

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, বিএনপি যদি সংস্কার প্রস্তাব না মানে তবে এটা তাদের দায়িত্বহীনতার পরিচয়। নতুন করে রাজনৈতিক সংকট তৈরির অপপ্রয়াস। ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন সম্পর্কে জনগণের মাঝে সংশয় তৈরির অপপ্রয়াস।
আজ শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) কুমিল্লায় নিজ নির্বাচনি এলাকা চৌদ্দগ্রামের নির্বাচন কেন্দ্র পরিচালক সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় ডা. তাহের বলেন, ‘যদি নির্বাচন না হয় তাহলে যারা পালিয়ে গিয়ে ভারতে বসে ষড়যন্ত্র করছে, তারাই একটা সুযোগ নিবে। বিগত সরকারের যে বাংলাদেশ, সংস্কারবিহীন যে বাংলাদেশ, মনে হয় যেন বিএনপি সেই জায়গায় ফিরে যেতে চায়। বাংলাদেশকে আওয়ামী জাহেলিয়াতের দিকে ফিরে যেতে এদেশের মানুষ দিবে না।’
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, ‘সরকারের সিদ্ধান্ত থেকে যদি সরকার সরে যায়, তাহলে এটা পরিষ্কার হবে যে সরকার আর নিরপেক্ষ নেই। এ সরকার যদি নিরপেক্ষতা হারায় এবং কোনো দলের প্রতি যদি তাদের আনুগত্য প্রকাশ করে এ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এটা আশঙ্কা তৈরি হবে।’
উপজেলা জামায়াতে আমির মু মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা অঞ্চল টিম সদস্য ও সাবেক জেলা আমির আব্দুস সাত্তার, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবর রহমান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান ভুঁইয়া, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে সাবেক আমির ভিপি সাহাব উদ্দিন।
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইনের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা আমির মাওলানা ইব্রাহীম, জামায়াত নেতা আয়ুব আলী ফরায়েজী, সাবেক চৌদ্দগ্রাম উপজেলা দক্ষিণ আমির শাহ মিজানুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রহিম, পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি, মোশাররফ হোসেন ওপেলসহ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে
নিহত চট্টগ্রামের কিশোর মো. ইশমামুল হক চৌধুরীর কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনী পদযাত্রা শুরু হয়েছে।
আজ সোমবার বেলা
১১টার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার দর্জিপাড়া গ্রামে গিয়ে ইশমামুলের কবর জিয়ারত
করেন এনসিপির নেতৃবৃন্দ।
এরপর সেখান
থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে পদযাত্রা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পদযাত্রার নেতৃত্ব দেন এনসিপির
মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
কবর জিয়ারত
শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ‘ইশমামুল
হকরা যে স্বপ্ন নিয়ে জীবন দিয়েছেন, সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে
প্রতিষ্ঠিত হবে। গণভোটে “হ্যাঁ” জয়যুক্ত হলে জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষিত যে সংস্কার,
সেটির বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।’ সংস্কার বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।’
তিনি বলেন,
শহীদ ইশমামুল হকের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়েই এনসিপির নির্বাচনী পদযাত্রার আনুষ্ঠানিক
সূচনা করা হলো।
এ সময় তার সঙ্গে
জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম, এনসিপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক
সম্পাদক সুজা উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক ও চট্টগ্রাম-৮ আসনে এনসিপি
প্রার্থী মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বেলা
পৌনে ১১টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলায় পৌঁছান আসিফ মাহমুদসহ এনসিপির নেতারা। এ সময় তাদের
ফুল দিয়ে বরণ করে নেন এনসিপির লোহাগাড়া উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী জহির উদ্দীন।
এনসিপির নেতারা
জানিয়েছেন, সংস্কার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দেশের সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করা এবং গণভোটে
‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করার প্রচারণার উদ্দেশ্যে দেশজুড়ে ১১ দিনব্যাপী এই নির্বাচনী পদযাত্রা
কর্মসূচি পালন করবে এনসিপি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপির প্রার্থীদের জন্যও
পদযাত্রায় ভোট চাওয়া হবে।
এনসিপি সূত্রে
জানা গেছে, জিয়ারতের পর চট্টগ্রাম-৮ আসনে বোয়ালখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এনসিপি
প্রার্থী মো. জোবাইরুল হাসান আরিফের নির্বাচনী পথসভাসহ প্রচারণায় অংশ নেন আসিফ মাহমুদসহ
কেন্দ্রীয় নেতারা।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-৮
আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান
হাদির এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। পরিবারের পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুরেই অপারেশন
করবার অনুমতি দেয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর) ওসমান হাদির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের
এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পোস্টে লেখা হয়, আপনারা দোয়া করুন আল্লাহ যেন তাকে হায়াতে তাইয়্যেবাহ নসিব করেন।
মন্তব্য করুন


নবনির্বাচিত
সরকার শপথ নেওয়ার পরই সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরে যাবে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।
তবে তিনি স্পষ্ট করেন, পুলিশ পুরোপুরি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ না নেওয়া পর্যন্ত
সহায়তামূলক ভূমিকায় সেনাবাহিনীর একটি অংশ মাঠে মোতায়েন থাকবে।
গতকাল
সোমবার ( ১৫ ফেব্রুয়ারি ) বেলা ১১টায় আয়োজিত ‘সিএএস দরবার’-এ
সেনাবাহিনীর সব পদমর্যাদার সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১৫
মিনিটের ও অনুষ্ঠানে দেশে কর্মরত সদস্যদের পাশাপাশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত
সদস্যরাও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
নির্বাচনি
দায়িত্ব পালনের সময় সেনাসদস্যদের পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার প্রশংসা করেন
সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, কঠিন ও সংবেদনশীল সময়ে সেনাবাহিনী যে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব
পালন করেছে, তা দেশের মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় করেছে। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়
সেনাবাহিনীর ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশকে স্থিতিশীল
রাখতে সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। দেশ ও জনগণ সেনাবাহিনীর এ সেবাকে স্মরণ
রাখবে।
সেনাপ্রধান
জানান, সংবিধান ও বেসামরিক প্রশাসনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে সেনাবাহিনী দায়িত্ব
পালন করে আসছে। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করে বলেন,
নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের পুরস্কৃত করেন। তিনি সেনাসদস্যদের ধৈর্য, সংযম ও পেশাদারত্ব
বজায় রাখার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


পৃথিবীকে জলবায়ু বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার জন্য ‘শূন্য বর্জ্য ও শূন্য কার্বন’-এর ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন জীবনধারা গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
বুধবার (১৩
নভেম্বর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ২৯-এর ওয়ার্ল্ড লিডারস ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি আহ্বান করেন।
একটি নতুন পৃথিবী গড়ার লক্ষে তিনটি শূন্যভিত্তিক তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্নের কথাও উপস্থাপন করেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, বেঁচে থাকার জন্য, আমাদের আরেকটি সংস্কৃতি গঠন করতে হবে। একটি ভিন্ন জীবনধারার ওপর ভিত্তি করে আরেকটি পাল্টা সংস্কৃতি গড়তে হবে। এটি হবে শূন্য বর্জ্যের ওপর ভিত্তি করে। এ সংস্কৃতি নিত্য পণ্যের ব্যবহারকে সীমিত করবে, কোন বর্জ্য অবশিষ্ট রাখবে না। এ জীবনযাত্রাও হবে শূন্য কার্বনের ওপর ভিত্তি করে যেখানে কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি থাকবে না, শুধুমাত্র পুনঃনবায়নযোগ্য শক্তি থাকবে। এতে এমন একটি অর্থনীতি হবে যা প্রাথমিকভাবে সামাজিক ব্যবসার মতো ব্যক্তিগত পর্যায়ে শূন্য মুনাফার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। সামাজিক ব্যবসার একটি বিশাল অংশ পরিবেশ ও মানবজাতির সুরক্ষায় মনোযোগ দেবে। সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের জীবন কেবল সুরক্ষিতই হবে না, গুণগতভাবে উন্নত হবে। এটি যুবকদের জন্য উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সহজতর করবে। উদ্যোক্তা হওয়ার নতুন শিক্ষার মাধ্যমে তরুণরা প্রস্তুত হবে। চাকরিপ্রার্থী তৈরির শিক্ষা উদ্যোক্তা-কেন্দ্রিক শিক্ষা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে।
পরিবেশের সুরক্ষার জন্য একটি নতুন জীবনধারার প্রয়োজন উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন জীবনধারা চাপিয়ে দেয়া হবে না, এটি হবে পছন্দ বেছে নেওয়া। তরুণরা সে জীবনধারাকে পছন্দ হিসেবে বেছে নেবে। প্রতিটি যুবক তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে। এগুলো হচ্ছে- শূন্য নেট কার্বন নির্গমন, শুধুমাত্র সামাজিক ব্যবসা গড়ে তোলার মাধ্যমে শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ ও নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে পরিণত করার মাধ্যমে শূন্য বেকারত্ব। প্রত্যেক মানুষ তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে এবং সারাজীবন তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে থাকবে। এটি নতুন সভ্যতা গড়ে তুলবে। এটা করা যেতে পারে আমাদের যা করতে হবে তা হল এ গ্রহের নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নতুন জীবনধারা গ্রহণ করা যেখানে সবাই বসবাস করে। আজকের তরুণ প্রজন্ম বাকিটা করবে। তারা তাদের আমাদের গ্রহকে ভালোবাসে। আমি আশা করি আপনারা এ স্বপ্ন দেখায় আমার সাথে যোগ দেবেন। আমরা যদি একসাথে স্বপ্ন দেখি তবে তা সম্ভব হবে। জলবায়ু সংকট তীব্রতর হচ্ছে এবং সে কারণে মানব সভ্যতা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মানুষ আত্ম-বিধ্বংসী মূল্যবোধের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আত্ম-রক্ষাত্মক ও আত্ম-শক্তিবর্ধক একটি নতুন সভ্যতার ভিত্তি স্থাপনের জন্য আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক, আর্থিক ও যুব শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা, এই গ্রহের মানব বাসিন্দারা এই গ্রহের ধ্বংসের কারণ। মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করছে এবং তারা এমন একটি জীবনধারা বেছে নিয়েছে যা পরিবেশের বিরুদ্ধে কাজ করে। তারা এটিকে একটি অর্থনৈতিক কাঠামো দিয়ে ন্যায্যতা দেয়, যা এ গ্রহ ব্যবস্থার মতো প্রাকৃতিক হিসেবে বিবেচিত হয়। এ অর্থনৈতিক কাঠামো সীমাহীন খরচের ওপর ভিত্তি করে চলছে। আপনি যত বেশি ব্যবহার করবেন তত বেশি প্রবৃদ্ধি পাবেন। যত বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করবেন, তত বেশি অর্থ উপার্জন করবেন। সর্বাধিক মুনাফা অর্জনকে সিস্টেমের সবকিছুকে আমাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভূমিকা পালনের শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মন্তব্য করুন


সংবিধান সংস্কার কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট চালু হয়েছে। ওয়েবসাইটের ঠিকানা http://crc.legislativediv.gov.bd
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) থেকে চালু হওয়া সংবিধান সংস্কার কমিশনের এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সংবিধান সংস্কার বিষয়ে আগ্রহী ব্যক্তি বা সংগঠন পরামর্শ, মতামত ও প্রস্তাব জানাতে পারবেন।
আগামী ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পরামর্শ, মতামত ও প্রস্তাব জানাবার সুযোগ থাকবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থেকেও মতামত প্রদানের সুযোগ রয়েছে।
সংবিধান সংস্কার কমিশন থেকে জানানো হয়, এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কমিশন পরিচিতি, নোটিশ বোর্ডে এই কমিশনের সাম্প্রতিক তথ্য, অংশীজনের প্রস্তাব, কমিশনের প্রতিবেদন, যোগাযোগের ঠিকানা ও গুরুত্বপূর্ণ লিংক পাওয়া যাবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ
অংশীদার বলে বর্ণনা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার
বিকেলে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে সরকারি দায়িত্বে যুক্তরাষ্ট্র সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.
হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই
উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাসহ জাতিসংঘের অনেক কর্মযজ্ঞে উল্লেখযোগ্য অবদান
রেখে চলেছে এবং সে কারণেই আমরা বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা
করি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত ৫০ বছর
ধরে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের দৃঢ় অংশীদারত্ব এবং উন্নয়নে সহায়তার জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবকে
ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশের জাতিসংঘে যোগদানের অর্ধশত বছর পূর্তিতে গুতেরেসকে বাংলাদেশ
সফরের সাদর আমন্ত্রণ জানান তিনি।
দ্বিপাক্ষিক এ বৈঠকে মহাসচিব
জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে বাংলাদেশের অভিযোজন ও প্রতিকূলতা মোকাবিলার সক্ষমতার প্রশংসা
করেন।
জাতিসংঘ মহাসচিব রোহিঙ্গাদের
প্রতি বাংলাদেশের উদারতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের
বর্তমান পরিস্থিতি, বিশেষ করে সে দেশের সেনাবাহিনী তরুণ রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক নিয়োগ
করার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ
নিম্নআয়ের দেশের কাতার থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহযোগিতা
কামনা করলে গুতেরেস এ বিষয়ে বিশ্ব সংস্থার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে বলেন, এজন্য বাংলাদেশকে
পুরস্কৃত করা উচিত, শাস্তিদান নয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিস্তিনের
গাজায় সংঘাতসহ চলমান বিশ্বের কঠিন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় মহাসচিবকে তার নেতৃত্বের
জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, রাফায় সংঘাত এড়াতে সেখানে জাতিসংঘ মহাসচিব যেভাবে
নিজে উপস্থিত হয়েছিলেন, শান্তিপ্রিয় বিশ্ববাসী তার প্রশংসা করেছে।
এ সময় রোহিঙ্গা সংকটের ওপর বিশ্বের
আলোকপাত বজায় রাখা, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রিত প্রায় ১৩ লাখ
রোহিঙ্গার মর্যাদার সঙ্গে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন এবং মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাতময়
পরিস্থিতির উন্নতিকল্পে জাতিসংঘের জোরদার ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
জাতিসংঘ মহাসচিব গত দশকে বাংলাদেশের
অসামান্য অগ্রগতির প্রশংসা করলে ড. হাছান মহাসচিব গুতেরেসকে জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনার দূরদৃষ্টি ও দক্ষ নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ অনেক আগেই সামাজিক, অর্থনৈতিক,
মানবিক সূচকসহ সব সূচকে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে এবং গত কয়েক বছরে অনেক সূচকে ভারতকেও
ছাড়িয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২১ সালে মাথাপিছু আয়েও
ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে।
এ বৈঠকে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে
বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আবদুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
সফরসঙ্গী ও মিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আজ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের শপথ গ্রহণ হবে।
বাংলাদেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে রোববার (১১ আগস্ট) বঙ্গভবনে তার শপথগ্রহণ হবে।
রাষ্ট্রপতির আদেশে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি হাইকোর্টের বিচারক বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ শপথের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের প্রয়াত জ্যেষ্ঠ বরেণ্য আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এবং প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদের ছেলে।
সৈয়দ রেফাত আহমেদের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর। তিনি ১৯৮৪ সালে জেলা আদালতে, ১৯৮৬ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০২ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।
সৈয়দ রেফাত আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাজ্য থেকে বিএ ও এম এ ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্র থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান তিনি। দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হন।
তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, ভারত, পাকিস্তান, আরব আমিরাত, শ্রীলঙ্কা, নেপালসহ পৃথিবীর বহুদেশ ভ্রমণ করেছেন।
মন্তব্য করুন


রোববার ভোরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-২) ও যৌথ বাহিনী অভিযানে শীর্ষ মাদক কারবারি পিচ্চি রাজাসহ ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে ৩ জন নারী মাদক কারবারিও রয়েছেন।
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি জানায়, র্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) শিহাব করিম।
র্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) শিহাব করিম জানিয়েছেন, রোববার ভোরে জেনেভা ক্যাম্পে এ অভিযান শুরু হয়। অভিযানে র্যাব-২ ও যৌথ বাহিনী ছিল। এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র, দুটি পিস্তল, ২০ রাউন্ড গুলি ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া অভিযানে ৩ জন নারী মাদক কারবারি ও শীর্ষ মাদক কারবারি পিচ্চি রাজাসহ ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব-এর ৬টি পদ সংরক্ষণ করেছেন। এই উপলক্ষ্যে সচিবালয়ের সকল শ্রেণীর কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পক্ষে থেকে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব আবদুল খালেক এর নেতৃত্বে উপসচিব-এর ৬টি পদ সংরক্ষণের অফিস আদেশ হাতে পেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডিকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী
সমিতির মহাসচিব মাহে আলম, পার্সোনাল অফিসার সমিতির সভাপতি মোহা: সালাহউদ্দীন, নজরুল
ইসলাম, জাহেদা, সেলিনা, নুরুল আলম, রফিক, হান্নান সরদার, নুর নওয়েজ, মনিরুজ্জামান,
আক্তার, কামাল হোসেন, গাজীউর রহমান, ফরিদ, রিয়াদ, সাদ্দাম হোসেন, আলমগীর, মুননাফসহ
এছাড়া বিভিন্ন সংগঠন-এর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বিভিন্ন
ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর একুশে পদকের জন্য নয়জন বিশিষ্ট
ব্যক্তি এবং একটি সংগীত দলের নাম ঘোষণা করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ তালিকায়
প্রথমবারের মতো কোনো রক ব্যান্ড স্থান পেল।
এ
বছর একুশে পদক পাচ্ছেন—ফরিদা আক্তার ববিতা (চলচ্চিত্র), অধ্যাপক
মো. আব্দুস সাত্তার (চারুকলা), মেরিনা তাবাসসুম (স্থাপত্য), আইয়ুব বাচ্চু (সংগীত),
অর্থি আহমেদ (নৃত্য), ইসলাম উদ্দিন পালাকার (নাট্যকলা), শফিক রেহমান (সাংবাদিকতা),
অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার (শিক্ষা) এবং তেজস হালদার যস (ভাস্কর্য)। এছাড়া এ
বছর একুশে পদক পাচ্ছে জনপ্রিয় রক ব্যান্ড ওয়ারফেইজ।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ০৫ ফেব্রুয়ারি ) বিকেলে ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
একুশে
পদক দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান। ভাষা আন্দোলনের স্মরণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে
বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতি বছর এই পদক প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন