

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ২৭৯টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেলেন। আর
তার প্রতিদ্বন্দ্বী কমলা হ্যারিস পেলেন ২২৩টি। মোট ইলেকটোরাল কলেজ ভোট ৫৩৮টি। জেতার জন্য প্রয়োজন ছিল ২৭০টি।
প্রয়োজনীয় ইলেকটোরাল কলেজ ভোট জেতার আগেই ট্রাম্প অবশ্য ফ্লোরিডার মঞ্চে নিজেকে জয়ী ঘোষণা করে বিজয়ী ভাষণ দেন। অন্যদিকে ওয়াশিংটন ডিসিতে সমাবেশস্থলে ভাষণ দেননি কমলা। সেখানে সমর্থকদের ভিড়ও ছিল না।
বিশ্বনেতারা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানাতে শুরু করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে বিবিসির সহযোগী সংবাদমাধ্যম সিবিএস জানায়, সুইং স্টেট উইসকনসিনে জয় পেয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মাধ্যমে তার ২৭৬টি ইলেকটোরাল ভোট নিশ্চিত হয়।
এর মাধ্যমে ট্রাম্প আমেরিকার ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউজে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করলেন।
গুরুত্বপূর্ণ সুইং স্টেট পেনসিলভেনিয়াতেও জয় পেয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
র আগে ফ্লোরিডায় নির্বাচনী প্রচারণার ওয়াচ পার্টিতে হাজির হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তিনি একটি অসাধারণ বিজয় পেয়েছেন। এটি হবে আমেরিকার স্বর্ণযুগ।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি
খুঁজে পায় নিজস্ব ঐতিহ্য,সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ দেয়া এক বাণীতে বলেন, শুভ
নববর্ষ-১৪৩১’ পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির জীবনে পরম আনন্দের একটি দিন। আনন্দঘন
এই দিনে আমি দেশে ও বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে জানাই বাংলা নববর্ষের
শুভেচ্ছা। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা বিশ্ব
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন ও আদর্শের
অন্যতম ভিত্তি ছিল দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও জাতীয় চেতনার উন্মেষ। সেই চেতনায়
উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধু কারারুদ্ধ জীবনে সহবন্দিদের নিয়ে নববর্ষ উদযাপন
করেছিলেন। জাতীয় সংস্কৃতির এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জাতি হিসেবে বাঙালির জন্য
পরম গৌরব ও মর্যাদার।
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি খুঁজে পায় নিজস্ব
ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ। দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতাকে ভুলে সবাই জেগে
ওঠে নব আনন্দে, নব উদ্যমে। বৈশাখের আগমনে বেজে উঠে নতুনের জয়গান। ফসলি সন
হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল,সময়ের সাথে আজ সমগ্র বাঙালির
অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে।
এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের
আত্মবিকাশ ও বেড়ে ওঠার প্রেরণা। বৈশাখ শুধু উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।বাঙালি
সংস্কৃতির বিকাশ,আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মুক্তিসাধনায় পহেলা বৈশাখ এক অবিনাশী শক্তি।
বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও গণতান্ত্রিক বিকাশে সংস্কৃতির এই শক্তি রাজনৈতিকতন্ত্রের
চেতনাকে দৃঢ় ও বেগবান করে।
"পহেলা বৈশাখ আমাদেরকে উদার হতে শিক্ষা দেয় এবং একটি আদর্শ জাতিকে মানব সমাজের অনুপ্রাণিত হয়ে
বিশ্বমানবের সঙ্গে মিশে যাওয়ার শক্তি জোগায়। এই উদারনৈতিক চেতনাকে ধারণ করে
বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রদর্শন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আদর্শ এবং রাষ্ট্রভাষা চেতনার
বহ্নিশিখা অন্তরে ধারণ করে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ
বিনির্মাণ হোক আজকের দিনে সকলের অঙ্গীকার।"
ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকলে মিলে নাচ-গান, শোভাযাত্রা,
আনন্দ-উৎসব, হরেক রকম খাবার ও বাহারি সাজে বৈশাখকে বরণ করে নেয় উৎসবপ্রেমী বাঙালি
জাতি। নতুন বছরে যাত্রাপালা, পুতুলনাচ, লোকসংগীত, গ্রামীণ খেলাধুলা, মেলাসহ
নানাবিধ বর্ণিল আয়োজন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয় আনন্দ ও সম্প্রীতির নতুন
বার্তা।
রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা - সকল অশুভ ও অসুন্দরের ওপর সত্য ও
সুন্দরের জয় হোক। ফেলে আসা বছরের সব শোক-দুঃখ-জরা দূর হোক, নতুন বছর জাতীয় ও ব্যক্তিজীবনে
নিয়ে আসুক অনাবিল সুখ ও সমৃদ্ধি।
মন্তব্য করুন


উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন দেশে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।
কিন্তু সোমবার (৮ এপ্রিল) শুরু হওয়া মহাজাগতিক এই দৃশ্য সরাসরি দেখা যাচ্ছে শুধু যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো থেকে।
সোমবার মহাজাগতিক এই দৃশ্য সরাসরি দেখা যাচ্ছে শুধু যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো থেকে।
মেক্সিকোর স্থানীয় সময় বেলা পৌনে ১১টা (বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১১টা) থেকে বিরল এ সূর্যগ্রহণ দেখা যায়।
এরপর চাঁদের ছায়া ধীরে ধীরে সরে যাওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৭ মিনিটে দৃশ্যমান হবে এ সূর্যগ্রহণ।
তবে সূর্যগ্রহণের সময় বাংলাদেশে রাত হওয়ায় বাংলাদেশ বা এশিয়ার অন্য জায়গা থেকে এটি দেখা যাবে না। কিন্তু মহাকাশপ্রেমীরা এ বিরল দৃশ্য দেখার সুযোগ পাচ্ছেন নাসার ওয়েবসাইট লিংকে।
মন্তব্য করুন


স্ত্রী জন্মদিনে দুবাই নিয়ে যাওয়ার আবদার করেছিলেন । ইচ্ছে ছিল সেখানেই স্বামীর সঙ্গে নিজের জন্মদিন উদযাপন করবেন। তবে ইতিবাচক সাড়া দেননি স্বামী আর এতে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে ওই নারী স্বামীকে ঘুষি দিলে তার মৃত্যু হয়।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনের ওয়ানওয়াদি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নিখিল খান্না পেশায় একজন রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার ছিলেন।
শনিবার (২৫ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ।
ওয়ানওয়াদি থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, তদন্তে আরো উঠে আসে যে গত ১৮ সেপ্টেম্বর নিখিলের ৩৬ বছর বয়সী স্ত্রী রেনুকার জন্মদিন ছিল। তিনি এই দিনটি দুবাইতে উদযাপন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার স্বামী তাতে সম্মতি দেননি।এ ছাড়া গত ৫ নভেম্বর এই দম্পতির বিবাহবার্ষিকী ছিল। এই উপলক্ষে স্বামীর কাছ থেকে ভালো কিছু উপহারও আশা করেছিলেন। এক আত্মীয়ের জন্মদিন উপলক্ষে রেনুকা দিল্লি যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার স্বামীর কাছ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাননি। আর এসব কারণেই তিনি আপসেট ছিলেন।
ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরো বলেন, এসব বিষয় নিয়ে শুক্রবার এই দম্পতির মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। ক্ষোভের মধ্যে ওই নারী তার স্বামীর নাকে ঘুষি মারেন। এতে তার প্রচুর রক্ত ঝড়ে। ফলে তিনি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
এ ঘটনার পরপরই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নিখিলকে সসুন জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভারতীয় পুলিশ জানিয়েছে এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের মেরিনা তাবাশ্যুম বিখ্যাত মার্কিন সাময়িকী টাইম-এর ২০২৪ সালের বিশ্বের
১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন ।
বুধবার ২০২৪ সালের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের এই তালিকা প্রকাশ করেছে ম্যাগাজিনটি।
বিশ্ববিখ্যাত মার্কিন সাময়িকী টাইম প্রতিবছর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সারাবিশ্বের
প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিয়ে একটি তালিকা তৈরি করে ।এ বছর উদ্ভাবক ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের
মেরিনা তাবাশ্যুম এই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন।
মেরিনা তাবাশ্যুম পেশায় একজন স্থপতি।
মেরিনার সঙ্গে চলতি বছরের তালিকায় থাকা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে আরো আছেন রাশিয়ার
ইউলিয়া নাভালনায়া, শান্তিতে নোবেলজয়ী ইরানের মানবাধিকার কর্মী নার্গিস মোহাম্মদী, পোল্যান্ডের
প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্কসহ অনেকে।
বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট শিল্পী ক্যাটাগরিতে এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
মেরিনা তাবাশ্যুম সম্পর্কে টাইম লিখেছে, সচরাচর পুরস্কারজয়ী স্থপতিদের সঙ্গে
পরোপকার শব্দটি তেমন একটা উল্লেখ করা হয় না। তবে মেরিনা তেমন সাধারণ নন।
তিনি স্থাপত্য চর্চায় এমন একটি চর্চা তৈরি করেছেন, যাতে স্থানীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের
পাশাপাশি আমাদের এই ধরিত্রী যে বিপদের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তার অগ্রাধিকার ফুটে উঠেছে
।
টাইম আরো লিখেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের বড় ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশে মেরিনা এমন এক
ধরনের বাড়ি তৈরি করেছেন, যার নির্মাণ ব্যয়ও কম এবং সহজে স্থানান্তর যোগ্য। যা
সাধারণ মানুষের জন্য অনেক সুফল বয়ে নিয়ে আসবে।
মন্তব্য করুন


ক্যানসার, ডায়ালাইসিসে থাকা কিডনি রোগী, গুরুতর হৃদ্রোগ, অক্সিজেননির্ভর ফুসফুসজনিত সমস্যা, ভয়াবহ লিভার সিরোসিস ও মানসিক জটিলতাসহ দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হজে অংশগ্রহণের অনুমতি দেবে না সৌদি আরব।
সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোনো দেশের হজযাত্রীর মধ্যে এসব স্বাস্থ্যঝুঁকি শনাক্ত হলে সংশ্লিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে সংশোধনমূলক ও নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোমবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এতে বলা হয়, হজযাত্রী প্রেরণকারী সব দেশকে তাদের প্রত্যেক হজপ্রার্থীর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে সৌদি সরকার। পরীক্ষায় স্বাস্থ্যঝুঁকিমুক্ত প্রত্যয়ন পাওয়া ব্যক্তিরাই কেবল হজে যেতে পারবেন।
এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা ইতিমধ্যেই হজযাত্রী পাঠানো দেশগুলোর কাছে পাঠিয়েছে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। সেখানে বলা হয়েছে, শরীরের কোনো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ অকার্যকর হলে বা গুরুতর জটিল রোগ থাকলে হজের অনুমতি দেওয়া হবে না। এর মধ্যে রয়েছে—ডায়ালাইসিস চলমান কিডনি রোগ, মারাত্মক হৃদরোগ, অক্সিজেননির্ভর ফুসফুসের রোগ ও চূড়ান্ত পর্যায়ের লিভার সিরোসিস।
এছাড়া গুরুতর স্নায়বিক ও মানসিক সমস্যা, স্মৃতিভ্রষ্টতা, অতিবয়স্কতা, শেষ প্রান্তিক বা ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা থাকলেও কেউ হজে যেতে পারবেন না।
সংক্রামক রোগ যেমন যক্ষ্মা, ভাইরাল হেমোরেজিক জ্বর কিংবা কেমোথেরাপি বা অন্য কোনো ইমিউনোথেরাপি নিচ্ছেন—এমন ক্যানসার রোগীদেরও হজের অনুমতি দেওয়া হবে না।
প্রত্যেক হজযাত্রীর জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকিমুক্ত সনদ প্রদানের পরই “নুসুক মাসার” নামের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বৈধ স্বাস্থ্যসনদ ইস্যু করতে হবে। এটি সৌদি সরকারের হজ ও ওমরাহবিষয়ক একটি অফিসিয়াল অনলাইন ব্যবস্থা।
সৌদি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিমানবন্দরসহ আগমন ও প্রস্থানের সময় স্বাস্থ্যসনদ যাচাই করবে মনিটরিং টিম, যাতে তথ্যের সত্যতা ও সঠিকতা নিশ্চিত হয়।
এ বিষয়ে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, “হজ ব্যবস্থাপনা নির্বিঘ্ন রাখতে শারীরিক সক্ষমতা অত্যন্ত জরুরি। সৌদি সরকারের নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে হজযাত্রী নির্বাচন করা হবে।”
এছাড়া সৌদি সরকারের আহ্বানে স্বাস্থ্যনীতি ও যাচাই–বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক কর্মশালায় বাংলাদেশের দুইজন চিকিৎসক বর্তমানে অংশ নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


আজ ১৯ নভেম্বর বিশ্ব পুরুষ দিবস। আর এই দিবসটি স্মরণীয় করে রাখতে চাইলে বাবা, ভাই,
বন্ধু, সহকর্মী, স্বামী বা প্রেমিক যিনি হোন না কেন, আপনার প্রিয় পুরুষ মানুষটিকে আজ
কিছু উপহার দিতে পারেন। সেই মানুষটিকে স্মরণ করিয়ে দিতে পারেন আপনার জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ
তিনি।
পুরুষ দিবস পালনে প্রথমে ২৩ ফেব্রুয়ারি
দিন ঠিক হয়েছিল। কিন্তু আগে থেকে এ দিনটি ‘রেড আর্মি ও নেভি ডে’র জন্য নির্ধারণ করে
ফেলেছিল রাশিয়া।
ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর ওয়েস্ট
ইন্ডিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জিরোম টিলাকসিংয়ের উদ্যোগে ১৯৯৯ সালের ১৯ নভেম্বর থেকে
শুরু হয় বিশ্ব পুরুষ দিবস পালন। সে সময় ক্যারিবীয় অঞ্চলে দিবসটি ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা
পেয়েছিল। তবে দিন দিন দিবসটির জনপ্রিয়তা বাড়ছে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহত সেনাদের শ্রদ্ধা
জানাতে এবং পুরুষ জাতিকে উদ্বুদ্ধ করতে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নে ‘রেড আর্মি অ্যান্ড
নেভি ডে’ পালন করা হতো। সমাজে পুরুষদের বীরত্ব আর ত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়েই মূলত
দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বিশ্বজুড়ে নানাভাবে পুরুষ দিবস পালনের
রেওয়াজ রয়েছে। প্রতি বছর ১৯ নভেম্বর বিশ্বের ৭০টিরও বেশি দেশে দিবসটি পালন করা হয়।
এই দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, কানাডা, ভারত, পাকিস্তান,
ক্রোয়েশিয়া, জ্যামাইকা, কিউবা, স্কটল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মাল্টা, কানাডা, ডেনমার্ক,
নরওয়ে, অস্ট্রিয়া, ইউক্রেন ইত্যাদি।
মন্তব্য করুন


কৌতূহল থেকেই একজনকে খুন করে ফেললেন! দক্ষিণ কোরিয়ায় বিস্ময়কর এই ঘটনাটি ঘটেছে। খুনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জাং স্বীকার করেছেন ক্রাইম শো এবং টিভি প্রোগ্রাম দেখে তার খুন করার প্রতি আগ্রহ জন্মে।
বিবিসির প্রতিবেদনে পুলিশের বরাতে জানানো হয়, ২৩ বছর বয়সী জাং সাইকোপ্যাথ টেস্টে বেশ উচ্চ লেভেলের স্কোর করেছেন। জাং হত্যার জন্য ৫০ ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করেছিলেন এবং পরিশেষে ঐ নারীকে নিজের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেন। গত মে মাসে হত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি একটি অ্যাপের মাধ্যমে এক ইংরেজি শিক্ষকের সাথে পরিচিত হন। পরবর্তীতে তিনি ঐ শিক্ষকের বাড়িতে যেয়ে ছুরিকাঘাত করে তাকে হত্যা করেন।
আইনজীবীরা আদালতকে জানিয়েছে, জাং বেকার ও নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করা দাদার সাথে থাকতেন। তিনি একটি অনলাইন টিউশন অ্যাপে ভুক্তভোগীকে মাসের পর মাস টার্গেট করেছিলেন।
দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব শহর বুসানে ভুক্তভোগীর বাড়িতে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। জাং অনলাইন থেকে হাই-স্কুলের ইউনিফর্ম কিনে সেটি পরে টিউটরের বাড়িতে উপস্থিত হন। সেখানে ঐ নারী শিক্ষককে প্রায় ১০০ বারেরও বেশি ছুরিকাঘাত করে জাং। নারীর মরদেহটি টুকরো টুকরো করেন এবং বুসানের উত্তরে একটি নদীর কাছে প্রত্যন্ত পার্কল্যান্ডে ভাড়া ট্যাক্সিতে গিয়ে ফেলে দেন। ট্যাক্সি ড্রাইভার রক্তমাখা স্যুটকেসটি বনের মধ্যে ফেলতে দেখেন। এরপর তিনি পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ জানায়, জাংয়ের অনলাইন ব্রাউজিং ইতিহাস থেকে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডটির জন্য তিনি মাসের পর মাস ঘাঁটাঘাঁটি করেছেন। কীভাবে টার্গেটকে মারা যায় কিংবা মরদেহকে লুকিয়ে ফেলা যায় ইত্যাদি বিষয়ে খুব বিশদভাবে শেখার চেষ্টা করেছেন।
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশ
উত্থাপিত ‘শান্তির সংস্কৃতি’ শীর্ষক রেজোল্যুশন (প্রস্তাবনা) সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত
হয়েছে। ১১২টি দেশ এই রেজোল্যুশনটিতে কো-স্পন্সর করেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
প্রথম মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় ১৯৯৯ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে
শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি গৃহীত হয়। এরপর থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশ
‘শান্তির সংস্কৃতি’ রেজোল্যুশনটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উপস্থাপন করে আসছে, যা শান্তি
ও অহিংসার সংস্কৃতিকে উন্নীত করার জন্য আটটি বিশেষ ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করে, সে অনুযায়ী
কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সবার প্রতি আহ্বান রয়েছে এতে। এছাড়া সাধারণ পরিষদের সভাপতির
নেতৃত্বে ২০১২ সাল থেকে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ বিষয়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘে একটি উচ্চ পর্যায়ের
ফোরামের আয়োজন করে আসছে।
নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার
(২ মে) জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত
বাংলাদেশের পক্ষে এটি উত্থাপন করেন। শুক্রবার (৩ মে) জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন
এ তথ্য জানায়।
স্থায়ী মিশন বলছে, চলতি বছর
আলোচ্য রেজোল্যুশনটি একটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। কেননা এ বছরে শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা
এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি ২৫তম বর্ষে পদার্পণ করেছে।
প্রস্তাবনাটি উপস্থাপনের
সময় রাষ্ট্রদূত মুহিত বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে শান্তির সংস্কৃতির অব্যাহত
প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আজ বিশ্ব ক্রমবর্ধমান দ্বন্দ্ব এবং মানবিক মর্যাদা
অবজ্ঞার মুখোমুখি। এই ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও সহিংসতা থেকে উত্তরণে মানবমনে সম্প্রীতি
ও সহমর্মিতার ভাবকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে, সমতা ও সব মানুষের সমমর্যাদার চেতনাকে সমুন্নত
করতে হবে এবং সর্বোপরি যুদ্ধের চেয়ে শান্তিকে অনেক বেশি লাভজনক করে তুলতে হবে।
যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞে বাংলাদেশের
নিজস্ব অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মুহিত বলেন, জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতির
ধারণা প্রবর্তনের বাংলাদেশের উদ্যোগটি আমাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত। বৈষম্য,
বর্ণবাদী অসহিষ্ণুতা এবং পরাধীনতা আমাদের একটি ধ্বংসাত্মক যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করে।
এ কারণেই আমরা শান্তির প্রসারকে আমাদের পররাষ্ট্রনীতির একটি মৌলিক নীতিতে পরিণত করেছি।
এবারের রেজোল্যুশনে শান্তির
সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচির ২৫তম বার্ষিকী যথাযথভাবে পালন ও উদ্যাপনের
জন্য সাধারণ পরিষদের সভাপতিকে দিনব্যাপী একটি উচ্চ পর্যায়ের ফোরাম আহ্বান করার জন্য
অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া এ রেজোল্যুশনে সাধারণ পরিষদের সদস্য রাষ্ট্র, জাতিসংঘের
আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থা, নাগরিক সমাজ, বেসরকারি খাত, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
এবং মিডিয়াসহ অন্যান্য অংশীজনদের শিক্ষা ও জনসচেতনতা সম্প্রসারণসহ অন্যান্য আয়োজনের
মাধ্যমে যথাযথভাবে এই বার্ষিকীটি পালনের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
রেজোল্যুশনটির বিবেচনার পূর্বে
শান্তির সংস্কৃতির ওপর সাধারণ পরিষদে একটি সাধারণ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বহুসংখ্যক
সদস্য রাষ্ট্র বক্তব্য দেয়। এ সময় তারা শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি
বাস্তবায়নে তাদের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে।
সবশেষে প্রতিনিধি দলগুলো
জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতির ধারণাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক
নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে ধন্যবাদ জানায়।
মন্তব্য করুন


স্মরণকালের তীব্র ঠান্ডা আবহাওয়ার মধ্যদিয়ে এবারের শীতকাল অতিবাহিত করছে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ। কানাডার মধ্যপশ্চিমাঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আসা হীমশীতল ঠান্ডা বাতাস অব্যাহত থাকবে এ সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত।
গত সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া অসহনীয় এই ঠান্ডা ও শীতকালীন ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ১০টি রাজ্যে এখন পর্যন্ত ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। খবর সিবিএস নিউজ।
টেনেসি রাজ্যের ডিপার্টমেন্ট অফ হেলথ জানিয়েছে তাদের রাজ্যে আবহাওয়া জনিত কারণে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। অপরদিকে ওরেগন রাজ্যের কর্মকর্তারা ১৬ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন। এছাড়াও
ইলিনয়, পেনসিলভানিয়া, মিসিসিপি, ওয়াশিংটন, কেনটাকি, উইসকনসিন, নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি এবং আরও অনেক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
আবহাওয়াবিদরা নিউইয়র্ক সিটিতে যে পরিমাণ তুষারপাতের ধারণা করেছিলেন, সেখানে শুক্রবার তার চেয়েও বেশি তুষারপাত হয়েছে। আগামী সপ্তাহের আগে এ পরিস্থিতি কাটার কোনো সম্ভাবনা নেই।
দেশটির পশ্চিম উপকূলে মারাত্মক বরফ ঝড় এই অঞ্চলে আঘাত করার পর থেকে ওরেগনে জরুরি অবস্থার জারি রয়েছে এবং প্রায় ৪৫ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। এছাড়াও পেনসিলভেনিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, নিউ মেক্সিকো এবং ইন্ডিয়ানাতে অন্যান্য বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবর পাওয়া গেছে।
তীব্র ঠান্ডার কারণে মেম্ফিসের পানির অনেক পাইপ ভেঙে গেছে। শুক্রবার লাইট, গ্যাস ও পানি কর্তৃপক্ষ তাদের ৪ লাখ গ্রাহকের সবাইকে পানি ফুটিয়ে পান করার আহ্বান জানিয়েছে। এমনকি দাঁত ব্রাশের জন্য ফোটানো পানি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে তারা। যদি পানি ফোটানো সম্ভব না হয় তাহলে বোতলজাত পানি ব্যবহার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জন্য ঋণ সহায়তা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক। এসময় বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান বলেন, চলতি অর্থবছরে তার সংস্থা বাংলাদেশের জন্য দুইশ’ কোটি মার্কিন ডলারের নতুন অর্থায়ন করতে পারবে। এই অর্থ অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন, বন্যা মোকাবিলা, দূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বায়ুর মান বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে সহায়তা করা হবে।
জরুরিভাবে আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে এমন ক্ষেত্রে সহায়তা করা হবে উল্লেখ করে আবদৌলায়ে সেক বলেন, আমরা যত দ্রুত সম্ভব এবং যতটা সম্ভব আপনাদের সহায়তা করতে চাই।
বৈঠকে নতুন ঋণ সহায়তার প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার অনুরোধের প্রেক্ষিতে সংস্থাটি সরকারের চলমান বিদ্যমান প্রকল্পে প্রায় একশ’ কোটি ডলারের অতিরিক্ত একশ’ কোটি ডলারের তহবিল পুনর্বিন্যাসের কথা উল্লেখ করা হয়।
বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান জানান, অতিরিক্ত ঋণ প্রদানের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক এবারের অর্থবছরে বাংলাদেশকে সহজশর্তে ঋণ এবং মঞ্জুরি মিলিয়ে প্রায় তিনশ’কোটি মার্কিন ডলার প্রদান করবে, যার মাধ্যমে বিদ্যমান প্রকল্পসমূহের তহবিল পুনর্বিন্যাসও করা হবে।
সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন বাংলাদেশের তরুণ সম্প্রদায় এবং দেশটির জন্য ‘মহৎ কাজ’হবে উল্লেখ করে বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান বলেন, প্রতিবছর যে ২০ লাখ মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে, তারাও এর সুফল পাবে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরক্টেরকে উদ্দেশে করে বলেন, ১৫ বছরের অপশাসন থেকে ঘুরে দাঁড়াতে আমরা যে নতুন যাত্রার সূচনা করেছি তাকে এগিয়ে নিতে এবং সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে বিশ্বব্যাংকের ঋণ তহবিলসমূহের শর্তাবলী নমনীয় হতে হবে। আমাদের ধ্বংসাবশেষ থেকে নতুন কাঠামো তৈরি করতে হচ্ছে। আমাদের এখন বড় ধাক্কা দেওয়ার প্রয়োজন এবং ছাত্রদের যে স্বপ্ন রয়েছে তা পূরণে মনোযোগ দিতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন,
আমি আপনাদের বলবো- আমাদের সাহায্য করুন। আমাদের টিমের অংশীদার হোন। গত ১৫ বছরে শেখ
হাসিনার শাসন আমলে দুর্নীতিবাজরা অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে কয়েক বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে। পাচার হওয়া এসব অর্থ ফিরিয়ে আনতে তিনি বিশ্বব্যাংককে কারিগরি সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান।
বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সহায়তা করতে সম্মত হন। তিনি বলেন, আমরা আপনাদের সাহায্য করতে পেরে খুশি হবো। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে পরিসংখ্যানগত তথ্যের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা তৈরি, কর আহরণে অটোমেশন চালু এবং আর্থিক খাত সংস্কারে সহায়তা করতে চায়। বাংলাদেশ তার প্রতিষ্ঠানগুলো মেরামত এবং মোটা দাগের সংস্কার করার এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চায় না। একবার এ সুযোগ হারালে কখনো তা আর ফিরে আসবে না।
আবদৌলায়ে সেক জুলাই-আগস্টে ছাত্র আন্দোলনের শহিদদের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি ঢাকার দেয়ালে তরুণদের আঁকা বর্ণিল গ্রাফিতি ও ম্যুরাল দেখে মুগ্ধ হয়েছেন উল্লেখ করে বলেছেন, ৩০ বছরের চাকরি জীবনে অন্য কোথাও এমন দেখিনি।
মন্তব্য করুন