

রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কারিগরিভাবে বৈধ হলেও এটি কার্যত অনিরাপদ এলাকায় অবস্থিত। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোচ এরিয়ার মধ্যে পড়েছে। বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোচ এরিয়ায় থাকা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ জনসমাগম হয়— এমন সব প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়া উচিত।
আজ
শুক্রবার (২৫ জুলাই) বাংলামটরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের কনফারেন্স রুমে ‘মাইলস্টোন স্কুলে বিমান দুর্ঘটনা : জননিরাপত্তা এবং উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রের দায় ও করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।
বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোচ এরিয়ায় থাকা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ জনসমাগম হয়, এমন সব প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়া উচিত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন বিআইপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ তামজিদুল ইসলাম। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানবন্দরের রানওয়ের পর ৫০০ ফুট এলাকায় কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যায় না। এর পরের ১৩ হাজার ফুট বা প্রায় ৪ কিলোমিটার অঞ্চলকে অ্যাপ্রোচ এরিয়া বলা হয়, যেখান দিয়ে বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণ করে। বিআইপির প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাপ্রোচ এলাকায় ১৫০ ফুট উচ্চতার স্থাপনা নির্মাণে সরকারের নগর কর্তৃপক্ষ ও বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের দিক থেকে কোনো বাধা নেই। সেসব স্থাপনার কী ধরনের ব্যবহার হবে, সে বিষয়েও কোনো নির্দেশনা নেই সরকারের সংস্থাগুলোর।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাপ্রোচ এলাকায় এ ধরনের স্থাপনা কারিগরিভাবে বৈধ হলেও কার্যত অনিরাপদ। প্রতিবেদনে পরিকল্পনাবিদ তামজিদুল ইসলাম বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা বা ড্যাপে অ্যাপ্রোচ এলাকার স্থাপনার উচ্চতা নিয়ন্ত্রণের কথা বলা আছে। কিন্তু সেখানকার ভূমির কী ধরনের ব্যবহার হবে তা উল্লেখ নেই। গণজমায়েত হয় এ রকম কোনো স্থাপনার জন্য সেখানকার ভূমি ব্যবহার করা উচিত নয়। কৃষিজমি ও সবুজায়ন করা যেতে পারে, তবে এমন কিছু করা যাবে না, যাতে সেখানে পাখি আসে।
সংবাদ সম্মেলনে বিআইপির সভাপতি পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, অ্যাপ্রোচ এরিয়া থেকে স্কুল, কলেজ, মসজিদ ও মাদ্রাসার মতো জনসমাগম হয়, এমন সব স্থাপনা সরাতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা ঘটলে মৃত্যুর মিছিল ঠেকানো সম্ভব হবে না। বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের জায়গা তদন্ত করে যত ধরনের ব্যত্যয় হয়েছে, সেগুলো অনুসন্ধান করতে হবে। স্থাপনার উচ্চতায় ব্যত্যয় থাকলেও বাড়তি অংশ ভেঙে ফেলতে হবে। ঢাকা থেকে বিমানবন্দর দূরে ছিল। ঢাকাকে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ বলে যে একটা জিনিস আছে তা ভুলে যাওয়া হয়েছে। তা না হলে বিমানবন্দরের উড্ডয়ন-অবতরণের পাশে স্কুল-কলেজের মতো অবকাঠামো হওয়ারই কথা নয়। মৌলিক ব্যাকরণ ভুলে যাওয়া হয়েছে। জনবহুল এলাকায় প্রশিক্ষণ বিমান উড়ানোর সুযোগ নেই।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ শেখ মুহম্মদ মেহেদী আহসানের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিআইপির সহ-সভাপতি পরিকল্পনাবিদ শাহরিয়ার আমিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ তামজিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ পরিকল্পনাবিদ ড. মোসলেহ উদ্দীন হাসান, বোর্ড সদস্য আবু নাঈম সোহাগ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন
ফারহানা হাঁস প্রতীক পেয়েছেন। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়
থেকে প্রতীক সংগ্রহ করেন তিনি।
আজ বুধবার দুপুরে
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের
৪৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রতীক পাওয়ার
পর উচ্ছ্বসিত রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের বলেন, আমি আমার ভোটার ও কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের
চেয়েও বেশি ভালোবাসি। তারাই আমাকে আজকের এই জায়গায় এনেছেন। তারা যখন আমাকে দেখেন, ছোট
ছোট বাচ্চারা চিৎকার করে বলে-আমাদের হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা। তাই এই মার্কাটা
আমার ভোটারদের মার্কা, শুধু আমার নয়।
নিজের পালিত
হাঁস চুরির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমি হাঁস পালতাম। আমার হাঁসগুলো যখন চুরি হয়েছিল,
আমি চোরকে ছাড়িনি। মামলা করেছি, জেলেও ভরেছি। আমার এই হাঁস প্রতীক যদি কেউ চুরি করার
চিন্তাও করে, আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব।
আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২
আসনের সাধারণ মানুষের প্রার্থী জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ভোটাররা যদি আমাকে নির্বাচিত
করেন, তারা যেভাবে বলবেন, যেভাবে চাইবেন, সেভাবেই এই এলাকার উন্নয়ন করব।"
রিটার্নিং কর্মকর্তার
কার্যালয় সূত্র জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ১৩ জন প্রার্থী তাদের
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। এতে চূড়ান্ত বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৮ জনে।
এর মধ্যে দলীয়
প্রার্থীরা নিজ নিজ দলীয় প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক
পেয়েছেন।
এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬
(বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী
জোনায়েদ সাকি তার দলীয় প্রতীক মাথাল বরাদ্দ পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জাতীয় মেধাতালিকা প্রকাশ করেছে ।
গত মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণদের জাতীয় মেধাতালিকা নিয়ে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের সঙ্গে সভায় বসে এনটিআরসিএ। সভায় জাতীয় মেধাতালিকার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টেলিটকের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়।
জানা গেছে, শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় এক বিষয়ে একাধিক প্রার্থী সনদ অর্জন করেন। পরবর্তীতে প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী প্রার্থীদের জাতীয় মেধাতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এনটিআরসিএ এই মেধাতালিকা অনুযায়ী পরবর্তীতে নিয়োগের সুপারিশ করে ।
গত বছরের ৫ ও ৬ মে অনুষ্ঠিত এই নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষায় ২৬ হাজার ২৪২ প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে ২৫ হাজার ২৪০ প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
গত ২৮ ডিসেম্বর ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফলপ্রকাশিত হয়।
মন্তব্য করুন


গতকাল শুক্রবার ও আজ শনিবার (২৫-২৬
অক্টোবর) ৫ম আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত কারাতে প্রতিযোগিতা ২০২৪ এ কুমিল্লা সরকারি কলেজ
অংশগ্রহণ করে।
উক্ত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশসহ চারটি
দেশ অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলংকা।
উক্ত প্রতিযোগিতায় কুমিল্লা সরকারি
কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র মোফাজ্জাল মাহিন চৌধুরী কুমিল্লা সরকারি কলেজের হয়ে ৪-৬
ব্যবধানে বাংলাদেশের সুনাম এবং আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদক অংশগ্রহণ অর্জন করে আনে।
মন্তব্য করুন


আগামীতে আইনকানুন এবং সংস্কারের মাধ্যমে
নির্বাচনে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
তিনি বলেছেন, নির্বাচনে কেউ জিতলে পরাজিত
বা অন্যরা আর সন্দেহ করবে না। ভাববে না যে, কলকাঠি নেড়ে কাউকে জিতিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আজ শনিবার (ফেব্রুয়ারি ১৫) রাজধানীর
ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে তিনি এসব কথা
বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নতুন বাংলাদেশ
মানে নতুন নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার গঠন হবে তার ব্যাপারে কেউ প্রশ্ন
তুলবে না। সেটার ব্যাপারে আইনকানুন সবার জানা থাকবে, এটা নড়চড় করার উপায় কারো থাকবে
না। আইনকানুন বানানোর পরে সেটা নড়চড় করার সুযোগ থাকবে না সেজন্যই এত বড় কমিশন করতে
হয়েছে। এই যে আইনকানুন, নীতিমালা বানিয়ে দেব। একবার বানিয়ে দিলে তারপর থেকে চলতে থাকবে।
একটা ট্র্যান্সপারেন্ট খেলা হবে। খেলায় জিতলে কেউ সন্দেহ করবে না যে কেউ জিতিয়ে দিয়েছে।
এতো ট্রান্সপারেন্ট যে, কেউ সন্দেহ করবে না।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, এখন
যে খেলা চলছে, ঠিকমতো জিতলেও সন্দেহ করে। বলে কিছু একটা কলকাঠি নেড়ে করেছে। এই কলকাঠি
নাড়ার বিষয়টি আমাদের মনের ভেতর গেঁথে গেছে। কলকাঠি ছাড়া যে দেশ একটা নিয়মে চলতে পারে
সেটা আমরা ভুলে গেছি।
সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি
বলেন, এটা সবার স্বপ্ন। এই স্বপ্ন আমরা এমন মজবুতভাবে বানাব যা সবাই মেনে চলবে। এই
মেনে চলার মাধ্যমে আমরা একটা সুন্দর সমাজ, সুন্দর রাষ্ট্র উপহার দিতে পারব। সেই উদ্দেশ্যেই
আজকের সভা।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রচণ্ড
সুযোগ এখন। সুযোগ এজন্যই যে, আমাদের মধ্যে ঐকমত্য সৃষ্টি হলে আমরা সেগুলো কাজে লাগাতে
পারি এমন পর্যায়ে আছি আমরা। একবার কাজে লাগালে সেটা বংশ, প্রজন্ম ও পরম্পরায় সেটা চলতে
থাকবে। একটা সুন্দর দেশ আমরা পাব। এই ভাবনা থেকেই আমরা এগুলো গ্রহণ করব।
অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন অধ্যায় শুরু
হয়েছে মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ছয় মাসে প্রথম ইনিংস
বা প্রথম অধ্যায় শেষ হয়েছে। আজ রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হলো।
আলোচনাটা কত সুন্দর হবে, কত মসৃণ হবে সেটা আপনাদের ওপর নির্ভর করবে। আমাদের পক্ষ থেকে
আমরা সুপারিশগুলো উপস্থাপন করবো। কমিশনের সদস্যরা এখানে রয়েছেন এগুলো ব্যাখ্যা করার
জন্য, চাপিয়ে দেওয়ার জন্য না। চাপানোর ক্ষমতা আমাদের নাই। আমরা শুধু আপনাদের বোঝানোর
জন্য।
সংস্কার বাস্তবায়ন সবার দায়িত্ব উল্লেখ
করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আপনাদের সহযোগিতা চাই এটা বলব। কারণ, এটা
আপনাদের কাজ। এটা আমার কাজ না, একার কাজ না। যেহেতু আপনারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন
আপনাদের বলতে হবে সমাজের কল্যাণে কোন কোন জিনিস করতে হবে, কীভাবে করতে হবে। যেটা এক্ষুণি
করা যাবে বলবেন। যেটা এক্ষুণি করা দরকার, সামান্য রদবদল থাকলে সেটা করে দেন। আমরা শুধু
সাচিবিক কাজগুলো আপনাদের করে দিলাম। আমরা একটা লন্ডভন্ড অবস্থার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব
নিয়েছি। চেষ্টা করেছি এটাকে কোনোরকমে সফল করতে। এই ৬ মাসের যে অভিজ্ঞতা সেটা আমাদের
সবাইকে প্রচণ্ড সাহস দেবে। এই ৬ মাসের অভিজ্ঞতা হলো, দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ,
রাজনৈতিক ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃত্বসহ সবাই সমর্থন দিয়েছে এই অন্তর্বর্তী সরকারকে।
কাজেই আমরা প্রথম পর্বের পর দ্বিতীয় পর্বে এলাম। ২য় পর্বে যেন আমরা আনন্দের সঙ্গে,
খুশি মনে সম্পন্ন করতে পারি।
মন্তব্য করুন


সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ
২০২৫ এর অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক
বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ চূড়ান্ত অনুমোদন
করা হয়েছে।
এর আগে সকালে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে তার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া সভায় বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস ১৫
মার্চের পরিবর্তে ৩ ডিসেম্বর, ‘আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস’
‘খ’ শ্রেণি হিসেবে অন্তর্ভুক্তকরণ এবং ২ এপ্রিল ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’ ঘোষণার
প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
পাশাপাশি ওআইসি লেবার সেন্টারের সংবিধিতে
সই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে এবং পারমাণবিক জ্বালানি এবং তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার
নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) কর্তৃক ১৯৯৭ সালের
৫ সেপ্টেম্বরে গৃহীত ব্যয়িত জ্বালানি ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা এবং তেজস্ক্রিয় বর্জ্য
ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা বিষয়ক যৌথ কনভেনশনে সইয়ের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়।
মন্তব্য করুন


সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছরে উন্নীতকরণ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
বুধবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব মো. সাজজাদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান চাকরিতে প্রবেশের বয়সীমা ৩৫ এবং অবসরের বয়সবৃদ্ধির দাবি জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আবেদন করেন।
আর তখন করা সেই আবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, এ বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিধির সম্পৃক্ততা থাকায় সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।
মন্তব্য করুন


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য ইতিবাচক বলে মন্তব্য
করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব আখতার হোসেন।
আখতার হোসেন
বলেন, ‘দেশে যখন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হলেও নির্বাচন হবে কি না- এ নিয়ে মানুষের
মধ্যে শঙ্কা ছিল, এমন প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান দেশে ফেরায় নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা দূর
হলো।’
এনসিপির জ্যেষ্ঠ
যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব বলেন, ‘তারেক রহমান দলীয় রাজনীতির বাইরে জাতীয় রাজনীতিতে
কী ভূমিকা রাখেন, সেদিকে সবার নজর থাকবে।’
তিনি বলেন,
তারেক রহমান নির্বাসনে থেকে তার দল বিএনপির নেতৃত্ব দিয়েছেন। কিন্তু জাতীয় রাজনীতিতে
তিনি কীভাবে ভূমিকা রাখেন, সেটি একটি বড় বিষয়।
মন্তব্য করুন


সাভারের
জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে ব্যাপক
প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
আইন-শৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি গণপূর্ত অধিদফতরের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন উদ্যোগ।
ঢাকা-আরিচা
মহাসড়কের সাভারের আমিনবাজার থেকে নবীনগরের স্মৃতিসৌধ এলাকা পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যানার
ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা।
তারেক
রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে।
কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার পাশাপাশি স্মৃতিসৌধের মূল ফটক বন্ধ করে জনসাধারণের
প্রবেশে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলোকুর রহমান বলেন, তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে
ছাত্রদল প্রস্তুত। আমরা এখন নেতার আগমনের অপেক্ষায় রয়েছি।
সাভার
পৌর বিএনপির সভাপতি খন্দকার শাহ মাইনুল হোসেন বিল্টু জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে
স্বাগত জানাতে নেতা-কর্মীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ব্যাপক জনসমাগমের
প্রস্তুতি নিয়েছেন।
জাতীয়
স্মৃতিসৌধের ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই
পুরো স্মৃতিসৌধ এলাকা ঝেড়ে-মুছে পরিষ্কার করা হচ্ছে।
ঢাকা
জেলার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে ঢাকা জেলা পুলিশের
পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহস্রাধিক
সদস্যের সমন্বয়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। পুরো এলাকা নিরাপত্তার
আওতায় রাখা হয়েছে।
এদিকে
সকাল থেকেই শীত উপেক্ষা করে সাভার, আশুলিয়া ও ঢাকার ধামরাই থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের
স্মৃতিসৌধ এলাকায় জড়ো হতে দেখা গেছে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক
এক দিনে ১ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
৭ জানুয়ারি কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০
বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিজিবির বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী
অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পৃথক পৃথক স্থান হতে সর্বমোট ১,০১,০৮,১৭৫/- (এক কোটি এক লক্ষ
আট হাজার একশত পঁচাত্তর) টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্যসহ বিভিন্ন প্রকার চোরাচালানী পন্য
সামগ্রী জব্দ করে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ, বিজিবিএমএস, পিবিজিএমএস,পিএসসি।
ভিডিও- কুমিল্লায় অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে বিজিবি
মন্তব্য করুন


প্রায় দেড়শ
বছরের ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী সৌদি আরবের সবচেয়ে প্রবীণ নাগরিক শেখ নাসের বিন রাদ্দান
আল রশিদ আল ওয়াদাইয়ের ইন্তেকাল করেছেন।
পরিবারের দাবি
অনুযায়ী, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১৪২ বছর। গত ১১ জানুয়ারি সৌদি আরবের দাহরান
আল এলাকায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
পরিবারের তথ্যমতে,
আধুনিক সৌদি আরব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠারও বহু আগে ঊনবিংশ শতকে আল রশিদের জন্ম
হয়েছিল। তিনি প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, মরুপ্রধান সমাজ থেকে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক
সৌদি আরবের রূপান্তর এবং একাধিক সৌদি শাসকের শাসনকাল প্রত্যক্ষ করেছেন।
পরিচিতজনদের
ভাষ্যে, তাঁর দীর্ঘ জীবনের মূল ভিত্তি ছিল দৃঢ় ধর্মবিশ্বাস ও পরিবার। জীবদ্দশায় তিনি
৪০ বারেরও বেশি পবিত্র হজ পালন করেন। মৃত্যুকালে তিনি ১৩৪ জন সন্তান, নাতি-নাতনি ও
তাঁদের বংশধর রেখে গেছেন। তিনি সাত বিয়ে করেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, ১১০ বছর বয়সে তিনি
শেষবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং পরবর্তী সময়ে তাঁর একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়।
মন্তব্য করুন