোরগোড়ায় নিলে হবে না, এই কাজের বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে।”
মন্তব্য করুন


আবহাওয়া অফিস
জানিয়েছে, জানুয়ারি মাসে দেশের তাপমাত্রা চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে।
বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহের কারণে শীতের তীব্রতা বাড়াতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের
পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম বলেছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে
যেতে পারে। এর মধ্যে ২-৩টি শৈত্যপ্রবাহ হবে মৃদু থেকে মাঝারি তাপমাত্রার (৮-১০ ডিগ্রি
থেকে ৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং ১-২টি শৈত্যপ্রবাহ হবে মাঝারি থেকে তীব্র (৬-৮ ডিগ্রি
থেকে ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস)।
আবহাওয়া অফিসের
পূর্বাভাস অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে কোনো ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা
নেই। জানুয়ারিতে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ থাকবে। দেশের দৈনিক
গড় বাষ্পীভবন ১.৫০ থেকে ৩.৫০ মিমি এবং গড় সূর্যকিরণকাল ৩.৫০ থেকে ৫.৫০ ঘণ্টার মধ্যে
থাকবে।
সাধারণ মানুষ
শীতের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন কারণ জানুয়ারি মাস শৈত্যপ্রবাহের কারণে বেশ ঠান্ডা
হবে বলে আবহাওয়া অফিস সতর্ক করেছে।
এদিকে গত শুক্রবার
(২ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘন
কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে
ব্যাহত হতে পারে। একই সঙ্গে কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব
আরও বিস্তৃত হতে পারে। এ ছাড়া, আগামী দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা আরও
কমার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
প্রথম দিন
(২ জানুয়ারি) অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও
দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন
এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা,
পঁঞ্চগড়, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাসমূহের উপর দিয়ে মুদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে
এবং কিছু কিছু জায়গা থেকে তা প্রশমিত হতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য
বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আজ শনিবার
(৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। মধ্যরাত
থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও
তা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এদিনও কুয়াশার কারণে যোগাযোগব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে
পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে
পারে।
রোববার (৪ জানুয়ারি)
থেকে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত
থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।
অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য
কমতে পারে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি)
এবং পঞ্চম দিন মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) একই ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময়ও
সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী
অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। পঞ্চম দিনে রাতের তাপমাত্রা
সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এ ছাড়া বর্ধিত
পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আগামী দিনগুলোতে সারাদেশে তাপমাত্রা
আরও কমতে পারে।
মন্তব্য করুন


১১তম
ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে রাতে মিশর যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাত ১টায় তিনি কায়রোর
উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সম-সাময়িক
ইস্যুতে ব্রিফিংকালে এ কথা জানান উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
ব্রিফিংয়ে
উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম ও সিনিয়র সহকারী
প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ।
উপ-প্রেস
সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন,
বাংলাদেশ ছাড়াও আরও কয়েকটি দেশের সরকার প্রধান এতে যোগ দেবেন। এর মধ্যে রয়েছে
ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান।
মালয়েশিয়ার শিক্ষামন্ত্রী ও নাইজেরিয়ার একজন উচ্চপস্থ কর্মকর্তা প্রতিনিধিত্ব
করবেন। ইনভেস্টিং
ইন ইয়ুথ অ্যান্ড সাপোর্টিং স্মল মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজ, শেপিং টুমরো'স ইকোনমি’ সম্মেলন
ভবিষ্যতের অর্থনীতির জন্য যুব ও এমএসএমই ইস্যুতে সংস্থাটির গুরুত্বকে তুলে ধরে।
এজন্য এই সম্মেলন বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের তরুণদের নিয়ে বৈশ্বিক
সস্মেলনে কাজ করতে তিনি সেখানে যাচ্ছেন। এসএমই ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কীভাবে কাজে
লাগানো যায়, সেই
বিষয়গুলো এখানে আলোচনা হবে।
সম্মেলনে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, তুরস্কের
প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান,
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং মিশরের
প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি উপস্থিত থাকার কথা।
ডি-৮
অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন,
যা ডেভেলপিং-৮ নামেও পরিচিত। সংস্থাটি বাংলাদেশ, মিশর,
ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান
এবং তুরস্কের মধ্যে পারস্পরিক উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রতিষ্ঠিত। কায়রোতে
অনুষ্ঠিতব্য ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘ইনভেস্টিং ইন ইয়ুথ অ্যান্ড সাপোর্টিং স্মল মিডিয়াম
এন্টারপ্রাইজ, শেপিং
টুমরোস ইকোনমি’।
মন্তব্য করুন


পররাষ্ট্র
উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রাখার জন্য সরকার
সর্বোচ্চ সর্তক অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, শুরুতে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও পরিস্থিতি
এখন নিয়ন্ত্রণে। পুলিশ বাহিনীও নিজেদের গুছিয়ে নিতে পেরেছে। সামনে জাতীয় নির্বাচন আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর জন্য একটি বড় পরীক্ষা।
আজ
শনিবার ( ০৬ ডিসেম্বর ) রংপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের
সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র
উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই
নির্বাচন হবে ‘আদর্শ নির্বাচন’। নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ হয়, সেজন্য
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য-এই দুই খাতেই
সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। ডাক্তার-নার্স সংকট নিরসনে স্বল্প সময়ে সাড়ে তিন
হাজার নার্স ও তিন হাজার ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আলু
রপ্তানি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বে নিয়মিত আলু আমদানি করে এমন দেশ খুবই কম। বিশেষ
পরিস্থিতি না হলে রপ্তানির সুযোগও সীমিত। বিদেশে মানবসম্পদ রপ্তানি বিষয়ে উপদেষ্টা
বলেন, দক্ষতা না থাকায় দেশের কর্মীরা বিদেশে কম বেতন পান। নার্সিং পেশায় বিদেশে বিপুল
চাহিদা রয়েছে। দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে পারলে দেশ উপকৃত হবে।
এছাড়া
রংপুরে পালন করা ছোট জাতের দেশি গরুর মাংসের প্রশংসা করে এর বাণিজ্যিক উৎপাদনে প্রাণিসম্পদ
অধিদপ্তরকে উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
জেলা
প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসানের সভাপতিত্বে সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মারুফাত হুসাইনসহ
বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।
চার
দিনের সফরে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা রংপুরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করছেন। আজ বিকেলে
তিনি রংপুর ক্যাডেট কলেজ ঘুরে দেখার কথা রয়েছে। আগামীকাল রোববার কিশোরগঞ্জের মাগুরা
উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি সৈয়দপুর থেকে ঢাকায়
ফিরবেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশটাকে নতুন করে সাজাতে হবে। আমাদের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি কেউ আঙুল তুলতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। তাদের জানমাল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনাদের। দয়া করে কারও সঙ্গে ঝগড়া, বিবাদ করবেন না।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নেমে ঠাকুরগাঁও যাওয়ার প্রাক্কালে বিমানবন্দরে নেমে শহীদ স্মরণীতে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এ কথা বলেন তিনি।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশবাসীকে শান্ত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, ম্যাডাম অসুস্থ, তারপরও বলেছেন, হিংসা নয়, প্রতিহিংসা নয়, প্রতিশোধ নয়, আমরা ভাইয়ের মতো শান্তিময় বাংলাদেশ উদযাপন করব।
তিনি বলেন, এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি যেন না হয় যাতে অর্জিত বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে যায় কেউ।
মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের সময় উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দপুর জেলা বিএনপি সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম জনি ও সুমিত কুমার আগারওয়াল, সাধারণ সম্পাদক শাহিন আকতার, সহ-সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হোসেন পাপ্পু, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন প্রামাণিকসহ বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন